Saturday, June 12, 2021

দিতে হবে খাঁটি দাম

 

          -          ----মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা।

             ------উৎসর্গ্ঃ সব শ্রমিক নেতাদের প্রতি।

*************************************************

 দৃঢ় নেতৃত্বে শ্রমিকের দিতে হবে খাঁটি দাম

জুলুম অত্যাচারের  বিরুদ্ধে দাঁড়াতে হবে উদ্দাম

 

ন্যায্য অধিকার আদায়ে মসনদ উঠাতে হবে কেঁপে

হবে না নত শির অত্যাচারী শাসকের গর্দান চেপে

মিথ্যের কাছে সত্যের পতাকা উড়াবে হরদম ।

দুর্বার গর্জনে কান্ডারী হবে-সেই কথা জানালাম

 

শ্রমিকের  রক্তা ঝরা ঘাম

পাই পাই দিতে খাঁটি হবে দাম

তুমি নেতা! তুমি জাগ্রতা জনতা

তুমি বঞ্চিত শ্রমিকের ত্রাতা।

 

তুমি এক বঞ্চিত কাফেলার সমর সৈনিক

অধিকার আদায়ে সোচ্চার হতে হবে দৈনিক

আজ ক্ষমতাশালীরা শোসনের কামান দাগি

হে শ্রমিক নেতা! এ ব্যর্থতায় তুমিও দায়ভাগী

 

উত্তাল লড়াই সংগ্রামে সত্যের অবিচলে

গর্জে উঠো অধিকার আদায়ে অগ্নি দাবানলে

এ কুঁয়াশা কেটে যাবে আজ কি কাল!

বঞ্চিত শ্রমিকের গগণে উঠবে সূর্য্ লাল।

 

তোমার হাতে সপে গেলাম আগামীর বিক্ষোভ

হে শ্রমিক নেতা! ভুলে যাও তুমি আপনার লোভ।

---১২-০৬-২০২১ ইং,রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর।

 

       

তাজ চত্বর

   

         ------মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা।

**************************************

তাজ চ্ত্বরে দেখরে তোরা বঙ্গ তাজের নাম!

বঙ্গ দেশে জাগল তাজ ভেঙ্গে জাতির ঘুম।

 

বঙ্গ তাজ ওই দাঁড়িয়ে ডাকছে তোরা আয়

বঙ্গ বন্ধুর সমর তরী তাজ ঊদ্দিনের নায় !

মুক্তিযুদ্ধের যোদ্ধা জাগে বজ্র কণ্ঠের সুরে

সেদিন ঝড়ে যুদ্ধের হাল তোদের ছেলে ধরে!

 

গর্ব্ তোদের উঁচু শিরে বিশ্ব বুকে চষে

ডাকছে ওই তাজ চত্বর দোসর শত্রু গ্রাসে

ইতিহাসের মহানায়ক কাপাসিয়ার ছেলে

বঙ্গতাজের রাঙা কালি লালসবুজে দোলে।

 

রক্ত স্মাত বুলেট কামান হয়নি কভূ নাশে

বাংলাদেশের অমর কবি দেখরে তোদের পাশে

বঙ্গ তাজ তাজ ঊদ্দিন প্রাণের স্মৃতি স্তম্ভ

কে আছে মুছে তার ইতিহাসের দম্ভ?

 

তাজ চত্বরে আয়রে তোরা বুকের পাটা খুলে

বঙ্গ মায়ের বঙ্গ তাজ হাসছে ফুলে ফুলে !

জানিয়ে দে কিংবদন্তি শীতলক্ষ্যার কূলে-

জাগ্রত ওই তাজ চত্বর বঙ্গ মায়ের কোলে।

---১২-০৬-২০২১ ইং,রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর।

 

মুকুটহীন সম্রাট

--------- মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা।

                         উৎসর্গ্ঃ সকল শিক্ষা গুরুদের প্রতি।

****************************************

তোমার আলোয় জেগেছি আমি সারা বিশ্ব জাহান;

করালস্রোতে  যায়নি ভেসে যৌবন -ধন -মান ।

বজ্র কঠিন আঁধারে গোঢ়ে জাগাও জাতির প্রাণ

মুকুটহীন সম্রাট ‍তুমি সদা চলমান !!

 

আপন কষ্ট আপন প্রাণে নাইরে চোখের জল

প্রাণ খুলে তাই মশাল জ্বালো ‍জ্ঞানের তাজমহল।

খরস্রোতে জীবন ভাসাও ভাঙ্গা নদীর ঘাটে

নোঙ্গার করাও জ্ঞানের তরী অজ্ঞ জাতির হাটে।

 

নিজ আকাশে গোধূলী আসে ধূলি ছড়ায়ে দল

তবু উল্লাসে নীল বেদনায় নিকুঞ্জে ফুটায়ে ফুল!

দিনান্তে নিশান্তে শুধু আলো দিয়ে যাও

নাহি কিছু চাও-নাহি কিছু পাও

নিঃশেষ হয়ে যাও----

 

হে মুকুটহীন সম্রাট! তবু তুমি অপার মহিমায়

জাতির সূর্য্দয়—

হবে নাকো শেষ কখনও তোমার এই সঞ্চয়!

তুমি পৃথিবীর উজ্জ্বল অলোক বর্তিকা

আঁধারের নির্ভ্য়!

আলোকিত মশালের বিনিদ্র প্রলয়!!

 

হৃদয়ের গহিনে শ্রদ্ধার আবরণে যত্নে রাখি ঢাকি।

হে আলোর দিশারী তুমি দিওগো সারা যখন ডাকি।

--------১২-০৬-২০২১ ইং,রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর।


প্রেমের শোভা

 ---- মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা।

         উৎসর্গ্ঃ পৃথিবীর সকল সহধর্মিনীদের প্রতি।

******************************************

কে আমারে করিল আঙ্গিন হে মহিয়ান!

কে  ভাঙ্গিছে পাষাণ দ্বার এ দুঃখের দিন!

আমি তারে বুক পানে রাখিয়াছি ধরি

বিধাতার সনে প্রাণ খুলে ফরিয়াদ করি

তিনি যেন রহম করে ধরণীর আনন্দমঞ্জরী;

 

দীপ্ত রবির অন্তিম প্রহরে ছটফট যখন নিশ্বাস

যন্ত্রণার কাতরে নিভৃতে ছেড়েছি শ্বাস-প্রশ্বাস

কতো যে খুঁজেছি বিনিদ্র রজনীর শিয়রে

কালো মেঘের আড়ালে দেখেছি শুধু তোমারে

সে দৃশ্য এখনও জাগি আছে নিরন্তরে ।

 

আমার রক্তিম ক্ষতে ক্ষতে তুমি ক্লান্ত চোখে

গেয়েছিলে অশ্রু গলা গান!

দুঃখকে আলিঙ্গন করেছিলে ভালোবেসে অফুরান!

হে প্রাণ! হে  স্পন্দন!

 তুমি সেই জীবন সম্রাটের অতন্ত্র প্রহরী সৈনিক

বিনিদ্র আছো আজো সুখ বিরহের চৌদিক।

 

প্রেমের শোভা দিয়েছে মোরে প্রভাত অরুণ

তুমি যত্ন করে দিয়েছো নিরব চুম্বন

আমি জেগে উঠেছি নব প্রভায় পৃথিবীর আয়োজন।

বিরহের উগ্রত্রাসে তোমার প্রেম বড় প্রয়োজন।

-----১২-০৬-২০২১ ইং,রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর।

 

এক কিংবদন্তির প্রস্থান

 ------ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা।

***************************************

শুন্যতার দিকে চোখ,শুন্যতা দিগন্ত পেরিয়ে্

এক শোকের বেদনা নিয়ে--

 

তোমাকে খুঁজে চলেছে কাপাসিয়ার প্রতিটি ইট বালু পাথরে

সবুজ শ্যামল মেঠো পথে শীতলক্ষ্যার কূলে কূলে- দিবস আঁধারে

পিছ ঢালা রাজ পথে-গণতন্ত্রের উত্তাল মিছিলে মিছিলে

রাঙা শিমুল পলাশে -কৃষ্ণ চূড়ার ডালে ডালে

বক –শালিক- কোকিলের কুহ কুহ কলোতানে

কৃষক কৃষাণীর ধানে ধানে-

তাঁতী কুমার জেলের পাড়ায় পাড়ায় -মাঠে ময়দানে

শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে---

 

জানি না, তুমি কোন অজানা অন্তরালে!!

তবু তুমি ফুলের সৌরভে ফুটে আছো বৃক্ষের মগডালে

এক মহানায়কের দৃশ্য ভেসে উঠে

উন্নয়ন সোপানে পথে ঘাটে মাঠে!

যেন পূর্ণিমা চাঁদ থেকে খসে পড়া এক ঝলক!

বিষ্ময়ে পৃথিবী! চেয়ে আছে অপলক!

 

এক কিংবদন্তির প্রস্থান! জড়ো পর্দাথের মতো নির্বিকার!

সভ্যতা হারিয়েছে সভ্যতার আলোকে-হে ব্রিগেডিয়ার।

আমরা হারিয়েছি হৃদয়ের তরঙ্গকে

হে ”আ স ম হান্নান শাহ্!!

আলো আজ অন্ধকার দিকে- তুমি জ্বলে উঠো পরলোকে।

মুক্তির দিকে চেয়ে আছি

-------১১-০৬-২০২১ ইং,রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর।

 

Friday, June 11, 2021

মানবিক সংগঠক

                -------মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা।

-----উৎসর্গ্ঃ- পেশাজীবি কল্যাণ পরিষদ,রাওনাট

*****************************************************

মানবিক আকাশ অন্ধকার ঘন হয়ে গেছে!!

পৃথিবীর র্সূযেরা আর জাগে না দুঃখীদের কাছে।

এক রহস্যময়ী রাত্রির মতো এই অন্ধকার!

ভালবাসার তারাগুলো নিভে আছে বর্ণিল ধূসর।

তবু কিছু প্রাণ! কিছু সংগঠক পূর্ণিমার মতো জেগে আছে

সেই অন্ধকার পথে পথে মানবিক বিনিদ্র প্রহরীরা

ছুটে যায় মুক্তির মশাল নিয়ে অসহায় মা্নুষের কাছে

খুলে দেয় হৃদয় -খুলে দেয় দু’হাত

হেসে উঠে অসহায় জগৎ--

 

”পেশাজীবি কল্যাণ পরিষদ” কত শতাব্দী টিকে থাকবে- জানি না!

মানুষের রক্তক্ষরণ কিংবা জীবনের বেদনাময় চিহ্নগুলো

মুছে দিতে আছে কিছু দিকপাল, আছে কিছু হিতৈষী

আছে কিছু সংগঠক

শতাব্দির পর শতাব্দি রচে যাবে মানবিক পান্ডুলিপি!

সূর্যের আলোর মতো জ্বলে থাকবে বিষণ্ণ প্রাণের মন্দির।

 

এরূপ ”মানবিক সংগঠক”  ভয়ঙ্কর রাত্রির বিষ্ময়!

রক্তাক্ত প্রাণের রক্তাভ রৌদ্রের বিচ্ছুরিত কিরণ

হৃদয় তরঙ্গে প্রেমের শিহরণ

মানবতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত

বিজয়ের আদি-প্রান্ত ।

--------১১-০৬-২০২১ ইং,রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর।

 

ভাল থেকো প্রবাসে

 

                     - মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা ।

-------( উৎসর্গ্ঃ- সকল প্রবাসি ভাইবোনদের প্রতি)

************************************************

‍তুমি এক নিকটতর অনুভূতির নাম- স্বদেশের কাছে

রক্ত ঝরা প্লাবনের তরঙ্গে সোনালী গৌরবও আছে!

 

এই রণ রক্ত সফলতা- শেষ সত্য নয়

প্রতিটা প্রহর করেছো তিলে তিলে ক্ষয়

হয়তো মেঘলা আকাশে করেছো সোনালী সূর্য্দয়

হয়তো চেষ্টা করেছো পেতে প্রেমিকার কোমল হৃদয়

হয়তো করেছো হীরে মুক্ত বিজয়!!!

 

অনেক রূঢ় রৌদ্রের উত্তাপ্তে হয়েছো খানখান!

প্রবাসকে আলিঙ্গন করেছো নিভৃত চোখের জলে

ভালবাসা দিতে গিয়ে-পৃথিবীর গভীতর বিরহ এখন!

হৃদয়ের কাছে হৃদয়কে করেছো নিহত

দূর্গে দূর্গে হয়েছো রেমিটেন্স যোদ্ধা

এ যুদ্ধে বার বার হয়েছো আহত ক্ষত-বিক্ষত!!

 

অন্ধকার পথে আলো জ্বেলে জ্বেলে জাতিকে করেছো সতেজ প্রাণ!

হাজারো বিরহ চেপে আপনার রক্তকে করেছো বলিদান

সব ভুলে যাই!! তবুও ঋণী রেমিটেন্স যোদ্ধাদের কাছে।

জাতি উল্লাসে আছে- শুধু তুমি নেই

ভাল থেকো-  ভাল থেকো প্রবাসে------

---১১-০৬-২০২০১ ইং,রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর।

বঙ্গ তাজের “জ্যোতি”

 

----মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা।

******************************************

এই বঞ্চিত মাতৃকায় বিজয়ের লাগি!

তুমি জ্বলে উঠেছিলে রাত্রির বুকে বিনিদ্র জাগি।

পরাধীন শোসিত বঞ্চিত প্রাণের বিকল শাসন ভেঙে

মুক্ত জাতির স্বপ্ন দেখেছিলে বাঙ্গালীর  হৃদয় রেঙে

দূর্গে দূর্গে সমর কৌশল রচেছিলে তুমুল বেগে

ধরেছিলে হাল মাঝিহীন তরীর অরুণের অনুরাগী!

 

চারিদিক ঘিরে বিদ্রোহের মহরা- যুদ্ধের দামামা শুনতে পাই

আকাশের সূর্য্টা ও তখন নেই !

মায়ের বুকে এক অন্ধকার অমানিশা -মৃতের অস্থি খুলি!

এই যখন অবস্থা- তুমিই এসেছিলে মুক্তির পতাকা তুলি

সংগঠিত করেছিলে যোদ্ধাদের সমরে সমরে-

রক্তের উত্তাল তরঙ্গে  ছুটেছিলে বিশ্ব দরবারে ।

 

ভয় করোনি দোসর রাজাকারের বিষাক্ত ফণা

বুদ্ধি দীপ্তে গর্জে উঠেছিলে সমর দূর্গে ঝঞ্ঝনা!ঝঞ্ঝনা!

নির্ভয়ে বঙ্গ তাজের জ্যোতিকে ছড়িয়ে দিয়েছিলে-

কারাগারে বন্ধী মহান স্থপতির নৌপালে-

এনেছিলে লক্ষ শহীদের রক্তে আঁকা লাল সবুজ পতাকা

ইজ্জত হারা মায়ের কোলে।

 

আকাশ বিবর্ণ্ হয়ে গেছে তবু জেগে আছে তোমার জ্যোতি!

হে বঙ্গ তাজ! এ বাঙ্গালী দিয়েছে তোমায় অমর স্বীকৃতি।

তুমি এক মুক্তির ইতিহাস—

স্বাধীনতা যুদ্ধের শ্বাস- প্রশ্বাস ।

-----১১-০৬-২০২১ ইং,রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর।

 

বঙ্গ গৃহের সূর্য্ সন্তান

--------মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা।

***********************************

উষর ধূসর মরুর মাঝে কে আর আছে ভাই?

বুক উঁচিয়ে দু’হাত খুলে বুকের মাঝে ঠাঁই!

দল মতের প্রাচীর ভেঙ্গে পেরা ভাইকে পাই।

বঙ্গ গৃহের সূর্য্ সন্তান জগৎ জুড়ে তাই।

 

ঝাকড়া চুলের জৌলস দেহ বাহু বলের জ্যোতি!

মুক্তি যুদ্ধের সমর সেনা  লাল-সবুজে বাতি

বঙ্গতাজের মাতৃগৃহে দূর্গাপুরের কোলে

বজ্র কণ্ঠের হুঙ্কার তুমি শীতলক্ষ্যার কূলে ।

 

অত্যাচারীর অগ্নি শিখা ধূসর কারাগার-

ন্যায় বিচারের মূর্ত্ প্রতীক- রণে দূর্ণিবার!

গর্জে উঠো দীপ্ত আলোয় যেথায় অনাচার

মুক্তি যু্দ্ধের মুক্তি সেনা তুমি খন্দকার ।

 

কাপাসিয়ার বুকের পাটা নাইতো ভয় আর

মুক্তি যুদ্ধের বীর সেনানী জাতির অহঙ্কার!

খন্দকার আজিজুর রহমান পেরা-

বাংলাদেশ নয়তো তোমার স্পর্শ্  ছাড়া।

-----১১-০৬-২০২১ ইং,রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর।

সাম্যের প্রদীপ

 ----- মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা।

****************************************

বৈষম্যের এই মরীচিকার তটে ছলনামায়ার তীরে

সাম্যের প্রদীপ হয়ে তুমি এসেছিলে জনতার ভীড়ে।

বগ্লাবিহীন অশ্বের অগাধ বেকারত্বের মরুভূ ঘিরে

বৃক্ষের ডালে ডালে পুস্পিত পাঁপড়ি এনেছিলে ফিরে ।

 

দল মতের আর্দশকে রেখেছিলে দূরে- আরো দূরে

অসীম যন্ত্রনার বুকে শীতল জল ঢেলেছিলে দেশ জুড়ে!

বেকারত্বের অনলে কবর রচেছিল অমৃত গানের সুরে

ডাক দিয়েছিলে বঞ্চিত পথ হারা  কিশোরী –কিশোরে ।

 

হতাশার দরিয়ায়  বিজয়ের পাল তুলেছিলে অনিবার!

স্থপতির আদর্শে অবিচল থেকে

এক সাম্যের প্রদীপ জ্বলেছিলে দুর্ণীবার।

এ বিশ্ব দেখেছে আজ এক মহানের অপরূপ ঝঙ্কার!

” হাবিবুর রহমান আকন্দ”-জানিছে সবে তুমি দিলদার।

-----১১-০৬-২০২১ ইং,রাওনাট, কাপাসিয়া,গাজীপুর।