বুধবার, সেপ্টেম্বর ৩০, ২০২৬

আমিতো ভুলে যেতে চাই

কবি মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা

রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর।

***********************************

আমিতো ভুলে যেতে চাই, তোমার অবহেলা ছাড়ে না

কিছু মানুষকে ভুলে যেতে চাইলেও,
তাদের স্মৃতি কেন যেন হৃদয় ছাড়ে না...
কিছু অনুভূতি মুখে বলা হয় না,
শুধু চোখে চোখে কথা হয়ে যায়—
আর সেই না-বলা কথাগুলোই
একদিন সবচেয়ে বড় কষ্ট হয়ে ফিরে আসে।

আজ সেই না-বলা ভালোবাসার গল্প...

আমিতো ভুলে যেতে চাই—
তোমার অবহেলা ছাড়ে না।

এতো সহজেই যদি ভুলে যাবে,
তবে কেন অজান্তে এসেছিলে
এই অবুঝ হৃদয়ের ধরনীতে?

কেন করেছিলে
হৃদয়ের স্পন্দনে
এতো আয়োজন?

প্রাণের শূন্যতার ভিতরে
তোমাকে যে বড় প্রয়োজন...

প্রেমরে উপেক্ষা নাও তুলে,
মনে আছে সেই কবে—

গালে হাত দিয়ে
নির্দ্বিধায় আমার দিকে তাকালে...

আমি আচমকা
বজ্র-বিজলীর মতো,
ভিতরে ভিতরে
আলোর ঝলকানি দেখতে পেলাম।

চোখে চোখে কথা হলো—
শুধু বলা হলো না...

এক অনুভবের নিষ্ঠুর দাবানলে
আমি ভিতরে ভিতরে জ্বলছিলাম।

তবু সম্মতিসূচক হৃদয়ে
হৃদয়ে ছবি আঁকছিলাম।

না বুঝেই
বিশ্বাসের ফোয়ারায়
প্রেমের ঢেউ তুলেছিলাম।

আর ভাবছিলাম—

গালে হাত দেওয়া
যাকে দেখছিলাম,
সে কি অবুঝ হৃদয়ের
অনুভূতি বুঝেছিল?

নাকি সবই ছিল
আমার একার কল্পনা?

সেই থেকে
অতি যত্নে,
অতি গোপনে,
তোমাকে লালন করছিলাম হৃদয়ে...

চোখে চোখে কথা হলো—
শুধু বলা হলো না...

আমি তোমাকে ভালোবাসি...
অনেক ভালোবাসি...

একটি স্বপ্নের সাথে
শর্তহীন সন্ধি হয়েছিল—
এক অবুঝ প্রাণের।

ভেবেছিলাম,
এই ভালোবাসা হয়তো
কোনোদিন হারিয়ে যাবে না...

কিন্তু—

আমিতো ভুলে যেতে চাই,
তোমার অবহেলা ছাড়ে না।

শুধু কবিতায় কবিতায়
স্বর্গীয় প্রেমের দুর্গ গড়েছো।

সংগোপনে এসেছো
অপরূপা রূপে,
এক মধুচন্দ্রিমার অভিপ্রায় হয়ে।

তবু দেখো—

হৃদয়ের ভিতরে আজ
কত দুঃসময়!

যে চোখে একদিন
ভালোবাসার আলো দেখেছিলাম,
আজ সেই চোখেই
কেন এত দূরত্ব?

যে নীরবতায়
হাজার কথা শুনেছিলাম,
আজ সেই নীরবতাই
কেন এত নিষ্ঠুর?

আমি তো তোমাকে
দোষ দিতে চাই না...

শুধু জানতে চাই—

যদি চলে যাওয়ারই ছিল,
তবে কেন এসেছিলে?

যদি ভুলে যাওয়ারই ছিল,
তবে কেন হৃদয়ে
ভালোবাসার এত আয়োজন করেছিলে?

চোখে চোখে কথা হলো—
শুধু বলা হলো না...

আজও সেই না-বলা কথাগুলো
আমার বুকের ভিতর
নিঃশব্দে কাঁদে।

আমি তোমাকে ভুলতে চাই...
সত্যিই ভুলতে চাই...

কিন্তু—

আমিতো ভুলে যেতে চাই,
তোমার অবহেলা ছাড়ে না।

তোমার স্মৃতি ছাড়ে না...
তোমার সেই দৃষ্টি ছাড়ে না...
গালে হাত দিয়ে
নির্দ্বিধায় তাকিয়ে থাকা
সেই মুহূর্তটিও ছাড়ে না...

আর সবচেয়ে বেশি—

চোখে চোখে বলা
সেই ভালোবাসা
আজও হৃদয় ছাড়ে না।

হয়তো কোনোদিন
তোমাকে আর পাওয়া হবে না...

হয়তো কোনোদিন
আমাদের সেই না-বলা কথাগুলো
কথা হয়ে উঠবে না...

তবু আমার হৃদয় জানে—

আমি তোমাকে ভালোবাসি...
অনেক ভালোবাসি...

আর তাই—

আমিতো ভুলে যেতে চাই,
তোমার অবহেলা ছাড়ে না...

চোখে চোখে কথা হলো—
শুধু বলা হলো না...

শুধু বলা হলো না...

বন্ধনের মহাব্রত

 কবি মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা

রাওনাট, কাপাসিয়া, গাজীপুর।

------------------------------------------

এ গান শুধু গান নয়—
এ এক জাগরণের ডাক,
এ এক মানবতার শপথ,
এ এক তরুণ প্রজন্মের মহাব্রত।

শোন রে বিশ্ব, শোন রে মানুষ,
শোন রে অত্যাচারী—
আমরা এসেছি দীপ্ত চরণে
আর্তের দুঃখ হারি।

জ্বালাতে এসেছি শিক্ষার মশাল,
ভাঙতে আঁধার কালো,
সুবিধা-বঞ্চিত ভাই-বোনদের
বুকে জ্বেলে দেব আলো।

চল রে চল রে চল!
জাগাও বাহুর বল!
আমরা এসেছি রাঙাতে অবনী,
মুছাতে আঁখির জল।
বন্ধন নামের পতাকাতলে
রে প্রদীপ্ত দলবল—
চল রে চল রে চল!

ভয় নাই আর ওরে অবহেলিত,
দুশ্চিন্তা করো দূর,
ছায়া দিতে এল বন্ধন ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন,
রাওনাট, কাপাসিয়া, গাজীপুর!

এ আমাদের অঙ্গীকার রে,
এ আমাদের পণ—
মানবতার তরে সঁপেছি আজকে
এ তনু, মন ও ধন!

চল রে চল রে চল!
ওই চেয়ে দেখ, ওই মহাকাহন,
পতাকা ধরেছে বীর সেনাগণ!
আলী আজগর ভুঁইয়ার বুকে
ঝড়ের মাতম বাজে,
শফিকুর রহমান মোল্লা
ছুটেছে আর্তের কাজে।

আনোয়ার হোসেন পাঠান এনেছে
একতা ও বিশ্বাস,
আমজাদ হোসেন মোল্লা কাটে
আঁধারের নিঃশ্বাস।

ফজলুল কবির মোল্লা ডেকেছে
রুধিরাক্ত সে আহ্বান,
কবির সরকার গাহে আজ
মহাজাগরণের গান।

আবু সাহেদ খান রুখে দাঁড়ায়
তিমির-রাতের দ্বারে,
দাউদ মোল্লা আঘাত হানে
জড়তার প্রাচীরে।

হাদিউল ইসলাম মোল্লা এনেছে
ভোরের নতুন আলো,
কবি আমিনুল এহছান মোল্লা
ছড়ায় কাব্য ভালো।

রফিকুল ইসলাম মোল্লা ডেকেছে
তারুণ্যে বারে বার,
মাসুম সরকার দিতে এসেছে
মুক্তির অধিকার।

মোবারক ভূইয়া, সোহেল সরকার,
তোফাজ্জল মাষ্টার—
সবাই মিলেছে এক মোহনায়,
ভাঙিতে অন্ধকার!

চল রে চল রে চল!
চল রে চল রে চল!

ওরে ও শিশু, ওরে ও কিশোর,
স্কুলে চল রে চল!
হাতে নে রে বই,
ভাঙিয়া ফেল রে মূর্খতার শিকল!

আদর্শ শিক্ষাই জীবনের আলো,
মুক্তির সে তো সোপান,
লেখা-পড়া করে আদর্শ মানুষ হ,
তোরা আগুয়ান!

পড়ব, শিখব, মানুষ হব—
দেশ গড়ার শপথ নেব!
শিক্ষার আলো ঘরে ঘরে,
আলোকিত সমাজ গড়ব রে!

অন্যায় দেখে রুখে দাঁড়া,
হ রে বজ্রনাদ!
বখাটেপনা ও কলঙ্ক হোক
চিরতরে নিপাত!

খেলার মাঠেতে চল রে তরুণ,
মেল রে বক্ষপট,
ছুঁসনে রে কভু বিষের পিয়ালা,
মাদকের ওই জট!

মদ, গাঁজা, আফিম, ইয়াবা—
এ তো মরণ-ফাঁদ,
যুবসমাজকে গ্রাস করে
কলুষিত অবসাদ!

না! না! না!
মাদকের কাছে হার নয়!
চল রে চল রে চল!

জেগে ওঠ আজ হে নব-তারুণ্য,
ভেঙে ফেল ওই নেশা,
লুপ্ত হোক রে সমাজ হতে
এই তো নরক-পেশা!

মানবিক হ রে,
মানুষ হ তোরা,
মানবতার গান গা—
দুস্থের ঘায়ে মলম লাগাতে
বন্ধন নিয়ে পা!

শিক্ষা ও স্বাস্থ্য,
বনায়ন আর মাদকমুক্ত দেশ—
বন্ধন মোদের শপথের নাম,
ঘুচাবে দুঃখ-ক্লেশ!

গাজীপুরের এই রাওনাট হতে
উঠিল যে হুংকার,
বিশ্ব-জগৎ দেখুক আজিকে
বন্ধন-অঙ্গীকার!

চল রে চল রে চল!
জাগাও বাহুর বল!
আমরা এসেছি রাঙাতে অবনী,
মুছাতে আঁখির জল!

বন্ধন নামের পতাকাতলে
রে প্রদীপ্ত দলবল!
চল রে চল রে চল!


শিক্ষা!আলোর পথ!স্বাস্থ্য
সুস্থ সমাজ!
মানবতা!মানবিক বাংলাদেশ!

শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও সুবর্ণ গড়ার অঙ্গীকার—
বন্ধন ওয়েলফেয়ারে মানবিক সমাজ সবার!

বন্ধন!
বন্ধন!
বন্ধন!

মানবতার জয়!
শিক্ষার জয়!
তারুণ্যের জয়!

চল রে চল রে চল!
জাগাও বাহুর বল!
বন্ধনের মহাব্রত—
মানবতার জয়!

----------------------------------------------------------------

সন্তানকে নৈতিক শিক্ষা দাও হে

 মোহাম্মদ আমিনুল এহছান মোল্লা

রাওনাট, কাপাসিয়া, গাজীপুর।

*************************************

ওহে পৃথিবীর অভিভাবক...
শোনো!
আজ তোমাদের কাছে আমার একটি প্রশ্ন—

তোমরা সন্তানের হাতে কী তুলে দিচ্ছ?
শুধু মোবাইল?
শুধু মোটরবাইক?
শুধু টাকা-পয়সা?
শুধু আধুনিকতার চাকচিক্য?

না!
তাকে দাও নৈতিক শিক্ষা...
দাও মানবিক শিক্ষা...
দাও দেশপ্রেমের শিক্ষা...
দাও সত্য ও আদর্শের শিক্ষা।

বলো হে সন্তান—
তুমি মানুষ হও!
শুধু মানুষের আকৃতিতে নয়,
মানবিকতায় মানুষ হও।
তোমার জ্ঞানের আলোয়
পৃথিবীর অন্ধকার দূর হোক।

সন্তান...
অন্যায় করো না,
কারো প্রতি জুলুম করো না।
মজলুমের চোখের জল
তোমার হৃদয়কে কাঁদাক।

অন্যায়ের সামনে মাথা নত করো না!
সত্যের পক্ষে দাঁড়াও,
হকের পক্ষে দাঁড়াও,
ন্যায্য অধিকার ফিরিয়ে দিতে
প্রতিবাদী কণ্ঠ হও।

বিপ্লব হও—
কিন্তু ধ্বংসের নয়,
মানবতার বিপ্লব হও!

সুদ-ঘুষ খেয়ো না!
চুরি করো না!
ডাকাতি করো না!
রাহাজানি করো না!
চাঁদাবাজ হয়ো না!
দখলবাজ হয়ো না!

খুন করো না!
গুম করো না!
হত্যা করো না!

মানুষের রক্ত দিয়ে
কখনো নিজের ভবিষ্যৎ লিখো না!

মোবাইল তোমার জ্ঞানের জানালা হোক,
অজ্ঞতার অন্ধকূপ নয়।
মোবাইল দিয়ে জ্ঞান খুঁজে নাও,
অশ্লীলতা নয়।

সময় নষ্ট করো না,
নিজেকে নষ্ট করো না,
তোমার নির্মল মনকে
অনৈতিকতার বিষে ভরিয়ে দিও না।

মোটরবাইক চালাও—
কিন্তু বেপরোয়া হয়ো না!
গতি দেখাতে গিয়ে
জীবনকে মৃত্যুর হাতে তুলে দিও না।

নিয়ম মেনে চলো,
হেলমেট পরো,
নিজের জীবন বাঁচাও,
অন্যের জীবনও বাঁচাও।

জুয়া খেলো না!
মদ পান করো না!
নেশার কাছে নিজেকে বিকিয়ে দিও না!

নেশা তোমার স্বপ্ন কেড়ে নেবে,
জুয়া তোমার ভবিষ্যৎ কেড়ে নেবে,
অনৈতিকতা তোমার চরিত্র কেড়ে নেবে।

মনে রেখো...
টাকা হারালে ফিরে পাওয়া যায়,
সম্পদ হারালে আবার গড়া যায়,
কিন্তু চরিত্র হারালে—
মানুষের বিশ্বাস ফিরে পাওয়া কঠিন।

ইভটিজার হয়ো না...
নারীকে অসম্মান করো না।
নারী তোমার মা হতে পারে,
তোমার বোন হতে পারে,
তোমার সন্তানের মা হতে পারে।

কিশোর গ্যাং হয়ো না!
অপরাধের দলে নাম লিখিও না!
স্বৈরাচার হয়ো না,
ফ্যাসিবাদী মনোভাব পোষণ করো না,
দেশবিরোধী কাজে নিজেকে জড়িও না।

তোমার শক্তি হবে
সত্যের শক্তি,
তোমার সাহস হবে
ন্যায়ের সাহস।

বাবা...
আমাকে শুধু বড় মানুষ বানিও না,
ভালো মানুষ বানাও।

মা...
আমাকে শুধু লেখাপড়া শেখিও না,
মানুষকে ভালোবাসতেও শেখাও।

হ্যাঁ!
সন্তানকে শুধু পরীক্ষার জন্য প্রস্তুত করো না,
জীবনের পরীক্ষার জন্য প্রস্তুত করো।

তার হাতে শুধু বই দিও না,
বিবেক দাও।
তার মাথায় শুধু জ্ঞান দিও না,
প্রজ্ঞা দাও।
তার হৃদয়ে শুধু স্বপ্ন দিও না,
মানবতা দাও।

পিতা-মাতাকে সম্মান করো...
তাঁদের কষ্ট বোঝো।
মায়ের দোয়া মাথার উপর রাখো,
বাবার ঘামকে সম্মান করো।

রক্তের সম্পর্ক অটুট রেখো,
ভাইকে ভালোবাসো,
বোনকে সম্মান করো,
আপনজনের বিপদে পাশে দাঁড়াও।

পরউপকারী হও!
অসহায়ের পাশে দাঁড়াও।
ক্ষুধার্তকে খাবার দাও,
তৃষ্ণার্তকে পানি দাও,
অশিক্ষিতকে শিক্ষা দাও,
দুঃখী মানুষের চোখের জল মোছাও।

তুমি হবে বৃক্ষ—
যে নিজে রোদ সহ্য করে
অন্যকে ছায়া দেয়।

তুমি হবে নদী—
যে নিজে বয়ে যায়
অন্যের তৃষ্ণা মেটায়।

তুমি হবে প্রদীপ—
যে নিজে জ্বলে
অন্যের পথ আলোকিত করে।

ইলম হোক তোমার আলো,
আদব হোক তোমার অলংকার,
সবর হোক তোমার শক্তি,
হক হোক তোমার অঙ্গীকার।

দিলের মাঝে জ্বালো নূরের প্রদীপ,
অজ্ঞতার আঁধার দূর হোক।
রহমতের ছায়ায়
মানবতার ফুল ফুটুক।

জ্ঞান অর্জন করো!
চরিত্র গড়ো!
সত্যকে ভালোবাসো!
ন্যায়ের পথে চলো!
দেশকে ভালোবাসো!
মানুষকে ভালোবাসো!

মনে রেখো—
সন্তান শুধু একটি পরিবারের ভবিষ্যৎ নয়,
সন্তান একটি সমাজের ভবিষ্যৎ,
একটি জাতির ভবিষ্যৎ,
একটি দেশের ভবিষ্যৎ!

মানুষ হও!
মানুষ হও!
মানুষ হও!

সন্তানকে নৈতিক শিক্ষা দাও হে!

মানবিকতার দীক্ষা দাও হে!

দেশপ্রেমের শিক্ষা দাও হে!
সৎ আদর্শের শিক্ষা দাও হে!

মোবাইল হোক জ্ঞানের সাথী!
মোটরবাইক হোক নিরাপদ যাত্রার সঙ্গী!
জুয়া, মদ, নেশা ও অনৈতিকতা—
দূরে সরিয়ে দাও!

অন্যায়কে না বলো!
জুলুমকে না বলো!
দুর্নীতিকে না বলো!
অপরাধকে না বলো!

সত্যকে হ্যাঁ বলো!
ন্যায়কে হ্যাঁ বলো!
মানবতাকে হ্যাঁ বলো!
দেশপ্রেমকে হ্যাঁ বলো!

বলো হে সন্তান...
তুমি কেমন পৃথিবী রেখে যাবে?

এমন এক পৃথিবী—
যেখানে মানুষ মানুষকে ভালোবাসবে,
যেখানে সত্য মাথা উঁচু করে দাঁড়াবে,
যেখানে ন্যায় অন্যায়ের বিরুদ্ধে বিজয়ী হবে,
যেখানে সন্তান হবে
পিতা-মাতার গর্ব,
সমাজের আলো,
দেশের সম্পদ,
মানবতার অহংকার।

তাই বলি—
ওহে পৃথিবীর অভিভাবক...

সন্তানকে শুধু বড় করো না...
সন্তানকে মানুষ করো।

সন্তানকে শুধু শিক্ষিত করো না...
সন্তানকে আলোকিত করো।

সন্তানকে নৈতিক শিক্ষা দাও হে...

মানুষ হওয়ার শিক্ষা দাও হে...

মানুষ হও...
আলোকিত হও...
মানবতার সন্তান হও...

--------------------------------------------------------------

 

অবুঝের মত (গান)

  অবুঝের মত (গান) কবি মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা স্থানঃ রাওনাট - কাপাসিয়া - গাজীপুর তারিখঃ ২১ - ১১ - ২০২৪ ইং ********************...