কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা
রাওনাট, কাপাসিয়া, গাজীপুর
**************************************
ওহে কাপ্তান!
মসনদে বসি’ ভুলিয়াছ সব জারি?
আঁধারে ডুবিয়া বাংলা কাঁদিছে, হাহাকার ভারী ভারী!
বলেছিলে তুমি বজ্র-নির্ঘোষে—
‘আনিব আলোর বন্যা’,
আজ ঘরে ঘরে প্রদীপের তলে কাঁদিছে ঘরের কন্যা!
পড়ার টেবিলে আলো নাই আজ,
শিশুটি গুণিছে আঁধার,
মিথ্যা আশার কুহক-ছায়ায় দেশ আজি ছারখার!
মসনদে বসি’ ভুলিয়াছ সব জারি?
আঁধারে ডুবিয়া বাংলা কাঁদিছে, হাহাকার ভারী ভারী!
বলেছিলে তুমি বজ্র-নির্ঘোষে—
‘আনিব আলোর বন্যা’,
আজ ঘরে ঘরে প্রদীপের তলে কাঁদিছে ঘরের কন্যা!
পড়ার টেবিলে আলো নাই আজ,
শিশুটি গুণিছে আঁধার,
মিথ্যা আশার কুহক-ছায়ায় দেশ আজি ছারখার!
চলিবে না আর এই ভাওতাবাজি,
চলিবে না কারসাজি,
গ্রাহকের পকেট কাটিয়া তোমরা লুটিয়া নিতেছ আজি!
এক গুণ নয়, দুই গুণ নয়,
বাড়ে চার-পাঁচ গুণ বিল,
মগের মুল্লুক বানাইয়া দেশ, ভেঙেছ ন্যায়ের খিল!
মাসের ব্যবধানে বিলের অঙ্কে জ্যামিতিক কারবার,
আগের মাসের সাথে পরের মাসের আকাশ-পাতাল পার!
গ্যাস নাইকো, বিদ্যুৎ নাই,
শুধু আছে শোষণের শেষ,
লুটপাটের এই মায়াবী মহলে তোমরা ত আছ বেশ!
চলিবে না কারসাজি,
গ্রাহকের পকেট কাটিয়া তোমরা লুটিয়া নিতেছ আজি!
এক গুণ নয়, দুই গুণ নয়,
বাড়ে চার-পাঁচ গুণ বিল,
মগের মুল্লুক বানাইয়া দেশ, ভেঙেছ ন্যায়ের খিল!
মাসের ব্যবধানে বিলের অঙ্কে জ্যামিতিক কারবার,
আগের মাসের সাথে পরের মাসের আকাশ-পাতাল পার!
গ্যাস নাইকো, বিদ্যুৎ নাই,
শুধু আছে শোষণের শেষ,
লুটপাটের এই মায়াবী মহলে তোমরা ত আছ বেশ!
স্বাধীন দেশের স্বাধীন মানুষ,
কেন অধিকার-হীন?
রক্তের দামে কেন কিনি আজ অন্ধকারের দিন?
বিদ্যুৎ-বিভাগে বসিয়া আছে ঐ লোভী শকুনের দল,
লাগামহীন এক ঘোড়ার মতন ছুটিছে অনর্গল!
ঘণ্টার পর ঘণ্টা কাটিছে,
দিনের পর দিন যায়,
তবু কাগজের বিলের খাতায় অঙ্ক লাফিয়ে ধায়!
গ্রাহক শোষিত, গ্রাহক আহত, ক্ষতবিক্ষত প্রাণ,
দুর্নীতিবাজের তোশখানাতে জমিতেছে লাখ দান!
কেন অধিকার-হীন?
রক্তের দামে কেন কিনি আজ অন্ধকারের দিন?
বিদ্যুৎ-বিভাগে বসিয়া আছে ঐ লোভী শকুনের দল,
লাগামহীন এক ঘোড়ার মতন ছুটিছে অনর্গল!
ঘণ্টার পর ঘণ্টা কাটিছে,
দিনের পর দিন যায়,
তবু কাগজের বিলের খাতায় অঙ্ক লাফিয়ে ধায়!
গ্রাহক শোষিত, গ্রাহক আহত, ক্ষতবিক্ষত প্রাণ,
দুর্নীতিবাজের তোশখানাতে জমিতেছে লাখ দান!
শহরের বুকে আলোর রোশনাই,
গ্রামে কেন হাহাকার?
গ্রামের পর গ্রাম ডুবিয়াছে কেনে—এ কেমন অবিচার?
কলকারখানা বন্ধ হইল,
উৎপাদন আজ সারা,
শিল্পাঞ্চল অচল হইয়া শ্রমিকেরা দিশাহারা!
হে শাসক, তুমি বিলাসী মোহেতে মেলিয়াছ কোন চোখ?
তুমি কি দেখিবে না খেটে খাওয়া এই মানুষের পরলোক?
গ্রামে কেন হাহাকার?
গ্রামের পর গ্রাম ডুবিয়াছে কেনে—এ কেমন অবিচার?
কলকারখানা বন্ধ হইল,
উৎপাদন আজ সারা,
শিল্পাঞ্চল অচল হইয়া শ্রমিকেরা দিশাহারা!
হে শাসক, তুমি বিলাসী মোহেতে মেলিয়াছ কোন চোখ?
তুমি কি দেখিবে না খেটে খাওয়া এই মানুষের পরলোক?
রক্তচোষার ঐ বুকে হানো আজ প্রলয়-শরের বাণ,
সর্বহারা এই জনতা গাহিবে রুদ্র-ভৈরবী গান!
ভেঙে ফেল আজ শৃঙ্খল-কারা,
অত্যাচারী ওই তখত,
সহিব না আর এই অন্ধকার, জ্বলিয়া উঠেছে রক্ত!
লুটপাটের ঐ রাজপ্রাসাদে বজ্র-নাদে দাও হানা,
শোষকের দল কাঁপুক ত্রাসেতে, মানিবে না কোনো মানা!
লাথি মারো ঐ পাপের সিংহাসনে,
গুঁড়াও শয়তানি,
প্রাণের বদলে আলো ছিনাইব—এই আমাদের বাণী!
ঘুমায়ে থেকো না ওহে জনতা,
ভাঙো আজ এই জড়তা,
গর্জে ওঠো রে প্রলয়-তাণ্ডবে, টুটিয়া এ নীরবতা!
সিংহাসন ওই দাও কাঁপাইয়া ভণ্ড সম্রাটের,
হকের আলোটি না লইয়া ঘরে ফিরিবে না কোনো শের!
অধিকার বুঝে তবে ঘরে ফিরো,
ভয় নাই আর যমেরও,
মগের মুল্লুকে আলো আনিবেই বিপ্লব আবাল-বৃদ্ধ-পামরেরও!
-------------------------------------------------------------------------------------
ভাঙো আজ এই জড়তা,
গর্জে ওঠো রে প্রলয়-তাণ্ডবে, টুটিয়া এ নীরবতা!
সিংহাসন ওই দাও কাঁপাইয়া ভণ্ড সম্রাটের,
হকের আলোটি না লইয়া ঘরে ফিরিবে না কোনো শের!
অধিকার বুঝে তবে ঘরে ফিরো,
ভয় নাই আর যমেরও,
মগের মুল্লুকে আলো আনিবেই বিপ্লব আবাল-বৃদ্ধ-পামরেরও!

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন
আপনার মূল্যবান মতামত ও গঠনমূলক মন্তব্য আমাদের অনুপ্রেরণা। অনুগ্রহ করে শালীন ও সৌজন্যমূলক ভাষায় মন্তব্য করুন।