Saturday, June 19, 2021

উদ্রতা

 --------মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা।

************************************

ক্ষণিকের র্স্বাথকতা মানুষের কাছে আজ

বড় বেশি প্রিয়-

মানুষেরা সহজেই ভুলে যাচ্ছে ত্যাগের মহিমা!

নিজেকে নিয়ে বড় বেশী ব্যস্ত পৃথিবীর

ভাঁজে ভাঁজে

মনুষ্যত্বের সৌন্দর্য্যগুলোকে কাটতে কাটতে মানুষ আজ

পত্রহীন বৃক্ষের মতো

রক্তপিপাষু দানবের মতো উগ্রবাদের ঘূর্ণি তুফান!

রক্ত চুষে চুষে খাচ্ছে র্নিদয় ভাবে হিংস্র জন্তুর মতো

চতুর্দিকে উগ্র হয়ে আছে মানুষ!

মানুষের স্পন্দিত বুকের ভিতরে

হিংসা বিদ্বেষের বলয়

অনিষ্টের ভয়ঙ্কর মহরা!!

আজ কোন প্রেম ভালবাসা নেই

মানুষের ভিতরে উদ্রতা হিংস্র জন্তুর মতো

তাই মানুষ মানুষের রক্ত চুষে খাচ্ছে

এই পৃথিবীর ভাঁজে ভাঁজে---

ভাল মানুষগুলো সমাধি হয়েগেছে সেই কবে!!

মানুষ রূপের মানুষগুলো আজ আর মানুষ নেই

আছে শুধু অবয়ব!!!

১৯-০৬-২০২১ ইং,রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর।

রাস্তা ঘাটে থৈ থৈ

 


------মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা।

*******************************

উন্নয়ন দেখ ভাই

এই যে করেছি

এই তার ইট বালু, এই জল ডাঙ্গা

এই তার হাটু জল

বুক তার চাঙ্গা !

 

এই দেখ চৌদিকে  ভাসে তার নৌকা

বাড়ী গাড়ি নাই আর সব তার ধোঁকা ।

 

এইখানে পীছ ছিল মসৃণ বুক তার

এখন  আর নাই গো কাটে সবে সাঁতার!

 

রাস্তা ঘাটে থৈ থৈ ডাক তুলে তৈ তৈ

কি উন্নয়ন হল ভাই গাড়ী সব গেল কই?

 

পৃথিবীর  কফ, থুতু,গায়ে শুধু মেখে লই

ভাঙ্গা গড়ার উন্নয় এ আর কেমনে কই!!

 

চোর ডাকাতে মিলে ভাই সব খেল গিলে অই!

উন্নয়ন মুখে মুখে ঢাক ঢোল পিঠায় ভাই।

 

উন্নয়ন দেখ ভাই

এই যে করেছি দুর্ণিনীতির যজ্ঞ

এই তার নমুনা-কারো কাছে কমুনা !!

-----১৯-০৬-২০২১ ইং,রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর।

 

প্রাণের ব্যাচ-৯৩

 

মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা।

------উৎসর্গ্ঃ প্রাণের ব্যাচ-৯৩ এর সকল বন্ধুদের প্রতি

**********************************************

স্নিগ্ধ রজনী গন্ধার শুভেচ্ছো জানিয়ে

এক ঝাঁক জোনাকী ম্যাজিক দেখাচ্ছে অন্ধকার রাত্রি!

ঝল ঝল আলোয় মেতে উঠেছে প্রাণের ব্যাচ-৯৩!

এক একটা যুবক হয়ে যাচ্ছে পৃথিবীর উজ্জ্বল নক্ষত্র

যুবতীরা রাত্রির পূর্ণিমা!

তরঙ্গে তরঙ্গে প্রেমের মঞ্চে  ডাক দিচ্ছে

গৌরবের পতাকা উড়ায়ে প্রাণ থেকে প্রাণে

এক সাম্যের রাজ্য গড়েছে বিভেদের প্রাচীর ভেঙ্গে

এ যেন এক বিনিসূতায় গাঁথা প্রেমিকার মালা!

বিরহের অন্ধকার এইভাবে পরাজিত করে

নব সূর্য্দয়ে জেগে উঠেছে প্রাণের ব্যাচ-৯৩ ।

বহুদিনপর পুলকের উষ্ণতা পেয়ে গেছি রক্তিম গোলাপের

সৌরভে সৌরভে

হে প্রাণের ব্যাচ -৯৩! এসো হে এসো-

এ হৃদয়ে ফুটাই আগামীর স্বপ্নিল পৃথিবী--

এক মঞ্চে সবাই যেন পাই ধরিত্রীর সব হাততালি।

কেউ যেন ঝরে না যাই বৃক্ষের মগডাল হতে

প্রেমের বন্ধনে রুখে দিবো অন্ধকার সব ঝঞ্জাল

ফিরে এসো ফিরে এসো একই মঞ্চে ফিরে এসো

এই স্বপ্নের পৃথিবী--

প্রাণের ব্যাচ-৯৩ এর সন্ধান পেয়েগেছি--

যাদের প্রেম প্রথম ভোরের মতো আবীরের আলো দিতে জানে।

হে বন্ধুরা! এক বোঁটায় ফুটে উঠো আগামী সূর্যদয়ের গৌরবে।

পৃথিবীকে রাঙিয়ে দাও তোমার রঙে রঙে--

----১৯-০৬-২০২১ ইং,রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর।

 

Friday, June 18, 2021

পরীক্ষাটা চলুক


-----------মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা।

উৎসর্গ্ঃ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি।

*****************************************

শিক্ষার এক্সপ্রেস তরি গড়ি দৌড়ে ছুটে গেল।

কাকে থামাতে?

নিশির বাদুর সেজে কার কাছে গেল?

রাত্রির সদ্যুর মতো কালো অন্ধকারে, জাতি ধবংসে

কাকে উপহার দিবে মেরুদন্ডহীন আগামীর মশাল?

জাতির চোখে মুখে শিক্ষার খিদে- চক্ষুহীন চিতাবাঘ

এদিক সেদিক থাবা দিয়ে নিজেই ক্ষত বিক্ষত !

অবরুদ্ধ কারাগারে কাকে সে জ্বলাবে?

আজতো প্রদীপের প্রদীপ নেই!!

চেরাগের কোন স্মৃতির উৎসবে ভবিষ্যৎ জাগবে?

কোন ভবিষ্যৎ এর কোন খানে দেখা হবে তার?

সে কি লাল সবুজের বিদ্রোহী পতাকা?

তবে কেন তার পথ অবরুদ্ধ করা হলো?

একটা বছর অনেক সময়- অনেক পিছিয়ে পরার শঙ্কা!

এর চরম মূল্য তাকেই দিতে হবে!!

লাল নিশানের মতো বিপদ সংকেত টাঙিয়ে রেখেছে!

বিষ্ন্ন ছায়া দেখি আমি সন্তানের চোখে মুখে

অসনি ঘন্টা শুনি আমি জাতির ঘরে ঘরে

তুমি কি বধির! নাকি অন্ধ?

তোমার সন্তানতো মাতৃকাভুলে পরবাসের মতো

তুমি কি বুঝবে?

যদি বুঝ দ্বার খুলে দাও আজি ! পরীক্ষাটা চলুক---

ছাত্র-ছাত্রীরা হেসে উঠুক আগামীর জয়গানে।

----১৮-০৬-২০২১ ইং,রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর।

রাত্রির পরী

 

      ------মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা।

**************************************************

তোমাকেই রাত্রির পরী মনে হয়!!

তোমার ভিতরে নিষিদ্ধ সব জল ঢুকে গেছে।

গুপ্ত কূপ যেন পোকামাকড়ে ভরে গেছে স্তরে স্তরে

রাত্রির পোকা, দিবসের পোকা ,র্নদমার কীতপতঙ্গ

তোমার জলে সাঁতার কাটে মাতাল নেশা গ্রস্থ ।

 

নগ্নতার নরকে যায় যারা,গিয়ে ফিরে আসে

উম্মাদ মাতাল হয়ে হয়ে যন্ত্রনার স্বাদ বুকে নিয়ে

রাত্রির পরীদের কিনে কিনে

অথবা নিজেদেরে ইজ্জত বিক্রি করে

আধুনিক দুলাল দুলালী এক রঙ্গ শালায় মেতে উঠে

রঙ্গ খোলায়—

রাত্রির পরীরা ডানা মেলে আছে!

ফাঁদ পেতে আছে----

 

অভিজাত ক্লাবের গাঢ় অন্ধকারে গন্ধ পাই তোমার নিম্মাঙ্গের!

ভয়াবহ নগ্ন উগ্রতায় নেচে উঠো কালো টাকার মঞ্চে

আলিঙ্গনে আলিঙ্গনে বহুদূর ভেসে যাও মদ্যপানে

তাও আছো জনপ্রিয়তার শীর্ষে

নগ্ন ক্যামেরার অগ্রপানে--

 

ধিক ধিক তোমারই মতো বেশ্যাময়ী রাত্রির পরী!

শুভ্র আয়নায় মুখ রেখে

পৃথিবী ছড়াচ্ছো লাল গোধূলির ফুল।

পর্দার আড়ালে তুমি এক নাইট ক্লাবের যৌন কর্মী !

তাও আছো অভিজাত শ্রেণীর মাতাল কোলে কোলে

নগ্ন ক্যামেরার অগ্রপানে--

----১৮-০৬-২০২১ ইং,রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর।

 

এক সূর্যের সমাধি

 ----------মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা।

*************************************

দারুন বিষ্ময়ে এই পৃথিবী দেখলো!

এক নিরাশ্রয় রক্তাক্ত নিষ্ঠুর এই জেলখানা।

রাত্রির শেষ প্রহরেও এই পৃথিবী আযানের শব্দ শুনলনা

ধরাধম নিদ্রিত! প্রভাত পাখিদের কোলাহল নেই

ভুঁতুরে অন্ধকার!আকাশের সূর্য্যি মামাটাও জেগে নেই

বিনিদ্র কিছু ঘাতকের উচ্চভিলাষী মহরা---

 

নির্দয় বুলেটের র্নিমম পরিহাস‘! বিশ্ব কম্পিত হলো!

জাগ্রত হলো বাঙ্গালীর তাজ! চৌদিক অন্ধকার হয়ে এলো

বিকট শব্দে শব্দে চৌচির হলো কারাপ্রকোষ্ঠ!

রক্ত ফিনকি দিয়ে উঠল! পানি পানি চিৎকারে

নিস্তেজ হয়ে গেলো বাঙ্গালীর তাজ!!!

রক্তের প্লাবনে প্লাবেন ভেসে উঠল- ”এক সূর্যের সমাধি”

 

বাঙ্গালী শুধু দেখল সাদা চাঁদরে ঢাকা নিথর তাজ!

চিরনিদ্রার ভাব ভঙ্গি তার

নিখিলের আঙিনা ব্যাপী কন্টকিত হাহাকার আর অবহেলা,

ষড়যন্ত্রে জাল ছড়িয়ে গেছে ঘর থেকে বাইরে

পুরুস্কিত হচ্ছে কলঙ্কিত হাত--

 

এ যেন এক বিরান কারবালা!

এলোমেলো পরিচর্যাহীন এক মহানায়কের করুণ সমাধি!

পুড়েছে কপাল জাতির- ঘাতকের এই বাংলাদেশে।

বঙ্গ তাজ জাতিকে ভালোবেসেছিল

দিতে চেয়েছিল আরো কিছু বেশী

জাতি তাকে কি দিলো?

----১৮-০৬-২০২১ ইং,রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর।

Thursday, June 17, 2021

বাঙ্গালীর অক্সিজেন

     

-----মোঃ আমিনুল এহছান  মোল্লা।

*************************************

ওরা বলে তুমি নাকি নেই! ওরা মুছে ফেলতে চায়—

ওরা ভয় দেখায়! হুমকি দেয়!ইতিহাস পাল্টায় !

কি লাভ তাতে? তুমি তো পতপত উড়ছো পতাকায়..

জগৎ জানে,পাড়া-প্রতিবেশী জানে -তুমি কে ?

তুমি তো সেই কবি যেকিনা দেশমাতৃকার ত্যাগে

সবার আগে

হৃদয়ের সংযোগে

ঝড়ের গতিবেগে

বিনিদ্র জেগে—

মুক্তি যুদ্ধের বর্ণগুলোকে শব্দে শব্দে বাক্যের চরণে চরণে

রচনা করেছো ইতিহাসের মহাকাব্য বাংলার স্বাধীনতা।

বিজয়ের অমর কবিতা “লাল সবুজের পতাকা”

 

দুরভিসন্ধির খেলা জাতি বুঝে গেছে- এদিন শেষ হয়ে যাবে

পূর্ব দিগন্তে আবার উদিত হবে বঙ্গ তাজের ”তাজ”

সেই ভয়ে!  সেই ভয়ে ওরা!

এই দেশে ভালোবেসে বলবে মানুষ

বঙ্গ তাজই ছিল  বঙ্গ বন্ধুর স্পন্দিত প্রবাহ

তবু ‘ওদের নেই এতটুকু দীনতা।

 

ওরা তোমাকে মুছ ফেলতে চায়ে- হে বঙ্গ তাজ !!

এ জাতি তোমাকে চায়- হে কিংবদন্তি সম্রাট!

যে শুভ্রতায় স্নিগ্ধতায় সমুজ্জল  এদেশের মানুষ

সে হৃদয়ের কলরবে তুমি আছো- হে রক্ত ঝরা বুক

হে লাল-সবুজের মুখ!

হে বাঙ্গালীর অক্সিজেন-” বঙ্গতাজ তাজঊদ্দিন আহম্মেদ”

---১৭-০৬-২০২১ ইং ,রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর।

 


আমি শীতলক্ষ্যা

 


---মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা।

******************************************

আমার বুকে স্মান করতে এসো না- তুমি মরে যাবে

শরীরের সারা অঙ্গে অঙ্গে বিষের মাতোয়ারা

বিপুল ইচ্ছে জাগে তোমায় আলিঙ্গনে আলিঙ্গনে

দূর কোথাও বয়ে যাই অনাবিল—

 

এতো কাছে এসো না, তুমি পুড়ে যাবে-

 বুকে  ধুঁধূ বালুচর! প্রখর রৌদ্রের লেলিহান শিখা

শীতল ছায়া নেই, পাখিদের কোলহল নেই

জেলেদের হৈ চৈ নেই

আছে কিছু ঘাতক ক্যামিকেল, কীটপতঙ্গ সাপ বিচ্ছু

নর্দমার র্আবজনা কিংবা ঘাতকের ফেলে যাওয়া

কিছু অচেনা লাশ!!

বিজ্ঞানসম্মত ভাবে যতোটুকু দূরে থাকা যায় তাই করো।

 

তুমি ঠিক ততোখানি দুরত্বে থেকো- ভূমি দুস্যরা সজাগ!

অনেক বিপদ হবে! মাঝি মাল্লা কেউ নেই- নৌযান গুলো

নিলাম হয়েগেছে-

আমার দু”কূল ডাকাতি হয়েগেছে- আমি নিঃশ্ব!

 

পৃথিবীর মানুষেরা ভুলেগেছে আমার মৌল উপাদান।

তাদের ভেতরে  মূর্তির মতো সেই প্রাণ নেই

তারা দানবের মতো আমাকে হত্যা করেছে

আমি শীতলক্ষ্যা কেবল ইতিহাস

কিছুটা বেঁচে আছি—

স্মৃতির পাতায়--

 

আজকাল নিরেট অধঃপতনের দিকে মনুষ্যত্ব মানুষের

সভ্যতার সীমানা ছেড়ে অসভ্য  নরপশুদের প্রতিযোগীতা।

-১৭-০৬-২০২১ ইং,রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর।