Saturday, January 16, 2021

স্বপ্নের মধ্যে জ্বলে পৃথিবীর আশা

 

--কবি মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা।

স্বপ্নের মধ্যে জ্বলে পৃথিবীর আশা,

দৃঢ়চেতা সব বুঝতে পারে।

কেন হেরে যাওয়া,হেরেও কেন বিজয় নিয়ে আসা,

নিষেধ কেন হেরে যাওয়া অন্তরে।

কেন বুঝতে হয় আলোর পরিভাষা

পথের অন্ধকারে—

 

যোদ্ধারা জানে, যুদ্ধের দূর্গে দূর্গে শত্রুর প্রাচীর,

ওঁত পেতে আছে মৃত্যেুর পরোওয়ানা,

দূরের কালো মেঘে লুকে আছে সূর্যের আলোক সজ্জা

রক্তের প্রবাহ স্পর্শ্ করে না অনুভূতির দেয়ালে

যে স্বপ্নের বহর রচিছে হৃদয়ের কবিতা

সে প্রেম হাসবেই বিজয় কেতনে—

 

 

দৃঢ়চেতা সব বুঝতে পারে,অদম্য সাহসী প্রাণ

তাই সে ছুটে বার বার প্রচেষ্টার ধারে

আমিও তেমনি রণ মঞ্চে তোমায় চাই দেখি

বিজয়ের নেশায় বারে বারে

দূরে গিয়েও তোমার পানে অপলক চেয়ে থাকি

জাতির অন্ধকারে ।

 

স্বপ্নের মধ্যে জ্বলে পৃথিবীর আশা,

দৃঢ়চেতা সব বুঝতে পারে।

১৬-০১-২০২১ ইং,রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর।

 

তুমি আজ এমনভাবে তাকালে

 -------কবি মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা।

হে যুবক, তোমাকেই উগ্র মনে হয়

তোমার ভিতরে সব উগ্রতা ঢুকে গেছে।

শরীরের অঙ্গ ভঙ্গি যেন অসভ্যতার তুলিতে আঁকা,

প্রতিটি ভাঁজে ভাঁজে যৌবনের নবীণ চিহ্ন গুলো

ভয়ঙ্কর ‍দৃষ্টিতে ক্ষিপ্ত হয়ে উঠে হিংস্র প্রাণীর মতো।

 

তোমার ধারে যায় যারা, ভয়ে ভয়ে ফিরে আসে

এক বুক আক্ষেপ নিয়ে, তোমার ভিতরে সেই

জালেমের বর্বরতা রয়েছে,

কোনখানে আছে ?

প্রাণে না যৌবনে, নাকি পেশী শক্তিতে?

 

সন্ত্রাসী, মাস্তানীর অস্র হাতে দেখতে পাই তোমার সংঘে ।

ভয়াবহ মাদকের করাল গ্রাসে মাতাল,নেতার ডাকে

নিজেকে শেষ করতে করতে যতখানি বেয়াদব হওয়া যায়

যতখানি নিঃশেষ হওয়া যায়—

তাও আছে, কোনখানে আছে?

ক্ষমতায়, না নেতার আদর্শে?

 

অথচ তোমায় ঘিরে পৃথিবী স্বপ্ন বুঁনেছিল পাহাড়সম!

আজ তুমি নেতার পোষ্টারে সন্ত্রাসের গড ফাদার,

মাদকের সম্রাট- বেয়াদবের চূড়ান্ত হুঙ্কার!

নেতার আয়নায় মুখ রেখে কালি মেখেছো তোমার

নৈতিক চরিত্রে-

নেতৃত্বের অঙ্গে গুজেছো লাল গোধূলির ফুল।

 

তুমি আজ এমনভাবে তাকালে-

তুমি নেতা না সন্ত্রাসী খবু করে ভাবালে।

নেতৃত্বের আড়ালে এইসবও তুমি?

-----১৬-০১-২০২১,রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর।

 

 

তারাও কবিতার চরন লিখতে বসে

---------কবি মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা।

কালো অর্থেও কি সম্মানের আসন আছে?

অন্ধেও কি আছে দৃষ্টি?

 

ক্ষমাতয় গেলে দেখি অন্ধের ভিতরে দৃষ্টি,পেশী শক্তির ঝাঁক

তারাও কবিতার চরন লিখতে বসে!

যোগ্যতা জানান দেয় ক্ষমতা অর্থের দাপটে

অথচ মূর্খতা ঘিরে আছে জ্ঞানের চৌপাশে

 

অবৈধ সম্পদের চূড়ায় বসে বসে কবিতার শব্দ কূড়ায়

সাহিত্যের বীজ বুঁনে অজ্ঞতার চাঁদরে,মাদকের অগ্রাসে

বিষ কিনে খায়-

অথচ কবি হতে চায়! সমাজের সেবক হতে চায়-

সম্মান কিনে নিতে চায় ।

 

কতোকাল কলমকে অসম্মান করে জাগাবি তরবারি?

তুই যে কলম ফেলে কেবল ক্ষমতার ঢেউ দিয়ে

কবি হতে যেয়ে আপনাকেই করেছিস অপমান

সারারাত জেগেছিলে অন্ধকারে!

কালো অর্থের ভিতর দিয়ে কার কার সম্মান ডুবালি?

 

ক্ষমাতয় গেলে দেখি অন্ধের ভিতরে দৃষ্টি,পেশী শক্তির ঝাঁক

তারাও কবিতার চরন লিখতে বসে!

-------১৬-০১-২০২১,রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর।


নারী গর্ভে থাকে আগামীর পৃথিবী

 ------কবি মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা।

অন্তরে অন্তরে আলোটা জ্বলে উঠুক!

 

জ্বলে উঠুক শুধু নৈতিক চরিত্রের আঠারো কোটি প্রাণ

বাকীরা সব শুধরে যাক

পৃথিবী নিমগ্ন হয়ে নিজস্ব চশামায় দেখুক আর্দশের উপমা

সত্যেরা যা দেখে তাই দেখুক

 

মিথ্যের রঙ তাই হয়ে গেছে ধূসর কৃষ্ণ মলিন!

পরকিয়া কি বন্ধন গড়ে-কারো জানা আছে?

অন্তরে অন্তরে প্রেমটা জ্বলে উঠুক

বিশ্বাসের প্রদীপ জ্বেলে

নৈতিক চরিত্রকে আলিঙ্গন করে দেখুক।

 

নারী-পরুষের অবাদ তীর্থ্ নিষিদ্ধ শুনেছি

পরকিয়া তার অগ্নি গৃহ--অবৈধ সিঁড়ি--অপমানের বাসর

নারী গর্ভে থাকে আগামীর পৃথিবী-

পবিত্র চাঁদরে ঢেকে রাখো যৌবনের গুপ্ত ধন

তবেই পাবে পবিত্র ফুল—পবিত্র প্রেম।

----১৬-০১-২০২১ ইং,রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর।

 

 

Friday, January 15, 2021

ওই যে নেতা ডাকছে

 -------কবি মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা।

ওই যে নেতা ডাকছে, ও কে?

বাতিল না হক, ঠিক বুঝি না

বলতে গিয়ে পিছিয়ে আসি,

ভয়ে থাকি কিছু কয় কিনা।

 

শ্লোগানে শ্লোগানে কম্পিত প্রান্তর

মিছিলে মিছিলে মুখরিত---তুমুল করতালি

ওই যে নেতা ডাকছে....ফুলের মতো পবিত্র!

ভাবতে থাকি, ঠিক কতবার

ভরদুপুরে আদর্শ্ নেতা ভেবে

অগ্নিশিখায় ঝাঁপ দিয়েছি—

 

হে নেতা, তোমার আদর্শ্ তো ঠিক?

হও যদি সেই হকের প্রহরী-তবে

অধিকার ফিরে দাও ন্যায্য হিষ্যায়

বিশ্ব বসূধায়।

 

ওই যে নেতা ডাকছে, ও কে?

 

 

 

১৫-০১-২০২১ ইং,রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর।

 

তার নাম পৃথিবীর মোহ

 

---কবি মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা।

প্রাণের তরঙ্গে জেগে উঠেছে অত্যাচারী শৈবাল,

 

শাসকের দিকে তাকালেই দেখা যায়

কিন্তু সে দেখে না, তার দৃষ্টিকে সে দুর্বলের উপর

চড়াও করে ক্ষমতার সন্ধানে

 

ভোক্তভোগীরা দেখে, স্ট্রীম রোলারের যন্ত্রনা--কতোটা

অসহায় আইনি পোশাকের দাপটে--রক্ত চুক্ষুর গরমে

নিরন্তর গর্জে যেতে থাকে

চেয়ারের শৈবাল।

 

অন্তরে বিঁধে আছে বাতিলের পঞ্চমুখী তীর,

তার নাম পৃথিবীর মোহ,

অবৈধ অর্থের মহরা, ক্ষমতার অপব্যবহার।

ন্যায় বিচার উঠে গেছে যেন--বাতিলে কালো হয়েগেছে

হৃদয়ের স্পন্দন—

 

প্রাণের তরঙ্গে বাতিলের দাগটা মুছে দিয়ে

বঞ্চিতের কুটিরে জ্বালিয়ে দাও

ন্যায়-বিচারের প্রদীপ!

পৃথিবীর বুকে গড়ে তুলো চির সাম্যের প্রসাদ।

---১৫-০১-২০২১ ইং,রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর।

 

কথা ছিল--মানুষ হবে

 --------কবি মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা।

কথা ছিল,মানুষ হবে,মানুষ হলো পৃথিবীর সম্মান।

 

চেয়ে দেখি মানুষ নেই!আছে কিছু মানুষের অবয়ব

নিখিলের বুকে এঁকে যাচ্ছে সমস্ত স্বপ্নের অবসান।

 

যৌবনের তরঙ্গ নদী-

তুমুল উত্তালে ভেঙ্গে দিচ্ছে--অবিরত কেড়ে নিচ্ছে

পৃথিবীর তারুণ্য প্রাণ! বুকের ভিতরে যতখানি স্বপ্ন,

তার বহুগুন বিরহের যন্ত্রনা,প্রেমের খরায় শুকিয়ে

গেছে প্রাণের রক্ত প্রবাহ-

 

যুবক যুবতীর হাতে মাদকের বন্যা,যৌবনের

তরঙ্গ থেমে গেছে কু-সঙ্গের গর্জনে,ইন্টারনেটের

রৌদ্রে পুড়ে যাচ্ছে আগামীর শস্য! বাতিলের আকাশে

জীবনের সন্ধ্যা-

 

কথা ছিল,মানুষ হবে,মানুষ হলো পৃথিবীর সম্মান।

আজ দেখি উথালপাতাল ক্ষতমার খেলা

অবৈধের মেলা--সম্মান খুঁয়ে যায় নিখিলবিশ্বচরাচরে

আমার ঘরে, তোমার ঘরে!

-----১৫-০১-২০২১ ইং,রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর।

 

ঢেকে রেখো

 

-----কবি মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা।

ঢেকে রেখো....কে যেন যৌবনের উদিত ফুলে

কুদৃষ্টি দিয়েছে....ঢেকে রেখো---এখুনি তোমার

গুপ্ত ধন হবে চুরি

রক্তাক্ত স্নান হবে কামিনীর তরঙ্গে তরঙ্গে

 

পাঁপড়িগুলো খোল না মৌমাছির ভিড়ে ভিড়ে

শুল বিঁধাবে, বিষাক্ত শুল বিঁধাবে...ঢেকে রেখো

ঢেকে রেখো---কার দর্শনে এতো উম্মাদনা?

কাকে তুমি ডাকছো রূপের মাধুরীতে..

সে তো হ্রিংস্র জানোয়ার!

 

যৌবন তরী হেলে দুলে কোথায় যাচ্ছো?

কে তোমার যাত্রী?

আজ দেখো তোমার গুপ্তধন হলো চুরি !

ঢেকে রেখো....ঢেকে রেখো....

কে যেন তোমার যৌবন ফুলে  দিয়েছে কুদৃষ্টি

ঢেকে রেখো....ঢেকে রেখো....

----১৫-০১-২০২১ ইং,রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর।

 

দেশ প্রেমের বিপুল আঘাতে

-----কবি মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা।

না, আামাকে তুমি শুধু শান্তনা দিয়ো না,

বরং দেশ প্রেমিক  বাঙ্গালী হও।

না, আমাকে মিথ্যে ইতিহাস শুনিয়ো না

বাঙ্গালীর আবেগও

সইতে পারবে না,যদি বলতেই হয় সত্য বলো প্রাণ খুলে।

 

ভেবেছিলে, এই মিথ্যে শান্তনা আমাকে ভোলাবে

বিশ্বাস এনে দিবে, হায়,

মুক্তিযুদ্ধের রক্ত ফোটা দেখি সহজ্র কাঁটা গোলাপে

তাতে তোর কি আসে যায়,

যদি ক্ষমতা আসে বানোয়াট কবিতার গোপন গ্রন্থিতে

 

যে আমাকে চায় গভীর নিন্দ্রা থেকে জাগাতে,

যে দেখাতে চায় ছদ্মবেশী মুক্তিযোদ্ধার ছবি কিংবা

যে শুনাতে চায় মুক্তিযোদ্ধার কণ্ঠে রাজাকারের দেশপ্রেম

আমি ধ্বংস করে দিবো দেশ প্রেমের বিপুল আঘাতে

কঠিন যন্ত্রনায়,

আমি একজন লাল-সবুজের প্রেমিক,তুমি হয়ো না

ছদ্মবেশীবেশী মুক্তিযোদ্ধা-

 

সরল বাঙ্গালী হয়তো বুঝেনি, তোমার ছল চাতুরী,

যে রক্তে রাজাকারের প্রতিধ্বনি,মুক্তিযোদ্ধার পোশাকে

দেশ প্রেমের ছলনা-

শুধু মনে হয় এতোসব ক্ষমতার আয়োজন।

না, আমাকে ‍তুমি মিথ্যে গল্প বলো না, প্রকৃতি বাঙ্গালী হও

দেশ প্রেমিক হও---

 

যে শুনাতে চায় মুক্তিযোদ্ধার কণ্ঠে রাজাকারের দেশপ্রেম

আমি ধ্বংস করে দিবো দেশ প্রেমের বিপুল আঘাতে ।

 

---------১৫-০১-২০২১ইং,রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর।

 

 


Thursday, January 14, 2021

শূন্যতার ভিতরে

 ---------কবি মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা।

এ কেমন অনুভূতি আমার, এ কেমন

প্রত্যাশা বুঁনেছি তোমায় ঘিরে, এ কোন

শিরহণে আকাশের চাঁদ ছুঁয়েছি

শূন্যতার ভিতরে—

 

আলোর ঝলকানি দেখেছি রাত্রির ঝোড়ো হাওয়ায়

মুক্তি খোঁজেছি তোমার বজ্রতে

তুলেছি তুলপার হৃদয়ে গভীরে,খুব গভীরে

করেছি নোঙ্গর সভ্যতার সন্ধানে-

 

চারিদিকে কুকুরের ন্যাংটা প্রণয়! অসভ্যাতার

চুড়ান্ত মেলা !সবখানে খোলা দুয়ার;

চোর ডাকাতেরা লুটে নিচ্ছে সোনার ধন! তবুও

জানালা দিয়েছো খুলে—

 

এ কেমন জুটি বেঁধেছো উরুতে বাহুতে হৃদয় শূন্যতায়!

প্রেমের মৃত্যু দেখনি

দেখনি সভ্যতার দেয়ালে লেখা

স্বার্গীয় অনুভূতি!

তুমি বুঝনি যে প্রেমের শশীই সভ্যতার উপহার!

 

নির্লজ্জ জুঁটি বেঁধেছো যৌবিক তরঙ্গে,উলঙ্গ প্রবাহে

নিয়েছো প্রণয়ের সুখ

কাঁপেনি তবু তোমার বুক

তবু তুমি প্রেমিক-প্রেমিকা হায়! লজ্জা! লজ্জা!

 

এ কোন শিরহণে আকাশের চাঁদ ছুঁয়েছি

শূন্যতার ভিতরে—

এ কেমন অনুভূতি আমার, এ কেমন

প্রত্যাশা বুঁনেছি তোমায় ঘিরে---

---১৪-০১-২০২১,রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর।

 

 

 

 

 

তোমায় খুঁজে নিবে স্বপ্নের পাখি

 

---------কবি মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা।

তোমার  রূপ লাবণ্যে জ্বলে অগ্নিশলা

দুষ্টেরা সব বুঝতে পারে।

 

সৌন্দ্যর্য্ প্রকাশ কেন হিংস্র জন্তুর দুয়ারে

কেন জাগাও হে রূপবতী আলোর পরিভাষা

প্রকাশ্যে অলি গলি নিষিদ্ধ পল্লী-

কিংবা দিবা রাত্রির অন্ধকারে--

 

পৃথিবী জানে, ঘরের বাইরে শুকুনেরা ওঁত পেতে আছে

লুট করে নিবে কামিনীর সোনাদানা,

লুকায়ে রাখো রূপের বহর অজানা ।

দূরের দৃষ্টি মেঘে তুমি ভেসে যাবে অশ্রু জলে

ঘরে তোমার সায় ছিল না

এই যে রূপের খেলা ধূলা, এতো তোমার

শিকারী শুকুন কেনা-

 

শুকুনেরা বুঝতে পারে,কামিনীরা তাই আসে খাঁচার বাইরে

তাই আসে ফের শুকুনের ধারে।

জানোয়ারও তেমনি রূপের বিভোরে শুল বিঁধে থাকে

তুলতুলে স্বর্গ্মর্তে হিংস্র রূপে।

 

দূরে থেকেও প্রেমের প্রাণ খুলে  দিবে

রহস্যে ঘেরা তোমার সজ্জায়।

ফিরে যাও, ফিরে যাও নিরাপদ খাঁচায়

তোমায় খুঁজে নিবে স্বপ্নের পাখি পরম সাধনায়।

১৪-০১-২০২১ ইং,রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর।