বৃহস্পতিবার, এপ্রিল ১৬, ২০২৬

সেদিন পালাবি কোথায়?

 সেদিন পালাবি কোথায়?

কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা
রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর
****************************************
কার আছে হেন হিম্মৎ? —কে আমায় রুধিবে আজ?
কারাগার-কারা-প্রাচীর ভাঙিয়া আসিবো করিয়া ব্যাজ!
এই সে স্বদেশ, এই স্বাধীনতা, এই মাটি মোর প্রাণ—
মোর শোণিতে যে রঞ্জিত হলো বিজয়-অভিযান!

এই নদী-নালা, এই বনানী, এই নীলাকাশ মোর,
কে করিবে বন্ধী আমায়? —ঘটাবে প্রলয়-ঘোর?
আমি জনতার, আমি গণতন্ত্রের, আমি লাল-সবুজের সেনা,
সোনার বাংলার গান গাহিবার পথ কি কারো অচেনা?

মুক্তিযোদ্ধার বিজয়-গাথা কণ্ঠে আমার বাজে,
কে আমায় শৃঙ্খল পরাবে মিথ্যে মোহের সাজে?
তোর হিংসার দাবানল আজি তোরেই করিবে গ্রাস,
আমার চেতনা অপরাজেয়— ধ্রুব সত্যের আশ!

ষড়যন্ত্রের ওই কালো থাবা ভেদ করে আসিবো ফিরে,
উড়াবো আবার রক্ত-নিশান আকাশের নীলে ঘিরে!
অন্যায়ের ওই দুর্গ চূর্ণ হইবে রে ধূলিপটে—
আমার স্লোগান জয়ী হবে ফের মুক্তির এই তটে।

সেদিন ওরে ও কাপুরুষ দল! লুকাবি মুখটি হায়—
মোর আগ্নেয়-জিজ্ঞাসা সম— সেদিন পালাবি কোথায়?
-------------------------------------------- 

E-Books


০৯-০৪-২০২৬

কৃষ্ণচূড়া ফিরে আসবেই

 কৃষ্ণচূড়া ফিরে আসবেই

কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা
রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর
*******************************************
ওরে ও মদমত্ত শক্তিমান! শোন রে অবোধ আজি,
তোর দম্ভের পাষাণ-কারায় শৃঙ্খল কি সাজি?
তুই চেয়েছিস রুখতে খেলায় প্রকৃতির এই দান?
ভুলেছিস বুঝি কৃষ্ণচূড়া বীর শহীদের প্রাণ!

স্বাধীন স্বদেশের লাল-সবুজের মখমল ঐ গায়,
তার শিকড় যে চেনে মাটির মমতা, মিশে আছে চেতনায়।
তুই কেড়েছিস পত্র-পুষ্প, রূপের ঐ বিভা,
ভেবেছিস বুঝি মুছে গেছে তার প্রদীপ্ত দিবা?

ভুল বুঝেছিস! চৈত্র-দিনের তপ্ত খরতাপ—
তারে মারবে কী রে? সে যে অমর, মৃত্যুঞ্জয়ী অভিশাপ!
বৈশাখী ঐ প্রলয়-নাচন যখন আকাশ জুড়ে,
তোর ক্ষমতার তাসের প্রাসাদ ধুলোয় যাবে উড়ে।

আর আমার ঐ রুদ্র বৃক্ষ বুক পেতে দেয় ঝড়ে,
শির উঁচিয়ে সগর্বে সে জাগে নতুনের থরে থরে।
যে কৃষ্ণচূড়া রঞ্জিত করেছিল একাত্তরের পথ,
তারে থামাবে কোন্ আইনের তুচ্ছ ঐ রথ?

সে তো বাঙালির বুকের স্পন্দন, মুক্তির এক গান,
সে তো নজরুলের তপ্ত তলোয়ার, ত্যাগের অম্লান।
তোর শিকল-ছেঁড়া হুঙ্কার সে, অবিনাশী এক শ্লোগান,
সে তো রক্তে ভেজা বাঙালির চিরন্তন আভিজাত্য-মান।

আবার আসবে ফিরে সে পুষ্প-পল্লবে সাজি’,
তোর পরাজয়ের ডঙ্কা ওই যে উঠছে বেজে আজি।
আগামী দিনের কালবৈশাখীর ঝড়ে যখন রাঙাবে আকাশ,
তোর বুক কাঁপবে কি সেই লালে? পাবি কি খুঁজে আশ?

কৃষ্ণচূড়া ফিরে আসবেই— মহিমায় স্বমহিমায়,
তোর দম্ভের তখ্ত্ লুটাবে তার রাঙা ঐ পায়!
--------------------------------------------------------------------------------

ফিরে এসো হে শিক্ষামন্ত্রী

 ফিরে এসো হে শিক্ষামন্ত্রী

কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা
রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর
-------------------------------------------------------
ফিরে এসো হে শিক্ষামন্ত্রী, খোলো আজি রুদ্ধ দ্বার,
শোনো এই বদ্বীপের কোটি শিশুর হাহাকার।
পাণ্ডু লিপি পড়ে আছে ধুলোমাখা ঐ টেবিলে,
 বইয়ের ঘ্রাণ হারিয়েছে আজ যান্ত্রিকতার মিছিলে।

অনলাইন আর মোবাইল স্ক্রিন—এ তো শিক্ষার মরণ ফাঁদ,
এখানেই কি হারিয়ে যাবে শৈশবের সব সাধ?
চোখ দুটো তার ক্লান্ত ভীষণ, মগজে বিষের ছোঁয়া,
স্মার্টফোনের ওই রঙিন মায়ায় সত্যই সব ধোঁয়া।

শ্রেণীকক্ষ কি কেবল ইঁট-কাঠ-পাথরের ঘর?
সেথায় গড়ে উঠে প্রাণ, কাটায় আপন-পর।
মাঠের কোলাহল, শিক্ষকের স্নেহ, বন্ধুর সাথে আড়ি—
এই তো জীবন, এই তো শিক্ষা, এর কি তুলনা ছাড়ি?

প্রয়োজনে দাও ভর্তুকি ঢেলে, বাঁচাও দেশের প্রাণ,
শ্রেণীকক্ষে ফেরাও আগে শিক্ষার কলতান।
প্রযুক্তির ওই শৃঙ্খলে আজ পিষ্ট শৈশব,
ভবিষ্যৎ যদি পঙ্গু হয়, কীসের তবে বৈভব?

জেগে ওঠো মন্ত্রী, শোনো জননী-জনকের আর্তি,
মোবাইল নয়, পাঠশালা হোক জ্ঞানের প্রকৃত ফুর্তি।
ধ্বংসের পথে ঠেলে দিও না আগামীর এই কুঁড়ি,
শ্রেণীকক্ষেই ফিরুক প্রাণ, কাটুক শঙ্কার ঘুড়ি।
------------------------------------------------------------------ 

Books & Literature


০৮-০৪-২০২৬

মুকুটহীন সম্রাট: খালেদ খুররম

 মুকুটহীন সম্রাট: খালেদ খুররম

কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা
রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর
------------------------------------------
শোনো রে কাপাসিয়াবাসী, শোনো কান পেতে শোনো,
এই মাটিতেই জন্মেছিল বীর, দেখেনি যা আগে কোনো।
সাহসী সে সূর্য সন্তান, যার তেজে তিমির হতো লয়,
খালেদ খুররম নামটির মাঝে মিশে ছিল চির বিজয়।

রাজকীয় সেই চলন-বলন, ছোটখাটো কিন্তু দীপ্ত,
বক্তৃতার ওই মঞ্চে তিনি ছিলেন অদম্য ও ক্ষিপ্র।
জেগে উঠত সুপ্ত প্রাণ তাঁর অমীয় বজ্রনিনাদে,
মুক্তিকামী জনতা যার মুক্তি-মন্ত্র মনে সাধে।

অনলবর্ষী বক্তা তিনি, রণাঙ্গনের মহান কারিগর,
জাতীয় পতাকার রক্তবিন্দু, রাজনীতির এক অনন্য স্বর।
আপসহীন সে বিপ্লবী চেতনা, শিক্ষিত ও মার্জিত প্রাণ,
গভীর শ্রদ্ধায় গেয়ে যায় আজ সারা বাংলা তাঁরই গান।

মুকুটহীন সেই সম্রাট আজ নেই আমাদের পাশে,
তবুও তাঁর অমর আদর্শ প্রতিটি হদয়ে ভাসে।
হে আল্লাহ, কবুল করো এই মৃত্যুঞ্জয়ী বীরের প্রাণ,
জান্নাতের সর্বোচ্চ মাকামে তার হোক চির অবস্থান।
-----------------------------------------------------------


০৮-০৪-২০২৬

বন্ধন ওয়েলফেয়ারের ডাক

 বন্ধন ওয়েলফেয়ারের ডাক

কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা
রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর
*******************************************
শুনো হে তরুণ, ভবিষ্যতের সন্তান— শোনো ওই ডাক,
অশুভের পথ ছেড়ে দিয়ে আজ আলোর পথে তাকাও।
তোমাদের তরে চেয়ে আছে জাতি, চেয়ে আছে বিশ্বভূমি,
সু-শিক্ষার ওই আলোক বন্দরে আজ কেন নেই তুমি?

মদ, গাঁজা আর ইয়াবা-আফিম, মাদককে বলো 'না',
ভ্রান্ত নেশার মরণ-ফাঁদে পা যেন কভু দিও না।
মোবাইল আড্ডা, বাইকের নেশা— ভুলে যাও সব আজ,
জীবনের জয়-পতাকা তোলো, করো আগামীর কাজ।

আলী আজগর ভূঁইয়া আর সফিকুর রহমান মোল্লা,
জীবনের যুদ্ধে কাণ্ডারী হয়ে ধরেছেন তাঁরা হাল্লা।
আদর্শ শিখনে গড়ো হে জীবন, আঁধারকে করো দূর,
তোমাদের হাতেই বাজবে আজ বিজয়ের নতুন সুর।

ভয় নেই ওরে, স্কুল-মাদ্রাসা ও কলেজের যত প্রাণ,
সুবিধা-বঞ্চিত ছাত্র-ছাত্রী— গাওরে আশার গান।
আলো-আঁধারের সাথী হয়ে আছে 'বন্ধন' ফাউন্ডেশন,
তোমরাই হবে স্বাধীন বাংলার আগামীর জ্যোতি-মন।

শুনো হে শুনো ওই ডাকিছে 'বন্ধন ওয়েলফেয়ার',
একসাথে চলো, দূর করি যত সমাজের অন্ধকার।
------------------------------------------------------

আমি জনতার পক্ষে এসেছি

 আমি জনতার পক্ষে এসেছি

কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা
রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর
**************************************
আমি এসেছি জবাব নিতে, আমি এসেছি জনতার তরে,
রক্তচক্ষু দেখাস না মোরে, দাঁড়িয়েছি তোর দুয়ারে!
শুনি শোষিতের আর্তনাদ, দেখি বেকারের দীর্ঘশ্বাস,
তোর গদি কি তবে কেবলই মিথ্যে আশার ইতিহাস?

কেন বন্ধ কলকারখানা? কেন মজুর কাঁদে পথে?
কেন কোটি যুবকের স্বপ্ন পিষছিস তোর রথে?
অন্নহীন, বস্ত্রহীন—শিক্ষিত আজ দিশাহারা,
জবাব দে ওরে শাসক, কেন তারা অঝোর ধারা?

তুই বলেছিলি মুক্তি দিবি, আনবি সবার সমান অধিকার,
ক্ষমতা পেয়ে ভুলে গেলি সেই শপথের অঙ্গীকার?
যে জনতা তোকে মাথায় তুলেছে, আজ তাদেরই বুকে হাহাকার,
পারবি না যদি মুক্তি দিতে, তবে ছাড় গদি, ছাড় গদি—তোর দিন শেষ এবার!

আমি নজরুলের বাঁশি নিয়ে এসেছি, এনেছি বজ্রকণ্ঠস্বর,
অন্যায়ের সাথে আপস করি না, ভাঙবই তোর বালুচর।
আমি জনতার প্রতিনিধি, আমি শোষিতের আগ্নেয়গিরি,
হিসাব দিতেই হবে তোকে—তবেই আমি ঘরে ফিরি!
---------------------------------------------------------


০৬-০৪-২০২৬

ওরে রক্তলোভী হায়েনা

 ওরে রক্তলোভী হায়েনা

কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা
রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর
*********************************************
ওরে ওরে ভণ্ড শাসকের দল! ওরে রক্তলোভী হায়েনা!
স্বাধীনতার নাম জপিস মুখে— কাজে তোর তোল্লায় চলে না!
তোর গদিতে লেগে আজ শোষিতের ঘাম আর রক্ত,
ভুলে গেছিস কি? এই জনতাই গড়েছিল যে তখত!

তোর কপালে উন্নয়নের তিলক, আর পেটে দুর্ণীতির ক্ষুধা,
তোর সিন্ডিকেটের বিষে নীল আজ বাঙালির অমৃত-সুধা।
অন্ন নেই, বস্ত্র নেই, মাথার ওপরে ভাঙা চাল,
তোর চাটুকারেরা গাইছে জয়গান, ধরছে মিথ্যার পাল!
কোটি কোটি বেকার যুবক আজ অভিশাপে নিমজ্জিত,
তোর পাচার করা অর্থে বিদেশের মাটি আজ রঞ্জিত!

বল তো দেখি— কোথায় মুক্তি? কোথায় স্বাধীনতা?
বাক-স্বাধীনতা তো আজ বন্দি তোর জেলের শিকলে গাঁথা!
ভিনমতের কণ্ঠ রুদ্ধ করিস ভয়ের রাজত্ব গড়ে,
তোর স্বৈরতন্ত্রের সিংহাসন কি তাসের ঘরের মতো নড়ে?
গণতন্ত্রকে করেছিস তুই অন্ধকারের দাসী,
জনতার পেটে খিল দিয়ে আজ শোনাস স্বাধীনতার হাসি!

আমি বিপ্লবী! আমি ধুমকেতু! আমি অন্যায়ের কালনাগিনী!
আজ শব্দে শব্দে জাগাবো আমি বিদ্রোহী রণ-রাগিণী!
তোর রাজনীতির রোষানলে পুড়ছে মিল-কলকারখানা,
ক্ষুধার্ত মানুষের আর্তনাদ তোর কানে কি আজো যায় না?
জবাব তোকে দিতেই হবে— কেন আজ এই হাহাকার?
কেন দ্রব্যমূল্যের আগুনে পুড়ছে সাধারণের সংসার?

ওরে অত্যাচারী! সাবধান হ! আসছে প্রলয়-দিন,
শোষিতের পদাঘাতে চূর্ণ হবে তোর ওই পাপের রঙিন ঋণ!
আমি উপড়াবো তোর শোষণের মূল, ভাঙবো দম্ভের খুঁটি,
জনতার রক্তে কেনা স্বাধীনতা— তোকে নিতে দেব না লুটি!
বিপ্লব জাগুক ঘরে ঘরে, জাগুক শব্দের বজ্রকঠিন ঝড়,
তোর স্বৈরতন্ত্রের চিতা জ্বলবে আজ— ওরে শাসক স্বার্থপর!
--------------------------------------------------------------


০৬-০৪-২০২৬

তুমি তো ভাস্বর চির-ভাস্বর,হে তাজঊদ্দিন

 তুমি তো ভাস্বর চির-ভাস্বর,হে তাজঊদ্দিন

কলমে মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা
রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর।
---------------------------------------------------------
অকৃজ্ঞতার মেঘে আজ ঢেকেছে যে রবি,
সে রবি তুমিই—মুক্তির এক জীবন্ত ছবি!
অরুণ প্রাতের মশাল যে হাতে জ্বলেছিল মহীয়ান,
কাপাসিয়ার সেই মরণ-জয়ী তুমি যে দীপ্ত প্রাণ।

যখন কাণ্ডারীহীন তরী দোলে ওই প্রলয়-সিন্ধু নীরে,
তুমিই সেদিন ধরেছিলে হাল নির্ভয় অটল হুঙ্কারে!!
পিতার অর্পিত দায় নিয়ে বুকে, বীরত্বের জয়গান—
তুমি গড়েছিলে বাংলাদেশের ওই লাল-সবুজের শান।

হে মহান কর্মী! হে বীর সেনানী! হে মৌন সাধক!
তুমিই ছিলে যে রণ-উন্মাদ মুক্তি-পথের আলোক।
বিভেদ-বিষের দংশনে আজ ভুলুক সে নাম লোকে,
তুমি তো ভাস্বর চির-ভাস্বর প্রতি বাঙালির চোখে।

তুমি বিনাতন্ত্রে তুলেছিলে সুর স্বাধীনতার তরে,
আজও তো তোমার ত্যাগ-মহিমা বাংলার ঘরে ঘরে।
মৃত্যুঞ্জয়ী তুমি তাজউদ্দীন—অমর জ্যোতিশিখা,
ইতিহাসের ওই ললাটে তোমার রক্ত-অক্ষর লিখা।

ওরা ভেবেছে বুঝি স্তব্ধ হবে তোমার অমর বাণী?
রক্তের প্রতিটি ফোঁটা যে আজ মুক্তির কাহিনী!
ঘাতকের তলোয়ার ভেঙে গেছে তোমার নামের ভারে,
তুমি বেঁচে আছো প্রতিটি ভোরে, বিজয়ের জোয়ারে।

ওরা ভুলে যাক, নাম মুছে দিক ক্ষমতার মদমত্তে—
তুমি তো বেঁচে আছ মানুষের ভালোবাসার ধ্রুব সত্যে।
তাজউদ্দীন! তুমি বাংলার ধ্রুবতারা, অমর দীপশিখা—
মুক্তির প্রতিটি অক্ষরে তোমারই নাম যে লিখা।

তাজউদ্দীন! তুমি মরেও অমর, তুমি যে মহাপ্রাণ,
শৃঙ্খলভাঙা বাঙালির বুকে তুমিই অভয় গান।
------------------------------------------------------


০২-০৪-২০২৬

ওরে কে আছো?

 ওরে কে আছো?

কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা
রাওনাট, কাপাসিয়া,গাজীপুর
*************************************
ওরে কে আছো? এসো হে আজ সৎ ও যোগ্য হয়ে,
বরণ করে নেবো তোমায় পরিষদ কার্যালয়ে!
হতে যদি চাও চেয়ারম্যান, হও গো নির্লোভ—
আমি হবো তোমার সারথী, উন্নয়নেরই উৎসব।

ওরে কে আছো? এসো হে আজ ভোটের আয়োজনে,
দূর্গাপুরের জনতা দিবে ভোট— ইউনিয়ন নির্বাচনে।
আমি বিপ্লবী, আমি প্রতিবাদী, আমি জালিমের হুঙ্কার—
রুখে দেবো তোমায় যদি কাড়ো জনতার অধিকার।

ওরে কে আছো? চিনবে কি আজ লাঞ্ছিত-বঞ্চিত জনতা?
পরিষদে এসো তুমি নিয়ে বিপুল বীরত্ব আর ক্ষমতা।
আমি আছি, আমি থাকবো পাশেই অনড়—
জনতাকে বলবো তুমিই সৎ, তুমিই যোগ্য বড়।

তুমি কোন্ দলের, কোন্ মতের— সেটা নয় আরাধনা,
তুমি জনতার আপন কিনা— সেটাই আমার সাধনা।
-----------------------------------------------------------


০২-০৪-২০২৬

হান্নান শাহ স্মরণে

  কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর। *********************************** ওরে ও কাপাসিয়ার মাটি , জাগো রে আজ জ...