কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা
রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর
************************************
মা গো,
ক্ষমা
করো
মোদের
এই
পাপী
সমাজরে!
রক্ত
জল
করা
স্নেহের
এই
কি
প্রতিদান আজ
রে?
বড় ছেলে
সচিব
সাহেব,
মাথায়
তার
ক্ষমতার তাজ,
লাল
বাতি
জ্বলে
দামি
গাড়িতে!
অথচ
সময়
পেল
না
সে
তো
একবারও,
বুড়ো
মায়ের
খোঁজ
নিতে
জীর্ণ
বাড়িতে।
মেজো ছেলে
বুয়েট
শিক্ষক,
কত
জ্ঞান
বিলায়
সে
তো
প্রকাণ্ড জগতেই!
মায়ের
ঘরে
আঁধার
কালো,
সে
ডুবে
থাকে
নিজের
অহম
আর
জগতে।
ছোট ছেলে
কানাডা
প্রবাসী,
ডলারের
সুখে
মত্ত
একা!
বিদেশে
বিভুঁইয়ে কাটে
দিন,
মায়ের
সাথে
হয়
না
তো
কোনোদিন দেখা।
মেয়েটিও বড়
গুণী,
শিক্ষকতা করে,
মুখস্থ
করায়
সে
নৈতিকতার বাণী!
অথচ
দেখেনি
কোনোদিন চেয়ে,
মায়ের
চোখে
কতটা
জল
আর
জমাট
গ্লানি।
সবাই যার
যার
মতন,
ডিগ্রিধারী সুশিক্ষাহীন এক
একটি
শিক্ষিতের দল!
মায়ের
কোল
শূন্য
করে
লুটে
নিল
শুধু
স্বার্থের ফল।
বছরের পর
বছর
কেটে
যায়,
ঈদের
দিনেও
আসেনি
কেউ,
ডাকেনি
কেউ
"মা"
বলে!
হতভাগা
মা
একা
একা,
কেঁদেছেন শুধু
সীমাহীন নয়নজলে।
তারপর একদিন...
সবার
অজান্তে, গভীর
অভিমানে,
সেই
ব্যথাতুর মা!
নিঃশব্দে পাড়ি
দিলেন
আরশে
আযীম,
পৃথিবীর কোনো
মানুষ
তা
তো
জানলও
না!
একাকী, জীর্ণ-শীর্ণ,
সেই
অন্ধকার বদ্ধ
ঘরের
কোণে,
পড়ে
রইল
নিথর
দেহটা
নিভৃত
এক
নির্জনে।
সাত-সাতটি
দিন
কেটে
গেল,
একটি
বারও
কেউ
তো
এলো
না
ফিরে!
পোকা-মাকড় উৎসব করে
খুবলে
খেল
মায়ের
পবিত্র
শরীর
ঘিরে।
গলিত লাশের
গন্ধ
ছুটল
চারিদিকে,
ছিঁড়ে
খেলো
মাছি
আর
কীট,
তখনও
সন্তানদের অট্টালিকা নিস্তব্ধ,
হৃদয়গুলো যেন
কঠিন
এক
একটি
ইট।
হায় রে
নিষ্ঠুর আচরণ!
হায়
রে
অমানুষ
শিক্ষিত সন্তান!
মায়ের
এই
করুণ
দশা
দেখে
কেঁদে
ওঠে
আজ
খোদার
আসমান।
শিক্ষিত হলেই
কি
তবে
আসলে
মানুষ
হওয়া
যায়?
সুশিক্ষা না
থাকলে
হৃদয়ে
কখনো
কি
রে
দয়া
জাগায়?
ওগো আল্লাহ!
এই
হতভাগী
মাকে
তুমি
পরকালে
দিও
পরম
সুখ
আর
শান্তি,
মিটিয়ে
দিও
তাঁর
জীবনের
সব
হাহাকার আর
ক্লান্তি।
এমন কুলাঙ্গার সন্তান
যেন
আর
কোনো
মায়ের
কোনোদিন না
হয়,
পৃথিবীর সকল
জগতজননী মাকে
তুমি
নিজের
কুদরতে
হেফাজত
করো
দয়াময়!
-----------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
No comments:
Post a Comment