কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা
রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর
*************************************
অন্যায়ের বিরুদ্ধে জাগো
হে
জনতা,
ভাঙো
এই
জড়তা!
যে
রাষ্ট্র জীবন
দিতে
পারে
না,
তার
কিসের
এত
ক্ষমতা?
ঝরছে বৃষ্টি
মষুলধারে,
কারেন্ট নেইকো
আঁধারে,
ঘুটঘুটে অন্ধকার চারিধারে!
ছিল
না
কোনো
যানবাহন,
অচল
শহর,
স্তব্ধ
জনমন।
বাধ্য হয়েই
চলি,
পঙ্কিল
ড্রেনের ওপর
দিয়েই
খুঁজি
পথ-গলি!
চৌদিকে
অথৈ
জল,
থৈ
থৈ
পথ,
রাজপথ
যেন
যমদূতের রথ!
কিছুই
যায়
না
দেখা,
অন্ধকারে চলছি
আমি
একা!
ড্রেন
পুরাটাই ডুবে
গিয়েছিল জলের
তলে,
অনুমান
করে
করে
পা
ফেলি
সাবধানে পাছে
প্রাণ
গলে!
আচমকা!
ওগো
আচমকা
এক
অন্ধ
নরক-গহ্বর,
তলিয়ে
গেল
নশ্বর
এই
কায়-কলেবর!
ড্রেনের ভেতরে
চলে
যাই,
পঙ্কিল
জলে
হাবুডুবু খাই!
ঘন আঁধারে
মৃত্যুর প্রহর
গুনি,
নিষ্ঠুর এই
নগরীর
বুকে
পিশাচের অট্টহাসি শুনি!
ভাগিস! ধন্য
রে
সেই
সর্বহারা ট্রাক-চালক ভাই,
দেখেছিল সে
আলোহীন
ঘোর
নিশীথায়!
তারই
হাতে
টেনে
তোলা,
নইলে
তো
আজ
চিরতরে
চোখ
হতো
বোজা!
তারই
তরে
আজ
বেঁচে
যাই,
নতুন
জীবন
ফিরে
পাই।
কিন্তু প্রতিদিন?
প্রতিদিন তো
এই
রাজপথে
মানুষ
দুর্ঘটনার শিকার
হয়,
ঘটে
কত
মৃত্যু,
কত
অপচয়!
কার
গাফিলতি এই?
জবাব
কি
দেবে
কেউ?
জনতার
বুকে
আজ
জেগেছে
যে
তীব্র
ক্ষোভের ঢেউ!
সরকার
এর
জবাব
দেবে
কি?
নাকি
চেয়ার
বাঁচাতেই থাকবে
সে
সুখী?
খোলা ম্যানহোলের যত
নেতিবাচক দিক—
এ যেন বিষাক্ত ছোবল,
দিক-বিদিক!
উন্নয়নের ফাঁপা
বুলি
তোরা
আওড়াস
দিন-রাত,
আর
খোলা
ম্যানহোলে নরক
সাজিয়ে
করিস
বজ্রপাত!
করোনার
মতো,
মহামারীর মতো
ছড়ায়
এ অবক্ষয়,
পথচারী
আজ
আতঙ্ক
বুকে
পদে
পদে
পায়
ভয়।
প্রতিটি গর্ত
খুনী
একেকটি,
তোরা
যে
খুনের
দায়ী,
জনগণের
রক্ত
চুষে
করিস
বাহাদুরী স্থায়ী?
হে রাষ্ট্র! তোরে
ধিক্কার দিই,
ভাঙো
এই
মোহের
ঘুম!
নাগরিক
প্রাণ
সস্তা
করেছিস,
এনেছিস
মৃত্যুর ধুম!
কর্তব্য তোর—লোহার ঢাকনি পরাবি
প্রতিটি নরক-মুখে,
নিরাপদ
কর
পথ-ঘাট সব, আলো
জ্বাল
মানুষের বুকে।
আধুনিক
ড্রেন,
সচল
শাসন
দিতে
হবে
আজই
তোরে,
নইলে
জনতা
আগুন
জ্বালবে তোদের
অট্টালিকা ঘরে!
শোনো হে
শোষক,
শোনো
হে
পিশাচ,
জীবন
বাঁচানো চাই,
অধিকার
তোরা
না
দিলে
এবার—
কেড়ে
নেব
সব,
তোদের
রেহাই
নাই!
------------------------------------------------------------------