Friday, January 1, 2021

মুক্তি দিনের সূর্য্

 

-------কবি মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা।

গোলামেরা চলে মুক্তির সন্ধানে

কে আছে তারে দমাবে?

হকেরা চলে বুক উঁচিয়ে সম্মুখপানে

কে আছে তারে রুখবে?

যারা গর্জে উঠে বাতিলের গর্জনে 

ওরা হারবে, ওরা হারবে।

 

অভিশপ্ত শিরক বাধা যেথা রক্ত পায়ে,

ক্ষমা নেই, ক্ষমা নেই আরশ ছায়ে

অগ্নি শিকল  জরায়ে আপন গায়ে

সেদিন কাঁদবে, ওরা কাঁদবে।

ওরা হারবে, ওরা হারবে।

 

হক বিজয়ের ডাক দিয়েছে

বাতিল ভাঙ্গার দূর্গ্

সত্য পথে ওই জেগেছে

মুক্তি দিনের সূর্য্ ।

 

পাপ জুলম অত্যাচার পাবে না কো জয়

সুদ খুষ অনাচার সে শুধু তো ভয় !

দুনিয়ার ঘোরে বাতিলেরা মেতে মেতে

কতো কিছুর ফন্দি পেতে,

নির্দয় হতে হতে

পুড়বে,ওরা পুড়বে, ওরা পুড়বে!!

 

সত্য পথে ওই জেগেছে

মুক্তি দিনের সূর্য্ ।

যারা গর্জে উঠে বাতিলের গর্জনে 

ওরা হারবে, ওরা হারবে।

অভিশপ্ত শিরক বাধা যেথা রক্ত পায়ে,

ক্ষমা নেই, ক্ষমা নেই আরশ ছায়ে ।

 

--১-0১-২০২১,রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর।

 

 

 

 

মুক্তি তোমার সন্নিকটে

 ------কবি মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা।

কে তোমারে ডাকিল মৃত্যুর মিছিলে ভুবন!

কে তোমারে দিল ডাক হে স্পন্দিত প্রাণ?

কার স্পর্শে এ বুকে নিত্য তুমি ছুটেছো অবিরাম

অন্তর জানালা খুলে ভেবেছো কি নশ্বর ধরাধম?

 

তাই তো  মুক্তির অভিপ্রায় এসেছে আল-কোরআন

তুমি কি শুনেছো  প্রভূর বাণী হে ক্ষণিকের মেহমান?

কে আছে তোমারে ঘিরে এই অন্তর নিবাস!

প্রশ্ন কি করেছো কভূ !কোথা থেকে পেলে প্রাণের নিশ্বাস?

 

তার তরে কি নত শির করেছো গর্দান?

এ জমিনে জাগায়ে দাও ওই সত্ত্বার সংবিধান

রাত্রির আঁধার কিংবা দিবালোকে

ধরণীর বুকে বুঁনে যাও সত্যের বীজ অফুরান ।

 

মুক্তি তোমার সন্নিকটে হে মেহমান! হে ক্ষণিক প্রাণ!

ওইখানে নেই কোন বাতিলের প্রহরী সৈনিক

আছে শুধু প্রভূর করুণা সত্যের দশ দিক ।

জ্বলন্ত অগ্নি হতে তুমি ছুটিবে মুক্তির বহরে

চির জন্নাত! চির জান্নাত! মুমিনের শিয়রে ।

 

বাতিলে ক্ষমতা ধর, শক্তির ধর,পৃথিবীর ধনজন

এই মুকুট নিয়ে ধরা হতে বিদায় নিয়েছে যেজন

তারা হয়নি কভূ ইহ পর আল্লাহর প্রিয়জন

সাবধান!সবধান! হে ক্ষণিক পৃথিবীর মানব জন ।

 

মুক্তি তোমার সন্নিকটে হে মেহমান! হে ক্ষণিক প্রাণ!

লুফে নেও অন্তর জমিনে একক সত্ত্বার আল-কোরআন।

 

--------১-১-২০২১, রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর।

 

 

যেতে হবে এ সত্য জানি

 

---------কবি মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা।

সময়  যে করেছো পার এই জগতের সুরে

পাকে পাকে ঘূর্ণিপাকে তাগুদের বিভোরে!

মোহের চাঁদরে ঢেকে ফেলেছো আপনারে

প্রভাত সন্ধ্যায় ছুটেছো আলো- আঁধারে

প্রাণকে জাগাওনা  কভূ সত্যের সম্ভারে

দম্ভে গর্জে ডাকছো সদা বাতিলকে দুয়ারে।

 

 

এক করে ফেলছো হক বাতিলের শ্লোগান-

এ বুকে নেও না কভূ  সত্যের সংবিধান।

ভালবেসে ফেলেছো ক্ষণিকের আলো

বাতিলকে বলো তাই জীবনের ভালো।

তোমাকে যেতে হবে  এ সত্য জানি

পৃথিবী নয়কো তোমার চির মুক্তা মণি!

 

ডাক আসবে যেদিন এই ন্শ্বর পারবে না-

প্রাণের বায়ূ উড়ে যাবে ধরা কে শুনবে না !

তোমার তুমিকে জাগাও বিধাতার আহ্বানে;

যেতে হবে পূঁজি নিয়ে  বিচারের ময়দানে ।

এমন একান্ত করে প্রাণে লও, যেথায় সত্য পাও

এমন একান্ত করে ছুঁড়ে দাও, যেথায় মিথ্যে পাও।

 

তোমাকে যেতে হবে  এ সত্য জানি

পৃথিবী নয়কো তোমার চির মুক্তা মণি!

 

-------০১-১-২০২১,রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর।

 

 

Wednesday, December 30, 2020

স্বাগত জানাও নব বর্ষকে-

 --------কবি মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা।

অসংখ্য চাহিদার সবিনয় অনুরোধে

মানুষ এঁকে চলেছে একেকটি স্বপ্নের ছবি-

যে যার সিংহাসনে অধির ব্যস্ত পৃথিবীর আয়োজনে

স্পন্দিত প্রাণের তরঙ্গেরা ছুটেছে মোহের সন্ধানে।

 

সময়ের স্রোত  ধারায় অনেক প্রত্যাশা হেরে যায়

ভেসে যায় স্বপ্নের তরী! পথ হারায় সমুদ্রের মাঝি!

তবু গাছের সবুজ পাতারা নব উদ্দেমে জেগে উঠে

বসন্তের সমীরনে-

ফুল ফোটে বাগানে বাগানে বর্থ্তার স্মৃতি ভুলে ।

 

মানুষের অজস্র রঙিন স্বপ্নের আড়ালে

সময়ের নিষ্ঠুর গতি অবিরাম ছুটে চলে সীমান্ত পেরিয়ে

অধরাই থেকে যায়  যুগে থেকে যুগান্তর

তবু ছুটে চলে, স্বপ্নেরা ছুটে চলে-

 

ব্যর্থ্তা গ্লানী নিয়ে থমকে যায় না আগামীর যুদ্ধে

মন মন্দিরে যুদ্ধের অস্র জাগায় অধিক উদ্দামে

স্বপ্নের ডালে ডালে ,পল্লবে পল্লবে

ফুল ফোটায় নব সূর্যদয়ে-

 

অতীতের বিরহ ভুলে আরেকটি বিজয়ের শপথে

স্বাগত জানাও নব বর্ষকে-

তার স্পর্শে স্পর্শে জেগে উঠাও অধরা যৌবন

মুছে দেও রাত্রির অন্ধকার

নববর্ষের উত্তাল তরঙ্গে সময়ের ধারা বয়ে যাক

কল্পিত নোঙ্গরে--

 

হে নব বর্ষ্, তুমি নব শক্তিতে গর্জে উঠো স্বপ্নের সীমানা

এই পৃথিবীর চাঁদরে এঁকে যাও আগামী বিজয়ের নিশানা ।

 

-----৩০-১২-২০২০ ইং ,রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর।

ভুলে যাই রাত্রির ব্যর্থতা

 --------------------কবি মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা।

তুমি যেখানেই থাকো, সেখানেই চলমান প্রবাহ!

 

তুমি নোঙ্গর করতে শিখনি কখনো, তুমি যখনই

মৌনতা ভেঙ্গে সম্মুখে যাও ,তখনই স্মৃতি হয়ে যাও

মানস পটে!

হৃদয় স্পন্দনে জেগে উঠ প্রেম বিরহের শত কবিতায় ।

 

তবু কবিতা লিখি নব শপথে চলন্ত স্রোতে ভেসে ভেসে

অধিক উল্লাসে তরী চালাই স্বপ্নের নোঙ্গেরে।

ভুলে যাই রাত্রির ব্যর্থতা, শব্দ বুঁনি আগামীর কবিতার

মুছে ফেলি জীবনের শুন্যতা ।

 

অতীতের ব্যর্থতা নিয়ে ফিরি না ঘরে, অথবা কাঁদিনা বিরহে

তোমার প্রবাহকে আলিঙ্গন করি নব বিজয়ের শপথে

চুর্তদিকের শুন্যতাকে ভরে দেই প্রেমের প্রবাহে

তুমি যেখানেই যাও, যেই মুহূর্তে যাও

যেই অবস্থায়ই থাকো- আমি বর্তমান!

আমি বিজয়ের সম্মুখ যোদ্ধা।

আমি আগামীর রক্তিম সূর্য্ ।

 

ভুলে যাও রাত্রির অন্ধকার,স্বপ্ন দেখো সোনালী প্রভাতের

আঙ্গিন করো অনাগত প্রহরের-

বীজ ছড়িয়ে দাও স্বপ্নের জমিনে,বৃক্ষ জাগবেই

তোমার আঙ্গিনা-

 

তুমি যেখানেই বয়ে যাও সেখানেই বিজয় তরী

তোমার প্রবল স্রোতেই নোঙ্গর হবো আমি!

পিছু হঠবো না কভূ -হে সময়ের প্রবাহ!

এ যুদ্ধকে ভালবেসেই স্বপ্ন বুঁনেছি আমি।

আমি অতীত ভুলে সম্মুখ পথে

 অনাগতের স্বপ্নে।

 

তুমিও উদগ্রীব থেকো সেখানেই, যেখানে নব সূর্য্টা জাগে

দিবসের অপেক্ষায় শুভ্র গগণে—

রাত্রিটা কেটে যাবে, স্বপ্নের দিনগোনায়-

শুভ নব বর্ষ্! শুভ নব বর্ষ্!

শুভ হউক আগামীর পথ চলা---

 

ভুলে যাই রাত্রির ব্যর্থতা, শব্দ বুঁনি আগামীর কবিতার।

 

---------২৯-১২-২০২০ ইং,রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর।

Monday, December 28, 2020

যে শ্রমিক তোমাকে মালিক বানালো

 

--------কবি মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা।

এতো সহজেই নিজেকে বদলে ফেললে কেন!

বুঝি না তোমার অন্তরে কি আছে নেশা-

 

কিছুদিন আগেও নিচু স্বরে বলতে কথা মুখে

স্বপ্নের চোখে অনিদ্রা কবিতা লিখতাম আমি

আজ কোন অহংকারে  বদলালো তোমাকে?

কোন দম্ভের গর্জনে ভুলেগেলে শ্রমিকের কান্না!

 

সহজেই বদলে গেলে, সহজেই ছুঁড়ে দিলে মালিক-শ্রমিকের প্রেম

যে শ্রমিক তোমাকে মালিক বানালো তন্ত্রে তনুতে পুড়ি

তার চোখেই অশ্রু ঝড়ালে অবিরত

ছাটাই করলে নিষ্ঠুর জল্লাদের মতো ,ছাটাই করলে র্নিমম শাসকের মতো

ধিক্কার দিলে ছোট লোক!ছোট লোক!

তুমি শুনলে না হৃদয়ের কান্না, তুমি বুঝলে না

শ্রমিকের আর্তনাত ।

 

যদিও অন্তর থেকে শ্রমিকেরা ভালবেসে ফেলে

তবুও  মালিকেরা নির্দয় হয়ে ওঠে অর্থের আড়ালে।

দুর্দিনে থাকে না কাছে.

বাড়ী গাড়ীর দম্ভ অহংকারে

হৃদয় থেকে হৃদয় হত্যা করে র্নিবিচারে।

বিস্মিত শ্রমিক যতো ভালবাসে বন্ধন –সুতো ধরে

মালিক শুধু যায় দূরে, শুধু যায় দূরে ।

 

অহংকার প্রাণে তুমি  গেঁথে নাও লক্ষ শ্রমিকের ব্যাদনা্।

হৃদয়ের রাঙা প্রবাহে জাগাও চির সাম্যের  ঘোষনা ।

 

এতো সহজেই নিজেকে বদলে ফেললে কেন!

যে শ্রমিক তোমাকে মালিক বানালো তন্ত্রে তনুতে পুড়ি।

 

---২৮-১২-২০২০ ইং,রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর।

Sunday, December 27, 2020

আরো বিজয় আছে

 -------------কবি মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা।

তীব্র গোলা বারুদের যুদ্ধ শেষে যদি কোনদিন

গণতন্ত্র ফিরে আসে---

 

এই দেশে অট্ট হেসে বলবে মানুষ

ওরাই দোসর,

মীরজাফরের দোসর! পাকিস্তানের দোসর

স্বৈরতন্ত্র অসন্তোষে কাঁদবে তখন বসে

একি আমার চেহারা ভাই গণতন্ত্রের পাশে !

হ্যাঁ কিংবা না সীলে আমি শুদ্ধ হই

বোকা জন না বুঝেই আমায় প্রাণে লই-

 

কাক পক্ষী ভাতের লোভে বিনয়াবনত মাথা

শুনিনি তো এতোটুকু গণতন্ত্রের কথা

 

বন্দুক সেইদিন  করেছিল রাজ্যের ক্ষমতায় অসীন

সেই চেয়ারে বসে

গণতন্ত্রের কবিতা লিখেছে স্বৈরতন্ত্রের চরনে চরনে

সে হয়েছে গণতন্ত্রের কবি-

 

আবেগের স্নিগ্ধতায় সমুজ্জল এদেশের মানুষ

বলবে সূর্যের দিকে ছিলো লাল-সবুজের মুখ

বলবে গোলাবারুদের সাথে ছিলো হ্যাঁ -না জোট

কিছু গণতন্ত্র সেও দিয়েছিলা-

এসেছিল বীরদর্পে-

বলবে গণতন্ত্রের  কবি হয়েছিল স্বৈরতন্ত্রের ভূমিকায়

তবুও তো কবি?

 

অস্রে পাওয়া গণতন্ত্র বিজয়ের সব নয়-শেষ নয়

আরো বিজয় আছে

সেতো বেশী দূরে নয়

ভালাবাসার মতো ঠিক হৃদয়ের কাছে।

---------২৭-১২-২০২০ ইং,রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর।

 

 

 

অচেনা থাকে না, চেনা তো যাবেই

 

-----------কবি মোঃআমিনুল এহছান মোল্লা।

একটু পিছনে তাকাও !

নাটের গুরুদের খোঁজে পাবে সম্মুখের আড়ালে

এভাবে আর কদিন  চলতে থাকলে নিজেরাই হারাবে বঙ্গ বুকে

এ দুঃসময়ে তুমি কিছু একটা করো

একটা কিছু বলো।

 

চৌদিকে নব্য মিরজাফরের দারুন উৎপাত দেখছি

খেলছে সেই দোসরেরা বেসুর-বেতাল

বিদ্রোহের কঠিন হুঙ্কার শুনছি স্বাধীনতার প্রশ্নে

ওরা খেলছে পর্দার আড়ালে

সম্মুখে ছদ্মবেশীদের গর্জ্ন।

আবেগী বাঙ্গালী উত্তাল তরঙ্গে প্রবাহিত হচ্ছে অন্ধের মতো-

 

আত্মঘাতী অবহেলায় বিশ্বাস করো না ঘাতকের রক্তকে

লাল-সবুজের পতপত পতাকা সব পোড়াবে

সময় বড়ো দ্রুত যাচ্ছে

উঠো, ঘুম ভেঙ্গে জেগে উঠো, বীর বাঙ্গালী জেগে উঠো

একটা কিছু করো-

 

অচেনা থাকে না, চেনা তো যাবেই

দেশপ্রেমিক যারা বিদ্রোহী চিনবেই

লক্ষ শহীদের রক্ততো পিছনে,,সম্মুখে এগিয়ে চলো

দোহাই লাগে ওদের থামাও- একটা কিছু করো।

 

একটু পিছনে তাকাও !

নাটের গুরুদের খোঁজে পাবে সম্মুখের আড়ালে।

 

-------২৭-১২-২০২০ইং,রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর।

তুমি ডাক দিলে

----------কবি মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা।

**************************
একবার ডাক দিয়ে দেখো আমি কতোটা দয়াবান;
হে গোলাম, আমি কতোটা নিকটে, কতোটা মেহেরবান!
তুমি ডাক দিলে
নিমিষেই ব্যাকুল হয়ে উঠি ক্ষমার দ্বার খুলে
দ্রুতই পৌঁছে যাই উল্কা গতিতে তোমার নত শিরে
প্রভূ –গোলামের সেতু বন্ধনে সেজদা করো যদি
আমি মুছে দেই পাহাড় সম পাপ রেখা তোমার
অতোটুকু দেরী করি না কভূ- হে প্রেমের গোলাম!
তুমি ডাক দিলে
সীমাহীন পাপ মুঁছে দিবো- যদি না শিরক করো
তুমি গোলাম হলে
আমি উপহার দিবো চির মুক্তির ঠিকানা
অনন্ত আরশে এক বেহেস্তের আশ্রম বানাবো।
হক –বাতিলের যুদ্ধ্ রণে
তুমি যদি জয়ী হও
আমি ক্ষমা করে দিবো চির উল্লাসে
তোমার উদ্দেশে খুলে দিবো রহমতের জানালা
তুমি হকের দিশারী হবে কথা দিলে
লুকিয়ে থাকবো না আর,
আমি তোমার হয়ে যাবো,- আমি ক্ষমা করে দিবো।
একবার ডাক দিয়ে দেখো আমি কতোটা দয়াবান;
হে গোলাম, আমি কতোটা নিকটে, কতোটা মেহেরবান!
----২৭-১২-২০২০ইং,রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর।

Saturday, December 26, 2020

কতো সব অঙ্গ ভঙ্গি

 

---------মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা।

পাড়া মহল্লায় অলি গলি জমেছে ভিড়

কতো সব অঙ্গ ভঙ্গির তীর!

প্রভূ বিশ্বাসে ভীরু জনতা শান্ত নিবিড়

ওদের ব্যঙ্গ চিত্র জেগে উঠে খিলখিল

কি উচ্ছল! কি ঝলমল!

 

প্রভূ সন্ধানী জনতা ব্যাকুল ঝরায় চোখের জল-

কখনো আঁতকে উঠে প্রভূ ভয়ে অন্তর জমিন

অন্তর- বাহ্যিকে

জনতা প্রতিজ্ঞা করে অন্ধ চোখে ।

ওরা অভিনয় করে হাজারো গীবতে

অপরের চরিত্র হননে-

 

জনসমুদ্রে প্লাবন উঠায় শ্লোগানে শ্লোগানে-

রচনা করে  বজ্র কণ্ঠে বানোয়াট কবিতা

আবৃত্তি করে ব্যঙ্গ চিত্রে

শ্রীহীন দৃশ্যে,-আঁকা বাঁকা ভঙ্গিতে

সত্যের আড়ালে একি বিস্ময় !

 

যে পথে নিত্য হওয়ার কথা চির মুক্তির সূর্যোদয়

সে পথে কেন দুনিয়াবী স্বার্থের এতো প্রলয় ?

এ কেমন ওদের অঙ্গ ভঙ্গি

মঞ্চে মঞ্চে করেছে সঙ্গী!

চিৎকারে চিৎকারে গীবতের মহরা দেখি

সত্যের অবয়বে আসলের ফাঁকি!

 

তইতো প্রতীক্ষায় প্রহর গুনি নিত্যদিন

স্বপ্নহীন।

---২৬-১২-২০২০ ইং,রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর।

 

এ নোঙ্গর হবেই ব্যর্থ্

 

--------কবি মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা।

মানুষেরা যেন আজ বেহুশ ছুটেছে বিশ্ব নিখিল,

বিবেকহীন বিবেকে নিমগ্ন তাই শয়তানের মিছিল।

আপন জ্ঞানের  শিরায় শিরায়

কেউ যেন ঢুকে আপনাকে দিয়েছে হারায়

বুঝে না তবু, করেছে আপন এ হৃদয় দিল

আবেগে ছুটেছে মিছিলে মিছিলে হিসাবের গড়মিল।

 

 

কে যেন ক্ষুদ্ধ !ছদ্মবেশী ছুড়েছে মৌয়ের চাকে ঢিল,

তাইতো সাদার আড়ালে উড়ছে কালো পতাকা

সত্যের পথ বাতিল।

অন্তর থেকে মুখে তারা

তাগুদের স্বার্থে ছুটছে দিশেহারা

কিন্তু বুঝে না বিবেকহীন বিবেক!!

 

তারা কৌশলে কৌশলে দিচ্ছে ক্ষেপে বিশ্ব নিখিল

সাবধান! সাবধান!

ওরা আসছে ধেয়ে দুর্বার গতিতে ধরছে মিছিল।

অন্তর জানালা খুলে দাও, চোখের পাতা খুলে দাও

নতশির হও বিধার সানে,.যদি চির মুক্তি চাও।

 

অজ্ঞ জনতায় ওরা উত্তাল ঢেউ ফেনিল

স্বার্থ্ হাছিলে সম্মুখে ফেলেছে শুভ্র জাল।

অবুঝ বিবেকের এ কি বিদ্রোহ!

তর্জ্ন গর্জ্নের পশ্চাতে তাগুদের মোহ।

এ নোঙ্গর হবেই ব্যর্থ্

বুঝবেই  প্রাণ হুঙ্কারের অর্থ্ ।

 

মানুষেরা যেন আজ বেহুশ ছুটেছে বিশ্ব নিখিল,

বিবেকহীন বিবেকে নিমগ্ন তাই শয়তানের মিছিল।

-----২৬-১২-২০২০ ইং,রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর।