Tuesday, May 27, 2025

জনতাই স্বীকৃতি দিবে

 

জনতাই স্বীকৃতি দিবে

কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা

তারিখঃ ২৬-০৫-২০২৫ ইং

রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর।

-------------------------------

আচ্ছা বলো তো! জনতার নেতা কে?

আমি বলি, যে নেতা হকের কথা বলে ভূ-লোকে।

 

যে ন্যায়-নীতিবান, সৎ চরিত্রের অধিকারী-

ইতিহাস বলে তারে নেতৃত্ত্বের যোগ্য নর-নারী।

আচ্ছা বলো তো ! তুমি কি জনতার নেতা ?

আমি বলি, তুমি দেশদ্রোহী, ফ্যাসিষ্ট- স্বৈরতন্ত্রের প্রণেতা!

 

বুকে হাত দিয়ে বলো, তুমি মুক্তি যুদ্ধের রক্তধারা,

বলো, তুমি লাল-সুবজের চেতনাধারী -এ বসুন্ধরা।

তুমি বলো তো ! তুমি কি দুর্ণীতি মুক্ত গণতন্ত্রের পাঞ্জেরী,

জানি পারবে না, তুমিও যে কুচক্রের সারথী- অতন্ত্র প্রহরী।

 

 

বলো, জনতার কেন ভয়! কেন রাষ্ট্রের এতো অবক্ষয় ?

পারবে বলতে ! এত অর্থ্ বৈভবের উৎস কিভাবে হয়?

আচ্ছা বলো তো! ক্ষমতা হারালে পালাতে হয় কেন !

জানি পারবে না, তুমিও যে মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ-হেনতেন।

 

সে সাহস কি আছে ! বলো, তুমি দুণীর্তিবাজ নেতা নও,

বলো,তুমি সত্যবিচারক! বলো, মানবতার আশ্রয় তুমিও ।

বলো, আমার সোনার বাংলা,গাও- চির সাম্যের গান,

দেখো-জনতাই স্বীকৃতি দিবে- তুমিই নেতৃত্ত্বের শ্রেষ্ঠজন !

------------------------------------------------

অদ্ভুদ কিছু হচ্ছে

 

অদ্ভুদ কিছু হচ্ছে

কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা

তারিখঃ ২৬-০৫-২০২৫ ইং

রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর।

-------------------------------

অদ্ভুদ কিছু হচ্ছে বৈচিত্রে ঘেরা বঙ্গ জননী!

কেউ মৃত্যুর মুখে, কেউ হাসছে পূর্ণি রজনী!

 

আজ কেউ নগ্ন উৎসবে, কেউ দুঃখেরও ক্রন্দনে,

কারো ফুল ফুটেছে,কেউ ঝরে গেছে ঝড় তুফানে।

অদ্ভুদ কিছু হচ্ছে মায়ের জলে- স্থলে সমুদ্র মন্থিতে

লক্ষ অযূত ক্ষতচিহ্ন জেগে উঠেছে গ্রন্হিতে গ্রন্হিতে !

 

আজ কারো ভাগ্য প্রসন্ন, কারো জীবনের সর্বনাশ!

সত্যের ঢোলে এখন প্রতিশোধের ভয়ঙ্কর উল্লাস।

কুচক্রের অনুকূলে সবকিছু করেছে কোলাহল,

দায় মুক্তির মহরা,জানি না এ কোন ফলাফল!

 

অদ্ভুদ কিছু হচ্ছে ঈদ উৎসবের মত-সবি অন্ধকারে,

জাতি কি রাহু চক্রে আটকে গেছে-বড় ইচ্ছে জানিবার?

সত্যের নামে মিথ্যের নিশানা উড়ছে মুনাফিক প্রাণ,

বাংলায় অদ্ভুদ কিছু হচ্ছে- এ রহস্যে ঘেরা সিংহাসন।

--------------------------------------------------

 

Monday, May 26, 2025

ভুল ডাক্তার এনেছি ডেকে

 

ভুল ডাক্তার এনেছি ডেকে

কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা

তারিখঃ ২৬-০৫-২০২৫ ইং

রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর।

-------------------------------

ডাক্তার বলেছিল মায়ের বুকে বিষাক্ত ফোড়া,

আমিও বিশ্বাস করে ছুটেছি হসপিটালে তাড়াহুড়া।

 

আমার মাকে বাঁচাতে হবে- এই শেষ কথা,

অপারেশ শুরু হল তবু চিত্তদীর্ণ্ তীব্র ব্যাকুলতা।

মা হাসবে তো! হৃদয় রেখেছি মগ্ন করি-

ডাক্তার এসে বললো সবই ঠিক ছিল, সরি সরি!!

 

ফোড়া সাড়াতে গিয়ে ডেকে এনেছি মরণ ব্যাধি,

ক্যান্সারে ক্যান্সারে আক্রান্ত সাড়া দেহ-নিরবধি!!

মা সুস্থই ছিল, স্বাভাবিকই ছিল এতদিন!

আসলে ফোড়াও ছিল না, অযথাই ভেবেছি নিশিদিন।

 

ভুল ডাক্তার এনেছি ডেকে কষাই খানা হতে,

সে এখন ছুটেছে ফাঁসি মঞ্চে জল্লাদের ভ্রতে!

আমার মাকে সে বাঁচতে দিবে না স্বাধীন কাননে,

আজ মা ক্যান্সারে ক্যান্সারে মৃত্যু শয্যার শয়নে।

 

একটি ফোড়া সারাতে গিয়ে ভুল ডাক্তার এনেছি ডেকে,

মা বাঁচবে তো? ডাক্তার দিয়েছে ক্যান্সারের ছবি এঁকে!

মাগো তোমাকে হারতে দিবো না লাল সবুজের মেলায়,

আমি সেই চেতনার ডাক্তার হবো ভন্ডদের সব তাড়ায়।

------------------------------------------------

 

 

 

স্বার্থের দিকেই

 

স্বার্থের দিকেই

কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা

তারিখঃ ২৬-০৫-২০২৫ ইং

রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর।

-------------------------------

স্বার্থের দিকেই যেন দল মত পথ গাইছে শুধু গান,

এখানে নেই কোন পূর্বরাগ, অনুরাগ, মান-অভিমান।

 

কেবল মসনদের অভিসার, প্রেমলীলা-বিরহ-মিলন

দৃঢ় সেতুবন্ধনে চলা- নদ নদীর গভীরে প্রণয় স্বপন!

কে অসাধু, কে নগ্ন শ্রাবণের শর্বরীতে গঙ্গার কূলে,

শুধুই ঈগল চোখে অলক দেখা ক্ষমতার কেন্দ্র মূলে।

 

যদিও হারায় ইজ্জত সম্ভ্রমে তবু এ ক্ষুধা নহে মিটাবার,

রজনী আর দিবসে প্রমত্তে উঠে মেতে অবৈধ কারবার।

মায়ের ছতর খুলে যায় এ গীত উসব-মাঝে,

তবু মিটায় তপ্ত প্রেমতৃষা পল্লীর নির্জন বিরাজে।

 

স্বার্থের দিকেই যেন তরুণ বসন্ত জাগে নবীন ফাল্গুনে,

এখানেই  বাজে মীরজাফের সুর বিপুল তানে তানে।

কেউ ধ্রুব, কেউ কালো একই মঞ্চে মধুময় হয়ে উঠে-

লাল-সবুজের আঁচলে ঘেরা মায়ের বুক খুটে খুটে !

 

কি এক আজব নীতি! আদর্শহীন প্রেমাতুর তানে,

স্বার্থের দিকেই গেয়ে যায় নিষ্ঠুর গান ঐক্যতানে।

এতো বৈচিত্র রূপ আর কোন মঞ্চে আছে কি -হে কবি?

এখানে সাপ- বিচ্ছু –পোকা- মাকড়ের নগ্ন প্রেমচ্ছবি!!

-----------------------------------------------

 

 

বকুলের মালা এখন

 

বকুলের মালা এখন

কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা

তারিখঃ ২৬-০৫-২০২৫ ইং

রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর।

-------------------------------

সততা বন্দী হয়ে আছে অনিষ্ট তাগুতের গৃহে,

ওই মুক্তির মন্ত্রটা এখন আর নেই সত্যাগ্রহে।

 

লোভ-লালসা ক্রোধের রিপুরা গড়েছে দৃঢ় বন্ধন,

সততার দুর্ভিক্ষে মুক্তিরা কাঁদে করুণক্রন্দন।

এই দুঃখদৈন্যে-ভরা জীবন তুমিই করেছো সাধন,

ক্ষুদ্র স্বার্থে আপন গৃহে শত্রুরে করেছো নিমন্ত্রণ।

 

কালো মেঘে গগণের শুভ্রকে ডেকেছো হিংসে-প্রতিহিংসে,

প্রতিশোধের নেশায় মত্ত হয়েছো ক্ষমতার দ্বন্দে- প্রকাশ্যে।

এখানে সততা নেই! এখানে বহ্নিবাণ বজ্রসম চিতা,

রক্তাক্ত জীবন্ত লাশ!গুজবে -হুজুগে দুর্ভিক্ষে সততা!

 

আজ মাতৃকা হুমকির মুখে,মুক্তির গান ছন্দহীন,

সততা বন্দী হয়ে আছে  অবরুদ্ধ কন্ঠে ভাষাহীন।

লাল-সবুজের আলপনায় এর চেয়ে লজ্জা আর কি ?

সততার দুর্ভিক্ষে! কোন মিথ্যের ছবি যাইতেছে আঁকি!

 

এখনো মায়ের বুকে শুনি মীরজাফরের অশুভ ধ্বনি,

সত্যের দ্বার খুলে দাও মুক্তি যুদ্ধের চেতনারে টানি।

মুক্তি ছুটেছে যু্দ্ধ-বিগ্রহ দ্বন্দ্বে অশুভ কর্মে নিশিদিন-

তাই বকুলের মালা এখন পাগলের গলায় নিন্দ্রাহীন।

---------------------------------------------

 

 

আমরা দুর্জয়

 

আমরা দুর্জয়

কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা

তারিখঃ ২৬-০৫-২০২৫ ইং

রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর।

-------------------------------

রক্তে পাওয়া মাগো তোরে বেশি ভালোবাসি,

তাইতো চেয়েছি বেদনাকাতর মুখে শুভ্র হাসি।

 

হে মা, তোর লাল-সবুজের আঁচল বেশি ভালো লাগে,

তারে জড়ায়ে আমি থাকি অন্তর মম বড় সাধ জাগে।

তোর বীর সন্তানের বক্ষ হতে রক্ত রস নিয়ে,

শত্রু  তাড়িয়ে তোরে করেছি স্বাধীন নির্ভয়ে-বিশ্বলয়ে!

 

গেয়েছি আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালোবাসি,

আজ সেখানে বসত গড়েছে পরাজিত শক্তি -সর্বনাশী!

তুইতো দিয়েছিলি স্নেহ মমতা ভালবাসা সন্তানের দেহে,

কিন্ত তোর বিশ্বাস ঘাতক সন্তানেরা ভিন সুরে গান গাহে।

 

ওরে-তোর কণ্ঠ রোধ করে দিতে চায় দিবস-নিশীথে,

মা ভয় নেই আবার উঠব জেগে মুক্তি যুদ্ধের সংগীতে।

আমরা একাত্তরের উত্তরসূরী বিজয়ের আনন্দ- আবাস,

লক্ষ শহীদের রাঙা কালিতে রচিত কবিতার পূর্বাভাস!

 

আমরা- দুর্জয়!আমরা নই কোন বিষাদের অশ্রুজল,

একাত্তর আমাদের চেতনা!সম্মুখ যুদ্ধের প্রেরণা-মনোবল।

----------------------------------------------

 

 

Sunday, May 25, 2025

আমি বঙ্গ জননীর সন্তান

 

আমি বঙ্গ জননীর সন্তান

কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা

তারিখঃ ২৫-০৫-২০২৫ ইং

রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর।

-------------------------------

আমি বঙ্গ জননীর সন্তান,তুমি কোথাকার?

মুক্তি যুদ্ধের চেতনে আমি স্বাধীন মাতৃকার।

 

অনেক রক্তের পরে নিশানা পেয়েছি সুখদুঃভার,

জাতির ভাগ্য আমরাই গড়িবো করিয়াছি স্থির।

অসীম প্রেমে রাখিয়াছি মা’রে অন্তর ধরাতে,

কোন দেশদ্রোহী শত্রু  পারিবে না ভিনসুর শুনাতে।

 

আমার সোনার বাংলা সর্বসহা জননী মৃন্ময়ী-

ঐতিহ্যে অসীম ঐশ্বর্যরাশি আছে তাহার মৃত্যুঞ্জয়ী!

তবু  কেন থমকে যাস- ওরে সাধু জন -সাধুতা কই ?

অন্ন- বস্ত্র –শিক্ষা- চিকিৎসা –বাসস্থান ন্যায্যতা কই!

 

আমার অধিকারে কেন অশ্রুজল, স্লান শুষ্ক মুখ

স্বাধীনতা পেয়েছি, সু-সন্তান পায়নি মায়ের বুক!

ক্ষমতা লোভী সিন্ডিকেটের রাহুগ্রাসে অসম্পূর্ণ্ সুখ,

আমি স্বাধীন জননীর সন্তান তবু কেন বুক ভরা দুঃখ?

 

এই মাতৃকার একটি পতাকা, একই সুর- একই গান

তবু কেন চৈতন্য ভিন্ন, বৈষম্যের- তুমুল -ঝড় -তুফান !!

যে শিল্পী এঁকেগেছে লাল-সবুজের ঐক্যতান-

তারেই আমি বলি স্বাধীন বাংলার অবিনাশী প্রাণ।

----------------------------------------------

জ্ঞানের সিন্ডিকেট

 

জ্ঞানের সিন্ডিকেট

কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা

তারিখঃ ২৫-০৫-২০২৫ ইং

রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর।

-------------------------------

ওরে কে বাজাবে সেই চির সত্যের বাজনা!

এখন আর কেউ সেই সুর মধুর মন্দ্রে রচেনা।

 

ষড়ঋতুর মতো বদলে গেছে চেতনার তরঙ্গ,

মৌসুমী ফুল ফলের মতো চিত্ত নাচিছে মহারঙ্গ।

কাননের ফুল আর কাননে নেই দিবস –রজনী,

কীটেরা শূলে শূলে রচিয়াছে মিথ্যে কল্প কাহিনী।

 

কি অদ্ভুদ ! মৌসুমী জ্ঞানী-গুনি মায়ের আঁচলে,

গিরগিটি মতো রঙ পাল্টিছে ক্ষমতার পালাবদলে।

সত্যের কলম অসত্যের দিকে ছুটিছে উম্মাদ স্রোতে-

গল্প কবিতা ইতিহাস রচিছে শাসকের মর্জি মতে!

 

 মৌসুমী জ্ঞানী-গুনির বিষ্ফোরণে জ্বলিছে বঙ্গ ভূমি,

এর চেয়ে দুঃখ আর কি হতে পারে- বলো মা তুমি?

জ্ঞানীর সত্য রশ্মি যদি থেমে যায় মাতৃ-লোকে,

জাতির পরাজয় আসবেই মীরজাফরের আলোকে।

 

কি বিচিত্র জ্ঞানের সিন্ডিকেট! ক্ষমতার উৎস মূলে-

স্বার্থের সেতু বন্ধন গড়িয়াছে  মৌসুমী ফুল-ফলে!

কতটুকু অসৎ হলে চুপসে যায় ঋতু বদলে,

বলো না ওদেরকে জ্ঞানী বলি কি করে বঙ্গ তলে?

 

------------------------------------------

 

 

 

 

 

 

তুমি যতই শুনাইতে চাও

 

তুমি যতই শুনাইতে চাও

কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা

তারিখঃ ২৫-০৫-২০২৫ ইং

রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর।

-------------------------------

শিল্পীর এই আনন্দগানে আমি দিব নাকো সুর,

যদি না থাকে সেথায় সোনার বাংলা প্রীতি-সুমধুর।

 

যে সুর তুলিয়াছো ছন্দগাঁথা তোমাদের কণ্ঠ সনে,

সে নহে গো বাংলার গান সুখ-দুঃখেরও ক্রন্দনে।

আমি হয়েছি লক্ষ শহীদের উত্তরসূরী প্রমোদসিন্ধুর,

লাল-সবুজকে গাঁথিয়াছি আমি তরঙ্গ দোলে অন্তর।

 

আমি গাই সেই গান বিচিত্র বন্ধনে নব ছন্দ তানে,

যে সুরে আছে লাল সবুজের স্নিগ্ধশ্যাম মাতৃমুখ-পানে!

আমি স্যালুট করি ওই লক্ষ শহীদের রাঙা ধূলিমাটি মার,

আমি ভালবাসিয়াছি তারে দিবস রজনী হিম গিরি দুর্বার।

 

কে এমন শিল্পী- কুলাঙ্গার- দেশদ্রোহী –দোসর ?

মাতৃকার কোলে বসে ঘৃণা করি তারে অযূত অপার!

সন্তান থাকিতে তুমি কেঁদো না মা- মুক্তি খুঁজিবারে,

বিজয় নিশানই দেখাইবে পথ আসন্ন যুদ্ধের সমরে।

 

শিল্পীর এই আনন্দগানে  আমি দিব নাকো সুর,

যে সুরে নাই একাত্তর! সম্ভ্রমহারা মায়ের আর্তচিকার।

হে ছদ্মবেশী শিল্পী  ! তুমি যতই শুনাইতে চাও বারেবার,

তোমার এই আনন্দগানে আমি দিব নাকো সুর কোনবার।

--------------------------------------------

 

 

ছলনা দিকে দিকে ডাকিছে

 

ছলনা দিকে দিকে ডাকিছে

কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা

তারিখঃ ২৫-০৫-২০২৫ ইং

রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর।

-------------------------------

কৃষ্ণচূড়ায় পুস্পিত লাল-সবুজ অবনতমুখী,

কালো ধুম্র কুন্ডে বাংলার বুকে সে আজ দুঃখী!

 

ধূসর বর্ণিল শাখে শাখে সবুজ পাতা ঝরে ঝরে,

রূপসী মায়ের রূপ যেন হারিয়েছে তনুর তিমিরে!!

পীছ ঢালা রাজ পথে লেলিহান শিখা নিরালা দুপুর,

নিস্তব্দ পল্লীর পথে পথে শুনিনা তো কুহকের সুর!

 

জানি না, এ কোন পিপাসা, কোন ব্যাথা তার মনে,

অযূত ব্যদনার সুর যেন বাজিয়া উঠিছে ক্ষণে ক্ষণে!

প্রেমিকার প্রাণে নেই প্রেম,শুধু চেয়ে থাকা আকাশে,

ঘাতক প্রাণে বিনিদ্র প্রেমিক সীমানার আশে- পাশে।

 

ছলনা দিকে দিকে ডাকিছে রুক্ষকাল-বৈশাখী ঝড়ে,

ভেঙ্গে দিতে দিতে চায় স্বাধীন নীড়, নিমেষের তরে।

তবু যেন হয়না হুশ! উত্তরসূরী ছুটিছে নিরুদ্দেশ ভাসি,

স্বাধীন তল্লাটে আর কত কাল থাকবি বিমনা উদাসী?

 

ওরে গেয়ে যা সাম্যের গান শহর-পল্লী তটিনীর তীরে,

কৃষ্ণচূড়ায় পুস্পিত লাল-সবুজে মুক্তি যুদ্ধের বজ্র স্বরে।

ছলনা দিকে দিকে ডাকিছে -সাবধান! ওরে প্রিয়-প্রিয়া।

ওরে তোরা গেয়ে যা সোনার বাংলা গান, ওরে পাপিয়া,

---------------------------------------------