কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা
রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর
************************************
কার্ডিওলজির বদ্ধ
কপাটে
কার
ক্রন্দন রোলে?
রংপুর
মেডিকেল কলেজ
হাসপাতাল—
সেথা
৫৫
বছরের
জননী
নুরজাহান বেগম
চলে
গেল
মহাকালের কোলে!
মায়ের
বুক
ফেটে
যায়,
সন্তানের চোখে
জল,
হাসপাতালের পাষাণ
দেয়ালে
মাথা
কোটে
রিফাত
নিষ্ফল।
শুক্রবার রাতে
এল
মা,
নিশ্বাস ভারী,
বুকে
তীব্র
টান,
অক্সিজেন কই?
অক্সিজেন কই?
ডাকিছে
সকরুণ
প্রাণ!
চিকিৎসক ঘুমে,
নাকি
নিয়তি
বিমুখ?
মেলেনি
তো
প্রতিকার,
ভোর
চারটায়
নিভে
গেল
প্রদীপ,
নেমে
এল
অন্ধকার!
মা হারা
ছেলে
ক্ষোভে
ও বেদনায় ছুঁড়েছে কি
দু’টি হাত?
চিকিৎসকেরা রুখে
দাঁড়াল—
‘আমাদের
ওপর
আঘাত!’
তার
পর?
ওগো
মানবিকতার মরণ-মিছিল দেখ!
লাশ
আটকে
রইল
দীর্ঘ
এগারো
ঘণ্টা,
খাতায়
নাম
লেখ!
জরুরি
বিভাগে
চলল
ধর্মঘট,
রুগী
কাঁদে
যন্ত্রণায়,
পরিচালকের মিনতিও
ওড়ে
ইন্টার্নদের অহমিকায়!
বিকেলের আলো
ম্লান
হয়ে
এল
পরিচালকের ঘরে,
মায়ের
লাশ
পেতে
জ্যান্ত সন্তান
বুক-ফাটা আর্তনাদ করে।
সেথা
ক্ষমতার দম্ভে,
মরণ-উৎসবে মাতাল নরপশু
দল,
রিফাতকে ডেকে
এনে
করাল—
কান ধরে ওঠবস!
দশবার
কেবল!
মায়ের
লাশের
পাশে
সন্তানের এই
চরম
অপমান,
ধিক্
ওরে
ধিক্!
ভেঙে
পড়ুক
আজ
এই
নরকের
পাষাণ!
ভিডিওর ফ্রেমে
বন্দি
হলো
সেই
কলঙ্কের কালো
দাগ,
সামাজিক মাধ্যমে জ্বলে
উঠল
কোটি
মানুষের তীব্র
রাগ।
পরিচালক বলেন,
‘নিন্দনীয় অত্যন্ত!’
শুধু
এই
ফাঁকা
বুলি?
আমরা
যে
আজও
অন্যায়ের মুখে
চেয়ে
আছি
চোখ
খুলি!
জাগো
রে
তরুণ,
জাগো
রে
মানব,
ভাঙো
এই
ক্ষমতার স্তম্ভ,
মায়ের
লাশের
সামনে
যেন
আর
না
চলে
পিশাচের এই
দম্ভ!
--------------------------------------------------------