বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ২৩, ২০২৫

স্ত্রীর অধিকার

 স্ত্রীর অধিকার

কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা

রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর

****************************


হাকিম আল্লাহ, রহমতুল্লাহ,
স্ত্রীর অধিকার, রাখো ঘরে আল্লাহ।
মেহর ও ইকবাল, প্রেমের সাদাক,
মকান হোক নূরানী, হৃদয় ভরে ইমান।


বিয়ে হলো রহমতের বাঁধন,
স্ত্রীকে দাও সম্মান, দাও হৃদয় মধুর গান।
দেহমহর দাও, হোক ঘরে শান্তির আলো,
ভালবাসার বৃষ্টি, ঝরে হৃদয়ের তালে তাল।


মুহাব্বত ও ইকবাল, থাক সবসময় সাথে,
সহমর্মিতা দাও, হোক সুখের বাতাসে বাতি।
অন্যায় থেকে রক্ষা করো, দাও সদা সহানুভূতি,
স্ত্রীর অধিকার পালন করো, আল্লাহর রহমত হবে সত্যি।


ধৈর্য আর সদাচার, মেহর ও শাফকত,
প্রণয়-বান্ধনে হোক আল্লাহর বরকত।
সদা সহমর্মিতা, হৃদয় ভরে ইকবাল,
জীবন হোক আলো, সুখের পথ হোক মাল।

ভালোবাসার বন্ধনে থাকো সবদা মধুর,
গৃহে হোক শান্তি, হৃদয়ে আল্লাহর নূর।
মুহাব্বত ও দয়া মিশুক হৃদয়ের ধারা,
স্ত্রীর অধিকার পালন কর, হোক জীবন সারা।


হাকিম আল্লাহ, রহমতুল্লাহ,
স্ত্রীর অধিকার, রাখো ঘরে আল্লাহ।
মেহর ও ইকবাল, প্রেমের সাদাক,
মকান হোক নূরানী, হৃদয় ভরে ইমান।

-------------------------------------------

মৃত্যু

 

 মৃত্যু

কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা
রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর
---------------------------------------------- 


আল-মাউত আসিবে একদিন — লুকাইতে পারিবে কে বল?  

কুল্লু নাফসিন জায়িকাতুল — মৃত্যু তাহার কদর ফল! জীবনের সব রঙিন রাহে — ফানাহ্‌র ছায়া রয়, দুনিয়ার রঙ মিথ্যা সুখে — আল্লাহর জিকিরে ভয়।



মালাকুল মাউত আসিবে যখন — নিস্তব্ধ নিশিতে নীরব,  

রূহ টানিবে সে ধীরে ধীরে — মুমিনের মুখে তাহা রব। সালামুন আলাইকুম বলিবে — জান্নাতের দরজায় হুকুম, যে রূহে ছিল ইখলাস নিখালস — তাহারেই রহমত নূরুম।



আল্লাহু, আল্লাহু, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ্‌  

রূহ উড়িবে নূরের ছায়ায়, জান্নাতে হবো রাহ্‌। ইয়া রহমান, ইয়া গফফার, ইয়া মালিকুল মাওত! মৃত্যুর ক্ষণে দাও ঈমান, দাও শান্তির নূর আলোক।

ওহে জালিম, কাফের দুনিয়া — মরবে তুইও একদিন,  

গামারাতুল মাউতের ব্যথা — জানিবি নিশিতে হীন। লৌহী কলমে লিখা রহে — কদরতে মাওলারের হুকুম, আখিরাতে হিশাব দিবি — লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ্‌র দুম।



হায়াত ফানি, দুনিয়া ধোঁকা — মাল-ধন কিছুই নাহি,  

মাউতের পরে কবর-মাঝে — প্রশ্ন করিবে মুনকার নাকির ভাই। রব্বি মান রব্বুক, মান দীনুক — কিসের জবাব দিবি? নবী কে তোর? কোথায় আমল? — ও মুমিন! ভাবিয়া লিখবি।



আখিরাতের সফর লম্বা — জান্নাত বা জাহান্নাম ঠিকান,  

যে আল্লাহর পথে চলিছে — তাহার জন্য রহমত জান্নাত-জামান। ইয়াওমুল হিসাবের ভয় মনে — জিকিরে রত থাক, মৃত্যুর আগে তওবা করো — আল-মাউতের ডাক!



আল্লাহু, আল্লাহু, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ্‌  

রূহ উড়িবে নূরের ছায়ায়, জান্নাতে হবো রাহ্‌। ইয়া রহমান, ইয়া গফফার, ইয়া মালিকুল মাওত! মৃত্যুর ক্ষণে দাও ঈমান, দাও শান্তির নূর আলোক।
---------------------------------------------

মসজিদের আলো

 

মসজিদের আলো

কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা
রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর
**************************************

মসজিদের আলো নূরুন আ’লা নূর,

আল্লাহর ঘর রহমতের হুর।
সিজদায় কাঁদে মুমিন প্রাণ,
রবের দরবারে শান্তির গান।

আল্লাহু আকবর — সালাতের নূর,
রাহে হকেতে বরকত ভরপুর।


মিহরাব-মিম্বারে জিকিরের সুর,

তাসবিহে বাজে প্রেমের নূর।
ওজুতে মুছে গুনাহের দাগ,
রুহে ভেসে যায় প্রেমের আগাগ।

দিল কা সুকুন — মসজিদ কি রাহ,
নূরে ঈমান — ইশকে খোদা কি চাহ।

আল্লাহু আকবর — সালাতের নূর,
রাহে হকেতে বরকত ভরপুর।


এই ঘর নয় রাজনীতির ময়দান,

এ ঘর তাওহিদের, ইমানের গান।
মসজিদে বেচা-কেনা গুনাহ বড়,
এখানে শুধু ইবাদতের ডোর।

মসজিদ আল্লাহর ঘর ভাই,
তাঁর নাম ছাড়া কিছু নাই।


জুতা খুলে ওজু করে ঢোকো,

হৃদয়ে নূর, মনটা শোকো।
হাসি নয়, নয় ব্যস্ত বাণিজ্য,
এ ঘর শান্তির, ইখলাস মজিজ।

আদব সে বেঁঠ, দিল কো কর সাফ,
এটাই ইবাদত, এটাই ইনসাফ।


আল্লাহু আকবর — সালাতের নূর,
রাহে হকেতে বরকত ভরপুর।


মসজিদের মিনার আলোর দীপ,

জান্নাতের পথে রাখে উঁচু নীচ।
যে ভালোবাসে এ ঘর প্রাণে,
আল্লাহ রাখেন জান্নাতের টানে।

মসজিদ দিল-এ মোমেন, খানায়ে নূর,
জিকরে খোদা, সাফায়ে হুজুর।


হে পরওয়ারদেগার, কর দাও তাওফিক,

মসজিদের প্রেমে থাকি সারাবিক।
নূরে ইমান জ্বালো হৃদয়-মাঝে,
চিরজীবন কাটুক নামাজে নামাজে।

আল্লাহু আকবর — সালাতের নূর,
রাহে হকেতে বরকত ভরপুর।

-----------------------------------------------------

বুধবার, অক্টোবর ২২, ২০২৫

পিতা - মাতার অধিকার

 

পিতা - মাতার অধিকার

কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা
রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর
*******************************


ওহে আল্লাহ! তোমার রহমত ভরে থাকুক প্রাণে,
আম্মা বাবা, তোমার হক হোক চিরন্তন মানে।


মা’ফা বলি মা’কে, কষ্টে ভরা চোখে দোয়া,
বাবার বরকত ছাড়া নেই পথ, জানো প্রিয় রাব্বা।
ফিরদৌসের দোয়া’র দিশা তাদের জন্য খোলা,
আমার জীবন হোক তাদের ইহসান রক্ষা করা।


নম্রতা ভরা বাণী, শ্রদ্ধার স্পর্শ হৃদয়ে,
বৃদ্ধা মা, ক্লান্ত বাবা, দয়া করো চিরন্তন পথে।
হুমায়ুন রাহিম! দোয়া করি প্রতিদিন,
পিতা-মাতার জন্য হোক জীবন অমলিন।


আল্লাহু আকবার! দোয়া করি প্রতিদিন,
রব্বি আরহাম হুমা জপে হোক প্রাণের বিন্দু বিন্দু।
উর্দু নামাজ, ফারসি দোস্তি, আরবি জিকিরের আলো,
পিতা-মাতার সম্মান হোক আমার জীবনময় আলো।


কোরআনের আলো, আয়াতের রাহনুমা,
পিতা-মাতার হক পূরণে হোক চিরন্তন অনুসরণ।
বৃদ্ধাবস্থায় যত্ন, শ্রদ্ধা, দয়া প্রদর্শন,
নম্রতা ও কৃতজ্ঞতা হোক জীবনজুড়ে ইহসানের প্রাণ।


আল্লাহু আকবার! দোয়া করি প্রতিদিন,
রব্বি আরহাম হুমা জপে হোক প্রাণের বিন্দু বিন্দু।
উর্দু নামাজ, ফারসি দোস্তি, আরবি জিকিরের আলো,
পিতা-মাতার সম্মান হোক আমার জীবনময় আলো।

-------------------------------------------------

নারীর অধিকার

 

নারীর অধিকার

কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা
রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর
*******************************


নূর-এ-হক থেকে এলো আলো,
জুলমের বন্ধন ভেঙে খোলো;
ওলাকাদ কররমনা বানী আদাম,
বলেছে কোরআনের বাণী,
নারীও মর্যাদার প্রাণী। 



হে বোন, তুই জান্নাতের ফুল,
রব দিয়েছে তোর মুখে নূরের কুল।
আর রিজালু কাওয়ামুন আলান নিসা,
নেতৃত্ব মানে নয় জুলম বা সা;
দায়িত্বে আছে প্রেম ও দয়া,
ইসলামের পথে সবার মায়া। 



তুইও পেতে পারিস হক্কের মিরাস,
লিল রিজালি নাসিবুন, ওয়াল নিসাই নাসিবুন,
বলেছে কোরআনের আভাস।
তোর পরিশ্রম, তোর মেহনত ফল,
রবের দুনিয়ায় তোরই দোল। 



বিবাহে আছে মোওয়াদ্দাহ ও রহমাহ,
মহব্বত ও রহমা — প্রেম ও করুণা।
স্ত্রী নয় দাসী, সে হিফাজতের চাঁদ,
তারই দো‘আয় শান্তি পায় ঘর-বাঁধ। 



খাদিজা, আয়েশা, উম্মে আসমা নাম,
ইমানের পথে দিলো প্রাণ ও সালাম।
মু’মিনাতুন সাদিকাতুন, দীপ্ত বানী,
সত্য নারীর ত্যাগে জ্বলে কোরআনের পানি। 



ইলমের রাহে চল হে বোন,
ইলম ও আদব কি রাহে চল,
জ্ঞান ও শরাফতের তোর মন,
নূর-এ-ইলমে তুই রতন। 



ইন্না আকরামাকুম ইন্দাল্লাহি আতকাকুম,
বলেছে কোরআনের মূল হুকুম;
পরহেজগার যার অন্তরখান,
আল্লাহর কাছে তারই মান। 



না নারী হীন, না পুরুষ মহান,
উভয়ই রবের সৃষ্টি এক জান।
আদল ও ইনসাফে রাখো মন,
ইসলাম শেখায় — ন্যায় প্রেমে জীবন। 


হে আল্লাহ, দাও তুই নূর ও হেদায়াত,

নারী রাখো তুই ইজ্জতের সাথ।
দুনিয়া জুড়ে ছড়াক সুবহান নাম,
নারীর অধিকার — ইসলাম-এর কাম। 

-----------------------------------------------

বারযাখ

 

বারযাখ 

কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা
রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর
************************************

আল্লাহু আল্লাহু... আল্লাহু আল্লাহু...
মৃত দেহে নীরবতা, প্রাণ ফেরে না দেহে,
রুহে ডাক পড়ে — “ইলাহী! ফিরিও আমায় সে পথে!”
নফস কাঁদে আকুতি নিয়ে, তাওবা আর্তনাদে,
কিন্তু ফেরে না জীবন আর — বারযাখে পড়ে সে।


বলে ফেরেশতা দুই — মুনকার আর নাকীর,

“রব্বুকা মান?” — ধ্বনি ওঠে গহ্বরের গহীরে।
“দীনুকা মা?” — বাজে কণ্ঠ আখিরতের দেশে,
“নাবিয়্যুকা মান?” — প্রশ্ন ওঠে আল্লাহর আদেশে।


মুমিন বলে দৃঢ় কণ্ঠে — “রব্বি আল্লাহু!”

নবী আমার — “মুহাম্মাদ ﷺ”,
দীন আমার — “ইসলামু।”
জান্নাতের সুবাস আসে, কবর হয় রওযা,
রহমতের ছায়ায় ঘেরা — নূরের আলো বওয়া।


আর কাফির কাঁপে ত্রাসে — হাসরা ও আফসোসে,

আগুনে জ্বলে গাফিরে বলা ফিরআউনের বেশে।
সকাল-সন্ধ্যায় আগুনে দাহ — আয়াতের ইঙ্গিতে,
“কাল্লা সওফা তা’লামুন” — কোরআনের বাণীতে।


ইবরাহিমের আয়াতে বলে —

আল্লাহ দৃঢ় করেন মুমিন জবান,
কবরের অন্ধকারে জ্বলে — তাওহীদের ইমান।
তুমি যদি তাওবা করো, ইস্তেগফার আনো,
রবের রহমত তখনই — রুহে সান্ত্বনা দান করে জানো।


দুনিয়া মিছে তাকাসুরে মত্ত,

ভুলে যেও না — আখিরাতের সত্য।
জীবন ক্ষণিক, মৃত্যু চিরন্তন,
বারযাখের রাতেই হবে তোমার পরীক্ষণ।


আল্লাহু আল্লাহু... আল্লাহু আল্লাহু...

ইলাহী! রহম কর আমায়...
আল্লাহু আল্লাহু... আল্লাহু আল্লাহু...
কবরের প্রশ্নে রাখো দৃঢ় আমায়...

--------------------------------------------------

নগ্নতার ঢেউ

 নগ্নতার ঢেউ

কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা

রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর

****************************

নগ্নতার ঢেউ বয়ে যায় বুকে ভয়ানক,
অশ্লীলতার ছায়া ঘিরে রেখেছে অমারক।

চোখ বুজি দেখি অনলাইন পাতায়,
অধনগ্ন দৃশ্য ভেসে ওঠে অগণিত প্রাণায়।

মাত নত হয় হৃদয় নীরব নিঃশব্দে,
নৈতিক চরিত্র ঝরে পথে, ভেসে ফেলে ক্ষণিকে।

পরিবারের মাঝে ফেইসবুকের ছায়া,
নির্লজ্জ নগ্নতা গ্রাস করিছে সভ্যতায়।

ম্যাসেঞ্জারে আদান-প্রদান ছবি খোলা,
বিনা বিবাহে চাষাবাদ মেলে যৌন ঢোলা।

তরুণ তরুণী উন্মাদ ন্যাংটা কুকুরের মতো,
বিয়ের আগেই যৌন চাহিদা মেলে খোলা।

প্রেমের নাম চলে রঙ্গ লীলায়,
লজ্জা বিদায় নেয়, নৈতিকতা হয় শূন্য কূলে।

নগ্ন দৃশ্য ভরে চোখ, মন ভয়ানক,
মানব চরিত্র ক্ষয় পায় নিঃশব্দে অচেনা।

শুধু চাহিদা মিটে, সম্পর্ক হয় ভাসা,
অবক্ষয়িত হৃদয় পায় ব্যথার ছায়া।

নগ্নতার ঢেউ যেন নগরে নগরে,
লজ্জার লবণ মুছে দেয় চরিত্রে ভরে।

অশ্লীল সভ্যতা ঘেরায় মানবকে,
ভালো চরিত্র ফিরে আসুক অন্তরে।

পরিবার, বন্ধু, সমাজ—কেউ নয় সচেতন,
সবাই মগ্ন চাহিদার মায়াজালে বেঁধে অমৃতেন।

নিমেষে নিমেষে নব পরিচয়ে,
হ’লে পরিচিত মোদের হৃদয়ে।

শুধু হাতে হাতে পরশন নয়,
অভিশপ্ত নগ্নতা যেন শাসে দেশে।

বিয়ের আগেই যৌন চাষাবাদ, প্রেমের নাম রঙ্গ লীলা,
লজ্জাবোধ বিদায় নেয়, চরিত্র হয় খোলা।

চোখে চোখে হেসে ওঠে ব্যথা,
প্রাণে প্রাণে জাগুক সতীর্থতার আশা।

নগ্নতার ঢেউ দূরে হোক অমায়,
লজ্জার আলো ঝলমল হোক প্রাণায়।

নির্লজ্জ সমাজের ভয়ানক এই দৃশ্য,
বাঁচুক মানব চরিত্র, জাগুক নৈতিক বীণায়।

------------------------------------------------------

গ্রাম্য মাতব্বর

 গ্রাম্য মাতব্বর

কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা

রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর

---------------------------------------------

গ্রামের মাঠে মাতব্বর উড়ায় লাল পতাকা,
চোখরাঙানি, কুটনীতি—খেলে চলে অমঙ্গলকারা।

মিথ্যা অভিযোগে দগ্ধ হয় নিরীহ পাড়া,
নিরপরাধ মুখে ভয়, হৃদয়ে অশ্রুর ধারা।

দারিদ্র্যের বাতাস ঘুরে আসে ঘরে ঘরে,
অপবাদ ছড়ায় কালো ছায়া, ধ্বংস করে শান্তির ভরে।

হিংসার আগুন পোড়ায় বন্ধুত্বের সেতু,
প্রতিহিংসার ছায়ায় জমে অন্ধকার, দগ্ধ হয় সবেতু।

কৃষক, শ্রমিক, ক্ষুদ্র পরিবার,
মাতব্বরের ছলাচলে নিভে আশা, ভাঙে স্বপ্নঘর।

অপমানিত মর্যাদা, ক্ষয় হয় আত্মবিশ্বাস,
নিরীহ প্রাণ পুড়ে ছাই, ফাঁকা থাকে আকাশ।

মহিলা ও শিশু, স্বপ্নময়, নিরপরাধ,
প্রায়ই পড়ে হেনস্থার খাতে, রক্ষা নেই কোনো হাত।

হয়রানি, দমননীতি, প্রতারণা, স্বার্থপরতা,
গ্রামে মানুষের জীবন ভেসে যায় ধ্বংসের নদীপথে।

দলীয় স্বার্থ, পিতৃতান্ত্রিক অহংকার,
ন্যায়ের আলো ম্লান করে, আশা নষ্ট করে বারবার।

আজিকার মাতব্বর? সে কখনও নিরপেক্ষ নয়,
লোভ, পক্ষপাত, আত্মকেন্দ্রিকতা—মানুষকে দেয় নয়।

মিথ্যা প্রতিশ্রুতি, ফাঁকি, অপদস্তকরণ,
নিরীহ জীবনে জমে থাকে ছলাচাতুরি, খোরাকরণ।

সংকট, ভীরু গ্রামবাসী গুরু গর্জায়,
পশ্চাৎ-পথে সন্দেহ জাগে—কোন দিকে যাবে জাতি আজায়?

কাণ্ডারী! তুমি ভুলিবে কি পথ? ত্যজিবে কি ন্যায়-মাঝ?
অবিচার, হানাহানি, লোভ—মাতব্বর টেনে নেয় শাসনের মহাভার-মাঝ।

ফেনাইয়া উঠে বঞ্চিত বুকে অভিমান,
নিরীহ আশা থাকে শুধু ধ্বংসের তলে-মান।

চোখরাঙানি, অহঙ্কার, কুটনীতি, প্রতারণা,
ক্ষমতার লোভ—মানুষ হয় সরঞ্জাম, শুধু ধ্বংসনা।

ফাঁসির মঞ্চে দাঁড়ায় যারা জীবন দিয়েছে প্রমাণে,
অলক্ষ্যে দাঁড়ায় সাধারণ—কেউ দেয় না বলিদান-প্রমাণে।

হে মাতব্বর! দেখো, নদী ভরেছে রক্তে,
শিশু, নারী, মানুষ—তোমার লোভে পুড়ে ফেটে।

মিথ্যা মামলা, হয়রানি, দমননীতি, অপবাদ,
গ্রামের জন নীরব, হৃদয়ে জ্বলে বিদ্রোহের আগুন-বাদ।

অসহায় জাতি ডুবিয়া মরিছে, জানে না কোন তরণ,
কাণ্ডারী! দেখো আজ, মাতৃমুক্তি হোক না তরণ।

হিন্দু বা মুসলিম? জিজ্ঞাসে না কোন জন,
কাণ্ডারী! বল, ডুবিছে মানুষ, সন্তান মোর মার-জন।

কিন্তু গভীরে, ঘরে-বাড়িতে চুপচাপ জ্বলে,
বিদ্রোহের আলো—দিন আসবে, সত্যের ঝড় বয়ে যাবে ঢলে।

-------------------------------------------------------------

মঙ্গলবার, অক্টোবর ২১, ২০২৫

উদিয়মান সূর্য

 উদিয়মান সূর্য

কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা

রাওনাট, কাপাসিয়া,গাজীপুর

**********************************

মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ

ব্যক্তিগত তথ্য

  • পূর্ণ নাম: মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ

  • পিতার নাম: মৃত ইব্রাহিম খান

  • মাতার নাম: মৃত ফিরোজা খাতুন

  • জন্ম তারিখ: এক মে এক হাজার নয়শো বত্রিশ (০১/০৫/১৯৭২)

  • জাতীয় পরিচয়পত্র নং: সাত কোটি পঁচাত্তর লাখ আট হাজার ছয়শ ছয়ষট্টি

  • বর্তমান ও স্থায়ী ঠিকানা: গ্রাম রাউতকোনা, ডাকঘর কাপাসিয়া, ইউনিয়ন কাপাসিয়া, উপজেলা কাপাসিয়া, জেলা গাজীপুর

শিক্ষাগত যোগ্যতা

  • এমএসএস (রাষ্ট্রবিজ্ঞান), ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

  • এলএলবি, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়

  • প্রাথমিক শিক্ষা: রাউতকোনা প্রাইমারি স্কুল

  • মাধ্যমিক শিক্ষা: কাপাসিয়া সরকারি হাই স্কুল, ১৯৮৮

  • উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা: ঢাকা কলেজ, ঢাকা

  • বিশ্ববিদ্যালয় আবাসন: স্যার এ এফ রহমান হল, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

প্রাতিষ্ঠানিক পরিচয়

  • বর্তমান পদ: সহকারী অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান (রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ), মিজানুর রহমান খান মহিলা ডিগ্রী কলেজ, শ্রীপুর পৌরসভা সদর, গাজীপুর

  • সাবেক পদ: ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ, মিজানুর রহমান খান মহিলা ডিগ্রী কলেজ, শ্রীপুর পৌরসভা সদর, গাজীপুর

রাজনৈতিক পরিচয়

  • যুগ্ম মহাসচিব, ভাসানী জনশক্তি পার্টি, কেন্দ্রিয় কমিটি

  • সাবেক মহাসচিব, বাংলাদেশ ডেমোক্র্যাটিক পিপলস পার্টি (বিডিপিপি)

  • সাবেক প্রেসিডিয়াম সদস্য, বাংলাদেশ পিপলস পার্টি (বিপিপি)

  • সাবেক সদস্য সচিব, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী কৃষক দল, গাজীপুর মহানগর সদর মেট্রো থানা

  • সাবেক শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক, কাপাসিয়া ইউনিয়ন বিএনপি

সামাজিক পরিচয়

  • সাবেক সভাপতি, সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন), কাপাসিয়া উপজেলা শাখা

  • সাবেক সভাপতি, কাপাসিয়া উন্নয়ন পরিষদ (কাউপ)

  • সাবেক ছাত্রনেতা, কাপাসিয়া ডিগ্রী কলেজ

  • সাবেক ছাত্রনেতা, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, এফ রহমান হল

  • ফ্যাসিস্ট হাসিনা বিরোধী আন্দোলনে গণতন্ত্র মঞ্চের পরিচিত মুখ

  • ************************************************************************

    উদিয়মান সূর্য

    -----------------------------------------

    উদিয়মান সূর্য,
    কাপাসিয়ার মাটি তোমার ছায়া ভেসে যায়।
    তুমি হেঁটে যাও নীরব পথ ধরে,
    মাটির গন্ধে ভরা সকাল, শিশিরভেজা ধানের মাঠ।

    ছাত্র নেতা তুমি,
    নব প্রজন্মের চোখে তুমি দীপশিখা।
    দক্ষ সংগঠক, নিঃসঙ্গ পরিকল্পনায় অনন্য,
    সমস্যার অন্ধকারে তুমি আলোর পথ দেখাও।

    আলোকিত শিক্ষক,
    ক্লাসরুমের নিঃশব্দ কক্ষে তুমি
    জ্ঞান ছড়াও, ন্যায় ও সত্যের দীপ জ্বালো।
    হৃদয় ভরে জনতার কষ্ট,
    নিরাশ্রয় ও নিঃস্বার্থে ভালোবাসা ছড়াও ছায়ায়।

    প্রতিজ্ঞাবদ্ধ তুমি,
    অটল ন্যায়ের সৈনিক,
    লাল সবুজের চেতনা হৃদয়ে ধারণ করে।
    মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি তোমার চোখে জাগে,
    স্বাধীনতার গান বাতাসে ভেসে যায়।

    নীরব সন্ধ্যার মধ্যে তুমি বসো,
    চুপচাপ চোখে প্রজন্মের আশা আঁকো,
    সমাজ ও দেশের প্রতিটি কোণে তুমি আলোর রেখা।
    অন্ধকার দূরে, সত্যের আলো কাছে,
    উজ্জ্বল হয়ে ওঠে কাপাসিয়ার প্রতিটি গলি।

    উদিয়মান সূর্য, তুমি কৃতি সন্তান,
    তোমার হেঁটে যাওয়া পথ যেন মাটির গভীরে লেখা।
    প্রজন্মের হৃদয়ে জন্মাও আশা,
    মাটির মিশ্রণ, শিশিরের খোঁচা, ঝর্ণার নীরব গান।

    তুমি হেঁটে যাও নীরব,
    কিন্তু প্রত্যেক পদক্ষেপে জাগে আশা।
    ছাত্র, নেতা, শিক্ষক—সবই তোমার সঙ্গে হেসে যায়,
    কাপাসিয়ার প্রিয় সন্তান,
    উদিয়মান সূর্য, চিরন্তন আলো।

  • -----------------------------------------------------------

বিপ্লবের অর্জন

 

বিপ্লবের অর্জন

কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা
রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর
*********************************

হে বিদ্রোহী শিক্ষক! জাগো, জাগো প্রহরী,
তোমার অঙ্গীকারে বাজে সত্যের তীর ধরি।
ক্লাসরুম নয়, এ মহাবিপ্লবের মঞ্চ,
প্রতিটি পদে ফোটে ন্যায়ের অমলঞ্চ।

একতাই অস্ত্র, একতাই তোমার শক্তি,
ভালোবাসার শক্তি ভাঙে না কখনোযাত্রী।
হাতে হাতে বন্ধন, হৃদয়ে হৃদয় শিখা,
অদম্য চেতনা জাগায় শিক্ষার দীক্ষা।

দূষিত শক্তি আসে লাঠি হাতে,
তোমাদের দৃঢ়তায় ভেঙে যায় ব্যাধি রাতে।
ইস্পাত কঠিন হয় বিপ্লবীর বন্ধন,
সত্য-ন্যায় রক্ষা করে জাগ্রত অঙ্গন।

ধরো পথে, করো অটল শপথ,
প্রতিটি প্রতিবন্ধকতা হবে তুচ্ছ কল্প।
বিপ্লবী শিক্ষক! কল্যাণে জেগে জনতা,
একতায় গড়ে নতুন যুগের প্রহরতা।

শিক্ষা নয় শুধু পাঠ, স্বাধীনতার ধ্বজা,
প্রতিটি শিকড় থেকে উঠে সমাজের গর্জা।
বিদ্যাপীঠ নয়, এ বিপ্লবের প্রাণ,
সত্য-ন্যায় দগ্ধ আলোয় জ্বলে মান।

সাধুবাদ হে বিদ্রোহী! তেজস্বী প্রাণ,
তোমার সংগ্রামে জ্বলে সমাজের মহান জান।
যদি সত্য-ন্যায় থাকে চিরন্তন মন্ত্রে,
বিপ্লবের অর্জন হয় অমর, অম্লান তন্ত্রে।

বিক্ষুব্ধ অন্ধকার দূরে হটে,
তোমার আলোর শিখা গগনে ভেসে উঠে।
অশ্রু-রক্ত মিশে হয় এক অমর ইতিহাস,
বিপ্লবী শিক্ষকের তরে জাগে নতুন আশা।

-----------------------------------------------------

জাগো হে রাওনাট স্কুল(গান)

  জাগো হে রাওনাট স্কুল(গান) কলমেঃ মোঃ আমিুনল এহছান মোল্লা রাওনাট, কাপাসিয়া,গাজীপুর ******************************************** এই য...