Sunday, October 25, 2020

সালফার

 ---------------------কবি মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা।

সোরিক, সাইকোটিক, সিফিলিটিক, টিউবারকুলার

ডান, বাম, ওপরে বাম নিচে ডানপাশ তুমি সালফার!

তুমি সালফার অধিক কাতর শীত গরমে

খুব খর্ব, শীর্ণ,, কৃশ, শুকনো এই ধরাধমে

 

দুগ্ধপায়ী শিশু, স্থুল, মোটা, রক্তপ্রধান ধাতু

সামনে ঝোঁকে কুঁজো হয়ে তুমি রও ভীতু

গোসলে অনিহা, শ্লেষ্মাক্ষরণ বর্ধিত-

শিরা-উপশিরায় রক্তসঞ্চয় বিশেষতঃ

 

যকৃত শিরাতে জেগো উঠো তুমি

ভেনাস, পোর্টেল, উদর, পরিপোষণ যন্ত্র ভূমি

মিউকাস মেমব্রেনস, সেরাস, রেকটাম, বুক,

চর্ম্, চর্মগ্রন্থি. মাথার তালু, সন্ধি, গ্রন্থির মুখ

যতসব স্নায়ুমন্ড শ্বাসযন্ত্রে এনে দাও সুখ

 

গরম, জ্বালা, চুলকানি বিছনার গরমে

বেড়ে যাও তুমি মানুষের সুখ হারামে।

ভেতর হতে বাইরে তুমি হও কেন্দ্র ত্যাগী-

চর্মে চর্মে অগ্নি পরশে চুলকানি দাও জাগি।

 

অপরিষ্কার দুর্গন্ধ, দেহের রন্ধ্রগুলো লালবর্ণ ধারণ

উৎকন্ঠা, অহমিকা, ছিদ্রাম্বেষী, সমালোচনাপ্রবণ

খিটখিটে, ঔদাসীন, আলস্য, ঝগড়াটে, ধর্মানুরাগ

অস্থির, ভীরু, ব্যস্তবাগীশ, ভ্রান্ত বিশ্বাস, ভ্রান্ত দর্শন,

তুমি করো চিরকাল লাল-পালন

 

জেগে উঠো প্রাত দুপুর সাঁঝে, গোসলে দৈহিক পরিশ্রমে

দুধে, ঋতুস্রাবের আগে ও সময়ে কিংবা আহার গরমে

খোলা বাতাসে, ঢিলা পোশাকে ঠান্ডায় আরামে

এই সাদৃশ্যে তুমি সালফার রোগ মুক্তির সংগ্রামে।

----------------------২৫-১০-২০২০ইং রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর।

 

.

Saturday, October 17, 2020

আলোর পথযাত্রী

 ---------------------------কবি মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা।

যেদিন এসেছিল তুমি মায়ের উদরে নব উৎসবে;

ধরাধম ভেবেছিল সেদিন আলোর পথযাত্রী তুমি হবে!

যেদিন ভুমিষ্ঠ হলে তুমি নব প্রাণে নব উচ্ছাসে

সেদিন পৃথিবী তোমারে দেখেছিল নব সূর্যের উদ্ভাসে!

 

এ হৃদয়ে এঁকেছিল এক স্বপ্নের রাজ্য তোমারে ঘিরে

যেখানে ‍তুমি হবে অধিপতি অনিষ্ট ধবংসের বাঙ্কারে

আজ সেখানে কেবল তুমি চলেছো কলঙ্তি গঙ্গার জলে

অবিরত করছো গুম হত্যা ধর্ষ্ণ যৌবন তৃষ্ণার বাহু বলে!


 একবারও ভেবে দেখোনি,

কম্পিত পৃথিবী, ধর্ষিত নারী ,রক্ত স্মাত মায়ের জাতি

লুষ্ঠিত পৃথিবীর  অনুপম ইজ্জত- হে পাপীষ্ঠ নরপতি ।

তুমি নরাধম -এই ধরাধম

কে বলবে তোমারে উত্তম? 


অথচ

যেদিন এসেছিল তুমি মায়ের উদরে নব উৎসবে;

ধরাধম ভেবেছিল সেদিন আলোর পথযাত্রী তুমি হবে!

এখনো সময় আছে গেয়ে যাও চির সাম্যের সংগীতে

নরই কেবল-নারীর নির্ভ্য়! আশু প্রেমের ইঙ্গিতে।

----------------------১৭-১০-২০২০ইং,রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর।

 

 

 

 

 

Saturday, October 10, 2020

ধর্ষিতা নির্বাক !

 -------------------------কবি মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা।

***********************************

পত্রিকার পাতা খুললেই চোখ বুঝে যায় লাজে

শুধু দেখি, শুধু দেখি পশুত্ত্বের হিংস্রতা পৃথিবীর ভাঁজে

নিখিলের বুকে খুঁজে পাই না আজ মনুষ্যত্ত্বের  আলো

পুরুষের অস্রে জেগে উঠেছে হিংস্র রাত্রির কালো।

 

ন্যাংটা কুকুরের মতো পথে ঘাটে রক্তাক্ত হচ্ছে ইজ্জতের দাম

কেড়ে নিচ্ছে যখন তখন গোপনাঙ্গের রতিরস পাষন্ড নরাদম

মানুষরূপী পুশুরা ভুলে গেছে নিজেদের ডাক নাম

পুরুষাঙ্গ দিয়েছে ক্ষেপে ধর্ষণে ধর্ষণে অবিরাম ।

 

জেগে উঠতো যদি মনুষ্যত্ত্বের ভিতর রবি সভ্যতার জাগরনে

তবে কি এমনভাবে নারীরা ধর্ষিত হতো রক্ত ক্ষরণে ক্ষরণে

ধর্ষিতা নির্বাক !নিশ্চুপ পৃথিবীর বিবেক!

শুধু জাগ্রত পশুত্ত্বের কমনা, শুধু জাগ্রত নারীদের উদ্বেক!

 

কেউ কি নেই মুছে দিবে নির্বাক ধর্ষিতার চোখের জল?

ফাঁসির মঞ্চে মঞ্চে চাই দেখি ধর্ষকের শ্বাসনালী দল বল !

হৃদয় খুললেই প্রেম এসে যায়, মুক্তি এসে যায়

গড়ে উঠে অনুপম পৃথিবী…………….

 

মুক্তি দাও নারীকে প্রেম ভালবাসার আলিঙ্গনে তুমি।

চলতে দাও,নির্ভয়ে চলতে দাও এই নশ্বর ভূমি।

-------------------------------------------------১০-১০-২০২০ ইং রাওনাট কাপাসিয়া,গাজীপুর।

 

 

Saturday, August 15, 2020

বাঙ্গালীর স্বপ্নকে ‍তুমি

----------------কবি মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা।

বাঙ্গালীর স্বপ্নকে তুমি রাত্রিদিন এমনভাবে লালন করেছিলে

মনে হচ্ছে এই চেতনার গভীরতা দেখে তারা অধিক চিন্তিত

শলা-পরামর্শে ব্যস্ত,বুলেট কামানের চেয়েও বেশি ভীত

তোমার দেশপ্রেম নিয়ে;তোমার জয় বাংলা শ্লোগান নিয়ে

 

এই চেতনার চেয়ে বেশি শক্তিধর কোন পারমানবিক বোমা নেই,নেই কোন প্রেমের ডালপালা

তাই তারা সর্বদা শঙ্কিত তোমার বীরত্ব দেখে,তোমার বজ্র কন্ঠ শুনে

তারা জানে তুমি যদি একবার গর্জে উঠো ঘুর্ণি তুফানের মতো

বঙ্গ বুকে উড়বেই একটি পতাকা,স্বাধীন পতাকা-

চেতনার গভীরে আঁকবেই লাল-সবুজের রক্ত টিপ

শত্রুর বাঙ্কারে রক্তশ্মাত গঙ্গা বয়ে দিবে মুক্তি যুদ্ধের প্লাবনে প্লাবনে

বিশ্ববুকে উড়বেই বাঙ্গালীর  বিজয় কেতন! অনায়াসে রচিত হবে

অমর কবিতা-

                    বঙ্গ বন্ধুর বাংলাদেশ

                    জয় বাংলার বাংলাদেশ

                    মুক্তি যুদ্ধের বাংলাদেশ!

                     লাল সবুজের বাংলাদেশ

তাই রাত্রিদিন তারা তোমাকে ঘিরে ছক এঁকেছে,তুমি বুঝনি কিংবা

শোষিত বঞ্চিতের প্রেমে বিভোরছিলে অবিরত

যখন তখন তুমি মুক্তির প্রশ্নে চড়াও হয়েছো শত্রুর বিপক্ষে,করেছো প্রবল আক্রমন

মাতা নত করোনি মৃত্যেুর উপত্যাকয়,

আজ সেই বাঙ্গালীই এক রক্তাক্ত কবর রচনা করেছে তোমার স্বপ্নের বুকে

রচনা করেছে এক ঘৃণিত ইতিহাস-১৫ ই আগষ্ট,১৯৭৫ ইং

জিন্দাবাদ কি জানতো এই চেতনার ভেতরেই এক স্থপতির মৃত্যু লুকায়িত

আছে ?

 

বাঙ্গালীর স্বপ্নকে ‍তুমি আজন্ম লালন করেছিলে – এ বুকে!

মনে হচ্ছে এই চেতনার গভীরতা দেখে তারা অধিক চিন্তিত

শলা-পরামর্শে ব্যস্ত,বুলেট কামানের চেয়েও বেশি ভীত

তোমার দেশপ্রেম নিয়ে;তোমার জয় বাংলা শ্লোগান নিয়ে

তারা তোমার স্বপ্নের ভিতরে জ্যোতিময় মুক্তি

দেখেছিলো বাঙ্গালীর।

-------------------------১৫-০৮-২০২০ ইং, রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজী

Monday, August 10, 2020

স্থপতির সমাধি

 ------------------------ কবি মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা।

রক্ত দিয়েই তুমি স্বাধীনতা দিবে বলে

বার বার গর্জে উঠেছিলে বঞ্চিত বাঙ্গালীর পক্ষে,শ্লোগানে শ্লোগানে কম্পিত করেছিলে পিছঢালা রাজপথ!

দিয়েছিলে অকোতভয় হুঙ্কার বিদ্রোহীদের সমরে

মৃত্যুকে আলিঙ্গন করে বজ্র কন্ঠে ঘোষনা দিয়েছিলে বাংলার স্বাধীনতা

বিশ্বকে জানিয়েছিলে লক্ষ জনতার উত্তালে

এবারের সংগ্রাম , মুক্তির সংগ্রাম

এবারের সংগ্রাম স্বাধীতার সংগ্রাম।.

 

রক্ত দিয়েই তুমি স্বাধীনতা দিবে বলে

প্রতিদিন মৃত্যুকে আলিঙ্গন করছিলে

ফাঁসির মঞ্চে দাঁড়েছিলে সাড়ে সাত কোটি বাঙ্গালীর  পক্ষে!

জীবনকে বাঁজি রেখেই,

তুমি এঁকেছিলে মুক্তিযুদ্ধের পতাকা ত্রিশ লক্ষ শহীদের রাঙা কালিতে

সাজিয়েছিলে দুই লক্ষ মা বোনের ইজ্জতের আঁচলে

রূপসী বাংলাদেশ! স্বাধীন বাংলাদেশ!!

 

মুক্তি যোদ্ধাদের স্পন্দিত লোহিত কণিকা দিয়ে তুমি এঁকেছিলে

সবুজের কপালে রাঙা টিপ!

 

ওই লাল-সবুজ নিশানা এখনো আকাশে উড়ে

চোখ দু’টো চেয়ে থাকে অপলক!

কি এক বিজয়ের গর্ব্ বুকে নিয়ে ফিরে যাই ঘরে!

পেয়েছি স্বাধীনতার নব সূর্য্ ; তবু প্রাণ গোধূলিময়।

হন্য  হয়ে খুঁজি তোমারে  প্রতিটি প্রভাতের সূর্য্দয়

যে শুন্যতা সারাটি বুকে- বুকের পরে বুকে যন্ত্রনাময়—

 

একটি পতাকা পেয়েছি, একটি স্বাধীনতা পেয়েছি

পেয়েছি বঙ্গ বন্ধু- শেখ মুজিবর রহমান-

তবু রক্ত চোষে নিয়েছি বুলেটের আঘাতে আঘাতে-

যে মাটির প্রেমে গর্জে উঠেছিলো বার বার- সে মাটিতেই

বুলেটের আঘাতে আঘাতে গড়েছি স্থপতির সমাধি!!

১৫ আগষ্ট,১৯৭৫ ইং

সারা বিশ্ব দেখলো এক নিখুঁত নিটোল স্ট্র্যাটেজী!

-----------------------------------------------১০-১০-২০২০ইং রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর।

 

Saturday, August 8, 2020

তবু ভাল থেকো

 -------------------------কবি মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা।

প্রেমের পৃথিবীটা  কেঁপে  উঠলো দুপুর বেলা

কেঁপে উঠলো, বেজে উঠেলো মৃত্যু ঘন্টা

চুতুর্দিকে কম্পিত প্রতিধ্বনি,তুমি বিদায়

তুমি বিদায়, তুমি বিদায়!

 

রৌদ্র জ্বলে, গাছের ছায়ায় সুনিবিড় ধরাধম,অসংখ্য মানুষের কোলাহল

শুধু তুমি নেই ! শুধু তুমি নেই!

হঠাৎ যেন এই পৃথিবী ছেড়ে অন্য কোথাও

রক্ত ঝরা ব্যথিত বুকে

তুমি চলে গেলে এক রূপান্তরে ,তুমি হয়ে গেলে পৃথিবীর স্মৃতি

অন্তরে শোক লুকানো একটি বিরহের কবিতা

 

হঠান যেন যমদূতের করাল গ্রাসের কষাঘাত! পৃথিবীর অনাবিল বন্ধন হতে

 তোমাকে তুলে নিলো! হৃদয়ের ঐ বাড়িটা আজ  শূন্য

অগণিত বেদনার বসবাস!

জেগে উঠে হাজারো স্মৃতির মুখ, হারানো বেদনায় ব্যাথিত প্রেমের শোভা

তবু ভাল থেকো, তবু ভালো থেকো-

তোমায় চিরকালের বিদায় দিলাম, চিরকালের বিদায় দিলাম,

বিদায় হে প্রাণ প্রিয় যুবক!

---------------------------০৮-০৮-২০২০ই, রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর।

,

 

 

Monday, August 3, 2020

কবিরা অপদস্ত হলে

                          -----কবি মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা।

 কবিরা অপদস্ত হলে, ভেঙ্গে গেলে কবিতার তরী

সামাজের উলঙ্গেরা নিত্য উল্লাসে যাবে সবই করি

কবি ও কবিতার উত্তালে শুধু ঈর্ষা করা চলে

তুবও কবিতা রচিত হবে কাব্যের পাতা খুলে।

 

হিংসুকের হিংসে অনেক দূর, কবিদের ধারে-কাছে নেই

তাই তো রক্ত পুঁজে মাখামাখি সুস্থতার দাম নেই

জগতের চৌদিকে অগভীর অস্বচ্ছ মলিন জলরাশি

সেখান থেকে পথ দেখায় কবিরা আমাদের ভালবাসি ।

 

কিছুতে প্রশান্তি তুমি -জীবনে কখনো পাবে না

কবিরা অপদস্ত হলে, ভেঙ্গে গেলে কবিতার ঠিকানা

প্রতিবাদহীন তুমি নিস্পেসিত হবে জুলুমের তরবারি

তাই তো কবিরা জাগিয়ে দেয় সমাজের আয়না

সম্মুখে ধরি-

 

তোমার ধ্বংসের আগে সাইরেন কেউ বাজাবে না,

কবিরা অপদস্ত হলে, ভেঙ্গে গেলে কেউ কথা বলবে না

 

বিশ্বস্ত প্রহরীর মতো জেগে আছে কবিদের প্রতিভা।

---------------------০৩-০৮-২০২০ ইং,রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর।

 


প্রেমের কারখানায়

--------------------------কবি মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা।

মুক্ত পাখির মতো অনায়াসে উড়বে ভেবেছিলে

প্রেমিকের হাত ধরে

ভেবেছিলে স্বপ্নের বাসর সজাবে প্রেমিকার চুম্বনে

ভেবেছিলে সব প্রতিবন্ধকতা ধূলিসাৎ করে তুলোর মতো উড়ে দিবে

উড়ে যাবে আপন মনে দিগ থেকে দিগন্তে,সবকিছু ছাড়িয়ে!

ভেবেছিলে বিরহের স্পর্শ্ ছোঁবে না কখনো

আজ এমন বিরহ তুমি জাগালে

সারা বিশ্বকে কাঁদিয়ে

সাড়া শরীরে ক্ষত বিক্ষতের দাগ,গলায় ফাঁসির দড়ি!

ভেবেছিলে পরকালে মিলন হবে দু’জনার স্বর্গ্ মঞ্চে

মিথ্যে, সব মিথ্যে-

আজীবন নরকে পুড়ালে দু’জনার আত্ত্বাকে

প্রেমের কারখানায় কেবলই বিরহের আগুন! কেবলই আগুন

তার মানে এই নয়, আত্নহত্যা করতে হবে—

এইটুকু জেনে রাখা ভালো।

--------------০৩-০৮-২০২০ ইং,রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর।

 


সে কি তোমাকে চিনে?

-------------------কবি মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা।

যে প্রেমিকের বাড়ীতে বিষ হাতে বসে আছো তুমি!

সে কি তোমাকে চিনে?

যে স্বপ্নের পালঙ্গে শুয়ে স্বামী ভাবো যারে

সে কি তোমাকে চিনে?

যে স্পর্শের টানে শরীরের সব তিল, সর্বস্ব খোয়ালে

সে কি তোমাকে চিনে?

যে আবেগে ডাকে, প্রেমিকের বাড়ী স্বামীর দাবী নিয়ে

বসে থাকা

ও কি তোমাকে চেনে?

এ  বিষ যে প্রেমিককে আহত করে না, ব্যাথিত করেনা-

কেননা, সে তো আগেই …

এখন তোমার দাবী শূন্য!

বিষাক্ত বিষে মৃত্যুটুকু ছাড়া আর কি আছে বাকী?

প্রকৃত প্রেমের রক্ত প্রবাহ আর যাই হউক

বেঈমানী করে না—

যে প্রেমিকের বাড়ীতে বিষ হাতে বসে আছো তুমি!

সে কি তোমাকে চিনে?

--------------------------০৩-০৮-২০২০ইং,রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর।