ঐক্যই শক্তি
বুধবার, নভেম্বর ১২, ২০২৫
ঐক্যই শক্তি
সত্যিকার নেতা
সোমবার, নভেম্বর ১০, ২০২৫
হযরত মুহাম্মদ (সাঃ)
হযরত মুহাম্মদ (সাঃ)
কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা
রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর
***************************************
তোমায় পাঠালাম মানবপথে
আলো হয়ে ভাসো সৃষ্টির বুকে,
অন্ধকারে ডুবা দুনিয়া আজ
জাগুক তোমার নামের সুখে।
আমি বলি, “হে প্রিয় নবী,
তুমি আমার রহমত কবি,”
তোমার মুখে ফুটুক আমার কালাম নিরবধি।
দীর্ঘ যুগের শুষ্ক ধরা
জল পাবে তোমার আঁখি-ছোঁয়ায়,
পাষাণহৃদয় গলবে সেথা
দয়া মিশে তব মধুর বাণায়।
আমি দেখি—তোমার দৃষ্টি,
মানবতায় অনুপ্রবিষ্টি,
আমার করুণা তোমার শ্বাসে মিশে রয়।
তোমার চরণে রেখেছি আমি
সত্যের দিশা, ন্যায়ের আলোক,
তোমার বুকে জ্বালিয়েছি আমি
প্রেমের অমৃত, স্নেহের লোক।
বলেছি আমি, “তুমি যাও,
মানব-মনে আলো ছড়াও,”
আমার বাণী তোমার বুকে করুক অনুরণন।
রাত্রি যতই ঘন হোক প্রিয়,
তোমার নূরেই ভোরের দিশা,
তুমি যে আমার প্রেরিত রহম,
সৃষ্টির মাঝে দয়া-নিশা।
জগতে যারা তোমার পথে,
চলবে নেকের আলোকরথে,
আমি তাদের রাখব তব দোয়ায় অনুক্ষণ।
প্রকৃতির প্রতিটি স্রোতে
তুমি পৌঁছে দাও আমার বাণী,
শুষ্ক মরুভূমি, নদী, বাতাসে
সকলেই হোক আমার রহমত শাণী।
হৃদয় যারা খুঁজে আমার প্রেম,
তোমার চরণে তারা পাবে ত্রিম্ময় দান,
আমি দেখব তাদের আনন্দে, শান্তিতে সমান।
তোমার মুখে বলি আমি, “প্রিয়,
সত্যের পথে চলা মানুশরা,”
নিষ্ঠার চিহ্ন তোমার চরণে
আলোর পথ দেখায় ধীরে ধীরে।
আমি রাখব তোমাকে আকাশে ও ভূমিতে,
আমার রহমত তোমার ছায়ায় মিলে,
সত্য ও ন্যায়ের পথে যারা, তাদের পথকে দীপ্ত করি।
তুমি যে আমার প্রেরিত বাতিঘর,
মানবতার অন্তরে আলো জ্বালো,
ভালোবাসা, দয়া, ন্যায় ও শান্তি
সকলের হৃদয়ে তুমি ছড়ালো।
আমি বলি, “হে প্রিয় নবী,
তুমি চলো পথের প্রদীপ হয়ে,”
মানবতার পথে তুমি চিরকাল আলোকিত হও।
------------------------------------------------------
১০-১১-২০২৫
ইল্লিনের আলো
ইল্লিনের আলো
কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা
রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর
***************************************
উচ্চতম আসমান ইল্লিন, নেককারের ঠিকানা,
রুহের শান্তি, আলোর দীপ উজ্জ্বল প্রভাতানা।
যেখানে নেকী লেখা, আমল সংরক্ষিত চিরকাল,
আল্লাহর নৈকট্য, প্রিয় রূহের মধুর মালা।
প্রার্থনা, তওবা, সদকা, নেক কর্মের আলো,
ইল্লিনে মিলিত হয়, হৃদয়ে ভরে আলো।
পাপের ছায়া দূর হয়, সত্যের আলো প্রবাহে,
রুহের উচ্চতম শান্তি, চিরন্তন অনুগ্রহে।
নবী (সা:) বলেছেন, “নেককর্মের স্বর্গীয় স্থান এখানে,
ইল্লিনে লেখা, আল্লাহর প্রিয় ও আশীর্বাদপদ্মা।”
যে চায় হৃদয়ে, দিনে রাতে ধ্যান,
তার নেক আমল, তার দুঃখমুক্ত প্রাণ।
ইল্লিনের আলো ছায়ার মাঝে বিরাজ করে,
আল্লাহর অমিয় অনুগ্রহ, হৃদয় শুদ্ধি জাগরে।
সকল নেককার, রুহের প্রার্থনা একত্রিত,
ইল্লিনে মিলিত হয়, চিরন্তন আনন্দ সীমাহীনিত।
সত্যের পথে যারা চলে, তাদের জন্য আলোকিত,
প্রিয়তম রূহরা সেখানে, নেকী তাদের ভাস্করিত।
ইল্লিনের আলো শিখায়, ঈমানের মহিমা স্পষ্ট,
চিরন্তন শান্তির বসতি, আল্লাহর পবিত্র বন্ধন অম্লান।
----------------------------------------------
১০-১১-২০২৫
শিক্ষকের চোখে অশ্রু
শিক্ষকের চোখে অশ্রু
কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা
রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর
*********************************
যে গুরু দিয়েছিল জ্ঞানের দীপ,
আজ সে গুরু কেন ক্ষুধায় নিঃশব্দ নীপ?
রোদে-জলে পোড়ে, চোখে রক্তধারা,
হে রাজা! বলো, এই কি তার কারা?
হে জ্ঞানের সৈনিক, হে জাতির প্রাণ,
তোমার বুকে আজ কেন অপমানের গান?
যে ছাত্রকে গড়েছিলে আলোর মানচিত্র,
সে আজ গুরুর বুকে ফেলে রক্তের চিত্র!
লাঠি, গ্যাস, বুলেট— গুরুর দিকে যায়,
মানবতা কাঁদে, বিবেক থরথরায়,
বইয়ের পাতা ফেলে আজ রক্ত ঝরে,
হে শাসক! জিজ্ঞাসি— এ কেমন ঘোরে?
চকের গন্ধে যে লিখেছিল ভবিষ্যৎ,
আজ তার ঘরে ক্ষুধার নিঃশেষ যুক্ত,
অর্ধহারে সে বাঁচে, চোখে স্বপ্নভঙ্গ,
কেন এই শিক্ষক অপমানে বন্দী সঙ্গ?
ওরে শাসক! শোনো রুদ্রের ডাক,
গুরুর রক্তে জ্বলছে বিপ্লবের ফাঁক,
দাও সম্মান, দাও প্রাপ্য স্থান,
না হলে উঠবে গর্জন— “গুরুই মহিমান!”
রক্তে লেখা হবে শিক্ষা-দেবীর শপথ,
অবহেলায় নয়— আজ মরবে অন্য রথ!
শিক্ষক যদি জাগে, কাঁপবে সিংহাসন,
আলোয় ভাসবে জনতার মনন!
দাও প্রমোশন, দাও প্রাপ্য গ্রেড,
দাও জীবনের প্রণোদনা, ন্যায়ের মেধ,
বিশ্বের তালে শিক্ষক হাঁকুক গর্বে,
"আমিই জাতি গড়ি!" — উচ্চারণ হোক সবে!
আর নয় অবমাননা, আর নয় ক্ষুধা,
শিক্ষকের চোখে আজ জ্বলে আগুন-চিঠি লেখা!
অশ্রু নয় — তা লাল বিপ্লবের রঙ,
জ্বালাও মশাল! ছিন্ন করো বঞ্চনার বন্ধ!
শিক্ষকই আলোর রথী, জাতির শির,
তাঁর অশ্রুতে ডুবে যাক অন্ধ অধীর,
আজ প্রতিটি কণ্ঠে উঠুক এক সুর—
“গুরুর মর্যাদা চাই, চাই এখনই— পুরপুর!”
------------------------------------
১০-১১-২০২৫
রবিবার, নভেম্বর ০৯, ২০২৫
যন্ত্রনাহীন মৃত্যু
যন্ত্রনাহীন মৃত্যু
যে মুমিন ইখলাসে বাঁচে, নফসের জিহাদে পূর্ণ,
তার মৃত্যু হয় রুহুল-আমিনে, শান্তির পরিপূর্ণ।
ফেরেস্তা আসে তাকে, মুখে হাসি, হৃদয়ে নূর,
জান্নাতের কূলে পৌঁছে, শান্তি দান করে দোর।
কোন যন্ত্রণা নেই তার, রুহ ওঠে সুবাসে,
মৃন্ময় দেহ হাসে তবু, শান্ত ঘুমের আশে।
নবী বলেছেন একদিন, “শাহাদাতের মওত”,
ফুলের মতো নরম তার, নয় কোনো ক্ষত।
হে প্রশান্ত প্রাণ, ফিরে আয় তোমার রবের দিকে,
রাযি আমি তোমাতে, তুমিও সুখে আমার দিকে।
সেই রুহ নেয় ফেরেস্তা, মিসক ও কাফুরে,
সুগন্ধ ছড়ায় জান্নাতে, সিদরাতুল মুনতাহায় নূরে।
নয় কষ্ট, নয় তড়প, নয় নিঃশ্বাস ভার,
তাসবিহের সুরে চলে রুহ, ফেরেস্তার বাহার।
যারা ঈমান আনে, সৎ কাজ করে, হয় মওত মুবারক,
মৃত্যুর বেদনাহীন হয়, চোখে নেমে নূর।
যে মৃত্যুর আগে করে তাওবা নাসুহা,
আল্লাহ দেন তাকে, “আফওয়ান”, মাগফিরার রুহা।
ফেরেস্তারা বলে, “সালামুন আলাইকম”,
তোমরা প্রবেশ করো জান্নাতে, সুখের আলোয় ভাস।
এ মৃত্যু নয় মৃত্যু, এ তো রাহমাতুল্লাহ,
যে আত্মা চলে যায়, পায় জান্নাতুল-ফিরদাউসের ছায়া।
কোন যন্ত্রণা নেই — নবীর আশ্বাসের মতো,
মুমিনের মৃত্যু, আল্লাহর কাছে বিশেষ আভাস।
রাতের অন্ধকারে, যখন ঘুম আসে নরম,
মুমিনের আত্মা চলে যায়, আলোর পথে সবরম।
ফেরেস্তারা পথ দেখায়, ইমান ও দোয়ার আলোয়,
প্রশান্তি মিশে যায়, সকল দুঃখ ভুলে যাওয়।
মৃত্যুহীন মৃত্যু, যেন জান্নাতের সকাল,
শান্তি আর রহমত মিশে যায় রুহের মলয়কাল।
হৃদয়ে থাকে কেবল ভালোবাসা, আল্লাহর নূরে,
প্রশান্ত আত্মা পৌঁছে, পায় চির শান্তির ছায়া ভুরে।
নিশ্চয়, মুমিনের মৃত্যু হয় আনন্দময় দিন,
যেখানে কষ্ট, যন্ত্রণা, নয় কোনো ক্ষিন।
ফেরেস্তারা তাকে নেবে, মিসক ও সিদরের পথ,
রুহের শান্তি পূর্ণ হবে, আল্লাহর অশেষ রহমতের সত্য।
এ যন্ত্রনাহীন মৃত্যু, আধ্যাত্মিক এক অভিজ্ঞান,
যে প্রাণ যাইবে শান্তিতে, পাবে আল্লাহর জান্নাতান।
প্রেম, স্নেহ, শান্তি মিশে যায়, চিরন্তন নূরে,
মুমিনের মৃত্যু হয় বিজয়, নয় কোনো যন্ত্রণার ছায়ে।
-------------------------------------
০৯-১১-২০২৫
ফুলসিরাত
ফুলসিরাত
কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা
রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর
***************************************
ফুলসিরাত সে পথ, আল্লাহর হেদায়াত ভরা,
পদে পদে জ্বলে ইমান, ভেঙে দেয় পাপের ছায়া সরা।
সদকা, সালাত, রোজা, হজ্জ ভরে অন্তর,
নেকীর নূর ছড়ায়, পথিক পায় মুক্তির ধর।
হৃদয় জাগে ধৈর্যের আলোতে, ইমানের স্পর্শে,
যাকাতের স্রোত বইয়ে দুঃখী পায় সুখের খোঁজে।
শিয়াম, জিকিরে পূর্ণ হয় অন্তরের রহমত,
প্রতি ধাপে আল্লাহর করুণা ভরে অমল ধারা।
শয়তান ফাঁদ ফেলে, ভ্রান্তি ছড়ায় পথে,
কোরআনের বাণী রাখে দৃঢ় বিশ্বাস জীবনে।
নেকীর পদচারণা মুক্তির ধারা বহায়,
আল্লাহর করুণা অন্তরে শান্তি ছড়ায়।
হজ্জের তীর্থে চলা, কাবার ছায়ায় নিশ্বাস,
নেকীর প্রতিটি কাজ দেয় অন্তরকে প্রশ্বাস।
ফুলসিরাত মানে জীবনকে সরল রাখে সত্য পথে,
আল্লাহর নির্দেশে ভরে অন্তরে শান্তি নিরালা।
ফুলসিরাত শেখায় সতর্কতা, পাপের ছায়া দূরে,
নেকীর সঙ্গে মিলিত হয় রাহমত আল্লাহর ভরে।
ধৈর্যশীল পথিক পায় মুক্তি, জান্নাতের নূর,
প্রতি ধাপে রহমত আসে অন্তরে দীপ্তি।
শিয়াম, জিকির, সদকা, নেকীর প্রতিটি কাজ,
প্রতি ধাপে আল্লাহর করুণা ভরে অন্তরের রাজারাজ।
শয়তানের ফাঁদ ভাঙে ধৈর্যশীল পথিক,
ফুলসিরাতের আলোয় পায় মুক্তির দিক।
ফুলসিরাত মানে আত্মার চেতনা, দুনিয়ার বাঁধা ছাড়া,
নেকীর ধারা জ্বলে, কোরআনের নির্দেশে ভরা।
প্রতি পদে সতর্কতা, পাপের অন্ধকার দূর হয়,
পথিক পায় মুক্তি, জান্নাতের ছায়া ভরা।
হৃদয় ভরে যায় ইমান, ধৈর্য ও সৎকর্মে,
শিয়াম, জিকিরে আল্লাহর করুণা ভরে আত্মার ঘর।
ফুলসিরাতের পথিক ধৈর্যশীল ও সত্যপ্রিয়,
প্রতি ধাপে আল্লাহর সাহায্য অন্তরে ছায়া ছড়ায়।
নেকীর ধারা সরল, হেদায়াত ভরা পথে,
শয়তান বিভ্রান্তি ছড়ায় অন্ধকারে ভেঙে।
ফুলসিরাত মানে জীবনকে আলোকিত করা,
প্রতি ধাপে রহমত আসে অন্তরে সুধা ধারা।
রাহে সরল, কোরআনের আলো, নবীর আদেশ সঠিক,
ধৈর্য, সদকা, নেকীর পথে পায় পথিক সুখ।
শিয়াম, জিকির, হজ্জ, ফিতরা অন্তরে ভরে,
প্রতি ধাপে আল্লাহর নূর ছড়ায় অমল ভরে।
-----------------------------------------------------
০৯-১১-২০২৫
হাশরের ময়দান
হাশরের ময়দান
কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা
রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর
***********************************
ইসরাফিল বাজায় সুর, কম্পে দুনিয়া থরথর,
সব রূহ নিঃশেষ হয়, স্তব্ধ নিস্তব্ধ ঘর।
আবার সুরে প্রাণ ফিরে, কাঁপে দেহ দিশাহারা,
হাশরের সেই ময়দানে, জমে সব ধরা।
সূর্য নিকটে আসে জ্বলে, আগুন তার শিখা,
মানুষ তখন তপ্ত বুকে, হারায় সব দীক্ষা।
ভয়ে শুকায় জিহ্বা তৃষ্ণায়, কাঁপে দেহ মন,
হায়! সেই দিনের ভয়, বর্ণনাতীত ক্ষণ।
আসমান ছিঁড়ে পড়ে নিচে, কবর উগরে দেয়,
জেগে ওঠে প্রতিজন প্রাণ, আমল হাতে নেয়।
কেউ ডান হাতে নূর পায়, মুখে হাসি খেলে,
কেউ বা বামে অন্ধকারে, জাহান্নামের ফাঁদে মেলে।
খুলে পড়ে আমলনামা, চমকে ওঠে প্রাণ,
বলে মানুষ—“হায় রাব্বি! সবই তো ছিল জ্ঞান!”
মিজানুল আমলে তখন, ওজন হয় কাজ,
ন্যায়ের পাল্লা হেলে পড়ে, আল্লাহ দেন লাজ।
আরশে আজীমে ধ্বনি উঠে—“আজ রাজত্ব কার?”
উত্তর আসে—“আল্লাহ এক, রাজা আপার!”
সিরাতুল মুস্তাকীম সেতু, তলোয়ারের ধার,
বিশ্বাসীরা পার হয় নূরে, কাফের পড়ে পার।
হাওযে কাওসারে নবী দেন, সুশীতল পানীয়,
যে পান করে একবার, হয় না তার তৃষ্ণীয়।
জান্নাতে নূরের বাগান, নদী বইছে ধীর,
জাহান্নামে আগুন ধোঁয়া, চিত্কার ভয়ে গহীর।
শেষে রাহমান ডেকে বলেন—“হে মুমিন আত্মা ফের,
আমার রহমতের ছায়ায়, করো সুখের ভোর।”
আশা রাখো, ওহে মানুষ, তওবা করো আজ,
হাশরের ময়দানে যেন, হয় না লজ্জার সাজ।
------------------------------------------------------
০৯-১১-২০২৫
Zen G অতীত ভুলে যাচ্ছে
Zen G অতীত ভুলে যাচ্ছে
কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা
রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর
********************************************
শুনো হে শুনো হে জাতি, সময়ের ঘুমন্ত গান,
Zen G আজ ভুলে বসে, অতীতের সম্মান।
বীরের রক্ত, শহীদের হাহাকার —
সব ইতিহাস আজ ধোঁয়ায় হারায়, মোবাইলের পর্দার পার।
যে মাটিতে রক্ত ঝরেছিল, সেই মাটি আজ নিরব,
যে কণ্ঠে ছিল স্বাধীনতার ডাক, আজ সে কণ্ঠ বেহাল সুরের রব।
লাল-সবুজ পতাকা আজও উড়ে গর্বে,
কিন্তু Zen G চেনে না কে দিয়েছিল প্রাণ, কে গিয়েছিল যুদ্ধে।
ভাষার জন্য রক্ত ঝরেছে, ওরা জানে না ভাষার মানে,
২১শে ফেব্রুয়ারি কেবল ছুটি, উৎসব নয় প্রাণের টানে।
স্বাধীনতা দিবস আসে যায়, সাজে শুধু রঙিন পোস্ট,
বিজয় দিবস মানে আজ কেবল ফেসবুকের এক "হ্যাশট্যাগ পোস্ট"।
গণতন্ত্র, ভোটাধিকার — শব্দগুলো শুনে হাসে,
ইতিহাসের বইতে ঘুমিয়ে পড়ে, জ্ঞানের আলো নিভে আসে।
স্বৈরতন্ত্র, বীরত্ব, মুক্তির জয়গান —
সব আজ ওদের কাছে পুরোনো রূপকথা, হারানো সন্ধান।
কেউ শেখায়নি তাদের কাদের রক্তে এ দেশ জেগেছিল প্রাণে,
কেউ বলেনি কে মীরজাফর, কে ছুরি চালায় বিশ্বাসের টানে।
রাজনীতিবিদেরা ভুলে গেছে শিক্ষা, ইতিহাসবিদেরা নিঃশব্দ,
তাই আজ Zen G ছুটে চলে অন্ধপথে, অন্ধকারে দৃঢ় পদ।
দেশপ্রেম আজ ম্লান হয়ে গেছে, মাদক আর লোভে ঢেকে,
চাঁদাবাজি, টেন্ডার যুদ্ধ, নৈতিকতা গেছে মরে কবে থেকে।
স্কুল ফেলে, কলেজ ছেড়ে, হাতে শুধু ফোনের আলো,
ভবঘুরে এক প্রজন্ম জন্ম নিচ্ছে — নেই গন্তব্য, নেই ভালো।
বরণ্যদের মর্যাদা মুছে গেছে, বীরদের নাম নেই ঠোঁটে,
কবি, শিক্ষক, শহীদের কণ্ঠ আজ ডুবে যায় গোপন নোটে।
Zen G ভুলে গেছে মাতৃকার বেদনা, ভুলে গেছে সোনার দেশ,
ভালোবাসার স্থলে বসেছে লোভ, আর স্বার্থের শেষ নেই শেষ।
ওহে জাতি, জাগো আবার, ইতিহাসের জ্বালাও দীপ,
Zen G-কে শেখাও কে আমরা, কেন রক্ত দিয়েছি নিঃশব্দে চুপ।
গৌরব ফিরুক অতীতের, নতুনে জ্বলুক সেই শপথ —
যে শপথে জন্ম নিয়েছিল এক স্বাধীনতা, এক মাতৃভূমির সত্য।
-------------------------------------------------------------------
০৯-১১-২০২৫
জাহানরা আজ কাঁদে
জাহানরা আজ কাঁদে
কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা
রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর
**********************************
জাহানরা আজ কাঁদে, আকাশ আজ নীরব,
মানবতা মরে গেছে— হৃদয় আজ সিরব!
নররূপে ঘুরে বেড়ায় পিশাচ বীভৎস,
নারী আজ বন্দী, স্বাধীনতা ক্ষতবিক্ষত!
পথে ঘাটে, বাসে, লঞ্চে, অফিস আদালতে,
লালসার নখে রক্ত ঝরে প্রতিক্ষণে মাততে!
শিক্ষালয়ে নষ্ট শিক্ষক দাঁড়ায় হায়েনা হয়ে,
মায়ের মুখে শাপ উঠে— “মানুষ কেন মরে যায় না সয়ে!”
নারীর চোখে কান্না, ভয়ে কাঁপে প্রাণ,
যে হাসত একদিন, সে আজ লজ্জার দান।
পথের বাতিতে ঝুলে তার আর্তনাদ,
“বাঁচাও আমায়, ওরে আল্লাহ! কোথায় তোর বাদ?”
অভিযোগ তো ওঠে, হয় তদন্ত রোজ,
তবু বিচার আসে না— লজ্জা যেন লোহ রোজ!
ফাইলের স্তূপে ঢেকে যায় নারী জীবনের কাহন,
লালসার দানব হাসে— “এই তো মানব আইন!”
ওরে সমাজ! তোর চোখে ধুলো কে দিল?
নারীর অশ্রুতে ভিজে তবু বিবেক মরে গেল!
যে নারী তোর জননী, বোন, তোর ঘরের আলো,
তাকে তুই দিলি অপমান, তুই মানুষ ভালো?
ওরে দোষী, তুই কাপুরুষ, তুই অভিশপ্ত দানব,
তোর রক্তে আগুন জ্বলুক, তোর ঘরে হোক রাব্বি রব!
নারীর অশ্রু আগুন হবে, পুড়বে তোর নরক চুলা,
তোর পরিণতি লিখা আছে— বিচার আসছে তুলা!
জাহানরার কান্না আজ জাতির কলঙ্ক,
তার অশ্রুতে ধুয়ে যাক অন্যায়, হোক দণ্ড অমলঙ্ক!
নারী আর নীরব নয়— নারী এখন আগুন,
তাঁর চোখে ঝলসে যাবে, পিশাচ, তোর জীবন রঙিন বাগুন!
গর্জে উঠুক নারী, উঠুক মানবতার দল,
“নারী মানেই মর্যাদা”— এ স্লোগানে জ্বলুক বল!
যে নারী দেয় জীবন, সে অপমান পায় কেন?
জাহানরার কান্নায় আজ— কাঁদে গো বিশ্ব ভুবন!
জাগো হে শাসক! তোর ঘুম আজ পাপ!
নারীর অশ্রুতে জ্বলছে দেশ, মাটি, আকাশ, শাপ!
কেন তুই চুপ? কেন তোর রক্তে বরফ?
জাহানরার চোখে দেখ, আগুনের তরফ!
------------------------------------------------------------------
০৯-১১-২০২৫
অবুঝের মত (গান)
অবুঝের মত (গান) কবি মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা স্থানঃ রাওনাট - কাপাসিয়া - গাজীপুর তারিখঃ ২১ - ১১ - ২০২৪ ইং ********************...
-
কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর ************************************* ওরে ও পাতি - নেতার দল ! চামচা - বেষ্...
-
কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর ***************************************** হারাম লুটেছ ? গড়েছ প্রাসাদ ? করেছ ...
-
কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা রাওনাট, কাপাসিয়া,গাজীপুর *************************************** কভু মনে মনে বলিও না আর — " ...
