Saturday, June 15, 2019

তুমি এই চেয়ারের অযোগ্য



                                            ---------------------------------------------- কবি মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা
তোমার দিকে তাকালে কেন বাক রুদ্ধ হয়ে আসে ভাষা!
মনে জাগে সেইসব অত্যাচারী অশুরের কথা,
যে তোমাকে এতো মর্যাদা দিয়েছে,এতো ক্ষমতা দিয়েছে
সেইখানে বসেই প্রতিনিয়ত করছো অপমান,কেড়ে নিচ্ছো মর্যাদা
নিষ্ঠুর কালি ছুড়ে দিচ্ছো বঞ্চিত মানুষের দিকে
আহা সেই চেয়ারের কি উত্তাপ!
টের পাও কি ?

টের পাও কি? বঞ্চিত মানুষের সেই সব কালোরাত,
নাকি সেইখানে বসে ঘাতক চিলের মতো ছোবল মেরে চলেছো প্রকাশ্যে গোপনে!
যখন তোমার সম্মুখে শত বঞ্চিতের দুঃখ এসে
অসহায় এর মতো দাঁড়াতো -
তুমি কি চেয়ারের মর্যাদা রেখেছো?
আমি তো দেখেছি অশ্রু নয়নে ভেসে যেতে সেইসব বঞ্চিতের বুক !

যে চেয়ার তোমাকে এতো মযার্দা কিংবা ক্ষমতা দিয়ে গেলো ভরপুর!
তুমি কি তার মর্যাদা রক্ষা করেছো? নাকি লুণ্ঠন করেছো মনুষ্যত্ত্বের সভ্যতা!

তোমাকে দেখলেই বুক কেঁপে উঠে অনৈতিক অত্যাচারে
অথচ তুমিই  অঙ্গিকার করেছিলে, তুমি এই চেয়ারের মর্যাদা রাখবে-
এইখানে বসে শোনাবে সেইসব ন্যায্য বিচারের কথা
বলেছিলে ঘুষ নিবে না,অযথা হয়রানি করবে না, ক্ষমতার দাপট দেখাবে না
অধিকার বঞ্চিত করবে না-
আজ সেখানে রক্ত চক্ষু, অনৈতিক ক্ষমতার দাপট,কোটি মানুষের অধিকার হারা শোক!

তোমার দিকে তাকালে কেন ভয় জেগে উঠে প্রাণে প্রাণে!
টের পাও কি ? অনৈতিক দাপটে উত্তাপ জল-স্থল,
আজ বঞ্চিতের অধিকার অবাক বিষ্ময়ে তাকিয়ে-
ঘৃণা করে, তোমাকে ঘৃণা করে, প্রচন্ড ঘৃণা করে-
তুমি এই চেয়ারের অযোগ্য-
----------------------------------------------------15-06-2019,রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর ।





,

Thursday, June 13, 2019

আজ আমি অবাক! তুমিও পারলে?



                              --------------------------------------কবি মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা।
কথা ছিলো, সততা আর বিশ্বাসে অটুট থাকবে অতন্ত্র প্রহরীর মতো
আজ তুমি অঘাত ব্শ্বিাসের ছায়া তলে ঘাতকের রক্ত ছিটালে
সিন্দুকের শরীরে লাগালে রক্তের ছোপ ছোপ দাগ!
নিষ্ঠুরভাবে ছিনে নিলে রাজার গচ্ছিত ধন
চিরবিশ্বাসের মর্যাদাকে করলে দেউলিয়া-

মোহের এই নিষ্ঠুর দুষ্টেরা আজ অপমানের ঢেউ তুলেছে পাড়ায় পাড়ায়-
কোথাও পালানোর পথ নেই-
অথচ তুমিই একদিন সততার মুকুট পড়ে এসেছিল রাজার রাজ্যে-
সেইদিন রাজা তোমার বিশ্বস্থ হাতেই তুলেদিয়েছিল
গুপ্ত ধনের সেই রক্ষিত চাবি-

কথা ছিলো, রক্তের বিনিময়ে আগলে রাখবে রাজার গচ্ছিত ধন-
যে সততা, যে বিশ্বাস নিয়ে তোমাকে করেছিল সিন্দুকের প্রহরী
তার কপাটেই লাগালে কলঙ্কের দাগ
রাজা আজ ব্যাথিত তোমার নিষ্ঠুর আঘাতে আঘাতে
তুমি এক মূর্তি হয়ে দাঁড়িয়ে আছো সীমানা তার ।

কথা ছিলো, তুমি ব্শ্বিাস ঘাতক হবে না, তুমি মোহের উর্ধ্বে রবে ।
অথচ তুমি হেরে গেলে, আমাদেরকেও নতশির করলে-
বিশ্বাসের জমিনে বুপন করে গেলে বিশ্বাস ঘাতকের বীজ
আজ আমি অবাক! তুমিও পারলে?
---------------------------------------------13-06-2019,রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর।

Wednesday, June 12, 2019

চোখ দু’টো ছিলো



চোখ দু’টো ছিলো বিখ্যাত কবির  মতো রচিত কবিতার শস্যক্ষেত,
পলকে পলকে প্রাণের কথাগুলো রচিত হচ্ছিল পাতায় পাতায়
লেন্সগুলো ঝলকে ঝলকে তুলছিল স্পন্দনের প্রতিটি রক্ত কণিকা
কর্নিয়া, আইরিস, রেটিনা, অ্যাকোয়াস হিউমার, ভিট্রিয়াস হিউমার, অপটিক নার্ভগুলো
ছন্দে ছন্দে বুঁনেছিল অনুভবের বিখ্যাত কবিতা-

কবি কাল্পনিক ভ্রমনে-
শুধু দেখছিল আর এঁকে যাচ্ছিল হৃদয়ের ফ্রেমে সেই তোমাকে !
আর শিরোনামে লেখেছিল সেই অমর কবিতা
আমি তোমাকে ভালবাসি।

চোখ দু’টো ছিলো কবির কবিতার অনুপম শব্দের বিন্যাস,হৃদয়ের শ্রেষ্ঠতম ভাষা
সেই  ভাষা ধরে আজো আমি ছুটে চলেছি—
আজো আমি খোঁজে চলেছি সেই কবিতার সন্ধানে-
কবি তো হলাম, কিন্তু কবিতা কোথায় ?
কেউ কি জানো?
আমি তো জানি সেই চোখের ভাষায় লুকায়ে আছে আমার কবিতা !
হয়তো কোনদিন আবৃতি হবে না আর-
তবু তুমি হৃদয়ের কবিতা ।

চোখ দু’টো ছিলো ঠিক যেন সেই কবিতার মতো-
যাকে আমি শর্ত্হীন ভালবেসেছি-
তবু কেন আজ সেই চোখের ভাষা এতো মলিন শীর্ণ্ আর ক্ষীন ?
-----------------------------------------------12-06-2019,রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর ।