Thursday, July 16, 2026

দূর্গাপুরের আদর্শিক নেতা

 কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা

রাওনাট, কাপাসিয়া,গাজীপুর

******************************************

বজ্রকণ্ঠে জেগে ওঠো আজ, হে বীর দর্পী কান্ডারী!
ভাঙো জড়তার শৃঙ্খল-পাণ্ডারী।
কলেজের সেই উত্তাল দিনে,
রাজপথের তপ্ত মরূদ্যানে,
তুমি ছিলে মোর সম্মুখ সেনানীঝড়ের বুকে অকুতোভয়!
কত মিছিলে, কত আন্দোলনে,
কত আড্ডার মধুর ক্ষণে,
বিনি সূতোর মালার মতো গেঁথেছিলাম হৃদয়,
কখনো মনে হয়নি আমরা ভিন রক্তের রক্তধারা;
একই শ্লোগান, একই আদর্শে হয়েছিলাম দিশাহারা!

আজ তুমি জনতার মহা-নেতা,
বিশাল আকাশ সম ছড়াচ্ছ উদারতা।
ছুটে আসো তুমি জনতার ডাকে, কথা বলো ভালোবেসে,
জনতার সেবাই ধ্যান জ্ঞান তোমার, চলছ আলোর দেশে;
তোমার আদর্শ চরিত্র দেখে জনতা বিমোহিত,
তুমি বলেছ থাকবে পাশেতাই সবাই উল্লসিত!

তুমিও তো ছিলে কাপাসিয়ার
যুব দলের সেই দীপ্ত সভাপতি, দুর্বার চেতনার,
কাপাসিয়া কলেজের সম্মুখ সারীর ছাত্র নেতা,
ভিপি পদপ্রার্থী, শৃঙ্খলবদ্ধ সংগঠক, মেটাতো মনের ব্যথা।
আমরা অনুজ, প্রতিটি ক্ষণে, প্রতিটি মুহূর্তে অনুক্ষণ,
করেছি তোমার পথ অনুসরণ!
জননী যেমন আঁচল বিছিয়ে আগলে রাখে রে সুখে,
তুমি আমাদের আগলে রেখেছ, সাহস দিয়েছ বুকে। [1]

দূর্গাপুরের মাটি মানুষ গর্বিত আজ তোমায় পেয়ে,
বুকটা আমার ভরে ওঠে গর্বে, তোমার পানে চেয়ে!
তোমার নেতৃত্ব আলো দেখাবে, ঘুচাবে আঁধার কালো,
শোষিত বঞ্চিত মানুষের পাশে জ্বেলে দেবে আশার আলো।
লাল সবুজের চেতনাকে তুমি রাখবে সমুন্নত,
স্বাধীনতা বিরোধীদের রুখে দিতে তুমিই তো প্রস্তুত!
তোমার হাত ধরেই দূর্গাপুরের জনতা মুক্তি চায়,
তুমি এক আদর্শিক নেতাজনতা বলাবলি করে তাই। [1]

তুমি এসো হে আব্দুল্লাহ কাকন!
বীর দর্পে তুলে নাও দূর্গাপুরের পতাকা অনন্য।
তুমি এসো হে,
অবহেলিত দূর্গাপুর ইউনিয়নের হাল ধরো আজ এসে,
যেরূপ তুমি কলেজ জীবনে
ছাত্রদের হাল ধরেছিলে ঝঞ্ঝার মুখোমুখি ভালোবেসে!


দূর্গাপুরের মাটি মানুষ, জাগো রে জাগো এবার,
আব্দুল্লাহ কাকন ভাই, তুমিই তো হাল জোয়ার!
লাল-সবুজের পতাকায় হোক শোষিত মানুষের জয়,
তোমার সাহসে দূর্গাপুর ভাঙবে আঁধার ভয়!

-------------------------------------------------------------

 

Wednesday, July 15, 2026

কখনো তো না বলো নি

কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা

রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর

***********************************

তোমার বাগানের বকুলতলায়
আমি রোজ যেতাম।
অধীর হাতে ফুল ছিঁড়েছি,
তুমি কখনো বলো নিনা
কখনো মানা করো নি।

কত সুখের, কত দুঃখের গল্প,
কত ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা;
সব তো একসাথেই করা।
একসাথে সেই টিভির পর্দা, প্রাইভেট পড়া,
কিংবা লুকোচুরি খেলা
তুমি কখনো তো না বলো নি!

শুধু...
বলা হয়নি সেই কথাটি,
হৃদয় যা চেয়েছিল।
না তুমি বলেছো,
না আমি বলেছি।
তবু দুজন মিলে অলক্ষ্যে রচে গেছি
হৃদয়ের গভীরতম কবিতা।

তুমি ফুল দেখিয়ে বলেছিলে,
"
দূর থেকে ভালোবাসা নেও।"
আমি নিয়েছিলাম।
ঠিক চাতক পাখির মতো।
তুমিও আসতে আমার আঙিনায়,
আর আমি নিয়মিত যেতাম তোমার কাননে।

তুমি জানালার পাশে
অপলক চেয়ে থাকতে রাস্তার দিকে, মাঠের দিকে।
আর আমিও ধুলোমাখা খেলার মাঠ থেকে,
চেয়ে থাকতাম তোমার পানে।
প্রতিদিন ছুটে যেতাম
শুধু তোমার জন্য।

কত যে রাত্রি নির্ঘুম কেটেছে!
আকাশের তারা গুনে গুনে,
চাঁদের আলোয় তোমার মুখচ্ছবি বুনে।
এতো কাছে ছিলাম দুজনে,
তবু মুখ খুলে বলা হয়নি
সেই কবিতার কথাটি।

যে কবিতায় ছিলে
শুধু তুমি,
শুধু তুমি।

সেই কবিতা এখনো আছে আগের মতোই,
অক্ষত, অবিকল।
শুধু...
তুমি নেই আজ সেই পুষ্পবোঁটায়।
শুকিয়ে গেছে চন্দ্রমল্লিকা।

আমি কি তোমাকে ভালোবেসেছিলাম?
নাকি তুমিও আমাকে?
আজো সেই প্রশ্নের উত্তর পাইনি।

উত্তর না পেলেও
আমার এই শূন্য হৃদয় বলে,
তুমিও ছিলে আমারই লেখা পরম কবিতা।
যার চরণে চরণে উদিত হতো ভোরের সবিতা।

কিন্তু...
কোন কালবৈশাখী ঝড়ে,
কোন মেঘের ডাকে
তুমি হারিয়ে গেলে আজো জানা হলো না,
হে আমার হৃদয়ের কবিতা!

একটি সান্ত্বনা আজো আছে এই বুকে,
তুমিতো কখনো বলো নি
"
তুমি আমার কবিতা নও।"
তাই আজো তুমি আমার মহাকাব্য,
আমারই আকাশের শুকতারা।

--------------------------------------------------