সোমবার, আগস্ট ৩১, ২০২৬

হে রুদ্র, আর কতকাল?


হে রুদ্র! আর কতকাল?
রক্তে রাঙাবে শোষকের এই করাল জাল?
পুলিশ দাঁড়িয়ে হাসে,
আর জাকিয়া সুলতানা কাঁদে পশুর খাঁচায় ত্রাসে!
প্রকাশ্য রাজপথে—
নারী লাঞ্ছিত হয় রে আজও দানবের ঐ রথে!
কিল-ঘুষি-লাথি পড়ে,
আইনের রক্ষক নীরব কেন রে ঝড়ে?
ধিক্ ওরে ধিক্!
ভেঙে চুরমার হোক আজ চারিদিক!
সে তো নারী উদ্যোক্তা, একলা লড়ে,
তার পিঠে কেন নরপশুরা আঘাত করে?
আইন কোথায়? শাসন কোথায়? সব কি আজ অন্ধ?
চারিদিকে শুধু শকুনের উল্লাস, নরকের এই গন্ধ!
হে শাসক! তুমি এখনো কেন রে চুপ?
তবে কি ভাঙেনি তোমার মোহের রূপ?
আমি বিদ্রোহী, আমি মহাকাল!
ছিঁড়ে ফুঁড়ে দেবো অন্যায়ের এই শক্ত কপাল!
আর কতকাল সহিব এই অপমান?
নারীর অঙ্গে হাত দিলে আর রবে না কারো প্রাণ!
বজ্র আসুক, আসুক তীব্র ঝড়,
ভেঙে গুঁড়িয়ে দাও ঐ পাপীদের ঘর!
শাস্তি চাই, দৃষ্টান্তমূলক বিচার চাই,
এই বাংলায় অন্যায়ের কোনো ক্ষমা নাই!
জাগো রে রুদ্র, জাগো রে বীর,
তুলে ধরো আজ ন্যায়ের উন্নত শির!

ক্ষমা করো হে রনজিনা পারভীন

 ক্ষমা করো হে রনজিনা পারভীন

কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা

রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর

*****************************************

রক্তের সাগরে কিনেছি যে মা-কে,
আজ কেন সে- কাঁদাবে বাংলাকে?
মাগো!
তুমিই তো বলেছিলে তুমি স্বাধীন, তুমি মুক্ত!
তবে কেন আজ রাজপথে ঝরে সন্তানের তাজা রক্ত?


দিয়েছিলে আশ্বাস
অন্ন বস্ত্রের, শিক্ষা বাসস্থানের বিশ্বাস!
বলেছিলে দিবে অধিকার ন্যায্য,
নিরাপদ হবে এই রাজ্য!
তবে কেন আজ বুলেটে খঞ্জরে
পিষ্ট মানবসত্তা পিঞ্জরে?


চিকিৎসা নিতে এসে রাজধানীর বুকে,
স্কুল শিক্ষিকা প্রাণ দিল কোন দুখে?
ছিনতাইকারীর হিংস্র নখের থাবায়
রক্তে ভেসে গেল রাজপথ কার দায়?
যে সংসদ ভবন বাংলার গর্ব,
স্বাধীনতার প্রতীক সর্ব,
নিরাপত্তার সবচেয়ে বড় দুর্গ হওয়ার কথা যেখানে
রনজিনা পারভীন খুন হলো সেখানে!
চিকিৎসার খোঁজে এসে বোন আমার,
ফিরল লাশ হয়ে ঘরে আরবার!


বলো মা, তবে কি তোমার স্বাধীনতা মিথ্যে?
পরাজিত শক্তি কি বসেছে আজ তখতে?
কার ইশারায় চলে এই রাজ্য?
দেশবিরোধীরা কি পেয়েছে আজ তিলক ধাজ্য?
কোথায় আইন-শৃঙ্খলা? কোথায় স্বাধীনতা?
চারিদিকে চুরি-ডাকাতি আর ছিনতাইয়ের বর্বরতা!
রাহাজানি, হয়রানি, চাঁদাবাজি, লুটতরাজ
স্বাধীন দেশের নাগরিক ঘরেই জ্যান্ত লাশ!
ধিক্কার! ধিক্কার! শত ধিক্কার!
ভেঙে ফেলো এই কুৎসিত ক্ষমতার দ্বার!

 

হে রনজিনা পারভীন, ভগিনী আমার!
মা তোমার দিতে পারেনি নিরাপত্তা আর!
জাতির পক্ষে তাই মাগছি ক্ষমা,
অপরাধী এই গোটা সমাজ জমা।
শাসকের জুলুম আর অযোগ্যতার কারণে,
প্রাণ দিতে হলো তোমায় এই মরণে!
ধিক এই শাসনব্যবস্থার!
নিরাপত্তা দিতে যদি না পারো ছার


তবে মসনদ ছেড়ে দাও এখনই নিচে,
জনতার অধিকার ফিরিয়ে দাও পিছে!
চাই অধিকার! চাই নিরাপত্তা!
জেগে ওঠো জনতা, ভেঙে ফেলো নীরবতা!
হে রনজিনা, আল্লাহ তোমাকে দিন জান্নাতুল ফেরদৌসআমীন!
শহীদী রক্তের বদলা নিতে জনতা জাগবে একদিন।

---------------------------------------------------

 

রবিবার, আগস্ট ৩০, ২০২৬

নূরে-তৌহীদ

 কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা

রাওনাট, কাপাসিয়া,গাজীপুর

*********************************

 কুল হুয়াল্লাহু আহাদধ্বনি বাজল তৌহীদি দিল-রুবাতে,
বে-মেছাল ওহী নামল আজিকে বিশ্ব-জাহানের রাতে।
তিনিই একাকী, তিনিই একক, নিখিল-বিশ্বের স্বামী,
জ্বালল আলো ওহে মোমেনীন, শিরক-আঁধার পাতে।

তিনিসামাদঅমুখাপেক্ষী, অভাব-মুক্ত শাহানশাহ,
সৃষ্টির সব তাহার দুয়ারে মাগে যে চির-পনাহ।
ক্ষুধা-তৃষ্ণা ছোঁয় না তাহারে, জরা-মৃত্যুর হীন বিকার,
চন্দ্র-সূর্য সেজদা জানায় খোদার নূরানী জাতে।

পিতা বা পুত্র কেহ নাই তাঁর, তিনি যে অনাদি-অনন্ত,
জন্ম-মৃত্যুর সীমানা-বিহীন, মহিমা তাহার দূরন্ত।
সমকক্ষ বা উপমা তাহার নিখিল-ব্রহ্মাণ্ডে নাই গো কেহ,
আরশ-কুরসি ধন্য হইলো নামেরই তসলিমাত-এ।

ওরে অবুঝ মন, তুই কেন তবে খোদারে খুঁজিস দূর বনে?
একাকী মওলা বিরাজ করেন তোর এই আশেক-মনে।
বান্দা গায় তাওহীদি গান, দিলের কাবাতে লুটিয়ে পড়ে
নাজাতের আলো ছড়াও মওলা, হাশরের প্রভাতে।

--------------------------------------------------------

পচন ধরেছে মায়ের শরীরে

  কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর ************************************ স্বাধীন মায়ের অস্থি - মজ্জায় ধরেছে আ...