Friday, July 10, 2020

শোকরান করোনা

বেদনার শব্দ্ বাজে সরলের বুকে


--------------কবি মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা।
**********************

হাঠাৎই তুমি  গর্জে উঠলে রক্ত ঝাঁকি দিয়ে
হে তোষামোদি ,হে তোষামোদি, হে তোষামোদি!

পরিশ্রমী সহজ সরলেরা কর্তার বুকে ঠাঁই পেতে গিয়ে
দিশেহারা, আজ দিশেহারা
কেউ নেই, কোথাও কেউ নেই, খাঁ-খাাঁ করছে সত্যের বাড়ি
আপন নীড় চেতে চেয়ে
ছিটকে গেল পরীক্ষিত বীরেরা প্র্খর রোদ্দুরে

তোষামোদিরা  ঘিরে আছে ডাইনে –বায়ে ঘরে বাইরে
কুটচালের মিছিলে সারি সারি
দৃশ্যটা  পরিচিত বাংলার অফিস আদালতে, পথে ঘাটে সবখানে
বুঝে নিতে পারি-

স্পষ্ট্ত বুঝে নিতে পারি, ন্যায় নিষ্ঠ্ সত্যের বুকে হাহাকার
বেদনার শব্দ্ বাজে সরলের বুকে
হায়, তবু সেই নৈতিক বাণী শুনি কর্তার মুখে মুখে
অর্থ্ বুঝি না যে

মূল্যায়ন মূল্যায়ন! কিসের মূল্যায়ন? প্রাণে প্রাণে দুঃসহ যন্ত্র্না
নিরলস ন্যায় নিষ্ঠ শ্রমিকের
করোনার তুফানে তুফানে ক্ষুব্ধ্ কর্তারা বুক চেপে আছে
নিবেদিত প্রাণ কর্মীর বহরে
ছা্ঁটাই, ছাঁটাই, শুধু ছাঁটাইয়ের মিছিলে-
শিল্পের অধিপতি বুঝে না যে -

তোষামোদিরা ঠিকই আছে, র্নিভয়ে আছে---
স্পষ্ট্ত বুঝে নিতে পারি, ন্যায় নিষ্ঠ্ সত্যের বুকে হাহাকার
বেদনার শব্দ্ বাজে সরলের বুকে


----------------------------------------------------১০-০৭-২০২০ ইং রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর


Thursday, July 2, 2020

স্বাস্থ্য বিধির সনদে


-------------------কবি মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা।
********************************
যদি স্বাস্থ্য বিধি মান, আমি লক ডাউন ছাড়া আর সব দেবো
এই মন চাই না আর স্থবির হয়ে আসুক তোমাদের পথ চলা।
আমি চাই অর্থনৈতিক মুক্তি ফিরে আসুক কৃষক শ্রমিক মজুরে
কল কারখানা চলুক হরদমে

যদি স্বাস্থ্য বিধি মান, আমি খুলে দিবো অফিস আদালত গাড়ী ঘোড়া
ফিরে পাবে জীবনের চঞ্চলতা-
মুক্তি পাবে গৃহ বন্ধী হতে
যদি চাও দিয়ে দিবো নির্বাসন করোনার ভীতি মালা

শুধু চাই স্বাস্থ্য বিধি মেনে চল জীবন জীবিকায় ঘরে বাইরে-
আমি খুলে দেবো, সব খুলে দেবো তোমাদের অভিসারে
যদি চাও, সাড়া বাংলা খুলে দেবো স্বাস্থ্য বিধির সনদে
যদি পাশ করো, করোনার ভীতি স্তব্দ হবে ফুলের সৌরভে
বাঙ্গালী জেগে ওঠবে স্বগৌরবে-

তুমি বাংকার হবে, স্বাস্থ্যবিধি হবে সুরক্ষা, মুক্ত জীবন
যদি চাও, খুলে দোবো- শুধু অবরুদ্ধ লক ডাউন দেবো না।
বিজয় কেতন উড়ে দেবো পিচ ঢালা শহরে
লাল-সবুজ প্রান্তরে-
খুলে দেবো, লক ডাউন খুলে দেবো স্বাস্থ্য বিধির সনদে ।
--------------------------------------------১৯-০৬-২০২০ ইং, রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর।


প্রিয়জন সাহিত্য পরিষদ


-----------------------------কবি মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা।
***********************************
আমাকে কবিতা আবৃত্তির মূর্ছ্নায় কে ভাসাবে?
আমাকে সুখ দুঃখের সাহিত্য কে শোনাবে?
অধীর আগ্রহে চেয়ে থাকি তোমার পানে হে প্রিয়জন
যদি তুমি না আস, আমি ব্যাকুল হয়ে  যাই বিরহ ব্যাদনায়
দিবা নিশি!

অন লাইন পর্দায় চেয়ে থাকি, অবিরত চেয়ে থাকি কবিদের আড্ডায়.
কে আর শুনাবে  এমন কবিতা আবৃত্তি?
স্বপ্ন তো আমার সেই জন্ম থেকে জীবনের
প্রিয়জন সাহিত্য পরিষদের মধুময় আড্ডায় ।

আমার কবিতা বলে কিছু নেই
আমার সাহিত্য বলে কিছু নেই
আছে শুধু কবিতার প্রতি বিস্তর প্রেম ।
কবিতা তো আমার প্রেম ভালবাসা জীবনের আলিঙ্গন।
তুমি  তো নিখঁত স্পর্শ্ আমার আপাদমস্তক- হে প্রিয়জন সাহিত্য পরিষদ।
তোমাকে সেভ করে রেখেছি হৃদয়ের এ্যালবামে।
---------------------------------------২০-০৬-২০২০ ইং,রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর।

করোনার নিষ্ঠুর হাতে পড়াবো শিকল


----------------------------------কবি মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা।
********************************
আমি আর আতংকিত হবো না
ভয় পাবো না, কোন কিছুইতেই শুধু আর ভয় পাবো না ।

যে করোনার ছোবলে বিশ্ব মানুষেরা মৃত্যে ভয়ে - মৃত্যেুর প্রহর গুনে
এখন সম্মুখ যোদ্ধারা এসে গেছে করোনা যুদ্ধে
কেভিড-১৯ দুর্বার হুঙ্কারে আমি আর আতংকিত হবো না।

মৃত্যু ভয়কে তুচ্ছ করে আমার দ্বারে দ্বারে
ডাক্তার , সেবক- সেবিকা, পুলিশ –আর্মি, রাষ্ট্র নায়ক, সমাজ নায়ক
শিল্পপতি, গায়ক- গায়িকা, কবি- সাহিত্যক, বুদ্ধিজিবী, সাংবাদিক
কিংবা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের কে নেই পাশে !

করোনার নিষ্ঠুর হাতে আজি পড়াবো শিকলের কড়া
আবার আসবে- ফিরে আসবেই নির্ভ্য় বাংলার বুকে বুকে
আজ সেই দিন ক্ষণ,
ছুঁড়ে ফেলো জীর্ণ্ জড়তা সম্মুখ যোদ্ধাদের অকোতভয় বীরত্ত্ব দেখে
আমি আর আতংকিত হবো না

ভয় আতংকে হারাবে প্রাণের স্পন্দন,পৃথিবী হারাবে তোমাকে
স্বাস্থ্যবিধিই হবে পুস্পিত বাগান, আমি আর ভয় পাবো না-
প্রকৃতির প্রতিশোধে- ইনশাআল্লাহ-
করোনার নিষ্ঠুর হাতে পড়াবো শিকল, তুমি ভয় পেও না-
-------------------------------------২০-০৬-২০২০ ইং,রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুল।


এ হৃদয় ছিনিয়ে নিয়েছো তুমি



-----------------------------কবি মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা।
********************************
হে প্রিয়া, তুমি জানতে যদি আমার হৃদয়
ক্ষতবিক্ষত কতোখানি,
ব্যাকুল হয়ে উঠতো তোমার দেমাক প্রাণ
আমার যন্ত্রনায় বাজত আপন যন্ত্রনার ধ্বনি।

স্পন্দিত প্রাণের রক্ত কণিকারা জানতো যদি
তবে ব্লাড প্রেসার বেড়ে যেতো কিংবা স্তম্ভিত হতো
আমার যন্ত্রনা কতোখানি- কতোদুর,
রক্ত প্রবাহে প্রবাহে গর্জে উঠত সুপ্ত তরঙ্গেরা
আর অনুভূতিরা আলিঙ্গনে আলিঙ্গনে বলতো
হে প্রিয়, আমি ভালবাসি, শুধু তোমাকেই ভালবাসি৥!

শুভ্র হৃদয় খুলে কখনো ভাবতে যদি-
প্রাণের গভীরে ক্ষত বিক্ষত দাগগুলো-
তবে ফিরে আসতে, তুমি ফিরে আসতে
আমার শিয়রে, আমার ফুল সজ্জার বাসরে-

আমি জানি, তুমি আসবে না, তুমি বুঝবে না- এ যন্ত্রনা
শুধু জানি, আমি জানি- এক অহংকারের আড়ালে-
তুমি আজ বিরহের চাঁদরে ঢাকা।

জেনে রেখো, এ হৃদয় ছিনিয়ে নিয়েছো তুমি
আবার যন্ত্রনাও দিয়েছো অবিরত!
তবু বলি, ভালবাসি ,শুধু তোমাকেই ভালবাসি ।
---------------------------২০-০৬-২০২০ ইং রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর।






এ হৃদয় ছিনিয়ে নিয়েছো তুমি



-----------------------------কবি মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা।
********************************
হে প্রিয়া, তুমি জানতে যদি আমার হৃদয়
ক্ষতবিক্ষত কতোখানি,
ব্যাকুল হয়ে উঠতো তোমার দেমাক প্রাণ
আমার যন্ত্রনায় বাজত আপন যন্ত্রনার ধ্বনি।

স্পন্দিত প্রাণের রক্ত কণিকারা জানতো যদি
তবে ব্লাড প্রেসার বেড়ে যেতো কিংবা স্তম্ভিত হতো
আমার যন্ত্রনা কতোখানি- কতোদুর,
রক্ত প্রবাহে প্রবাহে গর্জে উঠত সুপ্ত তরঙ্গেরা
আর অনুভূতিরা আলিঙ্গনে আলিঙ্গনে বলতো
হে প্রিয়, আমি ভালবাসি, শুধু তোমাকেই ভালবাসি৥!

শুভ্র হৃদয় খুলে কখনো ভাবতে যদি-
প্রাণের গভীরে ক্ষত বিক্ষত দাগগুলো-
তবে ফিরে আসতে, তুমি ফিরে আসতে
আমার শিয়রে, আমার ফুল সজ্জার বাসরে-

আমি জানি, তুমি আসবে না, তুমি বুঝবে না- এ যন্ত্রনা
শুধু জানি, আমি জানি- এক অহংকারের আড়ালে-
তুমি আজ বিরহের চাঁদরে ঢাকা।

জেনে রেখো, এ হৃদয় ছিনিয়ে নিয়েছো তুমি
আবার যন্ত্রনাও দিয়েছো অবিরত!
তবু বলি, ভালবাসি ,শুধু তোমাকেই ভালবাসি ।
---------------------------২০-০৬-২০২০ ইং রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর।






এই হাতে কবিতা দাও
--------------------কবি মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা।
***********************************
কবিতার অতন্দ্র প্রেম জেগে আছে অপার মহিমায়-
কবিতায় কবিতায় রেখেছি তোমায় হৃদয়ের আঙ্গিনায়
পূর্ণিমার শুভ্র আলোয় বিনিদ্র নিশিথ!
যতোটুকু চেয়েছি তার চেয়ে বেশী ছুঁয়েছি তোমাকে-
কবিতার উৎসবে ডাক দিয়েছো আমায়, আসবো না কেন?
এই হাতে কবিতা দাও, কবিতার মোহনায় আমি হারাবো-
আমি খুঁজে নিবো প্রিয়জন সাহিত্য পরিষদ।
-------------------------------২০-০৬-২০২০ ইং, রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর।



পরাজায় ! কভূ অবিনশ্বর পরাজয় নয়


-----------------কবি মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা।
**********************************
 তুমি এক অদৃশ্য ক্ষেপণাস্র কিংবা মিসাইল
দানবীয় শত্রু বিশ্ব মানবের কাছে
প্রস্তুত হওয়ার  আগেই হানা দিয়েছো নিখিলের দূর্গে দূর্গে-
তুমি এক কা-যোদ্ধো-তুমি ভেঙ্গেছো সমর নিয়ম

এ পৃথিবীর রণ রক্ত কেবল দিয়েছে মানুষ সম্মুখ যুদ্ধে
এনেছে বহু বিজয়!
পরাজায় ! কভূ অবিনশ্বর পরাজয় নয়
তুমি একদিন এই মানুষের কাছেই নতশির হবে;
তবু বলি যদি যোদ্ধা হও সম্মুখে এসো-

আজকে অনেক প্রাণকে কেড়ে নিয়েছো নিরব ঘাতকের মতো-
পৃথিবীর মানুষকে মানুষের মতো বাঁচতে দেওনি
ছোবল দিয়েছো কেবল রাতের অন্ধকারে, বুকে চেপে
নির্দ্য় হত্যা করেছো লক্ষ লক্ষ প্রাণ!

ভাই বোন বন্ধু পরিজনকে নিয়েছো মৃত্যেুর মিছিলে
পৃথিবী জুড়ে গভীর থেকে গভীতর নিষ্ঠুর অগ্রাসন করেছো
মানুষ তবুও বাঁচার স্বপ্ন দেখে- মানুষ জিতবেই
পরাজায় ! কভূ অবিনশ্বর পরাজয় নয়--
-------------------------------------------২১-০৬-২০২০ ইং,রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর।



এতো বেশী কল্পনা করতে বলো না


------------------কবি মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা।
************************************
এতো বেশী কল্পনা করতে বলো না, তুমি ঢুকে যাবে
কিছুটা আড়ালে থেকো, কিছুটা দুরত্বে থেকো মঙ্গল হবে

অদৃশ্য স্পন্দনের দু’টি অনুভব
অজান্তেই যদি এক হয়ে যায়!
তাই বলি এতো বেশী কল্পনা করতে বলো না-
তুমি ঠিক ততোখানি নেগেটিভ যতোখানি পজেটিভ আমি -
ভয় তো এখানেই---

তড়িৎ প্রবাহ জ্বলে উঠবে এর বেশী ভাবতে বলো না।
কবি তো  ভুলে যাবে কবিতার মৌল উপাদান
দেহের ভেতরে শিরহণ জেগে উঠবে তড়িৎ প্রবাহে প্রবাহে, তখন তুমি নেই
কবিতায় তুমি নেই, তুমি আছো  ঠিক ওইখানে--
এতো বেশী কল্পনা করতে বলো না, তুমি ঢুকে যাবে—

তুমি তো কবিতার মৌল উপাদান! তুমি তো এমনিতেই
ঢুকে আছো ঠিক ওইখানে—
যেমনটি দু’জনার চাওয়া ।
এতো বেশী কল্পনা করতে বলো না, তুমি ঢুকে যাবে—
------------------------------------২১-০৬-২০২০ ইং,রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর।

উজ্জ্বল নক্ষত্রের অবসান


--------------------------কবি মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা।
***********************************
রাত্রির অন্ধকার আকাশে দেখেছি আমি তোমাকে
কত দেখেছি শুভ্র আলোয় তুমি হাসতে, তুমি জ্বলতে
তোমার পথ পানে অপলক চেয়ে থাকি- যদি একটু আসতে !
গোঢ় অন্ধকার হতে তুমি নিরন্তর উৎসর্গ্ করেছো আপনাকে
এই নিখিলের কল্যাণে-

কি এক ঝড় তুফান তোমাকে ঢেকে দিলো বিয়োগের চাঁদরে!
খুঁজে ফিরি তোমার মুখখানি এই বিস্তৃত আকাশে
এ যেন এক উজ্জ্বল নক্ষত্রের অবসান-

 এই প্রাণ আকুল হয়ে ওঠে তোমার শূন্যতায়-
কোন অনন্যোপায় হয়ে  তুমি চলে গেলে  আমায় ছেড়ে
পৃথিবীর এই মৃত সভ্যতায় কে আলো দিবে এখন?
যে আলোয় পথ চিনে যেতাম সাগরের স্নিগ্ধ কলরবে।

কি এক ব্যাদনা অক্লান্ত আগুন!
পৃথিবীর  নিবিড় কালো সভ্যতার ভিতরে
তবু
তোমার আলো রেখা মৃত সভ্যতায় পথ দেখায়-
অন্ধকার থেকে এসে নব সূর্য উদয়ের মতো
তুমি আছো- তবু কত দূরে !

রাত্রির অন্ধকার আকাশে দেখেছি আমি তোমাকে
কত দেখেছি শুভ্র আলোয় তুমি হাসতে, তুমি জ্বলতে
আজ তুমি নেই,!আজ তুমি নেই!
খুঁজে ফিরি তোমার মুখখানি এই বিস্তৃত আকাশে
এ যেন এক উজ্জ্বল নক্ষত্রের অবসান-
-------------------------------------২১-০২-২০২০ ইং রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর।

রাঙা জলে ভেসে আমি


-----------------------------কবি মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা।
*********************************
সেদিন আমার বাবা হেসেছিল
যেদিন মার বুকে আমি এসেছিলাম উতরোল তরঙ্গের ভিড়
বাবার চোখ জেগে জেগে ধীরে ধীরে কালো হল
আকাশে ভেসে ওঠা কালো মেঘের মতো-

তবু থামেনি আমাকে নিয়ে আদর সোহাগের কোলাহল।
বাবার রাঙা জলে ভেসে আমি- আজ এতো দূর!

জীবনের শূন্যতা -হৃদয়ের ব্যথা একাকারে ভেঙ্গে
বুক চেপে সহে গেছে  আপনার হাহাকার
আমার নিত্য অভিসারে বিনিদ্র রাত-
অতন্ত্র প্রহরীর মতো অভয় দিয়েছে তপ্ত বালুচর
তবু বুঝিনি অন্তর স্মরলিপি-

তুমি আমার শুভ কামনায় অতুল্য ছায়ার মতো
শিরে্  উপশিরে জাগ্রত আছো- রোজ প্রার্থ্নায়
কান পেতে শুনো তুমি  হৃদয়ের গভীর  ক্রন্দন-
উদয় করো  সোনলী সূর্য্ আমার অন্ধকার গগণ-

তোমার রাঙা জলে ভেসে আমি- আজ এতো দূর!
জীবন পথে তুমিই আলো, সূর্য্ যেথায় উঠে-
জানি আমি শোধাবে না  কভূ, এই ঋণ মোটে ।
আল্লাহ তোমার সহায় হউন এপার-ওপার ঘাটে।
-------------------------------২১-০৬-২০২০ ইং,রাওনাট, কাপাসিয়া,গাজীপুর।