বুধবার, সেপ্টেম্বর ০৩, ২০২৫

কাপাসিয়ার বীর বেনু

 কাপাসিয়ার বীর বেনু

কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা।
তারিখঃ ০৩-০৯-২০২৫ ইং
স্থানঃ রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর।
*************************
মার্চের ভোরে জেগে উঠে সূর্যের আলো,
মাঠে ওঠে স্বাধীনতার দ্যুতি ছড়ানো।
খালেদ খুররমের ঘরে মিলল তরুণ প্রাণ,
বেনুর নেতৃত্বে জ্বলে সাহসের দীপ্তিমান।

এগার জনের দল নদীর ঝর্ণার মতো,
অস্ত্রের ঝনঝনানি দেয় মুক্তির স্রোতো।
হরিমঞ্জুরীর মাঠে যুদ্ধের গর্জন বয়ে যায়,
রাজাবাড়ি ব্রিজ উড়ে, বাতাসে ভাসে স্বাধীনতার তায়।

বেনু অদম্য, ঝড়ের মতো সাহসী,
তার বীরত্ব ঝরে মাঠে, নদী, আকাশে উজ্জ্বলী।
মুক্তির লড়াই সূর্যের মতো দীপ্তি ছড়ায়,
কাপাসিয়ার ইতিহাসে চিরন্তন বল গড়ায়।

তার নামে গড়ল সাহসী মানুষের গান,
স্বাধীনতার শিখা উড়ে যায় অরণ্যের বুকে প্রাণ।
বেনু, বীর বেনু, চিরকাল বেঁচে থাকবে ইতিহাসে,
মুক্তির বাতাসে বাজে তার নামের সুরঝঙ্কারে।
-------------------------------------------------------------------

এক নজরে ফকির শাহাবুদ্দীন

 

এক নজরে ফকির শাহাবুদ্দীন

কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা।

তারিখঃ ০৩-০৯-২০২৫ ইং

স্থানঃ রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর।

*************************

ঘাগুটিয়ার মাটিতে ১৯২৪ সালে জন্ম নিল সাহসের শিখা,
কাপাসিয়ার প্রতিটি ফসলের মতো জন্ম নিল ইতিহাসের দ্যুতি ধীষা।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাঙ্গণে জ্ঞানের বাতাসে সাঁতার কাটল মন,
শিখার মতো উজ্জ্বল হয়ে জ্বলল মুক্তির দীপ, অদম্য অনুপ্রেরণার প্রণয়ন।

 

১৯৫২ সালের ফেব্রুয়ারি, ভাষার জন্য উঠে এলো চাঁদের আলো,
সলিমুল্লাহ হলে ১৪৪ ধারা ভঙ্গের ডাক, সাহসের ঝর্ণা স্রোতে ভাসালো।

১৯৫৫-৫৮, হাইকোর্ট ও সুপ্রিম কোর্টে ন্যায়ের বীজ বোনা,
হোসেন শহীদ সোহ্‌রাওয়ার্দীর ছায়ায়, গাজীপুরের মাটিতে লালন করা।

 

১৯৬২ সালে বার কাউন্সিলে নির্বাচিত, মর্যাদার দীপ শিখা,
গবেষণার ঝর্ণাধারায় ঝরে ন্যায়ের স্রোত, ইতিহাসে স্থায়ী প্রতিচ্ছায়া।

১৭ ডিসেম্বর ১৯৭০, প্রাদেশিক নির্বাচনে কাপাসিয়ার প্রতিভার প্রদর্শন,
নির্বাচিত প্রতিনিধি হয়ে জনমতের সোনার নদীতে পুষ্পপ্রদর্শন।

 

১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের অগ্নিস্রোতে, দেশের জন্য প্রেরণা ছড়াল,
মুজিবনগর সরকারের প্রতিনিধি হয়ে বিশ্বদরবারে স্বাধীনতার দীপ জ্বালাল।

১৯৭২ সালে খসড়া সংবিধান প্রণয়নে তিনি ছিলেন জ্যোতির্ময় সদস্য,
সংবিধানের প্রতিটি বিধিতে ঝরে ন্যায়ের জ্যোতি, দেশের কল্যাণে অমল অর্ঘ্য।

 

১৯৭৩ সালে নিযুক্ত প্রথম এটর্নি জেনারেল, ন্যায়ের অমল প্রজ্বলক,
কাপাসিয়ার গর্ব, ইতিহাসের কালজয়ী নক্ষত্র, অমর সাহসিকতার দ্যুতি অনুলোক।

২৮ নভেম্বর ১৯৮৯, ঢাকায় জীবনের দীপ নিভল,
কিন্তু কাপাসিয়ার মাটিতে, ইতিহাসে অমলিন, সাহস ও ন্যায়ের দীপ শিখা চিরন্তন জ্বলল।

---------------------------------------------------------------------------------------

এক নজরে ফকির মজনু শাহ

এক নজরে ফকির মজনু শাহ

কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা।

তারিখঃ ০৩-০৯-২০২৫ ইং

স্থানঃ রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর।

*************************

শীতলক্ষ্যার বুকে সেতু, মজনু শাহের নাম জ্বলজ্বল,
কালচক্রের সাক্ষী হয়ে ইতিহাসে ছড়ায় দীপ্তি অমল।

১৭৭১–এ দিনাজপুরে, লেফটেন্যান্ট ফেলথামের সঙ্গে সংঘর্ষ,
পাহাড়-ঢেউয়ের অটল বাণী, থামল না সাহসের প্রবাহ অর্থবহ।

 

বগুড়ার মহাস্থানগড়ে খানকায় মিলল ধৈর্যের ছায়া,
রবিমাখা কিরণে আলোর ঝিলিক, প্রাণে আশা জ্বলে উঠল।

১৭৬১–এ উধুয়ানালার যুদ্ধ, ১৭৬৪–এ বক্সারের যুদ্ধে,
ফকির-সন্ন্যাসী মিলিল নদীর স্রোতে, স্বাধীনতার আলো ছড়ায় দূরে।

 

২৩ ডিসেম্বর ১৭৭৩–এ, চার কোম্পানীর সঙ্গে যুদ্ধে,
বৃক্ষের মতো অটল দাঁড়ি, বজ্রঝঙ্কারে জ্বলে পদধ্বনি মৃদু।

১৭৮৬–এ কালেশ্বর পথে, পাঁচশত সৈন্যের সঙ্গে সংঘর্ষ,
শীতল হাওয়ার মতো বিদীর্ণ শরীর, মাটির আঙিনায় শান্তি মিশে যাই।

 

মাখনপুর পল্লিতে অবসান, কিন্তু ইতিহাসে অম্লান কাহিনী চিরন্তন,
পাহাড়-উপত্যকা, নদী-উপকূল, গাঁথা সাহসের ধারা চিরকাল রচিত।

মৃত্যুর পর, ১৭৯২–এ, মুশা শাহ ও হান্নান শাহ লড়াই চালায় অবিরত,
মাস্কেট–রকেট হাতে, বন্যার মতো উগ্র ধ্বনি, স্বাধীনতার আলো ছড়ায় অনন্ত।

 

শীতলক্ষ্যার বুকে সেতু আজ দাঁড়ায়, কালজয়ী অধ্যায়ের সাক্ষী,
মজনু শাহের রক্ত, পিতার ধারা ও সন্তানদের সাহস, চিরকাল বয়ে যায় দীপ্তি।

 

---------------------------------------------------------------------------------------


এক নজরে “বিগ্রেডিয়ার হান্নান শাহ ”

এক নজরে “বিগ্রেডিয়ার হান্নান শাহ ”

কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা।

তারিখঃ ০৩-০৯-২০২৫ ইং

স্থানঃ রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর।

*************************

১৯৪১ সালে কাপাসিয়ার ঘাগটিয়ার ভোরে জ্বলে উঠিল প্রভাতের রবি

পিতা ফকির আব্দুল মান্নানের ছায়ায় গড়িল ভালো চরিত্রের ছবি

পাহাড়ী সবুজ, বনজ পাখির কিচিরমিচিরে মিলিত হল,
শিশুর কুঁড়ির হাসিতে জাগিল গ্রামের ভোরের ঝলমল।


১৯৫৬ সালে ঢাকার সেন্ট গ্রেগরি স্কুলে মেট্রিক উত্তীর্ণ করিল,
ঢাকা কলেজে উচ্চমাধ্যমিক, মন ভরিল জ্ঞানরশ্মি ছুঁড়িল

প্রজ্ঞা ও অধ্যবসায়ে গড়িল ভবিষ্যতের মহাসিংহাসন,
চাঁদের জ্যো
ৎস্নায় দীপের মত উজ্জ্বল ঝলমল বিচ্ছুরন!!


১৯৬২ সালে পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে প্রাপ্ত হল সে কমিশন,
মুক্তিযুদ্ধের অন্ধকারে বন্দি হলেও অটল ছিল তার সাহস মন

রক্তের বিন্দুতে স্বপ্নের দীপ প্রজ্বলিত করিল স্বদেশ,
মাটির প্রতি নিবেদিত প্রাণ, অটল সোনার সদৃশ।
নদী-নালার বুকে প্রতিধ্বনি করিল বীরত্বের ধ্বনিসদৃশ।


১৯৭৩ সালে ফিরে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে যোগ দান করিল,
দেশের প্রতি নিবেদিত প্রাণ, অন্ধকারে প্রজ্বলিত দীপ জ্বালিল
ক্লান্তি অতিক্রম করে সর্বশেষ ত্যাগে উজ্জ্বলিত মনন
বাংলার মাটিতে মিলিল তার বীরত্ব, ধ্রুবতারার কিরণ।
ধানক্ষেত ও গ্রামপথে ভরে উঠিল গর্বিত মন।


এরশাদ সরকারের সময় বিএডিসির চেয়ারম্যানপদে দায়িত্ব গ্রহণ করিল,
১৯৮৩ সালে পদত্যাগ করে বিএনপিতে যোগ, রাজনীতির আলো ছড়াল।
শক্তি ও নীতির ছোঁয়ায় জাতির মনোজয় করিল,
অটল বিশ্বাসে আঁকা জীবনচিত্রে প্রভা বিস্তার করিল।
শহরের রোদ-আঁধারে উজ্জ্বল করিল পথের দীপ।


ঢাকার মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক নিযুক্ত হইল,
১৯৮৬-১৯৯৩ সাংগঠনিক সম্পাদক পদে অবদান রাখিল।
শৃঙ্খলা, দৃঢ়তা ও মানবিকতায় প্রতিষ্ঠা করিল নাম তার,
রাজনীতির বাগানে অমল গোধূলি রঙ ছড়ায়।
রাস্তা-ঘাট, গলিঘুঁটি ও মানুষের জীবনে রেখাপাত করিল।


১৯৯১ সালে নির্বাচনে গাজীপুর-৪ আসন থেকে সংসদে পদ লাভ করিল,
পাট ও বস্ত্রমন্ত্রণালয়ে দেশের সেবা সমর্পণ করিল।
কর্মের দীপ প্রজ্জ্বলিত, সততা ও পরিশ্রমে সজ্জিত,
বাংলার জনের হৃদয়ে চিরস্থায়ী খচিত।
মাঠ-ঘাটের শূন্যতা, নদীর ঢেউ—সকল স্থলে স্থাপন করিল।


১৯৯৩-২০০৯ চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা কাউন্সিলে অংশগ্রহণ করিল,
জাতীয় স্থায়ী কমিটিতেও নেতৃত্ব প্রদানে আলো ছড়াল।
চন্দ্রমালার সদৃশ পরামর্শে পথ প্রদর্শন করিল,
দেশের রাজনীতিতে চিরকাল প্রজ্জ্বলিত থাকিল ছায়া।
বাতাস, পাখির ডাক, সকল স্থলে প্রতিফলিত হইল ন্যায়।


নাহিদ হান্নানের সঙ্গী, সন্তান শারমিন, রেজাউল, রিয়াজুল—ফুলসদৃশ আলো,
পরিবারের স্নেহ ও ছায়ায় জীবন গড়িল অনন্য ধ্বনিমালা।
ঘরের কোণে হাসির রোদ, প্রিয়জনের স্নিগ্ধ স্পর্শে পূর্ণ হল মন,
মমতার নদীতে ভেসে গেল জীবনের প্রতিটি তরঙ্গ।
বাগান, পুকুর, প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরিল আনন্দ।


২০১৬ সালে সিঙ্গাপুরে শেষ নিশ্বাস নিখুঁতভাবে গ্রহণ করিল,
৭৪ বছরে জীবন বটবৃক্ষের ছায়া, স্মৃতিতে চিরস্থায়ী ঝরে।
ফুল, পাখি, নদী, আকাশ—সকল প্রাকৃতিক অলঙ্কারে স্মরণ রচনা হল,
প্রকৃতির মাধুর্যে মিলিল বীরের কীর্তি, দেশ-জনতার ভালোবাসায় ধ্বনি পেল।
সবুজ ঘাসের মত মৃদু, আকাশের মত অশেষ, স্মৃতিতে স্থির থাকিল।


বিগ্রেডিয়ার হান্নান শাহ, সৈনিক, রাজনীতিবিদ, পিতা—সব মিলিয়ে অমল ধন্য,
দেশের মাটিতে নাম চিরকাল উজ্জ্বল, কাপাসিয়ার গর্ব, দীপ্তিময় ধন্য।
শীতলক্ষ্যা-ঢেউ, গ্রাম-ঘাট, ধানক্ষেতের রোদ—সব মিলিয়ে বীরের প্রতিচ্ছবি।

 ------------------------------------------------


তুমি দূরে তবু কাছে

 তুমি দূরে তবু কাছে

কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা।
তারিখঃ ০৩-০৯-২০২৫ ইং
স্থানঃ রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর।
*************************
তুমি দূরে, তবু কাছে, হৃদয়েতে আলো,
যেন চাঁদের হাসি নামে গোপন রাতের ঢালো।
তুমি আছো বৃষ্টিধারায়, মাটির সোঁদা ঘ্রাণে,
যেন কোকিল সুর তোলে বসন্তের গানেই।

তুমি দূরে, তবু কাছে, হাওয়ার মৃদু টানে,
যেন বনফুল দোলে স্নিগ্ধ গোপন গানে।
সূর্যের মতো তুমি জ্বালো প্রভাত রঙে,
যেন সাগর ডাকে তীরে নীল স্বপ্ন ঢেউ-ভঙ্গে।

তুমি দূরে, তবু কাছে, অন্তরে নিরন্তর,
যেন নক্ষত্র ঝরে পড়ে অমল আঁধার ঘর।
দেহে দূরত্ব থাকুক, তবু নয় ভালোবাসায়,
তুমি আমার অন্তহীন নীলে—চিরকাল সাথায়।
------------------------------------------------

শিশুর হাতে দাও

 শিশুর হাতে দাও

কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা।
তারিখঃ ০৩-০৯-২০২৫ ইং
স্থানঃ রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর।
*************************
হে কান্ডারী, শিশু হাতে দাও জ্ঞানের আলো,
মাদক নেশা সব দূরে হোক, দাও মুক্তির পালো।
অন্ধকার কেটে উঠুক আলো, জ্বলে উঠুক অন্তরে,
বিদ্রোহের ঢেউ বয়ে যাক, ভয় হোক দূরের তীরে।

দুঃখের অশ্রু মুছে দাও, হাসি হোক শান্তিতে,
শিশুই হোক জাতির স্বপ্ন, জ্বলে উঠুক প্রভাতে।
কলম হাতে ধরাও শিক্ষা, ভ্রান্তি হোক ধ্বংস,
নম্রভা ভদ্রতা জাগুক, হোক জাগ্রত সংস।

রুখে দাঁড়াও শত্রুর বিরুদ্ধে, ভয়কে তুচ্ছ করো,
শিশু যদি ঝরে যায়, কী হবে জাতির প্রভাতে?
নেশা, মাদক সব মুছে দাও, হোক জীবন উজ্জ্বল,
শিশুই হোক আগামীর আলো, হৃদয় হোক অদম্য অমল।

নৈতিক শিক্ষা দাও বলিয়ান, শক্তি হোক অটল,
জাগ্রত হও অভিভাবক, আলো দাও শিশুর বক্ষতল।
সৎ সংঙ্গ দাও শিশুদের, পথ হোক সঠিক অটল,
শিশুতেই স্বপ্ন বুঁনি, আগামীর মুক্তি হোক উচ্ছল।
------------------------------------------------


ওরে বীর! ওঠো

 ওরে বীর! ওঠো

কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা।
তারিখঃ ০৩-০৯-২০২৫ ইং
স্থানঃ রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর।
*************************
ওরে বীর! ওঠো, ভাঙো শৃঙ্খল আজ,
জ্বলে অন্তর, অগ্নি জ্বরে শত্রু ছাড়।
ধ্বংস কর দাসত্ব, ছিঁড়ে দাও সব বাঁধ,
চিৎকারে ভাসুক মুক্তির দীপ্তি রাঙা ঢাঁড়।

রক্তের পথে লেখা ইতিহাসের প্রতীক,
সাহসে উড়ুক নতুন দিনের আলো বিক।
নিশ্চল নয়, নয় অদম্য বীরের মন,
বিদ্রোহে গর্জে ওঠে শক্তি দহন অন।

আলো ছড়াও, ভয়কে তুচ্ছ করো ভাই,
নতুন প্রভাতের পতাকা উড়াও শিখরে ছায়।
ধ্বনিত হোক চিৎকার, শত্রু হোক দমিত,
নবযাত্রা শুরু, অগ্নি ছড়াও চারপাশে অমিত।

ওরে বিপ্লবী! প্রস্তুত হও, লড়াই করো,
ভাঙো শৃঙ্খল, জ্বলো, দাও প্রতিশোধ শক্তিতে প্ররো।
------------------------------------------------

সত্যের শাসক হোক

 সত্যের শাসক হোক

কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা।
তারিখঃ ০৩-০৯-২০২৫ ইং
স্থানঃ রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর।
*************************
ওরে ভাঙতে হবে আজ অশুভ শক্তির শৃঙ্খল,
ধ্বংসের আঁধারে জ্বলে হকিকতের দীপ্তিমল।

দুর্নীতি, লুটতরাজ, চাঁদাবাজি পচিয়ে ছুটেছে সমাজ,
ফ্যাসিবাদ, স্বৈরতন্ত্র, মীরজাফরি—সব ছড়ায় অরাজ।
হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রীষ্টান—ধর্মের অমল বন্ধনে,
সম্প্রীতির ডঙ্কা বাজুক, ভেদাভেদ ভুলে ভূবনে।

মুক্তিযোদ্ধারা সূর্যসন্তান, শপথবদ্ধ স্বাধীনতার পথে,
রক্তে ভাসিয়ে অনায়াসে ভেঙেছে শত্রুর ঘের, যুদ্ধের রণেতে।
আমরা বাঙালি কিংবা বাংলাদেশী—ঐক্যের পতাকা হাতে,
সোনার বাংলা উঠি গেয়ে, জ্বলে মুক্তির অমলিন আলোতে।

শক্তিহীন হবে শাসক, দুর্নীতির দানব ক্ষয়,
নির্ভীক চরণে দাঁড়াও, করো অন্যায়ের ভয়।
ভাঙবে শৃঙ্খল, উঠবে মুক্তির পতাকা উড়ে,
প্রভুর ইচ্ছায় আলোর দেশে উঠবে আমাদের জাতপথে।

সত্যের শাসক হোক প্রতিটি চরণে বাংলায়,
সোনার বাংলা উঠ গেয়ে—চিরন্তন আলো ছড়ায়।
------------------------------------------------ 

কোরআন পড়ো হে মুমিন

কোরআন পড়ো হে মুমিন
কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা।
তারিখঃ ০৩-০৯-২০২৫ ইং
স্থানঃ রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর।
*************************

কোরআন পড়ো হে মুমিন, জ্বলে অন্তরে দীপ
অন্ধকার সব দূর হয়ে যাক, হোক শান্তি অন্তরীপ্ত
প্রতিটি আয়াত যেন আলো, পথ দেখায় ধারাপ্রবাহ
ভালোবাসায় ভরে ওঠুক মন, হোক জীবন নবীন প্রভাহ।

শপথ করো আল্লাহর পথে, সততার সঙ্গে ধীরে
প্রার্থনায় ভরে মন তোমার, হোক আনন্দ অন্তরে
আয়াতের রহমত জ্বেলে, শান্তি দাও অন্তরে
বিশ্বাসের আলো জাগুক হৃদয়ে, প্রেমে ভরে ধারায়।

ধৈর্য্য ধরো হে বান্দা, ভালোবাসা রাখো অন্তরে
ইবাদতে থাকো নিয়মে, হোক জীবন পূর্ণ রঙে
ভুল-ত্রুটি ধুয়ে যাক দূরে, কোরআনের জলে প্রবাহ
চলো আলোয় হেঁটে যাও তুমি, হোক জীবন নবীন প্রভাহ।

নিষ্ঠা নিয়ে পড়ো কোরআন, জ্ঞান হোক অন্তরের বন্ধু
রহমতের ফুল ফোটুক অন্তরে, ভালোবাসা ভরে প্রাণে
কোরআনের আলোয় হোক জীবন, প্রতিটি ক্ষণ হোক পবিত্র
সত্যের পথে হেঁটো তুমি, ভয় যেন চির বিলীন।
------------------------------------------------

আর রাহমান

 আর রাহমান

কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা।
তারিখঃ ০৩-০৯-২০২৫ ইং
স্থানঃ রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর।
*************************

আর রাহমান, তোর নামের আলো জ্বলে অন্তরে,
ভরে যায় হৃদয় প্রেমে, দূর হয় সকল ব্যথারে।

নামাজে মন খোলে, দোয়ায় ভেসে আলো,
প্রভুর রহমতে মেলে শান্তির শোভা।

তোর করুণায় মিলায় ভয়হীন প্রাণ,
আর রাহমান, তোর নূরে জ্বলে আনন্দ দান।

আর রাহমান, তোর নামের আলো জ্বলে অন্তরে,
ভরে যায় হৃদয় প্রেমে, দূর হয় সকল ব্যথারে।

সৃষ্টি জগতে তোর আলো ছড়ায়,
সকল আশা, শান্তি, রহমত তোরই যায়।

আর রাহমান, তোর নামের আলো জ্বলে অন্তরে,
ভরে যায় হৃদয় প্রেমে, দূর হয় সকল ব্যথারে।
------------------------------------------------

তুমি সুন্দরী-গান

  কবি — মোহাম্মদ আমিনুল এহছান মোল্লা। রাওনাট , কাপাসিয়া , গাজীপুর। ************************************************ হে স্বপ্ন , হে ...