সোমবার, জুলাই ১১, ২০২২

কলঙ্ক রেখা

 

এতো তারা তবু ধরায় আলো নেই !

সে তারার চোখ নেই ভেবে নাহি পাই

যে চাঁদ জাগালো সাগরে জোয়ার

সে চাঁদের আলো নেই নিরন্তর !

যে কূলে কূলে ভাঙ্গা গড়ার খেলা

সে কি বিধাতার নির্মম অবহেলা ?

নাকি মাবনবতার ফুলে কলঙ্ক রেখা !

আজ এই প্রশ্ন সভ্যতার চিত্রে আঁকা।

ওই মানবতা ছুঁল না হৃদয়ে আসি !

হিংসে বিদ্বেষ মোহ দিতেছে ফাঁসি।

 

যখন প্রয়োজন

 

শুনাতে এসেছি আমি বিজয়ের গান !

করতে এসেছি আমি বিরহের অবসান।

তোমাদের অন্তরে যে ব্যাথা লুকায়ে রয়

যে দুঃখের দুঃখে তোমাদের পরিচয়

যে বঞ্চিতের দহনে এতো ব্যাকুলতা !

ভাঙতে এসেছি সেইসব নিষ্ঠুর প্রথা।

অন্তরে বাজে শুধু তোমাদের প্রতিধ্বনি !

বিজয় কেতন তুলতে এসেছি ধরণী।

আমি যুদ্ধের দূর্গে  সৈনিক একজন

ডাক দিও, ডাক দিও সাথী যখন প্রয়োজন।

র্দুভোগ

 

সন্ত্রাসীদের আস্তানা

বাংলা নয় ঠিকানা !

ঘুষ খোর চাঁদাবাজ

নগ্ন ওরা ঘৃণ্য আজ !

নিমুখ হারাম নাই লাজ

বেহায়া দুর্ণিনীতিবাজ ।

বেঈমান যত টেন্ডারবাজ

লুটে পুটে যায় কাজ।

পাতি ছাতি কত নেতা

নর্দমায় ব্যাঙের ছাতা

হরেক পেশায় রাজনীতি

ধর্মে কর্মে নাই নীতি !

জোড় যার মুল্লুক তার

র্দুভোগ দেশ জনতার।

রবিবার, জুলাই ১০, ২০২২

ক্ষুদ্র আমি-তুচ্ছ নই

 

ক্ষুদ্র আমি-তুচ্ছ নই !

বিদ্রোহী আমি গর্জে কই।

এ বাংলায় নাই’রে ঠাঁই

দুর্ণিনীতিবাজ যেথায় পাই

গর্জে ওঠি আমি ভাই।

চাই না দেখি মাদক নেশা

দেশটা সবের প্রভাত উষা

তুলরে শ্লোগান পথ-ঘাট

কে আবার মাদক সম্রাট ?

রাখবো না আর স্বৈরাচার

রুখবো এবার অত্যাচার।

দেশটা আমার দেশটা সবের

গড়বো মিলে বলরে এবার।

আমি কন্ঠ মিলাব

 

আমি কণ্ঠ মিলাব নব নব গানে

আমি শিল্পি হব জনতার উত্তাল শ্লোগানে

কে আছো হাত তুল আমারই আহ্বানে ?

দুর্ণিনীতি উৎখাত করবই জনতার প্লাবনে

আসন্ন বসন্তে ফুল ফুটাবো নবীণ বরণে

কোকিলের গান শুনাবো সুমধুর তানে।

তুল হে তুল জয়ধ্বনি

মুক্তি যুদ্ধের মর্মবাণী

জয় বাংলা এখনি।

আমি কন্ঠ মিলাব লক্ষ শহীদের রক্তে

আমি বিজয় কেতন উড়াবো অসীম রিক্তে !!

লক্ষ শহীদের রক্ত

 

যদিও নগণ্য আমি,

আজিকায় চাটুকার সমাজে !

তবুও এই উদ্দাম ভ্রমণে

এক বিজয়ের কলধ্বনি বাজে।

যদিও বিদীর্ণ্ আজ উর্বর মাটি

তবুও দেখছি ফসলের আনাগোনা

 যে শিকড়ে  লক্ষ শহীদের রক্ত

 যে বুকে  মুক্তি যুদ্ধের চেতনা

সে অন্তরে যে প্রেম অঙ্কুরিত

সে তো না নোয়াবার মাথা—

সে তো লাল-সবুজের শিকড় !

সে তো বঞ্চিত জনতার ছাতা।

 

যদি ডাকো আমাকে

 

আমি দুর্বার- আমি উদ্দাম প্রাণ

বঞ্চিতের সহযোদ্ধা-চালাই মেশিনগান

আমি সমর সৈনিক !

আমি বিজয় কেতন তুলি চারিদিক।

আমি মানবতার অঙ্কুরিত বীজ

আমি অবহেলিত মানুষের স্বপ্নের খনিজ।

আমি ছুটে যাই জনতার ডাকে

অযূত স্বপ্ন বুঁনে আছি তোমাদের ঘিরে

যদি ডাকো আমাকে—

ওদেরকে ভেঙে চূড়মার করে দিবো

এই সমাজে--

তোমরা কি আছো আমার এই কাজে ?

নতুন সভ্যতা

 

এই স্বাধীন জন্মভূমির বুক চিরে

আমি ফলাব সোনার ফসল ।

আমি হাসাব কৃষাণ কৃষাণী জেলে

তাঁতী কুমার কামার ফুলে-ফলে

এই মাটির গর্ভে আজ আমি

তোমাদের স্বপ্নের পতাকা

দেখেছি আসন্ন বিজয়ে-

আমার প্রতিজ্ঞা শুনেছ কি ?

এই মাটিতে জন্ম দেব আমি

দুর্ণিনীতি মুক্ত নতুন সভ্যতা।

 

 

সূর্য সহচরী

 

আমি এসেছি ফুটাতে বাগানে ফুল

গড়তে এসেছি ভাঙা নদীর কূল !

আমি নেতা হতে আসিনি নশ্বর

সেবক হতে এসেছি হে ঈশ্বর !

বুকে টেনে নিতে চেয়েছি নিরন্তর

এই জগতের  যত আপন- পর

এখনো  যে পৃথিবী কাঁদে বিস্তর !

খুলে দাও হে প্রভূ মোর অন্তর ।

জ্বলে দাও হে রাত্রির পাঞ্জেরী

আমাকে করো হে সূর্য্-সহচরী !!

-

অমানবিক উৎসব

 

মানবতার আড়ালে অমানবিক গর্জ্ন !

চৌদিকে  ছদ্মবেশীদের মহা আয়োজন।

ফ্যাস্টুন ব্যানার পোষ্টারে সংকল্প জানায়

মানবিক সেবক তিনি দৃপ্ত অভিপ্রায় !

অথচ  আড়ালে অমানবিক যুদ্ধ ঘোষণা

যে যুদ্ধ জনতার- সেখানে মুক্তি হাতে গোনা !

এক বিষ্ময়কর অভিনয়ে সেবকের পতাকা !

জনতার মুক্তি রেখা রক্তে রক্তে আঁকা।

নেতৃত্বের আড়ালে অমানবিক সন্তান প্রসব

মানবিক চিৎকার ,অথচ অমানবিক উৎসব।

 

তোমাকে সংবর্ধনা হে গুণীজন

  কলমেঃ মোহাম্মদ আমিনুল এহছান মোল্লা রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর। ***************************************** তোমাকে সংবর্ধনা হে গুণীজন...