Sunday, March 3, 2019

একটুখানি প্রেম,আদুরে ডাক




                                                     -কবি মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা।
একটুখানি প্রেম,আদুরে ডাক, খাতা কলম বই
কিছু নজর খেল,ধর্মিয় তাল,যদি সবে দেই
একে অপর বলি, আপন ভেবে চলি, হবে নাকো ভুল;
মানুষ যদি হয়, খুশী হবে নিশ্চয়;
হবে তারা ফুল ।

একটুখানি প্রেম,আদুরে ডাক, খাতা কলম বই
কিছু নজর খেল,ধর্মিয় তাল,যদি সবে দেই ।

খুশী ! খুশী! এই ছোট্ট সোনামণি শিখেছে তো বেশ !
জীবন যুদ্ধে, কে হারে কে জেতে,গর্ব্ ভরে দেখবে শেষ।
নৈতিক শিক্ষা, পারিবারিক বন্ধন, মুক্তি দিয়েছে ঐ,
বল তোরা বল, সত্যকে বল,তুলে দে খাতা কলম বই ।

আজ তো এখানে সেখানে ছড়ায়াছে নেশা অস্রখানি;
যদি ছাড়তো তা হলে হয়তো হতো বাংলার জয়ধ্বনি !
আদর -সোহাগ, স্নেহ -ভালবাসা, একটু নজর কই ,
দুষ্টের আশ্রয় , মদ জোয়া নেশা,যুবক যুবতীর সই !

অনৈতিক বাজারে চরিত্র হরণ ভুরি ভুরি খুঁজে পাই
হেলায় হেলায়, বিপথে সোনামণি, কেন ভুলে যাই?
একটুখানি প্রেম,আদুরে ডাক, খাতা কলম বই
কিছু নজর খেল,ধর্মিয় তাল,যদি সবে দেই ।
---------------------------------------------------রাওনাট, কাপাসিয়া,গাজীপুর।

পাথরের গায়ে লিখেছি



                                              কবি মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা।
এক পাথরের নিকট গিয়ে বলেছি;
হে গভীর অনুভূতি তুমি একটু প্রেম দিতে পারো ?
পাথর বলে আমি এক প্রাণহীন প্রবাহ, আমার ভেতরে নেই কোন
স্পন্দনের তরঙ্গ—
যদি ভালবাসতে পারো,তবে
হয়তো বা লেখা হয়ে যাবে একটি বিরহের কবিতা !

এক পাথরের কানে কানে বলেছি;
গহিন তরঙ্গ থেকে তুমি একটু প্রেম দিতে পারো ?
অহংকারী পাথর বলে কে শুনে তোর ডাক -
এই কঠিন প্রাণকে যদি ভালবাসা দেও, তবে
হয়তো বা পেয়ে যাবে একটি রক্ত ঝরা কবিতা!

এক পাথরের সম্মুখে গিয়ে বলেছি; আমি
তোমাকে ভালবাসতে এসেছি, আমি তোমাকে ভালবাসি;
হে নিষ্ঠুর তুমি কি দিবে একটি হৃদয়ের কবিতা ?
আজো কোন উত্তর দিলে না ! না দিলে না-

শুধু একটি কবিতার জন্য-
পাথরের গায়ে লিখেছি-”আমি তোমাকে ভালবাসি”
ওহে পাথর একটু বল না ;
আর লিখবো কতোকাল? আর লিখবো কতোকাল?
----------------------------3-3-2019,রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর।










Saturday, March 2, 2019

ওহে বুঝ দাও, আমাকে বুঝ দাও




                                         -কবি মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা
একদিন জীবনের সামনে দাঁড়িয়ে অনুভব করলাম
অন্তিম চিহ্নগুলো ক্রমশ প্রকোট হয়ে উঠছে,
অনন্তের রেখা যেন শরীরের ভাঁজে ভাঁজে উঁকি মারছে
ধীরে ধীরে যৌবনের উম্মাদনাগুলো থেমে যাচ্ছে

রক্ত মাংসে গড়া স্পন্দিত প্রাণের প্রবাহে
অন্তিম সংকেতগুলো প্রতি মুহূর্তে বার্তা দিচ্ছে
প্রাণের তরী নোঙ্গরের অপেক্ষায় বার বার সংকেত পাঠাচ্ছে
এই পৃথিবী, এই জগত সংসার ছেড়ে যেতে হবে
ওই অন্ধকার কবরে –

সময় দ্রুতই শেষ হয়ে আসছে !আমি কি প্রস্তুত ?
এ এক কঠিন বাস্তবতা! প্রস্তুত হই বা না হই-
একদিন আমাকে যেতেই হবে সেই অনন্তের ঠিকানা
এই প্রাণ তবু বুঝে না –

ওহে পারওয়ারদীগার, ওহে আসমান- জমিনের মালিক
আমি গোলাম তবু সেই অনুপম স্পর্শের অনুভূতি বুঝিনা
ওহে বুঝ দাও, আমাকে বুঝ দাও-
এই জীবনের দুরন্তপনা নহে গো আমার চির বন্ধন-
আমি এক ক্ষণিক মুসাফির তোমারই সাজানো ভুবন।
--------------------------------2-3-2019,রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর।

Wednesday, February 27, 2019

এক বেদনার চিৎকার




                                কবি মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা।
আজ নবীণেরা ভয় নাহি পায়,
তবু ভয়, তবু যে শুধু  ভয় !
নবীণ সূর্যেরা জেগে ওঠে এক অনিষ্টের আহবানে;
এক দুর্বার প্রাণবেগে নেচে ওঠে কোন অসুরের উদ্দীপনে ।
দুর্জ্য় শক্তিতে তার কবিতা লেখে রক্তিম সাগরে
লিখিলের তরু লতা সাক্ষী, যুবক -যুবতীর বক্ষ- চিরে
এক বেদনার চিৎকার,
তার সাথে সঙ্গ দেখি সমাজের স্ব-ঘোষিত মহারতিদের
নবীণ প্রভাতের প্রদীপ নিভে দেয় জাহেলী দর্শনের বাজিকর,
হেলে পড়ে ত্যাজদীপ্ত দ্বিপ্রহর,
গোধূলীর আগেই গোধূলী আসে,
যৌবনের সূর্য্ ডুবে ক্ষণে ক্ষণে মাদক নেশার রাহু গ্রাসে
এখন জাগে না নবীনের প্রাণ
চারিদিকে জীবন্ত লাশ ! লক্ষ কোটি প্রাণের বিবর্ণ্ আচরণ…
এক বেদনার যন্ত্রনা ওঠে বিরহী বক্ষের পঞ্জরে
এ কোন পথে চলেছে বিজয়ী বীরেরা নতশিরে ?
যুদ্ধের রণ দূর্গ্  নিজেরাই আঘাতে আঘাতে করি ভাংচুর
যোদ্ধারা শৃঙ্খল ভেঙ্গে ভেঙ্গে পরাজয় এনেছে বিষাদবিধুর ।
কোন দিকপাল জেগে ওঠে না, খাই খাই দলের মহরা,
জাতির দামালেরা ছুটেছে শুধু জলহীন মরু সাহারা..
সমাজের অনৈতিক কালো মেঘে মেঘে
সূর্যেরা প্রভাতে জাগে না আর শক্তির বেগে ।
প্রেমহীন প্রাণ, হিংসে –প্রতিহিংসে,ক্ষমতার নোংরা হাত
মু্ক্তি -স্বাধীনতা আজ এক পরাজিত রক্তপাত !
জাগো, জাগো, নবীণেরা জাগো দৃপ্ত বীরের ভঙ্গিমায়
আর একটি স্বপ্নের লক্ষে, আর একটি বিজয়ের অভিপ্রায় !!

লিখিলের তরু লতা সাক্ষী, যুবক -যুবতীর বক্ষ- চিরে
এক বেদনার চিৎকার !
-----------------------------------------------------------রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর।