কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা
রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর
*******************************************
শুনো হে
পৃথিবী,
কান
পেতে
শুনো—
বকুল
কখনো
ঝরে
না,
বকুল
কখনো
মরে
না!
তুমি
তাকে
যতই
দাও
আঘাত,
যতই
করো
অবহেলা,
যতই
ছুড়ে
দাও
তীব্র
ধিক্কারের বিষাক্ত বাণ;
তবুও
বকুল
তার
সুবাস
হারায়
না,
তবুও
বকুল
ম্লান
হয়
না
কোনোদিন।
তুমি বলতে
পারো—
বকুল
তুমি
ফুল
নও,
তুমি
বলতে
পারো—
বকুল
তুমি
তো
আজ
বড়ই
ব্রাত্য!
ঝড়
এসে
তাকে
ছিঁড়ে
নেয়
মায়ের
কোল
থেকে,
বঞ্চিত
করে
আপন
ঘর
থেকে,
ধুলোয়
লুটিয়ে
দেয়,
ছুঁড়ে
ফেলে
ডাস্টবিনের অন্ধকারে।
তবুও...
তবুও
সে
পৃথিবীর প্রেমিক-প্রেমিকার আজন্মের পরম
আরাধ্য।
সমাজের রক্তে
মিশে
থাকতে
পারে
বিশ্বাসঘাতকতা,
স্বার্থের টানে
বদলে
যেতে
পারে
চেনা
মানুষ,
চেনা
সমাজ;
যোগ্যতার পরিমাপে বকুলকে
হয়তো
তুচ্ছ
ভাবে
এই
পৃথিবী,
ঘৃণার
চাদরে
ঢেকে
দিতে
চায়
তার
মহিমাকে।
কিন্তু
বকুল?
বকুল
যে
নিজের
যোগ্যতাতেই প্রকৃতির এক
মৃত্যুঞ্জয়ী উপাখ্যান!
তার কোনো
ক্ষয়
নেই,
সে
এক
অবিনশ্বর, অপরাজেয় ফুলের
মালা।
পথের
ধুলো
থেকে
তাকে
কুড়িয়ে
নেয়
ব্যাকুল প্রেমিকা,
যতনে
গেঁথে
নেয়
পরম
অনুরাগে,
সেই
মালাই
হয়ে
ওঠে
প্রেমের অমর
স্মারক।
পৃথিবীর বুকে
এমন
প্রিয়,
এমন
আপন
আর
কোন্
ফুল
আছে?
হে আসাদুজ্জামান রিপন!
তুমিই
তো
এই
প্রকৃতির সেই
অবিনশ্বর বকুল।
তোমার
কোনো
ক্ষয়
নেই,
তোমার
কোনো
পরাজয়
নেই।
অপমানে
তুমি
দমে
যাওনি,
আঘাতে
তুমি
ফুরিয়ে
যাওনি।
তুমি
জীবিতেও ফুল,
তুমি
মৃতেও
ফুল;
তুমি
এক
অতুল্য,
সার্থক
জীবনের
শ্রেষ্ঠ উপমা।
পৃথিবী তোমাকে
যতই
কাঁদাক,
তুমি
সুবাস
বিলিয়ে
যাবে
অনন্তকাল;
কারণ
বকুল
ঝরে
গেলেও,
সে
তো
বকুলই
থাকে!
---------------------------------------------------------------------------