Tuesday, July 22, 2025

শিক্ষার্থীর মানবিক মা

 

শিক্ষার্থীর মানবিক মা

কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা

তারিখঃ ২১-৭-২০২৫ ইং

রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর।

-----------------------------------

আগুনের লেলিহান শিখা ছড়িয়ে পড়েছে দিকে দিকে,

বাঁচাও বাঁচাও চিৎকারে কম্পন শুরু হল ভূলোকে!

 

পৃথিবী যখন নিশ্চুপ তন্দ্রায় তখন জেগেছিল এক প্রহরী,

অতুল্য শিক্ষার্থীর মানবিক মা শিক্ষিকা মাহরীন চৌধুরী।

নিশ্চিত মৃত্যু জেনেও মৃত্যুকে করেনি পরোয়া,

শরীরের ভাঁজে ভাঁজে ঝলসে গেছে বেপরোয়া।

 

কি হবে আর বেঁচে! আমার সন্তানই যদি না থাকে স্কুলে,

মায়ের এমন প্রতীজ্ঞা হতেই বেঁচেছিল বিশটি প্রাণ নিখিলে।

মাহরীন চৌধুরী পুড়ছে তো পুড়ছে অস্থি- মজ্জা হাড়ে,

তবু দমেনি তার হার না মান যুদ্ধ অগ্নি শিখার সমরে।

 

হে মাহরীন চৌধুরী তুমি নও শুধু দীপ্ত শিক্ষিকা,

তুমি মৃত্যুঞ্জয়ী মা,মানবিক যুগের অদম্য প্রবেশিকা।

মৃত্যুর কোলে ধুঁকে ধুঁকে মত্যুকে করেছো তুমি জয়,

তুমিই শিক্ষার্থীর মানবিক মা! বিপদে সন্তানের আশ্রয়।

 

শিক্ষার্থীদের বাঁচাতে গিয়ে আপনার প্রাণকে করছো উসর্গ্,

এমন মানবিক মা কি দেখেছে বিশ্ব? প্রভূ দিও তারে স্বর্গ্।

------------------------------------------------

 

 

 

অমানবিক দৃশ্য

 

অমানবিক দৃশ্য

কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা

তারিখঃ ২১-৭-২০২৫ ইং

রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর।

-----------------------------------

কি অমানবিক দৃশ্য ভেসে উঠল নেপথ্য পৃথিবীতে!

ছেলেটির সমস্ত শরীর ঝলসে গেছে ভয়ানক অগ্নিতে।

 

বাঁচার কি আকুতি তবু কেউ শুনল না,কেউ দেখল না,

এদিক সেদিক পাগলের মত ছুটল, কেউ বুঝল না।

আগুনের লেলিহান শিখার শত্রু প্রচ্ছন্ন জোয়ারে,

পোড়া চামড়াগুলো খসে পড়ছিল ক্ষয়িষ্ণু খোয়াড়ে।

 

ছেলেটি বিপন্নর দিকে তবু নিশ্বাঃস নিতে নিতে,

যমদূতের শব্দ যখন শুনছিল তপ্ত ধূলো-বালিতে।

তখনও বজ্র স্বরে উপস্থিত জনতারা নগ্ন পরিহাসে,

ভিতর মানবতাকে জাগাতে পারেনি কোষে কোষে।

 

এ কোন অমানবিক বীজ বুঁনেছে আয়ূতে আয়ূতে,

মৃত্যুর কোলে তবু মানবতা সুপ্ত স্নায়ুতে স্নায়ুতে!

ঝলসানো শরীরে! এদিক সেদি ছুটেছে দীর্ঘ্ নিঃশ্বাসে!

ভয়ঙ্কর অমানবিক দৃশ্য! মানবতার নক্ষত্র গেছে খসে,

 

মাইলস্টোনের ট্রাজেডী যেন অমানবিক দৃশ্য মিলাল,

এমন নিষ্ঠুর মানবতা আজ মানবিক বিশ্বকে কাঁদাল!

হে মানবতা জেগে উঠ স্তব্দ দিনের পরে চুতুর্দিক,

প্রাণে প্রাণে মৃত্যুতাড়িত আজো -বেঁচে আছি ঠিক!

 

-----------------------------------------------

 

মাইলষ্টোন ট্রাজেডী

মাইলষ্টোন ট্রাজেডী

কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা

তারিখঃ ২১-৭-২০২৫ ইং

রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর।

-----------------------------------

একুশে জুলাই মাইলষ্টোন ট্রাজেডী,মৃত্যুর দূত!

আগুনের লেলিহান শিখা দেখেছে বিশ্বে অদ্ভূদ!

 

দুরন্ত শিশুদের প্রাবন্ত শরীরে মৃত্যুর শূল,

কি নির্ম্ম ভয়ানক দৃশ্যে ফুটেছে দেহ কূল!

ঝলসানো শরীরে ক্ষত বিক্ষত রক্তে রচে গেল,

এ পৃথিবীর বুকে ব্যদনাতুর কবিতা অশ্রুজল।

 

কি নিষ্ঠুর মৃত্যুর পরোয়ানা জারি করেছে অধিশ্বর,

গগণ বিদারী কান্নার রোল শুনেছে কি নশ্বর!

জ্বলন্ত শরীরে কত অসহায় প্রাণ অপলক দৃষ্টিতে,

বিধাতার করুণা খুঁজেছিল তারই মানবিক সৃষ্টিতে।

 

মানবের কোন ভুল কিংবা নিষ্ঠুর কারুকার্যে তপ্ত গলিত,

সতেজ দেহ প্রাণে রচিত হল মৃত্যুর কবিতা অকম্মাৎ!

মাইলষ্টোন ট্রাজেডীর কাব্য মেনে নিয়েছে ইতিহাস,

এ শুধু নয় নিয়তির শাস্তি, কান্ডারীদের নগ্ন পরিহাস।

 

যেখানে জ্ঞানের আলো ছিল উজ্জ্বল প্রদীপের মত,

সেখানে কেন আঁচরে পড়লো যুদ্ধ বিমান শির নত?

কে দিবে ফিরিয়ে এই সব কঁচি কাঁচা শিক্ষার মঞ্জরী?

নিষ্ঠুর অনলে বিচ্ছিন্ন হল দেহ প্রাণ মৃত্যু সহচরী!

 

নেই নেই  কোথাও নেই সোনামণিদের সেই হাসিমুখ,

প্রাণে প্রাণে বসত গড়েছে আজ হৃদয় ভরা নব নব দুঃখ।

একুশে জুলাই মাইলষ্টোন ট্রাজেডী আঘাত দিল বুকে,

হে প্রভূ দয়ার হাত বাড়াও,রক্ষা করো হে –সভ্যতাকে।

-------------------------------------------------


Monday, July 21, 2025

টুটি ধরো চেঁপে

 

টুটি ধরো চেঁপে

কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা

তারিখঃ ২১-৭-২০২৫ ইং

রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর।

-----------------------------------

চির সত্যের দৈন্যতা এসেছে আজকে বঙ্গ মাতায়,

বীরে বীরে চেতনার বিপুল ব্যবসা দেখি উচ্ছলায়।

 

সেই শুকুনেরা আবার এসেছে নিষ্ঠুর রাঙা চোখে,

ক্ষত বিক্ষত করেছে স্বাধীন শরীর এ মাতৃলোকে!

চেতনার যে মূল ভিত্তি সেখানে এখন দ্বন্দ্ব আগুন,

বিশ্বাস ঘাতকের নমুনা,ঘৃণিত মীরজাফের সুরতান।

 

সত্যের মাঝেও চির সত্যের দৈন্যতা দৃশ্য আজ,

রক্তে পাওয়া লাল সবুজেও দেখি ‍ঘৃণ্য কারুকাজ!

নির্বোধ চেতনাধারীরা নিলর্জ্জ হয়ে উঠেছে অধীর,

চেনতার কোণে আস্তানা গড়েছে দেশদ্রোহী শিবির।

 

শুব্রতার আড়ালে এখনো সেই কালো ধারা মতবাদ,

এখনো দেশদ্রোহী তন্ত্রের ফুল ফুটে নিয়ত উগ্রবাদ।

চেতনা চেতনা করতে গিয়ে সত্যেরা আজ নির্বাসনে,

অশুভ মতবাদ দিয়েছে চাপায়ে ছলনার আয়োজনে।

 

হুজুগে- গুজবের অগ্রাসনে বীরেরা ছুটেছে আত্মসমর্পণে,

আর মূল চেতনার গভীরে সত্যের দৈন্যতা দেখি বহুগুনে।

এইভাবে চলতে থাকলে স্বাধীনতার সমাধি হবে দ্রুত!

কালো শক্তিরা ধূ্র্তের মতো শক্তিশেলে জাগবে সতত।

 

হে বীর সর্ত্ক হও এখনো তুমি লক্ষ শহীদের ঋণে,

কালো শক্তির টুটি ধরো চেঁপে বিপ্লবী মন উদ্ধোধনে।

----------------------------------------------

 

Sunday, July 20, 2025

যুদ্ধ করে যা আরেকবার

 

যুদ্ধ করে যা আরেকবার

কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা

তারিখঃ ২০-৭-২০২৫ ইং

রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর।

-----------------------------------

দৃঢ় শপথে যুদ্ধে করে যারা যুদ্ধের ‍ উদ্যান,

বিজয় পতাকা তুলেছে তারা উঁচু শির গর্দান।

যে যোদ্ধা বীর সেনানী জাতিরে করে মুক্তি,

সে হারে না কভূ যুদ্ধের আগে অসুর শক্তি।

 

যোদ্ধা থাকে সম্মুখে ওই যুদ্ধ রণের প্রান্তর,

শহীদ নয় গাজী তবু সে উচুঁ শির মহাবীর।

তবু ভয়! তবু শঙ্কা হায় স্বাধীনতার দিবাকর,,

মীরজাফর এখনো নিভেছে সে রবি বারবার!!

 

দেশ প্রেমে সংকট,ঘাতকেরা সজাগ মুনাফিকে আজ,

বিবেক সে ভুলেছে পথ, স্বার্থেরা জেগেছে বুকের মাঝ!

মুক্তির পরেও মুক্তি কি থাকে-

যদি না দেশপ্রেমিকেরা লাল সবুজের ছবি আঁকে!!

 

বীরের জাতি তবু অশ্রুজল তবু মাথা নত যোদ্ধার,

শক্রুরা বুক চেপে ধরেছে,লুটেছে স্বীধনতা মাতৃকার।

বাঙালি না বাংলাদেশী তাহা জিজ্ঞাসে কোন জন?

আমরা মুক্তিযুদ্ধের উত্তরসূরী একই মায়ের সন্তান।

 

দিকে দিকে তিমির রাত্রি, বুকে বুকে সঞ্চিত ব্যথার উথরোল,

দেশদ্রোহীরা বিনিদ্র বুনেছে ষড়জাল দুষিত মন্ত্রের কল্লোল!!

হে যোদ্ধা, চেয়ে দেখ ওরা মারছে স্বাধীনতা লক্ষ শহীদের,

দৃঢ় শপথে গর্জে উঠ, যুদ্ধ করে যা আরেকবার, আরেকবার!!

----------------------------------------------

 

মুক্তি যুদ্ধের মন্ত্র নিয়ে

 মুক্তি যুদ্ধের মন্ত্র নিয়ে

কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা

তারিখঃ ২০-৭-২০২৫ ইং

রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর।

-----------------------------------

মুক্তি যুদ্ধের মন্ত্র নিয়ে,জাগরে আবার নতুন করে,

লাল সবুজকে ধররে তোরা দেশ প্রেমের মন্ত্র পড়ে।

 

আয় তোরা আয়রে সবে দিকে দিকে যারে ছুটে,

কল্লা ধরে হেচকা টানে মাররে তোরা তীব্র চোটে!

থাকিস না আর চুপটি করে, দেখরে মায়ের অশ্রু ঝরে,

শত্রুরা ওই আসছে ফিরে আকাশ বাতাস পাহাড়- চুঁড়ে!

 

কেমন করে মায়ের বুকে জ্বলছে ওই দোসর জ্যোতি!

ওদের মন্ত্র তোদের বুকে কেমনে ছড়ায় রাতারাতি?

থাকিস না আর চুপটি করে, জাগরে এবার মায়ের বুকে

মুক্তি যুদ্ধের মন্ত্র নিয়ে তুমুল ঝড়ের ঘূর্ণিপাকে।

 

তোদের জন্যে মুক্তিযুদ্ধে মরছে যে বীর লাখে লাখে,

কিসের আশায় ছুটছিস তোরা দেশদ্রোহীদের শাখে শাখে?

কেমনে তোরা ভুলিস ভাইরে রক্তে লেখা বিজয় গান,

সম্ভ্রম হারা অশ্রুজলে আসছে তোদের মায়ের নিশান!

 

মুক্তি যুদ্ধের মন্ত্র নিয়ে,জাগরে আবার বহ্নিবান!

শত্রুরা ওই আসছে ফিরে লক্ষ শহীদের রক্তবান।

থাকিস না আর চুপটি করে টানছে ওরা শিকড় ধরে,

রূপটি ওদের ছদ্মবেশী মীরজাফরের ডানায় উড়ে।

 

জাগরে তোরা জাগরে ভাই মুক্তি যুদ্ধের মন্ত্র নিয়ে,

পরিচয় তোদের বীর বাঙালি, যুদ্ধ রণের যুদ্ধ জয়ে!!

লাল সবুজের সোনার বাংলা রক্তে লেখা অমর গান,

শহীদ মিনার -স্মৃতি সৌধ- স্বাধীন বাংলার ঐক্যতান।

 

মুক্তি যুদ্ধের মন্ত্র নিয়ে,জাগরে আবার নতুন করে,

লাল সবুজকে ধররে তোরা দেশ প্রেমের মন্ত্র পড়ে।

 

-----------------------------------------------

Thursday, July 17, 2025

ভদ্র ছেলেটাও আজ

 

ভদ্র ছেলেটাও আজ
কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা
তারিখঃ ১৭-৭-২০২৫ ইং
রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর।
--------------------------------------
ভদ্র ছেলেটাও আজ ভয়ঙ্কর সন্ত্রাসী চাঁদাবাজ!
বাবা মায়ের অবাধ্য সন্তান সমাজের গুটিবাজ।
 
এ কি রাজনীতি এলো ভাই, এ কি দেখি ছবি!
মদ জুয়া আফিমে ভদ্র ছেলেটাও মাতাল কবি।
শুধু এই  দেখ, এ কি পরিনতি ভদ্র ছেলেটার!
আজ যেন অসুর দোসরের সঙ্গী হিংস্র কুলাঙ্গার।
 
বুকে ফুলে রাঙা চোখে তাকায় সমাজের হীন দুর্ব্ল,
বজ্র কণ্ঠে বলে আমি নেতার ডান হাত বাহু-বল।
ভদ্র ছেলেটাও আজ বিপুল বেদায়দব বজ্র ধ্বনি,
নারী পুরুষ বৃদ্ধ বনিতা থর থর কম্পিত কাঁপনি !
 
এ কি রাজনীতি এলো ভাই,নীতি আদর্শ্ কিছু নাই
ভদ্র ছেলেটাও আজ ভয়ঙ্কর সন্ত্রাসী গুন্ডা ভাই।
গন্ড -মূর্খ্ -বেয়াদব –নেশাখোর-মাতাল ধর্ষ্ক,
রাষ্ট্র সমাজের আতঙ্ক বোঝা কলঙ্কের সবদিক।
 
এই কি রাজনীতি এলো ভাই, এই আলো, এই হাওয়া,
ভদ্র ছেলেটাও আজ ভয়ঙ্কর দৈত্য দানবের তপ্ত ছায়া।
-----------------------------------------------

 

 

এই রক্তের নদী রেখা

 

এই রক্তের নদী রেখা

কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা

তারিখঃ ১৭-৭-২০২৫ ইং

রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর।

-----------------------------------

শুন্য প্রান্তরে গান বাজে ওই ভীতু কম্পিত সুরে,

এ কেমন শিল্পী তুমি আপন সুর ভুলে ভঙ্গ স্বরে!

 

জাতিকে শুনাও মুক্তির গান একা একা ছায়াবটে,

এ যে মেরুদন্তহীন কুকুরের ঘেঁউ ঘেঁউ বঙ্গ তটে।

তুমি ঈগলের ভয়ে কম্পিত শঙ্কিত অথর্ব্ নির্বোধ,

বাংলার সুর ভুলে শুনাও দৈত্য দানবের সংবাদ!

 

তুমি কিসের শিল্পী হে মায়ের আঁচল তলে?

সম্মুখে তোমার জন্ শুন্য তৃণশুন্য বিপুল অনলে।

জড়াজীর্ণ্ ক্লান্তস্রোতে শীর্ণ্ নদী তুমি ধুঁধূঁ বালুচর,

আদর্শহীন মঞ্চে তুমি নব্য ফ্যাসিবাদ- স্বৈরাচার।

 

তুমি চাটুকার হীনবল শক্তিহীনা মেরুদন্ড বাঁকা,

শরীরের ভাঁজে ভাঁজে মীরজাফের তীলক আঁকা।

ছদ্মবেশী দেশপ্রেমিকের আদলে ফ্যাসিবাদের হোতা,

দেখলেই মনে হয় তুমি সেই তন্ত্রের ভয়ঙ্কর মিতা।

 

স্বাধীনতার পরেও এ আলোয়, এই গ্রাম, এই পথঘাট,

ঘাতকের বুলেটে রক্ত ঝরে ওই খেয়া ঘাট, শুন্যমাঠ!

এই রক্তের নদী রেখা, ওই সম্ভ্রম হারা মায়ের কোলে,

কিসের গান শুনাও হে শিল্পী প্রতিহিংসার কল্লোলে।

---------------------------------------

 

যে মুক্তির কথা ছিল

 

যে মুক্তির কথা ছিল
কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা
তারিখঃ ১৭-৭-২০২৫ ইং
রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর।
-----------------------------------
নিরপেক্ষ থাকার কথা ছিল নিরপেক্ষতা নাই,
কথা ছিল বাগানে গোলাপ ফুটবে- ওরে ভাই।
 
কাননে দেখি বিষাক্ত কাঁটা -আগাছা-পরগাছা,
ফুলে ফুলে জন্ম দিয়েছে রক্ত চুষা শকুনের ছা।
বিশ্ব দেখেছে লাল-সবুজের বাগানে কতটা বিষ্ময়,
কতটা  আত্মঘাতি কতটা মীরজাফরের পরিচয়!
 
এখানে বজ্র কণ্ঠেরা সত্য বলে না গভীর হৃদয়,
এখানে প্রতিবাদীরা স্বার্থের আড়ালে নিশ্চুপ রয়।
যে মুক্তির কথা ছিল যেখানে শুন্যতার চাষাবাদ,
স্বপ্নের মাঝে দুঃস্বপ্নেরা বিচরণ করেছে অবাধ।
 
কথা ছিল মুক্তির নব সূর্য্ উঠবে  বিপ্লবের রক্তে,
এখন রচিত হয়েছে বিভক্তের কবিতা অনুরক্তে।
তারুণ্যেরা বিপথে ছুটেছে শিশির বিন্দুর পরশে,
হাতে হাতে ফ্যাসিবাদের তলোয়ার গর্জেছে হরষে!!
 
সেই বিপ্লবের বাণী বদলে গেছে গুরুদা’র পরামর্শে,
বিপ্লবীরা এখন ছুটেছে দোসর তন্ত্র মন্ত্রে আদর্শে।
মুক্তির ভিতরে মুক্তি নেই,শান্তির চুল্লিতে অনল,
যে মুক্তির কথা ছিল সেখানে ফ্যাসিবাদের বাহু বল।
 
---------------------------------------------

 

Wednesday, July 16, 2025

আবারো ভুল করেছিস

 

আবারো ভুল করেছিস

কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা

তারিখঃ১৬-৭-২০২৫ ইং

রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর।

-----------------------------------

ওরে আবারো ভুল করেছিস ঝংকার মুখরা,

তোদের বিজ্ঞ জ্ঞান অবরুদ্ধ আজ বসুন্ধরা।

 

তোরা পাবি না ,কভু পাবি না সেই দিগন্ত রেখা,

এত ভুল! বারে বারে ভুল তোর চিত্র পটে লেখা!

কারে তুই আহবান করেছিস এ যুদ্ধের রনরনি,

সেতো তোর চির শত্রু  চির ধবংস চির অসনি !

 

তুই যে মোহে শত্রুরে করেছিস আমন্ত্রণ উতলা,

এ তোর অযোাগ্যতা! মেরুদন্ডহীন শক্তির কাফেলা।

ওরে সম্মুখে তোর চিরশক্রুর ধ্বনি-পদধ্বনি,

তুই কি শুনতে পারিস? আমি তো নিত্য শুনি।

 

বিষ পাত্রে তোরা মধু ঢেলেছিস নাহি জানে কেউ,

এ বিষেই তোরা মরবি রক্তে নাচে প্রকৃতির ঢেউ।

ওরে আবারো ভুল করেছিস গন্ড মূর্খের ব্যাকুলতা,

এ ভুল যদি শুধরাতে না পারিস কেউ শুনবে না কথা।

 

তোদের এই পরগাছা মনোভাব মীরজাফরের রূপ,

ওরে বড় সন্নিকটে ভয়ঙ্কর পরাজয় ব্যাথা পাবি খুব!!

-----------------------------------------------