Sunday, January 10, 2021
পৃথিবী চিনে নিবে তোমায়
Friday, January 8, 2021
ভেঙ্গে দিও মোর সংকীর্ণ্ প্রাচীর
--------- কবি মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা।
আমাকে জাগিয়ে দিও হে প্রভূ বসুন্ধরে,
সত্যের পতাকা যেন পারি উড়াতে
অন্তরে ।
যখনই আসে কোন কালো দেহের ভিতরে
শুভ্র করে দিও দয়ার পরশে পাপীরে-
এহছানের সহিত যেন পারি আপনারে
জড়াতে
যে প্রেমে এসেছি আমি তোমার সুন্দর
ধরাতে।
ভেঙ্গে দিও মোর সংকীর্ণ্ প্রাচীর
খুলে দিও পাষাণ বন্ধ -এ বক্ষপঞ্জর।
যে প্রেমের কোলে বড় হয়েছি আলোকে পুলকে
জ্বলে দিও সেথায় মুক্তির
প্রদীপ নশ্বর ভূলোকে
বাহ্যিক হতে অন্তর ভাগে
প্রশান্তি দিও এনে
ক্ষমা করে দিও আপন মহিমায়
অনন্ত ময়দানে।
তৌফিক দিও মোরে রহমতি
দ্বার খুলে
আমি যেন না যাই ভুলে
সুধাগন্ধে মধুবিন্দুভারে
তাগুদের বাহুবলে
ছুঁড়ে যেন না দেই বয়োঃবৃদ্ধ
কালে ।
আমাকে জাগিয়ে দিও হে প্রভূ বসুন্ধরে,
এহছানের পতাকা যেন পারি উড়াতে
অন্তরে ।
যে প্রেমের দানে পেয়েছি রাত্রি শেষে দিন
ওদের যেন করি সেবা
প্রতিক্ষণ -প্রতিদিন।
ভেঙ্গে দিও মোর সংকীর্ণ্ প্রাচীর
খুলে দিও পাষাণ বন্ধ -এ বক্ষপঞ্জর।
-----------৮-১-২০২০
ইং,রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর।
পৃথিবীর অশ্রুজলে
----------কবি মোঃ আমিনুল এহছান
মোল্লা।
********************************
তুই প্রতিবাদী তাই তোরে বেশি
ভালোবাসি
হে সত্যবাদী,বলিষ্ঠ কন্ঠ বেশী
ভালো লাগে,
জুলুমের প্রতিবাদে সুর উঠাস
বাঁশি
পৃথিবীর অশ্রুজলে হৃদয়ে তোর
ব্যাথা জাগে
নিজ বক্ষে বিদ্রোহী ঢেউ উঠাস উত্তাল দূর্গ জয়ে
অকোতভয়ে দিস তুই ছাড়ি সত্যের তরী
গাঙ্গেতে
বিজয়ী নোঙ্গরে নিশানা উড়াস দূর্বার
শক্তি হয়ে
শত ভয়ভীতি উপেক্ষা করে সাম্যের
সংগীতে
রক্ত গঙ্গায় গড়ে তুলিস প্রেমের
নিবাস
তোর বীরত্ব হবে নাহি শেষ কবিতার
পন্থিতে
তুই যে রচেছিস মানব মুক্তির অমর ইতিহাস
কে করবে তোরে পরিহাস এই ধরণীতে-
তোর নামখানি লিখেছি রেখে হৃদয়ের
এলবামে
তুই সত্যের দিশারী তাই তোরে
ভালবাসি প্রথমে।
সকল দুঃখীদের মুক্তি দেখি তোর
বলিষ্ঠ কন্ঠস্বর
তুই আছিস বলেই বঞ্চিতেরা হারায়নি
অতঃপর।
তুই প্রতিবাদী তাই তোরে বেশি
ভালোবাসি
হে সত্যবাদী,বলিষ্ঠ কন্ঠ বেশী
ভালো লাগে,
জুলুমের প্রতিবাদে সুর উঠাস
বাঁশি
পৃথিবীর অশ্রুজলে হৃদয়ে তোর
ব্যাথা জাগে।
----৮-১-২০২১
ইং,রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর।
Thursday, January 7, 2021
অসহায় আমি তাও বলতে পারি না
---কবি মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা।
দাউ দাউ পুড়ে যাচ্ছে মনের আনন্দ বাজার
পুড়ছে অফিস আদালত রাস্তা ঘাট
অনৈতিক মহরা , অমানুষের বিশাল মিছিল
দাউ দাউ পুড়ে যাচ্ছে ঘর হতে
বাহির
মাদক দ্রব্যের রক্ত চক্ষু,
কিশোরী-কিশোর।
প্রেমহীন আগুনে পুড়ে যাচ্ছে অন্তর
হতে অন্তর
বিরহে ভরা গণতন্ত্রের প্রবাহ,বাক
স্বাধীনতা অবরুদ্ধ্
ন্যায়-বিচার লুণ্ঠিত হচ্ছে
বিচারিক এজলাসে
যুদ্ধের মানচিত্র টানাটানি করছে
বার বার
দলিলগুলো বদলানো হচ্ছে ক্ষমতার
মসনদে বসে-
ক্ষমতার মোহ পেলে যেমন গর্জে উঠে
অনৈতিক আশ্রয়, ত্যাগ হয়
নৈতিক তপস্যা
মানুষের লোভ
পরাজিত করে সবই।
পালাচ্ছে অন্তর ছেড়ে দিগ্বিদিক।পৃথিবীর মোহকে
বুকে নিয়ে উদ্ভাস্তু অনন্তের পথিক!
নোঙ্গরহীন তরঙ্গের মতো ছুটে
যাচ্ছে
অদূরে আগুনের খেলা,পরাজয়ের আর্ত্
চিৎকার
বুকের অতলে কিংবা একান্ত পাঁজরে
দুঃখের বহরেরা গর্জে উঠেছে—
দাউ দাউ পুড়ে যাচ্ছে মনের আনন্দ
বাজার
চৌদিকের মিথ্যেরা গর্জে উঠছে
অবিরাম
বজ্র কণ্ঠের তুমুল প্রতিযোগীতা
সত্যের স্পর্শ্ নেই
কে বাঁচাবে মানব সভ্যতোকে ?
অসহায় আমি তাও বলতে পারি না।
---------০৭-০১-২০২১ ইং
রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর।
Wednesday, January 6, 2021
কে জানতো তুমি হেরে যাবে ?
----কবি মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা।
কতো যে ছিলে তুমি প্রেমের মহাপতি!
আজ ধরাধমে তুমি একা আর ঘৃণিতরতি।
অগ্নি বিরহের দাবানল তোমাকে গ্রাস করে ফেলেছে সীমানায়
ভঙ্গুর হৃদয়ের অনুভবে অপলক চেয়ে আছো
শুন্যতায়
প্রেমহীন মরুদ্যানে আজ তুমি চলেছো
একা
চলেছো একা—শুধুই একা—
বাহুবলে হারাম অর্জনে গর্জে
উঠেছো তামাম পৃথিবী
দম্ভ অহংকারে ব্যাথা দিয়েছো
শুধু- প্রেম ছিল না মনে,
জানি প্রাণে ছিল না কোন সত্য
নিশানের স্পন্দন
এমনকি নূন্যতম হকের তীব্রতাও ছিল
না ধমনীতে,
ক্ষমতার পিছে ছুটেছো
ছিল না ভালবাসার মতো হৃদয়।
তুমি কি জানতে এই বাতিলের পতঙ্গ,তোমাকে
তিলে তিলে
নিঃশেষ করবে?
আজ তুমি ঘৃণিত গানের কলি হয়ে সুরে সুরে বাজছো
তামাম পৃথিবীর হৃদয় যন্ত্রে
কেউ আর পেখম মেলে না তোমার
নিঃসঙ্গ মুহূর্তে।
দম্ভ অহংকারের খোসাগুলো উড়ে যাচ্ছে
শূন্যতায়
অপলক চেয়ে আছো নিখিলের দিকে
একটু প্রেমের প্রত্যাশায়-
কে জানতো তুমি হেরে যাবে ?
কতো যে ছিলে তুমি ক্ষমতার
মহারতি!
আজ ধরাধমে তুমি একা আর বিরহপতি।
----০৬-০১-২০২১
ইং,রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর।
কিছু রাগ কিংবা অভিমান
----------কবি মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা।
*************************
এই যে শুনুন, কি হাল
বলুনতো ?
আপনি ভাল আছেতো? ছেলে
মেয়ে? কিছুক্ষণ কথার পর
দীর্ঘশ্বাস ফেলে অশ্রুজলে
বললো হায় পৃথিবী
কি নির্দ্য় গ্রাস করেছে
তোমাকে
এই যে মানুষের গভীর
প্রেম, যে নেই এখন,
প্রাণহীন জড় পদার্থের মতো
নির্জিব হয়ে গেছে পৃথিবীর দিগন্ত থেকে দিগন্তে
কিছুদিন আগেও সাম্যের গান
বাজতো বাঁশির সুরে
কি সহজে বদলে গেল পৃথিবীর
ছবি
কম্পিত হলো না শিল্পির
হাত
এতোটুকু, আক্ষেপের শব্দ
শুনা গেল না, এতোটুকু বিরহের
অশ্রুজল বেরুলো না, বরং
বীর দর্পে গর্জে উঠল জালেমের
দোসররা ।সাধুতার কন্ঠস্বর
শুনে চমকে উঠে মানবতা।
কি স্পর্দা! কি
দাম্ভিকতা! কেমন বজ্রকন্ঠ!
কতো নিষ্ঠুর জাল বুনে
অবিরাম ছুটে চলেছে, অথচ
কেউ নেই ধিক্কার জানাবে
প্রতিবাদ করবে!
কেউ যেন বিভেদকে উস্কে
দিচ্ছে কত দ্রুত পৃথিবীর বুকে
অচেনা ব্যক্তির দীর্ঘশ্বাসের
পর
ক্ষীয়মান শোকে !
হৃদয়ের ভেতর থেকে সুর্য্টা
জেগে উঠলো
অপলক পথ চেয়ে ডাকলাম, কেউ এলো না, কেউ এলো না-
কোথাও প্রেম নেই, কোথাও
মানবতা নেই
আছে কিছু রাগ কিংবা
অভিমান।
------০৬-০১-২০২১
ইং রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর
Tuesday, January 5, 2021
মুক্তির জ্যোতিকা
----কবি মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা।
দুঃখের নিকটে গিয়ে বলি;
পৃথিবীর দুঃখ তুমি একটু সুখ দিতে
পারো ?
দুঃখ বলে তোমার মুক্তি কেবল
আল্লাহ’র ক্ষমাতে
যদি সেজদায় তাঁরে ডাকতে পারো,
তবে
হয়তো বা পেয়ে যেতে পারো মুক্তির
ঠিকানা।
করোনার মৃত্যেুপূরে গিয়ে বলি;
যমদূত তুমি আমাকে একটি প্রাণবন্ত
জীবন দিতে পারো?
নিঃশ্বাস বলে জীবন আটকে আছে ওই সত্ত্বার
কাছে
এই কালো অন্তরে যদি দ্বীনের আলো জ্বালাতে
পারো,তবে
হয়তো বা পেয়ে যেতে পারো মুক্তির জ্যোতিকা!
জাহেলী বাতিলের নিকট গিয়ে বলি,
অন্তর খুলি
হে পৃথিবীর মোহ দয়া করে দিবে কি
একটু শান্তি!
আরশের পর্দা ছিঁড়ে বেজে ওঠে অদৃশ্য
কন্ঠে-যদি
ফিরে না আসো
তুলে নিবো আযাব গজবে
আমার অন্ধকার প্রকোষ্ঠে,তবে
যাদের প্রতি সন্তোষ্ট পেয়ে যাবে
মুক্তির সীমানা।
কেবল পৃথিবীর ক্ষণিক মোহের জন্য
এই জীবন আটকে ফেলেছি জাহেলী
বাতিলের দেয়ালে এবং
সত্যের সম্মুখে হয়েছি মিথ্যের
প্রহরী! এক অদৃশ্যের
বিরাগ ভাজনে আজ পৃথিবী আযাব-গজবে--
ফিরে এসো হে বিশ্বের সকল প্রাণ!
নত শির হই যিনি দয়ালু মেহেরবান।
দুঃখের নিকটে গিয়ে বলি;
পৃথিবীর দুঃখ তুমি একটু সুখ দিতে
পারো ?না,না
এই কালো অন্তরে যদি দ্বীনের আলো জ্বালাতে
পারো,তবে
হয়তো বা পেয়ে যেতে পারো মুক্তির জ্যোতিকা!
-----৫-১-২০২১
ইং,রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর।
Saturday, January 2, 2021
প্রকৃত মুমিনের দুঃসময়
-----------কবি মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা।
পরিচয়ে ঈমানদার বলো ভাই নামাজ পড়ো না
পোশাক আশাকে তৌহিদী বলো নতশির
হও না
এ কেমন মুসলমান দাবী করো ভাই,
অন্তরে কোরআন, নবীর আদর্শ্ যেথায়
নাই।
এতো সহজেই যদি মুমিন হয়ে যাবে
তবে কেন এতো রক্ত ঝরেছিল ইসলামের
তর?
কেন মোনাফিকের চরিত্রে দ্বীনের
এতো আয়োজন।
এমন পরিচয়ে ঈমানদার আছে কি
প্রয়োজন?
নামাজকে উপেক্ষা করে ছুটেছো তুমি
প্রান্তর থেকে প্রান্তরে
সজ্জিত মসজিদ শুন্যতায় ভরপুর
কাতারে কাতারে
মনে আছে সেই কবে সেজদা করেছিলে
গর্জে গর্জে বলো তুমি নির্দ্বিধায়
ইসলামের চাঁদর জড়ালে
অথচ অন্তর বাহ্যিকের ব্যবধান
অফুরান-
হে মুমিন, ঈমান আমল বুঝেই
বিশ্বাসের দ্বার খুলে দাও-
যদি তুমি প্রকৃত মুসলমান হতে চাও
তোমারে কে খেলাচ্ছে
কার মন্ত্রে তুমি এতো এলোমেলো!
তোমার বিশ্বাসের সাথে শরিক করেছে
তাগুদের তামাশা।
সেদিন তুমি আরশে শর্ত্হীন চুক্তি
করেছিলে.
গোলাম হবে তুমি পৃথিবীর বুকে
ঈমান-আমলে।
পরিচয়ে ঈমানদার বলো ভাই নামাজ
পড়ো না
পোশাক আশাকে তৌহিদী বলো নতশির
হও না
চেয়ে দেখো চৌদিকে প্রকৃত মুমিনের
দুঃসময়
সংগোপনে করছো বাতিলের মৈত্রী
অতিশয়।
এমন দুর্দিনে প্রকৃত ঈমানদার
মুমিন মুসলমান চাই!
পাঁচ ওয়াক্ত নামাজে নতশির হবে আল্লার সানে যাই ।
----২-১-২০২১
ইং,রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর।