Sunday, May 11, 2025

যে শুভ্রতা দেখে

 

যে শুভ্রতা দেখে

কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা

তারিখঃ ১১-০৫-২০২৫ ইং

রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর।

-----------------------------------

যে শুভ্রতার ঝলকে অপলক চেয়েছিলাম গগণ পান,

চির মুক্তির নক্ষত্র দেখিব বলে জাতির এ উদ্যান।

 

এখন দেখি শত কলঙ্কের দাগ দিবসের রবি, শশী

নিশাচর হয়ে বাঁধিয়াছে বাসা বাংলার বুকে বসি।

হায় ,এ কেমন ফুল ফুটিয়াছে তরুণ তুর্কি- হে জনগণ,

এখন দিকে দিকে বিষাক্ত মৌয়েরা ঘুড়িতেছে হন হন।

 

শূলে শূলে করিতেছে চুরি  সতেজ পাঁপড়ির মধু,

গোমটার আড়ালে প্রণয়ে মাতিছে ক্ষমতার নববধু!

এমন দুষ্ট আলিঙ্গন তো চাইনি মুক্তির অভিলাসে,

যে কিনা দখল করে নিবে আমার স্বাধীনতা হরষে!

 

যুগ যুগ ধরি এই ধূলিতলে বাঁধিয়াছে মীরজাফর বাসা,

বিশ্বাসে তুমি বুঝনি তাহা- কত যে সর্বনাশা! সর্বনাশা!

হে ভাই, হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিষ্টান- তৌহীদি মুসলমান,

এখানেই ওঁত পেতে আছে দেশদ্রোহী কুলাঙ্গার শয়তান।

 

যে গগণ দেখে অপলক চেয়েছিলাম সোনালী ঊষার ক্ষণে,

সে রবি গ্রাসিয়াছে কালো মেঘেরা শত কলঙ্কের বরষনে।

ছিঃ ছিঃ স্বপ্নের মণি প্রদীপে ওরাই যেন মুনাফিক দল,

বিষাক্ত নাগ-নাগিণী নব ধারার আলোকে -এ বঙ্গ তল।

----------------------------------------------------

 

 

দূষণ এসে মিশে গেছে

 দূষণ এসে মিশে গেছে

কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা

তারিখঃ ১১-০৫-২০২৫ ইং

রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর।

-----------------------------------

এখন দিকে দিকে বজ্র ধ্বনি গগণে গগণে বাজে!

বুক চিরে চিরে অনল উল্লাসে মহামৈত্রীর মাঝে।

 

দূষণ এসে মিশে গেছে হরষে কণ্ঠের সুরে সুরে,

এ গান যে বড় অচেনা রক্ত রঝা শহীদের বুক জুড়ে।

এ তাল লয় সুর জপে কারা পূজারী মন্ত্র পড়ে?

ওরা বড় অশনি বাণী দিয়েছে মগজের স্তরে স্তরে!

 

ওরে, ওরা কোন সন্ন্যাসী আর পীর?

কৌশলে তোর সাথে মিশে গেছে আজ মসজিদ-মন্দির!

কে বলে তোর স্বাধীনতা অটুট রয়েছে বঙ্গ বুকে?

এ প্রাণ কিংবা বিবেক কি বুঝেনা- মা কতটা দুঃখে?

 

সম্মুখে ভয়ঙ্কর পরিনতি! ওরে বীর বাঙালি,ওরে সেনা দল,

ওরা এনেছে ডেকে রক্ত চোষা লাল-সবুজের তল।

মৈত্রীর মঞ্চ ভেঙেছি আমরা- হুজুগের স্বপনে রাঙি,

ওরে মুক্তি কি আসিবে কভূ দেশপ্রেমের শপথ ভাঙি ?

 

মৌলিক সুর হারায়ে কোথায় ছুটেছিস- হে নবধারা!

আসন্ন দিনে তুই হারাবি এই স্বর্গিয় বসুন্ধরা।

দূষণ এসে মিশে গেছে হরষে কণ্ঠের সুরে সুরে,

এ গান যে বড় অচেনা রক্ত রঝা শহীদের বুক জুড়ে।

----------------------------------------------

 


রক্তাক্ত ছুরি

 

রক্তাক্ত ছুরি

কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা

তারিখঃ ১১-০৫-২০২৫ ইং

রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর।

-----------------------------------

রক্তাক্ত ছুরি, পিতার বুক হতে উঠালো স্নেহের প্রীতি!

কি এক অসভ্যতার ক্ষুধা কেড়ে নিল পিতার জ্যোতি!

 

এক হতভাগা পিতা-অযূত ব্যাদনায় মরুর অনলে,

আদুরে কন্যার হাতে প্রাণ হারালো- এই নিখিলে ।

যে পিতা আগলে রেখেছিল প্রেম ভালবাসার বন্ধনে,

উৎসর্গ্ করেছিল আপনার সুখবিলাস -কন্যা লালনে।

 

আর সে কন্যাই ছুরির আঘাতে আঘাতে খুনের নেশায়,

জন্ম দাতা পিতাকে অপবাদ দিল,হত্যা করিল বসূধায়!!

কত বুক চাঁপা কান্না গোপন রেখে পিতা হেসেছে,

কভূ যেন কন্যার অশ্রু না ঝরে দুঃখের কবিতা রচে।

 

হাতে রক্তাক্ত ছুরি! পিতার নিথর দেহ লাল রক্তে ভাসে,

মাদক নেশার মাতাল উল্লাসে আদুরে কন্যা পাশে-হাসে।

পৃথিবী যেন নির্বাক!লাগামহীন অসভ্যতা উঠেছে ক্ষেপে,

কন্যারা বেপোরোয়া মাদকের গ্রাসে গ্রাসে ভয়ঙ্কর রূপে!

 

হে পৃথিবীর সভ্যতা! হে মানবতা! আর কত দেখব রক্তাক্ত ছুরি?

কন্যারা যেন ফিরে আসে সভ্যতার দিকে- মাদকমুক্ত স্বর্গিয় নীরে।

-------------------------------------------------

Thursday, May 8, 2025

রচনা করো হে কবি

 

রচনা করো হে কবি

কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা

তারিখঃ ৮-০৫-২০২৫ ইং

রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর।

-----------------------------------

মুক্তির কবিতা রচনা করো হে কবি আসন্ন দিনের,

ধূম্র- তপ্ত –আঁধার- কুঁয়াশা- ভেঁদিয়া দুরন্ত -দুর্বার।

 

তুমি কেন হবে নত শির মরীচিকারতটে ছলনার তীর?

তুমি সত্যকে উম্মুচন করো হে- কলমের তুলিতে নশ্বর।

তুমি বলো, তুমি বলো হে- তুমি বীর উদ্দাম ভয়হারা,

বলো হে তুমি এসেছো পৃথিবীকে শুনাতে মুক্তির কবিতা-ছড়া।

 

তুমি কবি, তুমি বিদ্রোহী, তুমি বিপ্লবী সমরজয়ী প্রাণ,

তুমি নও পূজারী ওইসব দৈত্য –দানব অসূর শয়তান।

হে কবি, বলো হে মুক্তির ঠিকানা এখনো দূর, এখনো বাকি,

চৈতন্য যদি না জাগে কি লাভ হবে লাল-সবুজের চিত্র আঁকি?

 

এই নাও, তোমাকে দিলাম সমরজয়ী অমর তরবারি,

রচে যাও মুক্তির কবিতা, লক্ষশহীদের রাঙা কালিতে

স্বাধীন বাংলার পথ ধরি।

আসন্ন দিনের মুক্তি কি, বৃক্ষহীন- ছায়াহীন -মরুভূ ঘিরে,

না, না, না-

রচনা করো হে কবি -সাম্যের কবিতা- সে যেন আসে ফিরে।

 

হে কবি, তুমি বলো হে কবিতা, তুল হে অপরূপ ঝঙ্কার, 

আসন্ন দিনের মুক্তি প্রেম ভালবাসা সাম্যে আছে গো অণিবার।

--------------------------------------------------

 

 

 

ব্যদনার অশ্রুজল জানে

 

ব্যদনার অশ্রুজল জানে

কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা

তারিখঃ ৮-০৫-২০২৫ ইং

রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর।

-----------------------------------

সত্য যুগের পরে আবার কোন অসত্যের দিকে ছুটেছি!

এ কোন জাহেলী যুগের আলপনা এঁকেছি?

মনে হয় কোন এক আগ্নেয়গিরির লাভায় ঢুকেছি

দিকে দিকে সেইসব অসভ্যতাকে ডেকে এনেছি।

 

ভুলেগেছি সত্য- মিথ্যের ব্যবধান

এখন পথে পথে গুঞ্জন!

স্বাধীনতায় আর স্বাধীনতা নেই সেই চেতনার মতন,

এখন সব লোক দেখানো দেশ প্রেমের উচ্ছাস-গর্জ্ন!

 

রাঙা কৃষ্ণচূড়াও কেমন যেন ঝরে যাচ্ছে নীরবে,

কেমন যেন থমকে যাচ্ছে নক্ষত্র তারকারাজি কলরবে।

সত্য যুগের পরে আবার কোন পরাজয়ের উত্থান,

আমরা ডেকে আনছি নাতো সেইসব উজ্জ্বল শয়তান?

 

এবার যদি হেরে যাই

আসন্ন দিনে কোথাও হবে নাকো ঠাঁই।

বিচারিক বৈষম্যতায় কেমন যেন ছুটেছি মৃত সভ্যতায়,

ব্যদনার অশ্রুজল জানে কতটা হতভাগা জাতি-বসূধায়।

 

কে কাননের পুস্পিত পুস্প তারে চিনেনিকো স্নিগ্ধ কলরেব,

এখনো বুঝিনিকো কে জাতির গৌরব-সৌরভ!

গুজব-হুজুগে- আবেগে –বিবেককে করেছি পরাজিত,

জাতি এখন শুন্যতার দিকে ক্লান্তহীন ছুটেছে অবিরত।

----------------------------------------------

 

 

নারী তুমি

 

নারী তুমি

কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা

তারিখঃ ৮-০৫-২০২৫ ইং

রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর।

-----------------------------------

নারী তুমি- মা- প্রেয়সী-রাজকন্যা এই ধরনীর,

তুমি পৃথিবীর প্রেম- শীতল ছায়া -তপ্ত বালুচর !!

 

তোমার আঁচলেই নর হয়েছে শক্ত সবল বীর বল,

তোমার বৃক্ষেই ফুটেছে ফুল ফল- এই ধরনী তল।

তুমি নহে কোন থমকে যাওয়া -বজ্র- ঝড়- তুফান,

তুমি দুরন্ত! দুর্গ্মগিরি- পাহাড় -পর্ব্ত- যুদ্ধের উদ্যান।

 

তুমি কোমল, তুমি ইস্পাত কঠিন, তুমি মুক্তির ক্ষুধা,

তুমি রূপসী, তুমি আবেগ, তুমি কামনা -এই বসূধা।

তুমি স্বর্গ্, তুমি নরক, তুমি শোভা কিংবা ঝড় বাদল,

তুমি কবিতা, শিল্পীর অবনাশী গান,দুঃখীর অশ্রুজল।

 

তবে কেন ঝরে যাবে হে নারী- অনিষ্ট অসূর অনলে?

তুমি তো সৃষ্টির হীরে মানিক মুক্তা,যারে খুঁজি দলে দলে।

তুমি ছাড়া এই পৃথিবী পুস্পহীনা শুন্য কানন,

তোমার সূরভী ঘ্রাণেই আমি নর দেখিয়াছি বিশ্ব ভুবন।

 

তুমি সেই স্বর্গিয় স্পর্শ্! পুস্পিত পুস্পেরে মঞ্জরি-

তুমিই পৃথিবীর রক্তাক্ত তোরণ,মানব সৃজনের পাঞ্জেরী।

তুমি মা - প্রেমিকা- আবেগ – অনুভূতি-কামনা-সাধনা

তোমার গভীরেই খুঁজিয়াছে নর জীবনের যত প্রেরণা।

--------------------------------------------------

 

স্ত্রীর ইগো কি পায়?

 

স্ত্রীর ইগো কি পায়?

কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা

তারিখঃ ৮-০৫-২০২৫ ইং

রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর।

-----------------------------------

যুগ যুগ ধরে মানুষই সংসার করিয়াছে পৃথিবীর তরে,

ভালবাসা কিংবা বিরহের অন্ধকারে যুগল হাত ধরে।

 

অনেক নর -নারী দেখেছি আমি,সুখ স্বর্গের পুস্প কানন,

প্রেমের তরঙ্গে পুলক শিহরণে চলিছে দাম্পত্য জীবন।

তীব্র কোলাহল বিভেদ দেখেনি সুখ দুঃখের উথরোলে,

দেখেছি আমি ধূঁধূঁ বালুচরে শুভ্রতার ঝলক কাঁশ ফুলে।

 

এখন সেখানে যুদ্ধ! দিকে দিকে উত্তাল সমুদ্র সফেন!

পূর্ণিমার শুভ্র জগতে আঘাত হানিয়াছে বজ্র- তুফান।

নর-নারী উত্তাল! রোমান্টিক শুন্যতায় দিনের পরদিন,

দিকে দিকে অনলের উত্তাপে পুড়িছে পারিবারিক বন্ধন!

 

বিশ্বাস –অবিশ্বাসের অন্ধকারে তরঙ্গিত প্রেমের দিশা,

বৌ- শ্বাশুড়ীর অন্তরে ঢুকিছে কি এক অদ্ভুদ নিশা!

অভিযোগ আর পাল্টা অভিযোগে পুত্র হয় দিশেহারা,

স্বামী হয় অসহায় সুখ স্বর্গের প্রেমে- এই বসুন্ধরা।

 

সভ্যতার বিবেক আত্মসমপর্ণ্ করে বৌ-শ্বাশুড়ীর দ্বন্দ্বে,

স্বামী হয় ব্যদনায় নীল, পুত্র হয় পরপার বারুদের গন্ধে।

মা হারায় সন্তান! পৃথিবী হারায় মানব সভ্যতা-

স্ত্রীর ইগো কি পায়? সন্তান হারায় পিতা-বিশ্ব হারায় মানবতা।

--------------------------------------------------

 

Wednesday, May 7, 2025

উদার কণ্ঠে করো হে আহ্বান

 

উদার কণ্ঠে করো হে আহ্বান

কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা

তারিখঃ ৭-০৫-২০২৫ ইং

রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর।

-----------------------------------

তুমি যদি হও মুসলিম- উদার কণ্ঠে করো হে আহ্বান,

ওহে মানব, আল-কোরআনই মানব মুক্তির সংবিধান।

 

কে হিন্দু -বৌদ্ধ- খ্রীষ্টান- মুমিন মুসলমান,

তাগুতের মন্ত্রে মানুষই করিয়াছে এই ব্যবধান।

জন্মেছি সবে একই তন্ত্রে মন্ত্রে মায়ের উদর হতে ধরণী,

এখানে এসে আমরাই করেছি ধমর্কে বিভাজন-অগ্রণী।

 

মনে রেখো, আল্লাহ নিকট হবে না গ্রহনযোগ্য- হে উদাসী,

যদি না তুমি পৌঁছে দাও এ বাণী ইসলাম তলে আসি।

তোমার প্রচার কেউ যদি না শুনে হৃদয়ের দ্বার খুলে,

সে হবে পরাজিত! নহে গো তুমি হারবে হাশর কালে।

 

হে মুমিন, আঘাত করো না অন্যায়ভাবে কারো গর্দান শিরে

উদার কণ্ঠে করো হে আহ্বান, এসো হে শান্তির নীরে।

ইসলাম এসেছে মানব মুক্তির জন্যে এই ধরনীর বাঁকে,

মনে রেখো, জবার দিতে হবে প্রতিটি কর্মের ছবি এঁকে।

 

ইসলাম শান্তির -যদি হয় আল-কোরআনের আলোক !

কোন মুনাফিক তাগুত নহে গো ইসলামের -এ ভূলোক।

আগুন যদি লেগে যায় জল ঢালিবে কোরআনের বন্ধন,

এর আগে নহে গো জুলুম -অত্যাচার –নিষ্ঠুর নির্যাতন।

 

তুমি যদি হও মুসলিম- উদার কণ্ঠে করো হে আহ্বান,

ওহে মানব, আল-কোরআনই মানব মুক্তির সংবিধান।

---------------------------------------------

অন্তর তরঙ্গ পবিত্র রেখো হে

 

অন্তর তরঙ্গ পবিত্র রেখো হে

কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা

তারিখঃ ৭-০৫-২০২৫ ইং

রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর।

-----------------------------------

অন্তর তরঙ্গ যদি পবিত্র না হয় কোনদিন,

আঁধার ঘুচিবেনা এই ধরনীর দিবা-নিশিদিন।

 

যতই তুল শান্তির শ্লোগান- হে বিপ্লবী বীর,

অন্তরকে পবিত্র করো হে যত অনিষ্টের ভিড়।

হে মুসলিম তুমি বলো হে উন্নত মম শীর-

পৃথিবীর কোন লোভ লালসা নহে গো তোমার।

 

তুমি এসেছো মানবতাকে চাঙ্গাতে পৃথিবীর কোলাহল,

তুমি এসেছো হারাতে জাহেলী বাতিলের দল-বল!

তুমি গোলাম , তুমি দাস ওই পারওয়ারদীগার,

হে সত্যের বীর, হে বিপ্লবী,তুমি নও কভূ অন্ধ-বধির!

 

কোন মুসলিম হুজগে- গুজবে নাহি যায় ভাসি,

নাহি হয় মুনাফিক কাফের দোসর যুদ্ধে আসি।

পৃথিবীর মোহকে তুচ্ছ করে ইসলামের পতাকা তুলি,

আলোর পথে পথিককে ডাকে অন্তর রিপুকে ভুলি।

 

তুমি কোন মুসলিম হে ! কেন এতো হাকাকার?

সমর জয়ী যোদ্ধা তুমি বলেছে আল্লাহ বহুবার!

ওরে-মানবতা, সাম্য অন্তরে রেখো হে- অভিসার,

হিংসা- বিদ্বেষ- হানাহানি নহে গো মুমিনের আচার।

 

অন্তর তরঙ্গ পবিত্র রেখো হে -অসূরের গর্জ্ন ডিঙ্গে,

আল্লাহ’র রহম চাও হে- রিপুমুক্ত চেতনার সঙ্গে।

---------------------------------------------

 

স্বপ্ন তো দেখতেই পারি

 

স্বপ্ন তো দেখতেই পারি

কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা

তারিখঃ ৭-০৫-২০২৫ ইং

রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর।

-----------------------------------

স্বপ্ন তো দেখতেই পারি তারুণ্যের বিপ্লবী প্রাণ,

নির্ভয়ে তো থাকতেই পারি তুমুল ঘূর্ণি ঝড় তুফান!

 

কিন্তু স্বপ্নের ভিতরে বুঝি ঢুকে গেছে অসুর মন্ত্র,

দিকে দিকে স্বপ্ন সারথীরা রচেছে নির্দ্য় ভয়তন্ত্র!

বিপ্লবী এখন মসনদের সন্ধানে হারিয়েছে শুভ্রপথ,

পূর্ণিমার রূপালী চাঁদে আঁকিছে কলঙ্কের ভবিষ্য!

 

ঘরে ঘরে হাকিছে দ্বন্দ্ব সংঘাত হানাহানি বিস্তর,

বাতাসে বজ্র হুঙ্কারে ছড়িছে ডানা স্তর হতে স্তর।

দৃষ্টির ফাঁকে ফাঁকে রঞ্জিত করে যায় ভূ-লোক,

তবু  প্রত্যাশা যদি কখনো হয় মুক্তার আলোক!

 

সাম্যের প্রদীপ জ্বেলে যদি রাত্রির নক্ষত্ররা হাসে,

এই বঙ্গ জননী অপলক চেয়ে রবে শুভ্র আকাশে।

কিন্তু বিপ্লবের বিপ্লবী যে ধূসর কোন পৃথিবী,আহা।

ক্ষমতা- লোভ-লালসা- বৈষম্য কেবল চিনিয়াছে তাহা।

 

স্বপ্ন তো দেখতেই পারি লক্ষ শহীদের রক্ত ঝরা চোখে,

আবার যদি ফিরে যাই সেই চেতনার রক্তিম আলোকে।

-------------------------------------------