Wednesday, April 16, 2025

ধেয়ে এসো বজ্র তুফান

 

ধেয়ে এসো বজ্র তুফান

কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা।

তারিখঃ ১৬-০৪-২০২৫ খ্রিঃ

স্থানঃ রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর

-------------------------------------

ভয়ঙ্কর রাত্রি, বঙ্গ তরীর যাত্রীরা সাবধান !

ওঁত পাতা বিদ্রোহী শত্রুরা ঘোঘিয়াছে অভিযান!

 

বুকে বুকে পরাজয়ের সঞ্চিত ব্যথা পুঞ্জিত অভিমান,

উঁকি মেরে উঠছে জেগে দিকে দিকে বজ্র তুফান!

সম্মুখে দুর্গম গিরি রাত্রি নিশীথে যাত্রিরা হুশিয়ার!

সাবধান! সবধান! সফেদ সফেন তুলিতেছে হুঙ্কার।

 

দুতিতেছে তরী নাচিতেছে নদী দিতে হবে তরী পার,

দেও ছাড়ি পাল, ধর মাঝি হাল, করো তরী নোঙ্গর।

বাঙালি না বাংলাদেশী? নহে গো জিজ্ঞাসা এই ক্ষণ!

হিন্দু- বৌদ্ধ- খ্রিষ্টান- গীতা বাইবেল আল-কোরআন,

আমরা সবে স্বাধীন মাতৃকার সন্তান।

 

জাগো হে সংকটে, বীর যাত্রীরা প্রখর রৌদের ত্যাজ,

ধেয়ে এসো বজ্র তুফান দেশদ্রোহী শত্রুর আগে আজ।

জন্ম তোমার রক্ত দিয়ে ভুলিবে কি সেই পথ?

নিতে হবে মহাভার দিতে হবে পারি করো হে শপথ!

 

হে যাত্রীরা, পশ্চাতে তোমার লক্ষ শহীদের রাঙা প্রান্তর,

লক্ষ মায়ের সম্ভ্রম হারা ব্যাথিত প্রাণের অশ্রুজল কান্নার।

সম্মুখে ভয়ঙ্কর রাত্রি, বঙ্গ তরীর যাত্রীরা সাবধান !

ওঁত পাতা বিদ্রোহী শত্রুরা ঘোঘিয়াছে অভিযান!

 

লাল-সবুজের বিজয় কেতন কি নতশির হায়- বঙ্গের দিবাকর?

না, না, তা কভূ হবে না, উঠিবে জাগি চেতনে দুরন্ত- দুর্বার।

মৃত্যুর আলিঙ্গনেও গেয়ে যাও স্বাধীন পতাকার জয়গান,

তুমি বাঙালি, তুমি বাংলাদেশী কে ভাঙ্গিবে বীরের গর্দান?

---------------------------------------------------

 

 

স্বাধীনতা বলে নাই

 

স্বাধীনতা বলে নাই

কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা।

তারিখঃ ১৬-০৪-২০২৫ খ্রিঃ

স্থানঃ রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর

-------------------------------------

স্বাধীনতা বলে নাই তোমাদের হও নত শির,

বলে নাই অপমান সয়ে যেতে হবে -হে বঙ্গ বীর!

 

মরি লাজে , লাজে মরি হে মুক্তিযুদ্ধের উত্তরসূরী,

ওরে, আজ দেখি দিকে দিকে ওই বিদ্রোহী তরবারি!

অপমান, সে যে তোর অপমান,

জাগো জাগো ওরে জাগো চেতনার সন্তান।

 

ভেঙ্গে ফেলো ওইসব দুষ্ট হাত, বিদ্রোহী গর্দান

যারা কেড়ে নিতে চায় সংস্কৃতি, সাম্য, ঐক্য, বিজয় কেতন।

ওরে আর নয়,ওরে আর নয়

কোন ডর ভয় সংশয়!

 

মুসলিম -হিন্দু -বৌদ্ধ -খ্রিষ্টান –কালো- ধবল ভিতর রাঙা সম,

আল-কোরআন-বাইবেল-গীতা জাতির নিশানে নাই ভেদ মম।

তবে কেন আঁধারে - এ উজ্জ্বল মুখ লুকাও?

ওরে গর্জে উঠো, জাতি গঠনে ঐক্যের ডাক দাও।

 

কে স্বৈরাচার, ফ্যাসিষ্ট, দেশদ্রোহী চিনে নাও

আঘাত হানো দুর্বার, গণতন্ত্রের পতাকা উড়াও।

কাপুরুষ হীন সন্তানের মুখ আর চাই না দেখি,

আমি বাঙালি, আমি বাংলাদেশী, আমি ডর ভয়হীন পাখি!!

 

উঁচু শির বীর আসে জয়ী হয় রাজ-রাজ সেজে,

নত শির কাপুরুষ হারে,ওরে হারে দিবা-সাঁঝে।

স্বাধীনতা বলে নাই তোমাদের হও নত শির,

বলে নাই অপমান সয়ে যেতে হবে -হে বঙ্গ বীর!

 

--------------------------------------------

 

এ যে অপমান

 

এ যে অপমান

কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা।

তারিখঃ ১৬-০৪-২০২৫ খ্রিঃ

স্থানঃ রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর

-------------------------------------

ওরে, লক্ষ্য যাদের উৎপাীড়ন আর অত্যাচার,

চেতনার বুকে হেনেছে পদাঘাত দিন-রাত বঙ্গ তর।

 

আঠারো কোটি জনতার অপমানে যারা সোচ্চার,

তারাই গণতন্ত্রের শৃঙ্খল ভেঙ্গেছে স্বাধীন মাতৃকার।

ওরাই আজ ক্ষমতার স্বপ্ন সারথী তোমার!

তুমি বুঝ না ,এ যে অত্যাচার! এ যে অত্যাচার!

 

চোর- ডাকাত- দস্যু- সিন্ডিকেট ছিঃ ছিঃ নাই তার লাজ?

কাদেরকে তুমি আগলে রেখেছো এই বক্ষোমাঝ?

এ যে অপমান! স্বাধীনতার বড় অপমান ভাই,

ছিঃ ছিঃ বড় নির্জীব তুমি! বড় চেতনাহীন দেখতে পাই।

 

আর কতকাল? আরো কত দিন? ভীরুতায় হবে দাস!

রক্তে পাওয়া বাংলাদেশ হবে কি সর্বনাশ! সর্বনাশ!

না, না, খুলো এবার সাহসী বক্ষের দ্বার!

লাল-সবুজের চেতনায় গর্জে উঠো আরেকবার, আরেকবার।

 

হে মুক্তিযুদ্ধের রক্ত! তুমি স্বাধীনতার উৎসব-দীপ!

কে আছে তোমায় নিভায়? কার আছে হিম্মৎ- প্রতাপ?

বিদ্রোহী দোসরের এ ঘৃণ্য চিহ্ন মুছে দাও-

তুমি বলো, তুমি উ্ন্নত মমশির- বাংলা শহর -গঞ্জ- গাঁও।

----------------------------------------------

 

 

হে তরুণ তুর্কি

 

হে তরুণ তুর্কি

কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা।

তারিখঃ ১৬-০৪-২০২৫ খ্রিঃ

স্থানঃ রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর

-------------------------------------

হে তরুণ তুর্কি! মানবতা দাও, মুক্তি দাও

নেতা যদি হও- সত্যতা দাও- ফিরে চাও!

 

দূর করো হে জাতির ভয়! জাগো হে সূর্য্দয়

তন্দ্রা-অলস জাগো হে, জাগো হে নির্ভ্য়!

ন্যায় বিচার ফিরে দাও- এই বঙ্গের মাতৃছায়,

বিজয় কেতন উড়ে দাও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায়।

 

খুলে দাও মুক্তির তোরণ দ্বার -মাতৃকার পানে-

কল্লা ধরো যতসব অসুর বিদ্রোহীরা সংগোপনে।

তুমি দুর্বার, তুমি নির্ভ্য়, ফিরে চাও, ফিরে চাও

ধ্বংস করো ওইসব মীরজাফর-মুক্তি দাও, মুক্তি দাও।

 

হে তুরুন তুর্কি! চাই ন্যায় বিচার, চাই সভ্যতা,

তাই তোমার দ্বারে রচেছি শত দুঃখের কবিতা।

এখনো দেশদ্রোহীদের কোলাহল,ভয় হারা হও

ঐক্য হও, ডাক দাও মাতৃকার শহর -গঞ্জ -গাঁও।

 

ওরে, সিংহ গর্জনে জাগো রে,নবীণ শক্তি জাগো রে,

আসন্ন যুদ্ধে ভয় হারা হও, লাল সবুজের প্রেমে ভাইরে।

---------------------------------------------

Tuesday, April 15, 2025

জাগ হে জাগ হে ভাই

 

জাগ হে জাগ হে ভাই

কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা।

তারিখঃ ১৫-০৪-২০২৫ খ্রিঃ

স্থানঃ রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর

-------------------------------------

জাগ হে জাগ হে ভাই ক্ষণিকের পথচারি,

কোথায় ছুটেছো হে বিপ্লবের স্রোত-বারি?

 

থমকে দাও গতিপথ- জাগাও হে তরবারি,

তুমি শিকড় হতে শিখরে যুদ্ধ জয়ী কান্ডারী।

কে আছে রুখে তোমায় গিরি- পর্বতে সত্যের কোলে?

বুক উঁচিয়া মুমিন চলে শহীদের ডাকে দল বলে।

 

জাগ হে জাগ হে ভাই মুমিন- মুসলমান

কল্লা ধরেছে আজ ইহুদী নাছেরা খ্রিষ্টান।

সেই পথ ধরি রক্ত ঝরিছে গাঁজা ফিলিস্তিন,

এক হও গর্জে উঠো,তুল হে বিজয় কেতন।

 

জাগ হে জাগ হে ভাই বিশ্বের তৌহিদী প্রাণ,

শত্রুর বুকে আঘাত হানো দুরন্ত দুর্বার-বজ্রবান

ওহে,বিজয় তোমার ঈমানী বল- এই ধরা তল,

বেঈমান, ইহুদী নাছেরা না বল,ওরে না বল।

---------------------------------------

এক অদ্ভুত অশনি

 

এক অদ্ভুত অশনি

কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা।

তারিখঃ ১৫-০৪-২০২৫ খ্রিঃ

স্থানঃ রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর

-------------------------------------

এক অদ্ভুত অশনি এসেছে এ পৃথিবীতে আজ,

আনন্দের ভিতরে নিরান্দের বিপুল কারুকাজ!

 

শিল্পী এখানে নিশ্চুপ! কবির কবিতা ছন্দহীন,

দিকে দিকে মঙ্গলে অমঙ্গল প্রেম সংগীতে বাধাহীন।

যারা বেশী কানা- অন্ধ- আজ বেশী দেখে তারা,

বিদ্রোহীর ভিতরে দেশপ্রেম জাগিছে পাড়া পাড়া।

 

প্রাণহীন হৃদয়ে প্রেমের সংলাপ শুনি ছলনার ছলে,

তবু অজ্ঞরা বুঝে না ,ওরা সব গীটকাটে তলে তলে।

সম্প্রতি নেই, সাম্যের আলোড়ন নেই প্রাণে প্রাণে,

তবু আপন ভাবি তারে রক্ত ঝরা বিজয় কেতনে !!

 

এর চেয়ে নির্বোধ কান্ড কি আছে ? চেতনা অচল,

যুদ্ধে পাওয়া মুক্তির সাধনা তবে কি নিষ্ফল?

এক অদ্ভুত অশনি এসেছে এ পৃথিবীতে আজ,

ঘাতক শকুন শেয়ালরা খামছে ধরছে মুক্তির তাজ!

----------------------------------------------

উঁই পোকা

 

কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা।

তারিখঃ ১৫-০৪-২০২৫ খ্রিঃ

স্থানঃ রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর

-------------------------------------

উঁই পোকা প্রশান্ত মনে খেলা করে অনলের গাছ!

ওরা জানে না আগুনের লেলিহান শিখার কি আঁচ।

 

জাতি এখনো স্বরন করে সেই রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের বেলাকে,

ওরে ডাক আসলেই হাতিয়ার গর্জে উঠবে লোকে লোকে।

ওইসব উঁই পোকাগুলো স্থবির হয়ে যাবে প্রচন্ড বাতাস,

পশ্চাতে পালাবে পরাজিত সৈনিকের মত যত অভিলাস।

 

এখন যদিও দিকে দিকে উঁই পোকাদের অনুপম বিন্যাস,

কিন্তু ওরা বুঝেনা এ মৃত্যুর ফাঁদ! এ ওদের সর্বনাশ!

অচিরেই যাত্রা থমকে যাবে এই স্বাধীন আকাশের বুকে

উড়ন্ত ডানাগুলো খসে যাবে আনন্দ উল্লাসের সুখে!

 

উঁই পোকারা যতই আলিঙ্গন করুক ছদ্মবেশীর আদলে!

আগুনেরা ঐক্যবদ্ধ! অসুরগুলো পুড়াবে দাউ দাউ জ্বলে।

ওরে,রক্ত গঙ্গা আর লাল-সবুজের তরে-

ওদের পরাজয় নিশ্চিত বৈশাখী ঝড়ের পরে।

-----------------------------------------------

অবনতমুখী

 

কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা।

তারিখঃ ১৪-০৪-২০২৫ খ্রিঃ

স্থানঃ রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর

-------------------------------------

আজ ঐতিহ্যের পুস্পিত লতা অবনতমুখী,

প্রতিহিংসার রৌদ্রতাপে পুড়িছে সে পাখী,

সংস্কৃতির শাখে শাখে অমঙ্গল ধীরে ধীরে

মঙ্গলকে গ্রাসিয়াছে অসুর রূপে বঙ্গ বহরে!

 

রৌদ্রের আকাশে ঘন কালো মেঘ, নিরালা দুপুর,

পল্লীর পথে পথে অশ্রু ঝরিছে ব্যাদনার সুর।

ভিন সুর বাজিয়া উঠিছে আজ ক্ষণে ক্ষণে,

এ কোন গীতিকার? কোন ব্যথা তার মনে!

 

সে হারায়েছে কি? সে চায় কি স্বাধীন আকাশে,

মঙ্গলকে চায় সে করিতে  দূর ,এ কোন হরষে?

হে বাঙালি! কোন মোহে তুমি হারালে আপনারে,

আনন্দের ভিতরে নিরান্দ আসিছে বৈশাখী ঝড়ে!

 

অমঙ্গল ভাঙ্গিছে নীড়, চলিছে নিরুদ্দেশে ভাসি,

তবু বাঙালি নিঝুম বনের তটে বিমনা উদাসী।

চৌদিকে অমঙ্গলের গান বাজে বঙ্গ তটিনীর তীরে,

আদি শত্রুরা আবার জাগিছে, আবার আসিছে ফিরে।

--------------------------------------

Wednesday, April 9, 2025

মানুষই গ্রাসিয়াছে

 


কলমেঃ মোহাম্মদ আমিনুল এহছান মোল্লা।

স্থানঃ রাওনাট, কাপাসিয়া,গাজীপুর

তারিখঃ ০৯-০৫-২০২৫ ইং

-----------------------------------------

জগতের সৃষ্টি কত সুন্দর, কত সে দৃষ্টি নন্দন!

মানুষই সজ্জিত করিয়াছে তারে প্রেয়সীর মতন!

 

তবু শিয়রে বসে মানুষই কাঁদে মানুষই হাসে-

মানুষই খোঁজে স্বর্গিয় সুখ এই পৃথিবীর বসবাসে।

দম্ভ অহংকারে ভাঙ্গে গড়ে, ভাঙ্গে কত উসুক!

ওগো,তবু নাহি খোঁজে পায়  অমৃতের সুধা-সুখ।

 

অন্তরে অন্তরে হিংসা বিদ্বেষে মানুষেরা হয় রাঙা স্মান,

দিকে দিকে দাঙ্গা হাঙ্গামায় জ্বলিছে পুড়িছে সিক্ত প্রাণ।

তবু যেন নিশ্চুপ পৃথিবী! শুধু যেন জাহেলী যুগেরা কহে,

শুভ্র পূর্ণি নিভে গেছে!মানুষ যেন আর মানুষের নহে!

 

মানুষের অন্তরে মানবতার যাহা ছিল সম্বল,

মানুষই গ্রাসিয়াছে তারে দিবা-নিশীথ দল বল।  

সু-স্নিগ্ধ মাটি, সুধাসম জল, মানবতার গান,

সকলের তরে সম অধিকার, এই তাঁর শ্লোগান।

-------------------------------------------

Tuesday, April 8, 2025

সু-শিক্ষা

 


কলমেঃ মোহাম্মদ আমিনুল এহছান মোল্লা।

স্থানঃ রাওনাট, কাপাসিয়া,গাজীপুর

তারিখঃ ০৮-০৫-২০২৫ ইং

-----------------------------------------

হে মানব, সু-শিক্ষা সময় জয়ী অমর তরবারী,

অজ্ঞতা দিনে দিনে গ্লাণী আনে, হয়ে ওঠে ভারী।

 

মূর্খতার এ ভার জাতিরে দিয়ে যায় হারি,

এই নির্বোধ বহর , সমরে নতশির যায় মরি।

হে মানব, সু-শিক্ষার কাছে অসূর সদা হার মানে শেষে,

ওগো,জ্ঞানীরা বিজয় কেতন উড়ায় বিশ্ব মঞ্জিলে হরষে!

 

সু-শিক্ষাই তাহা পারে, কভূ ফেলেনা চোখের জল,

অহংকারী নির্বোধ বুঝে না পথে পথে আঁধার বিপুল!

অযোগ্য তবু ভাবে যোগ্য - এই রক্ত –রথের চূড়ে,

পরাজিত! নীলিমার আঁচলে ঘেরা তবু চায় উড়ে ।

 

এ এক নিস্ফল যাত্রা! তবু আপনারে জাহিরে দল বল,

বাঘের ডাক তুলে গাদার হুঙ্কারে- এই ধরনীর তল!

সু-শিক্ষার অভাবে ইতর প্রাণীরা  ঘেউ ঘেই ডাকে,

ওরে, ছদ্মবেশীরা মানব রূপে অসূরের ছবি এঁকে!

 

হে মানব, সু-শিক্ষা সময় জয়ী অমর তরবারী,

অজ্ঞতা দিনে দিনে গ্লাণী আনে, হয়ে ওঠে ভারী।

----------------------------------------------

 

অসহায় ফিলিস্তিন

 কলমেঃ মোহাম্মদ আমিনুল এহছান মোল্লা।

স্থানঃ রাওনাট, কাপাসিয়া,গাজীপুর

তারিখঃ ০৮-০৫-২০২৫ ইং

-----------------------------------------

ওগো,অসহায় ফিলিস্তিন যাইতেছে পুড়িয়া,জানেনা ভুবন,

হে বিশ্ব ,জাগো হে জাগো ,আজ দেখিব তোমার গর্জ্ন।

 

তুমি হিন্দু না মুসলিম? তাহা জিজ্ঞাসা করে কোন জন?

হে মানবতা, বল তুমি মরিছে মানুষ,জ্বলিছে মানব সন্তান!

চারিদিকে মুহুর্মুহু গোলা বরুদের অনল বর্ষণ -অভিযান,

পৃথিবীর বুকে তিমির রাত্রি, বুক জুড়ে হাহাকার,অশ্রুবান।

 

রক্তাক্ত শরীর! অস্থি- মজ্জা খসে, বুকে বুকে অভিমান,

জাতিসংঘ নিশ্চুপ! অধিকার কাড়িছে , ছুড়িছে কামান।

ইসরাইল তব সম্মুখে ওই নিরহ গাজা ফিলিস্তিন প্রান্তর,

মুসলিম রক্তে রক্তে প্লাবিত ইহুদীদের অগ্রাসনে বিস্তর।

 

অসহায় ফিলিস্তিন পুড়িছে হায়,তব ইসরাইলে দিবাকর,

ওরে মুসলিম, জাগো হে জাগো- ওমরের গর্জনে আরেকবার,

উদিবে সেই প্রভাতের রবি!গাইব শহীদের রক্তে বিজয়ের গান,

আজি পরীক্ষা তোর, আয় তোরা আয় অসহায় গাজা-ফিলিস্তিন।

 

হে মুসলিম! তুমি ভুলিবে কি পথ? হারিবে কি যুদ্ধের প্রান্তর?

না না তুমি তৌহিদী সেনা, নিত হবে অসহায় ফিলিস্তিনের গুরুভার।

--------------------------------------------------------