Thursday, December 19, 2024

শুভ সন্ধিক্ষণ


কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা
তারিখঃ ১৯-১২-২০২৫ ইং
স্থানঃ রাওনাট, কাপাসিয়া, গাজীপুর।
*********************************************
ওগো,তোমাদের এই কাননে আজ ফুল ফুটিছে শেষে,
দিকে দিকে ডানা মেলেছে মৌয়েরা সূরভী গন্ধের হরষে!
এসে দেখে যাও আজ বিজয় কেতন উড়িছে নিকেতন,
বিদ্যালয়ের বিদ্যা জয়ী অমর পাঞ্জেরী জ্বলিছে কানন।

ওগো আলোর দিশারী, ওগো মৃত্যুঞ্জয়ী নিবেদিত প্রাণ,
তোমার রেখে যাওয়া এই বিদ্যালয়ে আজ শুভ সন্ধিক্ষণ !
ওগো, আজ যদি তুমি দেখতে- এই মহা মিলনের কল্লোল,
বিজয়ের বিপুল উৎসবে অঝোর ঝরিতো আনন্দ অশ্রুজল।

হে স্থপতি,তুমি ছিলে বলেই এই সবুজ শ্যামলের বুকে-
রাত্রির আঁধারে পূর্ণিমা জেগেছিল বিদ্যা দেবীর ছবি এঁকে!
এই ঋণ কভূ শুধিবে না, এই ত্যাগ কভূ মুছিবে না ধরণী,
তুমি ছিলে বলেই, আমি পেয়েছি রাওনাট গ্রামে এই বিদ্যাজননী।
------------------------------------------------------------

Wednesday, December 18, 2024

মিলন মেলা


কলমেঃ আমিনুল এহছান মোল্লা।
তারিখঃ১৬-১২-২০২৪ ইং
স্থানঃ রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর।
****************************
আজ এই হিল্লোলে কল্লোলে শুরু হল মিলন মেলা,
আয় তোরা আয় তরঙ্গ দোলে আলোকদীপ্ত বেলা।

বহুদিন হতে বুঁনেছি স্বপ্ন ,রচেছি গদ্য কবিতা গান,
আয় তোরা আয় , ওই তোরা জাগ ,কররে উম্মোচন।
তোরা এই বিদ্যা জননীর সন্তান, তোরা গতিময়
তোরা প্রাণবেগ, তোরা নয় কোন ডর ভয় সংশয়!

তোরা দীপ্ত, তোরা উজ্জ্বল, তোরা বিদ্যা জননীর মশাল!
তোরা পূর্ণি, তোরা সূর্য তোরা বিদ্যাপিঠের আলাল-দুলাল।
ওরে চলরে চল, ওরে চল- সম্মুখে বিপুল সম্ভাবনা
গুরুজন তোদের সঙ্গী! আঁধার কভূ দিবে না হানা!

তোরা প্রাক্তন ,তোরা উত্তাল এই মিলনের কাফেলা,
এই জননী তোরে করেছে দীপ্ত রাঙ্গা উদয়ের বেলা।
আয় তোরা আয় দলে দলে আয় দ্বিধা করিস না আর,
আজ হিল্লোলে কল্লোলে শুরু হল মিলন মেলা সবার।
------------------------------------------------,

বিদ্যার আলোকে


কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা
তারিখঃ ১৭-১২-২০২৫ ইং
স্থানঃ রাওনাট, কাপাসিয়া, গাজীপুর।
*********************************************
হে বিদ্যা জননী তোমার সুনাম ছড়িয়াছে চারিধার,
তুমি রচিয়াছো আলোর কবিতা সোনালী দিবাকর।

দিবস রজনী মুক্তির মিছিলে আপনারে মগ্ন করি,
তুমি জ্বলিয়াছো আলোর মশালে রাত্রির পথ ধরি।
তোমার কোলে পিঠে ছায়া তলে খেলেছি কত খেলা,
প্রভাত হতে গোধূলী বেলা ছড়িয়েছো কিরণ মালা।

তার পরশেই পথ চিনেছি আকাশের তলে জগত ঘুরি,
কভূ রাগ অনুরাগে বিরহের অনল দাওনি গালায় পড়ি!
তুমি সে বিদ্যা জননী! উত্তর- দক্ষিন মেরু সব জানা,
সবাই জেনেছি একাত্তরে জন্ম তোমার বিপুল উম্মাদনা।

সেই হতে আজি দিয়ে যাও আলো জেনেগেছে সবে,
রাওনাট আদর্শ্ উচ্চ বিদ্যানিকেতন মৃত্যুঞ্জয়ী রবে।
তোমার মিছিলে আলোর অভাব কভূ নাহি হবে আর,
তুমি বিনিদ্র বিদ্যার আলোকে এই পৃথিবীর অন্ধকার!
----------------------------------------------------

Sunday, December 15, 2024

হে বিদ্যা জননী

 

কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা
তারিখঃ ১৫-১২-২০২৫ ইং
স্থানঃ রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর।
****************************************

হে বিদ্যা জননী, তোমার ডানা ছড়িয়াছে চারিধার,
তুমি রচিয়াছো আলোর কবিতা সোনালী দিবাকর।

দিবস রজনী মুক্তির মিছিলে আপনারে মগ্ন করি,
তুমি ছুটিয়াছো আলোর মশালে রাত্রির পথ ধরি।
দিগন্ত পেরিয়ে অসীমে তুমি বাজাও সভ্যতার সুর,
তাই তোমার তুল্য নাহি কেহ আর এমন সু-মধুর।

হে বিদ্যা জননী ,কত বর্ণে কত গন্ধে কত গানে কত ছন্দে-
ধরাজ কণ্ঠে আবৃতি করে যাও কত গল্প কবিতা মহানন্দে।
কি অরূপা তোমার রূপের লীলা-জাগে হৃদয়পুর!
তোমার মাঝেই খুঁজে ফিরি আমার শোভা- এ নশ্বর।

তুমি ছিলে বলেই পৃথিবীর বদ্ধ জানালা গিয়েছে খুলে,
তুমি ছিলে বলেই নাবিক চিনেছে পথ সাগর বুকে দুলে।
তুমি এক মৃত্যুঞ্জয়ী আলো- হে বিদ্যা জননী!
তোমার মাঝেই সভ্যতার শোভা জেনে গেছে ধরনী।
-----------------------------------------------

সুধা সিঞ্চিত অম্বরে

 

কলমেঃ আমিনুল এহছান মোল্লা।
তারিখঃ ১৪-১২-২০২৪ ইং
স্থানঃ রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর।
******************************
আজ এই বিদ্যালয়ের প্রাঙ্গনে গন্ধবিধুর সমীরণে
হারানো জুঁই চ্যামিলী বকুল আবার ফুটিছে কাননে।

সন্ধ্যার লগনে পূর্ণিমা জাগিছে প্রফুল্ল চিত্তে মননে,
এ যেন এক শুভ্রতার ঝলক ! এই মহা-মিলনে।
নব কল্লোলে নব হিল্লোলে প্রেমের বাঁশরি বাজিছে,
এ প্রাণের চঞ্চলতা বিপল উৎসবে মাথিছে-গাহিছে।

অযূত স্মৃতির পাতা হতে হৃদয়ের মুর্ছিত সংগীতে,-
এখনো কানে বাজে সেই হারানো সুর নব সন্ধিতে।
সে কি তুমি !ঝিনুকের ভিতরে লুকানো মুক্তার দানা?
খুব জানতে ইচ্ছে হয়,কোথায় ছিল এতো উম্মাদনা!

আজ এই বিদ্যালয়ের প্রাঙ্গনে সোনালী সূর্যের কিরণে
জুঁই চ্যামিলী বকুল পলাশ শিমুল আবার ফুটিছে কাননে!
নব পল্লবে, নব ছন্দে তরঙ্গ উঠিছে জলহীন মরু প্রান্তরে-
আবার জাগিছে প্রাণ মহা মিলনে -সুধা সিঞ্চিত অম্বরে।
-----------------------------------------------

বয়ষ যে আঠারো


কলমেঃ আমিনুল এহছান মোল্লা।
তারিখঃ ১৪-১২-২০২৪ ইং
স্থানঃ রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর।
******************************
বয়ষ যে আঠারো!বিপুল স্বপ্নের কল্প তুলিতে,
এঁকে যায় কত রঙিন, কত ধূসর আলপনাতে!

স্বপ্ন তরীতে খুঁজে ফিরে দিগন্তহীন সাগরের পান্থ,
ডানাগুলি ছেড়ে দেয় মুক্ত গগনে অশান্ত- অক্লান্ত।
তবু সে বিপ্লবী! তবু সে বিপ্লবের সন্ধানে.
ঝড় থেকে বজ্রকে কেড়ে নেয় মুক্তির আহ্বানে।

সম্মুখে তুমুল ঘূর্ণি ঝড় তুফান মরণের অগ্নিবান,
বষয় যে আঠারো! তবু সে আঁধারে সোনালী কিরণ।
তবু সে দিশারী,তবু সে অমৃত রস স্বপ্নের নশ্বরে,
কত চোখ অপলক চেয়ে আছে পৃথিবীর প্রান্তরে।

বষয় যে আঠারো কখনো সে অসুর তানের সাধনে,
আপন সত্ত্বাকে হারিয়ে ফেলে আঁধার রাত্রির বাঁধনে।
তখন মনে হয় প্রলয় মেঘে তুমুল ঝড়ের ঝংকারে,
চিতার অনলে রচে বিরহের কবিতা জীবন সমরে।

বয়ষ যে আঠারো তবু অনুভূতিগুলো বিপ্লবী-প্রেমময়,
অযূত স্বপ্নের কাননে সদ্য ফোটা পুস্পের সুগন্ধী-মধুময়।
এখানেই আসন্ন প্রভাতের নব সূর্যদোয়!
এখানেই বিপ্লব! এখানেই বিজয় !এখানেই আঁধারময়!
------------------------------------------------------

Wednesday, November 27, 2024

হে প্রিয় বন্ধু

 মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা

স্থানঃ রাওনাট-কাপাসিয়া-গাজীপুর।

তারিখঃ ২৭-১১-২০২৪ ইং

********************

বন্ধু,নব জাগরণে বুকের সীমান্ত খুলেছো তুমি,

এর আগে কখনো এমন তীর্য্ক দেখেনি ভূমি!

 

আমিও খুলে রেখেছিলাম অর্গ্ল প্রবল শিরহণে,

আমার যুগল চোখ ছিল তোমার কবিতার রচনে।

তবে জানা ছিল না তুমি এতো প্রজ্ঞাময় অনল,

কলমের ক্ষুরধারে ক্ষত বিক্ষত করে যাও নিখিল।

 

কবিতার ভুবনে তোমাকে স্বাগতম হে প্রিয় বন্ধু,

কাব্যিক আঘাতে আঘাতে ভরেছে বিষাদ সিন্ধু!

কেন এসেছো রাজনৈতিক কবি হয়ে নোংরা উদ্যানে,

তা কভূ চাইনি বন্ধু! তবু তুমি উম্মাদের নিত্য উত্থানে।

 

তোমার দেওয়া কষ্ট নিয়ে আছি,তবু তুমি চির প্রিয়,

রাজনৈতিক কবি হতে এসো না - এ নষ্টের ধরাময়।

মন্তব্যের শব্দেরা আঘাত হেনেছে পিঞ্জরের গভীরে,

নিদারুল খেলাচ্ছে, তবু বিজয় দিয়ে যাই তোমারে।

 

বন্ধু, তুমি যা ভাবছো তার কিছুই ছুয় না আমাকে-

আমি শুধুই কবিতার পথিক হয়ে ছুটেছি ভূলোকে।

-------------------------------------------

বিপ্লবের কাছে


মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা

স্থানঃ রাওনাট-কাপাসিয়া-গাজীপুর।

তারিখঃ ২৭-১১-২০২৪ ইং

********************

বিপ্লবের কাছে আমি একটি মুক্তির গোলাপ চেয়েছি,

এখন ফুলদানিতে বিষাক্ত সাপ পোকা মাকড় পেয়েছি!

 

ঝাঁকে ঝাঁকে চিল শকুন উড়েছে বাংলার আকাশে,

স্বাধীনতার পুস্প খামছে ধরেছে ধারালো নখের হরষে।

বিপ্লবীর কাছে আমি একটি মুক্তির ঠিকানা খুঁজেছি,

এখন গোলা বারুদ দেশলাইয়ের অনলে নিত্য পুড়েছি!

 

রক্ত চোষা জুঁক চুষে খাচ্ছে নিয়ত মায়ের কোমল বুক,

বিপ্লবের কাছে শুধু চেয়েছি স্বাধীন জীবনের পরম সুখ।

এখন আগুনের কাছে বিজয় কেতন পুড়েছে- জ্বলেছি

কণ্ঠে কন্ঠে প্রজন্ম হতে প্রজন্মের বেসুর গান শুনেছি।

 

দিকে দিকে রক্ত জবার পাঁপড়ি ফুটেছে কাননে,

রাত্রির প্রহরী ঘুমিয়ে গেছে অন্ধ রাজার সিংহাসনে।

হে বিপ্লবী, আমাকে এমন স্বাধীনতা দাও- এমন পতাকা,

যে বিপ্লবের কাছে মুক্তির গোলাপ চেয়েছি লাল-সবুজে আঁকা!

 

এই জাতি বিপ্লবের কাছে শুধু মুক্তির কবিতা চেয়েছে,

এখন দিকে দিকে অস্থিরতা পেট্রোল বোমা রক্ত ঝরেছে।

মুক্তির কাছে এসে জাতি এখন অসুর দোসরের খোয়াড়ে,

এর চেয়ে বড় পরাজয় আর কি আছে এই স্বাধীন প্রান্তরে?

------------------------------------------------

 

 

 


Tuesday, November 26, 2024

নীলাভ রঙ

 মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা

স্থানঃ রাওনাট-কাপাসিয়া-গাজীপুর।

তারিখঃ ২৬-১১-২০২৪ ইং

********************

কি চেয়েছি,কি পেয়েছি-সব ভেঙে দিয়ে গেল!

সোনালী সূর্য্ ভেবেছি তব গোধূলী লগ্ন এল।

আলোহীন পথ ছুটেছি,কোথায় চলেছি—

সুখের সংসার কার হাতে তুলে দিয়েছি?

 

এখন দিকে দিকে কত যে ভাঙাভাঙি খেলা,

অবাক বিষ্ময়ে শুধু দেখি অবহেলা, অবহেলা।

রক্তে রক্তে যুদ্ধের দামামা বাজে অলিগলি,

নিয়ন্ত্রণহীন গোলা বারুদ কামানের গুলাগুলি,

 

দিকে দিকে লাশ আর লাশ অশ্রুজল!

এ বিপ্লব কি তবে নিষ্ফল?

সুরঙ্গের শেষ প্রান্তের মুখ লোকানো বালিতে,

মুক্তির আলোটা নিভে গেল আসন্ন প্রভাতে।

 

চুরমার শব্দে আশাটা উড়ে গেল প্রাণ ছেড়ে,

কি চেয়েছি,কি পেয়েছি এ বিপ্লবে রক্ত ঝরে?

লাল সবুজের চেতনা জাগবে কি করে?

এখনো নীলাভ রঙ, পেরেক ,আলপিন অন্তরে।

----------------------------------------

প্রজন্ম হেরে গেলে

 


মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা

স্থানঃ রাওনাট-কাপাসিয়া-গাজীপুর।

তারিখঃ ২৬-১১-২০২৪ ইং

********************

একটা কিছু করুন, একটু হাল ধরুন।

প্রজন্ম হেরে গেলে হাসবে লোকে,কিছু একটা বলুন।

 

এভাবে আর কতদিন? আর কত রক্তক্ষণ!

এমন দুঃসময়ে আপনি কেন চুপসে থাকুন?

দিকে দিকে স্বদেশ চেতনার দারুন আকাল,

বিপ্লবী বিল্পবে যুদ্ধ করছে বেসুর –বেতাল।

 

ঘরে ঘরে কালো খেলা চলছে,কঠিন খেলা

আত্মঘাতী খেলা, নগর ও গ্রামের ডাল-পালা।

লাল-সবুজের চিত্রগুলো সব পোড়াবে

সময় দ্রুত চলে যাচ্ছে কে থামাবে?

 

ভাবটা ছেড়ে এখনি জেগে উঠুন-

কিছু একটা করুন,শক্ত হাতে হালটা ধরুন।

প্রজন্ম হেরে গেলে জাতি হারাবে পথ-

অশনি সংকেত সন্নিকটে! করুন শপথ।

----------------------------------------

শেষ কথা বলো

 মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা

স্থানঃ রাওনাট-কাপাসিয়া-গাজীপুর।

তারিখঃ ২৬-১১-২০২৪ ইং

********************

বিপ্লবের বিপ্লবী তুমি একবার সেই দিকে তাকাও,

যে রক্ত ঝরা বুকে স্বদেশের ছবি দেখতে পাও।

 

সেই সোনালী সূর্যের কথা, সেই বিজয়ের কথা,

সেই স্বাধীনতার কথাটা বলো,যা মুক্তিযুদ্ধে গাঁথা।

জানি হে নব যোদ্ধা তুমি, হৃদয়ে সেই কথা কও,

যে গান দিয়ে গেছে পূর্বসূরী সে সুরে গান গাও।

 

হুজুগে গুজবে অলক্ষে গিরি পর্বত পাহাড়ে বসে,

শকুনের ঠোঁটে দিয়েছো ঠোকর স্বদেশ সর্বনাশে!

বিষে বিষে নীল হয়েগেছে চেতনার স্তম্ভ গুলি,

অযূত শুন্যতায় স্বাধীনতা যেন রাত্রির চোরাবালি।

 

এখনো তুমি অন্ধ বধির! দেখেও দেখনা-

কোন মন্ত্র অন্তরে পুষি তোমাকে দেখাও বুঝি না!

সম্মুখে কঠিন ঝড়! দিকে দিকে স্বাধীনতা টলোমলো,

বিপ্লবের বিপ্লবী তুমি লাল সবুজই শেষ কথা বলো।

 

যোগ্য হয়েছো, বিভক্ত করো না, হয়ো না বেসামাল,

জানি হে বিপ্লবের বিপ্লবী তুমি অযূত স্বপ্নের দামাল।

--------------------------------------------

অন্তঃদৃষ্টি দিলেই

 


মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা

স্থানঃ রাওনাট-কাপাসিয়া-গাজীপুর।

তারিখঃ ২৬-১১-২০২৪ ইং

********************

ওগো,তুমি অন্তঃদৃষ্টি দিলেই চিনবে আমাকে,

একবার জিজ্ঞাসা করো তোমার এই হৃদয়কে!

 

আমি সেই অনুভূতির প্রথম ব্যকরণ,

যা তুমি দিবানিশী যপেছো সারাক্ষণ।

আমি স্পন্দিত পুস্পের অমৃত ঘ্রাণ,

সৌরভ সুবাস ছড়ানো প্রেমময় বিজ্ঞান।

 

আমি তোমার হৃদয়ের শুভ্রতর মৌল উপাদান,

সে তুমি কি ভুলে গেলে এই পৃথিবীর উদ্যান?

জানি তা কভূ পারবে না, তা কভূ হবে না,

আমি যে অনুভূতি প্রথম ব্যকরন- সেতো জানা?

 

এতো শুধু হৃদয়ের এক অনুপম যুদ্ধকে চেনা-

তুমি অন্তঃদৃষ্টি দিলেই শুধে যাবে লেনা-দেনা।

-----------------------------------------

মুক্তি এখন কারাগারে

 মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা

স্থানঃ রাওনাট-কাপাসিয়া-গাজীপুর।

তারিখঃ ২৬-১১-২০২৪ ইং

********************

স্বাধীনতা পুড়ে স্বাধীনতা আর কতটুকু আসে!

রক্ত লাল পতাকা এখন বিদ্রোহীর গালে হাসে।

 

বিপ্লবের আগুন আর কতটুকু পুড়ে!

তার চেয়ে ঢের বেশী দোসরেরা মারে।

ক্রমশ হচ্ছে ক্ষয় ক্রমশ বাড়ছে স্বাধীনতা বিনাশ!

বিশ্বাস ঘাতকের মত নয় আগুনের লেলিহান ত্রাস।

 

কাপালে পতাকা রেখে অন্তরে বিষ-পরিহাস,

আগুনে পুড়ে ছাঁই করে রক্ত ঝরা ইতিহাস।

স্বদেশ ভালবাসলে তবু কিছু কাঁদে তবু কিছু থাকে,

রক্ত দিয়ে হলেও বিপ্লবীরা মুক্তির ছবি আঁকে!

 

স্বাধীনতা পুড়ে স্বাধীনতা আর কতটুকু আসে!

মুক্তি এখন কারাগারে ফাঁসি মঞ্চের পাশে।

ওরা পুড়ালে আর কিছুই রাখে না, কিছুই থাকে না,

স্বাধীনতা এখন চিতার অনলে কেউ যেন দেখে না।

-----------------------------------------

 

Monday, November 25, 2024

পুণঃরায় শোসিত হলাম

 

মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা

স্থানঃ রাওনাট-কাপাসিয়া-গাজীপুর।

তারিখঃ ২৫-১১-২০২৪ ইং

********************

 বিপ্লব বিপ্লব বলে বিজয়ের আনন্দ দেখেছি!

সমস্বরে চিকার শুনেছি পেয়েছি পেয়েছি ।

 

এখনো পায়নি জনতার মুক্তি- স্বাধীনতার সুখ,

দিকে দিকে এখনো অশ্রু ঝরে ব্যদনার দুঃখ!

কেউ যেন হুঙ্কার দেয়, বলে ওঠে জ্যেষ্ঠ শামুক,

একবার নড়েই চুপসে যায় বিপ্লবের তীর ধনুক।

 

এখনো দাঙ্গা হাঙ্গামা জলে স্থলে দ্রাঘিমা জুড়ে

এখনো দেশদ্রোহীতার চর্চা চলে অন্তরে অন্তরে।

জনতার কাছে এসে কেউ বলে না কেমন আছো,

আপন ধান্দা আর ধান্দায় বিপ্লবের কবিতা রচো।

 

নব স্বাধীনতায় আবার কি স্বাধীনতা নির্জন হলো?

শোসিত ছিলাম, পুণঃরায় শোসিত হলাম-কি বলো?

------------------------------------------

 

ছোঁয়া

ছোঁয়া

কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা

স্থানঃ রাওনাট-কাপাসিয়া-গাজীপুর।

তারিখঃ ২৫-১১-২০২৪ ইং

********************

আমি চেয়েছিলাম তোমাকে করিতে সন্মান,

ফিরিয়ে দিয়ে তুমি করিলে মোরে অপমান।

আর কত খেলিবে রঙধনূ আকাশের নীল !

সন্ধ্যা তো ঘনিয়ে এলো কালো রঙ নিখিল।

দিকে দিকে ছলনার ফুল ফুটিছে কানন,

কে কালো কে ধবল নাহি বুঝে এই মনন !!

তবু আঁধারেই চলিছে পথিক দিগন্ত ছাড়িয়ে,

স্বপ্ন হয়নি ছোঁয়া কখনো এই হৃদয় জড়িয়ে।

-----------------------------------------


ব্যর্থতা দিয়েই

 কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা

স্থানঃ রাওনাট-কাপাসিয়া-গাজীপুর।

তারিখঃ ২৫-১১-২০২৪ ইং

********************

ব্যর্থতা দিয়েই আমি সফলতা আনব বলে,

নিজেকে সাণিত করেছি উদ্দাম দুরন্ত বলে।

 

মনে কি পড়ে একদিন সোনালী রোদ্দুর সকালে,

কুঁয়াশার চাঁদর দিয়ে বলেছিলে- তুমি হারালে।

আমি বলেছি হারতে আসিনি নদীর উল্টো জলে,

সাঁতার শিখেছি উত্তাল তরঙ্গ খেলায় বুক খুলে।

 

ব্যর্থতা দিয়েই আমি সফলতা আনব বলে,

যৌবনের প্রথম প্রহরেই বাজি ধরেছি নিখিলে।

আমি হারতে আসিনি তুমুল যুদ্ধের ময়দানে,

অসাধারণ শক্তি পেয়েছি তোমার এই উত্থানে।

 

অন্তরের বিজয় কেতন লোহিত কণিকায় এঁকেছি,

এখানে রক্ত লাল,মারাত্মক উজ্জ্বলতা দেখেছি।

গভীর আঁধারের মাঝেই পূর্ণিমার শুব্রতা ছুঁয়েছি

সাফল্যের নিখুঁত নিটোল ষ্ট্র্যাটেজী খুঁজে পেয়েছি।

 

ব্যর্থতা দিয়েই আমি সফলতা আনব বলে,

যুদ্ধের মিছিলে যোগ দিয়েছি নব সূর্যের প্রাক্কালে।

------------------------------------------