Monday, September 8, 2025

অধ্যাঃ মোহাম্মদ আলী বদু

 অধ্যাঃ মোহাম্মদ আলী বদু

কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা
রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর
*****************************************
ওহে প্রজন্ম, শুনো, কাপাসিয়ার বুকে অগ্নি দীপ জ্বলে,
শহীদ তাজউদ্দীন সরকারি কলেজে শিক্ষার আলো ছড়ায় তীব্র।
রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সাহসী, অদম্য চেতনার অধ্যাপক,
বিদ্রোহী মননে গড়ে তুলতেন জ্ঞান, ন্যায়ের অমলিন প্রভাব।

কাপাসিয়া বাজারের পথে প্রতিধ্বনিত হত তার পদচারণা,
বারবার নির্বাচিত, ব্যবসায়ী বান্ধব, জনের প্রিয় নেতা তিনি।
ফুটবলের মাঠে ঝড়ে যেত তার অগ্নিময় ক্রীড়ার স্পন্দন,
প্রতিটি পাসে, প্রতিটি গোলেই ফুটত সাহসের অরণ্য।

প্রজন্মের হৃদয় জাগ্রত হতো তার অদম্য আদর্শে,
শিক্ষা, নেতৃত্ব, ক্রীড়া—সবই হয়ে উঠত প্রেরণার পালক।
প্রতিটি পদক্ষেপে প্রতিফলিত হত তার বিদ্রোহী মানসিকতা,
প্রকৃতির সবুজ ছায়া, হাওয়ার মৃদু ছোঁয়ায় মিশত তার সাহস।

১৯ নভেম্বর সকাল সাতটায়, ঢাকার হাসপাতালে বিদেহী হলো দেহ,
ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহির রাজিউন—ধ্বনি হয়ে উঠল শহরে।
বিদ্রোহী কণ্ঠনাথ যেন বাতাসে বয়ে গেল,
স্মৃতির পাতায় অমলিন হয়ে থাকল তার সাহসের জ্যোতি।

রাউৎকোনা ফাজিল মাদরাসা মাঠে বিকেল চারত্রিশে নামাজ,
দোয়া, মাগফেরাত—রুহের শান্তির আহবান।
প্রকৃতির ফুল, ছায়া, হাওয়ার মৃদু স্পন্দন,
সবই শোনায় তার বিদ্রোহী চেতনার অমলিন সুর।

হাতেখড়ি থেকে পাস, মাঠ থেকে মঞ্চ, পদচারণায় জ্বলত আলো,
প্রতিটি কাজের মাঝে প্রতিফলিত হত তার ন্যায়ের বল।
ক্রীড়া, শিক্ষা, নেতৃত্ব—সাহসের প্রতীক তিনি অনন্য,
প্রজন্মের মনে গড়ে দিতেন অদম্য বিদ্রোহের চেতনাধারা।

হায়াত-মাওতের মালিক, মহান আল্লাহ, জান্নাতের সর্বোচ্চ মাকাম দাও,
আমাদের প্রিয় অধ্যাপককে শান্তিতে বিশ্রাম দাও।
বিদ্রোহী দীপ, শিক্ষার আলো, ক্রীড়ার অগ্নিময় স্পন্দন,
তুমি বেঁচে আছো স্মৃতির পাতায়, হৃদয়ের প্রতিটি কোণে।

সুম্মা আমীন—আমরা প্রার্থনা করি, রুহ হোক শান্ত,
অধ্যাঃ মোহাম্মদ আলী বদু, চিরন্তন প্রেরণার দীপ হয়ে থাকো।
------------------------------------------------------------------

“বীর মুক্তিযোদ্ধা খন্দকার হাফিজ উদ্দিন”

 “বীর মুক্তিযোদ্ধা খন্দকার হাফিজ উদ্দিন”

কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা
রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর
*****************************************
ওহে আকাশ-তল, শোনো এই তুমুল বিদ্রোহ,
কাপাসিয়ার একডালা, জেগে উঠল রণভূমির অভিসন্ধান।

স্বাধীনতার অগ্নিপথে পা রেখেছিলেন তিনি,
হৃদয়ে জ্বলে লালজোড়া স্বাধীনতার শিখা, অটল অম্লান।

পলাশ-ঘোড়াশালের শ্রমিকের হ্রদয়ে তিনি,
চিহ্ন এঁকেছিলেন জীবন-মুক্তির স্বপ্নের রঙিন মানচিত্রে।

বঙ্গবন্ধুর ডাক শোনে, রাশিয়ার মাটিতেও গিয়েছিলেন তিনি,
অধিকার-অধর্মের সঙ্গে লড়াই, হৃদয় দিয়ে লড়েছিলেন।

স্বৈরাচারী এরশাদের আঁধারে কারাগারের ছায়া
তেও অটল ছিলেন, দমে যাননি, ভাঙেননি হৃদয়ের প্রাচীর।

ধর্মীয়, সামাজিক, সাংস্কৃতিক পথে জড়িয়ে ছিলেন সর্বদা,
মুক্তিযুদ্ধের অগ্নিপথে তাঁর পদচিহ্ন জ্বলজ্বলে আজও।

জানাজার মাঠে দাফনের কফিনে বাজলো রাষ্ট্রের সালাম,
চোখে জল, হৃদয়ে শ্রদ্ধা, মাতৃভূমির অম্লান প্রণাম।

শ্রদ্ধা জানালেন ছাত্র, যুবক, মুক্তিযোদ্ধা, নেতা—
সকলেই বলল, “অমর হোক তোমার আদর্শ, বীর হাফিজ।”

৮৬ বসর বয়সে বিদায় নিয়েছেন ধরণী থেকে,
কিন্তু তাঁর বিদ্রোহ, তাঁর সাহস, চিরন্তন হয়ে রইল প্রাণের মাঝে।

শ্রেষ্ঠত্বের ইতিহাস লিখেছিলেন শাসক-বিরোধী বিদ্রোহে,
কাপাসিয়ার ভূমি আজও গর্জায় তাঁর মুক্তি-গাথায়।

ওহে নবীণ প্রজন্ম, শুনো, শোনো, শোনো!
এ বীরের জীবনের গাথা, বুকে ধারণ করো,

যেখানে স্বাধীনতার ডাক, শ্রমিকের অধিকার, মানবতার জয়—
সেই পবিত্র তুফান আজও উজ্জ্বল করে আকাশ-পাতাল।
--------------------------------------------------------------------

প্রিয় স্যার, অধ্যাঃ সাইফুল ইসলাম

 প্রিয় স্যার, অধ্যাঃ সাইফুল ইসলাম

কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা
রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর
*****************************************
ওহে নবীন প্রজন্ম, শোনো ঝড়ো কণ্ঠে আজ!
এক অধ্যাপক আছেন, শিক্ষার দীপশিখায় দীপ্তিতাজ।

দিগধা গ্রামের মাটিতে জন্ম, সম্ভ্রান্ত কন্ঠে,
শৈশবের ছন্দে বাজে জ্ঞানের বজ্রগর্জনে।

নাটোরের হালসা মাটিতে লেখা, বাতাসে মধুর ঘ্রাণ,
প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কক্ষে সুরের ঝরনা জ্বলে প্রাণ।

মাধ্যমিক, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়—জ্ঞানরাশির লয়,
জাহাঙ্গীরনগরের বাংলার পাড়ায় উজ্জ্বল চিরন্তন দ্যোত।

ব্র্যাক, ঢাকার কলেজ—শিক্ষার পথে অনন্ত সংগ্রাম,
দিগধা প্রভাষক হয়ে ফিরলেন শৈশবের স্বপ্নের প্রমাণ।

কাপাসিয়া কলেজে ১৯৯৪ থেকে ২০২৩ অবধি,
দীর্ঘ ২৯ বছর ছড়িয়েছেন জ্ঞানের অমর দীপধ্বনি।

লালনের সুরে, বক্তৃতা ও আবৃত্তিতে জ্বলেছেন,
সংস্কৃতির জগতে অনন্য দীপ্তি ছড়িয়েছেন।

সমাজসংস্কৃতির আন্দোলনে ছিলেন অদম্য, অবিচল,
চা-খানায়, নৌবিহারে, ভ্রমণে—হাসির ঝলক, আনন্দের ঢল।

কাপাসিয়ার প্রতি হৃদয় ও ভালোবাসা অমর,
ছাত্রদের মনে জ্ঞানের আলোর ঝলক চিরন্তন ভোর।

ওহে প্রিয় স্যার, অবসর জীবনে সুখ, শক্তি, সমৃদ্ধি হোক,
আপনার ছোঁয়া, জ্ঞানের দীপ্তি, চিরকাল হৃদয়ে বাজুক শোক।
--------------------------------------------------------------------

জনপ্রিয় ভিপি

 জনপ্রিয় ভিপি

কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা
রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর
*****************************************
ওহে এ প্রজন্ম, শোনো আকাশদল ভাঙা তেজে,
জনপ্রিয় ভিপি, আগুনধারা সাহসী প্রাণের রেজে!

মৈশন মিয়ার ঘরে জন্ম, ৭২–এর অগ্নিশিখায়,
সূর্যের মতো দীপ্তিমান, আলোয় ঝলমল প্রতিটি ছায়া।

নুরল ইসলাম চৌধুরীর সন্তান, অজুফার ছায়া ঘেরা,
শৈশবেই জেগেছিল বিপ্লবী চেতনা, নক্ষত্রের মতো তারা।

ঈদগাহ উচ্চ বিদ্যালয়, ৮৮–এর এসএসসি–র পত্রে,
ছাত্ররাজনীতির অগ্নিপরীক্ষা, বলিষ্ঠ চেতনার ঝর্ণা প্রবাহিত শ্রোতে।

ওহে এ প্রজন্ম, শোনো আকাশদল ভাঙা তেজে,
জনপ্রিয় ভিপি, আগুনধারা সাহসী প্রাণের রেজে!

৯১–৯২ ভারপ্রাপ্ত জি এস–এর প্রথম বজ্রচিহ্ন,
৯৩–৯৬ ভিপি, সমতার ডাক ছড়ায় ঝড়ের মতো অনন্ত।

দুই বছর কারাভোগে শেখা, ধৈর্য ও অটল দৃঢ়তা,
উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান, জনসেবায় অদম্য শক্তি স্থিরতা।

মৈশন হাই স্কুলে ওয়াজ, দোয়া, সামাজিক ছাপ রেখেছে,
২৩ বছরে আশীর্বাদ ছড়িয়ে, বিপ্লবী ছায়ার মতো প্রেরণার রেখা।

৬ হাজার মানুষের জানাযায় লেখা ইতিহাসের অমলিন অধ্যায়,
মৈশন হাই স্কুলের সভাপতি দুইবার, জনতার হৃদয়ে অম্লান ছায়া।

ওহে এ প্রজন্ম, শোনো আকাশদল ভাঙা তেজে,
জনপ্রিয় ভিপি, আগুনধারা সাহসী প্রাণের রেজে!

মৈশন সূর্য্য উদয় সংঘের সভাপতি, অদম্য শক্তির প্রতীক,
কাপাসিয়া আঞ্জুমানে রহমানিয়া মাইজ ভান্ডারিয়ার নেতা, জনসেবার শিখ।

৯০ দশকের ফুটবল মাঠে, ৮৫–৯৭–এর পরিশ্রমের গর্জন,
ঢাকা দিলকুশা স্পোর্টিং ক্লাবের খেলোয়াড়, সাহসের অগ্নিবর্ষণ।

নদীর মতো প্রবাহমান, পাহাড়ের মতো দৃঢ়, বাতাসের মতো বেগবান,
জনপ্রিয় ভিপি, হাফিজুল হক চৌধুরী, ইতিহাসে অম্লান!

শ্রদ্ধা, ভালোবাসা, তেজ আর বিপ্লবী চেতনায় চিরস্থায়ী ধ্রুবতারকা,
হৃদয়ে সঞ্চিত অগ্নিশিখা, চলুক তার পথ, অজস্র প্রজন্মকে আলোকিত করার জন্য উদ্দীপক যাত্রা!

------------------------------------------------------------------

কাপাসিয়ার বাউল শিল্পী,ফজলুল হক

 কাপাসিয়ার বাউল শিল্পী,ফজলুল হক

কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা
রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর
*****************************************

শিশুত্বের আকাশে, হৃদয়ের বনে,
শোনেছি সুর, কোকিল কণ্ঠে জননে।
“কোকিল থাকো তুমি বনে নিশিতে আসিও রে,
কোকিল আছে কথা গোপনে রে, উড়ে যাও বনের কোকিল রে,”
এই সুরে হৃদয় ভরে, মধুর মন্দ্রে।
১৯৫৪ সালে, কাপাসিয়ার টোকে জন্মলাভ,
সুলতানপুরের তালুকদার ঘরে, শান্তির আশ্রয়-ভাব।
পিতা মরহুম আব্দুস সামাদের আদর-স্নেহে,
বড়ে উঠল বাউল ফজলুল হোক, কণ্ঠে প্রাণের সুরে।
আশির দশকের মঞ্চে গাজীপুর-নরসিংদী-কিশোরগঞ্জে,
যেখানে তিনি, সেখানকার হৃদয় বাজে ঢল ভরে।
যে অনুষ্ঠানে ছিলেন তিনি, আনন্দের ঢেউ উঠতো উঁচু,
যেখানে নেই, সেখানে যেন শুন্যতা নেমে আসে নীরবে।
দুটি ধারার বাউল, দেশেই চেনা,
এক দেহতত্ত্ব আর মানবধর্মে ভরা।
অন্য দেহতত্ত্বে প্রেম, বিরহের বেদনা মিশে,
ফজলুল হোক ছিলেন এ দ্বিতীয় ধারার স্বরময় সিংহাসনে।
তার গানে প্রেম, বেদনা, হাসি-কান্নার ছন্দ,
শ্রোতার অন্তরে প্রতিচ্ছবি, হৃদয় ভরে অম্লান বন্ধ।
গ্রামের কৃষক, শ্রমিক, মধ্যবিত্ত, প্রান্তরচারী,
সকলের মন খোরাক, আনন্দের উৎস, ফজলুল হোকই প্রাণভরী।
নিজেই লিখেছেন বিচ্ছেদ ও ব্যথার গান,
“কোকিল থাকো তুমি বনে”, “তাল গাছেরই আগায় বাবুই বানাইছে কোন বাসা” প্রাণে ধ্বান।
“আমি বলি না কারো সনে রে, যে দুঃখ অন্তরে রে আমার,”
এই বেদনার সুরে মিলে মানুষের অন্তরের বার্তা বার্তা।
২০১৪ সালের ১৪ নভেম্বর, মৃত্যুর হাতেখড়ি নিলেও,
কণ্ঠের কোকিল উড়ে চলে বনের গভীরে অম্লান।
সুরের অলঙ্কারে, হৃদয়ের ভাষায় বাঁচে,
ফজলুল হোক—কাপাসিয়ার বাউল, গ্রামীণ মনের অবিনাশী স্পন্দন হয়ে।
--------------------------------------------------------------------

জন প্রিয় ভিপি-আইযূব ভাই

 জন প্রিয় ভিপি-আইযূব ভাই

কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা
রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর
*****************************************

ওহে এ প্রজন্ম, শুনো আকাশ ছোঁয়া আলোয়,
জন প্রিয় ভিপি, সাহসী, উজ্জ্বল প্রাণালোয়।

কাপাসিয়া কলেজের মাঠে পদচারণায় ছিল গর্জন,
জনপ্রিয় ভিপি, নিরঙ্কার মূর্ত প্রতীক সব দহন।

মোঃ হাফিজুল হক চৌধুরী আইয়ূব, জন্ম মৈশন মিয়ার বাড়িতে,
১৯৭২ সালে জাগ্রত হয়েছিল সে, সূর্যের মত উজ্জ্বলিত।

নুরল ইসলাম চৌধুরীর পুত্র, অজুফা চৌধুরীর সন্তান,
ছোটবেলা প্রাথমিক মৈশন স্কুলে, আলোয় মিশেছিল প্রাণ।

ঈদগাহ উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি, ১৯৮৮ সালের কাহিনি,
ছাত্ররাজনীতির অগ্নিপরীক্ষা, বলিষ্ঠ চেতনার গাথা।

ওহে এ প্রজন্ম, শুনো আকাশ ছোঁয়া আলোয়,
জন প্রিয় ভিপি, সাহসী, উজ্জ্বল প্রাণালোয়।

১৯৯১–৯২ সালে ভারপ্রাপ্ত জি এস, নেতৃত্বের প্রথম আভাস,
১৯৯৩–৯৬ পর্যন্ত ভিপি, সমতার বজ্র ডাক ছড়ায় সবার কাছে।

দুই বছর কারাভোগে শিখেছেন ধৈর্য, সহিষ্ণুতা, দৃঢ় দৃশ্য,
উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান, জনসেবায় অদম্য শক্তি বিশিষ্ট।

মৈশন হাই স্কুলে ওয়াজ, দোয়া, সামাজিক কাজে রেখেছেন ছাপ,
২৩ বছরে আশীর্বাদ ছড়িয়ে, ছায়ার মতো ধ্রুব ধোয়া রাখাপ্রাণে।

৬ হাজার মানুষের জানাযায় অংশগ্রহণ, ইতিহাসে লেখা স্বর্ণাক্ষরে,
মৈশন হাই স্কুলের সভাপতি দুইবার, জনতার প্রিয় নেতা যেন দেখা।

ওহে এ প্রজন্ম, শুনো আকাশ ছোঁয়া আলোয়,
জন প্রিয় ভিপি, সাহসী, উজ্জ্বল প্রাণালোয়।

বর্তমানে মৈশন সূর্য্য উদয় সংঘের সভাপতি, অদম্য শক্তির প্রতীক,
কাপাসিয়া আঞ্জুমানে রহমানিয়া মঈনিয়া মাইজ ভান্ডারিয়ার নেতা, জনসেবার শিখ।

৯০ দশকের ফুটবলের মাঠে, ৮৫–৯৭ পর্যন্ত পরিশ্রমের ছন্দ,
ঢাকা দিলকুশা স্পোর্টিং ক্লাবের খেলোয়াড়, সাহসের উদাহরণ নিরন্তর বিন্দ।

প্রকৃতির উপমায় বলা যায়, সে নদীর মতো প্রবাহমান,
পাহাড়ের মতো দৃঢ়, বাতাসের মতো বেগবান।

জনপ্রিয় ভিপি, হাফিজুল হক চৌধুরী, ইতিহাসে অম্লান,
শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা তার প্রতি, হৃদয়ে চিরকাল স্থাপন।
-------------------------------------------------------------------

অধ্যাঃ একেএম মাজহারুল ইসলাম

 

অধ্যাঃ একেএম মাজহারুল ইসলাম
মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা

অধ্যাঃ একেএম মাজহারুল ইসলাম
কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা
রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর
*****************************************
হে বিশ্ব শুনো, গর্জন করো কাপাসিয়ার বুকে,
অধ্যাপক একেএম মাজহারুল ইসলাম—জ্ঞানজ্বালে পূর্ণ সূচে।
‘সোসাইটি অব অ্যাপ্লাইড এনথ্রোপলজি’র দীপক জ্বলে প্রভাতে,
‘পেল্টো অ্যাওয়ার্ড’ তার হাতে এলো নৃবিজ্ঞানের মহিমাতে।

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উজ্জ্বল নক্ষত্র তিনি,
প্রায়োগিক নৃবিজ্ঞানের আলোয় উদ্ভাসিত দেশমাতৃকার শোভা গুণী।
শ্রেণীকক্ষের বাইরে গড়লেন জ্ঞানের মহাসমুদ্রের ভেলা,
প্রকল্পে প্রকল্পে আলোর দিশা—সত্যের রশ্মি মেলে ওমেলা।

ইনস্টিটিউট অব অ্যাপ্লাইড এনথ্রোপলজির নির্বাহী পরিচালক রূপে,
জাতি-জগৎ পেয়েছে জ্ঞান, আলোর মশাল তার হাতে সূচে।
ইউনিসেফ, ডব্লিউএইচও, সেভ দ্য চিলড্রেন, ব্র্যাকের প্রকল্পে তিনি,
জনস্ হপকিন্স, ইউএনডিপি, আইসিডিডিআর, বি—সবখানে গবেষণার চিহ্ন রত্ন তিনি

জাতীয়-আন্তর্জাতিক জার্নালে ছাপা ৩৫টি নিবন্ধ অমূল্য,
১৮টি বইয়ের ভাণ্ডার, বৈজ্ঞানিক ৩টি বই—চির অমল্য।
বই ও জ্ঞান মিশে গেছে মহাসাগরের তীরে,
বাংলাদেশ সরকার, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের কাজও করেছেন গৌরবে ঘিরে।

তিনি কেবল প্রফেসর নন, বিশ্বজনের প্রেরণার সাথী,
আমেরিকান নৃবিজ্ঞান সমিতি, মেডিকেল নৃবিজ্ঞান, এশিয়াটিক সোসাইটিতেও তার গাঁথি।
পিতার গৌরব ছড়িয়ে আছে শিকড়ে শিকড়ে,
চিনাডুলি বাগিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা মরহুম মোশারফ হোসেন রাজু—যাঁর

রক্তধারায় গড়লেন জীবনের রেখা।
মাতার মহিমা অম্লান, সুফিয়া বেগম,
কাপাসিয়া পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক,
সেন্ট্রাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রাক্তন উপাধ্যক্ষ—
তাঁর আশীর্বাদে বেড়ে ওঠা আজকের এই গৌরবময় সন্তান।

ওহে কাপাসিয়া! জাগো তুমি, বাজাও বিজয়ের ঢোল,
সেন্ট্রাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ আজ বলে—গর্বের ফুল, গৌরবের চিহ্ন সকলে ঢোল।
শ্রদ্ধা, ভালোবাসা, শুভেচ্ছা মেলে অনন্ত গগনে,
অধ্যাপক একেএম মাজহারুল ইসলাম—প্রেরণা নবীন প্রজন্মের প্রাণে।
-------------------------------------

অধ্যাঃ একেএম মাজহারুল ইসলাম

 অধ্যাঃ একেএম মাজহারুল ইসলাম

কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা
রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর
*****************************************
পেল্টো সম্মান জ্বলে আকাশের তারা,
কাপাসিয়ার সন্তান তিনি দীপ্তির ধারা।
অধ্যাপক একেএম মাজহারুল ইসলাম, জ্ঞানের আলোক,
মানবতার তরে রাখেন গবেষণার শপথ।

শ্রেণীকক্ষের গণ্ডি পেরিয়ে মাঠে মাঠে যান,
প্রায়োগিক নৃবিজ্ঞানে খুঁজে পান জীবনের গান।
ইউনিসেফ, ডব্লিউএইচও, সেভ দ্য চিলড্রেনের স্বপ্ন,
তাঁর হাতে রচিত হয় ভবিষ্যতের রত্ন।

জনস্বাস্থ্য, উন্নয়ন, গ্রামীণ প্রাণের কথা,
তাঁর গবেষণায় মেলে মানবতার ব্যাখা।
আঠারো গ্রন্থ, পঁয়ত্রিশ প্রবন্ধ, জ্ঞানের দীপশিখা,
জাতি গর্বে বলে—তিনি বাংলার দিশা।

চিনাডুলির মাটি বুকে বহে শিক্ষার শপথ,
শিক্ষকের সন্তান তিনি, আলোকিত পথ।
শাহজালালের অঙ্গনে তিনি আলোর দীপ,
নৃবিজ্ঞানের বুকে রাখেন মহিমান্বিত সীপ।

হে অধ্যাপক একেএম মাজহারুল ইসলাম, দেশের শ্রেষ্ঠ দান,
তুমি জ্ঞানের আকাশে ধ্রুব তারার মান।
কাপাসিয়ার বুকে বাজে গৌরবের বাঁশি,
তোমার জয়গান গায় প্রতিটি পাখি-আকাশি।
-------------------------------------

নির্লোভ চেয়ারম্যান গিয়াস উদ্দিন

 নির্লোভ চেয়ারম্যান গিয়াস উদ্দিন

কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা
রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর
*****************************************
হে বিশ্ব শুনো, নবীণ প্রজন্ম জানো,
দূর্গাপুরের বুকে ছিলো এক দিগন্তের প্রাণো।
তিনি ছিলেন জনতার মাঝে প্রভাতের রবি,
দুঃখী-গরিবের মুখে আনতেন হাসির নবি।

ক্ষমতার অহংকারে তাঁকে কেউ দেখেনি কভু,
ছিলেন শীতল নদীর মত শান্ত-নিরভ্রু।
ফুলের মত কোমল, পর্বতের মত দৃঢ়,
জনতার হৃদয়ে গাঁথা তাঁর নাম অবিচ্ছেদ্য অক্ষর।

তিনি মুক্তিযোদ্ধা, ঝড়ের মাঝে বজ্রের আলো,
দেশের টানে বাজিয়েছেন শৌর্যের ঢাকের ঢলো।
একজন শিক্ষক, জ্ঞানের প্রদীপ জ্বালান,
অন্ধকার ভেদ করে ভবিষ্যৎ গড়ার গান।

গিয়াস উদ্দিন— সেই নির্লোভ প্রাণ,
ছিলেন মাঠের শস্য, নদীর কলতান।
“নিজের খাইয়া মোমবাতি” প্রতীকে দাঁড়িয়ে,
জনতার আস্থায় বিজয়ী হয়েছেন জাগিয়ে।

তাঁর সততা আকাশের মত অগাধ বিশাল,
তাঁর সরলতা শিউলির শিশিরে নীরব স্বচ্ছ কাল।
জনগণের হৃদয়ে তিনি চিরদিন অমর,
বসন্তের কুসুম, গ্রীষ্মের বটের ঘনছায়া ঘিরে ঘর।

হে দয়াময় আল্লাহ, করো দান তাঁরে,
হায়াতে তৈয়বা দাও, রাখো নূরের আলো বাহিরে।
যতদিন থাকবে এ ধরা, বাতাস আর গান,
গিয়াস উদ্দিনের কর্ম্ হবে মহিমান্বিত দান।
-------------------------------------

উজ্জ্বল নক্ষত্র সোহেল ভাই

 উজ্জ্বল নক্ষত্র সোহেল ভাই

কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা
রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর
*****************************************
ওরে নবীন প্রজন্ম! জাগো রণ হুঙ্কার তোল,
সোহেল ভাই ছিলেন বজ্রকণ্ঠ, ধ্রুবতারা অটল।
শুভ্র পূর্ণিমা আলো যেমন আঁধার করে ক্ষয়,
তেমনি ছাত্র হৃদয়ে তিনি জ্বালিয়েছেন আশার আগুনময়।

প্রলয়ের ঘূর্ণিতে তিনি ছিলেন অটল শিলা,
দুর্দম তরুণের প্রাণে ছড়ালেন দীপ্তশিখা।
ঝড়-বজ্রের মিছিলে তিনি ছিলেন পতাকা,
আলোকিত প্রাণে ফুটিয়েছেন সংগ্রামের আঁচল আঁকা।

কাপাসিয়া কলেজের কক্ষে কক্ষে ঝঙ্কার,
গর্জন তুলেছিল তাঁর কণ্ঠে বজ্রধ্বনির ঝড়।
সবুজ প্রান্তরে তাঁর পদচারণা দিত বিদ্যুতের ঢেউ,
রাজপথ কেঁপেছিল তাঁর আহ্বানে, প্রাণ জেগেছিল নাহি কভু নেউ।

সড়কের দুর্ঘটনায় ঝরল তরুণ প্রাণ,
তবুও ইতিহাসে রইল তাঁর বীরোচিত দান।
ঢাকা মেডিকেলে লড়লেন অগ্নি সাহসী যোদ্ধা,
শেষ বুকের ব্যথায় ঝরে গেল জীবন প্রদীপ ক্ষীণ হাহা।

ধানমন্ডির মসজিদে অশ্রু প্লাবনের ঢেউ,
পাইলট মাঠে জানাজায় লাখো জনতার কণ্ঠ রেউ।
লতাপাতার মাটিতে শায়িত হলো দেহ,
কাঁদল গ্রামবাংলা, কাঁদল বাতাস, আকাশ, গগন বেহে।

টোক ইউনিয়নের আড়ালিয়া তার গ্রাম,
আজিম উদ্দিনের সন্তান, হালিমার অনুপম ধাম।
১৯৯২–৯৩-এর বিক্ষুব্ধ ছাত্রশক্তির জয়,
তিনি ছিলেন দীপ্ত মশাল, মৃত্যুঞ্জয়ী মহিমাময়।

সভাপতি, সদস্য সচিব—সংগ্রামের জয়ধ্বনি,
হান্নান শাহ’র আস্থায় ছিলেন বিজয়ের গুণী।
নিজস্ব সুখ ভুলে রাজপথের গান,
দলমত ভুলে মানুষের পাশে দিয়েছেন প্রাণ।

ইফতারের পূর্বমুহূর্তে এলো মৃত্যুর বারতা,
কাপাসিয়া কেঁদেছিল—ভেঙে পড়ল শতকণ্ঠ ধ্বনিতা।
আদালত পাড়ায় মাতম, অশ্রু ঝরে নদীর ঢেউ,
তাঁর বিদায়ে জনতার বুক হলো শূন্য রেউ।

ওরে নবীন প্রজন্ম! শোনো ইতিহাসের ডাক,
সোহেল ভাই আলোর তারা, চির অমলীন রাক।
তুমি বকুল কুড়ানো মালা, সুবাসিত আঁধারে,
তুমি মৃত্যুঞ্জয়ী দীপ্ত শিখা, ভোরের রোদ্দুরের ধ্বজাধারে।

মহান আল্লাহ করুন জান্নাত ফেরদৌস দান,
সোহেল ভাই থাকবেন অমর, সংগ্রামের প্রাণ।

---------------------------------------------------

দালালের খপ্পরে বাংলাদেশ

 দালালের খপ্পরে বাংলাদেশ

কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা
রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর
*****************************************
ওরে তোরা কি শুনেছিস,
দালালের খপ্পরে কাঁদিছে আজ আমার বাংলাদেশ!
স্বদেশের বুক চিরে উঠছে রক্তজবা—
লোভের আগুনে পুড়ছে লাল সবুজের নিশান।

ওরা বলে দালাল—ওরা বলে দেশদ্রোহী,
আসলে কারো মুখোশেই নেই নির্মল পরিচয়!
স্বাধীনতা পক্ষ হোক বা বিপক্ষ—
সবাই ক্ষমতার জ্বরে মাতোয়ারা ভণ্ড খেলা।

ব্লেইম গেমের ঢাকের তালে—
মৃত্যুর নাচ নাচায় জাতিকে,
ওরে! কারো কণ্ঠে নেই ঐক্যের গান,
কারো চোখে নেই জনতার অশ্রু!

আমি দেখি ভয়ঙ্কর ঝড়—
দালালের চক্রে ভাঙছে সাম্য, ছিন্ন হচ্ছে ঐক্য,
দেশপ্রেমিকের দুর্ভিক্ষে জাতি আজ লণ্ডভণ্ড,
ক্ষমতার মোহে স্বদেশ বিকোয় প্রতিদিন।

ওরে বিশ্বাসঘাতক!
তোরা কি জানিস না?
শুধু লাল সবুজের পক্ষেই বাঁচে এই বাংলাদেশ!
আমি চাই—
প্রতিটি প্রাণে জ্বালো দালাল বিদ্বেষী আগুন,
প্রতিটি কণ্ঠে উঠুক বিদ্রোহীর গর্জন—

“আমরা সবাই হবো লাল সবুজের দালাল!”
তবেই জাগবে নতুন ভোর,
তবেই ফুটবে স্বাধীনতার সোনার সূর্য—
বাংলাদেশ হবে অমর, অজেয়,
বিদ্রোহী গানের বজ্রধ্বনিতে!
---------------------------------------------------


Sunday, September 7, 2025

পর্দা মুক্তির আলো

 পর্দা মুক্তির আলো

কলেমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা
রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর
-----------------------------------------------
নূরের দিশা বলে, খোদার বাণী জ্বলে,
মহিলার ফরজ পর্দা যেন মুক্তির আলো ছড়ায় সবলে।
“হুওয়া আল-মু’মিনাতু,” কোরআন জানায়,
চোখে প্রলোভনের ঢেউ রোধ করো, সততা মানায়।

হাদিসের আলো বলে, সৌন্দর্য নয় বাহ্যিক,
মন ও চরিত্রে হোক আলোর দীপ্তি অভ্যন্তরীণিক।
পরিচ্ছন্ন চেহারা হোক ঈমানের ছাপ,
ফরজ হিজাবের শোভা যেন আলোর মিষ্টি স্বপ্নাপ।

চোখে চোখে ভয়ঙ্কর প্রলোভনের স্রোত,
শরীরের আড়াল হোক আলোর অমলপ্রভাত।
পর্দা নয় বন্ধন, নয় নিছক খেলা,
আত্মার মুক্তি হোক আলোর ধারায় গাঁথা জুয়েলা।

বহির্মুখী নয়, অন্তরের দীপ্তি জ্বলে,
শ্রীময় আত্মার আলো যেন জীবনভরে চলে।
পর্দা শুধু কাপড় নয়, নয় আড়াল,
ঈমানের আলো হোক হৃদয়ে জ্বলন্ত প্রিয় পাল।
--------------------------------------------------------


সন্তানের প্রতি দায়িত্ব

 সন্তানের প্রতি দায়িত্ব

কলেমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা
রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর
-----------------------------------------------
আলোর প্রদীপ জ্বালো, ঘরে ভরে মমতার আলো
শিশুর চোখে ফুটুক স্বপ্ন, হৃদয়ে উজ্জ্বল ভালো।
কোরআনের পথে চলুক সে, সত্যের দীপ্তি ধরে
হাদিসের বাণী শোনাও, জীবন হোক সত্যি করে।

নামাজে বাঁধো মন তার, দোয়ায় ভাসুক আলো
মমতার ছায়ায় শিশুর মন হোক সদা অমল আলো।
শাস্তি করো প্রযোজ্য, তবে হৃদয় ভাঙো না
ধৈর্য, সততা, স্নেহে শিক্ষা, শিশুর জীবন গড়ে তোলো না।

খেলাধুলায় শিখুক সে, সততার রঙিন গান
গল্পে ঝরে পড়ুক প্রজ্ঞা, দিক নির্দেশ হোক জান।
স্বপ্ন দেখুক মুক্তির, স্বাধীন চিন্তার আলোয়
দুনিয়ার মায়া বোঝুক সে, অতিমাত্রায় নয় কখনোয়।

দোয়া করো প্রতিদিন, প্রভুর আশীর্বাদে ভরা
সন্তানের পথ হোক দীপ্তি, সুখে, শান্তিতে গড়া।
মমতার বেলা ঘিরে থাকুক, শিশুর মন উজ্জ্বল
ভালোবাসার ছন্দে বাঁধো সে, প্রভুর রহমত ঝিল।

শিশুর হাসি হোক ফুলের মতো, রঙিন, কোমল
পিতামাতার দোয়া, শিক্ষা হোক তার জীবনের মোহল।
প্রকৃতির ছোঁয়ায় বড় হোক সে, মুক্ত, প্রজ্ঞা সমৃদ্ধ
আল্লাহর নামে পথ চলুক, সত্য ও ন্যায় নির্ভুল সমৃদ্ধ।
--------------------------------------------------------


কবরের শাস্তি

 কবরের শাস্তি

কলেমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা
রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর
-----------------------------------------------
কবরের ধুলোয় লুকায় মরণসত্তার ভয়,
ভয়ঙ্কর আয়নায় দেখা যায় জীবনের বোয়।

ফেরেশতারা আসে প্রশ্ন নিয়ে করুণ,
“কে তুমি?”—ধ্বনিত হয় অন্তরের গুণ।

সৎকাজের পথ পায় শান্তির আলো,
পাপ পথে হারায় প্রাণ, ভয়ঙ্কর কাল হলো ।

কবরের কোণে চুপচাপ আছড়ে পড়ে শাস্তি,
হৃদয় কাঁপে, কান্নায় ভরে নিরব রাতি।

কোরআন বলে: “অদৃষ্ট যারা করেছে পাপ,
কবরের আয়নায় তাদের দেবে ঠিক তত্ত্বসাপ।”

হাদিস শোনায়, মলায়েমায় আয়নায় দাঁড়ায়,
ভয়ঙ্কর ফেরেশতাদের প্রশ্নে হৃদয় কাঁপে নায়।

সৎকাজী, তওবার পথে যারা চলে,
কবরের আঙিনায় তাদের শান্তি মেলে।

পাপীর জন্য নেই আর কোনো অবকাশ,
প্রভুর ন্যায়বিচারে পায় তারা কষ্টের আকাশ।

ভয়ঙ্কর চিৎকারে ভরে যায় মৃতের রাত,
কর্মই নির্ধারণ করে মুক্তি বা শাস্তির ছাত।

অতএব সচেতন হও, করুণ তওবা,
সৎকাজের আলোয় ভরে দাও জীবন-গগন-গাঁ।

--------------------------------------------------------

মৃত্যু – এক অমোঘ যাত্রা

 মৃত্যু – এক অমোঘ যাত্রা

কলেমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা
রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর
-----------------------------------------------
হে প্রাণ! শোনো মৃত্যুর বজ্র গর্জন,
আকাশ-পৃথিবী কাঁপে, ছড়ায় অন্ধকারের অশ্রুজল।

কোরআন বলে – “প্রত্যেক প্রাণ মৃত্যুর স্বাদ নেবে,”
পাপ-নেকির হিসাব লেখা, শেষের দিকেই মিলবে।

হাদিস শোনাও – “জীবনের ক্ষণ নির্ধারিত,”
যাত্রা শেষে মুক্তি, আলোর পথে প্রণিত।

মৃত্যু আসে হঠাৎ, বাতাসের মতো নিঃসঙ্গ,
প্রস্তুত আত্মা পায় মুক্তির পাখির সঙ্গ।

চোখের জল নয় শোক, বরং শ্রদ্ধার ঝর্ণা,
জীবনের গহ্বর হোক আলোর পূর্ণিমার কিরণ ধরা।

ধূলি থেকে তৈরি মানব, ফেরে আলোর কাছে,
শেষ নিঃশ্বাসে ভয় নয়, শান্তির আলো হোক সাথে।

মৃত্যু নয় শাস্তি, বরং শিক্ষা, পথিকের গান,
নেকির দীপ জ্বালাও, আল্লাহর পথে হোক প্রাণ।
--------------------------------------------------------

বর্বরতা

 

বর্বরতা

কলেমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা

রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর

-----------------------------------------------

আমি দেখেছি বর্বরতার নৃত্য,
দেখেছি সভ্যতার গর্ভে রক্তাক্ত মৃত্যুর দিত্ত।
মানুষ! না, হায়েনা দাঁত খিঁচিয়ে হেসে ওঠে,
লাশের গন্ধে উল্লাস করে মৃত্যুর মহোৎসবে।

হায়! কিসের যুগ?
জাহেলী অন্ধকারে ফেরা এক বন্যা বন্যা ঢেউ,
মানবতা রুদ্ধশ্বাসে কাঁপে,
মনুষ্যত্ব মরে যায় পশুত্বের খাপে।

যেখানে পাতাকায় লেখা থাকার কথা শান্তির গান,
সেখানে খোদাই হলো হিংস্রতার দানবীয় বানান।
যেখানে মুক্তির আলো ঝলমল করে ওঠার কথা,
সেখানে ঝরে আগুন, রক্ত, বর্বরতার ব্যথা।

কে পাপী? কে পূণ্যবান?
অন্ধ জাতি আজ ধরে বিচার প্রভূর স্থান।
বিধির বিধান তুচ্ছ হয় দুঃসাহসে,
অসভ্যতার জয়গান গেয়ে ওঠে দম্ভে!

সভ্যতা কাঁদে, রক্তধারায় ডুবে যায়,
মানবতা আর্তনাদে ভেঙে যায়।
লাশ পোড়ার ধোঁয়া কালো করে আকাশ,
জ্বলে ওঠে মানুষ নয়দেবদারু নয়
জ্বলে ওঠে সভ্যতার লাশ!

আমি বিদ্রোহী!
আমি ভাঙব এই বর্বরতার শৃঙ্খল,
আমি জ্বালাব মানবতার অগ্নিশিখা অনল।
বাঁধ ভেঙে আসব ঝঞ্ঝা হয়ে,
হিংস্রতার বুকে গর্জে উঠব বজ্রকণ্ঠ হয়ে।

আমি গাইব আলো, আমি গাইব শান্তি,
আমি ভাঙব অজ্ঞতার সর্বনাশের কান্তি।
সভ্যতার মশাল হাতে, আমি আসব বিদ্রোহী প্রাণে,
বর্বরতার নিশান ছিঁড়ে ফেলব বজ্র ঝড়ের টানে।

আমি ভয় পাই না, আমি থামি না,
রক্তস্রোত ছিঁড়ে আসি বজ্রেরই ধ্বনি হয়ে।
যতদিন হায়েনার হুঙ্কার বাজে ভুবনে,
ততদিন বিদ্রোহী আমি অমর হয়ে রইব রক্ত-জ্বালায়,
মানবতার জয়গান গাইব বজ্র গগনে!

 

--------------------------------------------------------