মঙ্গলবার, নভেম্বর ০৪, ২০২৫

আত্মনির্ভরশীল হও হে নারী

 আত্মনির্ভরশীল হও হে নারী

কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা
রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর
*********************************************

শুনো, শুনো নারী! আর নয় নতশির!
জাগো, জাগো নারী! দাও তোমার অস্তিত্বের গর্জন, হে নারী!
নিজেকে যোগ্য করে গড়ে তুলো, হে কণিকা!
বল নিজেকে—“আমি পারি! আমি পারি!”

বল নিজেকে—“আমি শক্তি! আমি জীবন!”
তুমি নও পরনির্ভরশীল! তুমি নও বন্ধনশীল!
পৃথিবীর অংশ তুমি, কোরআনের কথায়—ধার্মিক হলে সমান প্রতিদান মিলন।
তুমি যোগ্য অংশীদার, তুমি হুকুম দাও!

সামাজিক, রাষ্ট্রীয়, বিশ্বব্যাপী—সবক্ষেত্রে তুমি যোগ্য।
কেন হবে তুমি নির্যাতিত? চোখে অশ্রু ঝরে?
কেন হবে অসহায়? তালাকের পথে ভয় ধীরে ধীরে?
চোখের জল মুছে ফেলো! গর্জে উঠো মহিমায়!

বল নিজেকে—“আমি পারি! আমি পারি!”
যদি তুমি হেরে যাও, হেরে যাবে পরিবার, সন্তান, নারী!
তুমি নীরব নয়! তুমি অধিকার রক্ষক নারী!
তালাক মানেই তুমি নও নিঃশেষ! তুমি নও অবলা!

জিতলে তুমি—জিতবে নারী, জিতবে সন্তান, জিতবে অধিকার!
নিজেকে শিক্ষিত করো! জ্ঞানকে শক্তি দাও!
নিজেকে সমৃদ্ধ করো! নেতৃত্বের ছাপ ছড়াও!
নিজের অর্থ আয় করো! স্বাধীনতা হোক তোমার সাথী!

নিজের জীবন রচনা করো! সাহসের পথচিহ্ন ছড়াও!
ভয়, সীমা, পুরনো বাঁধন—সব ভেঙে ফেলো!
মহিলার লড়াই, শক্তি, নতুন দিগন্ত জ্বালাবে!
নিজের স্বপ্ন বুনো! নিজের আশা আলিঙ্গন করো!

যদি তুমি জাগো, যদি তুমি দাঁড়াও, নতুন ইতিহাস গড়াবে!
শুনো নারী! আর নয় নতশির!
জাগো, লড়ো, দাও নিজের ভবিষ্যৎ নির্মিশ্র!
তুমি পারো! তুমি জিতবে! আলোর রূপ হইবে তুমি!

আত্মনির্ভরশীল হও, হে নারী! সাহসের গভীর স্রূপ দাও!
নিজের পথ রচনা করো, ভয়কে চিরতরে দূরে ফেলো।
নিষ্ঠা, ধৈর্য, সাহস—নিজের অস্ত্র করো সব জ্ঞানেলো।
উত্তরণ তোমার হাতেই, নিজেকে করো বিজয়ী নারী।

আত্মনির্ভর হও, হে নারী, বিশ্বে ছড়াও তোমার শক্তি!
শুনো, শুনো নারী! আর নয় নতশির!
জাগো, জাগো নারী! দাও তোমার অস্তিত্বের গর্জন, হে নারী!
বল নিজেকে—“আমি পারি! আমি পারি!”
--------------------------------------------------


০৪-১১-২০২৫

প্রাণ ঢালা অভিনন্দন

 প্রাণ ঢালা অভিনন্দন

কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা
রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর
*****************************************
প্রাণঢালা অভিনন্দন হে রিয়াজুল হান্নান!
কাপাসিয়ার গৌরব তুমি, বীরের সন্তান!
বিগ্রেডিয়ার হান্নান শাহের রক্ত তোর ধমনী,
ন্যায়ের শপথে জ্বলো—আলোয় ভরো ধরণী!

আজ জনতার মুখে ধ্বনি, ধ্বনি, ধ্বনি—
“ন্যায়ের প্রতীক এসেছেন, এসেছে নববাণী!”
বিএনপি হতে মনোনীত তুমি আজ,
আনন্দে মাতোয়ারা কাপাসিয়ার সাজ!

তুমি হও সাহস, তুমি হও ন্যায়,
অন্যায়ের মূলে আনো ভয়ঙ্কর ক্ষয়!
দুর্নীতির দানব চূর্ণ করো আজ,
চাঁদাবাজ-ঘুষখোর—সবাই হোক লাজ!

লুটতরাজের রাজ্যে জ্বালো আগুন,
তোমার হাতে ফুটুক ন্যায়ের বনধুন।
মিথ্যা মামলা, হয়রানির ছল,
জনতার কণ্ঠে আনো সত্যের বল!

দখলবাজি, দলবাজি—সব করো ছাই,
আশ্রয় প্রশ্রয়ে আর যেন না ঠাঁই!
সুদ-মাদক-ঘুষের শৃঙ্খল ভাঙো,
অন্যায়ের রাত্রিতে বজ্রের মতো ঢাঙো!

তুমি হও শাসক—কিন্তু নিরপেক্ষ বীর,
সত্যের সেনানী, অবিচল ধীর।
আইনসভায় বলো, “আমি জনতার ধ্বনি!”
ধর্ম, মত, বর্ণে আনো সাম্যের বাণী।

তুমি হও সকল ধর্মের, সকল জাতির,
তুমি হও উন্নয়নের রূপকার শির।
যোগ্য পিতার যোগ্য উত্তরাধিকার,
তুমি হও মুক্তির দীপ্ত অধিকার।

ত্রিশ লক্ষ শহীদের রক্তে ভিজে তব প্রাণ,
ইজ্জতহারা মায়ের অশ্রু তব গান।
তুমি হও মুক্তিযুদ্ধের চেতনার মশাল,
অন্যায়ের প্রাচীরে দাও বজ্রের কণাল!

জনতার স্বপ্নে তুমি দীপ্ত জ্যোতিষ্মান,
তোমার নেতৃত্বে জাগুক গর্বিত গাঁথান।
কাপাসিয়ার মাটি আজ তব নাম ধরে কয়—
“রিয়াজুলই ন্যায়ের পথে জয়!”

আজকের মনোনয়ন এক অঙ্গীকার,
তোমার হাতে জ্বালো আশার অগ্নিদ্বার।
তুমি জিতো ন্যায়ে, তুমি জিতো মান,
তুমি হও গৌরব, হে রিয়াজুল হান্নান!

জনতার ভালোবাসায় উঠুক ধ্বনি তীব্র,
অন্যায়ের দুর্গ হোক ছাই, নিঃশেষ বিভ্র!
তুমি হও আগুন, তুমি হও দিশা,
সত্যের পথেই হোক তোমার নিশা!

প্রাণ ঢালা অভিনন্দন, হে রিয়াজুল হান্নান!
তুমি হও বজ্রের, তুমি হও গান!
ত্রিশ লক্ষ রক্তধারা, মায়ের অশ্রু তোমার প্রাণ—
এই বিজয়ের প্রভাতে তোমায় জানাই প্রাণ ঢালা অভিনন্দন!
--------------------------------------------

সোমবার, নভেম্বর ০৩, ২০২৫

কেমন চাই তোমাকে, হে নেতা

 কেমন চাই তোমাকে, হে নেতা

কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা
রাওনাট, কাপাসিয়া,গাজীপুর
*************************************

হে নেতা! লাল-সবুজ চেতনার অদম্য সৈনিক,
মুক্তি যুদ্ধে অগ্রসেনা, অগ্নি বীর বাঙালি!
অন্ধকার ঝড়ে মাথা নত হবে না কখনো,
বজ্র কণ্ঠে বলবে—“আমি বাঙালি, আমি বাংলাদেশী!”

ন্যায়ের শাসক, সত্যের অবিচল কান্ডারী,
দুর্নীতি, দখল, চাঁদাবাজি—দূরে হোক ধ্বংস।
স্বৈরাচার, ফ্যাসিবাদ, মববাদের পথ হবে শূন্য,
দেশদ্রোহী, বিশ্বাসঘাতক—শাসনে আসবে না কখনো।

জনতার অধিকার ফিরবে তোমার তলে,
বৈষম্য ভেঙে যাবে, সত্যের দীপ জ্বলে।
লাল-সবুজ পতাকা উঁচু, নিরাপদ, গর্বিত, উজ্জ্বল,
দেশপ্রেমে প্রতিটি দিন হবে নতুন, অমলিন, অপ্রতিরোধ্য।

শহরে, গ্রামে, নদী তীরে, মাঠ-ঘাটে,
গর্জে উঠবে স্লোগান—“আমাদের নেতা, সাহসী, সত্যনিষ্ঠ!”
রণাঙ্গনে জাগুক অগ্নি, ভয়কে ভস্ম কর,
শিশু, যুবক, বৃদ্ধ—সবাই হবে তোর পক্ষে।

অপরাজেয় স্বপ্নে লাল সবুজের বিজয় হোক চিরকাল,
শত্রুর ভয়, জনতার আশা—সব একসঙ্গে জ্বলে, জ্বলে চিরকাল।
হে নেতা! গর্জে উঠো, ঝাঁঝালো, বলবান চিত্তে,
সত্য, ন্যায়, স্বাধীনতা—সব তোর তরে হবে অমলিন।
-------------------------------------------


০৩-১১-২০২৫

কেমন চাই তোমাকে, হে নেতা

 কেমন চাই তোমাকে, হে নেতা

কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা
রাওনাট, কাপাসিয়া,গাজীপুর
*************************************

হে নেতা! লাল-সবুজ চেতনার অদম্য সৈনিক,
মুক্তি যুদ্ধে অগ্রসেনা, অগ্নি বীর বাঙালি!
অন্ধকার ঝড়ে মাথা নত হবে না কখনো,
বজ্র কণ্ঠে বলবে—“আমি বাঙালি, আমি বাংলাদেশী!”

ন্যায়ের শাসক, সত্যের অবিচল কান্ডারী,
দুর্নীতি, দখল, চাঁদাবাজি—দূরে হোক ধ্বংস।
স্বৈরাচার, ফ্যাসিবাদ, মববাদের পথ হবে শূন্য,
দেশদ্রোহী, বিশ্বাসঘাতক—শাসনে আসবে না কখনো।

জনতার অধিকার ফিরবে তোমার তলে,
বৈষম্য ভেঙে যাবে, সত্যের দীপ জ্বলে।
লাল-সবুজ পতাকা উঁচু, নিরাপদ, গর্বিত, উজ্জ্বল,
দেশপ্রেমে প্রতিটি দিন হবে নতুন, অমলিন, অপ্রতিরোধ্য।

শহরে, গ্রামে, নদী তীরে, মাঠ-ঘাটে,
গর্জে উঠবে স্লোগান—“আমাদের নেতা, সাহসী, সত্যনিষ্ঠ!”
রণাঙ্গনে জাগুক অগ্নি, ভয়কে ভস্ম কর,
শিশু, যুবক, বৃদ্ধ—সবাই হবে তোর পক্ষে।

অপরাজেয় স্বপ্নে লাল সবুজের বিজয় হোক চিরকাল,
শত্রুর ভয়, জনতার আশা—সব একসঙ্গে জ্বলে, জ্বলে চিরকাল।
হে নেতা! গর্জে উঠো, ঝাঁঝালো, বলবান চিত্তে,
সত্য, ন্যায়, স্বাধীনতা—সব তোর তরে হবে অমলিন।
-------------------------------------------


০৩-১১-২০২৫

কাকে মন দিচ্ছো?

কাকে মন দিচ্ছো?
কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা
রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর
************************************

ওহে যুবক, ওহে যুবতী,
তুমি কাকে মন দিচ্ছো?
কখনো কি থেমে নিজেকে জিজ্ঞেস করেছো—
সে কি তোমার যোগ্য?
না কি কেবল আবেগের ঢেউয়ে ভেসে চলেছো?

প্রেম তো ফুল নয়,
প্রেম এক আগুন—
যদি সামলাতে না জানো,
পুড়ে যাবে মন, পুড়ে যাবে জীবন।

একবার যদি হৃদয়ের দরজা খোলো,
ভুল মানুষ এলে আর বন্ধ করা যায় না—
তখন মিষ্টি হাসি হয় বিষের পেয়ালা,
মায়ার আলোয় ঢেকে যায় অন্ধকার পথ।

যে প্রেমে নেই সম্মান, নেই দায়িত্ব,
সে প্রেম ধ্বংস ডাকে নিঃশব্দে—
লেখা-পড়া ফেলে, স্বপ্নগুলো পুড়ে ছাই,
নেশার কুয়াশায় হারিয়ে যায় সকাল।

প্রেম এক শিল্প—
তা জানতে হয়, গড়তে হয়,
অন্ধ আবেগে নয়, সচেতন বিশ্বাসে।
যে প্রেম আত্মাকে বড় করে,
সেই প্রেমই সত্য;
আর যে প্রেম লজ্জায় ডুবায়,
সে প্রেম অভিশপ্ত।

ওহে তরুণ, ওহে তরুণী—
মন দেওয়ার আগে মনটাকে যাচাই করো,
কারণ ভুল হৃদয়ের দাওয়ায়
নরকও জন্ম নিতে পারে ভালোবাসার নামে।
---------------------------------------


০৩-১১-২০২৫


তুমি কি নিরাপদ?

 তুমি কি নিরাপদ?

কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা
রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর
*************************************

তুমি কি নিরাপদ এই স্বাধীন দেশে?
রাস্তায় হেঁটে চল, প্রতিটি মোড়ে ভয় চাপা দমে।
ঘাট, বাগান, শহরের হাওয়ায়—
নজর রাখে অদৃশ্য অজস্র চোখ।

শাসক কি তোমার?
কোনো আদেশ কি তোমার জন্য?
ন্যায়, নিরাপত্তা, অধিকার—
সবই কি থাকে জনগণের হাতে,
নাকি শুধু শাসকের দাসত্বে বন্দি?

স্কুলে, কলেজে, পাঠশালার কোণে,
জ্ঞানচর্চা কি সত্যিই নিরাপদ?
শিক্ষক, বন্ধু, বই—সবকিছু কি
ভয়ের ছায়া ছাপিয়ে উজ্জ্বল?

পরিবারে, ঘরের প্রহরে,
প্রেম, যত্ন, আশ্রয় কি যথেষ্ট?
দরজা বন্ধ, দেয়ালের ভিতরে—
নিঃশব্দ ভয় কি লুকিয়ে থাকে?

কর্মক্ষেত্রে, পেশার মাঠে,
অধিকার, সম্মান—সবকিছু কি নিরাপদ?
তোমার শ্রমের মূল্য কি সম্মান পায়?
না কি অবহেলা ও অনিশ্চয়তার চাপে
স্বপ্ন থমকে যায় নিঃশব্দে?

রাষ্ট্রে, আদালতের আলোয়,
আইন কি সত্যিই তোমায় রক্ষা করে?
অভিযোগ কি বিচার পায়,
না কি অন্ধকারে ডুবে যায় মানবতা?

পথে, বাজারে, ঘাটে, শহরে,
প্রতিটি পদক্ষেপ কি নিরাপদ?
সড়ক, ট্রাফিক, মানুষের ভিড়ে—
ভয় কি তোমার সঙ্গী হয়ে বসে থাকে?

তুমি কি নিরাপদ?
প্রশ্নটি প্রতিটি সেক্টরে ঝরে আসে—
শিক্ষা, পরিবার, পেশা, রাষ্ট্র, রাস্তাঘাট—
সবখানে, অন্তরে, প্রতিটি মুহূর্তে।

তবু আশা আছে,
তবু স্বপ্ন আছে—
যে একদিন রোদ উঠবে,
শাসক সত্যিকারের জনতার হবে,
সবক্ষেত্রেই, সত্যিকারের নিরাপত্তা গড়ে উঠবে।
------------------------------------------


০৩-১১-২০২৫

ভয়ঙ্কর সিন্ডিকেট

 ভয়ঙ্কর সিন্ডিকেট

কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা
রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর
************************************
আঁধার পিঞ্জরে তুই, রে ভয়ঙ্কর সিন্ডিকেট,
রাজনীতি, পদবী, নীতি সব ধ্বংস করিস্ সতর্কে।
নেতার হাসি, ঘুষের খেলা, মানুষের আশা হারায়,
হৃদয়ের কোলাহলে বাজে তোর অদৃশ্য বাঁশি।

বাজারে ব্যবসা-বাণিজ্য—তেল, চাল, ডিমের দাপট,
ভয়ঙ্কর সিন্ডিকেট লুটে চলে জনতার ঘাম।
শিল্পী, কৃষক, শ্রমিক—সকলের স্বপ্নে আঁধার,
কোম্পানির ছায়া যেন, রাতের চাঁদে ধরা।

শিক্ষার মন্দির, পরীক্ষা, ফি, কোটা-ফাঁস,
ভয়ঙ্কর সিন্ডিকেট বাজায় জ্ঞান-ছিনিয়ে নেওয়ার হাসি।
মেধাবী ছাত্রের চোখে অন্ধকার,
শিক্ষক-মন্ত্রীর ছলে নিঃশ্বাস হয় ফাঁকা।

চিকিৎসালয়ে মৃত্যু, ঔষধে লোভের খেলা,
ডাক্তার নয়, কোম্পানি—ভয়ঙ্কর সিন্ডিকেটের খেলা।
বিমার চিৎকারে মিশে বাণিজ্যের স্রোত,
মানবতার আশা নেমে যায় নিঃশব্দ ছায়ায়।

দাঁজাবাজি, দখলবাজি—গ্রামের জমি, শহরের খাতা,
মন্ত্রনালয় হাসে, নথি-কলমে থাকে তোর ছাপ।
সড়ক, পরিবহন, ব্রিজ ভাঙা, টোল-ঘুষের রাজ্য,
ভয়ঙ্কর সিন্ডিকেট দাপটে, পথচারীর ভয়ে হাস্য।

লোকাল রাজনীতি, স্বার্থের খেলা,
গণতন্ত্র হারে, দালাল পায় জয়।
সাহিত্য, কবিতা, সংস্কৃতির মঞ্চ,
ভয়ঙ্কর সিন্ডিকেটের ছায়ায় চুপচাপ, স্রষ্টার সুর নিঃশ্বাসে।

আইন-আদালত—ন্যায়ের চেয়ে চালাকি,
ভয়ঙ্কর সিন্ডিকেট লুকায় সত্যের নৃত্য।
বিচার আর ন্যায়—দূরে ঘুরে বায়ু,
শুধু লোভের পাখি উড়ে, অন্ধকারে নিশ্বাসে।

তবু জনতার হৃদয়, নদী-স্রোতের মতো,
ধীরে ধীরে বয়ে ওঠে প্রতিরোধের ছোঁয়া।
একদিন ভাঙবে তোর আঁধার, রে ভয়ঙ্কর সিন্ডিকেট,
ফোটাবে নতুন প্রভাত—মুক্তির আলো, সত্যের ছায়া কাটে।

সকল সেক্টরে—রাজনীতি, ব্যবসা, শিক্ষা, চিকিৎসা,
দাঁজাবাজি, দখলবাজি, সড়ক, সাহিত্য, আইন,
ভয়ঙ্কর সিন্ডিকেটের ছায়া শেষ হবে একদিন,
মানুষ হাসবে মুক্ত, নতুন প্রভাতে—আলোর দেশে।
--------------------------------------------


০৩-১১-২০২৫

লেখা আছে অশ্রুজলে

 লেখা আছে অশ্রুজলে

কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা
রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর
********************************************

রাত্রি ছিল ঘন, ধরণী যেন স্থির,
আকাশে নিঃশব্দ ক্রন্দন— দীর্ণ গগন-বীণা।
ঢাকা-কারাগার— প্রাচীরবন্দিনী ইতিহাস,
যেথা চার দীপ্ত আত্মা বসে নীরব ধ্যানধারায়।

অন্ধকারে ভাসে মৃদু প্রার্থনা—
“হে পরম প্রভু, তব নামে করি সমর্পণ!”
রুদ্ধ নিঃশ্বাসে চঞ্চল বাতাস,
স্রোতবেগে ছুটে আসে মৃত্যুর রথ।

তাজউদ্দীনের তেজে কম্পে লৌহদ্বার,
স্যার সৈয়দ নজরুলের উচ্চনয়ন প্রভায় ঝলকায় সাহস,
মনসুরের হৃদয় — ধর্মের প্রতীক,
কামারুজ্জামান — ধ্যানমগ্ন তপোবন-বনপ্রাণ।

তবু!
হায়! হঠাৎ গর্জে উঠে কালপ্রহর,
বন্দুকের বজ্রনাদে ছিন্ন হলো প্রাণের মালা।
বেয়নেটের ক্ষুরধার ঝিলিকে— রক্ত-অরুণ দীপ,
ভিজিল ভূমি, কম্পিল আকাশ, নীরব হ’ল প্রহরীও।

সে রাত্রি— যেন প্রলয়ের অরুণোদয়,
দিগন্তে বয়ে যায় রক্তস্রোত-সঙ্গীত।
বাংলার মাটি সে রক্ত পান করে বলল—
“ওরে আমার সন্তান, তোমরা অমর!”

দিগ্‌দিগন্তে প্রতিধ্বনি তোলে শোকধ্বনি—
“জাগো, জাগো বঙ্গজন, রক্তে লেখা তোমার পথ।”
বাতাসে ভাসে মৃত্যুর গন্ধ, অথচ—
জীবন নবতর হয় আত্মোৎসর্গের পূণ্যতেজে।

হে অনন্ত করুণাময়,
যাদের রক্তে তব ভূমি পেল মুক্তি,
যারা নিঃশেষে উৎসর্গ করিল প্রাণ,
তাদের তুমি দান করো চির-শান্তি, চির-আলো।

হে আল্লাহ্‌,
চতুর্মহান বীরকে তুমি রাখো
জান্নাতুল ফেরদৌসের উদ্যান-প্রান্তে,
যেথা কল্যাণের নদী বহে, জ্যোত্স্না ঝরে স্নিগ্ধে।

আমীন —
তব করুণা-ছায়ায় থাকুন তারা চিরজাগ্রত,
বাংলার রক্তে, বাংলার রোদে, বাংলার প্রাতে।
---------------------------------------


০৩-১১-২০২৫

রবিবার, নভেম্বর ০২, ২০২৫

স্বাধীনতা একবার হারালে

 

স্বাধীনতা একবার হারালে
কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা
রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর
********************************************

ওহে শুনো! স্বাধীনতা একবার হারালে —
বুকের আগুন নিভে যায় অন্ধকার জ্বালে।
রক্তস্রোত থেমে যায় লজ্জার ভয়ে,
বীরের জাতি ভিক্ষে চায় দাসের নয়নে।

মাটির গন্ধ তখন হয় পরদেশি,
নিজের ঘরে পরের শাসন, যেন বিষম খেসি।
জন্মভূমি কাঁদে তখন সন্তানহারা,
আত্মা জ্বলে, বিবেক মরে, বাঁচে শুধু কারা?

যারা রক্তে গড়েছিল স্বপ্নের দেশ,
তাদের গানে আজ কাঁপে কফিনের রেশ।
স্বার্থলোভে নেতা হয় মীরজাফর নতুন,
মিথ্যা বাণী বেজে উঠে সভার সংগীতন।

পদে পদে বেচে যায় দেশের মান,
চাঁদাবাজে ঢেকে ফেলে বীরের গান।
শিক্ষায় বিষ, ধর্মে কপটতা,
মানুষ মরে মানবতার অপচয়তা।

তবু একদিন ইতিহাস জাগে রণতূর্যে,
রক্তের ঘ্রাণে বাজে মুক্তির সূর্যে।
যে জাতি রক্তে গড়ে নিলো পতাকা,
সে আবার জ্বালাবে ন্যায়ের আগুনে আঁকা।

ওহে মানব! সাবধান এখনি তবে —
স্বাধীনতার মুল্য রক্তে লেখা সবে।
একবার হারালে — ফিরে আসে না সে,
চিরনিদ্রায় শোয় জাতি লজ্জার দেশে।
-----------------------------------------


০২-১১-২০২৫


মুসল্লি শুন্য ওয়াজের মাহফিল

 মুসল্লি শুন্য ওয়াজের মাহফিল

কলমেঃ মোঃ আমিনুল এহছান মোল্লা
রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর
****************************************

বাজে মাইকে সুরেলা সুর,
হুজুর কাঁদেন — “ফিরে এসো, ওহে নূরে-হায়াত, ওহে প্রাণের নূর!”
তবু মাঠে নেই কেউ, ফাঁকা চেয়ার সারি,
চাঁদের আলোয় নীরব আজ তাওহীদের বাজারি।

মঞ্চে জ্বলে রঙিন বাতি,
ওয়াজ শুরু হয় — তবু মুসল্লি নাহি।
এক পাশে চায়ের দোকানে মুখর গুঞ্জন,
ধোঁয়ার ছায়ায় হারায় ইমানের রওশন (আলোর ঝলক)।

মাইকে বাজে তাফসিরে কুরআন,
তবু মন পড়ে থাকে মোবাইলের দুনিয়ায় গিরফতমান।
নামী হুজুর, দামি ব্যানার, মহা আয়োজন,
তবু মুসল্লি? — গোনা যায় আঙুলে সেই গণন!

খুশবুতে (সুগন্ধে) ভরে চারিদিক,
মেহমান আসে, খায় — যায় নির্দ্বিধিক।
কেউ বসে না মঞ্চে, শোনে না বাণী,
তবু শেষে প্রশংসা — “মাশাআল্লাহ! ওয়াজটা ছিলো জানি!”

একদল এলে আরেকদল নাই,
ওয়াজেও আজ সিয়াসতের ছায়া পাই।
মঞ্চে মঞ্চে মুখের বাহার,
কে বড় আলেমে-দ্বীন, কে বড় নামধার?

ওয়াজের মাহফিল আজ যেন সাজানো মনজারাহ (দৃশ্য),
বক্তা আছেন, শ্রোতা নাই — এ কেমন বেজার রীতি!
তাওহীদের সুর পড়ে যায় ধুলায়,
আল্লাহর নামে আজ হাসির তুলায়।

হে প্রিয় মুসল্লি, কোথায় তুমি হারাও?
ওয়াজের মাঠে কেন চায়ের কাপে ডুবে যাও?
যে দিন ফিরবে হৃদয়ে ঈমানের তেজ,
সেদিন জেগে উঠবে মাহফিলে ইসলাম, মঞ্চ আর দেশ!
---------------------------------------------------------


০২-১১-২০২৫

তোমাকে সংবর্ধনা হে গুণীজন

  কলমেঃ মোহাম্মদ আমিনুল এহছান মোল্লা রাওনাট,কাপাসিয়া,গাজীপুর। ***************************************** তোমাকে সংবর্ধনা হে গুণীজন...