Thursday, June 18, 2026

যোগ্য করে গড়ে তুলো হে

 কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা

রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর।

*********************************

যোগ্য করে গড়ে তুলো হে নিজেকে, আগামীর অগ্নি-সন্তান!
তোমাদের হাতেই রেখে যেতে চাই
আমার স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ,
আমার রক্তে রাঙা প্রভাতের গান।

ভয় করো না!
ঝঞ্ঝার সাথে লড়াই করো,
বজ্রের সাথে করো মিতালি।
হীনমন্যতার শিকল ভেঙে
দাঁড়াও আকাশ-সম উচ্চ ললাটে,
হও দুর্জয়ের অভিযাত্রী।

শিক্ষা লও হে
শুধু পুঁথির পাতায় নয়,
জীবনের গভীর মহাগ্রন্থে;
জ্ঞানকে করো দীপশিখা,
যে আলো জ্বালে অন্ধকার যুগের অন্তে।

নৈতিকতার মেরুদণ্ড গড়ো,
সত্যকে করো জীবনের ধ্রুবতারা;
মিথ্যার কাছে নত হয়ো না,
যতই আসুক প্রলোভনের কারা।

নেতৃত্ব শেখো হে,
কিন্তু প্রভুত্ব নয়;
মানুষকে ভালোবাসার শিল্প শেখো।
ক্ষমতার মসনদ নয়,
সেবার মহিমায় হৃদয় রেখো।

অন্যায় দেখিলে প্রতিবাদ করো,
বজ্রকণ্ঠে উচ্চারো সত্যের বাণী;
ভীরুর মতো মুখ লুকিয়ে নয়,
হও যুগের জাগ্রত প্রহরী।

সৎ চরিত্রের হও,
পবিত্র নদীর মতো স্বচ্ছ;
ঘুষ, দুর্নীতি, প্রতারণা,
লোভের বিষপাত্র করো পরিত্যক্ত।

হও পরিশ্রমী,
হও শৃঙ্খলাবদ্ধ,
হও দায়িত্বে অটল পর্বত;
বিপদে হয়ো না পলাতক সৈনিক,
হও সংগ্রামের অগ্নিরথ।

মানবতা শেখো,
ধর্মে ধর্মে গড়ো না প্রাচীর;
মানুষের দুঃখে কাঁদতে শেখো,
সেবায় খুঁজে নাও জীবনের তীর।

হও বিনয়ী,
হও সাহসী,
হও উদার মহীরুহের ছায়া;
নারীর সম্মান রক্ষায় দাঁড়াও,
অন্যের অধিকারে দিও না হানা।

স্বপ্ন দেখো
কিন্তু স্বপ্নের জন্য জাগতেও শেখো;
দেশকে ভালোবেসে
নিজেকে প্রতিদিন নতুন করে লেখো।

হে নবযুগের তরুণ!
হে আগামীর দীপ্ত প্রজন্ম!
তোমাদের বুকে জ্বলুক
সত্য, জ্ঞান, ন্যায় আর দেশপ্রেমের অগ্নিশিখা।
তবেই আমার শেষ বিদায়ের দিনে
আমি হাসিমুখে বলিব
"আমি যাচ্ছি,
কিন্তু রেখে গেলাম
একটি যোগ্য, জাগ্রত, দুর্নিবার প্রজন্ম!

-------------------------------------------------

 

জাগো হে অভিভাবক!

 কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা

রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর

******************************

জাগো হে অভিভাবক! জাগো রে আজ,
ঘরের প্রদীপ নিভে যায়তবু কেন নিদ্রার সাজ?

ছেলে কোথায়? মেয়ে কোথায়?
কারা ওদের বন্ধু-সাথী?
কোন আড্ডাতে কাটে সন্ধ্যা,
কারা ওদের পথের সাথী?

কোন পথে যায়? কোথায় ফেরে?
কখনো কি নিয়েছ খোঁজ?
নাকি শুধু জীবিকার তরে
ব্যস্ত থেকেছ রোজ?

মোবাইল হাতে কার সাথে কয়?
কার জন্যে নিশি জাগে?
পড়ার টেবিলে জ্ঞানের দীপ,
নাকি মোহের ছায়া লাগে?

শিখিয়েছ কি সালাম-কালাম,
আদব-কায়দা, ভদ্রতা?
শিখিয়েছ কি ধর্মের আলো,
নীতি, প্রেম আর মানবতা?

আত্মীয়তার বটের ছায়া,
শিখিয়েছ কি তারে তুমি?
বৃদ্ধ-জনের সম্মান দিতে,
দুঃখীর পাশে দাঁড়াতে ভূমি?

আজ সমাজে বিষের ধোঁয়া,
প্রলোভনের শত ফাঁদ;
অবহেলার ক্ষুদ্র ছিদ্রে
ডুবে যায় কত স্বপ্ন-সাধ।

সন্তান তোমার কাঁচা মাটি,
তুমিই তার কারিগর;
ভালোবাসা, শাসন, শিক্ষায়
গড়ো তাকে মহীয়ান নর।

তাই বলি আজ বজ্রকণ্ঠে
জাগো, ভাঙো উদাসীনতার বাঁধ!
ঘরকে আগে আলোকিত করো,
তবেই আলোকিত হবে দেশ সমাজ।।

নইলে একদিন ইতিহাস লিখিবে
"পিতারা ছিল ব্যস্ত, মাতারা ছিল ক্লান্ত,
অবহেলার অন্ধকারে হারাইয়া গিয়েছিল
একটি প্রজন্মস্বপ্নহারা, বিভ্রান্ত!"

জাগো হে অভিভাবক!
এখনো সময় আছে
ঘরের প্রদীপ রক্ষা করো,
নইলে ঝড় আসিছে!

 

Bottom of Form


অবহেলিত গোলাপ

 কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা

রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর

*********************************

আজ আমি এক অবহেলিত গোলাপ
নিঃসঙ্গ বাগানের কোণে দাঁড়িয়ে থাকা
স্মৃতিভারাক্রান্ত কোনো প্রেমপত্রের মতো।
পাপড়িগুলো শুকিয়ে আসে ধীরে ধীরে,
যেন বিরহিণীর চোখের কোণে জমে থাকা
শেষ অশ্রুবিন্দুর লাল আভা।

একদিন আমাকেই ঘিরে ছিল বসন্তের উৎসব।
দক্ষিণা বাতাস আমার সুবাস চুরি করে
নিয়ে যেত দূর-দিগন্তে;
ভ্রমররা মধুর লোভে নয়,
ভালোবাসার অজুহাতে
আমার চারপাশে রচনা করত অনন্ত গুঞ্জরণ।

কত প্রেমিক আমাকে বুকে চেপে বলেছে
তুমি আমার হৃদয়ের রক্তিম স্বপ্ন!”
কত প্রেমিকা আমার পাপড়িতে লুকিয়ে রেখেছে
অপ্রকাশিত অনুভবের গোপন চিঠি!

আজ সেই সব দিনের উপর
ধুলোর মতো জমেছে সময়।

এখন আর কেউ আমার দিকে ফিরে তাকায় না।
সুবাস ফুরিয়েছে বলে
ভ্রমরও আর পথ চিনে আসে না।
মধু নিঃশেষ হলে যেমন নদী ছেড়ে যায় নৌকা,
তেমনি স্বার্থ ফুরালে মানুষও হারিয়ে যায়
অচেনা কোনো জনপদের ভিড়ে।

প্রকৃতি বড় আশ্চর্য প্রেমিকা
যত গভীর করে ভালোবাসে,
তত নিঃশব্দে ফিরিয়েও নেয়।
সে শিখিয়েছে আমাকে
পূর্ণিমার চাঁদও একদিন ক্ষয়প্রাপ্ত হয়,
শিউলিও ঝরে পড়ে ভোরের শিশিরে,
আর গোলাপও একদিন হারায়
তার রক্তিম যৌবনের অহংকার।

তবু আজও সন্ধ্যার বাতাস এলে
আমি চোখ বুজে অনুভব করি
কোথাও হয়তো কোনো হৃদয়
এখনো আমার সুবাসের স্মৃতি বহন করে।

তাই ঝরে যাওয়ার আগে
শেষবারের মতো আকাশকে বলি
ভালোবাসা যদি সত্যিই ভালোবাসা হয়,
তবে সে শুধু প্রস্ফুটিত গোলাপকে নয়,
শুকিয়ে যাওয়া পাপড়িকেও
অপরূপ মমতায় ছুঁয়ে রাখবে।

কারণ প্রেম তো মধুর জন্য নয়,
রূপের জন্য নয়, সুবাসের জন্যও নয়
প্রেম হলো সেই চাঁদের আলো,
যে নিঃশেষ রাতের পাশেও বসে থাকে;
প্রেম হলো সেই বৃক্ষ,
যে ঝরা পাতাকেও নিজের সন্তান বলে ডাকে।

আজ আমি অবহেলিত গোলাপ
তবু আমার প্রতিটি ঝরে-পড়া পাপড়িতে
লেখা আছে এক অনন্ত প্রেমের উপাখ্যান,
যেখানে বিচ্ছেদ আছে, অবহেলা আছে,
তবু ভালোবাসা এখনো
রক্তিম হয়ে ফুটে আছে নীরব হৃদয়ের বাগানে।

------------------------------------------

অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান (ফরিদ)

 

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।

প্রিয় দর্শকবৃন্দ,

কখনো কখনো কোনো মানুষ শুধু একটি নাম হয়ে থাকেন না; তিনি হয়ে ওঠেন একটি জনপদের স্বপ্ন, একটি প্রজন্মের প্রেরণা, একটি অঞ্চলের অহংকার। যেমন ভোরের সূর্য পূর্বাকাশে উদিত হয়ে চারপাশ আলোকিত করে, তেমনি গাজীপুরের কাপাসিয়ার মাটিতে জন্ম নেওয়া অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান (ফরিদ) আজ তাঁর মেধা, প্রজ্ঞা নিরলস সাধনার আলোয় আলোকিত করেছেন সমগ্র দেশের শিক্ষা অঙ্গন।

ঢাকা মাধ্যমিক উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান হিসেবে তাঁর নিয়োগ শুধু একটি প্রশাসনিক পদায়ন নয়; এটি মেধা, সততা, অধ্যবসায় এবং দীর্ঘ সংগ্রামী পথচলার এক উজ্জ্বল স্বীকৃতি। রাওনাট আদর্শ উচ্চ বিদ্যানিকেতনের প্রাক্তন মেধাবী ছাত্র হিসেবে তিনি শৈশব থেকেই জ্ঞানার্জনের দীপশিখা বুকে ধারণ করেছিলেন। জীবনের প্রতিটি ধাপে কঠোর পরিশ্রম, আত্মনিবেদন অদম্য প্রত্যয়ের মাধ্যমে তিনি আজকের এই সম্মানজনক অবস্থানে পৌঁছেছেন। তাঁর এই সাফল্য প্রমাণ করেমাটির কাছ থেকে উঠে আসা স্বপ্নও একদিন আকাশ ছুঁতে পারে।

১৬তম বিসিএস সাধারণ শিক্ষা ক্যাডারের এই গুণী কর্মকর্তা ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে দক্ষতা, সততা দূরদর্শিতার অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। চেয়ারম্যানের পদ শূন্য হলে তিনি অত্যন্ত সফলতার সঙ্গে সেই দায়িত্বও পালন করেন। এর আগে কুমিল্লার গৌরিপুর মুন্সি ফজলুর রহমান সরকারি কলেজে দীর্ঘ নয় বছর নিষ্ঠা সুনামের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে শিক্ষার্থী, শিক্ষক সহকর্মীদের হৃদয়ে স্থায়ী আসন গড়ে নিয়েছেন।

আজ যখন তিনি ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের শীর্ষ দায়িত্বে অধিষ্ঠিত হয়েছেন, তখন কাপাসিয়ার আকাশে যেন গৌরবের নতুন রংধনু ফুটে উঠেছে। শীতলক্ষ্যার ঢেউ, কাপাসিয়ার সবুজ মাঠ, শিশিরভেজা ধানক্ষেত আর গ্রামের মেঠোপথ যেন গর্বে উচ্চারণ করছে—"এই সন্তান আমাদেরই।"

আমরা বিশ্বাস করি, তাঁর প্রজ্ঞা হবে ধ্রুবতারার মতো দিকনির্দেশক, তাঁর নেতৃত্ব হবে বর্ষার নির্মল ধারার মতো প্রাণবন্ত, আর তাঁর কর্মদক্ষতা শিক্ষা ব্যবস্থায় বয়ে আনবে নতুন সম্ভাবনার সুবাতাস। তাঁর হাত ধরে ঢাকা শিক্ষা বোর্ড আরও আধুনিক, স্বচ্ছ গতিশীল হয়ে দেশের শিক্ষার মানোন্নয়নে অগ্রণী ভূমিকা পালন করবেএটাই আমাদের প্রত্যাশা।

গাজীপুরবাসী তথা কাপাসিয়াবাসীর পক্ষ থেকে এই কৃতি সন্তানকে জানাই প্রাণঢালা অভিনন্দন, আন্তরিক শুভেচ্ছা এবং অফুরন্ত ভালোবাসা। মহান আল্লাহ তাআলা তাঁকে সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু এবং নতুন দায়িত্ব পালনের শক্তি প্রজ্ঞা দান করুন।

কাপাসিয়ার এই সূর্যসন্তান আরও দীপ্ত হোন, আরও আলোকিত করুন দেশের শিক্ষা-আকাশএই প্রার্থনায় আজকের বক্তব্য শেষ করছি।

অভিনন্দন প্রিয় স্যার।
অভিনন্দন কাপাসিয়া।
অভিনন্দন বাংলাদেশের শিক্ষাঙ্গন।

ধন্যবাদ।

 

 

বাবা দিবসের প্রার্থনা

 কবি মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা

রাওনাট, কাপাসিয়া,গাজীপুর

********************************

তোমাকে নিয়ে কবিতা লিখতে বসলে
কলম কাঁপে, ভাষা থেমে যায়,
কারণ তুমি কোনো শব্দ নও
তুমি এক মহাকাব্য;
তুমি কোনো অনুভূতি নও
তুমি অনুভূতিরও উৎস।

তুমি ছিলে আমার জীবনের সেই বিশাল বটবৃক্ষ,
যার ছায়ায় দাঁড়িয়ে আমি
ঝড়কে উপহাস করতে শিখেছি।
তুমি ছিলে মরুপ্রান্তরের মুসাফিরের জন্য
শীতল কাওসারের ধারা,
অন্ধকার রজনীর নিঃসঙ্গ আকাশে
ধ্রুবতারা হয়ে পথ দেখানো এক অনন্ত নূর।

হে প্রিয় বাবা,

তোমার দুটি হাত ছিল
আমার ভাগ্যের কিবলা,
তোমার কণ্ঠস্বর ছিল
ভীত হৃদয়ের জন্য আজানের মতো প্রশান্তি।
যখন পৃথিবী আমাকে প্রত্যাখ্যান করেছে,
তখন তোমার বক্ষ ছিল
আমার জন্য নিরাপদ হারাম।

তুমি ছিলে সেই দরিয়া,
যে নিজে শুষ্ক হয়ে
সন্তানের তৃষ্ণা নিবারণ করে।
তুমি ছিলে সেই শমা,
যে নিজে জ্বলে জ্বলে
অন্যের জীবন আলোকিত করে।
তুমি ছিলে সেই গুলিস্তানের গোলাপ,
যার শরীর ক্ষতবিক্ষত হলেও
সুবাস বিলিয়ে যায় নিরবধি।

আমি দেখেছি
রাতের শেষ প্রহরে
তোমার সিজদারত অবয়ব,
দেখেছি সন্তানের জন্য
চোখের কোণে জমে থাকা অশ্রুর শিশির।
দুনিয়া দেখেছে তোমার কঠোর মুখ,
আর আমি দেখেছি
সেই মুখের আড়ালে লুকিয়ে থাকা
রহমতের সমুদ্র।

বাবা,

তোমার কপালের প্রতিটি ভাঁজ
একেকটি যুদ্ধের ইতিহাস,
তোমার শুভ্র কেশরাশি
সময়ের লিখে যাওয়া ত্যাগের কাসিদা।
তোমার পদচিহ্নের উপর ভর করেই
আমি জীবনের সড়ক অতিক্রম করেছি,
তোমার দোয়ার পাখায় ভর করেই
উড়েছি স্বপ্নের আকাশে।

আজ যখন আয়নার সামনে দাঁড়াই,
নিজের মুখে তোমার ছায়া দেখি।
নিজের কণ্ঠে তোমার প্রতিধ্বনি শুনি।
তখন বুকের ভেতর এক অদ্ভুত হুজুন জাগে
একদিন আমিও বৃদ্ধ হবো,
কিন্তু তোমার মতো মহান হতে পারবো কি?

হে আমার প্রিয় বাবা,

তুমি পৃথিবীর বুকে আল্লাহর দেওয়া
সবচেয়ে সুন্দর নিয়ামত,
সবচেয়ে পবিত্র আমানত।
তোমার ভালোবাসা ছিল
শীতের কুয়াশায় জেগে থাকা উষ্ণ সূর্য,
বর্ষার ঝড়ের মাঝে জ্বলতে থাকা বাতিঘর,
আর জীবনের সাহারায় ফুটে থাকা
একমাত্র গোল--মুহাব্বাত।

আজ বাবা দিবসে
আমার রূহের সমস্ত দুয়ার খুলে
আমি শুধু এই মুনাজাত করি

হে রব্বে কারীম!
আমার বাবার জীবনে বর্ষণ করো
রহমতের বৃষ্টি,
সাকিনার সুবাতাস,
আফিয়াতের গোলাপবাগান।

হে প্রিয় বাবা,
তুমি আমার হৃদয়ের মেহরাবে জ্বলতে থাকা চিরন্তন চিরাগ;
যতদিন বেঁচে থাকি,
ততদিন তোমার নামই হবে
আমার শ্রেষ্ঠ দোয়া,
আমার শ্রেষ্ঠ কবিতা,
আমার শ্রেষ্ঠ ভালোবাসা।

তোমার ঋণ শোধ করার সাধ্য আমার নেই,
তাই আজও প্রতিটি সিজদায়,
প্রতিটি অশ্রুবিন্দুতে,
প্রতিটি মুনাজাতে
তোমার জন্যই উচ্চারিত হয় আমার প্রার্থনা

"রাব্বির হামহুমা কামা রাব্বাইয়ানী সাগীরা।"

---------------------------------------------------------------------------