Monday, December 28, 2020

যে শ্রমিক তোমাকে মালিক বানালো

 

--------কবি মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা।

এতো সহজেই নিজেকে বদলে ফেললে কেন!

বুঝি না তোমার অন্তরে কি আছে নেশা-

 

কিছুদিন আগেও নিচু স্বরে বলতে কথা মুখে

স্বপ্নের চোখে অনিদ্রা কবিতা লিখতাম আমি

আজ কোন অহংকারে  বদলালো তোমাকে?

কোন দম্ভের গর্জনে ভুলেগেলে শ্রমিকের কান্না!

 

সহজেই বদলে গেলে, সহজেই ছুঁড়ে দিলে মালিক-শ্রমিকের প্রেম

যে শ্রমিক তোমাকে মালিক বানালো তন্ত্রে তনুতে পুড়ি

তার চোখেই অশ্রু ঝড়ালে অবিরত

ছাটাই করলে নিষ্ঠুর জল্লাদের মতো ,ছাটাই করলে র্নিমম শাসকের মতো

ধিক্কার দিলে ছোট লোক!ছোট লোক!

তুমি শুনলে না হৃদয়ের কান্না, তুমি বুঝলে না

শ্রমিকের আর্তনাত ।

 

যদিও অন্তর থেকে শ্রমিকেরা ভালবেসে ফেলে

তবুও  মালিকেরা নির্দয় হয়ে ওঠে অর্থের আড়ালে।

দুর্দিনে থাকে না কাছে.

বাড়ী গাড়ীর দম্ভ অহংকারে

হৃদয় থেকে হৃদয় হত্যা করে র্নিবিচারে।

বিস্মিত শ্রমিক যতো ভালবাসে বন্ধন –সুতো ধরে

মালিক শুধু যায় দূরে, শুধু যায় দূরে ।

 

অহংকার প্রাণে তুমি  গেঁথে নাও লক্ষ শ্রমিকের ব্যাদনা্।

হৃদয়ের রাঙা প্রবাহে জাগাও চির সাম্যের  ঘোষনা ।

 

এতো সহজেই নিজেকে বদলে ফেললে কেন!

যে শ্রমিক তোমাকে মালিক বানালো তন্ত্রে তনুতে পুড়ি।

 

---২৮-১২-২০২০ ইং,রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর।

Sunday, December 27, 2020

আরো বিজয় আছে

 -------------কবি মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা।

তীব্র গোলা বারুদের যুদ্ধ শেষে যদি কোনদিন

গণতন্ত্র ফিরে আসে---

 

এই দেশে অট্ট হেসে বলবে মানুষ

ওরাই দোসর,

মীরজাফরের দোসর! পাকিস্তানের দোসর

স্বৈরতন্ত্র অসন্তোষে কাঁদবে তখন বসে

একি আমার চেহারা ভাই গণতন্ত্রের পাশে !

হ্যাঁ কিংবা না সীলে আমি শুদ্ধ হই

বোকা জন না বুঝেই আমায় প্রাণে লই-

 

কাক পক্ষী ভাতের লোভে বিনয়াবনত মাথা

শুনিনি তো এতোটুকু গণতন্ত্রের কথা

 

বন্দুক সেইদিন  করেছিল রাজ্যের ক্ষমতায় অসীন

সেই চেয়ারে বসে

গণতন্ত্রের কবিতা লিখেছে স্বৈরতন্ত্রের চরনে চরনে

সে হয়েছে গণতন্ত্রের কবি-

 

আবেগের স্নিগ্ধতায় সমুজ্জল এদেশের মানুষ

বলবে সূর্যের দিকে ছিলো লাল-সবুজের মুখ

বলবে গোলাবারুদের সাথে ছিলো হ্যাঁ -না জোট

কিছু গণতন্ত্র সেও দিয়েছিলা-

এসেছিল বীরদর্পে-

বলবে গণতন্ত্রের  কবি হয়েছিল স্বৈরতন্ত্রের ভূমিকায়

তবুও তো কবি?

 

অস্রে পাওয়া গণতন্ত্র বিজয়ের সব নয়-শেষ নয়

আরো বিজয় আছে

সেতো বেশী দূরে নয়

ভালাবাসার মতো ঠিক হৃদয়ের কাছে।

---------২৭-১২-২০২০ ইং,রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর।

 

 

 

অচেনা থাকে না, চেনা তো যাবেই

 

-----------কবি মোঃআমিনুল এহছান মোল্লা।

একটু পিছনে তাকাও !

নাটের গুরুদের খোঁজে পাবে সম্মুখের আড়ালে

এভাবে আর কদিন  চলতে থাকলে নিজেরাই হারাবে বঙ্গ বুকে

এ দুঃসময়ে তুমি কিছু একটা করো

একটা কিছু বলো।

 

চৌদিকে নব্য মিরজাফরের দারুন উৎপাত দেখছি

খেলছে সেই দোসরেরা বেসুর-বেতাল

বিদ্রোহের কঠিন হুঙ্কার শুনছি স্বাধীনতার প্রশ্নে

ওরা খেলছে পর্দার আড়ালে

সম্মুখে ছদ্মবেশীদের গর্জ্ন।

আবেগী বাঙ্গালী উত্তাল তরঙ্গে প্রবাহিত হচ্ছে অন্ধের মতো-

 

আত্মঘাতী অবহেলায় বিশ্বাস করো না ঘাতকের রক্তকে

লাল-সবুজের পতপত পতাকা সব পোড়াবে

সময় বড়ো দ্রুত যাচ্ছে

উঠো, ঘুম ভেঙ্গে জেগে উঠো, বীর বাঙ্গালী জেগে উঠো

একটা কিছু করো-

 

অচেনা থাকে না, চেনা তো যাবেই

দেশপ্রেমিক যারা বিদ্রোহী চিনবেই

লক্ষ শহীদের রক্ততো পিছনে,,সম্মুখে এগিয়ে চলো

দোহাই লাগে ওদের থামাও- একটা কিছু করো।

 

একটু পিছনে তাকাও !

নাটের গুরুদের খোঁজে পাবে সম্মুখের আড়ালে।

 

-------২৭-১২-২০২০ইং,রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর।

তুমি ডাক দিলে

----------কবি মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা।

**************************
একবার ডাক দিয়ে দেখো আমি কতোটা দয়াবান;
হে গোলাম, আমি কতোটা নিকটে, কতোটা মেহেরবান!
তুমি ডাক দিলে
নিমিষেই ব্যাকুল হয়ে উঠি ক্ষমার দ্বার খুলে
দ্রুতই পৌঁছে যাই উল্কা গতিতে তোমার নত শিরে
প্রভূ –গোলামের সেতু বন্ধনে সেজদা করো যদি
আমি মুছে দেই পাহাড় সম পাপ রেখা তোমার
অতোটুকু দেরী করি না কভূ- হে প্রেমের গোলাম!
তুমি ডাক দিলে
সীমাহীন পাপ মুঁছে দিবো- যদি না শিরক করো
তুমি গোলাম হলে
আমি উপহার দিবো চির মুক্তির ঠিকানা
অনন্ত আরশে এক বেহেস্তের আশ্রম বানাবো।
হক –বাতিলের যুদ্ধ্ রণে
তুমি যদি জয়ী হও
আমি ক্ষমা করে দিবো চির উল্লাসে
তোমার উদ্দেশে খুলে দিবো রহমতের জানালা
তুমি হকের দিশারী হবে কথা দিলে
লুকিয়ে থাকবো না আর,
আমি তোমার হয়ে যাবো,- আমি ক্ষমা করে দিবো।
একবার ডাক দিয়ে দেখো আমি কতোটা দয়াবান;
হে গোলাম, আমি কতোটা নিকটে, কতোটা মেহেরবান!
----২৭-১২-২০২০ইং,রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর।

Saturday, December 26, 2020

কতো সব অঙ্গ ভঙ্গি

 

---------মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা।

পাড়া মহল্লায় অলি গলি জমেছে ভিড়

কতো সব অঙ্গ ভঙ্গির তীর!

প্রভূ বিশ্বাসে ভীরু জনতা শান্ত নিবিড়

ওদের ব্যঙ্গ চিত্র জেগে উঠে খিলখিল

কি উচ্ছল! কি ঝলমল!

 

প্রভূ সন্ধানী জনতা ব্যাকুল ঝরায় চোখের জল-

কখনো আঁতকে উঠে প্রভূ ভয়ে অন্তর জমিন

অন্তর- বাহ্যিকে

জনতা প্রতিজ্ঞা করে অন্ধ চোখে ।

ওরা অভিনয় করে হাজারো গীবতে

অপরের চরিত্র হননে-

 

জনসমুদ্রে প্লাবন উঠায় শ্লোগানে শ্লোগানে-

রচনা করে  বজ্র কণ্ঠে বানোয়াট কবিতা

আবৃত্তি করে ব্যঙ্গ চিত্রে

শ্রীহীন দৃশ্যে,-আঁকা বাঁকা ভঙ্গিতে

সত্যের আড়ালে একি বিস্ময় !

 

যে পথে নিত্য হওয়ার কথা চির মুক্তির সূর্যোদয়

সে পথে কেন দুনিয়াবী স্বার্থের এতো প্রলয় ?

এ কেমন ওদের অঙ্গ ভঙ্গি

মঞ্চে মঞ্চে করেছে সঙ্গী!

চিৎকারে চিৎকারে গীবতের মহরা দেখি

সত্যের অবয়বে আসলের ফাঁকি!

 

তইতো প্রতীক্ষায় প্রহর গুনি নিত্যদিন

স্বপ্নহীন।

---২৬-১২-২০২০ ইং,রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর।

 

এ নোঙ্গর হবেই ব্যর্থ্

 

--------কবি মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা।

মানুষেরা যেন আজ বেহুশ ছুটেছে বিশ্ব নিখিল,

বিবেকহীন বিবেকে নিমগ্ন তাই শয়তানের মিছিল।

আপন জ্ঞানের  শিরায় শিরায়

কেউ যেন ঢুকে আপনাকে দিয়েছে হারায়

বুঝে না তবু, করেছে আপন এ হৃদয় দিল

আবেগে ছুটেছে মিছিলে মিছিলে হিসাবের গড়মিল।

 

 

কে যেন ক্ষুদ্ধ !ছদ্মবেশী ছুড়েছে মৌয়ের চাকে ঢিল,

তাইতো সাদার আড়ালে উড়ছে কালো পতাকা

সত্যের পথ বাতিল।

অন্তর থেকে মুখে তারা

তাগুদের স্বার্থে ছুটছে দিশেহারা

কিন্তু বুঝে না বিবেকহীন বিবেক!!

 

তারা কৌশলে কৌশলে দিচ্ছে ক্ষেপে বিশ্ব নিখিল

সাবধান! সাবধান!

ওরা আসছে ধেয়ে দুর্বার গতিতে ধরছে মিছিল।

অন্তর জানালা খুলে দাও, চোখের পাতা খুলে দাও

নতশির হও বিধার সানে,.যদি চির মুক্তি চাও।

 

অজ্ঞ জনতায় ওরা উত্তাল ঢেউ ফেনিল

স্বার্থ্ হাছিলে সম্মুখে ফেলেছে শুভ্র জাল।

অবুঝ বিবেকের এ কি বিদ্রোহ!

তর্জ্ন গর্জ্নের পশ্চাতে তাগুদের মোহ।

এ নোঙ্গর হবেই ব্যর্থ্

বুঝবেই  প্রাণ হুঙ্কারের অর্থ্ ।

 

মানুষেরা যেন আজ বেহুশ ছুটেছে বিশ্ব নিখিল,

বিবেকহীন বিবেকে নিমগ্ন তাই শয়তানের মিছিল।

-----২৬-১২-২০২০ ইং,রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর।

 

 

 

কালো থেকে কালো বৃত্তে

 ----------কবি মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা।

কালো থেকে কালো বৃত্তে পাক খেতে খেতে

সত্যেরা ভুলে যায় প্রকৃত সত্যের প্রভূকে,

 

সবকিছু সে এক চোখে দেখে না অন্তর জমিনে

নৈরাজ্য ছড়িয়ে দেয় স্বার্থের ভূ-লোকে নিজস্ব ভঙ্গিতে

রক্ত কণিকারা জন সমুদ্রে প্লাবন তুলে আপাদ মস্তক

বিভক্ত হয় সাম্যের চির উৎসব

 

জ্ঞানীরা এক চোখে দেখে না সত্য- মিথ্যের ব্যবধান

ব্যখা করে আপন আপন গোষ্ঠির আদলে,যখন বাতিলেরা

পরিপূর্ণ সংরক্ত উৎসাহে।

হকেরা তখন হিসাব কষে পক্ষ- বিপক্ষের

এখানে যা কালো ,সেখানে তা শুভ্র দেখে!

 

নিশ্চয়ই কোন ছদ্মবেশীরা এখন আসন্ন;

নিশ্চয়ই কোন মোনাফিকেরা এখন আসন্ন;

তাদের মুখে মুখে যখন উচ্চারিত হয় ওই শব্দ

অন্তমিল মিল খোঁজে পাইনা অন্তর –বাহ্যিকে

উস্কে দেয় মানব সভ্যতাকে, কোথাও কোন রক্ত গঙ্গার প্লাবনে

হক –বাতিলের সংমিশ্রণে তুমুল ঝড়ের উৎকণ্ঠা!

 

রাত্রির অন্ধকারের মতো শূন্যতায় অকরুণ এক স্থিরদৃষ্টি

স্থানভেদে কালোকে কালো বলে, কালোকে সাদা বলে

আর উৎসবে মেতে উঠে হুলিয়ার গর্জনে

নিদ্রিত যাত্রিকে বিনিদ্র করে তুমুল ঝড়ের শব্দে শব্দে

আবেগী প্রাণেরা রক্ত ঝরায় বিভেদের দূর্গে অবশেষে

সাম্যের পৃথিবী পরিণত হয়েছে  বিক্ষুদ্ধ দূঃস্বপ্নে,--

 

কালো থেকে কালো বৃত্তে পাক খেতে খেতে

সত্যেরা ভুলে যায় প্রকৃত সত্যের প্রভূকে ।

 

-----২৬-১২-২০২০ ইং, রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর।

 

 

 

Friday, December 25, 2020

তবু সে মুক্তির পথযাত্রী !

 


----কবি মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা।

রয়েছে মুক্তির নির্দেশিকা বিধাতার পথ

আল-কোরআন

নবীজির হাদিস

উত্তরসূরীর জ্ঞানদীপ্ত আহবান

ঈমান আমলের দৃঢ় সংযোগ ।

 

সরল পথে চলে অনায়াসে বিধাতার করুনা পেতে পারি

বজ্র কন্ঠে উঁচু করা যায় জিহাদের ঝকঝকে তরবারি

কাউকে কটাক্ষ করে অবজ্ঞা করে যায় মাঠে ময়দানে

কাউকে কলঙ্কিত করা যায় অসংখ্য উপাধিতে

ছুঁড়ে দেয়া যায় বিধাতার অগ্নি চুল্লিতে

বলা যায় দল ছুট পাপীষ্ঠ গোনাগার

অজস্র ভুল আছে

তবু সে মুক্তির পথযাত্রী !

 

 

প্রেম ভালাবাসা দিয়ে সরল পথে নিয়ে আসতে পারি!

তোমার গর্জনে তো অন্তর জাগে না..

কিন্তু তুমি এ কি করছো- হে জ্ঞাণী?

কোন সনদের ভিত্তিতে  নিশ্চত হলে তুমি মুক্ত?

চুড়ান্ত ফয়সালা তো তাঁর হাতে

হৃদয় কেঁপে উঠে ওই অনন্তের কথা শুনলে!

যেদিন ইয়ানাফসি, ইয়ানাফসি যপিবে শত পথ মত ভুলে

 

সরল পথে চলে অনায়াসে বিধাতার করুনা পেতে পারি

বজ্র কন্ঠে উঁচু করা যায় জিহাদের ঝকঝকে তরবারি ।

অজস্র ভুল আছে

তবু সে মুক্তির পথযাত্রী !

 

-----২৫-১২-২০২০ ইং,রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর।

 

 

তোমার সাথী হবো আমি

 

----------কবি মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা।

নবীজির হাদিস এবং কোরআনের বাণী থেকে

সরল পথ খোঁজে পায় মানব অফুরান,

তবু কেন বিভক্তি মানুষে মানুষে!

কেন এতো সংঘর্ষ্ বিশ্বাসে বিশ্বাসে?

শুনেছো কি তুমি বিধাতার বয়ান ?

 

হে জ্ঞানী, আমাকে যদি তুমি ভালোবাসো,

দলে নয় -মঞ্চে নয় -

ডাক দাও কোরআন হাদিসের আলোকে

তোমার সাথী হবো আমি ভূ-লোকে

 

যে সুর শুনি আমি মাঠে ময়দানে-

একটু ভেবে দেখো সরল মন প্রাণে

তাগুদের স্বার্থ্ আছে কিনা তুমুল গর্জনে

অমি খোঁজি  সেই উত্তরসূরী

যে কিনা অলোক বর্তিকার সন্ধানে ।

 

ডাক দাও কোরআন হাদিসের আলোকে

তোমার সাথী হবো আমি ভূ-লোকে ।

-----২৫-১২-২০২০ ইং,রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর।

 

অগ্নিঝরা কণ্ঠের অশনি

 --------কবি মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা।

খুব চমৎকার লাগছে মঞ্চে হে পালোয়ান!

মুহুর্মুহু বাক বিস্ফোরণে জন সমুদ্র অস্থির।

তরঙ্গে তরঙ্গে উত্তাল দূর্গের অন্ধ কামান

এখন জ্বলছে অগ্নিঝরা বিস্ফোরণ দুর্বার।

 

অন্য কেউ চেপে দিচ্ছে মুক্তির নামে পরাজয়

অজ্ঞতার সুযোগে তুলে নিচ্ছে  স্বার্থের হীরেমণি

এই গর্জনে কাঁপবে না প্রভূ ভীরু শুভ্র প্রাণ

থামবেই মঞ্চের অগ্নিঝরা কণ্ঠের অশনি।

 

আজ থেকে জগে উঠবেই জনতার চাঁদ

বুজে শুনে অস্র নিবে হাতে যুদ্ধের ময়দান

জ্ঞানের কামানে পুড়ে দিবে তাগুদের প্রাণ

জেনেছে প্রভূ ভীরু কারা  ক্ষণিকের প্লাবন।

 

যারা থাকে স্বার্থের খোঁজে তারা গায় গান

অজ্ঞেরা ঝক্ত ঝরায় বিদ্রোহের মেশিনগান

তরঙ্গে তরঙ্গে উত্তাল দূর্গের অন্ধ কামান

এখন জ্বলছে অগ্নিঝরা বিস্ফোরণ দুর্বার।

মুহুর্মুহু বাক বিস্ফোরণে জন সমুদ্র অস্থির।

 

এই গর্জনে কাঁপবে না প্রভূ ভীরু শুভ্র প্রাণ

থামবেই মঞ্চের অগ্নিঝরা কণ্ঠের অশনি।

 

--------২৫-১২-২০২০ ইং রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর।

 

 

প্রভূ শুধু গোলাম জানে

 

----------কবি মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা।


মানুষেরা জানতো যদি ধর্মের খুঁটিনাটি বিষয়

প্রজ্জ্বলিত কতোখানি,

হৃদয় আঁতকে উঠতো  প্রভূ ভয়ে প্রবল

দাসত্ব স্বীকার করে ইবাদত মানি।

 

প্রচারক আর উত্তরসূরীরা জানতো যদি

ধর্মের বাড়াবাড়ি কতোখানি –কতোদূর,

তাহলে তাদের হৃদয়ে উঠতো বেজে

আরো বহু বেশী নমনীয় কোমল সুর।

ধর্ম্ ভিরুরা বুঝতো কখনো যদি

ঈমান আমলের মধ্যে কতো ফারাক

তাহলে বুঝে শুনে ধর্মকে করতো লালন

ওঠতো না গর্জে ওদের স্বার্থ্ মানি।

অজ্ঞতা বসে তারা কেউ বুঝতে পারে না তা-

প্রভূ শুধু গোলাম জানে জগতের মানুষ যতো

সেদিন দাঁড়াতে হবে অজ্ঞ জ্ঞাণী হউক যে
কে বক্তা ?কে  শ্রোতা ?

ফয়সালা তাঁর হাতে ।

কোন অহঙ্কারে গর্জে ওঠো যত্র তত্র অবিরত।


মানুষেরা জানতো যদি ধর্মের খুঁটিনাটি বিষয়

প্রজ্জ্বলিত কতোখানি,

তাহলে তাদের হৃদয়ে উঠতো বেজে

আরো বহু বেশী নমনীয় কোমল সুর।
--------২৫-১২-২০২০ ইং রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর।