Wednesday, March 13, 2019

মোহের অস্রেরা



                                         -কবি মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা।
প্রতিবাদের কণ্ঠগুলো ক্রমশ চলে যাচ্ছে দূরে
মিথ্যাবাদী চরিত্রহীনেরা এগিয়ে আসছে কাছে।
এখন আর সত্যবাদীরা জাগছে না
প্রতিবাদী কন্ঠগুলো সোচ্চার হচ্ছে না।
তোষামোদির বৃত্তে আটকানো মনুষ্যত্বের দ্বার খুলতে খুলতে
পশুবিত্তের চরিত্রেরা এগিয়ে আসছে কাছে।
মুক্তি খুঁজে চলেছি
অথচ চরিত্রে লোভের মহরা
সত্যকে সত্য বলি না, মিথ্যাকে আলিঙ্গন করি আপনার স্বার্থে !
একদিকে চাই মুক্তি, আর দিকে বাতিলের জটলা ।
বিকেরা বিবেকহীন উম্মাদ!
সিংহাসন আজ পক্ষপাতিত্তের শূলে রক্ত চোষে!
প্রেম আর ভালবাসা নির্বাসনে..
অন্যদিকে অর্থে কিনা সম্মান,নগদে অভ্যর্থনা এবং পূঁজিবাদীদের শোষণ
এইভাবে প্রতিবাদী কন্ঠগুলো ভাগাভাগি হয়ে গেছে- তোষামোদির সুশিল !
প্রতিবাদীরা এখন গর্জে ওঠে না
সেই সব বঞ্চিত অধিকারের পাশে
মিথ্যা আর মিথ্যা নিষ্ঠুর জল্লাদের মতো
সত্যকে হত্যা করেছে মোহের অস্রেরা !
---------------------------------------রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর।

Tuesday, March 12, 2019

সকল বিচার হেরে যায়, আপনার পরাজয়ে




                                           - কবি মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা।
সকল বিচার হেরে যায়, আপনার পরাজয়ে
এমন করে বলে যেন বিচারক কারো  হয়ে !

চৌদিকে শুনি শ্লোগান আর শ্লোগান মিথ্যে মিথ্যে.
মানি না, এ রায় মানি না, বলুন তো কার স্বার্থে ?

প্রহসনের বিচার মিথ্যে রায় মানি না, মানি না
কি আর করেছি, আরো বেশী তার, বুঝি না, বুঝি না !

এ আর কত ! তার চেয়ে বেশী ভুরি ভুরি
প্রকল্প-ব্যাংক- বীমা -শেয়ার আরো কত চুরি !

অপরাধীর অপরাধ হউক সে ছোট, হউক সে বড়
আছে কি ভেদ? রাজ-প্রজা কিংবা আপন -পর !

পরের টা টেনে আপনারে লুকায় আজব এক ফাঁদ!
মিথ্যা বানোয়াট পূর্ণিতে জাগে জিতে না অপরাধ ।

হে বাদী জাগ ! সকল অপরাধী ধরে ধরে..
বিচারিক এজলাসে চাই দিবা নিশি ভোরে।

কে রাজা, কে রাণী কিংবা প্রজার সমাহার!
অপরাধীর অপরাধ বিচারবিনে চাই না আর ।

হে বিচারক, তুমি তো ন্যায় ও সত্যের মণিহার।
বাদী-বিবাদীর ক্ষমতা না দেখে দিও সমঅধিকার।

সকল বিচার হেরে যায়, আপনার পরাজয়ে
এমন করে বলে যেন বিচারক কারো  হয়ে !
------------------------------------------- রাওনাট, কাপাসিয়া,গাজীপুর।


তরুণ নাই, তরুণী নাই




                                         -কবি মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা।
একালের তরুণ-তরুণীদের চলন বলন দেখতে দেখতে
মনে কি পড়ে না? পড়ে ।
আমরা কি এ রকম ছিলাম ? না ছিলাম  না!
নৈতিক শিক্ষা থেকে বাহ্যিক অন্তরে শ্রদ্ধাবোধ ছিল, ছিল মান্যতা
সেই দুরন্তপনায় ছিল এক বিজয়ের উদ্দীপনা!

একালের তরুণ-তরুণীদের চলন বলন দেখতে দেখতে
স্বপ্ন কি জাগে না? না জাগে না !
সাহস পাই না,যদি দমক দেয়
জ্ঞানের শিখায় ওদের যতটুকু তাপ লাগে.
তার চেয়ে ঢের বেশী উশৃঙ্খল অন্ধকার !
ওদের সম্মুখ দেখি অচেনা পথ, বড় বেশী জাহেলী..

একালের তরুণ-তরুণীদের চলন বলন দেখতে দেখতে
আমরা কি ব্যথিত হইনা ? হে হই ।
কিন্তু ওরা বলে- আমরা নাকি সেকালের..
আধুনিকতার রূসজ্জা নাকি আমাদের কবিতাতেও নেই..
বিনোদনেও নাকি সেকালের প্রথা !

একালের তরুণ-তরুণীদের চলন বলন দেখতে দেখতে
আমরা কি কিছু ভাবি না ? হে ভাবি ।
শুধু কি তাদের দোষ ? না দোষ না !
আমরাও যে ব্যর্থ্ কিংবা পেরে ওঠি না..
অথবা তাদের বুঝতে দেই না—আগামীর প্রত্যাশা
এ আধুনিকতা বলে দেয়, তরুণ নাই, তরুণী নাই ।
------------------------------------------------------ রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর।