বৃহস্পতিবার, এপ্রিল ১৬, ২০২৬

বিপ্লবী ভেঙেছে শপথ

 বিপ্লবী ভেঙেছে শপথ

কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা
রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর
-------------------------------------
শপথ ভেঙেছে বিপ্লবী আজ, ধিক্ রে ধিক্কার!
সাম্যের নামে এনেছে ফিরায়ে নব্য অন্ধকার।
কথা ছিল ভাই ভাঙবি কারার লৌহকপাট যত,
আজ দেখি তোর মবতন্ত্রে মানবতা শুধু ক্ষত!

বৈষম্যহীন সমাজ গড়বি— এ কি তবে পরিহাস?
অরাজকতার বিষবাষ্পে গুমরে মরছে শ্বাস।
ইতিহাস আজ বিকৃত তোর দম্ভের হুঙ্কারে,
দেশদ্রোহীদের দোসর হয়েছিস ক্ষমতার আঁধারে।

বিপ্লব মানে অরাজকতা? বিপ্লব মানে লুঠ?
জনতার রায়ে বিষ ঢেলে আজ লোলুপতা করিস মুঠ!
যাদের তাড়ালি, তাদেরই মতন রক্তে মাখালি হাত,
মীরজাফরি মুখোশ পরে আনলি কালনাগিনী রাত।

নতুন দস্তাবেজ চাসনি তোরা, চেয়েছিস গদি-ভোগ,
বিপ্লবীদের রক্তে মাখালি স্বার্থের মহামড়ক!
রক্তিম সেই লাল-সবুজের পবিত্র সম্মান—
লুটে নিলি তোরা ভণ্ড বেশে গেয়ে মরণগান।

এজেন্ডা কার মাথায় বহিস? ওরে বিশ্বাসঘাতক,
রাষ্ট্রের সাথে মুনাফেকিতে তুই-ই শ্রেষ্ঠ পাতক!
জাগো হে জনতা, রুখো এইবার নব্য স্বৈরাচার,
শপথ ভাঙা ওই কপটরে আজ করো রে ছারখার।

শুভঙ্করের ফাঁকি টুটে আজ সত্য আসুক ফিরে,
বিপ্লব হোক শোষিত প্রাণের ন্যায়ের জয়জিরে।
-------------------------------------------------------- 

কথা সাহিত্য


১৬-০৪-২০২৬

হে নেতা, তোমাকেই বলছি

 হে নেতা, তোমাকেই বলছি

কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা
রাওনাট,কাপাসিয়া , গাজীপুর
*****************************
হে নেতা, তোমাকেই বলছি!
একবার বলো— আজ আমি কেন কারারুদ্ধ?
কেন আমার পরিবার অনাহারে দগ্ধ?
কেন আমার নুন আনতে পান্তা ফুরায় প্রতিদিন?
আমিতো ছিলাম তোমার মিছিলের অগ্রসেনানী,
তোমার জয়ধ্বনিতে মুখরিত ছিল আমার আকাশ-জমিন।
তোমাকে নেতা মেনে বুনেছিলাম সোনালি স্বপ্নের জাল,
ভেবেছিলাম, তোমার হাতেই ফিরবে দেশের হাল।

কিন্তু বলো তো, তুমি কী দিয়েছ এই জাতিকে?
তুমি তো কেবল নিয়েছ আর শুধু নিয়েছই!
জাতির অর্থভাণ্ডার লুটে গড়েছ তোমার সাম্রাজ্য,
বিদেশে পাচার করেছ শ্রমিকের ঘাম আর মেহনতি অর্থ।
তোমার সন্তানরা বিদেশে পড়ে, বিলাসিতায় দিন কাটায়—
কখনো কি দেখেছি তাদের রাজপথের মিছিলে?
না, তুমি কেবল আমাকেই ডেকেছ মরণফাঁদে,
বুলেটের সামনে বুক পেতে দিতে শিখিয়েছ আমাকেই।

আমি রক্ত দিয়েছি, জেল খেটেছি, থেকেছি অর্ধাহারে,
একটি দিনও কি তুমি এসে দাঁড়িয়েছ আমার দ্বারে?
আজ তুমি ক্ষমতার মসনদে, হয়েছ মন্ত্রী-এমপি—
গদিতে বসেই ভুলে গেছ সেই পুরনো সাথীকে!
আমার ঘাম ঝরানো ট্যাক্সের টাকায় আজ তোমার বাহাদুরি,
দেশপ্রেম আর সততা— সব আজ তোমার কাছে অলীক জাদুকরি।

তুমি আজ শুধুই দুর্নীতিবাজ, লুটেরা আর স্বৈরাচার,
মববাদী, জল্লাদ আর ফ্যাসিবাদের এক মূর্ত অবতার।
তোমাকে দেখলেই আজ মনে জাগে ঘৃণা আর ত্রাস,
তুমি যে ইতিহাস বিকৃতিকারী, নব্য মীরজাফর একরাশ!
ধিক্কার জানাই তোমায়, শতবার ধিক্কার!
হে নেতা, আজ স্পষ্ট শুনে রাখো—
আজ হতে তুমি আর নও আমার নেতা, নেই কোনো অধিকার!
----------------------------------------------------


আমি চাই

 আমি চাই

কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা
রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর
-----------------------------------------------------
ওরে তোরা শুন, আমি আজ কহি শোষিতের আর্তনাদ,
আমি ভাঙতে এসেছি ওই জালিমের যত মিথ্যা অহ্লাদ।
আমি মুক্তি চাই, আমি অধিকার চাই, চাই প্রাণের দাবি,
আমি মুক্ত স্বাধীন বাতাসে বাঁচিতে হাতে নিয়েছি চাবি।

আমি কবি, আমি কলম-শমসের, আমি বঞ্চিতের রণ-তূর্য,
আমি জনতা-সমুদ্রের কল্লোল, আমি সত্যের প্রদীপ্ত সূর্য।
আমি শোনাবো তাদের কথা—যাদের পিঠ ঠেকে গেছে দেয়ালে,
আমি হুঙ্কার ছাড়ি তখত-তাউস আর শাসকের খেয়ালে।

মাথা নত করি না আমি কোনো সে দেশদ্রোহী পিশাচের দ্বারে,
আমি চাই অন্ন-বস্ত্রের নিশ্চয়তা প্রতি ঘরে ঘরে।
আমি চাই শিক্ষা, চাই চিকিৎসা, চাই বাসস্থানের ঠাঁই,
আমি চাটুকার নই, ক্ষমতার লোভে দেশ বেচে দিতে নাই।

ওরে স্বৈরাচার! তোদের রক্তচক্ষু আমায় কি আর ডরায়?
আমি ঝঞ্ঝা-তুফান, আমি চলি প্রলয়-বীণার সুরের ধারায়।
বল কেন আজ হাহাকার? কেন কোটি যুবক কর্মহীন?
কেন মিল-কারখানা নিঝুম? কেন দেশটা আজ শ্রীহীন?

কেন পাচার হয় কোটি কোটি টাকা বিদেশের নীল সিন্দুকে?
কেন শিক্ষা আজ পঙ্গু শৃঙ্খলে? কেন হাহাকার সব মুখে?
উগ্রবাদের বিষ আজ কেন সমাজকে করেছে কলুষিত?
কেন বাঙালির শুদ্ধ সংস্কৃতি আজ অশুভের হাতে লঞ্ছিত?

ইতিহাস নিঙড়ে যারা বানায় মিথ্যার রঙমহল,
তোর মহাউৎসব থামাবি কি আজ? জেগেছে ছাত্র-জনতা-দল।
এমন বাংলাদেশ আমি চাইনি, এ তো নয় রক্তের সেই ঋণ,
আমি চাই সেই সাম্যের দেশ, যেখানে ঘুচবে তিমির রাত-দিন।

আমি চাই মুক্তির বাংলাদেশ, মুক্তিযুদ্ধের সেই তেজ,
যেখানে মীরজাফরদের কোনো চিহ্ন রবে না, রবে না কোনো রেশ।
যেখানে দল-মত নির্বিশেষে সবাই গাইবে একই সুর—
"আমার সোনার বাংলা, আমি তোমায় ভালোবাসি বহুদূর।"

শোষণমুক্ত, মানবিক এক বাংলার শপথ নিলাম আজি,
আমি নজরুলের বাঁশরী আর রন-শিঙায় হতে এসেছি বাজি।
-------------------------------------------------------------------- 

কবিতার বই


১৬-০৪-২০২৬

বজ্রশপথ

 বজ্রশপথ

কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা
রাওনাট, কাপাসিয়া,গাজীপুর
****************************************
রক্তে আমার টগবগ করে বিদ্রোহী রণ-ভেরী,
জেগে ওঠ্ ওরে সুপ্ত জনতা, করিস না আর দেরি!
ইতিহাস চিবায় শকুনের দল, সত্যরে করে গ্রাস,
বীর-গাথা মুছে লিখতে চাইছে কাপুরুষের ইতিহাস!
নায়কেরে আজ খলনায়কের সাজায় যে মীরজাফর—
তাদের কপালে লিখে দে আজ চরম দণ্ড-খর।

যে বজ্রস্বরে গর্জে উঠেছিল সাড়ে সাত কোটি প্রাণ,
সেই শ্লোগানেই আকাশ কাঁপিয়ে গাহিব মুক্তির গান।
তোর ক্ষমতার মসনদ আজ কাঁপছে রে থরথর,
বাঙালির বুকে অমর যে নাম, সে নাম অবিনশ্বর!
ইতিহাস কভু মুছে না রে শঠ, রক্তের অক্ষরে লেখা,
আঁধার চিরে আসবেই ফের রক্ত-সূর্য দেখা।

ভুলিনি আমরা সেই বজ্রকণ্ঠ, ভুলিনি সেই ডাক,
প্রতারক দল নিপাত যাক, জঞ্জাল সব পুড়ে খাক!
আবার জ্বালা রে মুক্তির মশাল, আবার ধর রে হাতিয়ার,
বিপ্লব আজ সমাগত ঐ— ভাঙতে লৌহ-দ্বার।
জেগেছে বাঙালি, জেগেছে আবার দুর্জয় সেই বল,
তোদের বিনাশ আসন্ন আজ, ওরে শোষকের দল!

সত্য এসেছে দৃপ্ত চরণে, মিথ্যা হবেই লয়,
এ পুণ্য মাটিতে বীর বাঙালির নিশ্চিত হবেই জয়!
-----------------------------------------------------------------


১৬-০৪-২০২৬

তুমি ভুলে গেলেও

 তুমি ভুলে গেলেও

কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা
রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর
************************************************
যাকে সূর্য মেনে আলো নিয়েছিলে তৃপ্ত দিবস হরষে,
যার শুভ্রতা মেখেছিলে তুমি তিমির রাত্রি পরশে।
যে সূর্য কাশফুলের শুভ্রতা বিলায় সমীরণে দোলে দোলে,
যার তেজে নিজেকে গড়েছিলে স্বাধীন মুক্ত এই নিখিলে।

সেই সূর্যকেই আজ ভুলে গেলে? যখন পুষ্পের ডানা মেলল হাসি,
সুখের উত্তালে আজ আলোকেই আর আলো বলে বাসো না বেশি।
যখন শক্তি আর স্বাধীনতা পেলে, চিনে নিলে মুক্তির পথ,
তখন কি তবে ফুরিয়ে গেল সেই সূর্যের আবশ্যকতা আর শপথ?

ভুলে যেও না—সেই তেজে পাহাড়ও একদিন নত হয়েছিল মস্তক,
সমুদ্রের জল শুকিয়েছিল, বাতাস হয়েছিল তপ্ত ও নিস্তব্ধ।
ঝরনাও থমকে গিয়েছিল যার প্রখর রুদ্র তেজে,
পাখিরা জীবনযুদ্ধে নেমেছিল যার রাঙা আলোক সেজে।

আমাদের স্বাধীনতার উৎসে সেই সূর্যেরই তো অবদান শ্রেষ্ঠ,
সে-ই শক্তি, সে-ই প্রেরণা, সে-ই অমরত্বের ইশতেহার জ্যৈষ্ঠ।
সে তো এই লাল-সবুজের অমর স্থপতি, অবিনাশী এক নাম,
তুমি ভুলে গেলেও ইতিহাস জানাবে তারে চিরকাল বিনম্র সালাম।

এই লাল-সবুজের মাটি তারে ভুলবে না, ভুলবে না কোনোদিন,
সূর্য ছাড়া এই আকাশ, এই মাটি—সবই আঁধার, সবই তো মূল্যহীন।
-----------------------------------------------------------------------


১৫-০৪-২০২৬

আমিই শিকলে বন্দি আজ

 আমিই শিকলে বন্দি আজ

কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা
রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর
********************************************
অবাক পৃথিবী! অবাক এদেশ! সবখানে হাহাকার,
যেদিকে তাকাই— শুধু ক্ষমতার দম্ভের কারাগার।
ওরে তুই তো পেয়েছিস মসনদ, গদির রাজকীয় সুখ,
আর আমি পেয়েছি অনাহার, আর অবমাননার মুখ।

আমিই শিকলে বন্দি আজ, নিজ বাসভূমে পর,
আমার কণ্ঠ রুদ্ধ করেছিস, ভেঙেছিস মোর ঘর।
মুক্ত চেতনা অবরুদ্ধ আজ— এ কেমন পরাধীনতা?
কলম কেড়ে নিলেই কি থেমে যায় কলিজার সব কথা?

কেন পথ আটকাস? কেন দিস মিথ্যা মামলার হুলিয়া?
ইতিহাস তোকে ক্ষমা করবে না, দেখবে চোখ বুজিয়া—
কীভাবে তুই কেড়েছিস মোর নাগরিক অধিকার,
কীভাবে করেছিস গণতন্ত্রের পবিত্র নাম সংহার।

আমি মুক্তি যুদ্ধের ধারক, আমার রক্তে লাল-সবুজ,
আমার হাতেই গড়ব দেশ, হব না আর তো অবুঝ।
গুম আর খুনের বিচার চাই, চাই আইনের প্রতিকার,
ভয় দেখিয়ে রুখবি আমায়? ভেঙে দেব সব অন্ধকার!

তোর মসনদ থাক তোরই কাছে, আমি সাম্য চাই,
মানুষ হিসেবে মানুষের মতো বাঁচার অধিকার পাই।
সুকান্তর সেই দাবির মতো— এ বিশ্বকে বাসযোগ্য করবই,
শিকল ভাঙার গান গেয়ে আজ রাজপথে আমি লড়বই!
------------------------------------------------------------------ 

গল্প লেখার কর্মশালা


১৫-০৪-২০২৬

জনতার বিদ্রোহী বাঁশরি

 জনতার বিদ্রোহী বাঁশরি

কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা
রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর
***************************
বল্ বীর, বল্ উন্নত মম শির!
শৃঙ্খল ভাঙার গর্জনে কাঁপুক ওই অত্যাচারীর নীড়।
ওরে ও ভণ্ড শাসক, ওরে ও মীরজাফরের বংশধর,
শুনে রাখ—আসছে প্লাবন, কাঁপছে তোর তখত্-তাজ থরথর!

রুধবি কার কণ্ঠ? এ যে লক্ষ প্রাণের অবিনাশী শিখা,
রক্ত দিয়ে লিখেছি আমরা স্বাধীনতার অমর মহালিখা।
যে হাতে ধরেছি লাঙ্গল-কোদাল, সে হাতেই জ্বলবে মশাল,
জুলুমের দুর্গ গুঁড়িয়ে দিতে জনতা আজ মহাকাল!

তুই তো জানিস না রে শোষক, এ জাতির ধমনীতে কী আছে,
এখানে মুক্তি-পাগল প্রাণ হারে না কভু যুদ্ধোর কাছে।
জনতার বিদ্রোহী বাঁশরি আর ওই মৃত্যঞ্জয়ী বজ্র হুঙ্কার—
এক হয়ে আজ হানবে আঘাত, চূর্ণ হবে তোর অহঙ্কার!

সাবধান! ওই শ্মশানে জ্বলছে তোর অবিচারের চিতা,
বিপ্লবের তূর্য বাজে, জাগছে আমার লাঞ্ছিত মা ও পিতা।
জনতার হিস্যা বুঝে নিতে ওই ধেয়ে আসছে ঝড়-তুফান,
তোর মসনদ ধুলোয় লুটাবে, গাইবে সবাই সাম্যের গান।

পালাবি কোথায়? চারদিকে আজ প্রতিরোধের অজেয় প্রাচীর,
রক্তচক্ষু দেখাস যারে, সে যে মৃত্যুঞ্জয়ী—মুক্ত বীর!
আসছে আসছে মহাবিপ্লব, ভাঙছে কারাগার, টুটিছে খিল,
একই সাথে জ্বলে উঠুক আজ কোটি কোটি বাঙালির দিল!
-------------------------------------------------------------------


১৫-০৪-২০২৬

তুমি কি শুনেছো হে শাসক

 তুমি কি শুনেছো হে শাসক

কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা
রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর
****************************************************
শুনেছো কি তুমি হে উদ্ধত শাসক, অগণিত কারারোদন?
সিংহাসনের মোহে অন্ধ তুমি, দেখনি কি রাজপথের প্লাবন?
হিংসার বিষে নীল আজ তব রাজদণ্ড ও শাসনের হাত,
নিরপরাধ নজোয়ানের রক্তে রাঙালে তুমি এ আঁধার রাত।

মিথ্যা মামলার নাগপাশে বাঁধিলে কত যে মুক্ত প্রাণ,
জানি না কি তুমি— শিকল ভাঙাই নবীনদের আসল গান?
ভিন মত আজ গলিত লাভা, আর আদর্শ যেন আগ্নেয়গিরি,
ডান্ডাবেড়ি দিয়ে রোধিতে চাও? শোনো ওরে ও ভন্ড-ছিরি!

বিচারের বাণী আজ নিভৃতে কাঁদে, বিচারক আজ কাঠের পুতুল,
মবতন্ত্রের তান্ডবে আজ গণতন্ত্র যে পথ ভুল।
জানি জামিন মেলে না, শুনানি হয় না— এ কোন স্বাধীনতা?
স্বৈরতন্ত্রের চাবুকে আজ বন্দি হয়েছে মানুষের মানবতা।

মানবতার মঞ্চে আজ দাউদাউ করে জ্বলছে আগুন,
আপন স্বার্থে মেতেছো তুমি— হে স্বার্থপর, হে নির্গুণ!
ক্ষমতার ডোরে বেঁধেছো মাটিরে, ভেবেছো কি তুমি চিরস্থায়ী?
ইতিহাস তোমায় ক্ষমা করিবে না— ওরে রে অনাচারী দায়ী।

যদি ন্যায়ের বিচার না দাও আজিকে, শোনো তবে দিয়ে কান—
তোমার তরেই রচিত হতেছে এই কারাগারের লোহার শান।
অত্যাচারীর দিন শেষ হবে, নামিবে তুমিও ধূলা-মাটিতে,
বন্দী হবে তুমিও একদিন— তোমারই গড়া এই নিগড়-কাঠিতে!
--------------------------------------------------------------------------------------


১৫-০৪-২০২৬

হান্নান শাহ স্মরণে

  কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর। *********************************** ওরে ও কাপাসিয়ার মাটি , জাগো রে আজ জ...