-কবি মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা
প্রেমের বাঁধন ছিড়ে,
বিদ্রোহী অরুণ্যের লতা-পাতা বাংলাকে
রয়েছে ঘিরে।
অন্তর ভেদিয়া, আলোতে লুকিয়া, মেঘের
আড়ালে ফুটি,
প্রাণের উচ্ছাসে গর্জে ওঠা অনুভূতি
হয় কুটি কুটি।
যুগের পর যুগ ক্ষমতার দম্ভ সিংহাসন
আছে যার,
নিষ্ঠুর ভেলা চলি যায় যায় রক্ত
পিপাষু শত বার।
পিচাশের মুন্ডে যত হিংস্র কামনা
মেলিছে ধর্ষ্ণ ঢেউ
শুভ্র দেহখানি দাগ হয়ে আছে এ মায়ের
যুবতী কেউ।
ক্ষণে ক্ষণে দেখি এ বুক হতে দাগী
দাগী শত্রু হয়ে,
ভন্ডেরা ছুটে আসে প্রেমিক হতে লাল
সবুজ সুর লয়ে,
পথে ঘাটে ঘাতক পাখিরা কুটকৌশলে
গান ধরে,
এখনো তাহারা বোঝেনি এ বুকে সন্তানেরা
বসত করে।
পিতার ডাক,রক্তের দাগ, ইজ্জতহারা
মা বোনে,
মুক্তি-যুদ্ধের সমরে বিলিয়েছে প্রাণ
সযতনে।
লাল রঙ -সবুজ রঙ, ভিতরের রক্তিম
গতি তার,
মা ও সন্তানের যুগল ফ্রেমে আলপনা
আঁকা কার?
যেন একখানি বিজয়ের কাব্য কবিতার
লাইনে ভরি,
এ বাংলার যত আনন্দ হাসি হৃদয়ে ধারণ
করি।
বীর দর্পে যে সন্তানেরা এ মাকে
চির ভালবাসে,
কিছুতেই যেন থামিবার নহে শত্রু
হারাবার শেষে।
সামনে তাহার বিজয় ঘরখানি পিতার
স্বপ্নের মত,
হৃদয়ের গহিন পাখনা মেলিয়া তাহারা
প্রেমে আছে রত।
এ বিজয়ের পটভূমি কালে বঙ্গ বন্ধু
স্বাধীনতা ঘোষনা দিলে
মহা-রহস্য লুকাইয়া বুকে কাহারা
চলিছে নানান ছলে?
ওদের দেবতা লুটিবেই ভয়ে বাংলা ছাড়ি-
ওহে বাহু বল;
তারা পারিবেনা অতি চুপি চুপি ভাঙ্গিতে
তোদের মনোবল।
পথে ঘাটে ঘাতক পাখিরা কুটকৌশলে
গান ধরে,
এখনো তাহারা বোঝেনি এ বুকে সন্তানেরা
বসত করে।
অ-আ, ক-খ এ বর্ণমালা সোনার বাংলা সুরে সুরে
যে হৃদয়খানি মা’র আচল ঘেরি উড়িতেছে
সদা ঘুরে।
------------------------,রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর।
No comments:
Post a Comment