Showing posts with label বিবিধ কবিতা. Show all posts
Showing posts with label বিবিধ কবিতা. Show all posts

Thursday, October 16, 2025

অশ্লীল শব্দ

 অশ্লীল শব্দ

কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা

রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর

****************************

নেতার মুখে আজ অশ্লীল শব্দ!
সভা-মঞ্চে বাজে কেবল কুখ্যাতি।
শপথ ভাঙা, দেশে হাহাকার,
গলিতে ছড়ায় কুৎসিত গীবতের ধারা।

অফিস কক্ষে চোর হাসে চমকে,
আদালতে শ্লেষের তান বাজে রুখে।
শিক্ষক ক্রন্দন করে, ছাত্র চুপচাপ,
সত্যের দুর্ভিক্ষে লজ্জা কুয়াশার চাপ।

গলির কোণে কুকুর শকুনও হাসে,
নেতার অশ্লীল বাক্য, মানুষ লজ্জায় হাহাসে।
মহল্লায় কুৎসিত নামের খেলা,
দেশ জুড়ে ভেসে যায় লজ্জার ঢেউ।

প্রতিটি পদক্ষেপ, কথার খামখেয়ালি,
অশ্লীল শব্দে ভরা, সত্য হারায় অলসায়।
মানুষ চায় ন্যায়, নেতা দেয় তামাশা,
গীবত-তামাশায় ভেসে যায় সোনার দেশ।

অফিস আদালতে, সভা মঞ্চে,
অশ্লীল শব্দের রাগে ভরা সব দেশ।
চোর, দস্যু, মুখে মায়া দেখায়,
কিন্তু সত্য হারায় কুৎসার অন্ধকারে।   

কিন্তু একদিন ভাঙবে সব বাঁধ,
সত্য উঠবে জোয়ারে মানুষের মুখে।
নেতার অশ্লীল শব্দ আর নয় বাজবে,
সত্যের বাঁশি বাজবে বিদ্রোহী গানে।

------------------------------------------

পাতি নেতার উৎপাত

 

পাতি নেতার উৎপাত

কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা
রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর
*********************************

শহর গঞ্জ গ্রামজুড়ে পাতি নেতার রাজ,

অলি গলি পাড়া-মহল্লা—সবখানেই সাজ!
মাইকে চেঁচায় দিনরাত, “আমি জনতার সেবক!”
পেছনে দেখি দখলদার, চাঁদাবাজ, চোরের দেবক! 

চায়ের কাপে সভা বসে, বক্তৃতি হয় ঠাস,
বলে—“দেশটা আমিই চালাই, বাকি সবাই বাঁশ!”
কিশোর গ্যাং পিছে পিছে, উল্লাসে তারা মাত,
চুরি-ছিনতাই-রাহাজানি—সবই পায় পাঠ!

বাজারে গেলে দোকানদার কাঁপে দোতলায়,
বলে—“নেতা আসছে ভাই, টাকা লুকাও তলায়!”
মসজিদের ইমামও ডরায়, মাথায় দেয় সেলাম,
নেতা বলে—“ছবি তুলো! ইনশাআল্লাহ, আমি ইমাম!”

অফিস আদালত নিস্তব্ধ, কাগজ চলে ঘুষে,
যে বলে সত্য, সে পরের দিন যায় কারুশে!
গ্রামে খাস জমি নেই, শহরে দখলখাতা,
পাতি নেতার কৃতিত্বে, আইনও হলো পাতা।

মহল্লার মোড়ে দাদা ভাই, দাড়িয়ে বড় ভঙ্গি,
বলছে—“আমি প্যাডি লিডার, চিনবি না রে, ভঙ্গি!”
বাচ্চারা ভয়ে বলে—“দাদা আসছে, দে রে দৌড়!”
মুরগি হাঁস পর্যন্ত ভাবে—“এই লোকটা বড় ছোঁড়!”

রাতে বাজে পার্টির গান, ফুর্তি চলে ভারি,
ভোটের সময় দরজায় দান, পরে চুরি সাড়ি।
চাঁদাবাজি, দখলবাজি—সবই তার ধর্ম,
মুখে বলে—“মানবসেবা”, ভিতরে ঝড় ঝঞ্ঝা!

শেষে বলে বৃদ্ধ ঠাকুর, পুকুর পাড়ে বসে,
“দেশের নেতা পাতি হলে, জাতটা মরে হেসে!”
তবু আশা একটুখানি—ভালো মানুষ জাগে,
যেদিন সত্য উঠবে জেগে, নেতারা যাবে ভাগে! 

---------------------------------------

পাতি নেতার উৎপাত

 পাতি নেতার উৎপাত

কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা

রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর

***************************

পাতি নেতা হাঁটে, রাস্তায় ধুলো উড়ায়,
মানুষ ঘরে লুকায়, ভয়ে পোঁকে ছড়ায়।
কিশোর গ্যাং মাঠে লাফায়, ঘাট দখল ছড়ায়,
চুরি ডাকাতি, রাহাজানি—সবই বড় খেলা।

দোকানদার চেঁচায়, “ওহে! টাকা দিতে হবে!”
নেতার হাসি মধুর, ভিতরে বিষ, ছল, ধূর্ত।
চাঁদাবাজি বাড়ে, বাজারে, ঘাটে, রাস্তায়,
অফিস আদালত চুপ, ন্যায় ফাঁদে পড়ে ফাঁদে।

মেয়েরা কান্নায় ভিজে, ছেলে শিখে হিংসা,
পাথরে, রাস্তায়, খেলার মাঠে—তাণ্ডব অবিরাম।
পাতি নেতার পদধ্বনি—ঝাঁঝালো কৌতুক, মানুষ ভীত,
অপমান, অপদস্তি, গরিবের ঘরে হাসি হয় ব্যঙ্গ।

কিশোররা চুরি ডাকাতি শিখে, নাচে নাচায়,
দখলবাজি, চাঁদাবাজি—নিত্য দিনের চমৎকার খেলা।
আইন ফাঁদে, ন্যায় নিভে যায়, সত্য লুকিয়ে থাকে,
নেতার পা রাখে, কেউ বাঁধা দেয় না, হাস্যকর দৃশ্য।

রাতের ছায়ায় গাঁও ভেসে যায় ধোঁয়ায়,
সব আশা ভাঙে, চোখে অশ্রু জমে।
পাতি নেতার উৎপাত—হাসি, লজ্জা, ছল,
তবু হৃদয়ে লুকায় আশা—সত্যের আলো একদিন জ্বলে।

--------------------------------------------------------

Wednesday, October 15, 2025

একই শরীরে দুই পৃথিবী

 একই শরীরে দুই পৃথিবী

কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা

রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর

**********************************

একই শরীরে রোদ ঝরে, অন্ধকার গর্জে,
হাসি মুখে মধুরতা, অন্তরে লোভের ঝঞ্ঝা বাজে।

প্রেম বলে সে, স্বার্থে পুড়ে অন্তর,
উদারতার পর্দা চোখে, কুৎসার অগ্নি গহর।

মায়ার খেলা ভোরের রোদে ভেসে যায়,
হিংসার ছায়া রাতের অন্ধকারে দাঁড়িয়ে থাকে।

রক্ত লাল, প্রাণ জ্বলে অগ্নির মতো,
অন্তর কালো, ভয় আর অহংকারে ডুবে।

হাসি মুখে মায়া, কণ্ঠে সঙ্গীত বাজে,
কিন্তু অন্তরে প্রতারণার তীব্র ছায়া থাকে।

দুজনের মাঝে ভালোবাসা, একার মাঝে লোভ,
মানুষ—একই শরীরে দুই পৃথিবীর দাস।

বিদ্রোহী সঙ্গীত বাজে, ক্ষোভ আর আশার মাঝে,
একই বুকে রোদ আর অন্ধকারের দ্বন্দ্বের মাঝে।

দুপুরের আলো ছুঁয়ে যায় রক্তে,
রাত্রির অন্ধকার ভর করে অন্তরের অমাবস্যায়।

প্রেম আর লোভ, আশা আর ভয়,
একই বুকে বিদ্রোহী দ্বন্দ্বের খেলা হয়।

মানুষ—সেই দ্বৈত চরিত্রের রাজা,
রক্ত লাল, অন্তর কালো, জীবন আর অন্ধকারে বেঁচে থাকে।

বিদ্রোহী চিৎকারে ফুঁড়ে ওঠে হৃদয়,
একই শরীরে দুই পৃথিবীর লড়াই, মানুষের গান।

------------------------------------------

Saturday, April 1, 2023

পা চাটা লোকগুলো

 

কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা

স্থানঃ রাওনাট, কাপাসিয়া,গাজীপুর

তারিখঃ -৪-২৩ ইং

***********************************

পা চাটা লোকগুলো সুপার পাওয়ারে

সুবিধা পায় সে পৃথিবীর বহরে—

সমাজিক রাজনৈতিক কোনখানে নাই সে

জানি সে, জানি সে ,কর্ম্ক্ষেত্রে আলসে

তবু সে পায় সে সবটুকু সুবিধা-

হউক সে মস্ত বড় আহাম্মক গাঁধা।

ঘরে বাইরে সবখানে কোঠাই আলাদা

যদিও আপন নয় তবু নাহি বাধাঁ।

ছিঃ ছিঃ করি তারে তবু সে সর্বপরি

যদিও ঘৃণা করি তবু তার হাত ধরি,

মুখে বলি কেঁচো প্রাণী মেরুদন্ড নাই তার

অনেকের প্রিয় সে- নশ্বর রাজ্যের !

পা চাটা লোকগুলো সুপার পাওয়ারে

জয় জয় জয়কার ! ঘর আর বাইরে !

---------------------------------

Tuesday, June 18, 2019

হেরে যাওয়া মানে শেষ কথা নয়


                                                 --------------------------কবি মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা ।
হেরে যাওয়া মানে শেষ কথা নয়-অপমান নয়
হেরে যাওয়া মানে নয় শির নত করা সমর দূর্গ্
হেরে গেলে আরো নব কিছূ সূচনা হয়ে যাবে
না পাওয়ার শূন্যতা জুড়ে

হয়তো কোনো শূন্যতা কখনো কখনো
ইস্পিত স্বপ্নকে উতলা করে তুলে হৃদয়ের গভীরে
জেগে ওঠায় সুপ্ত কণিকাগুলো
আর বজ্র কন্ঠে বলে-
পরাজয়-ই- বিজয়ের প্রতীক !

বিরহ- ব্যদনা, পারাজয়- র্ব্যথতা পৃথিবীর আঘাত সমুদর
আগামী বিজয়ের অদম্য শক্তি, অপ্রতিরোধ্য বাহাদুর ।
ঠিক যেন ঝরে যাওয়া পুস্পের ঘ্রাণ বকুলের সৌরভ
সুবাস আর সমীরণের অদৃশ্য বন্ধন!
তবুও কি হেরে যাওয়া মানে শেষ ?
না না কখনো না-

 হেরে যাওয়া মানেই আগামী দূর্গ্ম বিজয়ের গর্জ্ন ।
সাহসীদের প্রাণে সেই সুর-ই- বাজে
যেখানে এক বিজয়ের পতাকা উড়ে যুদ্ধের প্রতিটি মুহূর্তে
এই সুন্দর পৃথিবীর বুকে-
অদম্য স্পৃহাই বেঁচে থাকে যুগ থেকে যুগান্তরে ।

হেরে যাওয়া মানে শেষ কথা নয়-অপমান নয়
হেরে যাওয়া মানে নয় শির নত করা সমর দূর্গ্ ।

--------------------------------------------------18-06-2019,রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর।


Saturday, June 15, 2019

তুমি এই চেয়ারের অযোগ্য



                                            ---------------------------------------------- কবি মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা
তোমার দিকে তাকালে কেন বাক রুদ্ধ হয়ে আসে ভাষা!
মনে জাগে সেইসব অত্যাচারী অশুরের কথা,
যে তোমাকে এতো মর্যাদা দিয়েছে,এতো ক্ষমতা দিয়েছে
সেইখানে বসেই প্রতিনিয়ত করছো অপমান,কেড়ে নিচ্ছো মর্যাদা
নিষ্ঠুর কালি ছুড়ে দিচ্ছো বঞ্চিত মানুষের দিকে
আহা সেই চেয়ারের কি উত্তাপ!
টের পাও কি ?

টের পাও কি? বঞ্চিত মানুষের সেই সব কালোরাত,
নাকি সেইখানে বসে ঘাতক চিলের মতো ছোবল মেরে চলেছো প্রকাশ্যে গোপনে!
যখন তোমার সম্মুখে শত বঞ্চিতের দুঃখ এসে
অসহায় এর মতো দাঁড়াতো -
তুমি কি চেয়ারের মর্যাদা রেখেছো?
আমি তো দেখেছি অশ্রু নয়নে ভেসে যেতে সেইসব বঞ্চিতের বুক !

যে চেয়ার তোমাকে এতো মযার্দা কিংবা ক্ষমতা দিয়ে গেলো ভরপুর!
তুমি কি তার মর্যাদা রক্ষা করেছো? নাকি লুণ্ঠন করেছো মনুষ্যত্ত্বের সভ্যতা!

তোমাকে দেখলেই বুক কেঁপে উঠে অনৈতিক অত্যাচারে
অথচ তুমিই  অঙ্গিকার করেছিলে, তুমি এই চেয়ারের মর্যাদা রাখবে-
এইখানে বসে শোনাবে সেইসব ন্যায্য বিচারের কথা
বলেছিলে ঘুষ নিবে না,অযথা হয়রানি করবে না, ক্ষমতার দাপট দেখাবে না
অধিকার বঞ্চিত করবে না-
আজ সেখানে রক্ত চক্ষু, অনৈতিক ক্ষমতার দাপট,কোটি মানুষের অধিকার হারা শোক!

তোমার দিকে তাকালে কেন ভয় জেগে উঠে প্রাণে প্রাণে!
টের পাও কি ? অনৈতিক দাপটে উত্তাপ জল-স্থল,
আজ বঞ্চিতের অধিকার অবাক বিষ্ময়ে তাকিয়ে-
ঘৃণা করে, তোমাকে ঘৃণা করে, প্রচন্ড ঘৃণা করে-
তুমি এই চেয়ারের অযোগ্য-
----------------------------------------------------15-06-2019,রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর ।





,