Monday, May 26, 2025

আমরা দুর্জয়

 

আমরা দুর্জয়

কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা

তারিখঃ ২৬-০৫-২০২৫ ইং

রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর।

-------------------------------

রক্তে পাওয়া মাগো তোরে বেশি ভালোবাসি,

তাইতো চেয়েছি বেদনাকাতর মুখে শুভ্র হাসি।

 

হে মা, তোর লাল-সবুজের আঁচল বেশি ভালো লাগে,

তারে জড়ায়ে আমি থাকি অন্তর মম বড় সাধ জাগে।

তোর বীর সন্তানের বক্ষ হতে রক্ত রস নিয়ে,

শত্রু  তাড়িয়ে তোরে করেছি স্বাধীন নির্ভয়ে-বিশ্বলয়ে!

 

গেয়েছি আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালোবাসি,

আজ সেখানে বসত গড়েছে পরাজিত শক্তি -সর্বনাশী!

তুইতো দিয়েছিলি স্নেহ মমতা ভালবাসা সন্তানের দেহে,

কিন্ত তোর বিশ্বাস ঘাতক সন্তানেরা ভিন সুরে গান গাহে।

 

ওরে-তোর কণ্ঠ রোধ করে দিতে চায় দিবস-নিশীথে,

মা ভয় নেই আবার উঠব জেগে মুক্তি যুদ্ধের সংগীতে।

আমরা একাত্তরের উত্তরসূরী বিজয়ের আনন্দ- আবাস,

লক্ষ শহীদের রাঙা কালিতে রচিত কবিতার পূর্বাভাস!

 

আমরা- দুর্জয়!আমরা নই কোন বিষাদের অশ্রুজল,

একাত্তর আমাদের চেতনা!সম্মুখ যুদ্ধের প্রেরণা-মনোবল।

----------------------------------------------

 

 

Sunday, May 25, 2025

আমি বঙ্গ জননীর সন্তান

 

আমি বঙ্গ জননীর সন্তান

কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা

তারিখঃ ২৫-০৫-২০২৫ ইং

রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর।

-------------------------------

আমি বঙ্গ জননীর সন্তান,তুমি কোথাকার?

মুক্তি যুদ্ধের চেতনে আমি স্বাধীন মাতৃকার।

 

অনেক রক্তের পরে নিশানা পেয়েছি সুখদুঃভার,

জাতির ভাগ্য আমরাই গড়িবো করিয়াছি স্থির।

অসীম প্রেমে রাখিয়াছি মা’রে অন্তর ধরাতে,

কোন দেশদ্রোহী শত্রু  পারিবে না ভিনসুর শুনাতে।

 

আমার সোনার বাংলা সর্বসহা জননী মৃন্ময়ী-

ঐতিহ্যে অসীম ঐশ্বর্যরাশি আছে তাহার মৃত্যুঞ্জয়ী!

তবু  কেন থমকে যাস- ওরে সাধু জন -সাধুতা কই ?

অন্ন- বস্ত্র –শিক্ষা- চিকিৎসা –বাসস্থান ন্যায্যতা কই!

 

আমার অধিকারে কেন অশ্রুজল, স্লান শুষ্ক মুখ

স্বাধীনতা পেয়েছি, সু-সন্তান পায়নি মায়ের বুক!

ক্ষমতা লোভী সিন্ডিকেটের রাহুগ্রাসে অসম্পূর্ণ্ সুখ,

আমি স্বাধীন জননীর সন্তান তবু কেন বুক ভরা দুঃখ?

 

এই মাতৃকার একটি পতাকা, একই সুর- একই গান

তবু কেন চৈতন্য ভিন্ন, বৈষম্যের- তুমুল -ঝড় -তুফান !!

যে শিল্পী এঁকেগেছে লাল-সবুজের ঐক্যতান-

তারেই আমি বলি স্বাধীন বাংলার অবিনাশী প্রাণ।

----------------------------------------------

জ্ঞানের সিন্ডিকেট

 

জ্ঞানের সিন্ডিকেট

কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা

তারিখঃ ২৫-০৫-২০২৫ ইং

রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর।

-------------------------------

ওরে কে বাজাবে সেই চির সত্যের বাজনা!

এখন আর কেউ সেই সুর মধুর মন্দ্রে রচেনা।

 

ষড়ঋতুর মতো বদলে গেছে চেতনার তরঙ্গ,

মৌসুমী ফুল ফলের মতো চিত্ত নাচিছে মহারঙ্গ।

কাননের ফুল আর কাননে নেই দিবস –রজনী,

কীটেরা শূলে শূলে রচিয়াছে মিথ্যে কল্প কাহিনী।

 

কি অদ্ভুদ ! মৌসুমী জ্ঞানী-গুনি মায়ের আঁচলে,

গিরগিটি মতো রঙ পাল্টিছে ক্ষমতার পালাবদলে।

সত্যের কলম অসত্যের দিকে ছুটিছে উম্মাদ স্রোতে-

গল্প কবিতা ইতিহাস রচিছে শাসকের মর্জি মতে!

 

 মৌসুমী জ্ঞানী-গুনির বিষ্ফোরণে জ্বলিছে বঙ্গ ভূমি,

এর চেয়ে দুঃখ আর কি হতে পারে- বলো মা তুমি?

জ্ঞানীর সত্য রশ্মি যদি থেমে যায় মাতৃ-লোকে,

জাতির পরাজয় আসবেই মীরজাফরের আলোকে।

 

কি বিচিত্র জ্ঞানের সিন্ডিকেট! ক্ষমতার উৎস মূলে-

স্বার্থের সেতু বন্ধন গড়িয়াছে  মৌসুমী ফুল-ফলে!

কতটুকু অসৎ হলে চুপসে যায় ঋতু বদলে,

বলো না ওদেরকে জ্ঞানী বলি কি করে বঙ্গ তলে?

 

------------------------------------------

 

 

 

 

 

 

তুমি যতই শুনাইতে চাও

 

তুমি যতই শুনাইতে চাও

কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা

তারিখঃ ২৫-০৫-২০২৫ ইং

রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর।

-------------------------------

শিল্পীর এই আনন্দগানে আমি দিব নাকো সুর,

যদি না থাকে সেথায় সোনার বাংলা প্রীতি-সুমধুর।

 

যে সুর তুলিয়াছো ছন্দগাঁথা তোমাদের কণ্ঠ সনে,

সে নহে গো বাংলার গান সুখ-দুঃখেরও ক্রন্দনে।

আমি হয়েছি লক্ষ শহীদের উত্তরসূরী প্রমোদসিন্ধুর,

লাল-সবুজকে গাঁথিয়াছি আমি তরঙ্গ দোলে অন্তর।

 

আমি গাই সেই গান বিচিত্র বন্ধনে নব ছন্দ তানে,

যে সুরে আছে লাল সবুজের স্নিগ্ধশ্যাম মাতৃমুখ-পানে!

আমি স্যালুট করি ওই লক্ষ শহীদের রাঙা ধূলিমাটি মার,

আমি ভালবাসিয়াছি তারে দিবস রজনী হিম গিরি দুর্বার।

 

কে এমন শিল্পী- কুলাঙ্গার- দেশদ্রোহী –দোসর ?

মাতৃকার কোলে বসে ঘৃণা করি তারে অযূত অপার!

সন্তান থাকিতে তুমি কেঁদো না মা- মুক্তি খুঁজিবারে,

বিজয় নিশানই দেখাইবে পথ আসন্ন যুদ্ধের সমরে।

 

শিল্পীর এই আনন্দগানে  আমি দিব নাকো সুর,

যে সুরে নাই একাত্তর! সম্ভ্রমহারা মায়ের আর্তচিকার।

হে ছদ্মবেশী শিল্পী  ! তুমি যতই শুনাইতে চাও বারেবার,

তোমার এই আনন্দগানে আমি দিব নাকো সুর কোনবার।

--------------------------------------------

 

 

ছলনা দিকে দিকে ডাকিছে

 

ছলনা দিকে দিকে ডাকিছে

কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা

তারিখঃ ২৫-০৫-২০২৫ ইং

রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর।

-------------------------------

কৃষ্ণচূড়ায় পুস্পিত লাল-সবুজ অবনতমুখী,

কালো ধুম্র কুন্ডে বাংলার বুকে সে আজ দুঃখী!

 

ধূসর বর্ণিল শাখে শাখে সবুজ পাতা ঝরে ঝরে,

রূপসী মায়ের রূপ যেন হারিয়েছে তনুর তিমিরে!!

পীছ ঢালা রাজ পথে লেলিহান শিখা নিরালা দুপুর,

নিস্তব্দ পল্লীর পথে পথে শুনিনা তো কুহকের সুর!

 

জানি না, এ কোন পিপাসা, কোন ব্যাথা তার মনে,

অযূত ব্যদনার সুর যেন বাজিয়া উঠিছে ক্ষণে ক্ষণে!

প্রেমিকার প্রাণে নেই প্রেম,শুধু চেয়ে থাকা আকাশে,

ঘাতক প্রাণে বিনিদ্র প্রেমিক সীমানার আশে- পাশে।

 

ছলনা দিকে দিকে ডাকিছে রুক্ষকাল-বৈশাখী ঝড়ে,

ভেঙ্গে দিতে দিতে চায় স্বাধীন নীড়, নিমেষের তরে।

তবু যেন হয়না হুশ! উত্তরসূরী ছুটিছে নিরুদ্দেশ ভাসি,

স্বাধীন তল্লাটে আর কত কাল থাকবি বিমনা উদাসী?

 

ওরে গেয়ে যা সাম্যের গান শহর-পল্লী তটিনীর তীরে,

কৃষ্ণচূড়ায় পুস্পিত লাল-সবুজে মুক্তি যুদ্ধের বজ্র স্বরে।

ছলনা দিকে দিকে ডাকিছে -সাবধান! ওরে প্রিয়-প্রিয়া।

ওরে তোরা গেয়ে যা সোনার বাংলা গান, ওরে পাপিয়া,

---------------------------------------------

 

অবৈধ ফুলের বৈধ মধু

 অবৈধ ফুলের বৈধ মধু

কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা
তারিখঃ ২২-০৫-২০২৫ ইং
রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর।
---------------------------------
অবৈধ ফুলের বৈধ মধু! কি মিষ্টি মধুর লাগে!
যেমনি খুশি তেমনি আসুক তবু থাকিস জেগে।
ওরে-শুনেছি আমি উল্কার বেগে হঠাৎ প্রত্যুষে!
অবৈধ ফুলে মধুর নহর আসিছে ভেসে ভেসে।

যদিও তাহার পাঁপড়ি কালো ঘৃণ্য কারুকাজ,
তবুও তাহার শক্তি মধুর কানন মহারাজ!
কি বিষ্ময়কর মধু!অবৈধ ফুলে হাসিছে জয়টিকা!
আজ ফুলেরাও ব্যঙ্গ করিছে,ভ্রমরও ছুটিছে ঝটিকা।

অবৈধ ফুলের প্রতি এতো ঘৃণা! একি শুধু মুখের বুলি?
তাহার মধু এতো মিষ্টি! কেন ছুটিছে ডানা মেলি?
প্রশ্নের উত্তর কে দিবে? সবাই মধুতে নিত্য নিমজ্জিত,
ফুল যাই হউক, তবু সে অমৃত পানে ‍দৃষ্টি হাতে কত!!

আপন পাত্রে মধু আসিলে অবৈধ ফুলকেও পবিত্র কয়,
কি এক আজব কানন !জবা ফুলও নাকি গোলাপ হয়!
--------------------------------------------

যে রক্তে পেয়েছি আমি

 

যে রক্তে পেয়েছি আমি

কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা

তারিখঃ ২৫-০৫-২০২৫ ইং

রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর।

-------------------------------

হে তারুণ্য, তুমি যদি নেতা হও কান্তারের পথ ছেড়ে

সন্ধ্যার আঁধারে প্রদীপ নিয়ে ডাক দেও -এ জাতিরে।

 

জাতি তোমারেই চায়, যে কিনা ভুলেনি মুক্তির শপথ,

লক্ষ শহীদের রক্তে আঁকা লাল-সবুজের দীপ্ত পথ।

এখনো তোমার সম্মুখে নীলাভ ব্যথিত প্রাণ-অশ্রুজল,

এখনো সেই নক্ষত্র খুঁজি আমি ঘন কুঁয়াশার ছায়াতল!

 

কিন্ত যে তোমারে দেখি আমি সেতো দৈত্য দানবের মত

গুম হত্যা মব ত্রাসে রাঙা চোখে গর্জে উঠে চির সতত!

এ কেমন দৃশ্য হে তারুণ্য- আজ নিভেগেছে আলোক,

দিকে দিকে রব উঠেছে বঙ্গ ছুটেছে আঁধার ভূ-লোক!

 

অনেক স্বপ্নতো বুঁনেছিলাম এ শুন্যতার জমিনে,

হে তারুণ্য, হে নেতা- এ কি উপহার দিলে নিমন্ত্রণে?

যে সুর তুমি বাজালে, যে সুরে তুমি গাইলে গান,

সেতো বিদ্রোহী সুর ! সেতো লাল-সবুজের ব্যবধান।

 

হে তারুণ্য, তুমি যদি নেতা হও মীরজাফরের পথ ছেড়ে,

এসো হে সম্ভ্রমহারা মায়ের অশ্রু জলের কবিতা পড়ে!।

যে রক্তে পেয়েছি আমি স্বাধীন পতাকা- কাব্যের চরন।

সেখানেই তোমারে স্যালুট জানাব লক্ষ শহীদের রক্ত প্লাবণ।

-------------------------------------------------

 

 

 

 

Thursday, May 22, 2025

সুতরাং আর নয়

 

সুতরাং আর নয়

কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা

তারিখঃ ২২-০৫-২০২৫ ইং

রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর।

---------------------------------

আবার গর্জে উঠিছে সাত-সমুদ্র তের নদী,

কুমির- হাঙ্গর- তিমি আসিছে, হায় তবু যদি

চৈতন্য না জাগে মনে,তবে কিসের মহারাজ?

অঢেল জন্মিছে দিকে দিকে বিষাক্ত সাপ আজ!

 

নদী নালা খাল বিল  ভূমি দস্যুরা গ্রাসিয়াছে সকল,

মসনদে ঢুকিছে ফ্যাসিষ্ট- স্বৈরাচার -দেশদ্রোহী দল।

টুকরো মেঘেরা বজ্র গর্জিছে পদ্মা মেঘনা যমুনার পার,

আর জাতি মরিছে দৈত্যদলনের পিষ্ঠে রাত্রির আঁধার!

 

গণতন্ত্র যেখানে মত্ত দৈত্যে দৈত্যে আক্রোশে ভড়ি

সেখানে ক্ষমতা নিয়ে ব্যস্ত রাজকুমার-রাজকুমারী।

মঞ্চে মঞ্চে কারো লোভ নেই,তবু লোভের অলঙ্কারে,

দেত্যেরা শুধু নগ্ন ভঙ্গিতে সাজিছে যৌবনা শরীরে।

 

স্বাধীনতা আজ যেন লুপ্তগর্ব্ ,পরাজিত রাজার সঞ্চয়,

এত অন্যায় জাতি সহ্য করিবে কিভাবে-আর নয়!

আবার জাতি গর্জে উঠিবে যেখানেই দেখিবে পীড়ন,

সেখানেই জ্বলে উঠিবে লাল সবুজের সোনালী কিরণ।

 

সুতরাং আর নয়, আমাদের এক স্বাধীন পতাকা আছে-

মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা আছে প্রতিটি জনতার কাছে।

আমরা সম্ভ্রম হারা মায়ের অকোতভয় সন্তান-মাতৃকার গান

আমরা লক্ষ শহীদের উত্তরসূরী- বজ্র কণ্ঠের ঘূর্ণি -তুফান!!

------------------------------------------------

 

Tuesday, May 20, 2025

মহানিশীথের কালো

 

মহানিশীথের কালো

কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা

তারিখঃ ১৯-০৫-২০২৫ ইং

রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর।

---------------------------------

শান্তির মুকুটে আজ দেখেতেছি অশান্তির তিলক,

শুভ্রতার ভিতরে অন্ধকার করিতেছে খেলা অপলক!

 

আলোক প্রতিভায় কলঙ্ক গ্রাসিয়াছে স্বাধীন বঙ্গ তীর,

প্রহরী মেতেছে নষ্ট খেলায় নির্মল মুক্ত বুকে বিভক্তির।

আলোকিত মানুষ প্রিয়তর তবু কখনো সে ঘৃণিত প্রাণ,

শান্তির মুকুটে আজ দেখেতেছি অশান্তির তিলক- বীর্যবান!

 

মহাপতনের দিকে ধাবিত চেতনার সোনালী অধ্যায়,

মাতৃকার শত্রুকে আনিতেছে ডাকি  এক মানবিক বার্তায়!

কিন্তু ভুলেগেছি কিছু মানবিক অযূত অমানবিকের সূচনা,

খাল কেটে কুমির আনার মতো নির্দয় কোন সাধনা।

 

বিবেক যখন স্বার্থ্পর হয়,মুক্তি তখন কাঁদে ব্যদনায়,

কান্ডারী হারায় আলোর পথ কুহেলির কালো বসূধায়।

শান্তির প্রদীপে এ কেমন অসূর ছায়া দেখিয়াছি!

মনে হয় যেন বঙ্গ বুকে মহানিশীথের পদধ্বনি শুনিয়াছি!!

 

হে জাতি! এ কেমন কান্ডারী হে -তুমি বলিয়াছো আলো!

সে তুলিয়াছে বুকে বুকে রক্ত ঝড়!মহানিশীথের কালো।

---------------------------------------------

Sunday, May 18, 2025

এই মা তোমারে ডাকিছে

 এই মা তোমারে ডাকিছে

কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা

তারিখঃ ১৮-০৫-২০২৫ ইং

রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর।

---------------------------------

সোনালী ঊষার আলো ছেড়ে সন্ধ্যার আঁধারে,

কে এই কান্ডারী বজ্র কণ্ঠে ডাকিছে জাতিরে?

বলিল সে, এই মায়ের বুক তারে দিতে চায়,

সে বুঝিল না নীলাভ ব্যথিত প্রাণ চৌদিকে হায়।

 

যারে আলোক ভেবেছি আমি কুয়াশার পাখনায়,

আজ দেখি দিবসের সোনালী প্রদীপ গোধূলী আভায়!

জোনাকির দেহ হতে খুঁজেছি যে ঝল ঝল আলো,

সে জোনাকি ধূসর ধূম্রের মত ঘন মেঘ কালো!

 

সে ছুটিছে টিকটিকির মত সিঁড়ি বেয়ে বেয়ে,

বুকের পাটা খুলে- বিষাক্ত সাপের স্বপ্ন লয়ে।

মা যে মরে যাবে! মা যে হেরে যাবে ব্যথিত প্রাণ,

ধূর্ত্ কান্ডারী বুঝে না তাহা আপন স্বার্থের কলতান।

 

সে দেখেনা মায়ের বিমর্ষ্ মুখানি ভাঁজে ভাঁজে ভরা,

মুক্তির যৌবন বুঝি ফুরিয়ে এলো দেশদ্রোহীদের দ্বারা।

হে অতন্ত্র প্রহরী ! জেগে উঠো শতাব্দীর নীল অন্ধকার!

মাতৃকা রক্ষা করো হে - লক্ষ শহীদের অঙ্গিকার।

 

তুমি তো মুক্তিযোদ্ধার মতো হার না মানা দুরন্ত প্রাণ,

এই মা তোমারে ডাকিছে-তুলো হে তুলো-বজ্র তুফান!!

স্বাধীনতা একবারই আসে,রক্ষা করো তারে দূর্ণিবার,

কোন অশুভ শক্তি যেন না পারে ভাঙ্গিতে রক্তের প্রাচীর।

-----------------------------------------------

 

 

 


মাতৃকার কোলকে গ্রাসিয়াছে

 মাতৃকার কোলকে গ্রাসিয়াছে

কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা

তারিখঃ ১৮-০৫-২০২৫ ইং

রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর।

---------------------------------

মাতৃকার কোলকে গ্রাসিয়াছে প্রতিশোধ জল্লাদের মতন,

সুদূর কোন দেশে চলে গেছে হীরে –মানিক- মুক্তা- রতন!

 

চিত্ত যদি শুভ্র হত !কান্ডারী যদি করিত অনুভব,

জাতির মুক্তির জন্য রাজনীতি হত জনতার উৎসব।

সেবার জাহাজে এখন ফ্যাসিষ্ট- স্বৈরাচার-অসূর দল,

চাঁদাবাজের মহড়া চৌদিকে বিপুল প্রতাপে উজ্জ্বল।

 

দিকে দিকে চোর -ডাকাত –দস্যুরা মায়ের কথা ভুলে,

লুটতরাজের উৎসবে মাতিছে কাননের ফুলে ফুলে।

মায়ের মুখের দিকে তাকালে মনে হয় সমুদ্রের নীল,

বুকে জুড়ে আগুনের লেলিহান শিখা দাউ দাউ অনল!

 

অজ্ঞ –মূর্খ্- মেধা শুন্যরা মায়ের বুক করিয়াছে দখল,

সমুদ্রের উপকণ্ঠে এখন হিংস্র ঈগল! সাগরের চিল!

বুকে বুকে শুনি নক্ষত্র তারকারাজির বিপুল ক্রন্দন সব,

কান্ডারী যেন চাইছে না বুঝিতে এই ব্যদনা অনুভব।

 

এই উগ্রতা, এই হীনমন্যতা, এতো রক্ত নদী-

হিংসা, বিদ্বেষ, ক্রোধ ,প্রতিশোধ কভূ না থামে যদি!

শুনিবে ধবংস নাশের অসনি শব্দ মাতৃকার বুক জুড়ে,

সেদিন তুমি পারিবে না মুক্তির জয়গান গাহিতে বসুন্ধরে।

 

মাতৃকার কোলকে গ্রাসিয়াছে প্রতিশোধ জল্লাদের মতন,

সুদূর কোন দেশে চলে গেছে হীরে –মানিক- মুক্তা- রতন!

-------------------------------------------