কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা
রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর
************************************
দুষ্ট লোকেরা বলে হাসিয়া—
"টুকু যায়, টুকু আসে!"
রক্ত চোষারা ভেলকি দেখায় শোষিতের এই দেশে!
এই আসে আলো, এই চলে যায়—নিমেষে আঁধার ঘোর,
কতক্ষণ থাকে, কতক্ষণ যায়—হিসাব মেলে না তোর!
ওরে, হিসাব মেলে না তোর!
এই ব্যাঙ্গাত্মক বাক্যটি আজ হানিল রে এক নারী,
বজ্রকণ্ঠে উচ্চারিল এই সত্যের তরবারি!
এদেশের বুকে বাঘিনী
কন্যা—
ব্যারিষ্টার রুমিন
ফারহানা!
মাননীয়
সংসদ
সদস্যের কণ্ঠে
ফুটিলো
জনতার
লাঞ্ছনা!
অবহেলিত আর
সুবিধাবঞ্চিত কোটি
জনতার
দল,
যাঁহার
কণ্ঠে
খুঁজিয়া পাইল
রে
আজ
প্রতিবাদের বল!
জনতার
মনের
গোপন
কথাটি
ফুটিলো
তাঁহার
মুখে,
বিদ্রোহী গান
বাজিয়া
উঠিল
শোষিতের ক্রুদ্ধ বুকে!
দুষ্ট
লোকেরা
বলে
হাসিয়া—
"টুকু
যায়,
টুকু
আসে!"...
খাম্বা
আছে
রে
রাজপথ
জুড়ে
দাঁড়িয়ে কঙ্কালসম,
তার
আছে
যত
বিছানো
আকাশে,
জাল
যেন
এক
যম!
লাইনেও
আছে
সংযোগ
সব—
তবু
বাতি
কেন
জ্বলে
না
রে?
আলোর
বদলে
আঁধার
চাবুক
মারিছে
ঘরে
ও বাইরে!
কলকারখানা বন্ধ
আজিকে,
স্তব্ধ
চাকার
গতি,
লক্ষ
লক্ষ
শ্রমিক
বেকার,
ঘটিতেছে মহা
ক্ষতি!
অসহনীয়
যন্ত্রণা!
সহেনা
আর
এই
বঞ্চনা!
বিদ্যুতের তরে
যত
ভোগান্তি, যত
আছে
হাহাকার,
গ্রাম
ও শহরে সমান তালে
আজ
লোডশেডিংয়ের মার!
নাই
ভেদাভেদ পল্লী
ও নগরে, সবই আঁধারে
লীন,
শোষিতের রক্ত
শুষে
নিয়ে
যায়
শোষকেরা দিন
দিন!
আর
রাষ্ট্রযন্ত্র? সে
তো
চেয়ে
চেয়ে
দেখে
শুধু!
ঠুঁটো
জগন্নাথ বসিয়া
আছে
রে,
বুকে
নাই
কোনো
ধুধু!
কোনো
প্রতিকার নাই,
কোনো
সাড়াশব্দ নাই
তার,
জনতা
আজকে
চরম
হতাশ,
ডুবিয়াছে অন্ধকার!
তবু
হতাশার
দিন
শেষ
হবে
রে,
জাগো
ওরে
সর্বহারা—
বাঘিনী
কন্যার
বজ্রকণ্ঠে মেলাও
কণ্ঠ
সারা!
টুকু
যায়
টুকু
আসে—এই ভেলকি এবার
থামাও,
লড়াইয়ের তালে
আলোকের
দিন
আবার
ফিরিয়ে
আনো!
"টুকু
যায় টুকু আসে—এই ভেলকি এবার থামাও,
জনতার এই তীব্র ক্রোধে শোষকের গদি কাঁপাও!"
----------------------------------------------------------------

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন
আপনার মূল্যবান মতামত ও গঠনমূলক মন্তব্য আমাদের অনুপ্রেরণা। অনুগ্রহ করে শালীন ও সৌজন্যমূলক ভাষায় মন্তব্য করুন।