ক্ষমা
করো হে রনজিনা পারভীন
কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা
রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর
*****************************************
রক্তের
সাগরে
কিনেছি
যে
মা-কে,
আজ
কেন
সে-ই কাঁদাবে বাংলাকে?
মাগো!
তুমিই
তো
বলেছিলে তুমি
স্বাধীন, তুমি
মুক্ত!
তবে
কেন
আজ
রাজপথে
ঝরে
সন্তানের তাজা
রক্ত?
দিয়েছিলে আশ্বাস—
অন্ন
ও বস্ত্রের, শিক্ষা ও বাসস্থানের বিশ্বাস!
বলেছিলে দিবে
অধিকার
ন্যায্য,
নিরাপদ
হবে
এই
রাজ্য!
তবে
কেন
আজ
বুলেটে
ও খঞ্জরে—
পিষ্ট
মানবসত্তা পিঞ্জরে?
চিকিৎসা নিতে
এসে
রাজধানীর বুকে,
স্কুল
শিক্ষিকা প্রাণ
দিল
কোন
দুখে?
ছিনতাইকারীর হিংস্র
নখের
থাবায়—
রক্তে
ভেসে
গেল
রাজপথ
কার
দায়?
যে
সংসদ
ভবন
বাংলার
গর্ব,
স্বাধীনতার প্রতীক
সর্ব,
নিরাপত্তার সবচেয়ে
বড়
দুর্গ
হওয়ার
কথা
যেখানে—
রনজিনা
পারভীন
খুন
হলো
সেখানে!
চিকিৎসার খোঁজে
এসে
বোন
আমার,
ফিরল
লাশ
হয়ে
ঘরে
আরবার!
বলো
মা,
তবে
কি
তোমার
স্বাধীনতা মিথ্যে?
পরাজিত
শক্তি
কি
বসেছে
আজ
তখতে?
কার
ইশারায়
চলে
এই
রাজ্য?
দেশবিরোধীরা কি
পেয়েছে
আজ
তিলক
ধাজ্য?
কোথায়
আইন-শৃঙ্খলা? কোথায় স্বাধীনতা?
চারিদিকে চুরি-ডাকাতি আর ছিনতাইয়ের বর্বরতা!
রাহাজানি, হয়রানি,
চাঁদাবাজি, লুটতরাজ—
স্বাধীন দেশের
নাগরিক
ঘরেই
জ্যান্ত লাশ!
ধিক্কার! ধিক্কার! শত
ধিক্কার!
ভেঙে
ফেলো
এই
কুৎসিত
ক্ষমতার দ্বার!
হে রনজিনা
পারভীন,
ভগিনী
আমার!
মা
তোমার
দিতে
পারেনি
নিরাপত্তা আর!
জাতির
পক্ষে
তাই
মাগছি
ক্ষমা,
অপরাধী
এই
গোটা
সমাজ
ও জমা।
শাসকের
জুলুম
আর
অযোগ্যতার কারণে,
প্রাণ
দিতে
হলো
তোমায়
এই
মরণে!
ধিক
এই
শাসনব্যবস্থার!
নিরাপত্তা দিতে
যদি
না
পারো
ছার—
তবে
মসনদ
ছেড়ে
দাও
এখনই
নিচে,
জনতার
অধিকার
ফিরিয়ে
দাও
পিছে!
চাই
অধিকার!
চাই
নিরাপত্তা!
জেগে
ওঠো
জনতা,
ভেঙে
ফেলো
নীরবতা!
হে
রনজিনা,
আল্লাহ
তোমাকে
দিন
জান্নাতুল ফেরদৌস—আমীন!
শহীদী
রক্তের
বদলা
নিতে
জনতা
জাগবে
একদিন।
---------------------------------------------------