Monday, September 8, 2025

অধ্যাঃ একেএম মাজহারুল ইসলাম

 অধ্যাঃ একেএম মাজহারুল ইসলাম

কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা
রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর
*****************************************
পেল্টো সম্মান জ্বলে আকাশের তারা,
কাপাসিয়ার সন্তান তিনি দীপ্তির ধারা।
অধ্যাপক একেএম মাজহারুল ইসলাম, জ্ঞানের আলোক,
মানবতার তরে রাখেন গবেষণার শপথ।

শ্রেণীকক্ষের গণ্ডি পেরিয়ে মাঠে মাঠে যান,
প্রায়োগিক নৃবিজ্ঞানে খুঁজে পান জীবনের গান।
ইউনিসেফ, ডব্লিউএইচও, সেভ দ্য চিলড্রেনের স্বপ্ন,
তাঁর হাতে রচিত হয় ভবিষ্যতের রত্ন।

জনস্বাস্থ্য, উন্নয়ন, গ্রামীণ প্রাণের কথা,
তাঁর গবেষণায় মেলে মানবতার ব্যাখা।
আঠারো গ্রন্থ, পঁয়ত্রিশ প্রবন্ধ, জ্ঞানের দীপশিখা,
জাতি গর্বে বলে—তিনি বাংলার দিশা।

চিনাডুলির মাটি বুকে বহে শিক্ষার শপথ,
শিক্ষকের সন্তান তিনি, আলোকিত পথ।
শাহজালালের অঙ্গনে তিনি আলোর দীপ,
নৃবিজ্ঞানের বুকে রাখেন মহিমান্বিত সীপ।

হে অধ্যাপক একেএম মাজহারুল ইসলাম, দেশের শ্রেষ্ঠ দান,
তুমি জ্ঞানের আকাশে ধ্রুব তারার মান।
কাপাসিয়ার বুকে বাজে গৌরবের বাঁশি,
তোমার জয়গান গায় প্রতিটি পাখি-আকাশি।
-------------------------------------

নির্লোভ চেয়ারম্যান গিয়াস উদ্দিন

 নির্লোভ চেয়ারম্যান গিয়াস উদ্দিন

কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা
রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর
*****************************************
হে বিশ্ব শুনো, নবীণ প্রজন্ম জানো,
দূর্গাপুরের বুকে ছিলো এক দিগন্তের প্রাণো।
তিনি ছিলেন জনতার মাঝে প্রভাতের রবি,
দুঃখী-গরিবের মুখে আনতেন হাসির নবি।

ক্ষমতার অহংকারে তাঁকে কেউ দেখেনি কভু,
ছিলেন শীতল নদীর মত শান্ত-নিরভ্রু।
ফুলের মত কোমল, পর্বতের মত দৃঢ়,
জনতার হৃদয়ে গাঁথা তাঁর নাম অবিচ্ছেদ্য অক্ষর।

তিনি মুক্তিযোদ্ধা, ঝড়ের মাঝে বজ্রের আলো,
দেশের টানে বাজিয়েছেন শৌর্যের ঢাকের ঢলো।
একজন শিক্ষক, জ্ঞানের প্রদীপ জ্বালান,
অন্ধকার ভেদ করে ভবিষ্যৎ গড়ার গান।

গিয়াস উদ্দিন— সেই নির্লোভ প্রাণ,
ছিলেন মাঠের শস্য, নদীর কলতান।
“নিজের খাইয়া মোমবাতি” প্রতীকে দাঁড়িয়ে,
জনতার আস্থায় বিজয়ী হয়েছেন জাগিয়ে।

তাঁর সততা আকাশের মত অগাধ বিশাল,
তাঁর সরলতা শিউলির শিশিরে নীরব স্বচ্ছ কাল।
জনগণের হৃদয়ে তিনি চিরদিন অমর,
বসন্তের কুসুম, গ্রীষ্মের বটের ঘনছায়া ঘিরে ঘর।

হে দয়াময় আল্লাহ, করো দান তাঁরে,
হায়াতে তৈয়বা দাও, রাখো নূরের আলো বাহিরে।
যতদিন থাকবে এ ধরা, বাতাস আর গান,
গিয়াস উদ্দিনের কর্ম্ হবে মহিমান্বিত দান।
-------------------------------------

উজ্জ্বল নক্ষত্র সোহেল ভাই

 উজ্জ্বল নক্ষত্র সোহেল ভাই

কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা
রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর
*****************************************
ওরে নবীন প্রজন্ম! জাগো রণ হুঙ্কার তোল,
সোহেল ভাই ছিলেন বজ্রকণ্ঠ, ধ্রুবতারা অটল।
শুভ্র পূর্ণিমা আলো যেমন আঁধার করে ক্ষয়,
তেমনি ছাত্র হৃদয়ে তিনি জ্বালিয়েছেন আশার আগুনময়।

প্রলয়ের ঘূর্ণিতে তিনি ছিলেন অটল শিলা,
দুর্দম তরুণের প্রাণে ছড়ালেন দীপ্তশিখা।
ঝড়-বজ্রের মিছিলে তিনি ছিলেন পতাকা,
আলোকিত প্রাণে ফুটিয়েছেন সংগ্রামের আঁচল আঁকা।

কাপাসিয়া কলেজের কক্ষে কক্ষে ঝঙ্কার,
গর্জন তুলেছিল তাঁর কণ্ঠে বজ্রধ্বনির ঝড়।
সবুজ প্রান্তরে তাঁর পদচারণা দিত বিদ্যুতের ঢেউ,
রাজপথ কেঁপেছিল তাঁর আহ্বানে, প্রাণ জেগেছিল নাহি কভু নেউ।

সড়কের দুর্ঘটনায় ঝরল তরুণ প্রাণ,
তবুও ইতিহাসে রইল তাঁর বীরোচিত দান।
ঢাকা মেডিকেলে লড়লেন অগ্নি সাহসী যোদ্ধা,
শেষ বুকের ব্যথায় ঝরে গেল জীবন প্রদীপ ক্ষীণ হাহা।

ধানমন্ডির মসজিদে অশ্রু প্লাবনের ঢেউ,
পাইলট মাঠে জানাজায় লাখো জনতার কণ্ঠ রেউ।
লতাপাতার মাটিতে শায়িত হলো দেহ,
কাঁদল গ্রামবাংলা, কাঁদল বাতাস, আকাশ, গগন বেহে।

টোক ইউনিয়নের আড়ালিয়া তার গ্রাম,
আজিম উদ্দিনের সন্তান, হালিমার অনুপম ধাম।
১৯৯২–৯৩-এর বিক্ষুব্ধ ছাত্রশক্তির জয়,
তিনি ছিলেন দীপ্ত মশাল, মৃত্যুঞ্জয়ী মহিমাময়।

সভাপতি, সদস্য সচিব—সংগ্রামের জয়ধ্বনি,
হান্নান শাহ’র আস্থায় ছিলেন বিজয়ের গুণী।
নিজস্ব সুখ ভুলে রাজপথের গান,
দলমত ভুলে মানুষের পাশে দিয়েছেন প্রাণ।

ইফতারের পূর্বমুহূর্তে এলো মৃত্যুর বারতা,
কাপাসিয়া কেঁদেছিল—ভেঙে পড়ল শতকণ্ঠ ধ্বনিতা।
আদালত পাড়ায় মাতম, অশ্রু ঝরে নদীর ঢেউ,
তাঁর বিদায়ে জনতার বুক হলো শূন্য রেউ।

ওরে নবীন প্রজন্ম! শোনো ইতিহাসের ডাক,
সোহেল ভাই আলোর তারা, চির অমলীন রাক।
তুমি বকুল কুড়ানো মালা, সুবাসিত আঁধারে,
তুমি মৃত্যুঞ্জয়ী দীপ্ত শিখা, ভোরের রোদ্দুরের ধ্বজাধারে।

মহান আল্লাহ করুন জান্নাত ফেরদৌস দান,
সোহেল ভাই থাকবেন অমর, সংগ্রামের প্রাণ।

---------------------------------------------------

দালালের খপ্পরে বাংলাদেশ

 দালালের খপ্পরে বাংলাদেশ

কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা
রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর
*****************************************
ওরে তোরা কি শুনেছিস,
দালালের খপ্পরে কাঁদিছে আজ আমার বাংলাদেশ!
স্বদেশের বুক চিরে উঠছে রক্তজবা—
লোভের আগুনে পুড়ছে লাল সবুজের নিশান।

ওরা বলে দালাল—ওরা বলে দেশদ্রোহী,
আসলে কারো মুখোশেই নেই নির্মল পরিচয়!
স্বাধীনতা পক্ষ হোক বা বিপক্ষ—
সবাই ক্ষমতার জ্বরে মাতোয়ারা ভণ্ড খেলা।

ব্লেইম গেমের ঢাকের তালে—
মৃত্যুর নাচ নাচায় জাতিকে,
ওরে! কারো কণ্ঠে নেই ঐক্যের গান,
কারো চোখে নেই জনতার অশ্রু!

আমি দেখি ভয়ঙ্কর ঝড়—
দালালের চক্রে ভাঙছে সাম্য, ছিন্ন হচ্ছে ঐক্য,
দেশপ্রেমিকের দুর্ভিক্ষে জাতি আজ লণ্ডভণ্ড,
ক্ষমতার মোহে স্বদেশ বিকোয় প্রতিদিন।

ওরে বিশ্বাসঘাতক!
তোরা কি জানিস না?
শুধু লাল সবুজের পক্ষেই বাঁচে এই বাংলাদেশ!
আমি চাই—
প্রতিটি প্রাণে জ্বালো দালাল বিদ্বেষী আগুন,
প্রতিটি কণ্ঠে উঠুক বিদ্রোহীর গর্জন—

“আমরা সবাই হবো লাল সবুজের দালাল!”
তবেই জাগবে নতুন ভোর,
তবেই ফুটবে স্বাধীনতার সোনার সূর্য—
বাংলাদেশ হবে অমর, অজেয়,
বিদ্রোহী গানের বজ্রধ্বনিতে!
---------------------------------------------------


Sunday, September 7, 2025

পর্দা মুক্তির আলো

 পর্দা মুক্তির আলো

কলেমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা
রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর
-----------------------------------------------
নূরের দিশা বলে, খোদার বাণী জ্বলে,
মহিলার ফরজ পর্দা যেন মুক্তির আলো ছড়ায় সবলে।
“হুওয়া আল-মু’মিনাতু,” কোরআন জানায়,
চোখে প্রলোভনের ঢেউ রোধ করো, সততা মানায়।

হাদিসের আলো বলে, সৌন্দর্য নয় বাহ্যিক,
মন ও চরিত্রে হোক আলোর দীপ্তি অভ্যন্তরীণিক।
পরিচ্ছন্ন চেহারা হোক ঈমানের ছাপ,
ফরজ হিজাবের শোভা যেন আলোর মিষ্টি স্বপ্নাপ।

চোখে চোখে ভয়ঙ্কর প্রলোভনের স্রোত,
শরীরের আড়াল হোক আলোর অমলপ্রভাত।
পর্দা নয় বন্ধন, নয় নিছক খেলা,
আত্মার মুক্তি হোক আলোর ধারায় গাঁথা জুয়েলা।

বহির্মুখী নয়, অন্তরের দীপ্তি জ্বলে,
শ্রীময় আত্মার আলো যেন জীবনভরে চলে।
পর্দা শুধু কাপড় নয়, নয় আড়াল,
ঈমানের আলো হোক হৃদয়ে জ্বলন্ত প্রিয় পাল।
--------------------------------------------------------


সন্তানের প্রতি দায়িত্ব

 সন্তানের প্রতি দায়িত্ব

কলেমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা
রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর
-----------------------------------------------
আলোর প্রদীপ জ্বালো, ঘরে ভরে মমতার আলো
শিশুর চোখে ফুটুক স্বপ্ন, হৃদয়ে উজ্জ্বল ভালো।
কোরআনের পথে চলুক সে, সত্যের দীপ্তি ধরে
হাদিসের বাণী শোনাও, জীবন হোক সত্যি করে।

নামাজে বাঁধো মন তার, দোয়ায় ভাসুক আলো
মমতার ছায়ায় শিশুর মন হোক সদা অমল আলো।
শাস্তি করো প্রযোজ্য, তবে হৃদয় ভাঙো না
ধৈর্য, সততা, স্নেহে শিক্ষা, শিশুর জীবন গড়ে তোলো না।

খেলাধুলায় শিখুক সে, সততার রঙিন গান
গল্পে ঝরে পড়ুক প্রজ্ঞা, দিক নির্দেশ হোক জান।
স্বপ্ন দেখুক মুক্তির, স্বাধীন চিন্তার আলোয়
দুনিয়ার মায়া বোঝুক সে, অতিমাত্রায় নয় কখনোয়।

দোয়া করো প্রতিদিন, প্রভুর আশীর্বাদে ভরা
সন্তানের পথ হোক দীপ্তি, সুখে, শান্তিতে গড়া।
মমতার বেলা ঘিরে থাকুক, শিশুর মন উজ্জ্বল
ভালোবাসার ছন্দে বাঁধো সে, প্রভুর রহমত ঝিল।

শিশুর হাসি হোক ফুলের মতো, রঙিন, কোমল
পিতামাতার দোয়া, শিক্ষা হোক তার জীবনের মোহল।
প্রকৃতির ছোঁয়ায় বড় হোক সে, মুক্ত, প্রজ্ঞা সমৃদ্ধ
আল্লাহর নামে পথ চলুক, সত্য ও ন্যায় নির্ভুল সমৃদ্ধ।
--------------------------------------------------------


কবরের শাস্তি

 কবরের শাস্তি

কলেমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা
রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর
-----------------------------------------------
কবরের ধুলোয় লুকায় মরণসত্তার ভয়,
ভয়ঙ্কর আয়নায় দেখা যায় জীবনের বোয়।

ফেরেশতারা আসে প্রশ্ন নিয়ে করুণ,
“কে তুমি?”—ধ্বনিত হয় অন্তরের গুণ।

সৎকাজের পথ পায় শান্তির আলো,
পাপ পথে হারায় প্রাণ, ভয়ঙ্কর কাল হলো ।

কবরের কোণে চুপচাপ আছড়ে পড়ে শাস্তি,
হৃদয় কাঁপে, কান্নায় ভরে নিরব রাতি।

কোরআন বলে: “অদৃষ্ট যারা করেছে পাপ,
কবরের আয়নায় তাদের দেবে ঠিক তত্ত্বসাপ।”

হাদিস শোনায়, মলায়েমায় আয়নায় দাঁড়ায়,
ভয়ঙ্কর ফেরেশতাদের প্রশ্নে হৃদয় কাঁপে নায়।

সৎকাজী, তওবার পথে যারা চলে,
কবরের আঙিনায় তাদের শান্তি মেলে।

পাপীর জন্য নেই আর কোনো অবকাশ,
প্রভুর ন্যায়বিচারে পায় তারা কষ্টের আকাশ।

ভয়ঙ্কর চিৎকারে ভরে যায় মৃতের রাত,
কর্মই নির্ধারণ করে মুক্তি বা শাস্তির ছাত।

অতএব সচেতন হও, করুণ তওবা,
সৎকাজের আলোয় ভরে দাও জীবন-গগন-গাঁ।

--------------------------------------------------------

মৃত্যু – এক অমোঘ যাত্রা

 মৃত্যু – এক অমোঘ যাত্রা

কলেমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা
রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর
-----------------------------------------------
হে প্রাণ! শোনো মৃত্যুর বজ্র গর্জন,
আকাশ-পৃথিবী কাঁপে, ছড়ায় অন্ধকারের অশ্রুজল।

কোরআন বলে – “প্রত্যেক প্রাণ মৃত্যুর স্বাদ নেবে,”
পাপ-নেকির হিসাব লেখা, শেষের দিকেই মিলবে।

হাদিস শোনাও – “জীবনের ক্ষণ নির্ধারিত,”
যাত্রা শেষে মুক্তি, আলোর পথে প্রণিত।

মৃত্যু আসে হঠাৎ, বাতাসের মতো নিঃসঙ্গ,
প্রস্তুত আত্মা পায় মুক্তির পাখির সঙ্গ।

চোখের জল নয় শোক, বরং শ্রদ্ধার ঝর্ণা,
জীবনের গহ্বর হোক আলোর পূর্ণিমার কিরণ ধরা।

ধূলি থেকে তৈরি মানব, ফেরে আলোর কাছে,
শেষ নিঃশ্বাসে ভয় নয়, শান্তির আলো হোক সাথে।

মৃত্যু নয় শাস্তি, বরং শিক্ষা, পথিকের গান,
নেকির দীপ জ্বালাও, আল্লাহর পথে হোক প্রাণ।
--------------------------------------------------------

বর্বরতা

 

বর্বরতা

কলেমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা

রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর

-----------------------------------------------

আমি দেখেছি বর্বরতার নৃত্য,
দেখেছি সভ্যতার গর্ভে রক্তাক্ত মৃত্যুর দিত্ত।
মানুষ! না, হায়েনা দাঁত খিঁচিয়ে হেসে ওঠে,
লাশের গন্ধে উল্লাস করে মৃত্যুর মহোৎসবে।

হায়! কিসের যুগ?
জাহেলী অন্ধকারে ফেরা এক বন্যা বন্যা ঢেউ,
মানবতা রুদ্ধশ্বাসে কাঁপে,
মনুষ্যত্ব মরে যায় পশুত্বের খাপে।

যেখানে পাতাকায় লেখা থাকার কথা শান্তির গান,
সেখানে খোদাই হলো হিংস্রতার দানবীয় বানান।
যেখানে মুক্তির আলো ঝলমল করে ওঠার কথা,
সেখানে ঝরে আগুন, রক্ত, বর্বরতার ব্যথা।

কে পাপী? কে পূণ্যবান?
অন্ধ জাতি আজ ধরে বিচার প্রভূর স্থান।
বিধির বিধান তুচ্ছ হয় দুঃসাহসে,
অসভ্যতার জয়গান গেয়ে ওঠে দম্ভে!

সভ্যতা কাঁদে, রক্তধারায় ডুবে যায়,
মানবতা আর্তনাদে ভেঙে যায়।
লাশ পোড়ার ধোঁয়া কালো করে আকাশ,
জ্বলে ওঠে মানুষ নয়দেবদারু নয়
জ্বলে ওঠে সভ্যতার লাশ!

আমি বিদ্রোহী!
আমি ভাঙব এই বর্বরতার শৃঙ্খল,
আমি জ্বালাব মানবতার অগ্নিশিখা অনল।
বাঁধ ভেঙে আসব ঝঞ্ঝা হয়ে,
হিংস্রতার বুকে গর্জে উঠব বজ্রকণ্ঠ হয়ে।

আমি গাইব আলো, আমি গাইব শান্তি,
আমি ভাঙব অজ্ঞতার সর্বনাশের কান্তি।
সভ্যতার মশাল হাতে, আমি আসব বিদ্রোহী প্রাণে,
বর্বরতার নিশান ছিঁড়ে ফেলব বজ্র ঝড়ের টানে।

আমি ভয় পাই না, আমি থামি না,
রক্তস্রোত ছিঁড়ে আসি বজ্রেরই ধ্বনি হয়ে।
যতদিন হায়েনার হুঙ্কার বাজে ভুবনে,
ততদিন বিদ্রোহী আমি অমর হয়ে রইব রক্ত-জ্বালায়,
মানবতার জয়গান গাইব বজ্র গগনে!

 

--------------------------------------------------------


সন্ত্রাসীর রক্ত চক্ষু

 সন্ত্রাসীর রক্ত চক্ষু

কলেমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা
রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর
-----------------------------------------------
রক্তের ঢেউয়ে আজ ভাসে বাংলার দিগন্ত,
ভয়াল চক্ষু দীপ্ত হয়ে জ্বালে অগ্নি-সন্ত।
পেশীশক্তির উল্লাসে কণ্ঠরোধী ধ্বনি,
অত্যাচারীর রক্তচক্ষু ছায়া ঘিরে গনি।

কূলহারা জাতি ভাসে দুঃসহ সাগর জ্বরে,
কালো বংশধর নাচে বিষাক্ত অহংকারে।
অলি গলিতে জ্বলে লাল গঙ্গার উত্তাল ধারা,
ন্যায় নিথর! কাণ্ডারী স্তব্ধ, স্বাধীনতা হারা।

বৈষম্যের পাহাড় গজায় পদে পদে দেশে,
ছলনার স্রোত বয়েছে রক্তিম নিশ্বাসে।
মীরজাফরের বিষধারা বয় রাষ্ট্র যন্ত্র ভরে,
অন্তরে অন্তরে প্রতিধ্বনি—বেইমানীর স্রোতে ঝরে।

সমাজে সমাজে দ্বন্দ্ব, সংঘাত, হানাহানি,
বর্বরতার পদচিহ্ন বাজে উগ্রতার গানী।
অন্ধকারে ছুটে চলে মাতৃভূমি মোর,
অধিকার আজ বন্দী, স্বার্থে লোভীর ঘোর।

সত্যের জ্যোতি নেভে, ভীরু জাতি নীরব,
রক্তচক্ষুর ত্রাসে ম্লান হয় স্বাধীনতার সব।
অসনি সংকেত বাজে আকাশে মেঘের মতো,
হে বীরের উত্তরসূরী, জাগো বজ্র-শপথে।

গর্জে ওঠো তরুণ সেনানী, বিদ্রোহী বজ্রকণ্ঠে,
ভাঙো শৃঙ্খল, ভাঙো ভয়, মুক্ত করো মন্ত্রে।
সন্ত্রাসীর রক্তচক্ষু চূর্ণ হবে আজ,
বাংলার আকাশ কাঁপুক বজ্র বিদ্রোহী সাজ!
--------------------------------------------------------

রক্তচক্ষু

 রক্তচক্ষু

কলেমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা
রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর
-----------------------------------------------
রক্তচক্ষু জ্বলে, আগুনের দীপ্তিতে দগ্ধ,
ভয়ঙ্কর শক্তি বাজায় অশ্রুধারার ঝঞ্ঝায় ঘূর্ণ্ধ।
কণ্ঠরোধে নিভৃতে দাঁড়ায় নীরব রাজনা,
জাতি নদীর কূলহীন স্রোতে নিমজ্জিত, বেদনায় ভাসা।

কালো বংশধরের উত্থানে পেশী দাঙায়,
কেউ কিছু বলে না, সবাই ভয় ও স্তম্ভিত চায়।
বাংলার অলি-গলি রক্তের গঙ্গা,
কাণ্ডারী নিশ্চুপ, ন্যায়ের নয়গঙ্গা।

বৈষম্যের পর্বত গজিছে পদে-পদে,
ছলনার প্রতিধ্বনি অন্তরে বাজে, হৃদয় খাপে।
মীরজাফরের রক্ত প্রবাহ রাষ্ট্রযন্ত্রে ধীরে,
সমাজে সংঘাত, দ্বন্দ্ব, হানাহানি অখণ্ড ভীরে।

অন্ধকারের দিকে ছুটছে প্রিয় বাংলাদেশ,
অধিকার, স্বাধীনতা আজ লোভী স্বার্থের ত্রেশ।
সত্যকে সত্য বলতে জানে না নিমুখ জাতি,
ভয়ঙ্কর সংকেত বাজে, বিপদ ঢেকে রেখেছে খাঁটি।

রক্তচক্ষুর দীপ্তিতে জ্বলে বিদ্রোহের আগুন,
নীরবতা ভাঙে, ভয়ঙ্কর চিৎকারে বাজে দাগুন।
অত্যাচার, অন্যায়, প্রতারণার চক্রবৃদ্ধি,
জাতির হৃদয় ক্রন্দন করে, হাহাকার ছড়ায় নিঃশব্দি।

আজ আর নীরব থাকা যাবে না,
ন্যায়ের তলোয়ার হাতে, অগ্নি হৃদয়ে ঝড় রবে।
বিপ্লবের বাণী ছড়াক শহরে-শহরে,
রক্তচক্ষু জ্বলে, তাড়াক জালিমদের খোঁজে।

উচ্চস্বরে গর্জে উঠুক রক্তচক্ষু,
বিদ্রোহের দীপ জ্বলে, কুপ্রবৃত্তি হয় ধ্বংসিত।
বঞ্চনার চাবুক ভেঙে, জাতি উঠে দাঁড়াক,
অধিকার, স্বাধীনতা জেগে থাক, দেশ হোক উদ্দাম।

হায়! কত শোষণ, কত অন্যায়, কত দুর্নীতি,
রক্তচক্ষু দেখে, শোনে, প্রেরণা পায় নবজ্যোতি।
আজ জাতি জেগে উঠুক, অন্ধকার দূর হোক,
বিপ্লবের ঝড়ে দেশ পরিশুদ্ধ হোক, মুক্তি ভরোক।

রক্তচক্ষু দ্যুতিতে বিদ্রোহী শূন্য ভাঙুক,
সত্যের বিজয় ঘণিষ্ঠ হোক, জয়ধ্বনি বাজুক।
হৃদয় চূড়ান্ত জ্বলে, বীজ বপন হোক মুক্তির,
রক্তচক্ষুর দীপ্তি ছড়াক, বিজয় হোক জাতির।
--------------------------------------------------------

মেজর জেনারেল (অব.) মনজুর রশীদ খান

 

মেজর জেনারেল (অব.) মনজুর রশীদ খান
মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা

মেজর জেনারেল (অব.) মনজুর রশীদ খান
কলেমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা
রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর
-----------------------------------------------
নীল আকাশে বজ্রঝড়ের মতো জ্বলে জন্মের দীপ, গাজীপুরের আলো,
দূর্গাপুর ইউনিয়নের একডালা গ্রামে জ্বলে খান বংশের অমলিন আলো।

পিতা ডাঃ আব্দুর রশীদ খান, চিকিৎসার তীরধনুকের মতো দৃঢ়,
মা কুরছিয়া বেগম, প্রেমের সোনালি ঢেউ, হৃদয়ে বাজে অনন্য বাণী।

শিশুকালে তারাগঞ্জ এইচ এন উচ্চবিদ্যালয়ে কল্পনার বীজ বোনা,
নোয়াখালীর সোনাইমুড়ি স্কুলে কৃতিত্বের ফুল ফুটে ওঠে উজ্জ্বল সোনা।

ঢাকার জগন্নাথ কলেজে উচ্চমাধ্যমিকের আলো জ্বলে দিগন্তে,
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করল প্রজ্ঞার অনন্তে।

১৮ এপ্রিল ১৯৬৪, পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে কমিশন লাভের প্রভাত,
১৯৬৫ সালের যুদ্ধের অগ্নিশিখায় দাঁড়ালেন সাহসের তীব্র বাত।

শিয়ালকোটের রণক্ষেত্রে ১৯৭১ সালে অস্ত্র হাতে দাঁড়ালেন দৃঢ়,
মুক্তিযুদ্ধের আড়াই বছর পাকিস্তানে কাটল শত্রুর অগ্নিবীণার তীব্র।

দেশে ফিরে ১৯৭৩ সালে মেজর পদে যোগ দিলেন দেশপ্রেমে,
বাংলাদেশ রাইফেলস ও সেনা সদর দপ্তরে দায়িত্ব পালন করলেন নির্ভয়ে।

দুটি আর্টিলারি ও পদাতিক ব্রিগেডের কমান্ডার হিসেবে ছিলেন শক্ত,
১৯৮৬ সালে মেজর জেনারেল পদে উন্নীত হয়ে রাখলেন ন্যায্য অধিকার অমলিত।

বাংলাদেশ সমরাস্ত্র কারখানার প্রধান পদে দায়িত্ব পালন,
এরশাদ ও সাহাবুদ্দীনের সামরিক সচিব হিসেবে রাখলেন সততা ও মান।

১৯৯০ সালের গণঅভ্যুত্থানে শান্তিপূর্ণ ক্ষমতা হস্তান্তরে ছিলেন অগ্নি,
১৯৯৫ সালে অবসর গ্রহণ করলেন, বর্ণাঢ্য কর্মময় জীবনের শেষ প্রভাতি।

পরিবারে তিন ভাই, তিন বোন, বড় সন্তান তিনি, গর্বের মানে,
মেঝো ভাই ও দুই বোন চলে গেছেন না ফেরার দেশে, স্মৃতির আলোই ভাসে ধ্রুব মানে।
একমাত্র জীবিত ছোট ভাই আজগর রশীদ খান, বীর মুক্তিযোদ্ধা,
কাপাসিয়া উপজেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সভাপতি, গর্বিত সমাজের নেতা অনন্ত ধ্রুবতা।
স্ত্রী, দুই ছেলে, এক মেয়ে রেখে গেছেন স্মৃতির দীপ্তি,
সন্তানরা উচ্চ শিক্ষিত, কানাডা প্রবাসী, পরিবারে সমৃদ্ধি।

লেখক, কলামিস্ট ও সামরিক বিশ্লেষক, কলম তাঁর তীর,
জাতীয় দৈনিক প্রথম আলো ও সংবাদে লেখেন জ্ঞানভরা স্রোতের শীর।

গ্রন্থ রচনায় উল্লেখযোগ্য:
“এরশাদের পতন ও সাহাবুদ্দীনের অস্থায়ী শাসন”,
“আমার সৈনিক জীবনঃ পাকিস্তান থেকে বাংলাদেশ”—সৈনিক জীবনের দীপ্ত অন্বেষণ।

ধর্মীয় ও সামাজিক কাজে যুক্ত, ছিল প্রতিষ্ঠার দীপ,
তারাগঞ্জ এইচ এন উচ্চবিদ্যালয় অ্যান্ড কলেজ গভর্ণিংবডির সভাপতিত্বে অংশগ্রহণের ক্ষিপ।
দূর্গাপুর ইউনিয়ন জন্মভূমি, গর্বিত ইতিহাসের ঝর্ণা,
গাজীপুরের জনপদে আলো ছড়ায় চিরদিন অম্লান ভরা।

সৈনিক জীবনের অভিজ্ঞতা, পাকিস্তান থেকে বাংলাদেশে পদচারণা,
মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি তাঁর লেখায় প্রতিফলিত অম্লান শাণা।

সেনা সদর দপ্তর ও বাংলাদেশ রাইফেলসের কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব পালন,
দুটি আর্টিলারি ও পদাতিক ব্রিগেডে রেখেছেন দক্ষতার অমলিন চারণ।

রাষ্ট্রপতি জেনারেল এরশাদ ও সাহাবুদ্দীনের সঙ্গে দায়িত্ব পালন,
ট্রুথ কমিশনের সদস্য হিসেবে সমাজের ন্যায় প্রতিষ্ঠায় অবদান।

সাহসিকতা, দেশপ্রেম ও নেতৃত্বের চিহ্ন স্থাপন করলেন অনন্য,
প্রতিটি পদক্ষেপে প্রতিফলিত হলো দেশপ্রেমের দীপ্ত জ্যোতি স্বচ্ছল অনন্য।

তারাগঞ্জ এইচ এন উচ্চবিদ্যালয়ে শিক্ষার প্রতি ছিলেন নিবেদিত,
শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দূর্গাপুরের মাঠে করেছিলেন অম্লান প্রতিপ্রতি।

সেনা জীবন, পদক্ষেপ, কৌশল ও নেতৃত্বে ছিলেন চমৎকার,
বাংলাদেশ সেনাবাহিনী গর্বিত, তার অবদানে জ্বলছে অমলিন নক্ষত্রকার।

দূর্গাপুরের মাঠে তিনি যেমন পদচারণা করেন দৃঢ়,
তেমনি হৃদয়ে রাখেন দেশের প্রীতি, ভালোবাসার তীর।

বিপ্লবের গর্জনে, শান্তির আলোয়, দায়িত্ব পালন করেন নিখুঁত,
অস্ত্র হাতে, কলম হাতে, ইতিহাসে রেখেছেন অমলিন ছাপ চিরন্তন।

সেনা জীবনের স্মৃতি, পাকিস্তানের শত্রু চিহ্নিত অগ্নিপথ,
বাংলাদেশে ফিরেই যোগ দিলেন মেজর হিসেবে, দেশের গর্বের চিহ্নিত সত্যপথ।

ব্রিগেডের কমান্ডার, আর্টিলারি, পদাতিকের কৌশল-সঞ্চালন,
মেজর জেনারেল পদে উন্নীত হয়ে রাখলেন দক্ষতার নিখুঁত বিকাশমান।

সামরিক সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন, রাষ্ট্রপতি ও অস্থায়ী শাসন,
শান্তিপূর্ণ ক্ষমতা হস্তান্তরে ভূমিকা রাখলেন, অমলিন জনমানের প্রাণ।

রণক্ষেত্রে আগুনের ছোঁয়ায়, বজ্রের মতো বাজে তাঁর পদচারণা,
সাহসের ঝড়, হৃদয়ের তীব্র আলো, দেশপ্রেমের অমলিন ধ্রুবতারা।

সমরাস্ত্র কারখানার নেতৃত্বে রেখেছেন ন্যায় ও প্রজ্ঞার দীপ্তি,
দেশের শক্তি, সেনাবাহিনী গর্বিত, ইতিহাসে স্থাপিত অনন্য সতীপ্তি।

১৭ জুলাই রবিবার রাতে চলে গেলেন না ফেরার দেশে,
একডালা গ্রামের গর্ব, দেশের ইতিহাসে থাকবেন চিরস্মরণে।

দূর্গাপুরের সন্তান, তার নাম জ্বলছে গর্বের আলো,
স্মৃতিতে থাকবেন চিরকাল, দেশের কণ্ঠে অমলিন আলো।

মেজর জেনারেল (অব.) মনজুর রশীদ খান, সাহস, জ্ঞান ও কর্মের প্রতীক,
বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও দেশের ইতিহাসে অম্লান হয়ে থাকবেন চিরকাল অনবীক।
--------------------------------------------------------------------------------

Saturday, September 6, 2025

আমরা বিপ্লবী

 আমরা বিপ্লবী

কলমেঃ মোঃ আমিুনল এহছান মোল্লা
তারিখঃ ০৬-০৯-২০২৫ ইং
রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর।
**********************************
আমরা বিপ্লবী, আমরা বিপ্লব করতে এসেছি।
নীরবতা ভেঙে, জাগুক অন্ধকারের রাজ্যে আলো।
অন্ন নেই,বাসস্থান নেই, বস্ত্র নেই,
কিন্তু আমাদের মনোবল অটল, অদম্য।

অত্যাচার, জুলুম, দমন—সব ভেঙে যাবে,
আমাদের চিৎকারে কাঁপুক পাহাড়, গর্জুক নদী।
কারখানা বন্ধ, কর্মহীনতা—ভয় নয়,
আমরা গড়ব সমাজ, যেখানে থাকবে সমতা।

দাসত্বের শিকল ছিঁড়ে ফেলা হবে,
হাতে হাত মিলিয়ে জাতি জাগুক।
অন্যায়ের প্রাচীর ধ্বংস করো,
আমাদের রক্ত, আমাদের চিৎকার, ইতিহাস লিখুক।

বিদ্রোহ করো, চিৎকার করো!
অত্যাচারের অন্ধকার ভেঙে দাও।
আজ নয়, এখনই সময়,
স্বাধীনতা হবে আমাদের গান, আমাদের শিখা।

সাম্য আনো, ন্যায় আনো,
মুক্তির সূর্যোদয় হোক প্রতিটি ঘরে।
হে জাতি, চোখ খুলো, হৃদয় জ্বালাও,
আমরা বিপ্লবী, আমরা বিপ্লব করতে এসেছি।
------------------------------------------

ড. মনিরুল আলম সরকার

 ড. মনিরুল আলম সরকার

কলমেঃ মোঃ আমিুনল এহছান মোল্লা
তারিখঃ ০৬-০৯-২০২৫ ইং
রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর।
**********************************
রাওনাট গ্রামের প্রান্তরে, হাবিবুল্লাহ সরকারের পুত্র,
জন্ম হলো আলোয় ভরা, জ্ঞানের মুক্ত আকাশপুত্র।
শৈশবের দিনগুলো সোনালী, মাঠে ঘাসে খেলা,
জ্ঞানলিপির পথে ছড়াল প্রথম দ্যুতি, প্রথম হেলকা।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (B.Sc. ১৯৮২) তাঁর প্রথম আশ্রয়,
M.Sc. ১৯৮৪–এ জ্ঞানবীজ বোনা উঁচু প্রাসাদ।
সংখ্যার রাজ্যে পেলেন অনন্ত প্রেরণা,
সূত্রের ছন্দে ছড়াল জীবনের ধ্রুব স্রোতা।

বেলজিয়ামের দেশে (M.Stat. ১৯৮৭) গেলেন দূর প্রবাসে,
পরিসংখ্যানে খুঁজলেন জ্ঞানের ভাষা।
সংখ্যার স্রোত, তত্ত্বের মধুর গান,
প্রকৃতির ছন্দে মিলল বিজ্ঞানমান।

দক্ষিণ কোরিয়ার তটে (Ph.D. ১৯৯২),
Pukyong National University-এর ঘরে খুঁজলেন প্রজ্ঞা।
Numerical Heat Transfer, Cooling Tower Computation—
মহাকাব্যের থিম, বিজ্ঞান ও বাস্তবের সংযোজন।

MHD, convection, fin, wavy cavity—
প্রকৃতির গোপন রহস্য তিনি প্রকাশ্যে আনেন ধৈর্য্যে।
সংখ্যার ছন্দে, স্রোতের গান,
তাপ স্থানান্তরের রূপক, বৈজ্ঞানিক মান।

২০০০ সালে দেশে ফিরে আসেন নতুন প্রভাতে,
BUET-এর প্রাঙ্গণে পেলেন জ্ঞানের বাতাসে।
অধ্যাপক হলেন, শিক্ষাদান করলেন প্রাণে,
অঙ্কের জগতে জ্বালালেন জ্ঞানের প্রদীপ মহান।

২০১৩ সালের ১ অক্টোবর, গৌরবের দিন,
বিভাগীয় প্রধান হলেন গণিতের প্রাঙ্গণ।
দুই বছর টানা নেতৃত্বদান,
২০১৫ সালের ২ অক্টোবর শেষ হলো সেই প্রাণধন।

গবেষণার পথে ক্লান্তি নেই কোনো,
৫৭টি প্রবন্ধে রেখেছেন জ্ঞানের সোনালী ধ্বনি।
Elsevier-এ ২০২১ সালে জ্বলে,
“Impact of Undulation…” পত্রে আলো ঢলে।

৬৬৮ উদ্ধৃতি তাঁর কীর্তির চিহ্ন,
Fluid Dynamics, Heat Transfer—অমর সঙ্গীত।
বাংলাদেশের নাম ছড়াল দিগন্তে,
তিনি অঙ্কশিল্পী, জ্ঞানের মন্ত্রে।

বাংলাদেশ ম্যাথমেটিক্যাল সোসাইটির নেতা,
LM 129 নম্বর স্থায়ী পরিচয় তাঁর প্রেত।
MIST-এ ২০২২ সালের সেমিনারে,
Engineering Mathematics-এর আলো ছড়াল খোলা প্রাঙ্গারে।

পুরস্কার, ফেলোশিপ, অনুদানের দানে,
শিক্ষার্থীদের স্বপ্ন সাজালেন প্রাণে।
প্রতিটি সংখ্যা, প্রতিটি সূত্র,
শিক্ষা ও গবেষণার পথপ্রদর্শক হ্রদ।

সূত্রের রেখায় খুঁজে পেলেন সত্যের আলো,
গণিতের ছন্দে ঝরালেন রূপকের ঝলক।
প্রকৃতি, স্রোত, তাপের ছন্দে মিল,
সমীকরণে জীবনের স্বপ্ন ভরল।

বুয়েট প্রাঙ্গণে শিখিয়েছেন অনেক প্রজন্মকে,
শিক্ষার আলো ছড়ালেন সারাবিশ্বে।
অধ্যাপক, গবেষক, গাইড, নেতা—
সব ভূমিকায় তিনি অনন্য।

গবেষণা, প্রকাশনা, থিসিস, সমাবেশ,
সকল কর্মকাণ্ডে রেখেছেন স্বচ্ছ প্রেরণা।
জ্ঞান, সেবা, অধ্যবসায়, ধৈর্য—
ড. মনিরুল আলম সরকারের জীবন অমর, অদম্য।

আজও তিনি হাতে ধরেছেন জ্ঞানের প্রদীপ,
প্রবাহিত করছেন আলো নতুন প্রজন্মের মধ্যে।
সংখ্যা, সূত্র, মডেল, এবং থিসিসের গান,
রাওনাট গ্রামের কৃতি সন্তান—হাবিবুল্লাহ সরকারের পুত্র, অমর দীপ্তিমান।
-------------------------------------------------------------------

ড. আমীর হোসেন

ড. আমীর হোসেন
কলমেঃ মোঃ আমিুনল এহছান মোল্লা
তারিখঃ ০৬-০৯-২০২৫ ইং
রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর।
**********************************
ওনাট গ্রামের কৃতি সন্তান, আশ্রাফ আলীর ছেলে,
ড. আমীর হোসেন, জ্ঞানের পথে সপ্ন মেলায় হেলে।
গাজীপুর ক্যান্টাসে, BOU-এর কক্ষে কর্মরত,
সহযোগী অধ্যাপক, আরবির জ্ঞান-মহলে প্রফুল্ল আলো ছড়ায়।

Al-Ijazah al-‘Aliyah, ১৯৮৬-এ মদিনা থেকে লাভ,
শিক্ষার জ্যোতি ছড়ালেন, জ্ঞানের পথে সব সময় প্রফুল্ল ধ্বনি।
লাখনৌ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এম.এ., ১৯৮৯-এ প্রথম শ্রেণী,
আরবির সাহিত্য–শিক্ষা ও গবেষণায় তার চিরন্তন প্রীতি।

পিএইচডি (আরবি ভাষা ও সাহিত্য), লাখনৌ ১৯৯৩-এ অর্জন,
শিক্ষা ও গবেষণার দীপ জ্বলে, সমর্পিত জ্ঞান বিনিয়োগ।
Kamil, ১৯৭৮ সালে বাংলাদেশ মাদ্রাসা বোর্ড থেকে,
Fazil, ১৯৭৬; Alim, ১৯৭৩; Dakhil, ১৯৭১–প্রথম শ্রেণীতে চিহ্নিত তাঁকে।

মাদক আসক্তির কারণ ও প্রতিকার চিন্তা–ইসলামী দৃষ্টিতে ২০১৮,
Teaching Speaking Skill at University Level, গবেষণা ২০১৮।
মুসলিম উম্মাহর সমস্যা ও উত্তরণ ভাবনা প্রকাশ ২০০৬-এ,
কবি হাফিজ ইবরাহীমের কবিতায় জাগরণের আলো ২০০৬-এ।

জীবনদর্শন হিসেবে ইসলামি শরীআতের উৎকর্ষতা ২০০৫-এ,
তাদরিসু মাহারাতিল কালাম ফি বাংলাদেশ–DU Journal ২০০৫-এ।
মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা) ও ব্যবহারিক বিজ্ঞান–২০০৪,
নারী অধিকার, ইসলামি অর্থব্যবস্থা, সামাজিক অবক্ষয়–সবই তাঁর গবেষণার আলো।

দূরশিক্ষণ পদ্ধতিতে ভাষা শিক্ষার কৌশল বিকাশ,
আধুনিক আরবি ও ক্লাসিক সাহিত্য–উভয়ের সমন্বয় প্রীতির আশ্বাস।
বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ে সহযোগী অধ্যাপক,
গাজীপুর ক্যান্টাসে কর্মরত, জ্ঞানের দীপ প্রজ্জ্বলিত।

রাওনাটের কৃতি সন্তান, জনাব আশ্রাফ আলীর ছেলে,
ড. আমীর হোসেন সরকারের জীবন–বিদ্যার দীপে অম্লান আলো খেলে।
-------------------------------------------------------------------