Sunday, March 3, 2019

এ কেমন প্রহরী রেখেছো তুমি ?




                                         -কবি মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা।
মাগো!
তোমার প্রহরীটা অলস এমন ! বাজাচ্ছে সে বারোটা !
রাত ঘুমিয়ে ঝিমিয়ে পাড় করে সে-
সিঁধ চোরেরা সুযোগ টা নিয়ে,নয়কো তাও ছোটটা
অংকগুলো সে নিজের মতন কষে কষে
সিন্দুকের কপাট ভেঙ্গে রক্ত ঝরিয়ে দড়ি পেঁচিয়ে
সব ছিনে নিয়েছে, আর প্রহরী বলে---
আমি কিনা মিথ্যা করে ভিতুর মত চেচিয়ে চেচিয়ে
তোমার কাছে নালিশ করেছি…
মাগো !
এমনি কি তোমার প্রহরী, ঘুমন্ত থাকে সারা রজনী ?
আর দেখ বিনিদ্র, কম্পিত তোমার অসহায় সবহারা সন্তানেরা..
সাহস হয় না, কখনো বলিতে মানা, প্রকাশ করিতে মানা
তবু বলি তোমার প্রহরীকে ঘিরে আছে
 হাজারো সিধ চোরেরা, পুকুর চোরেরা..
কিছুক্ষণ পরেই দেখি একদল হাত কড়া নিয়ে টেনে হিছড়ে..
বন্দুকের নলে তুলে নিয়েছে এক সতেজ প্রাণ !
মাগো !
এ কেমন প্রহরী রেখেছো তুমি ?
ঘরের সব চুরি করে নিয়েছে, আমাকে ভয় দেখাচ্ছে, অধিকার ক্ষুন্ন করছে..
তোমার দরবারে রেখে গেলাম আর্জি
বাঁচাও, বাঁচাও, আমাকে বাঁচাও তোমারই আঁচলে
আর যেন না পারে সিধ চোরেরা মাথা ঢুকিয়ে
আমার স্বাধীন নীড়ে ।
পারিবে না তুমি  ?
-------------------------------------------------------------- রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর।








তোমার কলি , তোমার ফুল




                                          -কবি মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা।
খাতা কলম বই হাতে সুন্দর পোশাক গায়,
সকাল সাঁঝে জ্ঞানের কলি স্কুলে আসে যায় ।
তাই না দেখে পিতা মাতার প্রাণটি ভরে আসে,
জ্ঞানের কলি জাতির ফুল আলোর ভুবন হাসে ।
নিত্য পড়ে নিত্য লেখে খাতা ভ’রে ভ’রে,
আপন পড়া আপনি শিখে স্কুলের পড়া ধরে ।
পণ করেছে আলো দিবে শিক্ষার মশাল জ্বেলে
নবীণ কলি শিক্ষার ফুল জাগুক দলে দলে
তোমার দিকে সবাই চেয়ে দিনের পর দিন
পড়- লেখ, খেলা কর ,আসবে শুভ দিন ।
আপন কাজে নহে হেলা, পড় যত পার ,
আদব -কায়দা, শ্রদ্ধা –মান্য প্রাণে আকড়ে ধরো ।
তোমার কলি , তোমার ফুল, ফোটুক সৌরভ ঘ্রাণে
ভালবাসি সেই কথাটা রেখ তোমার প্রাণে ।
-------------------------------------- রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর।

নিজের ভিতরে নিজেরই পরাজয় !



                       - কবি মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা

প্রত্যয়ী প্রাণ বিজয়ী উল্লাসে আপনাকে জাহির
সংকল্প এমন এক অদম্য সৈনিকের দূর্বার শরীর,
যোদ্ধা যখন সযত্নে যুদ্ধকে আলিঙ্গন করে,
সেখানে আত্মবিশ্বাসের থাকে বিজয়
দূর্গে সব সেনিকেরা হয় সূর্যের উদয়

ভিতুরা যুদ্ধে বিজয়ের পরাজয় দেখে
নতশির পশ্চাতমূখী হয়, অবশেষে
যৌবনে যৌবনে জাগে যেন বীর্য্হীন যুবকের রুগ্ন দেহ
সৈনিকের পরাজয় আসে..
রক্তে রক্তে লেখা হয় পরাজিত এক কবিতা
যেন এক বীরের অসহায় কোন হেয়ালি আত্মসমার্প্ণ
নিজের ভিতরে নিজেরই পরাজয় !

বিজয়কে কষ্ট দিয়ে পরাজয় পুষ্ট হয়
বীর যখন আত্মবিশ্বাসে হেরে বসে,
দৃঢ় সংকল্পই পারে সৈনিকের বিজয়
অমরতা তো যুদ্ধেই উদিত হয়
যদি না সৈনিক আত্মবিশ্বাসী হয়
নিজের ভিতরে নিজেরই পরাজয় !
---------------------------------------