ওগো মা, তুমি জান্নাতী সুধা
বুধবার, মে ১৩, ২০২৬
ওগো মা, তুমি জান্নাতী সুধা
মা এক অতুল্য সত্ত্বা
মা এক অতুল্য সত্ত্বা
তৌহিদেরই রণভেরী
তৌহিদেরই রণভেরী
ঘুভুদিয়ার খাল
ঘুভুদিয়ার খাল
তুমি আমায় বঞ্চিত করলে
তুমি আমায় বঞ্চিত করলে
তুমিহীন এই নিঝুম অন্ধকারে
তুমিহীন এই নিঝুম অন্ধকারে
মঙ্গলবার, মে ১২, ২০২৬
রক্ষক আজ ভক্ষক
রক্ষক আজ ভক্ষক
কলমেঃ
মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা
রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর
*******************************************
জাগো রে
জাগো!
রক্ত-তৃষাতুর কাল-ভৈরব জাগো!
সেবক
সেজেছে
শোষক
আজ—
মুখে
মুখোশ,
অন্তরে
লাজ।
সোনার
বাংলা
জ্বলে
পুড়ে
ছাই,
কোথা
বিচার?
বিচার
যে
নাই!
রক্ষক
আজ
ভক্ষক
হয়ে
গিলছে
দেশটাকে,
নিরীহ
জনতা
রক্ত
দিচ্ছে
শোষকের
ঐ চাকে।
দুর্নীতি!
সবখানে
আজ
দুর্নীতিরই প্রীতি।
অফিস-আদালত, পাড়ায় পাড়ায়—
সুদ
আর
ঘুস
আজ
প্রতিটি অধ্যায়!
প্রকল্পের নামে
লুটপাট
চলে,
বাজেট
সবই
ভুঁয়া—
জনতার
চোখে
ছিটিয়ে
দিচ্ছে
স্বার্থের কালো
ধোঁয়া।
ভাউচার
সব
মিথ্যে
সাজানো,
বিলের
নামে
তস্করি—
জনতার
পেটে
লাথি
মেরে
আজ
বাড়ায়
ভুঁড়ির
ভুঁড়ি!
বিচারহীনতা—
জাতির
অঙ্গে
লেগেছে
আজ
পচনের
দীনতা।
ক্ষমতার দম্ভে
অন্ধ
শাসক,
সেবক
নামে
তোমরা
আজ
পৈশাচিক নাশক!
স্বেচ্ছাচারিতা!
শোষণ-নির্যাতন—
প্রতিবাদ করলেই
নামে
খড়গ,
বাড়ে
ভোগান্তি-রণ।
ভোক্তভোগী আজ
মৃত্যু
প্রহর
গুনে,
ফাঁসির
মঞ্চে
দাঁড়িয়ে কি
সে
মুক্তির বাণী
শুনে?
হে শাসক!
জাগো
তুমি
জাগো—
জনতার
অধিকার
ফিরিয়ে
দিতে
মাগো!
ক্ষমতার ঐ সিংহাসন
ভেঙে
করো
খানখান,
বিপ্লবী সুরে
গাও
আজ
সাম্যের জয়গান।
আর
কতকাল
সইবে
এ জাতি এই শোষণের
জ্বালা?
ভেঙে
ফেলো
আজ
দুর্নীতির ঐ লোহার জিঞ্জির-তালা!
-----------------------------------------------
বৃহস্পতিবার, মে ০৭, ২০২৬
আমি জনতার কবি
আমি জনতার কবি
কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লারাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর।
-----------------------------------------
আমি জনতার কবি, কণ্ঠে আমার বজ্রের হুঙ্কার,
দুঃশাসনের তখত কাঁপাতে সঁপেছি এ জীবনবার।
অন্যায়ের সাথে আপোষহীন আমি এক বিদ্রোহী সত্তা,
শোষিতের তরে গর্জে উঠি, ছিঁড়ি শৃঙ্খল ও অবজ্ঞা।
আমি পিশাচের বিভীষিকা, আমি শোষকের যমদূত,
আমার কলমে বারুদ জ্বলে, আমি বিপ্লবের দূত।
মৌনতা ভেঙে রুখে দাঁড়াই যখন মানবতা কাঁদে,
শৃঙ্খল ভাঙার গান গাই আমি মুক্ত আকাশ ফাঁদে।
মিথ্যাচারের কালো আঁধারে আমি ধ্রুবতারা একাকী,
অত্যাচারের দুর্গ ভাঙতে আমিই ঝঞ্ঝা ও বৈশাখী।
হকের কথা বলতে আমায় কাঁপাতে পারবে না কেউ,
আমি উত্তাল সাগরের সেই অবাধ্য বিদ্রোহী ঢেউ।
জনতার চোখে স্বপ্ন বুনি, মিছিলে হই সেনানী,
মস্তক অবনত করি না কোনো শাসনের কাছে জানি।
যেখানে আঁধার, যেখানে অন্যায়, সেখানে আমার বাস—
বিদ্রোহী কবির বজ্রশপথে হোক সব গ্লানির বিনাশ।
-------------------------------------------------------
বিদীর্ণ মানবতা
বিদীর্ণ মানবতা
কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা
রাওনাট, কাপাসিয়া,গাজীপুর
*****************************************
স্তব্ধ আকাশ, নির্বাক আজ ধরিত্রীমাতার কোল,
মানুষের বেশে রক্তপিপাসু পশুদের কলরোল!
আশরাফুল মাখলুকাত? ছিঃ! এ যে নরকের কীট,
লজ্জায় নত মস্তক আজ, ভেঙেছে সম্মানের ভিত।
গর্ভবতী সেই জননী, যার পেটে আগামীর ভ্রূণ,
তার দেহ ছিঁড়ে উল্লাসে মাতে কামার্ত শকুন!
যে নারীর আঁচল ছায়া দেয়, যে নারী গর্ভধারিণী,
সেই শরীরের রক্তে ভিজলো হিংস্র দানব-কাহিনী।
একটি নয়, দুটি প্রাণ নিল নরপশুদের থাবা,
পৈশাচিকতায় পুড়ে ছাই হলো মায়া ও মমত্বা-আভা।
গর্ভের শিশু টেনে বের করে নিভিয়ে দিল তার শ্বাস,
ওরা কি পুরুষ? না কি জীবন্ত বিষাক্ত এক লাশ?
চারপাশে ভিড়, হাতে মোবাইল, সেলফি তোলার ধুম,
মানুষের বিবেক মরেছে কবে, চোখে নেই কারো ঘুম।
অর্ধনগ্ন লাশের পাশে চলে ভিডিও করার খেলা,
মানবতা আজ ডাস্টবিনে মরে, এ যে ঘোর অবহেলা!
হে বিচারক, হে শাসকদল, আর কতকাল রবে মৌন?
ধর্ষক যখন দাপিয়ে বেড়ায়, বিচার কি তবে গৌণ?
কলম ধরো, গর্জে ওঠো, রুখে দাঁড়াও আজ সবে—
ফাঁসির দড়িতে ওই জানোয়ারের শেষটা দেখতে হবে।
হে প্রভু! তুমি ওই মা ও শিশুর পরপারে দিও ঠাঁই,
আর এ জমিনে পিশাচমুক্ত কঠোর বিচার চাই।
একটিই দাবি, একটিই সুর, স্তব্ধ হোক সব গ্লানি—
পিশাচের তরে শুধুই মৃত্যু, ফাঁসি, ফাঁসি আর ফাঁসি!
--------------------------------------------------
২৭-০৪-২০২৬
অবুঝের মত (গান)
অবুঝের মত (গান) কবি মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা স্থানঃ রাওনাট - কাপাসিয়া - গাজীপুর তারিখঃ ২১ - ১১ - ২০২৪ ইং ********************...
-
কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর ************************************* ওরে ও পাতি - নেতার দল ! চামচা - বেষ্...
-
কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর ***************************************** হারাম লুটেছ ? গড়েছ প্রাসাদ ? করেছ ...
-
কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা রাওনাট, কাপাসিয়া,গাজীপুর *************************************** কভু মনে মনে বলিও না আর — " ...
