Wednesday, February 27, 2019

খোকাখুকী, খোকাখুকী




                                   -কবি মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা।
খোকাখুকী, খোকাখুকী, আমার সোনামণি,
তোমার শিক্ষক কি বলিছে, বল একটু শুনি ?

বলিছে শিক্ষক ঐ,  পড়, পড়, পড়
যা কিছু লিখা আছে, জ্ঞানে আকড়ে ধর ।        
            মূর্খতায় আসিয়া কালো
            পথটাকে করিবে ধূলো
             বইয়ে দেখিয়া আলো…
             জ্ঞাণটাকে জাগিয়া তুলো

যে জন না পড়িবে, সে জন ভ্রান্ত ভ্রান্ত
বলিছে শিক্ষক ঐ, জ্ঞান মুক্তির আদি প্রান্ত ।

খোকাখুকী, খোকাখুকী, আমার সোনামণি,
চল, চল বিদ্যাপিঠে ওগো সোনামণি এখনি !

মনে প্রাণে পড় পড়, ”বই- বই- বই”
মানুষ রূপে মানুষ হইয়া আলো দিও যাই ।
            শিক্ষিত তুমি হইলে
           ফুটিবে গো জ্ঞানের ফুলে !

বইকে ভালবেসে, হও গো আলো আলো
খোকাখুকী, খোকাখুকী বিদ্যাপিঠে চলো চলো ।
---------------------------------------------রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর।




প্রেমের নিশানে বিরহী উড়ে


                  -কবি মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা।
কোমলতা তাহার হারায়ে গিয়েছে
উগ্রতার সহচরে,
ভাবেনা কভূ আপনারে লইয়া
বাতিলের বিভোরে ।

নগ্ন বাতাসের পরশ লাগিয়া,
লজ্জার আঁচল দিয়াছে ছাড়িয়া।
বজ্র কণ্ঠে  ওঠে গো চেচিয়া
আধুনিকতার ভীড়ে ।

কোথায় গেল গো সূরভী তাহার
কোথায় সুবাস,
শয়তানের মন্ত্রে গাহিয়া উঠিছে
তুফান -বাতাস ।

তাহার কোমল প্রাণটি ঘিরে
বিভেদ বাধায় গো নিশীথ ভোরে
প্রেমের নিশানে বিরহী উড়ে
স্বর্গিয় সংসারে ।
------------------------------------ রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর।



কে সেই রমণী



                              -কবি মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা।
ওহে ও প্রাণের ভিতর রবি
তুমি ঐ গগণে এঁকেছো কার ছবি ?
কে সেই রমণী বলে যাও শুনি !
তোমার গহিন তরঙ্গ তালে তালে ব্যাকুল রাঙ্গা পানি,
ওহে কার ঢেউ লাগিয়া যায় ভাসিয়া পদ্মফুলখানি ।
কোন পরশে সুখের কলিরা ডানা তার মেলে,
তোমার শরীর জুড়ে শিহরণ জাগায় পুলকিত পালে
যে প্রণয় উল্লাসে তোমাকে সঙ্গ দিয়াছে কেউ;
সে পথ চলায় কভু কি গুনেছ তার ওঠা ঢেউ ?
কে সেই রমণী বলে যাও শুনি !
তোমার  এ প্রেম উত্তালে স্বর্গের মণি ।
-------------------------------- রাওনাট, কাপাসিয়া,গাজীপুর।