Monday, June 2, 2025

বিপ্লবী এখন

 

বিপ্লবী এখন

কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা

তারিখঃ ২-০৬-২০২৫ ইং

রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর।

-------------------------------

বিপ্লবী বলেছিল এবার দূর করা হবে সব বৈষম্য,

এ বিপ্লব কভূ ভাঙবে না স্বাধীনতা- ঐক্য- সাম্য।

 

বিপ্লবী বলেছিল সেনালী সূর্যে আঁকা হবে আকাশ,

আমবশ্যার রাত্রিতে ডাকা হবে পূর্ণিমার শুভ্র কেশ!!

এখনো দিকে দিকে ঘন কুঁয়াশায় আবৃত বিপ্লবের তন্ত্র-মন্ত্র,

বিপ্লবী এখন রচেছে ফ্যাসিবাদ, স্বৈরতন্ত্র- মবতন্ত্র-ভয়তন্ত্র!

 

বিপ্লবী বলেছিল অধিকার দিবে, স্বাধীনতার মর্যাদা দিবে,

কউ এখনো দেখি সেই পুরানো তন্ত্রে- মন্ত্রে, সেই অনুভবে !

দখলবাজে, লুটতরাজে , সিন্ডিকেট বানিজ্যে নগ্ন-মগ্ন

কউ সেই সাধুতার বাণী ! কউ সেই বিপ্লবীর বিপ্লব লগ্ন?

 

বজ্র কণ্ঠে তো বলেছিলে , এখন দেখি বিপ্লবী দেশদ্রোহী প্রাণ,

যেন এসেছে মায়ের চিহ্ন মুছে দিতে রক্ত ঝরা স্বাধীন উদ্যান।

খামছে ধরেছে লাল-সবুজের বিজয় নিশান,লক্ষ শহীদের রক্ত বান,

ইজ্জত হারা মায়ের সন্মান! শহীদ মিনার, স্মৃতি সৌধ, শ্রেষ্ঠ সন্তান।

 

বিপ্লবী বলেছিল নব মুক্তির কথা, নব স্বপ্নের কথা,

এখন দেখি কাব্যে কাব্যে রচে মুনাফিকের কবিতা !

এ জাতি শত্রু  চিনতে করে না ভুল- হে বিপ্লবী- হে নব পদবী,

বিপ্লব যেন না হয় ব্যর্থ্, কভূ যেন না হয় অশ্রুজল -নিরবধি!!

 

বিপ্লবী এখন দখলবাজে, লুটতরাজে , সিন্ডিকেট বানিজ্যে নগ্ন-মগ্ন

ওগো, কউ সেই মুক্তি যুদ্ধের বাণী ! কউ সেই মাতৃ চেতনার লগ্ন?

---------------------------------------------------

 

পুরানো শত্রুর নবধারা

 

পুরানো শত্রুর নবধারা

কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা

তারিখঃ ২-০৬-২০২৫ ইং

রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর।

-------------------------------

খুব নিকটেই শত্রুর পদধ্বনি শুনি- বাংলার তীরে তীরে,

ভয়ঙ্কর শব্দ!কম্পিত আকাশ- বাতাস এলোমেলো ঝড়ে!

 

স্বাধীনতার ফুলগুলো ঝরে যাচ্ছে ধূলো-বালি,

রক্ত নদীগুলো স্থবির হয়ে আছে দু’হাত তুলি!

চেতনার দুর্ভিক্ষে মা আজ ক্ষত বিক্ষত ক্লান্ত শরীরে

লাল-সবুজ শাড়ীটাও টানছে,বেদম টানছে অসূরে!

 

সোনালী সূর্যটাকেও অন্ধকার যুগের মতো মনে হয়,

শকুনের লাল চক্ষুগুলো ভয়ঙ্কর হয়ে উঠছে অতিশয়!

হে চেতনা, তোমাকে বড় অচেনা লাগে,অচেনা লাগে,

তুমি কি সত্যিই মায়ের সন্তান? তুমি কি আছো জেগে?

 

তুমিতো মা’কে হত্যা করতে এসেছো- হে যুবকের দল !

তুমিতো সেই পুরানো শত্রুর নবধারা-কালো যাদুর বল।

তুমিতো মীরজাফরের উত্তরসূরী, সে ধাতুতে উজ্জ্বল,

নাই নাই ঠাঁই নাই এ দুষিত রক্তের লাল সবুজের তল।

 

মুখের দিকে তাকালে এখনো ভেসে উঠে সেই মুখ!

সম্ভ্রম হারা মায়ের অশ্রুজল,রক্ত রঝা মায়ের দুঃখ!

তুমিতো মীরজাফরের উত্তরসূরী স্বাধীনতার ক্রন্দন সব,

সেই পুরানো শত্রুর নবধারা, কালো যাদুর উদ্ভব!!

----------------------------------------------

 

 

Wednesday, May 28, 2025

আজ যে ইচ্ছে হলেও

আজ যে ইচ্ছে হলেও

কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা

তারিখঃ ২৮-০৫-২০২৫ ইং

রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর।

-------------------------------

শুনেছো, এই পরাজয় তুমিই এনেছো ডেকে বসন্ত রাতে!

এক ভালবাসাকে তুচ্ছ করতে গিয়ে পারলে না ঘুমাতে।

জানি না, কোন অহংকারে নক্ষত্রের আলোকে-

মীছে মীছে অস্বীকার করেছিলে প্রেমকে ভূ-লোকে!

যে প্রেমকে তুচ্ছ করেছিলে, অপমান করেছিলে ঘৃণ্য ভরে

সে প্রেমের জন্যই ছুটেছো গাঁজা খোর নেশা খোরে,

ভালবেসে ঘরও বেঁধেছিলে, কিন্তু সেখাও ছিল ছলনা

এক স্বর্গিয় প্রেমকে হারাতে গিয়ে,আজ তুমি হলে ফেলনা!

শুধু মিথ্যে অহংকারের জন্যই! কানন আজ ফুল শুন্যময়-

অথচ কতইনা ব্যাকুলছিল একটি অবুঝ হৃদয়,

তুমি বুঝেও বুঝতে চাইলে না এ যন্ত্রণা কতটা অগ্নিময়,

শুধুই অহংকারে তুচ্ছ করেছো, বারে বারে অপমান করেছো,

আজ কি পেয়েছো ?

কি ব্যথাতুর অশ্রুজলে বুক ভাসে,রক্ত ঝরে অন্তরে!

সেই ভালবাসার জন্যই আজ তুমি ব্যাকুল নিরন্তরে-

চারিদিকে শুন্যতা শুধু শুন্যতা- তুমি একা, বড় একা

যে প্রেমকে তুচ্ছ করেছো, সে কানন ফাঁকা বড় ফাঁকা!

যদি অহংকার না করতে আজ তুমি হতে প্রেমের রাণী,

ব্যদনার হৃদয়গুলো উঠতো হেসে ফুল শয্যার সাজনি।

তবু বলি, যদি অহংকারী না হতে

হয়তো স্বপ্নের কাননে ফুটতো স্বর্গিয় ফুল শয্যাতে।

আজ যে ইচ্ছে হলেও দিতে পারি না, বলতে পারি না

হৃদয়ের তরঙ্গ থেমেগেছে জীবন সমুদ্রের অন্য সীমানা।

 

----------------------------------------------


এই বিপ্লব কি মুক্তি দিবে ?

 

এই বিপ্লব কি মুক্তি দিবে  ?

কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা

তারিখঃ ২৮-০৫-২০২৫ ইং

রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর।

-------------------------------

সেই অধ্যায়টা কালো ছিল বলেই শুভ্রকে ডেকেছি,

রাত্রির আঁধারটা যেন পূর্ণিমা হয় এই কথা বলেছি,

 

তুমিও শপথ করেছিলে সেই কালো অধ্যায়ে জড়াবে না,

বলেছিলে বসন্তে কোকিলের ডাক শুনাবে,শুনালে না

এখন তুমিও রক্তচোষা জোঁক,বিষাক্ত সাপের ফণা তুলে,

তুমিও করেছো কালো যাদু! তুমিও ছড়ালে বিষ ফুলে ফুলে।

 

এখনো তুমি গাও সেই পুরানো শকুনের ঘৃণিত গান,

তুমি স্তব্ধ করতে এসেছো লক্ষ শহীদের আলাপন!

তুমি বলেছিলে সেই আধ্যায়ে ছিল- ফ্যাসিষ্ট, স্বৈরাচার,

বলেছিলে বদলাবে গুম –হত্যা- দুর্ণীতির কৃষ্টিকালচর।

 

কউ, এখন দেখি তুমিও শুভ্র মুখোশের আড়ালে!

একই দৈত্য দানবে সেই দেশদ্রোহীদের আদলে।

বৈষম্যের মঞ্চ তৈরী করেছো লাল- সবুজের প্রান্তর,

এখন তো স্বাধীনতার প্রশ্নে বিস্তর ব্যবধান পরস্পর।

 

কউ বৈষম্য তো দুর হয়নি? সাদা কালো মেঘ আকাশে!

কি ভয়ানক! বিপ্লবীর কথা শুনে ছুটেছি কোন সর্বনাশে!

মবতন্ত্র, ভয়তন্ত্র- বৈষম্যতন্ত্র- স্বৈরতন্ত্র -ফ্যাসিবাদ,

হয়নিতো অবসান নব কবিতায় নব পত্রিকার সংবাদ।

 

তবে কি বিপ্লবী কবি অসুর সুরা করেছে পান?

এখনো শুনি সেই পুরানো শকুনের বেসুর তান।

মঞ্চে মঞ্চে বৈষম্যের কবিতা শুনি বিপ্লবীর স্বরে স্বরে,

এই বিপ্লব কি মুক্তি দিবে – মীরজাফরে ঘেরা জাতিরে ?

---------------------------------------------

 

 

 

বুকের পাটা যদি থাকে

 

বুকের পাটা যদি থাকে

কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা

তারিখঃ ২৮-০৫-২০২৫ ইং

রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর।

-------------------------------

 যদি তুমি সৎ হও, দিয়ে দাও, হিসেব দিয়ে দাও

এখনো দেখি তোমার  নিজের স্বচ্ছতা উদ্যাম উধাও !

 

আয়ের উৎস কি! কোথায় কত অর্থ্ আছে সঞ্চয়,

দিয়ে দাও, দিয়ে দাও -নাই শোক, ভাই ভয়!

ক্ষমতার আগে কি? পরে কি ? বলে দাও বলে দাও

সাহস করে বলে দাও,দুর্ণীতিবাজ নেতা তুমি নও!!

 

যদি না পারো, তবে কি বলবো তুমি অসাধু কেউ?

বলো, অর্থ্ বৈভব বাড়ী গাড়ী কিভাবে উঠায় ঢেউ!

যদি তুমি সৎ হও তবে কেন এত হীনমন্যতা ?

বলো, ক্ষমতায় গেলে কি করে আসে এত ঐশ্বর্য্যতা?

 

 বুকের পাটা যদি থাকে জনতাকে বলে দাও- তুমি সৎ!

আয়ের উৎস বলে দাও! বলো, নেতা তুমি মহৎ!

এইতো সেইদিনও তুমি ছিলে হতদরিদ্র এক তরুণ,

বলো, আজ কিভাবে ধন দৌলতের হলো এত উত্থান?

 

জনতা তো বলে তুমিই দেশদ্রোহী,ফ্যাসিষ্ট-স্বৈরাচার,

দুর্ণীতিবাজ- লুটেরাজের -রতি-মহারথি কলঙ্ক জাতির।

যদি বুকের পাটা থাকে- তুমি বলো, তুমি নও তা

স্বচ্ছ হিসেব দিয়ে বলো, তুমি পবিত্র সৎ- মহান নেতা।

---------------------------------------------

 

এক চোখা দৃষ্টি

 

এক চোখা দৃষ্টি

কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা

তারিখঃ ২৮-০৫-২০২৫ ইং

রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর।

-------------------------------

এক চোখা দৃষ্টির মহাউৎসব চলিছে নিরবধি,

পুঞ্জ পুঞ্জ রাগ –ক্রোধের রক্ত ফেণা উঠিছে নদী!

 

যে মেঘ দেখে শুধু মেঘ! যে আলো দেখে শুধু আলো,

এক চোখা দৃষ্টির আড়ালে সব কিছু শূন্য শুধু কালো!

ঠিক যেন নিষ্ঠুর স্পন্দন শিহরে রুদ্র কায়াহীন বেগে,

প্রতিহিংসার প্রবাহে সত্যকে গ্রাসিয়াছে বিনিদ্র জেগে।

 

এক চোখা দৃষ্টির তীব্রচ্ছটা বিচ্ছুরিয়া উঠিছে এজলাসে,

ন্যায্যতা ফাঁসি মঞ্চে ঘূর্ণাচক্রে ঘুরে ঘুরে সর্বনাশে!

কি অদ্ভুদ এক চোখা দৃষ্টি! শব্দহীন সিঁধ কাটে ঘরে ঘরে,

প্রহরী নিশ্চুপ! রায় দেয় আপন স্বার্থের অভিসারে।

 

এক চোখা দৃষ্টির প্রলয়ে ন্যায় বিচার হয়েছে ঘরছাড়া,

বিচারক যেন এজলাসে  ফ্যাসিষ্ট তন্ত্রের কবিতা ছড়া!

যে যায়, যে আসে- লাগামহীন দোল দেয় এমনি,

কারে আমি বলিব শুভ্রতা এক চোখা দৃষ্টির চাহনী?

 

মুক্তিরা শ্লোগানে শ্লোগানে যতই করুক ঝোড়ো এলোচুল,

মুক্তি সে অধরা এক চোখা দৃষ্টির অঞ্চলে বকুল-পারুল ।

ষড়ঋতুর থলি হতে মুক্তির ফুল ঝরে গেছে অভিমানে,

এক চোখা দৃষ্টির ডাকে সে আসিবে না ফিরে কোনক্ষণে!!

-------------------------------------------------------

তুমি শুধু একটি ফুল নও

 

তুমি শুধু একটি ফুল নও

কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা

তারিখঃ ২৬-০৫-২০২৫ ইং

রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর।

-------------------------------

হে সুন্দরী, এমন অপলক নয়নে তুমি চেয়ো না!

এমন সুধা তুমি দিয়ো না,এমন সুরে গেয়ো না।

 

কি অপরূপা তুমি লাল-সবুজে প্রকৃতির মাঝে,

কৃষ্ণচূড়া ফুল হয়ে ফুটে আছো পতাকার সাজে!

চুপি চুপি ডাকো, কত কিছু বলো,শুধু বলো না,

তুমি আমার বাংলাদেশ! কোটি জনতার কল্পনা।

 

তোমাকে দেখলেই মনে হয় লক্ষ শহীদের রক্ত ফুল,

মনে হয় সম্ব্রম হারা লক্ষ মায়ের ব্যথাতুর অশ্রুজল!

ফাল্গুনের ঝরা পাতায় তুমি এক মৃত্যুঞ্জয়ী আলপনা,

বজ্র তুফানের রাঙা তুলিতে আঁকা একাত্তরের চেতনা।

 

মনে হয় হার না মানা ‍মুক্তি যুদ্ধের রঞ্জিত পাঁপড়ি,

সবুজের বুকে উদিত লাল সূর্যের অপরূপা সুন্দরী!

তুমি তো আমার সেই বিজয় কেতন- হে কৃষ্ণচূড়া!

চৈতালী খড়ায় প্রশান্ত প্রাণের স্পন্দিত শিরা-উপশিরা।

 

হে কৃষ্ণচূড়া,তোমার দপর্ণে দেখি আমি লক্ষ শহীদের চিত্র!

তুমি শুধু একটি ফুল নও, তুমি লাল সবুজের মানচিত্র।

তুমি তো বজ্র কণ্ঠের অমৃত ‍সুধা! মুক্তির অমিয় বাণী-

আমার সোনার বাংলা, আমি তোমায় ভালবাসি ধরণী।

------------------------------------------------

 

Tuesday, May 27, 2025

জনতাই স্বীকৃতি দিবে

 

জনতাই স্বীকৃতি দিবে

কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা

তারিখঃ ২৬-০৫-২০২৫ ইং

রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর।

-------------------------------

আচ্ছা বলো তো! জনতার নেতা কে?

আমি বলি, যে নেতা হকের কথা বলে ভূ-লোকে।

 

যে ন্যায়-নীতিবান, সৎ চরিত্রের অধিকারী-

ইতিহাস বলে তারে নেতৃত্ত্বের যোগ্য নর-নারী।

আচ্ছা বলো তো ! তুমি কি জনতার নেতা ?

আমি বলি, তুমি দেশদ্রোহী, ফ্যাসিষ্ট- স্বৈরতন্ত্রের প্রণেতা!

 

বুকে হাত দিয়ে বলো, তুমি মুক্তি যুদ্ধের রক্তধারা,

বলো, তুমি লাল-সুবজের চেতনাধারী -এ বসুন্ধরা।

তুমি বলো তো ! তুমি কি দুর্ণীতি মুক্ত গণতন্ত্রের পাঞ্জেরী,

জানি পারবে না, তুমিও যে কুচক্রের সারথী- অতন্ত্র প্রহরী।

 

 

বলো, জনতার কেন ভয়! কেন রাষ্ট্রের এতো অবক্ষয় ?

পারবে বলতে ! এত অর্থ্ বৈভবের উৎস কিভাবে হয়?

আচ্ছা বলো তো! ক্ষমতা হারালে পালাতে হয় কেন !

জানি পারবে না, তুমিও যে মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ-হেনতেন।

 

সে সাহস কি আছে ! বলো, তুমি দুণীর্তিবাজ নেতা নও,

বলো,তুমি সত্যবিচারক! বলো, মানবতার আশ্রয় তুমিও ।

বলো, আমার সোনার বাংলা,গাও- চির সাম্যের গান,

দেখো-জনতাই স্বীকৃতি দিবে- তুমিই নেতৃত্ত্বের শ্রেষ্ঠজন !

------------------------------------------------

অদ্ভুদ কিছু হচ্ছে

 

অদ্ভুদ কিছু হচ্ছে

কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা

তারিখঃ ২৬-০৫-২০২৫ ইং

রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর।

-------------------------------

অদ্ভুদ কিছু হচ্ছে বৈচিত্রে ঘেরা বঙ্গ জননী!

কেউ মৃত্যুর মুখে, কেউ হাসছে পূর্ণি রজনী!

 

আজ কেউ নগ্ন উৎসবে, কেউ দুঃখেরও ক্রন্দনে,

কারো ফুল ফুটেছে,কেউ ঝরে গেছে ঝড় তুফানে।

অদ্ভুদ কিছু হচ্ছে মায়ের জলে- স্থলে সমুদ্র মন্থিতে

লক্ষ অযূত ক্ষতচিহ্ন জেগে উঠেছে গ্রন্হিতে গ্রন্হিতে !

 

আজ কারো ভাগ্য প্রসন্ন, কারো জীবনের সর্বনাশ!

সত্যের ঢোলে এখন প্রতিশোধের ভয়ঙ্কর উল্লাস।

কুচক্রের অনুকূলে সবকিছু করেছে কোলাহল,

দায় মুক্তির মহরা,জানি না এ কোন ফলাফল!

 

অদ্ভুদ কিছু হচ্ছে ঈদ উৎসবের মত-সবি অন্ধকারে,

জাতি কি রাহু চক্রে আটকে গেছে-বড় ইচ্ছে জানিবার?

সত্যের নামে মিথ্যের নিশানা উড়ছে মুনাফিক প্রাণ,

বাংলায় অদ্ভুদ কিছু হচ্ছে- এ রহস্যে ঘেরা সিংহাসন।

--------------------------------------------------

 

Monday, May 26, 2025

ভুল ডাক্তার এনেছি ডেকে

 

ভুল ডাক্তার এনেছি ডেকে

কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা

তারিখঃ ২৬-০৫-২০২৫ ইং

রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর।

-------------------------------

ডাক্তার বলেছিল মায়ের বুকে বিষাক্ত ফোড়া,

আমিও বিশ্বাস করে ছুটেছি হসপিটালে তাড়াহুড়া।

 

আমার মাকে বাঁচাতে হবে- এই শেষ কথা,

অপারেশ শুরু হল তবু চিত্তদীর্ণ্ তীব্র ব্যাকুলতা।

মা হাসবে তো! হৃদয় রেখেছি মগ্ন করি-

ডাক্তার এসে বললো সবই ঠিক ছিল, সরি সরি!!

 

ফোড়া সাড়াতে গিয়ে ডেকে এনেছি মরণ ব্যাধি,

ক্যান্সারে ক্যান্সারে আক্রান্ত সাড়া দেহ-নিরবধি!!

মা সুস্থই ছিল, স্বাভাবিকই ছিল এতদিন!

আসলে ফোড়াও ছিল না, অযথাই ভেবেছি নিশিদিন।

 

ভুল ডাক্তার এনেছি ডেকে কষাই খানা হতে,

সে এখন ছুটেছে ফাঁসি মঞ্চে জল্লাদের ভ্রতে!

আমার মাকে সে বাঁচতে দিবে না স্বাধীন কাননে,

আজ মা ক্যান্সারে ক্যান্সারে মৃত্যু শয্যার শয়নে।

 

একটি ফোড়া সারাতে গিয়ে ভুল ডাক্তার এনেছি ডেকে,

মা বাঁচবে তো? ডাক্তার দিয়েছে ক্যান্সারের ছবি এঁকে!

মাগো তোমাকে হারতে দিবো না লাল সবুজের মেলায়,

আমি সেই চেতনার ডাক্তার হবো ভন্ডদের সব তাড়ায়।

------------------------------------------------