Sunday, May 25, 2025

অবৈধ ফুলের বৈধ মধু

 অবৈধ ফুলের বৈধ মধু

কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা
তারিখঃ ২২-০৫-২০২৫ ইং
রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর।
---------------------------------
অবৈধ ফুলের বৈধ মধু! কি মিষ্টি মধুর লাগে!
যেমনি খুশি তেমনি আসুক তবু থাকিস জেগে।
ওরে-শুনেছি আমি উল্কার বেগে হঠাৎ প্রত্যুষে!
অবৈধ ফুলে মধুর নহর আসিছে ভেসে ভেসে।

যদিও তাহার পাঁপড়ি কালো ঘৃণ্য কারুকাজ,
তবুও তাহার শক্তি মধুর কানন মহারাজ!
কি বিষ্ময়কর মধু!অবৈধ ফুলে হাসিছে জয়টিকা!
আজ ফুলেরাও ব্যঙ্গ করিছে,ভ্রমরও ছুটিছে ঝটিকা।

অবৈধ ফুলের প্রতি এতো ঘৃণা! একি শুধু মুখের বুলি?
তাহার মধু এতো মিষ্টি! কেন ছুটিছে ডানা মেলি?
প্রশ্নের উত্তর কে দিবে? সবাই মধুতে নিত্য নিমজ্জিত,
ফুল যাই হউক, তবু সে অমৃত পানে ‍দৃষ্টি হাতে কত!!

আপন পাত্রে মধু আসিলে অবৈধ ফুলকেও পবিত্র কয়,
কি এক আজব কানন !জবা ফুলও নাকি গোলাপ হয়!
--------------------------------------------

যে রক্তে পেয়েছি আমি

 

যে রক্তে পেয়েছি আমি

কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা

তারিখঃ ২৫-০৫-২০২৫ ইং

রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর।

-------------------------------

হে তারুণ্য, তুমি যদি নেতা হও কান্তারের পথ ছেড়ে

সন্ধ্যার আঁধারে প্রদীপ নিয়ে ডাক দেও -এ জাতিরে।

 

জাতি তোমারেই চায়, যে কিনা ভুলেনি মুক্তির শপথ,

লক্ষ শহীদের রক্তে আঁকা লাল-সবুজের দীপ্ত পথ।

এখনো তোমার সম্মুখে নীলাভ ব্যথিত প্রাণ-অশ্রুজল,

এখনো সেই নক্ষত্র খুঁজি আমি ঘন কুঁয়াশার ছায়াতল!

 

কিন্ত যে তোমারে দেখি আমি সেতো দৈত্য দানবের মত

গুম হত্যা মব ত্রাসে রাঙা চোখে গর্জে উঠে চির সতত!

এ কেমন দৃশ্য হে তারুণ্য- আজ নিভেগেছে আলোক,

দিকে দিকে রব উঠেছে বঙ্গ ছুটেছে আঁধার ভূ-লোক!

 

অনেক স্বপ্নতো বুঁনেছিলাম এ শুন্যতার জমিনে,

হে তারুণ্য, হে নেতা- এ কি উপহার দিলে নিমন্ত্রণে?

যে সুর তুমি বাজালে, যে সুরে তুমি গাইলে গান,

সেতো বিদ্রোহী সুর ! সেতো লাল-সবুজের ব্যবধান।

 

হে তারুণ্য, তুমি যদি নেতা হও মীরজাফরের পথ ছেড়ে,

এসো হে সম্ভ্রমহারা মায়ের অশ্রু জলের কবিতা পড়ে!।

যে রক্তে পেয়েছি আমি স্বাধীন পতাকা- কাব্যের চরন।

সেখানেই তোমারে স্যালুট জানাব লক্ষ শহীদের রক্ত প্লাবণ।

-------------------------------------------------

 

 

 

 

Thursday, May 22, 2025

সুতরাং আর নয়

 

সুতরাং আর নয়

কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা

তারিখঃ ২২-০৫-২০২৫ ইং

রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর।

---------------------------------

আবার গর্জে উঠিছে সাত-সমুদ্র তের নদী,

কুমির- হাঙ্গর- তিমি আসিছে, হায় তবু যদি

চৈতন্য না জাগে মনে,তবে কিসের মহারাজ?

অঢেল জন্মিছে দিকে দিকে বিষাক্ত সাপ আজ!

 

নদী নালা খাল বিল  ভূমি দস্যুরা গ্রাসিয়াছে সকল,

মসনদে ঢুকিছে ফ্যাসিষ্ট- স্বৈরাচার -দেশদ্রোহী দল।

টুকরো মেঘেরা বজ্র গর্জিছে পদ্মা মেঘনা যমুনার পার,

আর জাতি মরিছে দৈত্যদলনের পিষ্ঠে রাত্রির আঁধার!

 

গণতন্ত্র যেখানে মত্ত দৈত্যে দৈত্যে আক্রোশে ভড়ি

সেখানে ক্ষমতা নিয়ে ব্যস্ত রাজকুমার-রাজকুমারী।

মঞ্চে মঞ্চে কারো লোভ নেই,তবু লোভের অলঙ্কারে,

দেত্যেরা শুধু নগ্ন ভঙ্গিতে সাজিছে যৌবনা শরীরে।

 

স্বাধীনতা আজ যেন লুপ্তগর্ব্ ,পরাজিত রাজার সঞ্চয়,

এত অন্যায় জাতি সহ্য করিবে কিভাবে-আর নয়!

আবার জাতি গর্জে উঠিবে যেখানেই দেখিবে পীড়ন,

সেখানেই জ্বলে উঠিবে লাল সবুজের সোনালী কিরণ।

 

সুতরাং আর নয়, আমাদের এক স্বাধীন পতাকা আছে-

মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা আছে প্রতিটি জনতার কাছে।

আমরা সম্ভ্রম হারা মায়ের অকোতভয় সন্তান-মাতৃকার গান

আমরা লক্ষ শহীদের উত্তরসূরী- বজ্র কণ্ঠের ঘূর্ণি -তুফান!!

------------------------------------------------

 

Tuesday, May 20, 2025

মহানিশীথের কালো

 

মহানিশীথের কালো

কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা

তারিখঃ ১৯-০৫-২০২৫ ইং

রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর।

---------------------------------

শান্তির মুকুটে আজ দেখেতেছি অশান্তির তিলক,

শুভ্রতার ভিতরে অন্ধকার করিতেছে খেলা অপলক!

 

আলোক প্রতিভায় কলঙ্ক গ্রাসিয়াছে স্বাধীন বঙ্গ তীর,

প্রহরী মেতেছে নষ্ট খেলায় নির্মল মুক্ত বুকে বিভক্তির।

আলোকিত মানুষ প্রিয়তর তবু কখনো সে ঘৃণিত প্রাণ,

শান্তির মুকুটে আজ দেখেতেছি অশান্তির তিলক- বীর্যবান!

 

মহাপতনের দিকে ধাবিত চেতনার সোনালী অধ্যায়,

মাতৃকার শত্রুকে আনিতেছে ডাকি  এক মানবিক বার্তায়!

কিন্তু ভুলেগেছি কিছু মানবিক অযূত অমানবিকের সূচনা,

খাল কেটে কুমির আনার মতো নির্দয় কোন সাধনা।

 

বিবেক যখন স্বার্থ্পর হয়,মুক্তি তখন কাঁদে ব্যদনায়,

কান্ডারী হারায় আলোর পথ কুহেলির কালো বসূধায়।

শান্তির প্রদীপে এ কেমন অসূর ছায়া দেখিয়াছি!

মনে হয় যেন বঙ্গ বুকে মহানিশীথের পদধ্বনি শুনিয়াছি!!

 

হে জাতি! এ কেমন কান্ডারী হে -তুমি বলিয়াছো আলো!

সে তুলিয়াছে বুকে বুকে রক্ত ঝড়!মহানিশীথের কালো।

---------------------------------------------

Sunday, May 18, 2025

এই মা তোমারে ডাকিছে

 এই মা তোমারে ডাকিছে

কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা

তারিখঃ ১৮-০৫-২০২৫ ইং

রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর।

---------------------------------

সোনালী ঊষার আলো ছেড়ে সন্ধ্যার আঁধারে,

কে এই কান্ডারী বজ্র কণ্ঠে ডাকিছে জাতিরে?

বলিল সে, এই মায়ের বুক তারে দিতে চায়,

সে বুঝিল না নীলাভ ব্যথিত প্রাণ চৌদিকে হায়।

 

যারে আলোক ভেবেছি আমি কুয়াশার পাখনায়,

আজ দেখি দিবসের সোনালী প্রদীপ গোধূলী আভায়!

জোনাকির দেহ হতে খুঁজেছি যে ঝল ঝল আলো,

সে জোনাকি ধূসর ধূম্রের মত ঘন মেঘ কালো!

 

সে ছুটিছে টিকটিকির মত সিঁড়ি বেয়ে বেয়ে,

বুকের পাটা খুলে- বিষাক্ত সাপের স্বপ্ন লয়ে।

মা যে মরে যাবে! মা যে হেরে যাবে ব্যথিত প্রাণ,

ধূর্ত্ কান্ডারী বুঝে না তাহা আপন স্বার্থের কলতান।

 

সে দেখেনা মায়ের বিমর্ষ্ মুখানি ভাঁজে ভাঁজে ভরা,

মুক্তির যৌবন বুঝি ফুরিয়ে এলো দেশদ্রোহীদের দ্বারা।

হে অতন্ত্র প্রহরী ! জেগে উঠো শতাব্দীর নীল অন্ধকার!

মাতৃকা রক্ষা করো হে - লক্ষ শহীদের অঙ্গিকার।

 

তুমি তো মুক্তিযোদ্ধার মতো হার না মানা দুরন্ত প্রাণ,

এই মা তোমারে ডাকিছে-তুলো হে তুলো-বজ্র তুফান!!

স্বাধীনতা একবারই আসে,রক্ষা করো তারে দূর্ণিবার,

কোন অশুভ শক্তি যেন না পারে ভাঙ্গিতে রক্তের প্রাচীর।

-----------------------------------------------

 

 

 


মাতৃকার কোলকে গ্রাসিয়াছে

 মাতৃকার কোলকে গ্রাসিয়াছে

কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা

তারিখঃ ১৮-০৫-২০২৫ ইং

রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর।

---------------------------------

মাতৃকার কোলকে গ্রাসিয়াছে প্রতিশোধ জল্লাদের মতন,

সুদূর কোন দেশে চলে গেছে হীরে –মানিক- মুক্তা- রতন!

 

চিত্ত যদি শুভ্র হত !কান্ডারী যদি করিত অনুভব,

জাতির মুক্তির জন্য রাজনীতি হত জনতার উৎসব।

সেবার জাহাজে এখন ফ্যাসিষ্ট- স্বৈরাচার-অসূর দল,

চাঁদাবাজের মহড়া চৌদিকে বিপুল প্রতাপে উজ্জ্বল।

 

দিকে দিকে চোর -ডাকাত –দস্যুরা মায়ের কথা ভুলে,

লুটতরাজের উৎসবে মাতিছে কাননের ফুলে ফুলে।

মায়ের মুখের দিকে তাকালে মনে হয় সমুদ্রের নীল,

বুকে জুড়ে আগুনের লেলিহান শিখা দাউ দাউ অনল!

 

অজ্ঞ –মূর্খ্- মেধা শুন্যরা মায়ের বুক করিয়াছে দখল,

সমুদ্রের উপকণ্ঠে এখন হিংস্র ঈগল! সাগরের চিল!

বুকে বুকে শুনি নক্ষত্র তারকারাজির বিপুল ক্রন্দন সব,

কান্ডারী যেন চাইছে না বুঝিতে এই ব্যদনা অনুভব।

 

এই উগ্রতা, এই হীনমন্যতা, এতো রক্ত নদী-

হিংসা, বিদ্বেষ, ক্রোধ ,প্রতিশোধ কভূ না থামে যদি!

শুনিবে ধবংস নাশের অসনি শব্দ মাতৃকার বুক জুড়ে,

সেদিন তুমি পারিবে না মুক্তির জয়গান গাহিতে বসুন্ধরে।

 

মাতৃকার কোলকে গ্রাসিয়াছে প্রতিশোধ জল্লাদের মতন,

সুদূর কোন দেশে চলে গেছে হীরে –মানিক- মুক্তা- রতন!

-------------------------------------------

 

 


Thursday, May 15, 2025

কে দিবে উত্তর?

 

কে দিবে উত্তর?

কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা

তারিখঃ ১৫-০৫-২০২৫ ইং

রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর।

---------------------------------

কি এক হত্যার নিশা চেপে বসিয়াছে চারিধার,

কত মায়ের অশ্রু ঝরিছে বুক ফাট কান্না- হাহাকার!

 

সন্তান আসবে কি আসবে না ফিরে মায়ের কোলে,

ওরে নেই কোন গ্যারন্টি মব তন্ত্রের উগ্র দাবানলে!

ওরে- আজ এখানে নেই যেন বিদ্যাজ্যোতি-মেহেরবান,

প্রাণে প্রাণে মৃত্যভয় ব্যদনার পিরামিড পাহাড়- সমান।

 

স্কুল –কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় অন্ধকার এক মৃত্যুপুরি,

আলোকের নীড়ে আলো হারিয়েছে দিশা চক্রে ঘুরি।

রাগ ক্রোধ প্রতিশোধের তরবার যেন উঠিছে নাচিয়া,

অসূর তন্ত্রের নিষ্ঠুর ছুরি চুমুকিয়া!

 

কি এক হত্যার নিশা আছে ঘেরিয়া স্কুল কলেজ অঙ্গন!

পিতা-মাতা সন্তান হারা,মব তন্ত্রের উগ্র আস্ফালন।

শিক্ষার্থী এসেছে শুধু আলোক নূড়ি কূড়াতে এখানে,

তবে কেন মরতে হলো তাকে বিদ্যা শিক্ষার প্রাঙ্গনে?

 

জ্ঞানের তপস্যার কত আসিয়াছে শিক্ষার্থী- এ সুন্দর!

তবে কেন ফিরতে হলো লাশ হয়ে- কে দিবে উত্তর?

--------------------------------------------

রাজনীতির সাহিত্য

 

রাজনীতির সাহিত্য

কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা

তারিখঃ ১৫-০৫-২০২৫ ইং

রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর।

---------------------------------

আদর্শ্ নৈতিকতা হয়েগেছে ভিখারি, হয়েগেছে একা,

এমন তো চাইনি আগুনের কবিতা হউক কাব্যে লেখা।

 

শুভ বুদ্ধির বিকাশ এখন শুন্য!জাহেলী যুগের তোরণ,

আলোক অক্ষরগুলো ছন্নহীন ধূসর বর্ণিল আলোহীন।

নিষ্ঠুরতার ক্ষুধায় আরো উগ্র পন্থায় রচিছে গল্প,

গ্রন্থ্যের কোথাও নেই ন্যায়-নীতিবোধ অল্প-সল্প।

 

মাতৃভাষা নেই!সংস্কৃতি নেই! ইতিহাস ঐতিহ্য বিলীন।

রাজনীতির কবি সাহিত্যিকেরা ভুলেগেছে মানবিক চরন,

গল্প জুড়ে রচিছে শুধু হিংস্র হায়েনার মতবাদ- প্রতিক্ষণ।

সহনশীলতা- সহিষ্ণুতা পাঠিয়েছে কারাগারে মন-প্রাণ।

 

অথচ রাজনীতির সাহিত্য ছিল মানবতার মৃত্যুঞ্জয়ী ডাক,

ঐক্য সাম্যের সংবিধান!আজ যেন স্বৈরতন্ত্রের হাক।

মুক্তির কবিতাগুলো অবরুদ্ধ বাচিক শিল্পীর স্বরে স্বরে-

রাজনীতির সাহিত্য দেখলেই জনতা আঁতকে উঠে ভয়-ডরে!!

 

অসাম্প্রদায়িক চেতনাগুলো ক্ষমতার অগ্রাসনে মৃত্যুদ্বার,

ভয়ঙ্কররূপে শাসকেরা গ্রাসিয়াছে ন্যায্য- অধিকার-জনতার,

কবিতার চরনে চরনে সাধুতার বড় হাহাকার,

মসনদে ঢুকে গেছে ফ্যাসিষ্ট-লুটেরাজ-স্বৈরাচার-মীরজাফর।

 

রাজনীতির সাহিত্যেই পৃথিবী পেয়েছিল এক মুক্তির কবিতা,

আজ এখানে ভয় -আতঙ্ক- বৈষম্য- বিভেদ- বিস্তর উগ্রতা!

----------------------------------------------------

 

 

 

 

তুমিই দুর্দিনের আশা

 

তুমিই দুর্দিনের আশা

কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা

তারিখঃ ১৫-০৫-২০২৫ ইং

রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর।

---------------------------------

শ্লোগানে শ্লোগানে মুক্তির সুর তব বিরহ –বিধুর,

ছলনাকারী মীরজাফর আসে যায় বাংলার মুকুর!

 

জানিনা, কোন সে দূরে চির সত্যের কালিমা,

মুনাফিকেরা উতলা করিছে স্বাধীন মাতৃকার সীমা।

দেশদ্রোহীর তন্ত্র মন্ত্রে অট্টহাসিতে আশেক-পাগল,

শকুন দৃশ্যে গর্জে উঠিছে পথ ভ্রষ্ট কিছু মূর্খ্দল।

 

ওরা জানে না, উদ্যত উর্মির বুকে কে এঁকেছে ছবি,

শহীদের রাঙা কালিতে মুক্তির কবিতা লিখেছে কবি।

হে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা দুর্জয়ের,দুরন্ত -দুর্বার অগাধ,

আবার জেগে উঠো তরুণ দীপ্তে,নব বিজয়ের স্বাদ।

 

ওরা আঘাত হানিছে লক্ষ শহীদের রক্ত লেখা গানে?

ওরে- কি করে চুপসে থাকো মাতৃকার বীর সন্তানে?

এখনো বুকে বুকে হাহাকার! স্বাধীনতার বিপুল পিপাসা,

দিকে দিকে শিয়াল কুকুরের ‍নৃত্য উম্মাদনা- হে আশা।

 

ভুলে কি গেছো স্মৃতি সৌধ, শহীদ মিনার বক্ষের উপরে?

ভাঙ্গিবার লাগি কেউ যেন বসতি গড়িছে মাতৃকার তরে!

হে বীর, ধূলিসাৎ করে দাও এইসব তুচ্ছ অভিলাষ,

তুমিই দুর্দিনের আশা, দুরন্ত জয়-লাল-সবুজের উল্লাস।

------------------------------------------------

 

হে সুহাসিণী ঝর্ণা

 

হে সুহাসিণী ঝর্ণা

কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা

তারিখঃ ১৫-০৫-২০২৫ ইং

রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর।

---------------------------------

পাহাড়কে সাজাতে গিয়ে ঝর্ণা তুমি হারিয়েছে পথ,

যুগের সঞ্চিত নীল ব্যদনায় হয়েছো নদীর গতিপথ!

 

যৌবন পেয়েছে জলরাশি উত্তাল তরঙ্গে শতরূপে,

কিন্তু ঝর্ণা বুঝেনি তার ক্ষয়িষ্ণু শুরু ধাপে ধাপে!

এই পৃথিবী খোঁজেছে শুধু চন্দ্রমল্লিকার শুভ্র রাত্রি

ঝল ঝল পূর্ণিতে ঝর্ণা হয়েছে শুধু কামনার পাত্রী।

 

সে  বুঝেনি তারও যে অমৃতসূর্য্ আছে,তরঙ্গ আছে

সে শুধু সেজেছে সুখ বিলাসে অগ্নিপরিধির কাছে!

তার ‍বুকে এখন কীট পতঙ্গ পোকা মাকড় বিপুল হরষে,

আপন বংশ বিস্তারে প্রণয় উৎসবে মেতেছে  বরষে!

 

ঝর্ণা তুমি নিদারুন বোকা! গিরি -পর্ব্ত –পাহাড়- জলে-স্থলে,

পৃথিবীকে রাঙাতে গিয়ে- আজ তুমি নিজেই ব্যদনার অশ্রুজলে।

তোমার অশ্রুজলেই সমুদ্র গতিপথ বদলায়,রঙ পাল্টায়

কঠিন পাথরও প্রাচীর গড়ে আপন বলয়, বিপুল প্রলয়!

 

ঝর্ণা তুমি নিদারুন বোকা! এই যৌবন কারে করেছা দান,

একদিন তুমি হবে ধুঁ ধুঁ বালুচর- জলশুন্য মরুদ্যান!

হে সুহাসিণী ঝর্ণা, তুমি আজ মৃত!!

এই পৃথিবী ভুলে যাবে তোমাকে চিরশাশ্বত।

--------------------------------------------