Sunday, September 7, 2025

সন্ত্রাসীর রক্ত চক্ষু

 সন্ত্রাসীর রক্ত চক্ষু

কলেমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা
রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর
-----------------------------------------------
রক্তের ঢেউয়ে আজ ভাসে বাংলার দিগন্ত,
ভয়াল চক্ষু দীপ্ত হয়ে জ্বালে অগ্নি-সন্ত।
পেশীশক্তির উল্লাসে কণ্ঠরোধী ধ্বনি,
অত্যাচারীর রক্তচক্ষু ছায়া ঘিরে গনি।

কূলহারা জাতি ভাসে দুঃসহ সাগর জ্বরে,
কালো বংশধর নাচে বিষাক্ত অহংকারে।
অলি গলিতে জ্বলে লাল গঙ্গার উত্তাল ধারা,
ন্যায় নিথর! কাণ্ডারী স্তব্ধ, স্বাধীনতা হারা।

বৈষম্যের পাহাড় গজায় পদে পদে দেশে,
ছলনার স্রোত বয়েছে রক্তিম নিশ্বাসে।
মীরজাফরের বিষধারা বয় রাষ্ট্র যন্ত্র ভরে,
অন্তরে অন্তরে প্রতিধ্বনি—বেইমানীর স্রোতে ঝরে।

সমাজে সমাজে দ্বন্দ্ব, সংঘাত, হানাহানি,
বর্বরতার পদচিহ্ন বাজে উগ্রতার গানী।
অন্ধকারে ছুটে চলে মাতৃভূমি মোর,
অধিকার আজ বন্দী, স্বার্থে লোভীর ঘোর।

সত্যের জ্যোতি নেভে, ভীরু জাতি নীরব,
রক্তচক্ষুর ত্রাসে ম্লান হয় স্বাধীনতার সব।
অসনি সংকেত বাজে আকাশে মেঘের মতো,
হে বীরের উত্তরসূরী, জাগো বজ্র-শপথে।

গর্জে ওঠো তরুণ সেনানী, বিদ্রোহী বজ্রকণ্ঠে,
ভাঙো শৃঙ্খল, ভাঙো ভয়, মুক্ত করো মন্ত্রে।
সন্ত্রাসীর রক্তচক্ষু চূর্ণ হবে আজ,
বাংলার আকাশ কাঁপুক বজ্র বিদ্রোহী সাজ!
--------------------------------------------------------

রক্তচক্ষু

 রক্তচক্ষু

কলেমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা
রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর
-----------------------------------------------
রক্তচক্ষু জ্বলে, আগুনের দীপ্তিতে দগ্ধ,
ভয়ঙ্কর শক্তি বাজায় অশ্রুধারার ঝঞ্ঝায় ঘূর্ণ্ধ।
কণ্ঠরোধে নিভৃতে দাঁড়ায় নীরব রাজনা,
জাতি নদীর কূলহীন স্রোতে নিমজ্জিত, বেদনায় ভাসা।

কালো বংশধরের উত্থানে পেশী দাঙায়,
কেউ কিছু বলে না, সবাই ভয় ও স্তম্ভিত চায়।
বাংলার অলি-গলি রক্তের গঙ্গা,
কাণ্ডারী নিশ্চুপ, ন্যায়ের নয়গঙ্গা।

বৈষম্যের পর্বত গজিছে পদে-পদে,
ছলনার প্রতিধ্বনি অন্তরে বাজে, হৃদয় খাপে।
মীরজাফরের রক্ত প্রবাহ রাষ্ট্রযন্ত্রে ধীরে,
সমাজে সংঘাত, দ্বন্দ্ব, হানাহানি অখণ্ড ভীরে।

অন্ধকারের দিকে ছুটছে প্রিয় বাংলাদেশ,
অধিকার, স্বাধীনতা আজ লোভী স্বার্থের ত্রেশ।
সত্যকে সত্য বলতে জানে না নিমুখ জাতি,
ভয়ঙ্কর সংকেত বাজে, বিপদ ঢেকে রেখেছে খাঁটি।

রক্তচক্ষুর দীপ্তিতে জ্বলে বিদ্রোহের আগুন,
নীরবতা ভাঙে, ভয়ঙ্কর চিৎকারে বাজে দাগুন।
অত্যাচার, অন্যায়, প্রতারণার চক্রবৃদ্ধি,
জাতির হৃদয় ক্রন্দন করে, হাহাকার ছড়ায় নিঃশব্দি।

আজ আর নীরব থাকা যাবে না,
ন্যায়ের তলোয়ার হাতে, অগ্নি হৃদয়ে ঝড় রবে।
বিপ্লবের বাণী ছড়াক শহরে-শহরে,
রক্তচক্ষু জ্বলে, তাড়াক জালিমদের খোঁজে।

উচ্চস্বরে গর্জে উঠুক রক্তচক্ষু,
বিদ্রোহের দীপ জ্বলে, কুপ্রবৃত্তি হয় ধ্বংসিত।
বঞ্চনার চাবুক ভেঙে, জাতি উঠে দাঁড়াক,
অধিকার, স্বাধীনতা জেগে থাক, দেশ হোক উদ্দাম।

হায়! কত শোষণ, কত অন্যায়, কত দুর্নীতি,
রক্তচক্ষু দেখে, শোনে, প্রেরণা পায় নবজ্যোতি।
আজ জাতি জেগে উঠুক, অন্ধকার দূর হোক,
বিপ্লবের ঝড়ে দেশ পরিশুদ্ধ হোক, মুক্তি ভরোক।

রক্তচক্ষু দ্যুতিতে বিদ্রোহী শূন্য ভাঙুক,
সত্যের বিজয় ঘণিষ্ঠ হোক, জয়ধ্বনি বাজুক।
হৃদয় চূড়ান্ত জ্বলে, বীজ বপন হোক মুক্তির,
রক্তচক্ষুর দীপ্তি ছড়াক, বিজয় হোক জাতির।
--------------------------------------------------------

মেজর জেনারেল (অব.) মনজুর রশীদ খান

 

মেজর জেনারেল (অব.) মনজুর রশীদ খান
মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা

মেজর জেনারেল (অব.) মনজুর রশীদ খান
কলেমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা
রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর
-----------------------------------------------
নীল আকাশে বজ্রঝড়ের মতো জ্বলে জন্মের দীপ, গাজীপুরের আলো,
দূর্গাপুর ইউনিয়নের একডালা গ্রামে জ্বলে খান বংশের অমলিন আলো।

পিতা ডাঃ আব্দুর রশীদ খান, চিকিৎসার তীরধনুকের মতো দৃঢ়,
মা কুরছিয়া বেগম, প্রেমের সোনালি ঢেউ, হৃদয়ে বাজে অনন্য বাণী।

শিশুকালে তারাগঞ্জ এইচ এন উচ্চবিদ্যালয়ে কল্পনার বীজ বোনা,
নোয়াখালীর সোনাইমুড়ি স্কুলে কৃতিত্বের ফুল ফুটে ওঠে উজ্জ্বল সোনা।

ঢাকার জগন্নাথ কলেজে উচ্চমাধ্যমিকের আলো জ্বলে দিগন্তে,
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করল প্রজ্ঞার অনন্তে।

১৮ এপ্রিল ১৯৬৪, পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে কমিশন লাভের প্রভাত,
১৯৬৫ সালের যুদ্ধের অগ্নিশিখায় দাঁড়ালেন সাহসের তীব্র বাত।

শিয়ালকোটের রণক্ষেত্রে ১৯৭১ সালে অস্ত্র হাতে দাঁড়ালেন দৃঢ়,
মুক্তিযুদ্ধের আড়াই বছর পাকিস্তানে কাটল শত্রুর অগ্নিবীণার তীব্র।

দেশে ফিরে ১৯৭৩ সালে মেজর পদে যোগ দিলেন দেশপ্রেমে,
বাংলাদেশ রাইফেলস ও সেনা সদর দপ্তরে দায়িত্ব পালন করলেন নির্ভয়ে।

দুটি আর্টিলারি ও পদাতিক ব্রিগেডের কমান্ডার হিসেবে ছিলেন শক্ত,
১৯৮৬ সালে মেজর জেনারেল পদে উন্নীত হয়ে রাখলেন ন্যায্য অধিকার অমলিত।

বাংলাদেশ সমরাস্ত্র কারখানার প্রধান পদে দায়িত্ব পালন,
এরশাদ ও সাহাবুদ্দীনের সামরিক সচিব হিসেবে রাখলেন সততা ও মান।

১৯৯০ সালের গণঅভ্যুত্থানে শান্তিপূর্ণ ক্ষমতা হস্তান্তরে ছিলেন অগ্নি,
১৯৯৫ সালে অবসর গ্রহণ করলেন, বর্ণাঢ্য কর্মময় জীবনের শেষ প্রভাতি।

পরিবারে তিন ভাই, তিন বোন, বড় সন্তান তিনি, গর্বের মানে,
মেঝো ভাই ও দুই বোন চলে গেছেন না ফেরার দেশে, স্মৃতির আলোই ভাসে ধ্রুব মানে।
একমাত্র জীবিত ছোট ভাই আজগর রশীদ খান, বীর মুক্তিযোদ্ধা,
কাপাসিয়া উপজেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সভাপতি, গর্বিত সমাজের নেতা অনন্ত ধ্রুবতা।
স্ত্রী, দুই ছেলে, এক মেয়ে রেখে গেছেন স্মৃতির দীপ্তি,
সন্তানরা উচ্চ শিক্ষিত, কানাডা প্রবাসী, পরিবারে সমৃদ্ধি।

লেখক, কলামিস্ট ও সামরিক বিশ্লেষক, কলম তাঁর তীর,
জাতীয় দৈনিক প্রথম আলো ও সংবাদে লেখেন জ্ঞানভরা স্রোতের শীর।

গ্রন্থ রচনায় উল্লেখযোগ্য:
“এরশাদের পতন ও সাহাবুদ্দীনের অস্থায়ী শাসন”,
“আমার সৈনিক জীবনঃ পাকিস্তান থেকে বাংলাদেশ”—সৈনিক জীবনের দীপ্ত অন্বেষণ।

ধর্মীয় ও সামাজিক কাজে যুক্ত, ছিল প্রতিষ্ঠার দীপ,
তারাগঞ্জ এইচ এন উচ্চবিদ্যালয় অ্যান্ড কলেজ গভর্ণিংবডির সভাপতিত্বে অংশগ্রহণের ক্ষিপ।
দূর্গাপুর ইউনিয়ন জন্মভূমি, গর্বিত ইতিহাসের ঝর্ণা,
গাজীপুরের জনপদে আলো ছড়ায় চিরদিন অম্লান ভরা।

সৈনিক জীবনের অভিজ্ঞতা, পাকিস্তান থেকে বাংলাদেশে পদচারণা,
মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি তাঁর লেখায় প্রতিফলিত অম্লান শাণা।

সেনা সদর দপ্তর ও বাংলাদেশ রাইফেলসের কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব পালন,
দুটি আর্টিলারি ও পদাতিক ব্রিগেডে রেখেছেন দক্ষতার অমলিন চারণ।

রাষ্ট্রপতি জেনারেল এরশাদ ও সাহাবুদ্দীনের সঙ্গে দায়িত্ব পালন,
ট্রুথ কমিশনের সদস্য হিসেবে সমাজের ন্যায় প্রতিষ্ঠায় অবদান।

সাহসিকতা, দেশপ্রেম ও নেতৃত্বের চিহ্ন স্থাপন করলেন অনন্য,
প্রতিটি পদক্ষেপে প্রতিফলিত হলো দেশপ্রেমের দীপ্ত জ্যোতি স্বচ্ছল অনন্য।

তারাগঞ্জ এইচ এন উচ্চবিদ্যালয়ে শিক্ষার প্রতি ছিলেন নিবেদিত,
শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দূর্গাপুরের মাঠে করেছিলেন অম্লান প্রতিপ্রতি।

সেনা জীবন, পদক্ষেপ, কৌশল ও নেতৃত্বে ছিলেন চমৎকার,
বাংলাদেশ সেনাবাহিনী গর্বিত, তার অবদানে জ্বলছে অমলিন নক্ষত্রকার।

দূর্গাপুরের মাঠে তিনি যেমন পদচারণা করেন দৃঢ়,
তেমনি হৃদয়ে রাখেন দেশের প্রীতি, ভালোবাসার তীর।

বিপ্লবের গর্জনে, শান্তির আলোয়, দায়িত্ব পালন করেন নিখুঁত,
অস্ত্র হাতে, কলম হাতে, ইতিহাসে রেখেছেন অমলিন ছাপ চিরন্তন।

সেনা জীবনের স্মৃতি, পাকিস্তানের শত্রু চিহ্নিত অগ্নিপথ,
বাংলাদেশে ফিরেই যোগ দিলেন মেজর হিসেবে, দেশের গর্বের চিহ্নিত সত্যপথ।

ব্রিগেডের কমান্ডার, আর্টিলারি, পদাতিকের কৌশল-সঞ্চালন,
মেজর জেনারেল পদে উন্নীত হয়ে রাখলেন দক্ষতার নিখুঁত বিকাশমান।

সামরিক সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন, রাষ্ট্রপতি ও অস্থায়ী শাসন,
শান্তিপূর্ণ ক্ষমতা হস্তান্তরে ভূমিকা রাখলেন, অমলিন জনমানের প্রাণ।

রণক্ষেত্রে আগুনের ছোঁয়ায়, বজ্রের মতো বাজে তাঁর পদচারণা,
সাহসের ঝড়, হৃদয়ের তীব্র আলো, দেশপ্রেমের অমলিন ধ্রুবতারা।

সমরাস্ত্র কারখানার নেতৃত্বে রেখেছেন ন্যায় ও প্রজ্ঞার দীপ্তি,
দেশের শক্তি, সেনাবাহিনী গর্বিত, ইতিহাসে স্থাপিত অনন্য সতীপ্তি।

১৭ জুলাই রবিবার রাতে চলে গেলেন না ফেরার দেশে,
একডালা গ্রামের গর্ব, দেশের ইতিহাসে থাকবেন চিরস্মরণে।

দূর্গাপুরের সন্তান, তার নাম জ্বলছে গর্বের আলো,
স্মৃতিতে থাকবেন চিরকাল, দেশের কণ্ঠে অমলিন আলো।

মেজর জেনারেল (অব.) মনজুর রশীদ খান, সাহস, জ্ঞান ও কর্মের প্রতীক,
বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও দেশের ইতিহাসে অম্লান হয়ে থাকবেন চিরকাল অনবীক।
--------------------------------------------------------------------------------

Saturday, September 6, 2025

আমরা বিপ্লবী

 আমরা বিপ্লবী

কলমেঃ মোঃ আমিুনল এহছান মোল্লা
তারিখঃ ০৬-০৯-২০২৫ ইং
রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর।
**********************************
আমরা বিপ্লবী, আমরা বিপ্লব করতে এসেছি।
নীরবতা ভেঙে, জাগুক অন্ধকারের রাজ্যে আলো।
অন্ন নেই,বাসস্থান নেই, বস্ত্র নেই,
কিন্তু আমাদের মনোবল অটল, অদম্য।

অত্যাচার, জুলুম, দমন—সব ভেঙে যাবে,
আমাদের চিৎকারে কাঁপুক পাহাড়, গর্জুক নদী।
কারখানা বন্ধ, কর্মহীনতা—ভয় নয়,
আমরা গড়ব সমাজ, যেখানে থাকবে সমতা।

দাসত্বের শিকল ছিঁড়ে ফেলা হবে,
হাতে হাত মিলিয়ে জাতি জাগুক।
অন্যায়ের প্রাচীর ধ্বংস করো,
আমাদের রক্ত, আমাদের চিৎকার, ইতিহাস লিখুক।

বিদ্রোহ করো, চিৎকার করো!
অত্যাচারের অন্ধকার ভেঙে দাও।
আজ নয়, এখনই সময়,
স্বাধীনতা হবে আমাদের গান, আমাদের শিখা।

সাম্য আনো, ন্যায় আনো,
মুক্তির সূর্যোদয় হোক প্রতিটি ঘরে।
হে জাতি, চোখ খুলো, হৃদয় জ্বালাও,
আমরা বিপ্লবী, আমরা বিপ্লব করতে এসেছি।
------------------------------------------

ড. মনিরুল আলম সরকার

 ড. মনিরুল আলম সরকার

কলমেঃ মোঃ আমিুনল এহছান মোল্লা
তারিখঃ ০৬-০৯-২০২৫ ইং
রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর।
**********************************
রাওনাট গ্রামের প্রান্তরে, হাবিবুল্লাহ সরকারের পুত্র,
জন্ম হলো আলোয় ভরা, জ্ঞানের মুক্ত আকাশপুত্র।
শৈশবের দিনগুলো সোনালী, মাঠে ঘাসে খেলা,
জ্ঞানলিপির পথে ছড়াল প্রথম দ্যুতি, প্রথম হেলকা।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (B.Sc. ১৯৮২) তাঁর প্রথম আশ্রয়,
M.Sc. ১৯৮৪–এ জ্ঞানবীজ বোনা উঁচু প্রাসাদ।
সংখ্যার রাজ্যে পেলেন অনন্ত প্রেরণা,
সূত্রের ছন্দে ছড়াল জীবনের ধ্রুব স্রোতা।

বেলজিয়ামের দেশে (M.Stat. ১৯৮৭) গেলেন দূর প্রবাসে,
পরিসংখ্যানে খুঁজলেন জ্ঞানের ভাষা।
সংখ্যার স্রোত, তত্ত্বের মধুর গান,
প্রকৃতির ছন্দে মিলল বিজ্ঞানমান।

দক্ষিণ কোরিয়ার তটে (Ph.D. ১৯৯২),
Pukyong National University-এর ঘরে খুঁজলেন প্রজ্ঞা।
Numerical Heat Transfer, Cooling Tower Computation—
মহাকাব্যের থিম, বিজ্ঞান ও বাস্তবের সংযোজন।

MHD, convection, fin, wavy cavity—
প্রকৃতির গোপন রহস্য তিনি প্রকাশ্যে আনেন ধৈর্য্যে।
সংখ্যার ছন্দে, স্রোতের গান,
তাপ স্থানান্তরের রূপক, বৈজ্ঞানিক মান।

২০০০ সালে দেশে ফিরে আসেন নতুন প্রভাতে,
BUET-এর প্রাঙ্গণে পেলেন জ্ঞানের বাতাসে।
অধ্যাপক হলেন, শিক্ষাদান করলেন প্রাণে,
অঙ্কের জগতে জ্বালালেন জ্ঞানের প্রদীপ মহান।

২০১৩ সালের ১ অক্টোবর, গৌরবের দিন,
বিভাগীয় প্রধান হলেন গণিতের প্রাঙ্গণ।
দুই বছর টানা নেতৃত্বদান,
২০১৫ সালের ২ অক্টোবর শেষ হলো সেই প্রাণধন।

গবেষণার পথে ক্লান্তি নেই কোনো,
৫৭টি প্রবন্ধে রেখেছেন জ্ঞানের সোনালী ধ্বনি।
Elsevier-এ ২০২১ সালে জ্বলে,
“Impact of Undulation…” পত্রে আলো ঢলে।

৬৬৮ উদ্ধৃতি তাঁর কীর্তির চিহ্ন,
Fluid Dynamics, Heat Transfer—অমর সঙ্গীত।
বাংলাদেশের নাম ছড়াল দিগন্তে,
তিনি অঙ্কশিল্পী, জ্ঞানের মন্ত্রে।

বাংলাদেশ ম্যাথমেটিক্যাল সোসাইটির নেতা,
LM 129 নম্বর স্থায়ী পরিচয় তাঁর প্রেত।
MIST-এ ২০২২ সালের সেমিনারে,
Engineering Mathematics-এর আলো ছড়াল খোলা প্রাঙ্গারে।

পুরস্কার, ফেলোশিপ, অনুদানের দানে,
শিক্ষার্থীদের স্বপ্ন সাজালেন প্রাণে।
প্রতিটি সংখ্যা, প্রতিটি সূত্র,
শিক্ষা ও গবেষণার পথপ্রদর্শক হ্রদ।

সূত্রের রেখায় খুঁজে পেলেন সত্যের আলো,
গণিতের ছন্দে ঝরালেন রূপকের ঝলক।
প্রকৃতি, স্রোত, তাপের ছন্দে মিল,
সমীকরণে জীবনের স্বপ্ন ভরল।

বুয়েট প্রাঙ্গণে শিখিয়েছেন অনেক প্রজন্মকে,
শিক্ষার আলো ছড়ালেন সারাবিশ্বে।
অধ্যাপক, গবেষক, গাইড, নেতা—
সব ভূমিকায় তিনি অনন্য।

গবেষণা, প্রকাশনা, থিসিস, সমাবেশ,
সকল কর্মকাণ্ডে রেখেছেন স্বচ্ছ প্রেরণা।
জ্ঞান, সেবা, অধ্যবসায়, ধৈর্য—
ড. মনিরুল আলম সরকারের জীবন অমর, অদম্য।

আজও তিনি হাতে ধরেছেন জ্ঞানের প্রদীপ,
প্রবাহিত করছেন আলো নতুন প্রজন্মের মধ্যে।
সংখ্যা, সূত্র, মডেল, এবং থিসিসের গান,
রাওনাট গ্রামের কৃতি সন্তান—হাবিবুল্লাহ সরকারের পুত্র, অমর দীপ্তিমান।
-------------------------------------------------------------------

ড. আমীর হোসেন

ড. আমীর হোসেন
কলমেঃ মোঃ আমিুনল এহছান মোল্লা
তারিখঃ ০৬-০৯-২০২৫ ইং
রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর।
**********************************
ওনাট গ্রামের কৃতি সন্তান, আশ্রাফ আলীর ছেলে,
ড. আমীর হোসেন, জ্ঞানের পথে সপ্ন মেলায় হেলে।
গাজীপুর ক্যান্টাসে, BOU-এর কক্ষে কর্মরত,
সহযোগী অধ্যাপক, আরবির জ্ঞান-মহলে প্রফুল্ল আলো ছড়ায়।

Al-Ijazah al-‘Aliyah, ১৯৮৬-এ মদিনা থেকে লাভ,
শিক্ষার জ্যোতি ছড়ালেন, জ্ঞানের পথে সব সময় প্রফুল্ল ধ্বনি।
লাখনৌ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এম.এ., ১৯৮৯-এ প্রথম শ্রেণী,
আরবির সাহিত্য–শিক্ষা ও গবেষণায় তার চিরন্তন প্রীতি।

পিএইচডি (আরবি ভাষা ও সাহিত্য), লাখনৌ ১৯৯৩-এ অর্জন,
শিক্ষা ও গবেষণার দীপ জ্বলে, সমর্পিত জ্ঞান বিনিয়োগ।
Kamil, ১৯৭৮ সালে বাংলাদেশ মাদ্রাসা বোর্ড থেকে,
Fazil, ১৯৭৬; Alim, ১৯৭৩; Dakhil, ১৯৭১–প্রথম শ্রেণীতে চিহ্নিত তাঁকে।

মাদক আসক্তির কারণ ও প্রতিকার চিন্তা–ইসলামী দৃষ্টিতে ২০১৮,
Teaching Speaking Skill at University Level, গবেষণা ২০১৮।
মুসলিম উম্মাহর সমস্যা ও উত্তরণ ভাবনা প্রকাশ ২০০৬-এ,
কবি হাফিজ ইবরাহীমের কবিতায় জাগরণের আলো ২০০৬-এ।

জীবনদর্শন হিসেবে ইসলামি শরীআতের উৎকর্ষতা ২০০৫-এ,
তাদরিসু মাহারাতিল কালাম ফি বাংলাদেশ–DU Journal ২০০৫-এ।
মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা) ও ব্যবহারিক বিজ্ঞান–২০০৪,
নারী অধিকার, ইসলামি অর্থব্যবস্থা, সামাজিক অবক্ষয়–সবই তাঁর গবেষণার আলো।

দূরশিক্ষণ পদ্ধতিতে ভাষা শিক্ষার কৌশল বিকাশ,
আধুনিক আরবি ও ক্লাসিক সাহিত্য–উভয়ের সমন্বয় প্রীতির আশ্বাস।
বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ে সহযোগী অধ্যাপক,
গাজীপুর ক্যান্টাসে কর্মরত, জ্ঞানের দীপ প্রজ্জ্বলিত।

রাওনাটের কৃতি সন্তান, জনাব আশ্রাফ আলীর ছেলে,
ড. আমীর হোসেন সরকারের জীবন–বিদ্যার দীপে অম্লান আলো খেলে।
-------------------------------------------------------------------

মুক্তিযোদ্ধা ওবায়েদ উল্লাহ

 মুক্তিযোদ্ধা ওবায়েদ উল্লাহ

কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা
তারিখঃ ০৬-০৯-২০২৫ ইং
রাওনাট, কাপাসিয়া, গাজীপুর।
********************************************
শীতলক্ষ্যা তীরে এপ্রিল ১৯৭১ এ,
পাক হানাদার আসে কাপাসিয়ার পাটে।
ওবায়েদ উল্লাহ নেতৃত্বে দাঁড়ায়,
প্রতিরোধের শিহরণে জয় লেখা যায়।

তরগাও গ্রামের বীর, মুক্তিযোদ্ধার পাথেয়,
মুক্তিযুদ্ধের সাহসে জমে প্রান্তর ময়।
নদী, মাঠ, বাঁশের গোপন ঘাঁটি,
সেনাদের ভয় দেখায় সম্মুখ যুদ্ধে তার পাটি।

২৪ নভেম্বর কাপাসিয়া মুক্ত হলো,
অপরাজেয় মন, অটল চেতনা জ্বলো।
নগাজীপুরেও নজর ছিল আলাদা,
মুক্তিযুদ্ধের সংগঠন গড়ে ওঠে সুগভীর ছায়া।

স্বাধীনতার পর এমপি নির্বাচিত হলো,
গাজীপুর-৪ আসনে দেশের জনতার মন জিতলো।
জাতীয়তাবাদী দলের নেতা, দায়িত্ব পালন করে,
কাপাসিয়ার মাটি গর্বে রাঙানো চিরকাল বুকে ভরে।

শত্রু থেমে গেলেও বীরত্ব থামে না,
সেনারা কাঁপে, স্বাধীনতার পতাকা উড়ে উঁচু।
ওবায়েদ উল্লাহর নাম ইতিহাসে চিরকাল বহলো,
মুক্তিযোদ্ধা, নেতা, এমপি—সম্মানিত থাকো।
------------------------------------------------------------------

অধ্যাপক ড. একেএম গোলাম হোসেন

 অধ্যাপক ড. একেএম গোলাম হোসেন

কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা
তারিখঃ ০৬-০৯-২০২৫ ইং
রাওনাট, কাপাসিয়া, গাজীপুর।
********************************************
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়, শাসন-রাজনীতির দীপ্ত প্রহরী,
জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের প্রণেতা, সাধারণ সম্পাদক উজ্জ্বল তবকী।
বর্ণাঢ্য জীবনের পথে জ্ঞান-বিজ্ঞান ছড়িয়ে দিয়েছেন তিনি,
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের রাজনীতিতে রেখেছেন চিরন্তন দৃষ্টি।
১৯৮৪ সালে রাজস্থান বিশ্ববিদ্যালয়ে পিএইচডি অর্জন,
“বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল: একটি রাজনৈতিক বিশ্লেষণ” বিষয় অনন্য প্রজ্ঞা।
দেশ-বিদেশে প্রকাশিত ৩১টি গবেষণাপত্র, আলো ছড়িয়ে যায় পথে,
রাজনীতি, শিক্ষা, সমাজ—সকল ক্ষেত্রে শিক্ষার দীপ্তি মেলে প্রতিটি চেষ্টায়।
১৯৮৮ সালে “জেনারেল জিয়াউর রহমান এবং বিএনপি”, প্রকাশিত মহত্ত্ব,
সিভিল বাংলাদেশে সামরিক সম্পর্ক ১৯৯১ সালে তুলনামূলক চিত্র।
বাংলাদেশ: সরকার ও রাজনীতি ১৯৯২ সালে,
স্থানীয় শাসন ও দারিদ্র্য হ্রাস ২০০৭ সালে—সমাজে প্রদীপ প্রজ্জ্বলিত।
শিক্ষা ও গবেষণার জন্য ভ্রমণ করেছেন বিশ্ববিখ্যাত দেশগুলিতে,
গ্রেট ব্রিটেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, জাপান, জার্মানি—জ্ঞানভাণ্ডার বিশাল।
ফ্রান্স, ইতালি, বেলজিয়াম, হল্যান্ড, সুইডেন, ডেনমার্ক,
সংযুক্ত আরব আমিরাত, ভারত, থাইল্যান্ড, হংকং, সিঙ্গাপুর—প্রজ্ঞার অমরাঙ্ক।
বাংলাদেশ সরকারের গুরুত্বপূর্ণ পদে অবদান রেখেছেন তিনি,
১৯৯২-১৯৯৩ সেশনে পাবলিক অ্যাডমিনিস্ট্রেশন ট্রেনিং বোর্ডে।
১৯৯২-১৯৯৬ সেশনে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের টেকনিক্যাল কমিটি,
১৯৯৮ সালে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক—শিক্ষার দীপ্তিময় শিখা।
১৯৯২ সালের জুলাই থেকে ১৯৯৩ সালের এপ্রিল—আল-রেরুনী হলের প্রাধ্যক্ষ,
১৯৯০ সালের আগস্ট থেকে ১৯৯৩ সালের এপ্রিল—বিভাগীয় চেয়ারম্যানের দায়িত্বপালক।
১৯৮৮ সালের নভেম্বর থেকে ১৯৯৭ সালের ডিসেম্বর সহযোগী অধ্যাপক,
১৯৮৫ সালের অক্টোবর থেকে ১৯৮৮ সাল—সহকারী অধ্যাপক, জ্ঞানময় ধ্রুবতারা।
২০০২ সালে জাবির প্রক্টর হিসেবে দায়িত্ব পালন,
১৯৮৪ সালের অক্টোবর থেকে ১৯৮৫ সালের এপ্রিল গবেষক—শুধু তর্ক নয়, কর্মপ্রেরণা।
১৯৮৬-১৯৯৭ সেশনে সিনেটে সদস্য, বিশ্ববিদ্যালয়-জীবন উজ্জ্বল আলো,
শিক্ষাগত দিক থেকেও স্বয়ংসম্পূর্ণ, মেধা ও সততার মিলন চিরন্তন।
মাধ্যমিক ১৯৭০ সালে কাপাশিয়া উচ্চ বিদ্যালয় থেকে শুরু,
উচ্চমাধ্যমিক ১৯৭২ সালে কাপাশিয়া কলেজে জ্ঞানচর্চার শুরু।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগে ১৯৭৫ সালে ৪র্থ স্থান অর্জন,
মাস্টার্স ১৯৭৬ সালে পাস, প্রতিভা ও শ্রমে জ্ঞান-বিশ্ব জুড়ে আলো।
ক্যালিফোর্নিয়া, হেইদেলবার্গ—বাংলাদেশ রাজনীতি ও উন্নয়ন কোর্স,
SOAS লন্ডন, Kobe Gakuin Japan, Berlin Humboldt, Erfurt, Freiburgh—উপস্থাপনা।
Rajasthan, Connecticut University—অতিথি বক্তা হয়ে জ্ঞান ছড়িয়ে,
বিশ্বজুড়ে প্রজ্ঞা ছায়া, শিক্ষার দীপ্তি মেলে অমলিন রাশ্মিতে।
সোমবার রাতে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস থেকে গাজীপুর যাত্রা,
আশুলিয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় আহত, ঢাকা মেডিকেল হাসপাতালে মৃত্যু দেখা।
মঙ্গলবার দুপুরে কাপাসিয়ার তরগাঁও গ্রামে দাফন, পরিবার-গ্রাম মিলিত,
উপাচার্য, শিক্ষক-শিক্ষার্থী জানাজায় উপস্থিত, শেষকৃত্য সম্পন্ন—চিরন্তন স্মৃতিতে ঢলে।
জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের প্রথম পূর্ণাঙ্গ কমিটির সাধারণ সম্পাদক,
জীবন থেকে বিদায় নিলেন ৫৯ বছরে, স্মৃতিতে থাকবেন চিরন্তন দীপ্তি,
জ্ঞান, সততা, শিক্ষা—সব মিলিয়ে গড়ে তুলেছেন অনন্য প্রতিভা,
শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় স্মরণীয় হয়ে থাকবেন সব প্রজন্মের হৃদয়ময় দৃষ্টিতে।
--------------------------------------------------------------------------


অধ্যাপক ড.আবু নঈম শেখ

 অধ্যাপক ড.আবু নঈম শেখ

কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা
তারিখঃ ০৬-০৯-২০২৫ ইং
রাওনাট, কাপাসিয়া, গাজীপুর।
********************************************
রাওনাট গ্রামে জন্ম, ১৯৬৩ সালে আলো ছড়াল,
শৈশবের সব স্বপ্ন যেন অংকের রেখায় বাঁধল।

সংখ্যা আর ফাংশনে খুঁজলেন জীবনের ছন্দ,
প্রতিটি সূত্রে মিলল জ্ঞানের মধুর বন্ধ।

জাহাঙ্গীরনগর গণিতে সম্মানী স্নাতক হবার ধারা,
স্নাতকোত্তরে যোগ হলো কল্পনার অসীম ভারা।

কিয়োটো বিশ্ববিদ্যালয়ে ফলিত গণিতে মন গড়ল,
সংখ্যা, সমীকরণে জীবনকে অমর করল।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় পিএইচডি, জ্ঞান যেন নদী প্রবাহিত,
অমল দীপ্তি দিয়ে ছাত্র-শিক্ষকের মন আলোকিত।

ডুয়েটের অধ্যাপক, তিন দশক ধরে পাঠদান,
গবেষণার অঙ্কে আঁকলেন অজানা জগতের প্রাণ।

সিন্ডিকেট, অর্থ কমিটি, ছাত্রকল্যাণ—দায়িত্বে পরিপূর্ণ,
পদক্ষেপে পদক্ষেপে ছড়াল শিক্ষার গুণগুরুত্বপূর্ণ।

বঙ্গমাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে সিন্ডিকেটে যুক্তি স্বচ্ছ,
কুইন্সল্যান্ডে ভিজিটিং ফেলো, জ্ঞান ছড়াল দেশ-বিদেশে অচঞ্চল।

২০২২ সালের ১৪ জুন, সুনামগঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথম উপাচার্য,
১৯ ডিসেম্বর ২০২৪ অব্যাহতি, স্মৃতিতে অমল তারকা স্ফুর্য।

দেশীয় ও আন্তর্জাতিক জার্নালে বিশাধিক গবেষণা প্রকাশিত,
অংকের ছন্দে জীবন বোনা, সব শিক্ষার্থীকে আলোকিত।

রাওনাট গ্রামের কবিত কৃতী সন্তান, গুণের ছোঁয়ায় আলোকিত,
আবু নঈম শেখের জীবনগাথা সতেন্দ্র নাথ দত্তের ছন্দে অমরিত।

--------------------------------------------------------------------------

মোঃ রেজাউল করিম ভূঞা

 মোঃ রেজাউল করিম ভূঞা

কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা
তারিখঃ ০৬-০৯-২০২৫ ইং
রাওনাট, কাপাসিয়া, গাজীপুর।
********************************************
চাঁদপুরের বড়পুশিয়ায়, জন্ম নিল এক জানুয়ারি প্রভাতে,
উজ্জ্বল আলোয় ভরে গেল জীবন, ১৯৪৮ সালের সেই রাতে।
পিতা আলহাজ্ব আব্দুর রহমান, মর্যাদার মানুষ সজ্জন,
ছেলের পথচলার আলো জ্বেলে, করলেন সর্বদা অনুপ্রেরণ।

শিক্ষার আলোয় খুঁজে বেড়ালেন, কাপাসিয়া হাইস্কুলের প্রাঙ্গণে,
১৯৫৭ সালে ভর্তি, বিদ্যার সঞ্চার হলো প্রাণঙ্গনে।
ম্যাট্রিকুলেশন ৬৩ সালে পাস, জ্ঞানভাণ্ডার সমৃদ্ধ হলো,
নরসিংদী কলেজে উচ্চ মাধ্যমিক, দীপ্তি ছড়াল শিক্ষার আলো।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতক, জ্ঞানের সাগর ভেসে গেলেন,
পরবর্তীতে এল এল বি ডিগ্রী, আইনজীবি পথেই মেলালেন।
ছাত্রজীবনে নেতা, ভিপি নির্বাচিত, মানুষের মাঝে জাগ্রত,
সত্য ও ন্যায়ের দীপ জ্বালালেন, অন্ধকারের মধ্যে উদ্ভাসিত।

মানবিক হৃদয়, নম্র ভদ্রতা, সবার প্রিয় বন্ধু ছিলেন,
অনলবর্ষি বক্তৃতায় দীপ্তি, জনতার মন ভরে যেতেন।
রাজনীতিতেও সক্রিয় ছিলেন, বিএনপির পথে চললেন,
বিরোধী দল বয়কট করলে স্বতন্ত্র প্রার্থী হ’লেন।

উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত, কাপাসিয়ার গর্বিত কোল,
পরে যোগ দিলেন জাতীয় পার্টি, সংসদ প্রতিদ্বন্দ্বিতা তোলো।
মানবতার দীপ্তি ছড়ালেন, মানুষের অধিকারে প্রতিশ্রুত,
ভালোবাসা আর সম্মান ভরে, স্মৃতির পটে চিরস্থায়ী রাখুত।
২০০৩ সালে চলে গেলেন, কিন্তু স্মৃতি চিরন্তন থাকলো,
প্রভূ জান্নাতুল ফেরদৌস দান করুন, আমীন প্রার্থনা রইলো।
-------------------------------------------------------------------------

এম এ কাদের সরকার

 এম এ কাদের সরকার

কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা
তারিখঃ ০৬-০৯-২০২৫ ইং
রাওনাট, কাপাসিয়া, গাজীপুর।
********************************************
বরুনের মাটিতে ভোরের রবি উঠিল রঙিন আভায়,
১ জানুয়ারি ১৯৫৮, জন্ম নিলেন মহিমায়।
কাপাসিয়া পাইলট বিদ্যালয়ে ফুটিল জ্ঞানের ফুল,
ঢাকা কলেজে তরুণ প্রাণে জ্বলে উঠিল দীপকূল।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চত্বর দিল সোনার আলো,
এলএল.বি ও এলএল.এম-এ জ্ঞানের দীপ জ্বালো।
১৯৮২ সালে বিসিএস কর-ক্যাডারের মহারথী,
দেশের জন্য গড়িলেন তিনি রাজস্বের গীতি।

পল্লী উন্নয়ন সমবায়ে ২০১৩-র মে মাসে,
সচিব হয়ে উঠিলেন তিনি গৌরবের সুবাসে।
২০ মার্চ ২০১৬-তে বস্ত্র ও পাটের বাণী,
নতুন দায়িত্বে জাগাইয়া দিলেন উন্নয়নের টানি।

২৩ ডিসেম্বর ২০১৫-তে উঠিল পদোন্নতি,
গ্রেড-১ সদস্য হয়ে বাজালেন উন্নয়নের ভাঁটি।
অফিসার্স ক্লাব, এলামনাই, ৮২-র মহাসভা,
তার সেবার রোদে প্রস্ফুটিত হল কীর্তির শোভা।

বরুনের মাঠে শস্য দোলে, তারই স্মৃতির ছায়া,
গাজীপুরের আকাশ গায় উন্নয়নের গাথা।
ঝরনার স্রোতে তার কর্মগীতি বাজে নিরন্তর,
গ্রামের মাটিতে দীপ্যমান নাম—এম এ কাদের সরকার।
--------------------------------------------------------------------------

Friday, September 5, 2025

আমাদের প্রিয় গোলকিপার

 আমাদের প্রিয় গোলকিপার

কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা
তারিখঃ ৫-০৯-২০২৫ ইং
স্থানঃ রওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর।
*****************************************
আমাদের প্রিয় গোলকিপার, মাঠে ঝরে আলো,
দীর্ঘদেহী পাহাড়ের মতো, প্রতিপক্ষ থমকে ভাও।
গোলবারে দাঁড়ায় সে, ঢেউ যতই আছড়ে পড়ে,
তার হাতের জাদু থামায়, প্রতিটি বল যা ঘরে।

লাফে লাফে উড়ে যায়, বাতাসের সঙ্গে খেলে,
পাতার নাচ, নদীর ঢেউ, মিশে যায় মাঠে মেলে।
প্রতিটি সেভ উজ্জ্বল, জয়ের আলো ছড়ায়,
ফুটপ্রেমি হৃদয়ে বাজে, তার কীর্তি ধরা রাখায়।

রাওনাটের গর্ব, দুরন্ত, সাহসী অদম্য নায়ক,
তার হাতের জোড়ে জয় বয়ে যায়, উল্লাসের ভায়ক।
পাখির গান, সূর্যের হাসি, সব মিলায় তার সঙ্গে,
মাঠের কোণে কোণে বাজে গোলকিপারের সঙ্গীতের ঝংকার।

তার লাফ বনময়ী বাতাসে, বল যেন ফুলের ছোঁয়া,
প্রতিটি সেভ উড়ায় মন, উল্লাসে ভরে ঘোয়া।
রফিকুলের চোখে জ্বলছে অগ্নি, প্রতিপক্ষের শিখর,
তার সাহসে মাঠে ওঠে ঝড়, মাঠ হয়ে ওঠে উচ্ছল স্বাক্ষর্

আমাদের প্রিয় গোলকিপারের হাতেই জাগে জয়,
প্রতি বল যেন বাজায় সঙ্গীত, উল্লাসে ভরে হৃদয়ের ছয়।
--------------------------------------


আমি থামব না

 আমি থামব না

কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা
তারিখঃ ৫-০৯-২০২৫ ইং
স্থানঃ রওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর।
*****************************************
ওরে বিপ্লব! ওরে বিপ্লবী!
জাগ রে বজ্রবাহক, জাগ রে দুঃসাহসী,
জাগ রে তারুণ্য—
তোর মাতৃকার বুক চুষছে অশুভ রাক্ষস,
স্বাধীনতার বুক জুড়ে হায়েনার হাসি!

আমি শপথ নিচ্ছি আজ—
এই শৃঙ্খল ছিঁড়ে ফেলব,
এই ফ্যাসিবাদের বিষ দাঁত ভেঙে দেব,
এই স্বৈরতন্ত্রের আসন পুড়িয়ে ছাই করব!
আমি বজ্রাঘাত, আমি প্রলয়-ঝড়,
আমি আগুন-ঝরা দহন—
আমার রক্তেই জন্ম নেবে নতুন সোনালী ভোর!

ওরে দেখ—
ঘরে ঘরে লাশ, বোনের বুক ছিঁড়ে চিৎকার,
মায়ের চোখ ভাসছে রক্ত-অশ্রুর সমুদ্রে।
ওরে দেখ—
মীরজাফরের দল মাতৃকার বুকে বিষের খঞ্জর গেঁথেছে!
আমি তাদের রক্ত চাই, আমি তাদের ধ্বংস চাই,
আমি আগুন হয়ে জ্বলব, আমি বজ্র হয়ে পড়ব,
আমি তাণ্ডব হয়ে ভেঙে দেব শোষকের সিংহাসন!

আমি বিদ্রোহী—
আমি দুর্দম, আমি দুর্জয়, আমি অগ্নি, আমি তেজ,
আমি তাণ্ডবের নৃত্য, আমি ঝঞ্ঝার বজ্রধ্বনি!
আমি মৃত্যুকে করব পদতল দাস,
আমি শেকল ভাঙব রুদ্র ক্রোধে,
আমি পৃথিবী কাঁপাব অগ্নি-ঝঙ্কারে!

ওরে বিপ্লবী!
তোর ভয় কিসের?
তোর হাতে রক্তের শপথ,
তোর চোখে আগুনের শিখা,
তোর বুকে বজ্রের দোলা!
উঠ রে আজ, ভাঙ রে শেকল,
পুড়িয়ে দে বিশ্বাসঘাতকের আস্তানা!

গর্জে ওঠ—
ধ্বংস কর, ধ্বংস কর, ধ্বংস কর!
যতক্ষণ না রক্তে রাঙে মাতৃকার ভূমি,
যতক্ষণ না ভেঙে পড়ে শোষণের দুর্গ,
যতক্ষণ না দাউ দাউ আগুনে জ্বলে উঠে কালো শক্তির আসন,
আমি থামব না—
আমি থামব না—
আমি থামব না!

------------------------------------


আমি এসেছি

 আমি এসেছি

কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা
তারিখঃ ৫-০৯-২০২৫ ইং
স্থানঃ রওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর।
*****************************************
আমি এসেছি—
আমি মানুষ! আমি মুমিন!
আমি মুসলমান, আমি অগ্নির বজ্রচিন্ময় দিন।
আমি এসেছি সত্যের প্রদীপ জ্বালাতে,
অমানিশার বুক ছিঁড়ে আলো ছড়াতে।

আমি বাঙালি! আমি বাংলাদেশী!
আমি লক্ষ শহীদের উত্তরসূরী,
লাল–সবুজ আমার রক্তের পতাকা,
স্বাধীনতার শপথ আমার চিরন্তন ভাষা।

আমি এসেছি—
অত্যাচারীর শিরদাঁড়া ভাঙতে,
শোষকের দুর্গে অগ্নি ঝড় তুলতে।
আমি বজ্র, আমি দহন, আমি গর্জন,
দানবের প্রাসাদে আনি সর্বনাশের কম্পন।

আমি মানুষ! আমি বিদ্রোহী নির্ভীক প্রাণ,
আমি তাণ্ডব ঝড়, আমি বজ্রের স্ফুলিঙ্গদান।
আমি এসেছি দুঃখীর অশ্রু মুছাতে,
অভাগার ভাগ্যে আলোর রং মেলাতে।

আমি মুসলমান! আমি মুমিন! আমি অগ্নি–শিখা,
অন্ধকারে জ্বালি নবযুগের দীপ্তিকা।
আমি এসেছি—দেশদ্রোহীর গর্দান কাটতে,
অমানবতার সিংহাসন ছাই করতে।

আমি ঝড়! আমি বজ্র! আমি মহাপ্লাবন,
আমি তাণ্ডবের ঢেউ, আমি অগ্নি–জাগরণ।
আমি এসেছি শত্রুর বিষদাঁত ভাঙতে,
মানবতার শৃঙ্খল চিরে নতুন ভোর আনতে।

আমি এসেছি—
বিপ্লবের মশাল হাতে, সত্যের পতাকা তুলে,
অশুভের রাজ্যে আগুন ধরাই দাউ দাউ জ্বলে।
আমি বিদ্রোহী! আমি নির্ভীক বজ্র–ডানায়,
মানবতার জয়ধ্বনি বাজাই ধরণীর আঙিনায়।

আমি মানুষ! আমি মুমিন! আমি অগ্নি–ঝড়ের দান,
আমি এসেছি সত্যের মহাদীপ জ্বালান!
----------------------------------------------

ঈমানের দীপ্তি

 ঈমানের দীপ্তি

কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা
তারিখঃ ৫-০৯-২০২৫ ইং
স্থানঃ রওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর।
*****************************************
সময়ের স্রোতে বয়ে চলুক জীবন হোক সদ্ব্যবহার,
সত্যের আলো জ্বলে বুকে, মুছে যাক মিথ্যার অন্ধকার।
বিশ্বাস আর ধৈর্য্য হোক প্রাণের অমূল্য রত্ন,
ত্যাগের দীপ্তি ছড়াক পথে, হোক জীবন সদগুণে ভরপূত।

মানুষের হৃদয় জাগুক, সহমর্মিতা হোক বন্ধু,
কল্যাণে হোক কর্মের গান, ভরে যাক প্রতিটি স্থান মধু।
ক্ষয় নয়, বরং সত্যের পথে হোক আমাদের চলা,
সূরা আছরের শিক্ষা বুকে ভরে হোক আলোর মেলা।

ধৈর্য্য আর কৃতজ্ঞতার ছায়া হোক পথের সাথী,
সদগুণের আলোয় ভরে উঠুক প্রাণের প্রান্তর মুখী।
নিশ্চয়তার আঁধারে হোক আশা আমাদের আলো,
ভালো কাজের দীপ্তিতে হোক হৃদয় উজ্জ্বল, উজালো।

সময়ের স্রোতে হোক জীবন সদগুণে ভরা,
সত্যের পথচলায় জ্বলে হোক আলোর শোভা ধরা।
প্রতি দিন হোক প্রেরণার ছায়া, কর্মের মধুর বাঁধন,
ঈমানের দীপ্তি ছড়াক জীবনের সব প্রান্তর প্রাণ।
----------------------------------------------------

নূরের আলো

 নূরের আলো

কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা
তারিখঃ ৫-০৯-২০২৫ ইং
স্থানঃ রওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর।
*****************************************
নূরের আলোয় হৃদয় ভরে, নবীর প্রেমে জীবন জাগে,
ফুল-বনে নদী, ঝরে আলো, ঢেউয়ে নূরের ছোঁয়া ছড়ে।

সালাত ও দু‘আতে মেলে শান্তি, পাখির গানে জীবন ভরা,
তার করুণা, তার দয়া, পথ দেখায় আমাদের সঠিক ধারা।

যিনি নবীকে ভালোবাসে, জান্নাত হয় তার সাথী,
হৃদয় জাগে প্রেমে তার, গগনের নীলায় মেলায় দিশা।

সুনান অনুসরণে মেলে সুখ, আল্লাহর নিকট প্রিয়তম,
তার দয়া ও সহানুভূতি, ফুলের সুবাসে ভরে ধরণ।

ঈদে মিলাদে আমরা গাই, নবীর নামে জীবনের আলো,
প্রার্থনায় তার মাধ্যমে বর্ষিত হয় শান্তির ঝোলো।

তার আদর্শে চলি আমরা, পাহাড়-ঘাটে আলো ছড়াই,
নবীর ছায়ায় জীবন সাজাই, ঝর্ণার জল ভেসে যাই।

শান্তি, প্রেম ও দয়া ছড়াই, তার স্মরণে গাই গান,
নূরের আলোয় ভরা জীবন, নবীর প্রেমে প্রাণ জাগে প্রাণ।
----------------------------------------------------

নির্বাচন শুধু ভোট নয়

 নির্বাচন শুধু ভোট নয়

কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা
তারিখঃ ৫-০৯-২০২৫ ইং
স্থানঃ রওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর।
*****************************************
নির্বাচন শুধু ভোট নয়, এটি সভ্যতার পরিচয়,
এতে জাগে জনতার আশা, মিলায় নতুন প্রাণের জয়।
স্বৈরাচার নিপাত হয়, গণতন্ত্রের নব উদয়,
সত্যের দীপ্তি জ্বলে হৃদয়ে, দূর হয় অন্ধকারের প্রদয়।

প্রতিটি ভোটে লুকায় দেশের গৌরব খোঁজ,
সতর্ক মন, সৎ দৃষ্টি মিলে পায় ন্যায়ের মোজ।
কাঙ্খিত নেতা খোঁজে পায় জাতি,
নির্বাচনের আলোয় ঝরে যায় সব অন্ধকারি বাতি।

জনতার একতার ছন্দে বাজে স্বাধীনতার গান,
বিধির পথে এগোয় দেশ, পায় নতুন জীবন প্রাণ।
ভোটের কাগজে নয় শুধুই নামের লেখা,
এতে লুকায় মানুষের আশা, চেতনার রেখা।

নির্বাচনের আলোয় উড়ে যায় দমনের বন্ধন,
মুক্তির বাতাসে ঘরে ঘরে বাজে বিজয়ের সঙ্গন।
নির্বাচন শুধু ভোট নয়, এটি সভ্যতার পরিচয়,
স্বৈরাচার নিপাত হয়, গণতন্ত্রের নব উদয়।

প্রত্যেক নাগরিকের হাতে জাগে দেশের প্রাণের ঢেউ,
নির্বাচনের আলোয় জন্মায় জাতির নতুন ধ্রুব ত্রয়।
----------------------------------------------------