Tuesday, September 16, 2025

বিপ্লব

 বিপ্লব

কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা
রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর।
*********************************
সেদিন ছিল ১৯৯৩ সালের ১৯শে ফেব্রুয়ারি,
কাকডাকা ভোরে রক্তাক্ত হলো ইতিহাসের বুক।
খালেদ খুররমের বাসার সামনে
রাজনৈতিক প্রতিপক্ষরা ছিনিয়ে নিল এক তরুণ সূর্য—
তুমি, জাহিদুল হক খান, সবার প্রিয় বিপ্লব।

কাপাসিয়া কলেজের মাঠে তুমি ছিলে মশাল হাতে,
ন্যায়ের স্লোগানে তুমি জ্বালালে ছাত্রদের বুক।
তুমি বলেছিলে—
“সত্যকে হত্যা করা যায় না,
আদর্শকে রুখে রাখা যায় না।”
তাই তো তোমার কণ্ঠ ছিল বজ্রের মতো দৃপ্ত।

কিন্তু রক্তাক্ত হলো তোমার শরীর,
অবশেষে তুমি পিজি হাসপাতালে
মৃত্যুর সাথে লড়ে হার মানলে,
আর আমাদের ছেড়ে চলে গেলে নিঃশব্দ যাত্রায়।

ভগ্নিপতি রাফাত সরকারের কোলে তুমি শুয়ে থাকলে,
তার চোখের জলেও লুকানো ছিল শোকের প্রতিফলন।
তবু হে বিপ্লব, তুমি মরে গেলে না—
তুমি আছো প্রতিটি মিছিলে, প্রতিটি তরুণের চোখে।

আল্লাহ তোমাকে জান্নাতুল ফেরদৌস নসীব করুন,
তোমার রক্ত হোক শহীদের মুকুটের আলো।
তুমি থেকো আসমানের পবিত্র বাগানে,
আমরা রাখব তোমার আদর্শ বুকে অমলিন সূর্যের মতো।
-------------------------------------------------------------

চিকিৎসার প্রদীপ

 চিকিৎসার প্রদীপ

কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা
রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর।
*********************************
তুমি রাওনাট গ্রামে মোল্লা বাড়ীর অমল প্রদীপ,
মৌলভী আহাদ আলী মোল্লা’র ছোট ছেলে মানবিক,
শৈশব থেকেই হৃদয়ে ধারণ করেছ মানবতার মাধুর্য,
জ্ঞানার্জনের পথে কখনো থেমে থাকনি তুমি।

কত বাড়ি, কত পথ হেঁটেছো নিশীথে, অদম্য সাধনায়,
মানব কষ্ট মুছে দিয়েছ প্রজ্ঞার জলে, বিনা স্বার্থে।
শিশু, বৃদ্ধ, মা—সবার চোখে জ্বালিয়েছ আশা,
তোমার হাতের স্পর্শে মিলায় ব্যথা, চোখের হাসি বাঁধে সেতু।

চিকিৎসার কলমে লিখেছ জীবনের প্রতিটি অধ্যায়,
রক্তবীণা, ব্যথার ছায়া, সবই মুছে দাও তুমিই সহজে।
শিক্ষা শেষে সরকারি চাকুরি করলেও, সেবা থামেনি কখনো,
গ্রামের একমাত্র ভরসা, অমোঘ দীপ্তি হয়ে দাও আলো।

নম্র, ভদ্র, বিনয়ী সেবকের মূর্তপ্রতীক তুমি,
কত দুঃখ, কত অশ্রু মুছে দাও নিরবভাবে।
প্রতিটি মুহূর্তে জন্ম দাও করুণা ও আলোর ছায়া,
ধৈর্য তোমার নদীর মতো, গভীর, চিরন্তন বিস্তৃত।

জীবনের ক্ষুদ্রতম কণাও আলোকিত তোমার নৈতিকতায়,
তুমিই গ্রামের আশা, শান্তি ও সেবার প্রতীক।
সবাই তোমারেকে ডাঃ আমির হোসেন নামে ডাকেই,
স্বপ্নের দীপশিখা জন্ম দাও হৃদয়ে, অন্ধকার ছাড়াও।

রাওনাট গ্রামের ইতিহাসে চিরকাল রবে অনন্য প্রদীপ—
মোঃ আমির হোসেন মোল্লা, চিকিৎসার অমর দীপ্তি।
-------------------------------------------------------------

Monday, September 15, 2025

দানবীর

দানবীর

কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা

রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর

********************************

কপালেশ্বরের মাটিতে জন্ম নিল আলোকিত প্রাণ,
মরহুম আঃ আজিজ মাষ্টারশিক্ষার পথে অনন্য গৌরববান।
১৯৩৯ সালে নিজ হাতে দান করল উর্বর মাটি,
প্রাথমিক বিদ্যালয় গড়ল, জ্ঞানচর্চার দীপ্তি বাতি।

প্রতিষ্ঠাতা, জমিদাতা, প্রধান শিক্ষক একসাথে,
মাটির বুকের ছোঁয়া, গ্রামীণ হৃদয়ে অমল ছায়া।
উঁচু মিনার মসজিদ, ফুরকানিয়া মাদ্রাসার ধ্বনি,
গ্রামের প্রাচীন ঐতিহ্যদানবীরের অমল স্মৃতি।

মরহুম মোঃ নূরুল হক মাষ্টারকনিষ্ঠ পুত্রের দীপ্তি,
কপালেশ্বর উচ্চ বিদ্যালয়ে ইংরেজী শিক্ষার সোনালী জ্যোতি।
লোহাদী উচ্চ বিদ্যালয়, ধীরাশ্রম আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়,
প্রধান শিক্ষক, সহকারী শিক্ষকশিক্ষার অমল নীলাক্ষর।

১৯৮৪, ১৯৮৮ সালের নির্বাচনে জনগণের আস্থা,
সিংহশ্রী ইউনিয়নের বৃহত্তর নং ওয়ার্ডে মেম্বার হিসেবে দায়িত্বপূর্ণ কথা।
বিএনপির উপদেষ্টা পরিষদের নম্বর সদস্য,
কাপাসিয়া উপজেলা বিএনপির সম্মানিত সদস্যসেবার অমল প্রতিফলন।

জমি দান করে নির্মিত কমিউনিটি ক্লিনিকগ্রামের প্রাণপথ,
প্রাথমিক বিদ্যালয় পিছন দিয়ে রাস্তা, সোহাগপুরের সাথে সংযোগ।
প্রায় ৫০০ গজ পথ, নূরুল হক মাষ্টারের দান
মানবতার অমল প্রমাণ, বাপ-ছেলের ত্যাগে গ্রাম সজ্জিত, প্রাণময়।

প্রাথমিক বিদ্যালয়, মসজিদ, মাদ্রাসাসবই আলোর ধারা,
দানবীরের ছোঁয়া, শিক্ষার আলো, মানবিকতার ছন্দধারা।
গ্রামের প্রতিটি পাথরে পড়ে তাদের স্বপ্নের ছাপ,
মাটি, আকাশ, নদীসবই বীরের মহিমা গায়।

হাওয়া বয়ে যায় মাঠ, গাছপালা নাচে বাতাসে,
প্রতিটি শিশুর হাসিতে, শিক্ষার দীপ্তি জাগে আকাশে।
গ্রামের প্রতিটি কোণে আছে বাপ-ছেলের ছোঁয়া,
প্রতিটি বীজ যেন জন্মায় আলোর স্বপ্ন গাঁথা।

সিংহশ্রী ইউনিয়নের জনতা স্মরণ করে তাদের ত্যাগ,
জ্ঞান, শিক্ষা, মানবিকতাসবই তাদের ধ্যানের ভাগ।
রাস্তা, স্কুল, কমিউনিটি ক্লিনিক, মসজিদসবই প্রাণের বাঁধ,
দানবীরের পদচিহ্নে গ্রামের প্রতিটি গলিপথ আজও সাজ।

হে গ্রাম! হে জন! তোমার বুকে চিরন্তন তারা,
দানবীরের দান, পরিশ্রম, ভালোবাসা ছড়ায় ধারা।
বাপ-ছেলের মমতা, শ্রম, শিক্ষা সেবা
কপালেশ্বরের আকাশে উদীয়মান সূর্য, প্রজ্ঞা শান্তির মেলা।

--------------------------------------------------------------


আলোকিত জীবন

 আলোকিত জীবন

কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা
রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর
********************************
ঘাগটিয়ার ক্ষীণ আলোয়, জানুয়ারির প্রথম প্রভাতে ১৯০১ সালে জন্ম নিল এক দীপ্তিমান প্রাণ,
ফকির আবদুল মান্নান শাহ—যিনি ইতিহাসের অটল পথে রেখেছিলেন অমোঘ পদচিহ্নের ধ্বনি।
পিতা ফকির আব্দুল ওয়াহাব, মাতা মোছাম্মৎ রুছমুতেন নেছা—
দুই জনের আশীর্বাদে জ্বলে উঠল বিদ্যা, ন্যায় ও মানবিকতার অমলিন দীপক।
মাদ্রাসার নিরিবিলি ছায়ায় শুরু শিক্ষার সূক্ষ্ম আলো,
১৯২৫ মেট্রিক, ১৯২৭ ইন্টারমিডিয়েট, ১৯২৯ স্নাতক, ১৯৩৪ আইন (বিএল)—
জ্ঞান ও ন্যায়ের মিশ্রণে গড়ে ওঠল এক আলোকিত চরিত্র।
শিক্ষকতার মাধমে কর্মজীবনের সূচনা,
চব্বিশ পরগনার আলীপুর জজ কোর্টে পদার্পণ আইনপেশার পথে।
১৯৩৫ সালে ঢাকা জজকোর্টে যোগদান,
১৯৫১ সালে হাইকোর্টে এডভোকেট—সত্য ও ন্যায়ের প্রতীক।
ঢাকা জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান সমিতির সভাপতি,
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন উপদেষ্টা ও সিন্ডিকেট সদস্য,
ঢাকা জেলা কারাগার পরিদর্শন কমিটির সদস্য—
প্রজ্ঞা, ন্যায় ও মানবতার দীপ্ত আলো ছড়িয়ে।
রাজনীতির অঙ্গনে প্রবেশ ১৯৩৬ সালে কৃষক প্রজা পার্টির মাধ্যমে,
১৯৪৬ সালে মুসলিম লীগের প্রার্থী, পাকিস্তান আন্দোলনের অটল নেতা।
১৯৪৭-১৯৫৪: পূর্ববাংলার আইন পরিষদের এমএলএ,
১৯৫৩-১৯৫৮: সাধারণ সম্পাদক, পরবর্তীতে ১৯৬৫-১৯৬৯: সভাপতি—
কনভেনশন মুসলিম লীগের মঞ্চে যুগান্তকারী নেতৃত্ব।
১৯৫৪ সালে নির্বাচনে পরাজয়, তবে ব্যর্থতা নয়, অনুপ্রেরণা,
জনকল্যাণ ও ন্যায়ের প্রতি অমোঘ প্রতিজ্ঞা।
১৯৬৫-১৯৬৯: পূর্ব পাকিস্তান মন্ত্রী পরিষদের সদস্য,
কৃষি ও খাদ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব—জনতার আশীর্বাদ ও দেশপ্রেমের প্রতীক।
পারিবারিক জীবনও আলোকিত—
বড় ছেলে হান্নান শাহ: সাংসদ, পাটমন্ত্রী, সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, বিএনপি রাজনীতিবিদ।
মেঝ ছেলে শাহ আবু নাঈম মোমিনুর রহমান: সুপ্রীম কোর্টের জ্যেষ্ঠ বিচারক।


ছোট ছেলে মোবারক শাহ: যুক্তরাষ্ট্রে আমেরিকান এক্সপ্রেসে কর্মরত।
বড় মেয়ে আনোয়ারা ইদ্রিস: সুপ্রিম কোর্ট বার এসোসিয়েশনের প্রথম মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান।
ছোট মেয়ে আঞ্জুমান আরা বেগম মিনু: আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্রের পরিচালক, বর্তমান আমেরিকা প্রবাসী।

ধর্ম ও ন্যায়ের দীপ্তি দিয়ে পথিকৃতিকে আলোকিত করলেন,
দেশপ্রেম ও মানবিকতার প্রতিটি স্পন্দনে মনকে জাগ্রত করলেন।
সত্যের পথে চলার অটল দৃঢ়তা ছিল তাঁর অস্ত্র,
অবিচল ন্যায়বোধ ছিল তাঁর অমোঘ যোদ্ধা।
প্রতিবাদের ঝড়ে, মানুষের কষ্টে সবল সমবেদনা রাখলেন,
অন্ধকারকে চিরতরে ছিন্ন করে আলোয় বিশ্বাস রাখলেন।
প্রজ্ঞা ও দূরদর্শিতার আলোয় জাতিকে পথ দেখালেন,
চিরন্তন ইতিহাসের পাতায় নাম অম্লান, স্মৃতিতে জ্বলন্ত।
১৯৯৩ সালের ৩১ অক্টোবর, তেজগাঁওয়ের ৮৪ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ—
অমলিন জীবন সমাপ্ত হলেও, আদর্শ, প্রজ্ঞা ও মানবিক দর্শন চিরজ্বলন্ত।
জীবনের প্রতিটি ছন্দে, দেশের কল্যাণে, মানুষের সেবায় আলোকিত ছিলেন তিনি,
ফকির আবদুল মান্নান শাহ—এক প্রজ্ঞাময় নেতা, যিনি ইতিহাসের প্রতি দৃষ্টিতে,
দার্শনিক ও বিপ্লবী মননের আলো ছড়িয়ে,
দেশপ্রেম ও ন্যায়ের অমোঘ প্রদীপ হয়ে চিরজীবন্ত।

--------------------------------------------------------------


বর্ণাঢ্য জীবন

 বর্ণাঢ্য জীবন

কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা
রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর
********************************
গাজীপুরের কাপাসিয়ার ঘাগটিয়া গ্রামে জন্মলাভ,
ব্রিগেডিয়ার জেনারেল হান্নান শাহ, ইতিহাসে দীপ্তি ছড়াভ।
পিতা ফকির আবদুল মান্নান, ৬৫–৬৮ পাকিস্তানের মন্ত্রী,
ছোট ভাই শাহ আবু নাঈম মোমিনুর, সুপ্রিম কোর্টে বিচারপতি নিরন্তরী।

১৯৬২ সালে পাকিস্তান মিলিটারি একাডেমি থেকে কমিশন লাভ,
সেনার জীবনে শুরু হলো পথচলা, দায়িত্বে সাহসের প্রমাণ রাখভ।
পার্বত্য চট্টগ্রামে বিগ্রেড কমান্ডার, দায়িত্বের মহা চ্যালেঞ্জে,
চট্টগ্রামের মিলিটারি একাডেমির কমান্ডেন্ট, প্রশিক্ষক যশোরে যত্নে।

পাকিস্তানের কোয়েটার আর্মি কলেজে ইলেকট্রিক্যাল ও মেকানিক্যাল শিক্ষা,
প্রশিক্ষক হান্নান শাহ, জ্ঞানের প্রদীপ জ্বালানিতে রেখেছেন মেধার রেখা।
১৯৮১ সালের ৩০ মে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে ঘটে ইতিহাসের ছেদ,
প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান নিহত, রাঙ্গুনিয়া থেকে ঢাকায় মরদেহে পৌঁছান।

এইচ এম এরশাদ সরকার সেনাবাহিনী থেকে বাধ্যতামূলক অবসর দিলে,
তবু সরকারের সংস্থাপন মন্ত্রণালয় যুগ্ম সচিব ও বিএডিসি চেয়ারম্যান হিসেবেও কাজ মিলে।
১৯৮৩ সালে বিএডিসি চেয়ারম্যান পদ ত্যাগ, বিএনপিতে যোগ দেন আনুষ্ঠানিক,

মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক, সাংগঠনিক সম্পাদক, উপদেষ্টা পরিষদে অবিরাম।
১/১১’র কঠিন সময়ে খালেদা জিয়ার পাশে, বিএনপির তৃণমূল সংগঠন চালান,
সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার ও ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে সাহসী কণ্ঠে বলান।
২০০৯ সালে পঞ্চম জাতীয় কাউন্সিলে স্থায়ী কমিটির সদস্য নির্বাচিত হন,
ষষ্ঠ কাউন্সিলেও পুনর্নির্বাচিত, দলের সর্বোচ্চ ফোরামে দায়িত্ব পালন।

১৯৯১ সালে গাজীপুর-৪ (কাপাসিয়া) আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত,
খালেদা জিয়ার সরকারের পাট ও বস্ত্রমন্ত্রী, দেশপ্রেমে অমিত।
স্বৈরাচার এরশাদ বিরোধী আন্দোলনে, কারাগারের অভিজ্ঞতা বহুবার,
বর্তমান সরকারের আমলেও কিছু মামলায় তিনি সাহসের উদাহরণ প্রমাণ।

প্রতি পদক্ষেপে প্রতিকূলতা, তবু অদম্য সাহসের ছাপ,
প্রতিটি যুদ্ধ, প্রতিটি দায়িত্বে, নিজের পরিচয় রেখেছেন সাপ।
দেশপ্রেমে অমোঘ, ত্যাগের পথে অবিচল, অদম্য শক্তির রেখা,
রাজনীতির মহাজগতেও খুঁজে পাওয়া যায় তাঁর নীতি ও রেখা।

কারাগারের গোধূলিতে দাঁড়িয়ে, সত্যের ডাক দিলেন নির্ভীক,
মুখের হাসিতে লুকিয়ে রাখতেন জনতার স্বপ্ন, হৃদয়ের দীপ্তি অসীম।
শিক্ষা, উন্নয়ন, নাগরিক কল্যাণ—সকল ক্ষেত্রেই রেখেছেন চিহ্ন,
সেতু, রাস্তা, স্কুল, কলেজে লেগেছে তাঁর ছোঁয়া, নিঃস্বার্থ ভ্রূণ।

কাপাসিয়ায় অসংখ্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, রাস্তা-ঘাট নির্মাণে হাত রেখেছেন,
ফকির মজনু শাহ সেতু, তাঁর ত্যাগের বড় প্রমাণ হয়ে দৃষ্টান্ত রেখেছেন।
দুই ছেলে, এক কন্যাসন্তান—পরিবারে আশীর্বাদ, জীবন পূর্ণতা পায়,
জাতির কল্যাণে অগণিত কাজের ছাপ, ইতিহাসে চিরচিহ্ন হয়ে যায়।

প্রতি কথায়, প্রতিটি কাজেই ছিলেন মানবতার বাতিঘর,
সাহসিকতা, সততা ও ন্যায়ের পথে তিনি চলেছেন অমলিন চিহ্নর।
দেশপ্রেমে অমোঘ, ন্যায় ও সত্যে অটল, দলের নেতা, জনতার বন্ধু,
হান্নান শাহ, এক জীবনের মহাকাব্য, ইতিহাসে চিরন্তন প্রদর্শক।

২৭ সেপ্টেম্বর ২০১৬, মঙ্গলবার ভোরে, সিঙ্গাপুরে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ,
মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায়, জীবনযাত্রার শেষ ধাপ।
বর্ণাঢ্য জীবন, সাহসিকতা, দেশপ্রেম, রাজনৈতিক নেতৃত্বের অনন্য দ্যুতি,
হান্নান শাহ—চিরস্মৃতির প্রতীক, জাতির হৃদয়ে চিরন্তন কাব্য ধারা।
--------------------------------------------------------------

বিপ্লবী সূর্য

 বিপ্লবী সূর্য

কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা
রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর
********************************
দরদরিয়ার মাটিতে উন্মুক্ত প্রভাতে জন্ম,
১৯৭০ সালের শীতল ইতিহাসের নিশ্বাসে—
বঙ্গ তাজের পুত্র এক বিপ্লবী সূর্য,
যার অন্তরে জ্বলছে মানবতার অগ্নি ও ন্যায়ের দীপ।

পিতা তাজউদ্দীনের রক্তের স্রোত,
স্বাধীনতার অমল আলো বহন করে।
মা সৈয়দা জোহরা তাজুর মমতা,
নীতির দীপ্তি ও ন্যায়বোধের আলো জ্বালায়।

চার ভাইবোনের আলোকমণ্ডলে তিনি সবার ছোট,
শারমিনের কোমলতা, চিন্তাশীলতার জ্যোতি,
রিমির কলমে প্রজ্ঞার অমোঘ নৃত্য,
মাহজাবিনের হাসি, মানবিকতার অটল প্রতিফলন।

শিক্ষার পথে পা রাখে সেন্ট ফ্রান্সিসের সবুজ মাঠে,
ব্রিটিশ কাউন্সিলের "ও" লেভেলে জ্ঞানের দীপ্তি।
আমেরিকান বিশ্ববিদ্যালয়—ব্যাচেলর অব বিজনেস,
গর্ডন বিশ্ববিদ্যালয়—মাস্টার্সের দীপ্তিময় প্রজ্ঞা।

রাজনীতির অরণ্যে প্রবেশ,
২০০১, গাজীপুর-৪ (কাপাসিয়া) থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য।
যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়,
যুব শক্তিকে আলোড়িত করে, বিপ্লবী সঙ্গীতের তালে।

২০০৮, পুনঃনির্বাচন,
সংসদে অটল অঙ্গীকার, দেশের ন্যায় ও মুক্তির পথে।
২০০৯ সালের ৬ জানুয়ারি, স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব,
৩১ মে ব্যক্তিগত কারণে পদত্যাগ, তবু বিপ্লবী স্পৃহা অমলিন।

২০১২, সংসদ থেকে পদত্যাগপত্র,
৭ জুলাই গ্রহণ, নিয়মের খুঁটিনাটি অতিক্রম।
রাজনীতি ও নীতিবোধের দর্শন,
এক জীবনের অধ্যায় হয়ে ইতিহাসে অমোঘ চিহ্ন।

২০১৯ সালের ১৮ জুলাই, ‘হটলাইন কমান্ডো’—
সামাজিক সমস্যার আলোকে জাগ্রত করার মঞ্চ।
বার্তা, দৃষ্টি ও বাস্তবতার সমন্বয়,
প্রতি পর্ব জনতার অন্তরে আলোকবর্তিকা হয়ে ওঠে।

বঙ্গ তাজের পুত্র, এক বিপ্লবী সূর্য,
দরদরিয়ার মাটি থেকে বিদেশী শিক্ষার দীপ্তি,
রাজনীতি ও সমাজসেবার সঙ্গমে—
এক জীবনের কাব্য, যা অন্ধকার ভেদ করে
আলো ও বিপ্লবের ঝংকার ছড়ায়।

--------------------------------------------------------------

রক্তের লাল রেখা

 রক্তের লাল রেখা

কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা
রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর
*******************************
সেদিন সূর্যও স্তব্ধ, আকাশ চুপচাপ কাঁদছে,
২৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৪, মঙ্গলবার, দুপুর ১.৩০ মিনিটে।
ডিগ্রী কলেজের প্রাঙ্গণে তরুণদের উল্লাস,
বিপ্লবী মিছিল, স্বাধীনতার তরে হৃদয় ফুঁসে ওঠে।

ঢাকা থেকে আগত ক্লান্ত শরীর, মনির ভাই,
বিয়ের স্বর্ণ অলঙ্কার হাতে, স্বপ্নের আলোয় ভরা।
হঠাৎ লাঠি, সোটা, উশৃঙ্খল দলে আঘাত,
রক্তের লাল রেখা ছড়িয়ে দেয় মৃত্যুর ছায়া।

বাক স্থবির, দেহ নিস্তব্দ, প্রাণের চঞ্চলতা থমকে,
দুইদিন পর বিয়ের আনন্দ, মৃত্যুর মুখে ধাবিত।
পিজি হাসপাতালে রাহাত সরকারের কোলে,
শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ, আকাশ বাতাসে নামল শোকের ছায়া।

ছাত্রদের নিবেদিত প্রাণ, ভিপি প্রার্থী, নন্দিত,
মানবিক দৃষ্টান্ত রেখে গেলেন চিরন্তন অমলিন।
আমার আব্বা ডাকাতের হাতে আহত, রাত দুইটায়,
ক্ষতবিক্ষত শরীর নিয়ে ডাঃ মতিলালের দ্বারে মনির ভাই করেছিলেন ব্যবস্থা অবিস্মরণীয়।

ঋণ এই পৃথিবীতে শোধাবার নয়,
প্রেম ও দায়বদ্ধতা দিয়ে জীবন চিরন্তনভাবে লেখা।
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের একনিষ্ঠ সৈনিক,
আওয়ামী সন্ত্রাসের প্রতিহিংসায় অকালে ঝরে গেলেন।

বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করি,
আল্লাহ পাক তাকে শহীদ মর্যাদা দান করুন।
বেহেশতের আলোয় উজ্জ্বল হোক, শান্তি চিরন্তন,
তার ত্যাগ, মানবিকতা, বিপ্লবের দৃষ্টান্ত চিরজাগরণ।

তরুণ হৃদয়ে ঝরে পড়ুক তার নামের দীপ্তি,
স্বাধীনতার পথে আলোকবর্তিকা, অমলিন প্রতীক।
মনির ভাই, তুমি আমাদের জীবনে অমর,
তোমার ত্যাগে জাগ্রত হোক প্রত্যেকের হৃদয়ের অগ্নিশিখা।

মানবিক ছাত্র নেতা, বিপ্লবের প্রিয় সিংহাসন,
তোমার স্মৃতি চিরকাল বাঁচুক, প্রিয় পথিক, চিরন্তন।
--------------------------------------------------------------

মানবিক ছাত্র নেতা

 

মানবিক ছাত্র নেতা

কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা

রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর

*******************************

 



২৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৪, মঙ্গলবার, দুপুর ১.৩০ মিনিট,
ডিগ্রী কলেজের প্রাঙ্গণে মিছিলের ধ্বনি ছড়ায় আকাশান্তে।

ঢাকা থেকে আগত ক্লান্ত শরীর মনির ভাই,
বিয়ের স্বপ্নে পূর্ণ, স্বর্ণ অলঙ্কার হাতে, মানবতার দীপ্তি তার অন্তরজায়।

কাপাসিয়ার উদীয়মান সূর্য, ছাত্রদের পথপ্রদর্শক,
নির্ভয়ে দীক্ষা দেয়, প্রতিটি নিঃশ্বাসে বিপ্লবের সঙ্গীত।

হঠা লাঠি, সোটা, উশৃঙ্খল দলে আঘাত,

সাত্তার চেয়ারম্যানের দরজায় রক্তের লাল রেখা, জীবন-মৃত্যুর এক কঠিন রাত।

বাক স্থবির, দেহ নিস্তব্দ, প্রাণের চঞ্চলতা থমকে,
দুইদিন পর বিয়ের আনন্দ, মৃত্যুর অমোঘ ছায়া তার প্রান্তে।

পিজি হাসপাতালে কোলে রাহাত সরকারের,
শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ, আকাশ বাতাসে নামল শোকের ছায়া।

ছাত্রদের নিবেদিত প্রাণ, ভিপি প্রার্থী নন্দিত,
মানবিক দৃষ্টান্ত রেখে গেলেন, মৃত্যুঞ্জয়ী শৃঙ্গশিখরে অমলিন।

আমার আব্বা ডাকাতের হাতে আহত, রাত দুইটায়,
ক্ষতবিক্ষত শরীর নিয়ে ডাঃ মতিলালের দ্বারে মনির ভাই করেছিলেন ব্যবস্থা অবিস্মরণীয়।

ঋণ এই পৃথিবীতে শোধাবার নয়,
মানবিক শক্তি দিয়ে লেখা জীবনের চিরন্তন গ্রন্থ।

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের একনিষ্ঠ সৈনিক,
আওয়ামী সন্ত্রাসের প্রতিহিংসায় অকালে ঝরে গেলেন তীব্র ন্যায়ের শিখরে।

বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করি,
আল্লাহ পাক তাকে শহীদ মর্যাদা দান করুন, বেহেশতের আলোয় উজ্জ্বল হোক চিরন্তন।

কাপাসিয়ার উদীয়মান সূর্য, তরুণ হৃদয়ে আলোকবর্তিকা,
তার ত্যাগ, মানবিকতা, বিপ্লবের দৃষ্টান্ত চিরজাগরণ।

তার নাম ঘুরে ফিরে বাজে তরুণদের অন্তরে,
কাপাসিয়ার আকাশে জ্বলছে অমলিন দীপ্তি প্রতিঘরে।

অকালে চলে গেলেও, ত্যাগের স্রোত অনন্ত বয়ে চলে,
শহীদ মনির ভাই, মানবতার আলোকবর্তিকা চিরজীবনে রোলে।

মনির ভাই, তুমি আমাদের জীবনে অমর,
তোমার ত্যাগে জাগ্রত হোক প্রত্যেকের অন্তরের মানবিক আলো।

মানবিক ছাত্র নেতা, বিপ্লবের প্রিয় সিংহাসন,
স্মৃতি চিরকাল বাঁচুক, প্রিয় পথিক, চিরন্তন।

--------------------------------------------------------------


তুমি কি যোগ্য নেতা?

 তুমি কি যোগ্য নেতা?

কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা
রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর
*******************************
ওহে নেতা, তুমি কি জানো অন্তরের অরণ্য জ্বলে?
নৈতিকতার প্রদীপ কি আলোকিত, না কি অন্ধকারে ঝরে?

সত্যনিষ্ঠা কি তোমার হাতে মুক্তির মণিপদ্ম,
ন্যায় কি বাতাসে ঝলসে রঙিন পথপ্রদীপ ধ্রুব?

দূরদর্শিতা কি চোখে বাজায় ভবিষ্যতের গান,
নদী কি তীর্থযাত্রায় ভাসায় অন্তরের ধ্বনি মহান?

না কি স্বল্পদৃষ্টির সীমানায় তুমি বন্দী,
কালপাথরের গভীরে হারিয়েছে অন্তর্দৃষ্টির সেতু অম্লান?

মানবতার শ্বাস কি বাজে তোমার হৃদয়ঘরে,
জনগণের বেদনা কি স্পর্শ করে চেতনার তরে?

না কি ক্ষমতার ছায়ায় তুমি ডুবে থাকো,
স্বার্থের অন্ধকারে নিভে গেছে মানবতার প্রদীপ অমল?

যোগাযোগ কি তোমার বাক্যে জাগায় তরঙ্গ,
প্রেরণাশক্তি কি মানুষে ফোটায় অনন্তরঙ্গ?

না কি শব্দের খেলায় ভেসে যাও তুমি,
নির্ভুল প্রেরণার নদী শুকিয়ে যায় শূন্যতার তলে ধূমল?

ধৈর্য কি তোমার নক্ষত্রের মতো অবিচল স্থির,
সংকট কি শক্তি দেয়, না কি ভেঙে যায় স্বপ্নের মীর?

না কি অস্থিরতার ঝড়ে ভেসে যাও তুমি,
নৈতিকতার ভিত্তি কেবল বাতাসে ভেসে যায় ঘূর্ণিময় ধূমি?

দায়িত্ব কি তোমার চেতনার গভীর প্রতিধ্বনি,
সৃজনশীলতা কি অন্ধকারে জ্বালায় আলো-সিদ্ধি?

না কি আবেগের ভারে ভেসে যাও তুমি,
নেতৃত্বের স্বপ্ন কেবল আকাশে ভেসে যায় হিমশিমি?

অবিচল নৈতিক আদর্শ কি আত্মায় বন্দী,
জনমানুষের সঙ্গে সম্পর্ক কি সত্যিকারের সেতু বাঁধে?

না কি ক্ষমতার সিঁড়ি বেয়ে ওঠার সময়,
বিশ্বাসের নদী শুকিয়ে যায়, মাটিতে চাপা পড়ে হায়?

ওহে নেতা, দেশপ্রেম কি জ্বলছে তোমার রক্তে?
মাটির গন্ধ কি শিখায় স্বপ্ন দেখাতে সততে?

নিজেকে চেনো, অন্তরের দীপ জ্বালাও,
যে দীপ দিয়ে জাতি, দল, দেশপ্রীতি পথ খুঁজে পায়,
অন্তিমভাবে, তুমি কি সত্যিকারের নেতা হতে পারো?
--------------------------------------------------------------

আদর্শিক সৈনিক

 আদর্শিক সৈনিক

কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা
রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর
*******************************
দূর্গাপুরের রাওনাট পশ্চিম পাড়ার বুকে,
শ্যামল সবুজে, আম-জাম-কাঠালের সুখে,
শিশু সোলাইমান জন্ম নিল দিগন্তের আলোয়,
ভবিষ্যতের দিশারী, দুরন্তপনায় ভরে পথের ধূলোয়।

মেঠো পথে পদচিহ্ন রাখে হৃদয়ের সুরে,
মাঠের ঘাসে স্বপ্ন বোনা, সময়ের মূলে,
মানবসেবার দীপ জ্বালিয়ে নিজেকে উজাড় করে,
সমাজের প্রতি অগাধ ভালোবাসায় অবিচল থাকে।

শিক্ষার দীপ জ্বালিয়ে, প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সভাপতি হয়ে,
ছাত্র-শিক্ষককে দেয় অনন্ত উৎসাহ, ধূলিকণার প্রতি প্রেম জাগিয়ে,
জ্ঞানসাধনার প্রার্থনায় হৃদয় উন্মুক্ত,
প্রজ্ঞার আলোয় সমাজকে সমানুভূতিতে ভরিয়ে।

প্রবাসের পথে অর্থনৈতিক মুক্তি খুঁজে,
ফিরে এসে জাতীয় চেতনায় উদ্ভাসিত হয়ে,
জিয়ার আদর্শে অনুপ্রাণিত,
বিএনপির সেবায় নিজেকে নিবেদিত রাখেন তিনি।

সবার প্রতি সদয়, বাণীতে স্পষ্টবাদী,
দূষিত পথের স্পর্শহীন,
দুর্নীতি, চাঁদাবাজি বা সন্ত্রাসে জড়িত নয়,
ন্যায় ও সততার অটল রূপে প্রতিষ্ঠিত।

উঠান বৈঠক ও কর্মশালায় সক্রিয়,
১৩ আগস্ট ২০২৫, কাপাসিয়া উপজেলা বিএনপির উঠান বৈঠকে বক্তব্য রাখেন,
৪ সেপ্টেম্বর ২০২৪, কর্মশালা ও প্রতিনিধি সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন,

১৪ ডিসেম্বর ২০২৪, মহান বিজয় দিবসে নাশকতার অভিযোগে মামলা দায়ের করেন,
দেশ ও জনগণের নিরাপত্তার প্রতি দায়বদ্ধতার সাক্ষ্য রাখেন।

মাসুম সরকারের সহচর্যে,
দূর্গাপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক,
স্থানীয় রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন,
শৃঙ্খলা, ন্যায় ও মানবতার সেবায় নিবেদিত।

সোলাইমান মোল্লা—
একজন আদর্শিক সৈনিক,
সমাজ ও রাষ্ট্রকে ভালোবাসেন অন্তহীনভাবে,
শক্তিশালী ব্যক্তিত্বে গড়ে তোলেন ন্যায়ের পতাকা,
দর্শন ও নৈতিকতার গভীরতায় অমর হয়ে থাকেন।
--------------------------------------------------------------