Tuesday, May 13, 2025

কালো যাদু

 

কালো যাদু

কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা

তারিখঃ ১২-০৫-২০২৫ ইং

রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর।

-----------------------------------

চারিদিকে বেজে উঠিছে কালো যাদুর ভয়ঙ্কর স্বর!

যাদু টোনা বানের মন্ত্র টানিতেছে জাতির শেকড়।

 

জ্ঞানী হারিয়েছে বিবেক!নিবোর্ধ্ গাহিছে মুক্তির গান,

নক্ষত্রের আড়ালে লুকিয়ে আছে অভিশপ্ত শয়তান।

ওরে মুক্তি সেনা, ওরে যাত্রি, ওরে মায়ের সন্তান,

কণ্ঠ রোধে কেউ আসিয়াছে দ্বারে দ্বারে-সাবধান!সাবধান!

 

অঙ্কুরের মতো আজ গর্জিছে দেশদ্রোহী মুনাফেক আগে,

ওই তোরা কই! আয় তোরা চক্ষু মেলে রাত্রি নিশিথ জেগে।

এখনো কালো যাদুরা ভয়ঙ্কর চক্ষু মেলে আছে চারিধার,

তার সাথে দোষরও আছে জেগে রাত্রি নিশিথে অণিবার!

 

ভয় নেই !ভয় নেই! সত্যের রবি জ্বলবেই অসীম গগণ,

কালো যাদু টোনা পাকড়াও হবেই লক্ষ শহীদের রক্ত বান।

বীর সেনাদের রক্ত এখনো পদ্মা মেঘনা যমুনা-বঙ্গোপসাগর

উত্তাল ঢেউয়ে চলিছে বয়ে স্বাধীন লাল-সবুজের প্রান্তর।

 

বিপ্লব! বিপ্লবের শব্দ এখনো কানে বাজিছে দুরন্ত কোলাহল,

কোন কালো যাদু -টোনা পারেনি হারাতে জাতির শক্তি বল।

যুদ্ধে পাওয়া বিজয় জাতির অহংকার পৃথিবীর নদী -মাঠ-বন,

ওরে ভাববো না কভূ কালো যাদু টোনার রাত্রি এসেছে কখন!

---------------------------------------------------

 

 

 

সাফ কথা

 

সাফ কথা

কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা

তারিখঃ ১২-০৫-২০২৫ ইং

রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর।

-----------------------------------

লক্ষ শহীদের রক্তে লেখা সোনার বাংলা গান কবিতা,

এই একাত্তর কভূ মরিবেনা,কভূ ঝরিবেনা সাফ কথা।

 

এই সুর –তাল- লয়- লাল সবুজের অবিনাশী বাণী,

আমার সোনার বাংলা, আমি তোমায় ভালবাসি এ ধরনী!

কোন অসূর তন্ত্র মন্ত্র ভিন পন্থী আসিবে না কোন কাজ,

বার বার উঠিবে জাগি তরুণ তরুণী চেতনার কারুকাজ!

 

এ মা আমার, এ মা ধর্ম্- বর্ণ্ নির্বিশেষে আমাদের,

আমরা বাঙালি, আমরা বাংলাদেশী এ মোদের অহংকার।

ওরে ভেবেছিলাম তোরা বুঝি গাইবি, তোরা বুঝি বলবি,

তোরা বুঝি সেই পুরোনো সুর শ্লোগান বদলাবি।

 

না না তোরা এখনো সেই রক্তে মাংসে গড়া অসূর -দানব,

স্বাধীন জাতি কভূ মানিবে না তোদের এই নোংরা উৎসব।

এই একাত্তর কভূ মরিবেনা,কভূ ঝরিবেনা সাফ কথা।

দল মত পথ ভিন্ন তবু সম সোনার বাংলা গান কবিতা।

 

একাত্তর প্রশ্নে জাতি ঐক্যবদ্ধ, আমরা আপোষহীন বীর সেনা,

ওরে-যুদ্ধে পাওয়া বিজয় কেতন এই অন্তরে করেছি আলপনা।

ওরে থেমে যা, ছুঁড়ে ফেল তোদের এই কল্পনা,

ওরে শোন সাফ কথা, মুক্তি যুদ্ধই স্বাধীন বাংলার মূল চেতনা।

------------------------------------------------

 

 

 

 

Monday, May 12, 2025

শহীদের রক্ত লিখেছে

 

শহীদের রক্ত লিখেছে

 কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা

তারিখঃ ১২-০৫-২০২৫ ইং

রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর।

-----------------------------------

এই বিপ্লব ! এই বিপ্লবীকে ভালবাসতাম আমি,

যতক্ষণ বিপ্লবী ছিল সত্যের আলোয় স্বাধীন ভূমি।

 

এখন সেই চিত্ত অবসরের দিকে,মৃত্যুর দিকে,

সত্যের বিন্দু খসে গেছে সিন্ধু তীরের বাঁকে বাঁকে!

এখনো সেই পুরানো ধারা! এখনো গোপন অনেক কিছু!

অবসর নেই ! ছুটেছে তো ছুটেছে নিষিদ্ধ মন্ত্রের পিছু।

 

আজো স্বপ্নের বসন্ত আসেনি!

পুরোনো সেই চিঠির ভাষা এখনো বলতে শুনি-

কি হতভাগা প্রেমিক ! প্রেমিকার ভাষা বুঝে না,

শুধু নাচে ,শুধু বলে কি সুহাষিনী -কি সুষমা, কি কামনা!

 

আজ শহীদের রক্ত লিখেছে - এ শুধু ছলনা, শুধু ছলনা,

অন্তর-বাহ্যিক বিস্তর ব্যবধান! কেন বুঝ না, কেন বুঝ না!

এ বিপ্লব, শেষ বিপ্লব নয়,ওরে শেষ বিপ্লব নয়

হে বিপ্লবী- তৈরী থেকো দুরন্ত দুর্বার-নির্ভ্য়!

 

আসন্ন বিপ্লব হবে জনতার মুক্তি! ঐক্যের ভিত্তি !

এক মা, এক দেশ- যুদ্ধে পাওয়া লাল-সবুজের চুক্তি।

আজ শহীদের রক্ত লিখেছে- গান গাইলেই হয় না গান,

যদি না থাকে  আমার সোনার বাংলা এ চিত্তের কলতান।

----------------------------------------------

 

 

 

 

মানবকে বলেছিল ডেকে

 

মানবকে বলেছিল ডেকে

কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা

তারিখঃ ১২-০৫-২০২৫ ইং

রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর।

-----------------------------------

এই অন্ধকার পৃথিবী মানবকে বলেছিল ডেকে,

তুমি যদি সত্যের আলো ঢুকাও অন্তর ভূ-লোকে।

 

তুমি নিশ্চিত মুক্তি পাবে অবরুদ্ধ জীবন হতে-

রক্ত কণিকা দূষিত হবেনা শিরা- উপশিরা -ধমিনীতে।

স্নিগ্ধ শুভ্র জীবনের পটভূমি রচিত হবে

জীবন নদীর মোহনায় বিপুল উৎসবে।

 

ওরে -মানুষই মানুষেরে করেছে উত্তম- অধম,

আপন কর্মেই এনেছে মানুষ বিপুল সুনাম-বদনাম।

প্রশ্ন কর নিজেকে স্পন্দিত চিত্তের সিঁড়ি বেয়ে

সত্যের আলোক রেখা কত দূরে,কত পথ যেয়ে?

 

যদি পাও আপন চিত্তের মাঝে সাদা আর কালো,

তবে তুমি নও পরিশুদ্ধ! এই পৃথিবীর ধূলি-বালু।

ঢের আগে পবিত্র প্রাণ! সত্যের পরশে দাও - আলো,

অন্ধকার পৃথিবী মানবকে বলেছিল ডেকে-সত্যে চলো।

 

মানব কভূ উষর ধূসর মরুর মাঝারে খোঁজে নাকো মুক্তি,

সরল- সত্য পথের সাথে মানুষই করেছে সভ্যতার ‍চুক্তি।

-----------------------------------------------

 

 

মুনাফিক এসেগেছে

 

মুনাফিক এসেগেছে

কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা

তারিখঃ ১২-০৫-২০২৫ ইং

রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর।

-----------------------------------

কে যেন কষাইয়ের মতো তরবারি দিয়ে বুক চিরে,

মায়ের প্রাণকে হত্যা করিছে গভীর রজনী ভরদুপুরে!

 

তবু কান্ডারী জাগে না, তবু খুলে না দু’টি আঁখি,

মুনাফিক এসেগেছে স্বাধীনতটে হায়!মুক্তি এখনো বাকি!

উধাও সেই চেতনার অশ্ব! মীরজাফরের রক্ত মাংস শিরে,

পথে পথে ঘাটে ঘাটে শত্রুর দামামা তবু সে আসে না ফিরে।

 

সে যেন দূরে দূরে- আরো দূরে- আরো দূরে-বহুদূরে-

মুনাফিক এসেগেছে মাতৃকার বুকে আকাশ সীমানা জুড়ে।

এখন লাল-সবুজের বুকে মরুতৃষা!

দেশ চেতনার সেই কান্ডারী হারিয়েছে শুভ দিশা, শুভ দিশা।

 

কেন যেন তুলিয়াছে শত্রুর পতকা ব্যঙ্গ বাঁশির সুরে,

যেন তোরা কোন পরাজিত কোণে- লাঞ্চিত নতশিরে।

হে স্বাধীন জাতি, এর চেয়ে লজ্জা কি আছে অণিবার?

ওরে- দিকে দিকে মুনাফিক গর্জিছে দুরন্ত-দুর্বার!

 

এখনি সময় উষর ধূসর মরুর মাঝারে তুলে দে পতাকা !

তুই স্বাধীন, তু্ই মুক্ত! তুই বুঝে নে লক্ষ শহীদের এলাকা।

ওরে তুই খুলে দে মুক্ত স্বাধীন ঝর্ণা লাল গালিচা পাতি,

সাবধান! সবধান! মুনাফিক এসেগেছে এই স্বাধীন জাতি।

-------------------------------------------------

 

 

আসন্ন দিনে দেখিতেছি

 

আসন্ন দিনে দেখিতেছি

কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা

তারিখঃ ১২-০৫-২০২৫ ইং

রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর।

-----------------------------------

মাতৃকা এখন ভয়ঙ্কর বিভীষিকায় উত্তাল-জাতি মৃতপ্রায়!

দিকে দিকে গ্রাসিয়াছে অভিশাপ, সে যে ব্যাধি, সে যে ক্ষয়।

 

জাতির ঐক্য ভেঙে গড়িয়াছে ছলনার কারাগার,

বিবেকেরা গিয়াছে কোমায়! স্তব্দ নিঝূম রাত্রির আঁধার।

কি এক উল্লাসে নির্বোধের মতো খুলিয়াছে শত্রুর দ্বার,

নিজেরাও বুঝে না তাহা এ যে অভিশাপ, এ যে ভয়ঙ্কর!

 

আপনার সম্মান গৌরব হারায়ে ডাকিয়াছে নিশাচর,

স্বাধীনতা আজ মরিচীকার প্রস্তরে ক্ষয়িষ্ণু ধুঁধুঁ বালুচর!

কালনাগিনী বিষাক্ত ফনা তুলিছে বুকে হতে বুকে বিস্তর,

তাও জাতি বুঝে না এ যে মৃত্যু! এ যে পরাজয় মাতৃকার!

 

অন্তরে তাহার হিংসের রক্ত ঝরে- বিষপঙ্কিল শ্বাসে,

কোন স্বার্থে মা’কে লুটিতেছে ঘৃণিত প্রহসন পরিহাসে?

কিসের মোহে খুলে দিয়েছে নিরাপত্তার দ্বার শত্রুরে ডেকে!

প্রাচীর যদি ভেঙে যায়-কে রুখিবে তারে যুদ্ধের হাকে?

 

আসন্ন দিনে দেখিতেছি মাতৃকার তরে মুক্তির যবনিকা!

তুমি কি দেখিতে পাও দাউ দাউ অনলের অভিশপ্ত শিখা?

সে যে আত্মঘাতী- সে যে মৃত্যুর দূত- সে যে মহামারী,

মাতৃকা  সবচেয়ে বড়- স্বাধীনতা মুকুট- ওগো নর-নারী।

-------------------------------------------------

 

 

 

Sunday, May 11, 2025

আমরা সবে গাই ওগো

 

আমরা সবে গাই ওগো

কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা

তারিখঃ ১১-০৫-২০২৫ ইং

রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর।

-----------------------------------

এখনো হিসেব বাকী, এখনো মিলেনি অংকের ফল,

কি লাভ হবে কল্পলোকে অংক কষি -ওরে বল?

 

বিবেক জেগেছে শহর-গঞ্জ-গাঁও- টেকনাফ -তেতুলিয়া,

পুরানো সুর নবীণ বাঁশিতে বাজিবে না রূপসা- পাথুরিয়া।

সেই পুরানো তাল লয় আজো উষার আরুণে জাগে !

বল, কে আর গাইবে গান ভ্রান্ত সুরের রাগে?

 

কে চেয়েছিস তামাদি ধারা, হালের বঙ্গ কোলে,

লাল সবুজের সুপ্ত শিরা আবার উঠিবে জ্বলে!

লক্ষ শহীদের রাঙা জলে জগিবে বিপ্লব তারা,

ওরে- এ হুঙ্কার বজ্র কঠিন উদ্যাম ভয় হারা !

 

ওরে- ছড়ায়ে রয়েছে রক্ত কণা- লক্ষ সমাধির স্তূপ,

তন্দ্রাবিহীন তাকায়ে আছে- অপলক অপরূপ!

বলছি তোদের মুক্তি যুদ্ধ বাংলা মায়ের বাতি,

মুক্তি যোদ্ধার রক্ত কণা লাল-সবুজের জ্যোতি!

 

আজো দেখি অযূত দোসর ওদের শয্যা ঘিরে-

অতীত রক্তের ঘাতক কণা দিবি কি আসতে ফিরে?

সাবধান!সবাধান! থমকে দিবো পুরানো সেই গান!

আমরা সবে গাই ওগো সোনার বাংলা গান- এই দেহ- প্রাণ।

-------------------------------

 

 

যে শুভ্রতা দেখে

 

যে শুভ্রতা দেখে

কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা

তারিখঃ ১১-০৫-২০২৫ ইং

রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর।

-----------------------------------

যে শুভ্রতার ঝলকে অপলক চেয়েছিলাম গগণ পান,

চির মুক্তির নক্ষত্র দেখিব বলে জাতির এ উদ্যান।

 

এখন দেখি শত কলঙ্কের দাগ দিবসের রবি, শশী

নিশাচর হয়ে বাঁধিয়াছে বাসা বাংলার বুকে বসি।

হায় ,এ কেমন ফুল ফুটিয়াছে তরুণ তুর্কি- হে জনগণ,

এখন দিকে দিকে বিষাক্ত মৌয়েরা ঘুড়িতেছে হন হন।

 

শূলে শূলে করিতেছে চুরি  সতেজ পাঁপড়ির মধু,

গোমটার আড়ালে প্রণয়ে মাতিছে ক্ষমতার নববধু!

এমন দুষ্ট আলিঙ্গন তো চাইনি মুক্তির অভিলাসে,

যে কিনা দখল করে নিবে আমার স্বাধীনতা হরষে!

 

যুগ যুগ ধরি এই ধূলিতলে বাঁধিয়াছে মীরজাফর বাসা,

বিশ্বাসে তুমি বুঝনি তাহা- কত যে সর্বনাশা! সর্বনাশা!

হে ভাই, হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিষ্টান- তৌহীদি মুসলমান,

এখানেই ওঁত পেতে আছে দেশদ্রোহী কুলাঙ্গার শয়তান।

 

যে গগণ দেখে অপলক চেয়েছিলাম সোনালী ঊষার ক্ষণে,

সে রবি গ্রাসিয়াছে কালো মেঘেরা শত কলঙ্কের বরষনে।

ছিঃ ছিঃ স্বপ্নের মণি প্রদীপে ওরাই যেন মুনাফিক দল,

বিষাক্ত নাগ-নাগিণী নব ধারার আলোকে -এ বঙ্গ তল।

----------------------------------------------------

 

 

দূষণ এসে মিশে গেছে

 দূষণ এসে মিশে গেছে

কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা

তারিখঃ ১১-০৫-২০২৫ ইং

রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর।

-----------------------------------

এখন দিকে দিকে বজ্র ধ্বনি গগণে গগণে বাজে!

বুক চিরে চিরে অনল উল্লাসে মহামৈত্রীর মাঝে।

 

দূষণ এসে মিশে গেছে হরষে কণ্ঠের সুরে সুরে,

এ গান যে বড় অচেনা রক্ত রঝা শহীদের বুক জুড়ে।

এ তাল লয় সুর জপে কারা পূজারী মন্ত্র পড়ে?

ওরা বড় অশনি বাণী দিয়েছে মগজের স্তরে স্তরে!

 

ওরে, ওরা কোন সন্ন্যাসী আর পীর?

কৌশলে তোর সাথে মিশে গেছে আজ মসজিদ-মন্দির!

কে বলে তোর স্বাধীনতা অটুট রয়েছে বঙ্গ বুকে?

এ প্রাণ কিংবা বিবেক কি বুঝেনা- মা কতটা দুঃখে?

 

সম্মুখে ভয়ঙ্কর পরিনতি! ওরে বীর বাঙালি,ওরে সেনা দল,

ওরা এনেছে ডেকে রক্ত চোষা লাল-সবুজের তল।

মৈত্রীর মঞ্চ ভেঙেছি আমরা- হুজুগের স্বপনে রাঙি,

ওরে মুক্তি কি আসিবে কভূ দেশপ্রেমের শপথ ভাঙি ?

 

মৌলিক সুর হারায়ে কোথায় ছুটেছিস- হে নবধারা!

আসন্ন দিনে তুই হারাবি এই স্বর্গিয় বসুন্ধরা।

দূষণ এসে মিশে গেছে হরষে কণ্ঠের সুরে সুরে,

এ গান যে বড় অচেনা রক্ত রঝা শহীদের বুক জুড়ে।

----------------------------------------------