Sunday, October 6, 2024

দাদাদের খাবার


কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা

স্থানঃ রাওনাট-কাপাসিয়া-গাজীপুর।

তারিখঃ ০৩-১০-২০২৪ ইং

************************

ওরে ইলিশ! ইলিশ বটে দাদাদের খাবার,

চাওয়া পাওয়া ভোগতৃষ্ণা যেন নেই জাতির।

 

ইলিশ! ইলিশ!পদ্মার ইলিশ সে যেন সোনার হরিণ,

ঝাঁকে ঝাঁকে ইলিশ ধরা পড়ে জালে বলতে যে বারণ,

বাজার হতে বাজার ইলিশ শুন্য এর কি কারন?

ওরে ইলিশ নাকি দাদাদের খাবার এ কথা শুনুন।

 

কি করে কিনবো ইলিশ আগুন আর আগুন!

ওরে যে যায় লঙ্কায় -সে হয় রাবণ!

স্নেহ- প্রেম সুখতৃষ্ণা সে যেন দাদাদের তর,

যতই কাঁদুক মাতৃকার সন্তান ভাবে কি অতঃপর।

 

ওরে ইলিশ! ইলিশ বটে মিটেনা তৃষ্ণা- আশা,

জন্ম তাহার পদ্মার জলে তবু যেন স্বপ্ন দুরাশা।

-----------------------------------------

যে প্রেম একবার হয়

 


কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা

স্থানঃ রাওনাট-কাপাসিয়া-গাজীপুর।

তারিখঃ ০৩-১০-২০২৪ ইং

************************

সেইদিন হৃদয়ের আয়নায় দেখেছিলাম তোকে,

মুহুর্তের জন্য এসেছিলে অনুভূতির ভূ-লোকে।

 

আবছা আবছা ভেসে উঠে এখনো সেই মুখ,

ঝিলিক দেওয়া শরীর হাসিমাখা মুখ- একুট সুখ।

এ সুখ নিয়েই বেঁচে আছি অনেকটা মৃত্যুর মত,

শুধু ক্ষণে ক্ষণে তোর ছবিটা ভেসে উঠে সতত।

 

কভূ লিখতে চাইনি তবু তুই এসেছিলি ঝড় হয়ে,

হৃদয় কবিতার চরনে চরনে শিহরিত কাব্য লয়ে।

এখন তুই এক প্রেমের মহাকাব্য- যেমনি রৌদ্র হয়,

তেমনি প্রখর! তেমনি প্রথম প্রেমের সোনালী সূর্যদোয়।

 

এত শ্রাবণের ধারা এত অপরূপা রূপ আর কার হয়!

যে প্রেম একবার হয়,সে আর কারোর একার নয়।

কিন্ত জানি না, তুই কি বুঝেছিলি সেই ভাষা ?

তবু আমি প্রেম হয়ে বুঁনেছিলাম অযূত আশা।

-----------------------------------------

 

Saturday, October 5, 2024

আদেশ

 কলমেঃ আমিনুল এহছান মোল্লা।

তারিখঃ০৪-১০-২০২৪ ইং

স্থানঃ রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর।

******************************

তোরা কি দেখেছিস জনবিস্ফোরণ, ওরে প্রশাসন,

সাবধান! সবাধান! ওরে উদাসীন,ওরে সুধীজন।

 

ওরে এখনো থামেনি জনতার কলরোল,

এখনো কোটি বক্ষ হতে বহে রক্তের কল্লোল।

এখনো জাগ্রত বিপ্লবের বহ্নিশিখা অন্তর বেগ,

কভূ থামবে না এ ঝড় তুফান ঝটিকা মেঘ।

 

জনতার দৃঢ় শপথ ভূতল-গগণ

দোসর স্বৈরাচার নিপাত কর ওরে বিপ্লবীজন।

কাদের অগ্রসানে এ বুক চিরে চিরে

বঙ্গের দীর্ঘশ্বাস বের হয় তপ্ত সমুদ্র তীরে?

 

আর করিস না ভয়!তরী নিয়ে দিতে হবে পাড়ি

আয় আয় বীর সেনানী ডাকিছে কান্ডারী।

আবার যদি আসে যুদ্ধের আদেশ,

জাতি দুর্বার ছুটে যাবে- কভূ হবে নাকো শেষ।

 

অতীতের ইতিহাস তোর শক্তি, করিস না বেচাকেনা,

সাবধান! চৌদিকে তোর সেই পুরানো শকুন হায়েনা।

---------------------------------------------------

 

 


সেই ভয়ঙ্কর দৃশ্যটা

 কলমেঃ আমিনুল এহছান মোল্লা।

তারিখঃ০৪-১০-২০২৪ ইং

স্থানঃ রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর।

******************************

.সেই ভয়ঙ্কর দৃশ্যটা আজো দেখতে পাই,

এখনো ভয় পাই চোখের দিকে তাকালেই!

 

নীল আকাশের গায়ে উড়েছে অপশক্তির ঘুড়ি

ভয়ঙ্কর কালো রঙে একটা জংলী নদীর সূরসূরি।

সেই ভয়ঙ্কর দৃশ্যটা আজো ভেসে উঠে এখানে,

রাঙা চোখে তাকাই-এখনো চেপে ধরে মাঝখানে।

 

দিবা- রাতি ওই পূর্ণিমার দিকে তাকাই--

একটু শুব্রতার খুঁজে অন্ধকার পথে পথে-কোথাও নাই।

বুকের ভিতর মৃত্যুর চাপ! অসহ্য যন্ত্রনা

কেউ আসেনি মুক্তির বার্তা লয়ে, কেউ জাগায়নি চেতনা।

 

সেই ভয়ঙ্কর ছদ্মবেশী বেশ এখনো বুকের জ্বালা-

সে কখনো প্রেমিকা নয় মুক্ত স্বাধীন পথ চলা।

তবু আমি শুধু তাকিয়ে আছি বদলোনো আঙ্গিনায়,

.সেই ভয়ঙ্কর দৃশ্যটা মুছে যাক সোনালী আলোয়।

------------------------------------------------

স্বপ্নের মৃত্যু হলো


কলমেঃ আমিনুল এহছান মোল্লা।

তারিখঃ০৪-১০-২০২৪ ইং

স্থানঃ রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর।

******************************

চারিদিকে নিয়ত একটা একটা অঘটন ঘটছে,

লক্ষ শহীদের রক্তে পাওয়া  স্বপ্নের মৃত্যু হচ্ছে।

 

কেউ ভাতে দেয় ঘি, কেউ দুধে দেয় বিষ,

তবু জনতা আনমনে তবু ডেকে আনে সর্বনাশ!

একটা ধাক্কা অসুরের! একটা শব্দ, সবশেষ,

একটা স্বপ্নের মৃত্যু গ্রাম ও শহরে অবশেষ।

 

অতীত স্মৃতি এবার তুলা হয়ে আকাশে উড়বে,

বীরের রক্তবিন্দু মুছে যাবে,বিদ্রোহীরা হাসবে।

স্বাধীন মায়ের চোখের জলে কার কি এসে যায়!

একটা ধাক্কায় সবশেষ! এখন চারিধারে হায় হায়!

 

সেই দীপ্ত প্রদীপ শিখা এখন হারিয়ে গেল,

ভয়ঙ্কর  অন্ধকার নেমে এল,স্বপ্নের মৃত্যু হলো!

----------------------------------------------

বেয়াদবি


কলমেঃ আমিনুল এহছান মোল্লা।

তারিখঃ০৪-১০-২০২৪ ইং

স্থানঃ রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর।

******************************

জগন্য এক অধ্যায় দেখেছি শিক্ষা গুরুর সাথে!

ক্ষত বিক্ষত  হৃদয় - এ দূষিত জলের স্রোতে।

 

এতো কষ্ট ! এতো ব্যাথাতুর অশ্রু ঝরে,

এমন দৃশ্য দেখব তা ভাবিনি এ বঙ্গ তরে!

কি এক ভয়ানক চর্চা ছাত্র-ছাত্রীদের জীবন প্রাতে!

কে রচিল এ কবিতা?কে জড়ালো তারে এ সংঘাতে?

 

ছাত্র-শিক্ষকের বন্ধনে সন্ধ্যের যে আরতি হয়,

যে পাঞ্জেরী হয়! সেখানে কেন এত শঙ্কা- ভয়?

চারিদিকে ঘনকুঁয়াশার দিয়েছে হানা শিক্ষার স্তরে,

অপমান অপদস্ত রেখা গ্রাসিয়াছে  প্রদীপের তরে।

 

শিক্ষকের মর্যাদা এখন নিরবে নিভৃতে কাঁদে—

ঋতু বদলের দাবানলে ছাত্র-ছাত্রীরা উঠেছে কাঁধে।

এমন বেয়াদবি দেখি নাই আমার এ বয়সে.

ওরে এরা নাকি সংস্কারক মাথা নেড়ে কয় সে!

---------------------------------------------

আসন্ন দৃষ্টি

 কলমেঃ আমিনুল এহছান মোল্লা।

তারিখঃ০৪-১০-২০২৪ ইং

স্থানঃ রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর।

******************************

 

প্রেমকে কভূ স্বরণ করতে হয় না হৃদয়ের,

ব্যাকুল অনুভূতিটাই বলে দেয় তুমি জীবনের।

 

তুমি মৃত্যুঞ্জয়ী-তুমি চির স্মরণীয়!

কালো মেঘেরা যতই করুক গোপন -এ পরিচয়।

তুমিই প্রভাত ঊষা, তুমিই প্রথম উদয়,

আসুক যতই বজ্র ঝড় তুফান তুমুল প্রলয়!

 

ষড়যন্ত্রের পর ষড়যন্ত্র কিংবা কথার বৃষ্টি,

কোন কিছুতেই মুছবে না তুমি আসন্ন দৃষ্টি।

তুমি কালজয়ী,তুমি মহান, তুমিই বজ্র স্বর,

কোটি হৃদয়ের প্রেম তুমি রক্ত ভেজা ন্শ্বর।

 

একটি স্বাধীন পতাকার যে দেশটা,

সেখানে তুমি চির স্মরণীয়- স্বপ্নদ্রষ্টা।

----------------------------------------------

রঙিন ফুল

 কলমেঃ আমিনুল এহছান মোল্লা।

তারিখঃ০৪-১০-২০২৪ ইং

স্থানঃ রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর।

******************************

ক্যানভাসে রঙিন ফুল তবু কেন কানন শুন্য?

পায়েতে নতুন আলতা তবু কেন বর্ণহীন নগন্য।

 

দেশপ্রেমের আলিঙ্গন বড় গন্ধহীন তামাটে,

ক্ষমতা না প্রেম এ প্রশ্নে অনেক তফাৎ বটে।

জনতার সবকিছু আজ জীবনে বড় মলিন,

কোন কিছু আর দাগ কাটে না এ ব্যথিত প্রাণ।

 

পরির্বতন এল পরির্বতন হল না আমার সেই কষ্ট,

যেমন ছিলাম তেমনি আছি শুধু কিছু ধবংস নষ্ট।

ক্যানভাসে রঙিন ফুল তবু কেন শুকিয়ে যায়,

বুকটা ফেটে যায় অশ্রু ঝরে নিরন্তর নিরালায়।

 

ঋতু বদল হয়, সূর্য উঠে সোনালী আভায়-

তবু কেন জনতার মুখে হাসি নেই স্বাধীন বাংলায়?

--------------------------------------------

 

Friday, October 4, 2024

ব্যর্থতার চিঠি


কলমেঃ আমিনুল এহছান মোল্লা।

তারিখঃ০৪-১০-২০২৪ ইং

স্থানঃ রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর।

******************************

ওরে-শাসকের দুঃশাসনে আজ দেহ মন চিৎপাত,

বৈষম্যের ঘূর্ণি ঝড় হুহু করে আঘাতহানে দিনরাত।

 

হৈ চৈ হাঙ্গামা লুট- পাট,বিশৃঙ্খলা চৌদিকে ভাই,

মোট কথা জন নিরাপত্তা আজ যেন কোথাও নাই।

ক্ষমতা পেলে তেড়ে যায় এই বঙ্গ ভূমিতে-

জনতার শুধু প্রাণ ঝরে দুঃশাসনের ফাঁসিতে।

 

আজ শুধু চেয়ে দেখি ব্যর্থতার চিঠি এক সম্মুখে,

রাগ ক্রোধ হিংসে প্রতিশোধে তৈল দেয় শাসকে।

এ এক চরম বিলাসিতা মসনদে উঠে লাফিয়ে,

হজুগে গুজবে আবেগে সরল জনতা ক্ষেপিয়ে।

 

শাসকের শোসনে চেয়ে দেখি রক্ত চুক্ষ শরীরে,

আপন সত্ত্বারে  লুকিয়ে রেখে ছুটেছে  চাটুকারে।

রক্ত কয় বাংলাদেশ! অথচ তুমি শত্রুর মজুরে,

পতাকা বলে আমি স্বাধীন! আর তুমি হুজুরে।

 

আজ শুধু চেয়ে দেখি ব্যর্থতার চিঠি এক সম্মুখে,

রাগ ক্রোধ হিংসে প্রতিশোধে তৈল দেয় শাসকে।

----------------------------------------------

;

কে দিবে মিটায়

 

কলমেঃ আমিনুল এহছান মোল্লা।

তারিখঃ০৪-১০-২০২৪ ইং

স্থানঃ রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর।

******************************

 

ওরে রক্তের দামে কেনা স্বাধীন বাংলাদেশে,

অধিকার- স্বাধীনতা- আইন কানুন সর্বনাশে!

 

ভাই-কেউ যদি ক্ষমতায় যায় পাকড়ে ধরে,

একই কায়দায় লুটে পুটে যায় অংক করে।

এ বুকে আমি সাধারন নাগরিক মরি হায় হায়,

আয় -ব্যয়ের বিস্তর ব্যবধান কে দিবে মিটায়?

 

যে পরির্বতন পেয়েছি তার মুক্তি কোথায়?

কৃষক শ্রমিক জনতা নিয়ত অশ্রু ঝরায়!

বেকারত্বের চাবুক দমদামদম লাগায় পিঠে,

এ কি দৃশ্য দেখি আচড়ে পরে বিন টিকিটে?

 

আজ পথে প্রান্তরে চোর ডাকাতেরা মাশুল ধরে,

তবু তুমি নিশ্চুপ !জনতার দিন কাটে ভয়-ডরে।

প্রতিশোধের নেশায় খুঁচিয়ে পিঠে গুঁড়িয়ে ঘাড়,

তুমি অপমান অপদস্তে অশ্রু ঝরাও বারেবার।

 

জনতা এদিক ওদিক ডাইনে বায়ে যায়,

ওরে আজ যে নুন আন্তে পান্তা ফুরায়।

----------------------------------------------

 

অযূত জিজ্ঞাসা


কলমেঃ আমিনুল এহছান মোল্লা।

তারিখঃ০৪-১০-২০২৪ ইং

স্থানঃ রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর।

******************************

অনিদ্রা থেকে থেকে প্রাণে আজ অযূত জিজ্ঞাসা?

চোখের পাতা ছুঁয়ে ছুঁয়ে আগুনের গোলক- দুরাশা !

 

বড্ড বৈষম্য দেখছি! এখনো রক্ত ঝরছে-

আমি আকাশপানে চেয়ে দেখছি শকুন উড়ছে।

পরুষত্বহীনতায় দুই উরুর ফাঁকা জানালায়-

প্রেয়সীর শিয়রে লম্পটের মত্ত দুলিছে পরকিয়ায়।

 

এর নাম কি স্বাধীনতা?পশ্চিমার ঠোঁটে চুমু দিলে,

খুব নিবিড় চুমু! আচ্ছা কামাছন্ন তরঙে ভাসিলে।

সম্মুখে স্বপ্নের মৃত্যু দেখছি গভীর থেকে গভীরতর,

আজ অযূত জিজ্ঞাসা সেইসব মুক্তিকামী জনতার।

 

মুক্তি কোথায় ? এখনো দেখিনা কেন পূর্ণিমার চাঁদ?

এখনো লোমশ বুকের ভিতরে ভয় -শঙ্কা -অবসাদ!

মুক্তির জন্য এসেছো তুমি তবু প্রশ্নটা থকে য়ায়-

বৈষম্যহীন প্রেম ভালবাসা ঐক্যের ডাক কোথায়?

-----------------------------------------------

রক্ত বৃষ্টি

 

কলমেঃ আমিনুল এহছান মোল্লা।

তারিখঃ০৪-১০-২০২৪ ইং

স্থানঃ রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর।

******************************

সেদিন প্রচুর রক্ত বৃষ্টি হয়েছিল বজ্র হুঙ্কারে,

বঙ্গের রাজ পথ থৈ থৈ করেছিল প্রহরে প্রহরে।

 

কোন স্বাধীনতা নেই- নেই কোন কূল কিনারা,

তবু হাল ছাড়েনি, হয়নি সন্ধ্যা আলোয় দিশেহারা।

দিকেদিকে ছড়িয়ে গেছে তপ্ত শরীরের বিপ্লবী  অলো্

সেদিন কেউ কাঁদেনি, কেউ দেখেনি দু’চোখে কালো।

 

সেদিন মনের চেতনাগুলো বাঁধ মানেনি-

রক্তে ভাসিয়ে দিয়েছিল হৃদয় কূল বঙ্গ জননী।

অন্তরে এঁকেছিল লাল সবুজ পতাকা রাঙা তুলিতে,

তবু সাবধান! তবু লুকিয়ে আছে কেউ বেষ্টনীতে।

 

এখন মুক্ত আকাশ ! নির্মল বায়ূ !

তবু  বিপুল শঙ্কায় স্বদেশের আয়ূ।

সেদিনছিল শুষ্ক মরুভূমি বাংলার দূষিত বাতাসে।

সেদিন প্রচুর রক্ত বৃষ্টি হয়েছিল পরাধীন আকাশে,

 

-----------------------------------------------

 

স্বদেশের চেতনাগুলো

 কলমেঃ আমিনুল এহছান মোল্লা।

তারিখঃ০৪-১০-২০২৪ ইং

স্থানঃ রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর।

******************************

অন্তর জমিনে গড়ে উঠেছে সিমেন্টের ঘরবাড়ি,

হৃদয় জুড়ে কংক্রিট আর কংক্রিটের হুড়াহুড়ি।

 

চৌদিকে চোখ তুলে দেখি দূষিত বায়ূ আর বায়ূ,

হিংসে বিদ্বেষ হানাহানি কেড়েছে স্বদেশের আয়ূ।

কণ্ঠে কণ্ঠে রচে যায় বজ্র তুফানের মহা-কাব্য

উগ্রতায় লণ্ঠ ভন্ড হয়ে যায় মানবতার সব সভ্য।

 

পদ্মা মেঘনা যমুনার পাড়ে উড়ন্ত বালির ঘরে-

ক্ষমতা জাহিরে শুব্র কাশ ফুলেরা ঝগড়া করে।

জাতির স্বপ্নগুলো গুড়িয়ে যায় ছদ্মবেশীর ছোবলে,

প্রেমিকারা  ইঁদুর দৌড়ে গর্তে লুকায়  বিপদ কালে।

 

স্বদেশের চেতনাগুলো এখন গোধূলী সন্ধ্যায় আগত,

রাত্রির ডাকে ডাকে আলোক রশ্মিগুলো মাথানত।

--------------------------------------------------

স্বদেশের পরাজয় মেনে

 কলমেঃ আমিনুল এহছান মোল্লা।

তারিখঃ০৪-১০-২০২৪ ইং

স্থানঃ রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর।

******************************

শুন্যতা আর শুন্যতার বৃত্তেই ঘুরছে জীবন,

যতই ফুল ফুটক তাতে নেই  বসন্ত-ফাল্গুন।

 

রাত্রির অন্ধকারে ছেড়েছে তরী স্বদেশ কান্ডারী,

সেও যেন চোর ডাকাতের  মত লুটেছে পাঞ্জেরী।

শুব্র পোশাকের আড়ালে বিদ্রোহী রক্তের স্মৃতি,

চারিদিকে গর্জেছে ছদ্মবেশী প্রেম ভালবাসা প্রীতি!

 

এখানেও বিশ্বাস ঘাতকতার আগুনময়  জীবন,

স্বদেশ প্রাণ পুড়ে পুড়ে ছাঁই তবু দোসরের গান।

জাতির রক্ত হিম শীতল হয়ে গেছে উত্তর প্রদেশ,

পশ্চিমা চিল -শকুন -ঈগলেরা করেছে প্রবেশ।

 

স্বদেশের পরাজয় মেনে শুনছে রূপ কথার গল্প,

বিপদ! তবু বুঝে না তবু জাগে না এ জাতি অল্প-স্বল্প।

----------------------------------------------