Wednesday, July 16, 2025

ওরে শত্রুর মিত্র

 

ওরে শত্রুর মিত্র

কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা

তারিখঃ১৬-৭-২০২৫ ইং

রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর।

-----------------------------------

ওরে মূর্খ্, ওরে নির্বোধ ছুটেছিস কোন বিকারে!

ক্ষুদ্র স্বার্থে কারে করেছিস আপন এই সংসারে?

 

ওরে তৈল পানি কভূ মিশেনা চির বন্ধুর মর্মমূলে,

এখানে মীরজাফরের মন্ত্র কলুষের বেদনা শূলে।

ওরে চেতনা হারা মায়ের চঞ্চলা অপ্সরী,

আজ তোর গতি থেমে গেছে ওরে কান্ডারী।

 

দিবস রজনীর সেই নৃত্য আজ নিত্য ঝরি ঝরি,

তোরেই পাকড়াও করেছে উঁচু শির নত করি।

মৃত্যস্নানে আজ তোরই জীবন তোরই মান সম্মান,

দিকে দিকে উঠেছে বেজে বহ্নিবান নোংরা শ্লোগান।

 

ওরে শত্রুর মিত্র, ওরে পথহারা আজ কেন উতলা?

আজ তোর মিত্রই তোরেই দিয়েছে কামড় উজলা।

--------------------------------------------

Tuesday, July 15, 2025

আমি চাই তোর সঙ্গ

 
আমি চাই তোর সঙ্গ
কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা
তারিখঃ১৫-৭-২০২৫ ইং
রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর।
-----------------------------------
ওরে বিপ্লবী নাই কোন শোক, নাই কোন ভয়!
তোরা সবে গুড়িয়ে দে তুমুল ঘূর্ণি ঝড় প্রলয়।
 
মুক্তিযুদ্ধের বিপ্লবী চেতনায় অসুর যত কর ক্ষয়,
ওই দেখ আবার জেগেছ শকুনের দল সূর্যোদয়।
ওরা মুনাফেক, ওরা মীরজাফর তবু ভয় নাই তবু নাই,
তোরা লক্ষ শহীদের বংশধর ;বীর যোদ্ধাদের জাত ভাই।
 
তোরা বিজয়ী পতাকার উজ্জীবিত প্রাণ এই বিশ্বধূলি,
কভূ মাথা নুয়াবার নয়,তোরা স্বাধীন মাতৃকার শৈলী।
তোরা পূর্ব্সূরীর তন্ত্রে মন্ত্রে গড়া অদম্য সাহসী প্রাণ,
আগামী যুদ্ধের অকুতভয় বীর- দুরন্ত- দুর্বার পালোয়ান।
 
বিদ্রোহী মনোভাবে প্রতিবাদে জেগে উঠ ঝলকে ঝলকে
এখনি দেশদ্রোহী কুলাঙ্গারের কল্লা চেপে ধর দিবালোকে।
ওরা এসেছে তোরা পতাকা কেড়ে নিতে উচ্ছাস ভরে,
তবে তুই কেন থমকে আছিস জরা জীর্ণ্ ক্লান্তিভরে?
 
তোরা তো সেই লক্ষ শহীদের রক্তে আঁকা পতাকার শৈলী,
স্বাধীন মাতৃকার প্রত্যয়ী বীর সন্তান,তা কি করে যাস ভুলি?
ওই দেখ, চেয়ে দেখ কতক ছদ্মীবেশী দেশপ্রেমিক,
পরাজিত শক্তির বার্তা নিয়ে এসেছে এই মাতৃলোক।
 
তুই লাল সবুজের গান, তুই মুক্ত সমীরণের তরঙ্গ,
তুই চঞ্চল যোদ্ধা, অতুল্য বীর,আমি চাই তোর সঙ্গ।
-------------------------------------------------
 
 
x

Monday, July 14, 2025

তুমি মৃত্যুঞ্জয়ী কবিতা

তুমি মৃত্যুঞ্জয়ী কবিতা
কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা
তারিখঃ১৪-৭-২০২৫ ইং
রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর।
উৎসর্গ্ঃ মোঃ নুরুল ইসলাম (ছোট বোনের স্বামী)
-----------------------------------
জানি তুমি নেই তবু নিরন্তর দেও সাড়া,
ফিরে আসো, বারে বারে ফিরে আসো বক্ষ শিয়রে!
শিরে - উপশিরে দিয়ে যাও দোলা-ছড়াও নক্ষত্র মণি
অফুরান তরঙ্গের দুলে হৃদয়ের শুন্য ধরনী।
 
আমার এই শুন্যতার গভীরে তুমি ছিলে সুরভী ফুল,
কাননের মগডালে ফোটা জুঁই- চাঁপা -বকুল -পারুল।
আজ তুমি নেই, আজ তুমি নেই তবু আছো তুমি,
এই সবুজ শ্যামলে উদ্দাম চঞ্চলে প্রেমের ভূমি।
 
তুমি চলেগেছো,রেখেগেছো অনেক কিছু ধরনী তর,
তুমি মৃত্যুঞ্জয়ী কবিতা হে নুরুল ইসলাম - এ নশ্বর!!
তোমার গল্প সাহিত্যে নাই শোক, নাই কোন ভয়,
তুমি বিধার প্রিয় বান্দা গোলাম নাই তার ক্ষয়।
 
তুমি নাই তবু আছো তোমার কর্ম্ স্পর্শে বিশ্বধূলি,
অনন্তদিনে পূর্ণ্ হও তুমি ফরিয়াদ করি দু’হাত তুলি।
--------------------------------------------


আর কবে গাইবে তুমি

 
আর কবে গাইবে তুমি
কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা
তারিখঃ১৪-৭-২০২৫ ইং
রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর।
-----------------------------------
হে স্বাধীন জাতি, দৃশ্যমান সেই রক্তের কোলাহল,
তরঙ্গ গতিতে ছুটেছে তারা এখনো অবিচ্ছন্ন অবিরল।
 
স্বাধীনতার স্পন্দনে তারা শুন্য তব রুদ্র মূর্তি বেগে;
মুক্তির তরী ডুবাতে চাহে দিবানিশি বিনিন্দ্র জেগে।
দিকে দিকে চুড়ান্ত প্রতিশোধের নেশায় উঠেছে রেগে,
সেই পরাজয়ের ব্যাদনা জেগেছে আজ বহ্নিভরা মেঘে।
 
প্রতিশোধের বহ্নিশিখা বিচ্ছুরিয়া উঠেছে রক্তিম স্রোতে,
ঘাতকের ঘুর্ণাচক্রে ঘুরে ঘুরে স্বাধীনতা আজ কষাঘাতে!
ওরা মিশেগেছে তোমার রক্ত বর্ণে জাতির স্তরে স্তরে;
অথচ বিজ্ঞ বুঝনা এসেছে ওরা মীরজাফরের সূত্র ধরে।
 
হে স্বাধীন জাতি, দিকে দিকে দেখছো সুর্যচন্দ্রতারা যত,
ওরা সব পরাজিত শক্তি! সেই পুরানো শুকুনের মতো।
এখনো শহীদের রক্তে পাওয়া স্বাধীনতা অন্তহীন দূর,
তুমি তুলেছো নির্বোধের মতো প্রেমহীন -শব্দহীন সুর।
 
তুমি এখনো মায়ের সন্তান হতে পারনি নিরন্তর প্রাণ,
চির শক্রকে এনেছো ডেকে সর্বনাশা প্রেমে এ উদ্যান।
ওগো, আর কবে গাইবে তুমি উন্মত্ত সে অভিসারে?
যে গান দিয়েগেছে পূর্বসূরী সোনার বাংলা সুরে সুরে।
---------------------------------------------
x

Sunday, July 13, 2025

জনতার যুদ্ধ

 জনতার যুদ্ধ

কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা

তারিখঃ১৩-৭-২০২৫ ইং

রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর।

-----------------------------------

মানবতা বিপন্ন আজ;চৌরিদিকে মবতন্ত্র- ভয়তন্ত্র!

শাসকেরা প্রত্যহ গর্জে উঠেছে মুক্ত স্বাধীন স্বৈরতন্ত্র।

 

অপমৃত্যুরা হয়েছে সঙ্গী; মবতন্ত্রের নিয়ত আক্রমণ,

পথে পথে রক্তের আলপনা;ভয়ঙ্কর দৃষ্টের উদযাপন।

মানব সভ্যতাকে গ্রাসিয়াছে মবতন্ত্রের হিংস্র পরোয়ানা,
জল্লাদেরা বুকে চেপে বসে আছে-নিরহ জনতার অস্তানা।

 

বদলায়নি, একটুকু বদলায়নি চাঁদাবাজদের ক্ষুধিত প্রাণ,

জাতির সম্মুখে আজ নব্য ফ্যাসিবাদ মববাদ দেশদ্রোহী গান।

মসনদের কান্ডারী নিশ্চুপ! দিকে দিকে রক্তে লাল পথ,

নব্য শত্রুর আঘাতে ক্ষত বিক্ষত বিপ্লবের দীপ্ত শপথ।

 

প্রতিবাদীর প্রতিবাদ স্তব্দ! প্রত্যেকে নির্বাক বঙ্গ সীমানায়,

বিবেকের চোখ অন্ধ বধির অপ্রতিরোধ্য একান্ত নিরালায়।

সমাজের দর্পণগুলো থর থর কম্পণে ফ্যাসিবাদের গর্জ্ন,

লাল মিয়া পালিয়েছে, কালা মিয়া পূরণ করেছে শুন্যস্থান।

 

বিপুল যন্ত্রনা বুকে নিয়ে এবার যদি হয় যুদ্ধের ঘোষণা,

সে যুদ্ধ হবে জনতার যুদ্ধ, আজই শুরু করো দিন গোনা।

মুক্তিযুদ্ধের লাল প্রতিবিম্ব জাতির বিজয়ী পতাকা,

আসন্ন দিনে আসে যদি ক্ষিপ্ত দিন ছাড়তে হবে এলাকা।

 

--------------------------------------------------

 


এ কোন সভ্যতার শোভা?

এ কোন সভ্যতার শোভা?

কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা

তারিখঃ১৩-৭-২০২৫ ইং

রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর।

-----------------------------------

সভ্যতার মাঝে এ কোন অসভ্যতা ডাকিলে তুমি!

বিশ্ব বলিছে এখন জাহেলী যুগের তন্ত্রে এ বঙ্গ ভূমি!

 

চারিদিকে মানুষ দেখল অপলক দৃষ্টি স্পন্দিত প্রাণ,

একটি যুবকের গগণ বিদারী চিৎকার -অশ্রুবান!

কেউ শুনল না, কেউ দেখল না কঠিন পাথরের বর্বরতা,

রক্তে রক্তে রঞ্জিত হল পীছ ঢালা রাজপথ তবু মৌনতা,

 

ধীরে ধীরে লুটিয়ে গেল যুবকের শক্তি বল চিরবধি,

বাংলার আকাশ বাতাসে রচিত হল মানবতার সমাধি।

এতো পৈশাচিক নারকিয় বর্বরতা এমন বর্ণে এমন গন্ধে,

বাংলার বুকে কেউ দেখেনি এমন গানে এমন ছন্দে!

 

কি অমানবিক রূপের লীলায় জাগালে হৃদয়পুর !

এ পৃথিবী কাঁদলো তুমি কাঁদলে না ব্যাদনা বিধুর ।

কঠিন পাথরের আঘাতে আঘাতে রক্তের তরঙ্গে ভাসালে,

একটি মানুষের দেহ তরী! কঠিন যন্ত্রণাময় মৃত্যুর আড়ালে।

 

এ কোন সভ্যতার শোভা, এ কোন শাসকের বিচারিক এজলাস!

এ কোন দৈত্যদানবের জাহেলী যুগের নিষ্ঠুর বর্বরতা পরিহাস?

-------------------------------------------------

 


Thursday, July 10, 2025

অভিশপ্ত সংস্কৃতি

 

অভিশপ্ত সংস্কৃতি
কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা
তারিখঃ১০-৭-২০২৫ ইং
রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর।
-----------------------------------
এ যেন এক অভিশপ্ত সংস্কৃতির ভয়ঙ্কর পরোয়ানা!
বাঙালির মৌলিক সূত্রকে গ্রাসিয়াছে শকুনের ছানা।
 
সমুদ্রের সলিল রয়েছে পড়ে,শুধু তরঙ্গ নাই,
থমকে গেছে নদীর স্রোত,দিগন্ত রেখা নাহি পাই।
এ যেন এক অভিশপ্ত সংস্কৃতির দুরন্ত উম্মাদনা,
লাল সবুজের ভাঁজে ভাঁজে বেজে উঠে সর্বক্ষণা।
 
সেই বাঁশির সুর,সেই স্বর ধ্বনি আজ যেন দুরাশা,
দিকে দিকে প্রতাশার চিত্রে দেখি নির্মম হতাশা!
শিষ্টাচার -নম্রতা –ভদ্রতা জনে জনে উদ্র উশৃঙ্খল,
আজ যেন অভিশপ্ত সংস্কৃতি ভেঙ্গেছে জাতির শৃঙ্খল।
 
ধোকা মুনাফিকের সংস্কৃতি বিপ্লবের বিপ্লবীর মাঝে,
আজ যেন বিশ্বাস ঘাতকে আঁকা মীরজাফরের সাজে।
এমন চিত্র শিল্পী জাতি চাইনি মুক্ত স্বাধীন আকাশে,
জাতি চেয়েছিল সত্যিকার মুক্তির সূর্য্ অসূর বিনাশে!
 
যে বৈষম্যকে প্রত্যাখান করেছি -তাই দেখছি পলে পলে,
সেই অভিশপ্ত সংস্কৃতি আবার এসেছে ফিরে বঙ্গের তলে।
কোথায় বিবেক! কোথায় নব ধারা!কোথায় শুভ্র হৃদয়?
সেই পুরানো ব্যাধি আজো দেখি বিপ্লবীর অস্থিমজ্জাময়।
 
এ যেন এক অভিশপ্ত সংস্কৃতির ভয়ঙ্কর পরোয়ানা!
বাঙালির মৌলিক সূত্রকে গ্রাসিয়াছে শকুনের ছানা।
 
----------------------------------------------
 

 

Wednesday, July 9, 2025

ইঁদুরের বিষ দাঁত গজিয়েছে

 

ইঁদুরের বিষ দাঁত গজিয়েছে

কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা

তারিখঃ ৯-৭-২০২৫ ইং

রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর।

-------------------------------------

ইঁদুরের বিষ দাঁত গজিয়েছে ঋতু বদলের প্রাক্কালে,

সে এখন উঁকি মারে গর্তের মুখে এসে প্রতি সকালে।

 

কুটকুট করে কাটতে চায় উর্ব্র ভূমির ফুল -ফসল -ধান,

কিন্তু সে বুঝে না এ জোয়ার তার মৃত্যুকে করে উদ্ভোধন।

সম্মুখে ভয়ঙ্কর ফাঁদ! বিষাক্ত সাপের বিষ দাঁত,

কিন্তু বোকা ইঁদুর উল্লাসে নাচে নৃত্যের অভিজাত!

 

এ যে নিছক ভন্ডামী, বোকামি পতনের উল্লাস,

পরাজয়ের দিকে লাগামহীন ছুটে চলা দুরন্ত অভিলাষ!!

ইঁদুরের বিষ দাঁত গজিয়েছে চেতনাবিহীন উম্মত্ত অধীর,

কি এক চঞ্চল পুলকরাশি শরীরের মর্মে লাগে অস্থির !

 

ইঁদুর বুঝে না ক্ষণিক জোয়ার আসিয়া দিয়েছে ধরা,

এ আনন্দ নহে গো চির আনন্দ আসন্ন দিনের বসুন্ধরা।

ইঁদুরের বিষ দাঁত গজিয়েছে নব যৌবনের রাগে

এ দাঁত ভেঙে যাবে একদিন গর্জ্ন তুলিবার আগে।

 

হে ইঁদুর বিষদাঁত দমন করে রেখো ঐক্যের বিপুল তানে,

আজকের বিষদাঁত তোমাকেই দংশন করিবে আসন্ন দিনে।

------------------------------------------------




সমাজের ভূমিটা

 

সমাজের ভূমিটা

কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা

তারিখঃ ৯-৭-২০২৫ ইং

রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর।

-------------------------------------

এইভাবে চলতে থাকলে আসন্ন দিনে দেখবে তুমি,

আগাছা গন্ড মুর্খ্ নির্বোধে ভরেগেছে সমাজের ভূমি!

 

যদি এ সংস্কৃতি বদলাতে না পারো জ্ঞানী গুনিজন,

বিচারহীনতার অগ্রাসে পদধূলিত হবে তুমি সর্বক্ষণ!

এখনি শুরু হয়েগেছে মববাদ, স্বৈরবাদ,ফ্যাসিবাদ,

কান্ডারী গর্জনে তর্জনে করেছে মীরজাফরের চাষাবাদ।

 

দুষ্টের সবল বাহু রাঙা চোখ টগবগিয়ে উঠেছে চারিদিক,

দেশদ্রোহীদের তন্ত্রে মন্ত্রে হারিয়েছে মুক্তির দিশা মৌলিক।

সবুজের বুকে রক্তে আঁকা মানচিত্র চেপে ধরেছে জল্লাদ,

জলে –স্থলে বন- জঙ্গলে লাশ আর লাশের সংবাদ!!

 

এই বিচারহীনতার দৃশ্য জাহেলী যুগের লেশমাত্র ভাগ,

কে ওরা ক্ষমতার দৃশ্যপটে কল্লা ধরেছে রাগ-অনুরাগ?

সমাজের ভূমিটা অসূরের তপ্ত অনলে পুড়েগেছে আজ,

বিভক্তি ঢুকেগেছে মত পদ আদর্শের নোংরা কারুকাজ।

 

কারা এই সাম্য ঐক্য সম্প্রীতি বিনষ্টকারী ?

এইভাবে চলতে থাকলে তুমি মসনদ হারাবে হে কান্ডারী।

বিচারক নয় তবু বিচারক গুন্ডা- মাস্তান- প্রতারক,

কি করে আশা করো মুক্তি এই সমাজের ভূ-লোক?

----------------------------------------------

 

Tuesday, July 8, 2025

জনতার ক্যামেরা

 

জনতার ক্যামেরা

কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা

তারিখঃ ৮-৭-২০২৫ ইং

রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর।

-------------------------------------

দিকে দিকে জনতার ক্যামেরা ওঁত পেতে আছে,

অডিও ভিডিও ছন্দ মিলে মিলে ইতিহাস রচিছে।

 

জনতার ক্যামেরা পথ ঘাটে শহর গঞ্জে বিনিন্দ্র প্রহরী,

তোমার সুর গান ছবি রের্কড করিছে একে একে ধরি!

এই রাঙা চোখ গর্জ্ন তর্জ্ন বাহু বল ফ্যাসিবাদ,

সন্ত্রাসী দখল চাঁদাবাজি মব তন্ত্রের যত কষাঘাত।

 

জনতার ক্যামেরায় তুমি সজ্জিত আছো উদ্দাম যৌবনে,

কোথায় পালাবে হে! আজকের তুমি আসন্ন দিনে?

মিথ্যা ছলনার বিপ্লবে তুমি দিয়েছো নবীন রক্তিমা,

আসেনি ফিরে অধিকার,এখনো অধরা মুক্তির সীমা।

 

জনতার ক্যামেরায় দেখেছি -নবীন এক ভয়ঙ্কর হাঙ্গর,

যে কিনা গ্রাস করিতে চায় পদ্মা- মেঘনা- যমুনার চর !

মুক্তির ছবিতে তুমি খলনায়ক ! বঙ্গ জনতার ঘৃণা!

এই বিপ্লবের বিশ্বাস ঘাতক! মীরজাফরের নব সূচনা।

 

দিকে দিকে জনতার ক্যামেরা তুলিছে আজকের ছবি,

আসন্ন দিনের পদার্য়্  উঠবেই জেগে হে বিপ্লবী কবি।

তুমি হয়তো নায়ক ! নয়তো খলনায়ক!

জনতার ক্যামেরা আছে পিছু -সর্বাত্মক।

-------------------------------------------------

 

 

মারুফের চিৎকার

 

মারুফের চিৎকার

কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা

তারিখঃ ৬-৭-২০২৫ ইং

রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর।

-------------------------------------

আমাকে বাঁচাও -মেডিকেল নাও - এক্সিডেন্ট করেছি ভাই,

মানুষ দেখলো,মানুষ শুননো তবু কাছে কেউ যায় নাই !

ওরে তোরা কি শুনেছিস মারুফের চিকারখানি?

তার কণ্ঠে বেজেছিল ব্যাদনাতুর মৃত্যুর বজ্রধ্বনি!

 

মারুফের চিকারে কম্পিত হলো পথ ঘাট সমীরণ,

তবু মানুষের প্রাণ জাগেনি মানবতার ডাকে মৃত্যুক্ষণ।

রক্তমাখা শরীরে নিথর দেহ তব চোখের অপলক দৃষ্টি,

মানুষ বুঝেনি, মানবতা বুঝেনি মারুফের অশ্রুবারি কৃষ্টি।

 

পৃথিবী কতটা অমানবিক কতটা নিষ্ঠুর তাহা কি জানো?

কেউ বুঝনি শরীরের ভাঁজে ভাঁজে কতটা যন্ত্রনা বিছানো।

মারুফ আর আসবে না! আর ডাকবে না চিৎকারে চিকারে,

সে অভিমানে চলে গেছে রক্তমাখা শরীরে দূরে- বহুদূরে!

 

তবু বলে যায়নি এই পৃথিবী বড় নিষ্ঠূর, বড় নির্দ্য়,

রক্তে রক্তে লিখেগেছে মানবতার কবিতা মৃত্যুসময়।

রক্তে মাখা মারুফের নিথর দেহ অলক দৃষ্টি!

ধরনীর ভাঁজে ভাঁজে করেগেছে শুন্যতার সৃষ্টি।

 

হে মারুফ! তুমি ভালথেকো অনন্তের ঠিকানায় অফুরান,

দুইহাত তুলে এই ফরিয়াদটুকু করি আল্লাহ মেহেরবান।

-------------------------------------------