বৃহস্পতিবার, জুলাই ১৪, ২০২২

সত্যের বিজয় আসন্ন

 

ওরা উস্কানি দিক,ওরা করুক নিন্দাবাদ

আমি ডাক দিবো সাম্যের, আমি চাই অভেদ

আমি বলবো ধর্য্যই বিধাতার আর্শীবাদ !

ওরা মেঘ দেখেছে, মেঘের বজ্র গর্জন শুনেনি!

ওরা দ্বি-প্রহরের প্রখরতা দেখেনি-ওরা ভাবেনি

আমি -অগ্নি -ঝড় -তুফান !!

আমি প্রলঙ্করী ভয়ানক প্লাবন !

আমি উদয় ! আকাশের মতো উদার

আমি পূর্ণি চাঁদ-  রাত্রির গোঢ় অন্ধকার।

সুতরাং  সবাধান! সাবধান! সাবধান!

সত্যের বিজয় আসন্ন-চির দৃশ্যমান।

মঙ্গলবার, জুলাই ১২, ২০২২

পরিনতি

 

এখনো জাগল না মানবের প্রাণ

নশ্বরে এসে একি তুলে তুফান !

ওই যে অনন্ত শ্মশান-গোরস্থান

কখন যে ডাক এসে যায় প্রস্থান !

করো কেন  মানবের প্রাণ আহত ?

এখনই হও হকের পথে জাগ্রত

জেগেছে বাতিল শক্তি তাই হানাহানি

দুর্ণিনীতি দুঃসাশনে নব জানাজানি।

মরেছে আদর্শ্ মরেছে নীতি

অশান্তি তাই মানবের পরিনতি।

ওহে তুমি যে শেষ নবীজির উম্মত

আছে আল কোরআন-কার আছে হিম্মৎ ?

 

সাজে মা কেমন

 

ওই দেখ সাজে মা কেমন ?

সারা অঙ্গ লুটে পুটে আজ এমন !

জ্বলে পুড়ে ছাঁই মা’র আঁচল

দুর্ণিনীতিবাজ লুটেরা দলে বল।

শাসকের তরবারি ঝনন-ঝন !

ছাতি পাতি নেতা খেতার শাসন।

কাল বৈশাখীর ভীম তুফান

ঘরে ঘরে বাঙালির রক্ত বান।

স্বাধীন জাতির বুকে লাল ফিতা

মীরজাফরের দল এখনো চিতা।

দেশটারে ভালবাসি  মাতুল্য সম

তুমি জাগো হে- ওগো প্রিয়-তম।

বাঙালি

 

বাঙালি ঝঞ্ঝার মত উদ্দ্যম

বাঙালি নির্ভয় উন্নত শির মম।

বাঙালি অসীমের মত বাঁধাহীন

বন্ধনহীন--

লক্ষ শহীদের রক্তে স্বাধীন ।

জয় বাংলার উ্ত্তাল শ্লোগান

স্থপতি বঙ্গ বন্ধুর বিজয় কেতন

বঙ্গ তাজের রাঙা সূর্য্ উজ্জ্বল

জনতার হাসি গান শ্যাম উচ্ছল ।

বাঙালি পাগলা জোঁয়ার ঝরঝর

রণ দূর্গের শক্তি অটল মহীধর।

এ বলয় ভাঙতে এসেছি

 

অহেতুক ঝগড়া করি ভাইয়ে ভাইয়ে

অথচ এসেছি এক জননীর কোল লয়ে ।

কি যে তিক্ত বিদ্রোহ ভাই

ভুলে গেছি মা,কে-বিদ্রোহী গান গাই

লুটে পুটে যাই – যা পাই তাই !

ক্ষমতা আর প্রাচুর্য্যের মোহে

পুড়ছি অবিরাম নীল নকশার দহে

ঠিক যেন মীরজাফরের ছদ্মবেশী

এ বলয় ভাঙতে এসেছি হে দেশবাসী !!

 ফুটাবো জুঁই চ্যামিলী গোলাপ বেলী

ওদের দিবো না যেতে এ বুকে খেলি।

 

অনন্ত কাননে

 

জন্ম- মৃত্যু ওই বিধাতার ডাক

এই ভুবনে ওই ভুবনে তাঁরই রাগ-অনুরাগ !

দেহের স্পন্দিত জীবন তারা

এ নহে গো আমার কোন ইশারা !

যেন বয়ে চলে গঙ্গা সিন্ধু নদী

অনন্ত অসীমের পথে নিরবধি।

যার আরশ হতে আসে , তাঁর ডাকে হয় হারা

আমরা শুধুই দিশেহারা, শুধু দিশেহারা

হাশরের মালিক, জীবনের পাখি

অনন্ত কাননে যায় গো ডাকি।

তবে কেন বয়ে যায় চোখের যুগল ধারা ?

আমি তো নই আমার আমি নশ্বর ধরা ।

 

স্রষ্টার সম্মান

 

মানবতার চেয়ে বড় কিছু নাই

ওরে জগৎ মানব বোন-ভাই !

আমি এসেছি গাইতে স্যাম্যের গান

ওরে শুন, ওরে শুন মানুষই মহিয়ান।

কে শিশু! কে যুবক ! কে বৃদ্ধ

নাই ভেদ ধর্মজাতি -দল বদ্ধ।

আমরা একই প্রাণ ! একই প্রভৃর সৃষ্টি

কালো সাদা জ্ঞাতি গোষ্ঠি অভেদ দৃষ্টি !!

সাম্যের গান গাইবার সময় হলো।

কে মুসলিম -হিন্দু –বৌদ্ধ- খ্রীষ্টান

এ নহে গো পরিচয় ভুবন

মানবিক মানুষই মহিয়ান।–গরিয়ান।

স্রষ্টার সম্মান-দুষ্টের অপমান।

ডাক দিয়ে গেলে

 

ওগো এই পদ্মা মেঘনা যুমনার কূলে

তোমাকে দেখেছি শুভ্র কাঁশ ফুলে !

দুর্বার হেসে চলেছো আঁকা বাঁকা পথে

কি এক সুষমায় মেলেছো ডানা

প্রকৃতির  আঙ্গিনাতে – অপরূ ভঙ্গিতে!!

ঠিক যেন অসহায় মানুষের সংগীতে

অমৃতের গান শুনালে কণ্ঠ ধ্বনিতে

কি এক মানবতার ম্যাজিক তুমি !

দুঃখীরা উঠেছে জেগে এই জন্মভূমি।

তোমার চপল চারণ –গতি দুর্বার

নির্ভয়ে ডাক দিয়ে গেলে মানবতার।

 

সোমবার, জুলাই ১১, ২০২২

বিরহের কালো

 

আমি এসেছি শুন্যতা দিবো ভরি

ফুটাবো সুষমা নিরন্তর যুদ্ধ করি।

তোমরা সঙ্গে থেকো হে সাথী

আমি হবো আঁধারে উজ্জ্বল বাতি।

জানি হে ফুটন্ত গোলাপ চেয়েছো তুমি !

আমি এসেছি তাড়াতে বেদনার ঝুমঝুমি।

জেনে রেখো,

আমি হবো তোমাদের প্রেম আলো-

হৃদয়ের সঙ্গী হবো যদি হ্যাঁ বলো

রাখবো না আর কোন বিরহের কালো।

যে আজ পান্তা বাসি

 

আজ সুবাস নেই বসন্ত ফুলে ফুলে !

কোকিলের সুমধুর ডাক নেই ডালে ডালে

আছে কিছু  কাউয়াদের কা কা শব্দ!

চৌদিকে হোট্টোগোল কান সব স্তব্দ।

তবু কিছু ফোটে যে গোলাপ

হৃদয়ের মঞ্চে করিনা সংলাপ।

উদয়ের পথে যে আজ পান্তা বাসি

সে ফুল রাখি ফুলদানিতে ভালবাসি।

জাতির সংকটে যদি আমি তুমি জাগি

যোগ্য কান্ডারী পাবো গন্ধ সুষমা লাগি।

 

তোমাকে সংবর্ধনা হে গুণীজন

  কলমেঃ মোহাম্মদ আমিনুল এহছান মোল্লা রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর। ***************************************** তোমাকে সংবর্ধনা হে গুণীজন...