কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা
রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর
*************************************
শোনো
হে
রাষ্ট্রযন্ত্র,
শোনো
হে
ক্ষমতার কান্ডারী!
তোমাদের তরে
অবহেলিত গ্রামীণ জনতার—
এই
শেষ
হুঁশিয়ারি!
কারেন্ট?
সে
তো
এক
পরম
অসামাজিক!
প্রতিদিন জনতা
তাকে
দাওয়াত দেয়,
তবু
সে
বেড়াতে
আসে
কদাচিৎ।
সে
বড়
স্বার্থপর,
বড়
বেশি
বৈষম্যময়,
শহরই
যেন
তার
চিরস্থায়ী বাসস্থান—
সেখানে
সে
নিত্য
করে
সদায়!
অথচ
গ্রামের রক্ত
চুষে
এনে,
সে
দান
করে
শহরের
রোগীকে
চিনে
চিনে!
গ্রামের পর
গ্রাম
সে
শুধু
করে
জুলুম-অত্যাচার,
আলো
নাই,
তবু
বিলে
বোঝা
চাপিয়ে
দেয়
বারবার!
সে
গ্রামকে শুধু
অন্ধকার রাখতেই
পছন্দ
করে,
তাই
তো
আজ
ক্ষোভের আগুন—
জ্বলছে
পল্লীর
ঘরে
ঘরে।
আজ মিল-কলকারখানা সব বন্ধ হয়ে
যাচ্ছে,
উৎপাদন
স্তব্ধ,
শ্রমিকেরা বেকারত্বের বিষ
খাচ্ছে!
নিত্য
প্রয়োজনীয় জিনিষের দাম
হুহু
করে
বাড়ছে,
মানুষের জীবন-জীবিকা আজ—
স্থবিরতায় মরছে!
গ্রামে বিদ্যুৎ আজ
এক
মস্ত
অভিশাপ,
বারো
থেকে
আঠারো
ঘণ্টা
থাকে
না
কারেন্ট—
এ কেমন পাপ?
এই
চরম
ভোগান্তি দেখার
যেন
কেউ
নেই
কোথাও,
কী
বিচিত্র রাষ্ট্রযন্ত্র!
কী
বিদ্যুৎ সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান তোমরা
চালাও!
হে রাষ্ট্রের কাণ্ডারী,
হে
মন্ত্রী, হে
এমপি,
হে
উচ্চপদস্থ কর্মচারী!
তোমাদের তো
কারেন্ট যায়
না,
তোমরা
কী
বুঝবে
এই
কষ্টভারী?
তোমরা
কি
পারো
না—
তোমাদের বিদ্যুৎ লোডশেডিংয়ের আওতায়
আনতে?
নাকি
সাধারণ
মানুষের কষ্টকে
তোমরা
চাও
না
কোনোদিন জানতে?
তোমরা
এতো
নিষ্ঠুর কেন?
বলো
হে
রাষ্ট্রের কাণ্ডারী—
গ্রাম
ও শহরের মাঝে বিদ্যুতের এই
বৈষম্য
কেন
এতো
ভারী?
আমরা ভিক্ষা
চাই
না,
বিদ্যুতের সুষম
বণ্টন
চাই!
মন্ত্রীদের ঘরেও
হোক
লোডশেডিং—
ঠিক
গ্রামের মতোই,
আর
কোনো
ছাড়
নাই!
তবেই
যদি
তোমরা
বোঝো—
অবহেলিত, বঞ্চিত
মানুষের মনের
কষ্ট,
যার
কারণে
আজ
দেশের
অর্থনীতি হচ্ছে
পুরোপুরি নষ্ট!
আমরা ঘরে
ঘরে
সুষম
হারে
বিদ্যুতের বণ্টন
চাই,
বন্ধ
হয়ে
যাওয়া
সব
মিল-কারখানার—
সচল
রূপ
দেখতে
পাই!
জনতার
ট্যাক্সের টাকায়
তোমাদের যতো
বেতন
আর
বিলাসিতা হয়,
তোমরা
সুখে-শান্তিতে থাকবে,
আর
জনতা
সইবে
কষ্ট—
এ কেমন অন্যায়?
এই বৈষম্যের দেয়াল
ভেঙে
গুঁড়িয়ে দাও,
হে
রাষ্ট্রযন্ত্রের কান্ডারী,
জনতাকে
এই
অভিশাপ
থেকে
মুক্তি
দাও,
অবিলম্বে মুক্তি
দাও,
এ আমাদের দাবি সর্বাধিকারী!
------------------------------------------------------------
No comments:
Post a Comment