Wednesday, February 27, 2019

হৃদয়ের সংকেত !



                                -কবি মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা।
এক দীর্ঘ্তম স্বপ্নে বসে আছো, প্রেম আমার
শিরা -উপশিরায় ,ব্যকুল প্রাণে, পথ চেয়ে আছি নিশিদিন
দেহের উত্তাল শিহরণ- এ প্রাণের স্পন্দন বিস্তারে;
যেইখানে ছুটে যাই মনে পড়ে, তোমাকে মনে পড়ে!

এখন তুমি সরে গেলে ধীরে ধীরে কত দূরে আজ !
প্রেমের বাগানখানি অগ্নি শিখা হয়ে আমার ভিতরে
দাউ দাউ লেলিহান শিখায়, প্রেমের আবেগ অনুভূতির শাখা
পুড়ে পুড়ে বাক শূন্য করে দিগন্ত পারি দিলো ।

প্রেমকে খুঁজি আর খুঁজি দিবানিশি অন্তরে আমার..
হে স্বর্গিয় প্রেম, তুমি কোথায় লুকায়ে আছো ? ভুলে গেলে বুঝি ?
হে উদাসীন প্রেমিকা মনে পড়ে নাকে এ হৃদয়ের সংকেত !
প্রেম আজ অবিনাশি লোভে বাহ্যিক অভিনয়ে…
চলেছে তো চলেছে হিংস্র দানবের বন্ধু হয়ে ।
------------------------------------------------------ রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর।

ওইখানে, ওই সাহাবাগে




                                         -কবি মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা।
ওইখানে, ওই সাহাবাগে প্রতিবাদীদের রক্ত ঝরেছে কতো !
জানতে পারি, ওর মধ্যে কি রাষ্ট্রদ্রোহী ছিল দোসরের মতো ?
ওরা এসেছিল শুধু একটি ন্যায্য দাবী নিয়ে..
ওরা এসেছিল বঞ্চিত প্রাণের অধিকার আদায়ে
লক্ষ প্রাণের গগণ বিদারী আর্তনাদের স্বাক্ষী হয়ে
ওরা গর্জেছিল শুধু  কোটা পদ্ধতি সংস্কারের পক্ষে
তবে কেন?
এতো ক্ষত বিক্ষত রক্তের দাগ তরুণ তরুণীর বক্ষে !
কোন নাটের গুরুর ইচ্ছে অগ্রাসী বুলেট কামান ছুড়েছে..
এর জবাব কে দেবে - হে কান্ডারী ?
কোটার বাইরেও  লক্ষ সন্তান আছে- এ মায়ের কাছে..
ওরাও নাগরিক,ওরাও জাতির শক্তি,ওদেরও প্রেম আছে
সব আলোই কি কোটায় ?
সব মেধাই কি ওই গোষ্ঠির ?
কোটার বাইরে বাকীদেরও চিন, মেনে নাও মেনে নাও..
ফিরে দাও, ফিরে দাও, লক্ষ কোটি প্রাণের ন্যায্য দাবী ফিরে দাও..
 এ মু্ক্তিতো তোমার নিকটেই,

বৈষম্যের এত পালা
বঞ্চিতের যত জ্বালা.
নিভিয়ে দাও, নিভিয়ে দাও…

ওইখানে, ওই সাহাবাগে প্রতিবাদীদের রক্ত ঝরেছে কতো !
জানতে পারি, ওর মধ্যে কি রাষ্ট্রদ্রোহী ছিল দোসরের মতো ?

------------------------------------------------------ রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর।



হে নবীণ তুর্কি, প্রিয় জাহাঙ্গীর




                                 -কবি মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা।
তোমার দিকে তাকালে কেন জেগে উঠে আশা !
মনে পড়ে সেই সব ছাত্র নেতৃত্বের পটভূমি,
সেই সব বঞ্চিত ছাত্রদের হাসি, রাত কাটা ভোর,
আহা সেই রাজ পথের লড়াই সংগ্রামের উত্তাপ
জেগে উঠে আজ তোমাকে দেখে…

জেগে উঠে, প্রাণে প্রাণে সেই সব স্বপ্নের হাত,
ত্যাজি ঘোড়ার মতো তুমি সেই ভঙ্গুর পথে পথে.
 বিজয়ী সংবাদ এসে বলো দুঃখী বাগানের ফুলে ফুলে
ছড়ায়ে দাও সুবাস
ধরনির বুকে এক অমৃতের সন্ধানে- হে নবীণ তুর্কি ।

তোমার পথ পানে চেয়ে লক্ষ কোটি জনতার প্রাণ
গেয়ে যাও বাংলার পথে ঘাটে দুঃখী মানুষের গান।

হে নবীণ তুর্কি তোমার কাঁধে কান্ডারী দিয়েছে পাল তুলে
তুমি পারবে, তুমি পারবে হে পাঞ্জেরী ভিড়াও তরী কূলে ।
গাজীর সন্তানকে শুনাইয়ে যাও সেইসব বিজয়ের কথা,
যেখানে রবে না কোন পরাজয়ের মাল্য গাঁথা !


তোমার দিকে তাকালে কেন জেগে ওঠে আশা,
কোন সে ছবি এঁকেছো তুমি- হে নবীণ তুর্কি ?
জেগে আছে শত প্রাণে প্রাণে অনেক স্বপ্নের নীড়
তুমি পারবে, তুমি পারবে, দমবে না কভূ হে বীর !
লক্ষ কোটি বঞ্চিত প্রাণের তুমি এক নবীণ তুর্কি
এগিয়ে যাও, এগিয়ে যাও আমরা আছি ভয় কি !
----------------------------------------------------------চাবাগান, জয়দেবপুর,গাজীপুর।