কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা
রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর
********************************************
রাওনাট গ্রাম,
পশ্চিম
পাড়া,
মোল্লা
বাড়ীর
কোল,
সেথায়
জেগেছিল তিন
হৃদয়ের
প্রথম
কল্লোল।
ভিন
রক্তের
ধমনী
ও শিরা,
তবু
যেন
এক
মায়ার
মদিরা!
তিনটি
শরীর
মূর্ত
হয়েছে
একটি
প্রেমের গানে,
একটি
আত্মায়
তিনটি
সুতো
যে
বাঁধা
প্রকৃতির টানে।
শৈশবের সেই
ধূলিময়
মাঠ,
পাঠশালার ক্ষণ,
আজো
এক
সাথে
বেঁধে
রেখেছে
রে
অনুক্ষণ।
বাধাহীন নদী
সাগরে
মিশেছে
জীবনের
মহাবেগে,
ওরা
তিনজন
স্ব
স্ব
মহিমায়
আজো
রয়েছে
জেগে।
যেমন অরণ্যে
জড়িয়ে
থাকে
লতা,
অটল
পাহাড়ের গায়,
ওদের
মিলন
মেলা
মিশে
থাক
প্রকৃতির অক্ষয়
মহিমায়।
যেমন ফোটে
ত্রিদল
পদ্ম
এক
সরোবরে,
ওরা
বিকশিত
স্ব
স্ব
ক্ষেত্রে, কীর্তির রাজঘরে।
কখনো
বা
যদি
মেঘ
নেমে
আসে
ভিন্ন
মতের
টানে,
ক্ষণিকে ওরাই
পূর্ণিমা হয়ে
জাগে
আঁধারের প্রাণে।
দিবালোক সম
প্রখর
উজ্জ্বল সমাজের
প্রতি
স্তরে,
মানবিকতার সুধা
ঢেলে
দেয়
আর্দ্র
চাতক
ঘরে।
ওরা
সাম্যের ঋত্বিক,
ওরা
ঐক্যের
জয়গান,
নম্র-ভদ্র আচরণের উপমায়
অনন্য
অভিধান।
বন্ধন ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশনের ওরাই
তো
মূল
ভিত্তি,
সেবার
আলোয়
রাঙিয়ে
তুলেছে
এই
সমাজের
কীর্তি।
ইঞ্জিঃ ফজলুল
কবির
মোল্লা—প্রগতির ধ্রুবতারা,
ইঞ্জিনিয়ার শফিকুর
রহমান
মোল্লা—মননে মুক্তধারা,
হাদিউল
ইসলাম
মোল্লা—চিন্তায় যিনি শুদ্ধ সুবাস,
তিনটি
প্রাণ
এক
হয়ে
গড়ে
কল্যাণের আকাশ।
মনে পড়ে
আজ
স্মৃতির পাতায়
ঝড়ের
সেই
সংকেত,
'স্মৃতির আলপনা'
বুনেছিলাম যেথায়
মনের
খেত।
দুষ্টলোকের হিংস্র
দাবানলে ভেঙেছিল মোর
আশ,
হৃদয়কাননে নেমে
এসেছিল
আঁধার
অমাবস্যা কাশ।
সেদিন ওরাই
অরণ্যের মতো
দিল
ছায়া,
দিল
বল,
সাহস,
প্রেরণা আর
অর্থ
দিয়ে
মুছাল
আঁখিজল।
ওদেরই
আশিসে
আলোর
মুখ
দেখল
কাব্যখানি,
ধন্য
হলো
'স্মৃতির আলপনা'র সেই আকুল
বাণী।
কৃতজ্ঞতার অঞ্জলি
হাতে
আমি
যে
অবনত,
রাওনাট
মোল্লা
বাড়ীর
গৌরব
ধন্য
করুক
শত।
মৃত্যুর ওপারে
মৃত্যুঞ্জয়ী ওরাই
তো
অবিনাশী,
মানুষের মনে
ফুটে
রবে
চিরকাল
ওদের
সুহৃদ
হাসি
যেমন
অটল গিরি-কন্দরে লতা জড়ায় প্রেমের পাকে,
প্রকৃতির এই অক্ষয় বন্ধন
ওদের অমর করে রাখে।
--------------------------------------------------------------