কলমেঃমোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা
রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর।
*******************************
রক্তের বাঁধন?
সে
তো
এক
রূপালি
নদীর
ধারা!
যার
কূলে
কূলে
ঢেউ
খেলে
যায়
সুখের
জোয়ার-পারা।
যদি
সেথা
থাকে
প্রীতি-ভালোবাসা,
স্নেহ-শ্রদ্ধার চাষ,
তবে
সে
নদীর
কূলে
কূলে
নামে
স্বর্গের সুবাস।
কিন্তু
যদি
রে
সেথায়
ঢোকে
হিংসার
কালনাগ,
লোভ-লালসার তপ্ত অনলে
যদি
ফাটে
বুক
ভরা
অনুরাগ,
রাগ
আর
ক্রোধের কামড়ে—
সোনার
সে
ঘর
শ্মশান-চিতা রে ওঠে
যে
জ্বলিয়া বামড়ে!
পিতা-মাতা,
ভাই-বোন—
সে
তো
আল্লার
বড়
দান!
মায়ের
আঁচল,
বাপের
দোয়া
যে
জুড়ায়
এ পরান।
আজ
সেই
সুধা
আপন
রক্তে
কলঙ্ক
মাখিছে
গায়,
অপমান
আর
অপদস্থের কাঁটা
ফুটেছে
সেথায়।
রক্তে
রক্তে
আজ
হিংসার
চাষ,
শত্রুতার মহাযজ্ঞ,
লোভের
আগুনে
ছাই
হয়ে
যায়
মায়া-মমতার স্বপ্ন!
পিতা-মাতাও
আজ
স্নেহের আঁচল
করছে
যে
ভাগাভাগি,
জমি-জমার বৈষম্য এনে
স্বজনেরে অনুরাগী!
মা
জননীও
ভাই
ও বোনেতে জাগায় ভেদের
রেখা,
সোনার
সংসার
ছারখার
আজ,
কেবলি
কান্না
লেখা!
পারিবারিক শৃঙ্খল
ভেঙে
ধুলিতে
লুটায়
কায়,
ভাই
আজ
বোনকে
সহ্য
করতে
পারে
না
যে
মায়ায়!
বোনও
আজ
ভাইয়ের
মুখ
দেখিলে
বিষের
জ্বালায় জ্বলে,
ভাই-বোনের এই বৈরিতার বিষ
গাঁয়ে
গাঁয়ে
কথা
বলে!
এক ঘর
হতে
অন্য
ঘরেতে
ছড়ায়
বিষের
লতা,
স্বামী
ও স্ত্রীর মাঝে নাই মিল,
কেবলি
নীরবতা!
বাপের
সাথে
বেটার
মেলে
না,
মায়ের
সাথে
ঝি—
ঘোর
আঁধারে
ডুবছে
রে
ঘর,
বুঝিবো
আর
কি!
বাংলাদেশের গাঁয়ে
গাঁয়ে
আজ
এই
পলিটিক্স ভাই,
পিতা
আজ
কন্যাকে ডেকে
হাসিয়া
বলিছে
যাই—
'সব
জমি
তোরে
লিখে
দিলাম
রে',
পুত্রটি রয়
একা,
বঞ্চিত
সেই
বেটার
কপালে
কেবলি
কষ্ট
লেখা!
আবার
কোথাও—
পুত্রকে দিতে
সব
স্থাবর-অস্থাবর,
কন্যাকে ত্যাজ্য করিয়া
বাপে
পর
করে
দেয়
ঘর!
ন্যায়ের ইনসাফ
নাই
রে
আজ
এই
কলিযুগের ঘরে,
পারিবারিক কুটিল
চালের
তীরের
আঘাতে
মরে।
ভাই
কাঁদে
আজ
কাছারি
বাড়ির
মামলার
খতিয়ানে,
বোন
কাঁদে
তার
বাপের
ভিটার
অপমানের গানে।
সোনার
বাঁধন
ছিঁড়ে
কুটি
কুটি,
পলিটিক্স হলো
বড়,
মায়ার
সংসার
ভেঙে
চুরমার,
ওরে
মন
তুই
নড়!
-----------------------------------------